ইনসাইড বাংলাদেশ

নওগাঁয় যুবককে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশ: ১০:১১ পিএম, ১০ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

নওগাঁর মান্দায় ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধের জেরে মোঃ শরিফ (২৩) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা।

 

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার কশব ইউনিয়নে তুড়ুকবাড়িয়া এলাকায় আকন্দ পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

 

নিহত মোঃ শরিফ কশব ইউনিয়নে তুড়ুকবাড়িয়া গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন। 

 

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) তুড়ুকবাড়িয়া হাইস্কুল মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়। পরে স্থানীয়রা মীমাংসার চেষ্টা করেন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তড়ুকবাড়িয়া মোড় থেকে শরীফ ক্যারামবোর্ড খেলে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় শরিফের উপস্থিতি টের পেয়ে একই গ্রামের মো. আহম্মদের ছেলে মো. সুলতান ও মো. জিয়াউর রহমানের ছেলে পারভেজ ধারালো হাসুয়া দিয়ে পেছন থেকে শরিফের পিঠে কোপ দেয়। কোপ খেয়ে আহত শরিফ বাঁচার জন্য দৌড় দিয়ে রাস্তার ওপর পড়ে যায়। এরপর তারা দুজন মিলে আবারও শরিফের পিঠে ধারালো হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে জখম করে।

 

পরে আহত শরিফ তার নিজ বাড়ির বারান্দায় এসে পড়ে যায়। তার পরিবারের লোকজন চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার সময় মারা তিনি যান। শরিফ হত্যার বিষয়টি গ্রামে ছড়িয়ে পড়লে লোকজন সুলতানের বাড়ি ঘেরাও করে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় সুলতানের মা সেলিনাকে তার নিরাপত্তার জন্য থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক কাজী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। হত্যার ঘটনায় তদন্ত শুরু করা হয়েছে। নিহত শরিফের লাশ থানায় নিয়ে সকালে নওগাঁ জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


কুপিয়ে হত্যা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সাভারে এক কোটা আন্দোলনকারী নিহত

প্রকাশ: ০৫:১৬ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

ঢাকার সাভারে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় গুলিতে এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৩ টা ৪০ মিনিটে নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এনাম মেডিকেলের ডিউটি ম্যানেজার ইউসুফ আলী। 

নিহত ওই শিক্ষার্থী ঢাকার মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

এনাম মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের ডিউটি ম্যানেজার ইউসুফ আলী বলেন, এখন পর্যন্ত একজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। তার নাম ইয়ামিন। তিনি ঢাকার মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। এর বেশি তথ্য নেই।

তিনি আরও জানান, ‘নিহত শিক্ষার্থীর শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে। আহত আরও পাঁচজনকে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


জুলাই   এইচএসসি   পরীক্ষা   স্থগিত  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘কোটা আন্দোলনে নিহতের ঘটনা তদন্তপূর্বক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে’

প্রকাশ: ০৫:১৬ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটা আন্দোলনে নিহত হওয়ার প্রতিটি ঘটনা সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতি এ আহ্বান করা হয়।

বিবৃতি বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের চলমান কোটা বিষয়ক আন্দোলনের সার্বিক পরিস্থিতি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সৃষ্ট সংঘাতে কমিশন নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছে। পাশাপাশি, কমিশনের পক্ষ থেকে আহতদের সুষ্ঠু চিকিৎসার জন্য সরকারকে জোর আহ্বান জানানো হচ্ছে।   

বিবৃতিতে কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, সংঘাত নিরসনে সকল পক্ষের ধৈর্য, সহমর্মিতা ও সহনশীলতার পরিচয় দেয়া গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো ধরনের প্রাণহানি ও হতাহতের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত ও বেদনাদায়ক। প্রতিটি প্রাণ দেশ, জাতি ও পরিবারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে নিহত হওয়ার প্রতিটি ঘটনা সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি, নিহতদের পরিবারকে যথাযথ সহায়তার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কমিশন মনে করে, সকল শিক্ষার্থীর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। 

একদিকে যেমন সর্বোচ্চ আদালতের চলমান কার্যক্রম ও আপাতত নির্দেশনা কোটা সংস্কার বিষয়ক উদ্ভূত সংকট নিরসনে একটি উজ্জ্বল সম্ভাবনার সৃষ্টি করছে, অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর পারস্পরিক আলোচনা ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি স্থায়িত্বশীল ও যৌক্তিক সমাধানের রূপরেখা প্রণয়ন গুরুত্বপূর্ণ। অবরোধ, সংঘর্ষ ও সহিংসতা পরিহারপূর্বক জনদুর্ভোগ নিরসনের মাধ্যমে জনজীবনে শান্তি ও শৃঙ্খলা আনয়ন এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা পরিচালনে সহায়তা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কমিশন আহ্বান জানাচ্ছে। কমিশন বিশ্বাস করে, সকল পক্ষের আন্তরিক ও সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় উদ্ভূত সমস্যার কাঙ্ক্ষিত সমাধান অচিরেই নিশ্চিত হবে।

কোটা আন্দোলন   জাতীয় মানবাধিকার কমিশন   ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বিটিভিতে আগুন দিল আন্দোলনকারীরা

প্রকাশ: ০৫:০৪ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) ক্যানটিন, রিসিপশন গাড়িতে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে সঠিক তথ্য না প্রচার করা সরকারের পক্ষে নিউজ করার অভিযোগ তুলে হামলা চালায় আন্দোলনকারীরা।

বিটিভির ক্যান্টিন, রিসিপশন গাড়িতে আগুন দেয় তারা। বাড্ডায় চলে দফায় দফায় সংঘর্ষ।

এদিকে কোটা সংস্কারের দাবিতেকমপ্লিট শাটডাউনেরমধ্যে রাজধানীর মেরুল বাড্ডা, রামপুরা, বনশ্রী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে আন্দোলনকারী ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে।  ঘটনায় শিক্ষার্থী-পুলিশসহ দুই শতাধিক আহত হয়েছেন।


বিটিভি   আগুন   দিল   আন্দোলনকারীরা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সরকারের সাথে আলোচনা নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা দ্বিধাবিভক্ত

প্রকাশ: ০৫:০২ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

অবশেষে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে অপরাহ্নে কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে, শিক্ষামন্ত্রী এবং তিনি চাইলে আজকেই আলোচনায় বসতে রাজি আছেন। 

এর আগে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশিত হয়। সেই বিবৃতিতে আলোচনার পথ খোলা আছে বলে উল্লেখ করা হয়। এর পরপরই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আইনমন্ত্রী, অ্যাটর্নি জেনারেল, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ উপদেষ্টা সহ আরও কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আলোচনার প্রস্তাব গ্রহণ করেন এবং আলোচনার জন্য আইনমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীকে দায়িত্ব দেন। এরপর শিক্ষামন্ত্রীকে সাথে নিয়ে আইনমন্ত্রী সংসদ ভবনের টানেলের সামনে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে কথা বলেন। সেখানে তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে সরকারের আলোচনার প্রস্তাবে সম্মতির কথা জানান। 


কিন্তু সরকারের এই আলোচনার প্রস্তাবের পর সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ নিয়ে বিভক্তি দেখা দিয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা কোটা সংস্কার আন্দোলনকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার পক্ষপাতী, তারা এই প্রস্তাবকে ইতিবাচক ভাবে দেখেছেন এবং তারা আলোচনায় বসতে আগ্রহী। ইতোমধ্যে অনানুষ্ঠানিকভাবে সরকারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী কয়েকজন সমন্বয়কের বৈঠকের খবর পাওয়া গেছে। এই বৈঠক থেকেই তারা আলোচনার জন্য ইতিবাচক সাড়া দিয়েছিলেন এবং বৈঠকের পরই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়, যে বিবৃতিতে আলোচনার পথ উন্মুক্ত রাখার কথা বলা হয়েছিল। 


তবে শিক্ষার্থীদের যখন আনুষ্ঠানিক ভাবে আইনমন্ত্রী আলোচনার প্রস্তাব দিলেন, তখন এই আন্দোলনের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা জামায়াতে ইসলাম, ছাত্রশিবির এবং ছাত্রদল আলোচনার ব্যাপারে অনীহা প্রকাশ করেছে বলে জানা গেছে। তারা আলোচনা না করে আন্দোলনকে অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। শিবির নিয়ন্ত্রিত আন্দোলনকারীদের একাংশ বলছে যে, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করতে হবে। যে সমস্ত ঘটনাগুলো ঘটেছে তার বিচার করতে হবে, তাহলে তারা আলোচনায় বসবে। তবে কোটা সংস্কারের সাথে সাধারণ শিক্ষার্থী যারা যুক্ত আছেন, তারা বলছেন যে এই মুহূর্তে সরকারের যে আলোচনা প্রস্তাবটা গ্রহণ করা উচিত। তারা মনে করছেন যে দীর্ঘদিন ধরে এই আন্দোলনকে টেনে নিয়ে গেলে তা হিতে বিপরীত হবে এবং এই আন্দোলন জনভোগান্তির কারণ হবে। জনগণ তাদের বিপক্ষে চলে যাবে। 

তবে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের পক্ষে অত্যন্ত দুজন বাংলা ইনসাইডারকে বলেছেন, তারা এখন এই প্রস্তাবটি নিয়ে আলোচনা করছেন। আজকের কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচির পর তারা নিজেদের মধ্যে অনলাইন এবং অফলাইন যোগাযোগ করবেন এবং এ সমস্ত যোগাযোগের পর তারা আনুষ্ঠানিক অবস্থান ব্যক্ত করবেন। তবে সরকার কোটা আন্দোলনকারীদের মধ্যে যারা রাজনীতি প্ররোচনামুক্ত তাদেরকে আলাদা করতে চাইছে। শিবির এবং ছাত্রদলের নিয়ন্ত্রণ থেকে কোটা আন্দোলনকে মুক্ত করতে চাইছে। আর সে কারণেই যারা শিবির এবং ছাত্রদল দ্বারা প্রভাবিত নয় তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন বলেও জানা গেছে।

সরকার   আলোচনা প্রস্তাব   কোটা আন্দোলন   আইনমন্ত্রী   আসিনুল হক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪:৪৮ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটা নিয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনায় বসে সরকার শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে এগোতে চায় বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে কোটা নিয়ে চলমান আন্দোলন বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

চলমান আন্দোলন ইস্যুতে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে তাদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বেশ কিছু ইতিবাচক বার্তা পেয়েছি। তারা বলেছে যে, তারা পড়ার টেবিলে ফিরতে চায়। আমরাও চাই তারা পড়ার টেবিলে ফিরুক। তাদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, তারা সরকারের কাছ থেকে দৃশ্যমান পদক্ষেপের মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজছে। সরকারও সমাধানই করতে চায়। 

তিনি বলেন, কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীরা আলোচনার পথে যেতে চায়। সরকারের পক্ষ থেকেও আলোচনার দরজা খোলা আছে।

এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনকারীরা সবচেয়ে ইতিবাচক যে বক্তব্যটি দিয়েছে তা হলো, চলমান ভাঙচুর, অগ্নিকাণ্ড ইত্যাদির সাথে 'বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন' কোনোভাবেই জড়িত নয়। অর্থাৎ, তারা স্বীকার করে নিয়েছে যে, আন্দোলনের নামে সহিংসতা ও সন্ত্রাস হচ্ছে। 

এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের তাদের ধন্যবাদ জানানোর পাশপাশি সহিংসতা ও সন্ত্রাসমূলক কার্যক্রমকে নিন্দা জানান। 

এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আমাদের বক্তব্য একই। এমনকি দেশের সররকার প্রধানও বিশ্বাস করেন শিক্ষার্থীরা সহিংসতার সাথে জড়িত নয়। 

এসময় তিনি চলমান আন্দোলনে তৃতীয় পক্ষ ঢুকে পড়েছে বলে মন্তব্য করেন। 

তিনি বলেন, আন্দোলনকারীরা বলেছেন চলমান আন্দোলনে কেউ সহিংসতা করলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এর দায়ভার নিবে না। আমরাও মনে করি, যেহেতু আন্দোলনের ভিতরে সন্ত্রাস ও সহিংসতার উপাদানগুলো দৃশ্যমান, কাজেই আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। 

এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্যেও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন। একইসঙ্গে আন্দোলনকে সন্ত্রাস ও সহিংসতার মাধ্যমে কেউ যেন ভিন্নখাতে প্রবাহের প্রচেষ্টা না করে সে বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বিষয়টি উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। 

এসময় তিনি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা যাতে পড়ার টেবিলে ফিরতে পারেন সেজন্য আলোচনায় বসে একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে এগোতে সরকার দৃঢ় পরতিজ্ঞ বলেও উল্লেখ করেন। 


তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী   মোহাম্মদ আলী আরাফাত   কোটা   আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন