ইনসাইড বাংলাদেশ

ছাগলকাণ্ড: শতকোটি টাকার মালিক মতিউরের ক্যাশিয়ার

প্রকাশ: ০৮:৪৬ এএম, ১১ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

ছাগলকাণ্ডে আলোচিত মতিউরের তথাকথিত ক্যাশিয়ার তোফাজ্জল হোসেন ফরহাদ ছিলেন একজন সাধারণ বীমা কর্মী। শুধু অন্যের টাকা-পয়সার হিসাব রাখার মধ্যেই সীমিত থাকার লোক নন তিনি। তাই তো মতিউরের সঙ্গে সঙ্গে ফুলেফেঁপে উঠেছে তার নিজের অর্থ-সম্পদ।

আলিশান বাড়ি থেকে শুরু করে পুঁজিবাজারে মোটা বিনিয়োগ, তালিকাভুক্ত কোম্পানির লাখ লাখ শেয়ারের মালিকানা রয়েছে তার। দুই ছেলেসহ নিজের নামে গ্লোবাল সু কোম্পানিতে আছে প্রায় ৫০ লাখ শেয়ার। ছাড়া গ্লোবাল ম্যাক্স, অর্ণব ট্রেডিং, সিনার্জি ট্রেডিংসহ বেশ কিছু কোম্পানির মালিকানায় রয়েছেন ফরহাদ।

নিজ এলাকা নোয়াখালীতেও গড়েছেন অঢেল সম্পদ। শেয়ারবাজার থেকে কারসাজির মাধ্যমে বিপুল মুনাফা করার পর ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চাকরি ছেড়েছেন। এরপর মতিউরের দাপটে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান সাধারণ বীমা করপোরেশনের পরিচালকে বনে গেছেন এই ফরহাদ। সেখানে নানা অনিয়মের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে বীমা উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) পিছু হটতে বাধ্য হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, তোফাজ্জল হোসেন ফরহাদ কর্মজীবনের বড় সময় পার করেন গ্রিন ডেলটা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে। শুল্ক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের সংস্পর্শে এসে বদলে যায় তার জীবন। বাড়তে থাকে সম্পদ প্রতিপত্তি। মাত্র এক দশকের ব্যবধানে ফরহাদ তার পরিবার এখন প্রায় শতকোটি টাকার সম্পদের মালিক। ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির কর্মী হলেও বড় শিল্পোদ্যোক্তারাও তার প্রভাব-প্রতিপত্তির কাছে ম্লান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তোফাজ্জল হোসেন ফরহাদ বর্তমানে মতিউরের পারিবারিক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এসকে ট্রিমসের চেয়ারম্যান। এই কোম্পানিতে তার শেয়ার সংখ্যা ১৬ লাখ ৯৪ হাজার। আর এসকে ট্রিমসের নামে রয়েছে অন্য সাত কোম্পানির প্রায় ২০ কোটি টাকার প্লেসমেন্ট শেয়ার। সিনার্জি ট্রেডিংয়ে আছে ফরহাদের ৫০ হাজার শেয়ার। ছাড়া গ্লোবাল সু কোম্পানিতে ফরহাদ তার দুই ছেলের নামে প্রায় ৫০ লাখ শেয়ার রয়েছে। এর মধ্যে তার নিজের নামে আছে ১৬ লাখ ২২ হাজার ৪৫২টি শেয়ার। আর তার ছেলে তাসাদ্দিক হোসেন ফারাবির নামে ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৬৬৬ এবং মোসাদ্দেক হোসেন রাইবির নামে ১৬ লাখ ২১ হাজার ৮৮২টি শেয়ার রয়েছে। যদিও দুদকের নোটিশের জবাবে ফরহাদ জানিয়েছিলেন, তার সন্তানদের নামে ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে কোনো সম্পদ নেই।

আইডিআরএ সূত্র জানায়, সাধারণ বীমা করপোরেশনের পরিচালক থাকাকালে তোফাজ্জল হোসেন ফরহাদের বিরুদ্ধে রি-ইন্স্যুরেন্সে ক্লেইম বা দাবি আটকে রেখে অনৈতিকভাবে কমিশন গ্রহণের অভিযোগ ওঠে। আর পরিচালকের ক্ষমতা ব্যবহার করে নিয়োগ, পদোন্নতি বদলিতেও তিনি প্রভাব বিস্তার করতেন। মতিউরের সহযোগিতায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট-ট্যাক্স ফাঁকির ব্যবস্থা করে দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে ফরহাদের বিরুদ্ধে। ছাড়া তার বিরুদ্ধে সাধারণ বীমার পদ ব্যবহার করে অবৈধ কমিশন বাণিজ্যে জড়িত থাকারও অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ফরহাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিল বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ। সেই প্রক্রিয়া বেশিদূর অগ্রসর হয়নি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন এক কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে তদন্ত থেমে যায়। মতিউরের শুভাকাঙ্ক্ষীরাও ওই তদন্ত বন্ধের জন্য তৎপর ছিলেন।

জানা গেছে, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক) ফরহাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিল। তদন্তে তার নামে গ্রিন ডেলটা সিকিউরিটিজ, মসিউর সিকিউরিটিজ, আইসল্যান্ড সিকিউরিটিজ এবং লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজে ছয়টি বিও অ্যাকাউন্টের তথ্য পায় দুদক। এসব বিওএর মাধ্যমে তিনি পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করেছেন। ছাড়া বাড়ি-গাড়িসহ বিপুল সম্পদের তথ্য পাওয়া গেলেও সেই তদন্ত বেশিদূর অগ্রসর হয়নি।

বিষয়ে তোফাজ্জল হোসেন ফরহাদ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, মতিউর রহমানের সঙ্গে আমার শুধু শেয়ার সংক্রান্ত্র ইস্যুতে লেনদেন হয়েছে। এক টাকার নগদ লেনদেন হয়নি। আইডিআরএর তদন্তে চাপ প্রয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি বীমা কর্মী; দীর্ঘদিন বীমায় চাকরি করেছি। আমি কীভাবে প্রভাব বিস্তার করব? আর সব সম্পদের কথা কর ফাইলে উল্লেখ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

(তথ্যসূত্র: কালবেলা, ১১ জুলাই ২০২৪)


ছাগলকাণ্ড   মতিউর   ক্যাশিয়া   বীমা   কর্মী   শতকোটি   মালিক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সিরাজগঞ্জে মহাসড়ক অবরোধ, ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

প্রকাশ: ০৪:২৬ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সারা দেশে ‘'কমপ্লিট শাটডাউনের'’ অংশ হিসেবে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম মহাসড়ক আড়াই ঘণ্টা ধরে অবরোধ করে রেখেছিলেন কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীরা। এ সময় উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

 

এদিকে সিরাজগঞ্জ শহরের ইবি রোড এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে।

 

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই') সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কের কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল ওভারব্রিজ এলাকায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জড়ো হন।

 

এরপর টায়ার জ্বালিয়ে মহাসড়কের ঢাকা থেকে উত্তরাঞ্চলগামী রুট অবরোধ করেন তাঁরা। 

এ সময় তারা লাঠিসোঁটা হাতে ‘তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার’ এবং পুলিশের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আন্দোলনকারীদের দমনের চেষ্টা করে। পরে টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে দুপুর ২টার দিকে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়।'

 

এদিকে দুপুর ১২টার দিকে সিরাজগঞ্জ শহরের ইবি রোড এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। ঘণ্টাখানেক পর সংঘর্ষ থেমে গেলেও বিএনপি নেতাকর্মীদের নবদিপুর এলাকায় জমায়েত হয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। এ সময় আশপাশের এলাকায় সতর্ক বস্থায় রয়েছে পুলিশ।  

 

সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. আরিফুর রহমান মণ্ডল বাংলা ইনসাইডার কে জানান, যারা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নতা ঘটানোর চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নাশকতা এড়াতে সিরাজগঞ্জ শহর ও মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।


সড়ক যোগাযোগ   যান চলাচল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সরকারের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

প্রকাশ: ০৪:০৮ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলন নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের আলোচনার প্রস্তাবের পর সেই বিষয়ে মতামত জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে আইনমন্ত্রীর আলোচনার প্রস্তাবের পর গণমাধ্যমকে মতামত জানান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম।

তিনি বলেন, ‘কোটা সংস্কারের বিষয়ে সরকারের আলোচনার প্রস্তাবের বিষয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা চলছে, পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

এর আগে মন্ত্রী বলেন, আন্দোলনকারীদের আলোচনার প্রস্তাবকে স্বাগত জানায় সরকার। আমাকে ও শিক্ষামন্ত্রীকে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ওরা চাইলে আমরা আজকেই আলোচনায় বসতে রাজি। 


সরকার   প্রস্তাব   আলোচনা   বিষয়   সিদ্ধান্ত   বৈষম্য   বিরোধী   ছাত্র   আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পটুয়াখালীতে কোটা আন্দোলনকারীদের সাথে ছাত্রলীগ-যুবলীগের সংঘর্ষ, আহত ২০


Thumbnail

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনকারীদের ডাকা কমপ্লিট শাটডাউন সফল করতে বাউফল -পটুয়াখালী সড়কের মুরাদিয়া বোর্ড অফিস ব্রিজের উপরে বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিলে অতর্কিত হামলা চালায় ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতাকর্মী ও পুলিশ। এতে প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। 

 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল দশটার দিকে দুমকি আজিজ আহম্মেদ ডিগ্রি কলেজ, জয়গুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহ অন্যান্য স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা কোটা বিরোধী নানা শ্লোগান দিয়ে রাস্তা অবরোধ করে।

 

পরে ছাত্রলীগ যুবলীগ নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল যোগে সেখানে গিয়ে লাঠিসোটা নিয়ে তাদের ধাওয়া করে। একইসাথে হামলা চালায় পুলিশ।

এতে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। ত্রিমুখী সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ২০ জন আহত হয়। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদের মধ্যে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসান শিকদার এবং মুরাদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ ফারুককে আহত অবস্থায় দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করা হয়েছে।


কোটা আন্দোলন   পুলিশ   আন্দোলনকারী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

গুলিবিদ্ধ ও আহত হয়ে ঢামেকে ৩৩ জন

প্রকাশ: ০৩:৫৬ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত ৩৩ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে আনা হয়।

ঢামেকে আসাদের মধ্যে রয়েছেন যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় গুলিবিদ্ধ মো. রিয়াদ (২৩) আশরাফুল (২৩), পারভিন (৩০), সায়েন্সল্যাবে গুলিবিদ্ধ তানিম (১৭), যাত্রাবাড়ীর জনপথের মোড়ে ইট-পাটকেলে আহত হয়েছেন বিআরটিসি বাসের চালক উজ্জ্বল (৩২)। রামপুরা ব্রিজের উপর ককটেল বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন ফজলুল হক মিলন (৫৫)।

এছাড়াও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন রেসিডেন্স মডেল কলেজের শিক্ষার্থী আবির হোসেন পিয়াস (২১), নর্দান ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী হাসিবুল (২২), সিদ্ধেশ্বরী কলেজের শিক্ষার্থী রাইভী (২০), গুলিবিদ্ধ উত্তরা রেসিডেন্স মডেল কলেজের শিক্ষার্থী সৌমিক (২০), সিদ্ধেশ্বরী কলেজের শিক্ষার্থী সাদমান সাইফ (২৩), যাত্রাবাড়ী এলাকায় গুলিবিদ্ধ পথচারী মইনুল ইসলাম (২৫), উত্তরা থেকে ইমরান (১৮), শিক্ষার্থী মোজাম্মেল (১৯), ৭১ টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার নাদিয়া শারমিন (৩৭) ও ক্যামেরাপার্সন সৈয়দ রাশেদুল হাসান (৩২), বাদামতলী এলাকা থেকে কিশোর জয়নাল (১১), যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে পথচারী আনোয়ার (৪৪), সিদ্ধেশ্বরী হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সোনিয়া (১৪), ইসমাইল (৪৬), ইমরান (১৮), মোজাম্মেল (২৫), তারেক (১৮), অজ্ঞাত (১৮), মুজাহিদুল ইসলাম (২৩), শাকিল (৪৪), তারেক (৩০), অজ্ঞাত (১৮), সিয়াম (১৮), আরিফ (১৮), ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থী তাহাসিন (২৪), উত্তরা ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থী তাহসিন (২৩), মারিয়া (২৩)।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে গুলিবিদ্ধসহ আহত অন্তত ৩৩ জন ঢাকা মেডিকেল এসেছেন। জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা চলছে।  


গুলিবিদ্ধ   আহত   আন্দোলকারী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

উত্তরায় সংঘর্ষে নিহত ২, বাড্ডায় ১, আহত শতাধিক, থানায় আগুন

প্রকাশ: ০৩:৪৪ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সাব্বির আহমেদ সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘সংঘর্ষে নিহত এক ছাত্রকে সোয়া ১২টার দিকে আমাদের হাসপাতালে আনা হয়। শতাধিক ছাত্র আহত অবস্থায় এই হাসপাতালে আসে। তাঁদের অনেককেই চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বেলা তিনটা পর্যন্ত হাসপাতালে প্রায় ৩০ জন আহত শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এদিকে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ মাহমুদুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, সেখানে ৪০০ জনের বেশি আন্দোলনকারী আহত হয়ে তাঁদের হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে একজন মারা গেছেন। তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রাজধানীর উত্তরায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও র‍্যাবের সংঘর্ষ আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার পর থেকে শুরু হয়।  সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা উত্তরার জমজম টাওয়ারের সামনে জড়ো হন। পরে তাঁরা মিছিল নিয়ে মূল সড়কে উঠতে চাইলে পুলিশ ও র‍্যাব তাঁদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। পরে সংঘর্ষ   বাঁধে।


সংঘর্ষ   উত্তরা   নিহত   আহত   শতাধিক   উত্তরা   পূর্ব   থানায়   আগুন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন