ইনসাইড বাংলাদেশ

ভারত-বাংলাদেশ-চীন এক ত্রিভুজ প্রেমের গল্প

প্রকাশ: ০৬:০৩ পিএম, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১


Thumbnail

২০১৪ সালে যখন আওয়ামী লীগ টানা দ্বিতীয়বারে মত বাংলাদেশের ক্ষমতা গ্রহণ করলো তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রায় এক সপ্তাহ পরে অভিনন্দন বার্তা জানায় চীনা সরকার। কিন্তু সেই একই অভিনন্দন ২০১৮ সালের এসে ভারত ও চীনের মাঝে এক প্রকার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রূপ নেয়। নির্বাচনের পরদিন ভারতের পরেই চীন সরকার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যেভাবে দ্রুত গতিতে অভিনন্দন জানিয়েছে তাতে অনেকে বেশ অবাক হয়েছে।

আসলে কি ঘটে গেলো ওই পাঁচ বছরে আর কিবা ঘটে গেছে বিগত ১২ বছরে বাংলাদেশের সাথে চীন ও ভারতের মাঝে সম্পর্কে? বিশাল এক প্রশ্নবোধক কিন্তু উঁকি দেয় বাংলাদেশ কিভাবে প্রতিবেশী এই বৃহৎ সুপার পাওয়ারদের সামলে যাচ্ছে বিগত বছর গুলোতে। বাংলাদেশ নিয়ে বৃহৎ শক্তিগুলোর এমন টানা টানিতে মনে হতেই পারে এক নায়িকাকে কেন্দ্র করে যুদ্ধের ময়দানে নেমে পড়েছে শক্তিশালী দুই নায়ক। হার জিত যারি হোক না কেনো আঁখের লাভ আসলে বাংলাদেশ কতটুকু তুলতে পারলো তাই এখন সবচেয়ে বড় মাথা-ব্যথার কারণ।

চীন ও ভারত দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর মাঝে ২০০৯ সাল থেকেই এক ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে শেখ হাসিনার সরকার। বাংলাদেশের কাছে ভারত এবং চীনের চাহিদা ভিন্ন-ভিন্ন। অর্থাৎ যার চাহিদা যেরকম ঠিক সেভাবেই বিষয়গুলোকে এগিয়ে নিয়েছে শেখ হাসিনার সরকার। এমন ধারণা রয়েছে। রাজনীতি এবং কূটনীতিক বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করেন, ভারতের সাথে শেখ হাসিনার সরকারের সম্পর্ক রাজনৈতিক এবং নিরাপত্তা ইস্যুর সাথে সম্পর্কিত। অন্যদিকে চীনের সাথে সম্পর্কটি পুরোপুরি অর্থনৈতিকভাবে জড়িত। হাসিনা এই বিষয়গুলো মাথায় রেখেই দুই দেশের সাথে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি জাল বুনে চলেছেন।

শেখ হাসিনার সরকার ভারতকে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দমনের ক্ষেত্রে এক অভূতপূর্ব সহায়তা প্রদান করে গেছেন এবং এখনো যাচ্ছেন। তাছাড়া বাংলাদেশ থেকে ইসলামি জঙ্গিবাদের বিস্তার ঘটে সেটি যাতে ভারতকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে সেজন্যও পদক্ষেপ নিয়েছে শেখ হাসিনার সরকার।

তবে চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক পুরোপুরি ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বলে মনে করেন বেশিরভাগ বিশ্লেষক। যেই সরকারী ক্ষমতায় থাকুক না কেনো চীনের তাতে মাথাব্যথা নেই। চীন সবার সাথেই কাজ করতে আগ্রহী। এছাড়া যেহেতু আওয়ামী লীগ সরকার নানা ধরণের প্রকল্প হাতে নিয়েছে সেজন্য চীনও চাইছে শেখ হাসিনার সরকারই ক্ষমতায় থাকুক। কারণ তাতে প্রকল্পগুলো চলমান থাকবে এবং তাতে চীনের লাভ হবে।

২০১৪ সালের নির্বাচনের পর শেখ হাসিনার চীন সফরের পর থেকে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক ভিন্নমাত্রা নিয়েছে। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং বাংলাদেশ সফর করে। সে সফরের সময় চীন এবং বাংলাদেশের মধ্যে ২৬টি নানা ধরণের চুক্তি এবং সমঝোতা হয়েছে। বর্তমানে চীন বাংলাদেশে পদ্মা সেতুসহ নানা অবকাঠামো প্রকল্পের সাথে সরাসরি জড়িত। এছাড়াও চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে টানেল নির্মাণ, একটি সার কারখানা, চট্টগ্রাম এবং খুলনায় দুটি বড় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের সাথেও চীন সম্পৃক্ত আছে।

তবে ইদানীং সময়ে ভারত ও চীনের সাথে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে বাংলাদেশের ঝামেলা তৈরি হয়েছে। বিশেষত ২০১৫ সালে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে চীনের সাথে বাংলাদেশের বেশ কিছু মতবিরোধ দেখা দেয়। এসময় ভারত সরকারো বাংলাদেশের সাথে না থেকে মিয়ানমারের পক্ষ নেয় যা বাংলাদেশকে বেশ মনঃক্ষুণ্ণ করে তুলে। এর ফলে চীনের সাথে বেশ কিছু বড় বড় প্রজেক্ট থেকে আস্তে আস্তে সরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। বিশেষ করে বাংলাদেশের সামরিক খাতে চীনের যে একছত্র প্রভাব রয়েছে তা থেকে সরে দাড়াতে শুরু করে হাসিনা সরকার। এর ফলে সবচেয়ে লাভবান হয় পশ্চিমা দেশ গুলো। কারণ উদীয়মান অর্থনীতি হিসেবে বাংলাদেশের বাজার ধরার জন্য অনেক দিন থেকেই চেষ্টা করে আসছে পশ্চিমা দেশ গুলো।

বাংলাদেশের হাইপারফরমেন্স ফ্রিগেট প্রোগ্রাম ও জঙ্গি বিমান ক্রয় সংক্রান্ত প্রোজেক্ট থেকে অনেকটা বাদ পরে গেছে চীন। বাংলাদেশ এখন চীনের বদলে যুক্তরাজ্য, ইতালী, ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকে পড়েছে অনেকখানি। যার ফলে আস্তে আস্তে চীনের প্রভাব থেকে খানিকটা বের হয়ে আসতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। তবে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এখনো বাংলাদেশে চীনের প্রভাব কমিয়ে নিয়ে আসতে পারে নি শেখ হাসিনা।

অন্যদিকে ভারতের সাথে বাংলাদেশের টানা-পোড়োনের শুরুটা টুকরো টুকরো বিষয় নিয়ে এখন বেশ বৃহৎ আকার ধারণ করে গেছে। বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্ত হত্যার বিষয়টি বেশ পুরনো হলেও ভারত এখনো এই সমস্যার কোন সমাধান করে দিতে পারে নি।

তাছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে চালু হওয়া নাগরিকত্ব আইনের বলে ভারতে বসবাসরত লক্ষ লক্ষ মুসলমানকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার যে এক প্রচেষ্টা মোদি সরকার হাতে নিয়ে তা নিয়ে অত্যন্ত ক্ষব্দ মনোভাব প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ থেকে আমলা, মন্ত্রী ও শেখ হাসিনা পর্যন্ত। যেটি কিনা অনেকটা বিস্ময়ের হলেও বাংলাদেশ বেশ ভালো ভাবেই বুঝিয়ে দিয়েছে এতদিনের দাদাগিরি আর এখন থেকে বাংলাদেশের উপর চলবে না। এমন কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া চলবে না যাতে বিপদে পড়তে পারে বাংলাদেশ।

তাছাড়া বাংলাদেশের সাথে এই সম্পর্ক আরো অবনতি হয় করোনা ভাইরাসের টিকাকে কেন্দ্র করে। বিশ্বব্যাপী করোনার টিকা দেওয়া শুরু হলে ভারতের উপর টিকা ক্রয়ে একতরফা নির্ভর করে এক বড় ধরণের বাঁধার মুখে পড়তে হয় বাংলাদেশকে। শুরুতে বিশ্বের ধনী রাষ্ট্র গুলোর সাথে তাল মিলিয়ে টিকা দেওয়া শুরু করতে পারলেও হুট করে বাংলাদেশকে কোন প্রকার আগাম নোটিশ না দিয়ে টিকা রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত সরকার। এর ফলে দেশের মাঝে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় সরকারকে। যদিও এই সমস্যা থেকে রক্ষায় এগিয়ে আসে চীনা সরকার। অন্য অনেক দেশের থেকে অনেকটা কম মূল্য বাংলাদেশকে টিকা সরবরাহ করে বাংলাদেশের সাথে নিজেদের পুরনো সম্পর্ককে আবার নতুন করে ঝালিয়ে নেয় চীনা সরকার।

এছাড়া ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ককে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে কুয়ালালামপুরভিত্তিক সাউথ এশিয়ান মনিটরের এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চিতভাবেই মনে হচ্ছে ভারতের সাথে নাড়ির সম্পর্কটি কেটে গেছে বা কাটা পড়ার পর্যায়ে রয়েছে। আর এটিও বেশ নিশ্চিত বলে মনে হচ্ছে যে, ভারতকে তার মুষ্টি শিথিল করতে হচ্ছে। তোফায়েল আহমেদ, আমির হোসেন আমুর মতো আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান এবং হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেননের মতো সিনিয়র নেতারা ভারতীয় এস্টাবলিশমেন্টের- প্রশাসনিক বা নিরাপত্তা কাঠামোর সাথে আলাদা সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছিলেন। তারা সবাই অপাঙ্ক্তেয় হয়ে গেছেন। তোফায়েল ও আমুর মতো নেতারা দৃশ্যপট থেকে বিদায় নেয়ায় যোগাযোগ লাইনটিই কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। যোগাযোগের একমাত্র যে লাইনটি রয়ে গেছে তা একেবারে সরাসরি এবং তা হলো হাসিনার সাথে। মনে হচ্ছে, তিনি এমনটিই চেয়েছেন।’

বিশ্লেষণে আরো বলা হয়েছে, ‘ভারত এখন দূরে থাকায় নিশ্চিতভাবেই যে প্রতিবেশী সুবিধা পাবে সে হলো শক্তিশালী চীন। বাংলাদেশে বিপুল বিনিয়োগ করায় ভারতীয় প্রভাবের শক্তিকেন্দ্রগুলো বিচ্ছিন্ন রাখতে চীন কার্যকরভাবে তার ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে চীন সফলভাবে পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রতিবেশী থেকে বাংলাদেশকে সরিয়ে এনেছে। সাধারণভাবে যতটুকু মনে করা হয়ে থাকে, চীনা সংশ্লিষ্টতা তার চেয়ে অনেক বেশি। এমন একটি ধারণা রয়েছে যে বাংলাদেশে চীন কেবল ব্যবসায়িক সুযোগ গ্রহণের ব্যাপারে আগ্রহী।

বিশাল পদ্মা সেতুসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্পে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করায় ব্যবসা নিশ্চিতভাবেই গুরুত্বপূর্ণ। তবে চীনের কৌশলগত অনুপ্রবেশকে এড়িয়ে যাওয়ার একটি প্রবণতা রয়েছে। নিশ্চিত বিনিয়োগ স্বার্থের সাথে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান ভূকৌশলগত বৈশ্বিক তাৎপর্য থাকার কারণে বাংলাদেশের সরকার পরিচালনাকারীকে নিরঙ্কুশভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে চীন অনেক বেশি দৃঢ়প্রতিজ্ঞা। সে এখানে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নয়া দিল্লির সাথে ঘনিষ্ঠ কাউকেই দেখতে চায় না। এ কারণেই দিল্লি-অন্তঃপ্রাণদের বাদ দিয়ে মন্ত্রীসভা গঠন করা হয়েছে।’

বাংলাদেশ কে কেন্দ্র করে ভারত ও চীনের এমন টানাপোড়ন বাংলাদেশ কে বেশ মধুর সমস্যায় না ফেলে বরং বেশ জটিলতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে দিনকে দিন। ছোট স্বাধীন একটি দেশ হয়ে বৃহৎ দেশগুলোর মাঝে নিজেকে জড়িয়ে ফেলা এবং সেখান থেকে নিজেকে বের করে নিয়ে আসার মত ক্ষমতা ব্যাবহার বাংলাদেশ বেশ ভালো করে দেখিয়ে আসলে তা আর কত দিন টিকিয়ে রাখা সম্ভব তাই শেষ পর্যন্ত দেখার বিষয়।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

শনিবার ১২ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

প্রকাশ: ০৯:৩৮ পিএম, ২০ মে, ২০২২


Thumbnail শনিবার ১২ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

রাজধানীর কিছু এলাকায় আগামীকাল শনিবার (২১ মে) সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। গ্যাস পাইপলাইনে জরুরি মেরাতম কাজের জন্য মোট ১২ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে তিতাস।

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি কাজের জন্য ২১ মে (শনিবার) সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মোট ১২ ঘণ্টা রাজধানীর মিরপুর ১, ২, ৬, ৭, ১০, ১১, ১২, ১৩, ইস্টার্ন হাউজিং, রূপনগর, আরামবাগ, আলুবদি, মিরপুর ডিওএসএইচ পর্যন্ত এলাকায় সব শ্রেণির গ্রাহকদের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এছাড়া আশপাশের এলাকাতেও গ্যাসের চাপ কম থাকবে।  

গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড।



শনিবার   ১২ ঘণ্টা   গ্যাস   থাকবে   না  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বৃহস্পতিবার দেশে পৌঁছাবে আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর মরদেহ

প্রকাশ: ০৮:২১ পিএম, ২০ মে, ২০২২


Thumbnail বৃহস্পতিবার দেশে পৌঁছাবে আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর মরদেহ

আগামী বৃহস্পতিবার প্রবীণ সাংবাদিক এবং কলাম লেখক আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর মরদেহ ঢাকায় এসে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি জানান, বুধবার (২৫ মে) যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে। আশা করা হচ্ছে, বৃহস্পতিবার (২৬ মে) তার মরদেহ ঢাকায় এসে পৌঁছাবে।

শুক্রবার (২০ মে) রাজধানীর ইস্কাটনে সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

ড. মোমেন বলেন, ব্রিটিশরা সোমবারে অফিস খুলে হাসপাতাল থেকে সার্টিফিকেট দিলে পরবর্তী ফ্লাইট হবে বুধবার। বিমানের ফ্লাইট। বুধবারে হয়ত লাশটা পাঠানো যাবে। বৃহস্পতিবার আমরা ঢাকায় পাব।

আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী বৃহস্পতিবার (১৯ মে) যুক্তরাজ্যের লন্ডনের বার্নেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্র জানিয়েছে, গাফ্‌ফার চৌধুরী ডায়াবেটিস, কিডনি রোগসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। গত প্রায় তিন মাস তিনি বার্নেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মিনিস্টার (প্রেস) আশিকুন্নবী চৌধুরী জানান, গাফ্‌ফার চৌধুরীর অন্তিম ইচ্ছা অনুযায়ী ঢাকার মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্ত্রীর পাশেই তাকে কবর দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় লন্ড‌নের বাংলাদেশ হাইক‌মিশন জানায়, সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর মরদেহ আগামী সপ্তাহে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে যত দ্রুত সম্ভব ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে গাফ্‌ফার চৌধুরীর মরদেহ বাংলাদেশে নেওয়ার দিনক্ষণ হাসপাতালের ছাড়পত্রের ওপর নির্ভর করছে।

আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর জন্ম ১৯৩৪ সালের ১২ ডিসেম্বর, বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়া গ্রামে। ১৯৫৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। স্কুলে পড়ার সময় কংগ্রেস নেতা দুর্গা মোহন সেন সম্পাদিত কংগ্রেস হিতৈষী পত্রিকায় কাজ শুরু করেন। ১৯৪৯ সালে তার প্রথম গল্প ছাপা হয় সওগাত পত্রিকায়। পরে দৈনিক ইনসাফ, দৈনিক সংবাদ, মাসিক সওগাত, মাসিক নকীব পত্রিকায় কাজ করেন। ১৯৫৬ সালে সহকারী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন দৈনিক ইত্তেফাকে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি জয় বাংলা, যুগান্তর ও আনন্দবাজার পত্রিকায় কাজ করেন।

সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ইউনেসকো পুরস্কার, বঙ্গবন্ধু পুরস্কার, মানিক মিয়া পদকসহ বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন গাফ্‌ফার চৌধুরী। বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করেছে।


বৃহস্পতিবার   দেশে   পৌঁছাবে   আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর   মরদেহ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

যশোরে পুরুষ সেজে তরুণীর প্রতারণা

প্রকাশ: ০৭:২৪ পিএম, ২০ মে, ২০২২


Thumbnail যশোরে পুরুষ সেজে তরুণীর প্রতারণা

পুরুষ সেজে প্রতারণা করার অভিযোগে যশোরে একজন তরুণীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত তরুণীর নাম ফারহানা আক্তার স্নেহা। তিনি শহরের লোন অফিসপাড়ার শাহাজান আলীর মেয়ে।

শুক্রবার (২০ মে) সকালে যশোর শহরের দড়াটানা মোড় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

যশোর কোতোয়ালি থানা ওসি (তদন্ত) শেখ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, আটক স্নেহা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে পুরুষ সেজে প্রতারণা করে আসছেন। সম্প্রতি চৌগাছা উপজেলার বেড় গোবিন্দপুর গ্রামের চা দোকানি  হাবিবুর রহমানের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর তিনি হাবিবুর রহমানের মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এ সম্পর্কের সূত্র ধরে ওই মেয়ের কাছ থেকে তিনি মোবাইল ও বিকাশের মাধ্যমে নগদ টাকা নিয়ে সটকে পড়েন। 

এ ঘটনায় হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে গতকাল যশোর কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পুলিশ অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে অভিযান চালিয়ে সকালে স্নেহাকে শহরের দড়াটানা মোড় থেকে গ্রেপ্তার করে। 

মনিরুজ্জামান আরও জানান, স্নেহার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় মাদক ও প্রতারণার একাধিক মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। 


পুরুষ   সেজে   তরুণীর   প্রতারণা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

গণকমিশনের আইনি কোনো ভিত্তি নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৭:০৩ পিএম, ২০ মে, ২০২২


Thumbnail গণকমিশনের আইনি কোনো ভিত্তি নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গণকমিশনের আইনি কোনো ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।িএই নিয়ে কেউ বিশৃঙ্খলা করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। 

শুক্রবার (২০ মে) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি এবং জাতীয় সংসদের আদিবাসী ও সংখ্যালঘুবিষয়ক ককাসের যৌথ উদ্যোগে গঠিত গণকমিশনের কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

গণকমিশনের তালিকা সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা একটি বই প্রকাশ করেছে ২০০৩ সন্ত্রাস। এর ভেতরে কী লিখেছে আমি জানি না। তারা যাদের নামে সন্ত্রাস কিংবা দুর্নীতির দায়ভার দিচ্ছে, সেটা আমরা দেখিনি, তাই এর সম্পর্কে কিছু বলতে পারব না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা একটি কথা জোর দিয়ে বলতে চাই-যে অভিযোগের কোনো প্রমাণ নেই, সে অভিযোগ আমরা আমলে নিই না।

সম্প্রতি ১১৬ ওয়ায়েজিনের (ধর্মীয় বক্তা) একটি তালিকা দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা দিয়েছে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সমন্বয়ে গঠিত মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস তদন্তে গণকমিশন।

দুদক চেয়ারম্যানের কাছে দেওয়া ২২০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনের ৭৬০ ও ৭৬১ পৃষ্ঠায় ধর্মীয় বক্তাদের নাম প্রকাশ করা হয়। এদের বিরুদ্ধে জঙ্গি অর্থায়ন ও ওয়াজের মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করার অভিযোগ আনে গণকমিশন।


গণকমিশন   আইনি   ভিত্তি নেই   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী কি ভুল বলেছেন?

প্রকাশ: ০৭:০০ পিএম, ২০ মে, ২০২২


Thumbnail প্রধানমন্ত্রী কি ভুল বলেছেন?

সাম্প্রতিক সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কিছু বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় চলছে। এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়িয়ে মূলধারার গণমাধ্যমেও এ নিয়ে সরগরম হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর তিনটি বক্তব্যকে ঘিরে নানামুখী আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। প্রথম বক্তব্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়াও ব্যক্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী ১৮ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘‘ড. ইউনুস যেটা আমরা শুনেছি মাহফুজ আনাম, তারা আমেরিকায় চলে যায়। স্টেট ডিপার্টমেন্টের যেয়ে হিলারির কাছে ইমেইল পাঠায়। যাহোক ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের মি. জোয়েলিক যিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তার শেষ কর্মদিবসে কোন বোর্ডসভায় না, পদ্মা সেতুর টাকা বন্ধ করে দেয়। ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম এই বক্তব্যকে অসত্য বলেছেন। তিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, এ ধরনের উদ্দেশ্য নিয়ে আমি কখনো যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাইনি, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যাইনি, কখনো হিলারি ক্লিনটনকে কোন ইমেইল পাঠায়নি, ওয়াশিংটনে বা বিশ্বের অন্যকোন জায়গায় বা শহরে পদ্মা সেতুর অর্থায়নের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত কোন বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কোনো ধরনের বৈঠক বা যোগাযোগ করিনি। মাহফুজ আনাম যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেটা বলেছেন দুটোর মধ্যে কিছু ফাঁক রয়েছে। এই বক্তব্য গুলোকে একটু বিশ্লেষণ করে দেখা যাক। 

পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধ করার মূল উদ্যোক্তা ছিলেন সেই সময় বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জুয়েলিক। যার সঙ্গে হিলারি ক্লিনটনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। মাহফুজ আনাম তার ডেইলি স্টার পত্রিকায় পদ্মা সেতুর যখন প্রাজ্ঞতা যাচাই হচ্ছে সেই সময় অন্তত দুটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদন দুটির মধ্যে পদ্মা সেতুর টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা কথা বলা হয় এবং যোগ্য ব্যক্তিদেরকে প্রাথমিক যাচাইয়ে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে বলেও ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। উল্লেখ্য যে, এই ডেইলি স্টারের এই প্রতিবেদন দুটি বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ অফিস আমলে না নিলেও ওয়াশিংটন অফিস ডেইলি স্টার এবং প্রথম আলোর প্রতিবেদনের সূত্র ধরেই এ বিষয়টিকে আমলে নেয় এবং এটি তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয়। বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু সংক্রান্ত যে প্রতিবেদন তৈরি করেছিল, ৩০৬ পৃষ্ঠার সেই প্রতিবেদনে ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন এবং এই প্রতিবেদন যথার্থ কিনা, এ ব্যাপারে বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধির সঙ্গে মাহফুজ আনামের কথোপকথনের কথাও উল্লেখ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন তাহলে তাতে ভুল কি আছে?

মাহফুজ আনাম এবং মতিউর রহমান, দুজনই ড. ইউনুসের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে ইউনুস নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর যে রাজনৈতিক সংগঠন করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন সেই সংগঠনের অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন মাহফুজ আনাম। এছাড়াও মাহফুজ আনাম বিভিন্ন সময় সরকারের বিভিন্ন বিষয় যে ধরনের মন্তব্যগুলো করেন তা ড. ইউনুসের মন্তব্যের কাছাকাছি। অনেক সময় মাহফুজ আনাম ড. ইউনুসের অনেক বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে লিখেছেন। কাজেই মাহফুজ আনাম যে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধে ড. ইউনুসের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছে এটি নিয়ে কোনো সংশয় বা সন্দেহ থাকতে পারেনা। 

অনুসন্ধানে দেখা যায়, প্রথমে ডেইলি স্টার এবং প্রথম আলো পদ্মা সেতু নিয়ে প্রতিবেদন করেছে। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্বব্যাংক তদন্ত করেছে। এই তদন্তের সঙ্গে কথিত আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি সামনে আসে এবং পরবর্তীতে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধ হয়। ওই সময় ডেইলি স্টার এবং প্রথম আলো পড়লে সুস্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে, পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধের ক্ষেত্রে এই দুটি পত্রিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং হিলারি ক্লিনটন যখন তৎকালীন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টকে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধে আহ্বান জানান তার আগে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে আলাপ করেছিলেন। সেই টেলিআলাপে তিনি ড. ইউনুসকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে পুন:নিয়োগের প্রস্তাব করেছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এটি আইনগত বিষয়, এখানে তার কিছু করার নেই। এরপরই তিনি বিশ্বব্যাংককে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধের জন্য আহ্বান জানান। উল্লেখ্য যে, এই পুরো বিষয়টি থেকে সুস্পষ্ট বোঝা যায় যে ড. ইউনুস এবং মাহফুজ আনাম, মতিউর রহমানরা পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধের জন্য একটি পরিকল্পিত মিশনে ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় বক্তব্য হলো, রাজনৈতিক কৌতুক এবং পরিহাস। বিশ্ব রাজনীতিতে এরকম কৌতুক এবং হাস্যরস সবসময় থাকে। রাজনীতিবিদরা এই ধরনের কৌতুক তাদের বিভিন্ন বক্তব্যে রাখেন। খালেদা জিয়াকে পদ্মা সেতু নিয়ে টুস করে ফেলে দেওয়া উচিত -এই বক্তব্যটি একটি রাজনৈতিক হাস্যরস এবং ইতিহাস ঘাটলে এরকম বহু রাজনৈতিক হাস্যরসের কথা আমরা পাব। কাজেই, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য দুটি অংশ। একটি হলো- তিনি সিরিয়াসলি বলেছেন, যেটি ড. ইউনুস এবং মাহফুজ আনামের ব্যাপারে, সেটি শতভাগ সত্য। দ্বিতীয়টি হলো, রসাত্মক রাজনীতিবিদদের নানা বিষয়ে কর্মীদেরকে উদ্দীপ্ত করতে হয়, উৎসাহিত করতে হয়। সেজন্য তিনি কৌতুক করেছেন। একজন রাজনীতিবিদের কি কৌতুক করার অধিকার থাকবে না?

প্রধানমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন