ইনসাইড বাংলাদেশ

ডিএমপি কমিশনার থাকছেন শফিকুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০২:৪৭ পিএম, ২৮ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে অতিরিক্ত আইজিপি মোহা. শফিকুল ইসলামকে আরও এক বছর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
 
বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতির আদেশে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তার অবসরোত্তর ছুটি স্থগিতের শর্তে ৩০ অক্টোবর অথবা যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে ডিএমপি কমিশনার হিসেবে নিয়োগ করা হলো।

জানা গেছে, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতামূলক পুলিশি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ায় তাকে এ দায়িত্বে বহাল রাখা হয়েছে। সরকারি চাকরির নিয়ম অনুযায়ী অবসরে যাওয়ার এক সপ্তাহ আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তার পিআরএলের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতি দেশে ফিরে পিআরএলের প্রজ্ঞাপনটি বাতিল করে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপত্রে স্বাক্ষর করবেন। তখন নিয়োগের বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

মোহা. শফিকুল ইসলাম ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ডিএমপি কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।

এর আগে বাংলা ইনসাইডারে এই সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাকে নিয়ে বিদ্রূপাত্মক সমালোচনার কঠোর জবাব দিতে হবে’

প্রকাশ: ০৪:৩০ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ‘বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাকে নিয়ে বিদ্রূপাত্মক সমালোচনার কঠোর জবাব দিতে হবে’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে বিদ্রূপাত্মক সমালোচনার কঠোর জবাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
 
বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত আলোচনা সভায় মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য একটা ভয়াবহ প্রচেষ্টা দেশের ও দেশের বাইরে চলছে। ১৯৭৫ এর প্রেক্ষাপট রচনা কিছু লোক করেছিল। সে সময় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি, সরকারের বিরুদ্ধে মানুষকে ক্ষ্যাপিয়ে তোলা, অহেতুক বদনাম সৃষ্টি করাসহ ভয়াবহ নৈরাজ্যের একটি অবস্থা দেশের ভিতরে সৃষ্টি করেছিল কিছু মানুষ। সে মানুষরা নিঃশেষ হয়ে যায়নি। সামরিক শাসকদের গৃহপালিত বিরোধী দলে নেতৃত্ব দেওয়া এসব ব্যক্তিরা এখন বঙ্গবন্ধু কন্যাকে গণতন্ত্রের ছবক দিচ্ছে। তারা রাজনীতিতে পরিত্যক্ত ও উপেক্ষিত ব্যক্তিদের নিয়ে জোট গঠন করে নানাভাবে শিষ্টাচারহীন ভাষা ব্যবহার করছে, যেটা রাজনীতির ভাষা না। এ পরিস্থিতিতে মনেপ্রাণে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাস করেন যারা, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যারা বিশ্বাস করেন তাদের ঐক্যের ভিত্তি দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর করা দরকার। মনে রাখতে হবে একজন শেখ হাসিনা থাকার কারণে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ আবার ফিরে এসেছে। একজন শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্ব না থাকলে মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হতো না। একজন শেখ হাসিনা না থাকলে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দর্প চূর্ণ করে তাদের বিচার করে বিচারের রায় কার্যকর করা সম্ভব হতো না। এজন্য তাঁর হাতকে শক্তিশালী করা জাতীয় শোক দিবসের প্রতিজ্ঞা হওয়া উচিত। 

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ধারাবাহিক পরিকল্পনায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের 'গো অ্যাহেড' বলে এগিয়ে যেতে বলেছিলেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার মাস্টারমাইন্ড ছিল জিয়াউর রহমান। তাই বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার তদন্তে জিয়াউর রহমানের নাম আসা উচিত ছিল। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করা যাবে না এ আইন সংসদে পাস করেছে জিয়াউর রহমান। তাই আইনগতভাবে জিয়াউর রহমানই বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করতে দেয়নি।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ কণ্টকাকীর্ণ ছিল উল্লেখ করে শ ম রেজাউল করিম আরও যোগ করেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হয়নি। সে সময় বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ ব্যক্তিদের বিচার করা হয়নি। বঙ্গবন্ধু হত্যার সুবিধাভোগীদেরও বিচার করা হয়নি। এজন্য বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে খণ্ডিত বিচার, অসম্পূর্ণ বিচার। নির্দিষ্ট খুনিদের বিচার হয়েছে কিন্তু ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত অনেকেরই বিচার হয়নি। এখনও সে বিষয়টি সামনে নিয়ে আসা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু অবিনাশী সত্তা। বঙ্গবন্ধু একটি আদর্শ, একটি বিশ্বাস, একটি দর্শন, পথ চলার পাথেয়। বঙ্গবন্ধুর আরাধ্য সাধনা ছিলো একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। তিনি তা দিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধু যা কিছু রেখে গেছেন সেটা ধারণ করেই আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব এবং যুব ও ক্রীড়া সচিব মেজবাহ উদ্দিন, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া, বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ড. মো. সাঈদুর রহমান সেলিম প্রমুখ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী   শ ম রেজাউল করিম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

গার্ডার চাপায় প্রাণহানি: শাস্তিমূলক ব্যবস্থায় আপত্তি নেই চীনের

প্রকাশ: ০৩:২১ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail গার্ডার চাপায় প্রাণহানির ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থায় আপত্তি নেই চীনের

উত্তরায় বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের কাজ চলাকালীন ক্রেন থেকে গার্ডার পড়ে প্রাইভেটকারের ৫ যাত্রীর নিহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং। এ সময় তিনি আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে সোমবার (১৫ আগস্ট) এর ওই দুর্ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

এ সময় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী একেএম মনির হোসেন পাঠান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নীলিমা আখতার, বিআরটি প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সফিকুল ইসলাম, প্রকল্পের পরামর্শক টিমের প্রধান মি. টিগ ম্যাকরিন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চীনা রাষ্ট্রদূত জানান, চায়না ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘চায়না গেজহুবা গ্রুপ করপোরেশন (সিজিজিসি)’ এর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলে কোনো আপত্তি থাকবে না।

তিনি জানান, বিআরটি প্রকল্পের সওজ অংশের নির্মাণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল প্রতিষ্ঠানের পক্ষে তদন্তের জন্য চীন থেকে বাংলাদেশে পৌঁছেছে। দলের সদস্যরা তদন্ত কমিটিকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।

এদিকে বুধবার (১৭ আগস্ট) ঢাকা, গাজীপুর, সিরাজগঞ্জ ও বাগেরহাটের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ক্রেনচালকসহ ৯ জনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-১ এর সদস্যরা।

এ বিষয়ে র‌্যাব-১ এর এএসপি ইমরান খান সময় সংবাদকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা, গাজীপুর, সিরাজগঞ্জ ও বাগেরহাটের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গার্ডার দুর্ঘটনার ঘাতক ক্রেনচালক, তার সহকারী এবং নিরাপত্তা জন্য নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মীসহ ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে গত সোমবার (১৫ আগস্ট) উত্তরার জসীম উদ্‌দীন মোড়ে আড়ংয়ের সামনে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের ফ্লাইওভারের গার্ডার পড়ে নিহত হন প্রাইভেট কারে থাকা ৫ জন।

গার্ডার চাপা   প্রাণহানি   শাস্তিমূলক ব্যবস্থা   চীন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সক্ষমতার চেয়ে বেশি ওজনের গার্ডার তুলছিল ফিটনেসবিহীন ক্রেনটি

প্রকাশ: ০১:৩৫ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail সক্ষমতার চেয়ে বেশি ওজনের গার্ডার তুলছিল ফিটনেসবিহীন ক্রেনটি

উত্তরায় প্রাইভেটকারের ওপর বিআরটি প্রকল্পের যে ক্রেন থেকে গার্ডার পড়ে ৫ জন নিহত হয়েছেন, সেই ক্রেনটি ছিল ফিটনেসবিহীন। ক্রেনটি ছিল অনেক পুরাতন। এর ধারণক্ষমতা ছিল ৪৫ থেকে ৫০ টন। আর গার্ডারের ওজন ছিল ৬০ থেকে ৭০ টন। 

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, গার্ডার তোলার কাজ করার সময় দুটি ক্রেন থাকার কথা থাকলেও ছিল একটি। যে ক্রেনটি ছিল সেটিও ছিল অপেক্ষাকৃত দুর্বল। এছাড়া থার্ড পার্টি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিল্ড ট্রেড ইঞ্জিনিয়ার লিমিটেড মাসিক ভাড়ার চুক্তিতে ক্রেনটি সরবরাহ করে। প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কর্মকর্তা গ্রেফতার রুহুল আমিন ও মার্কেটিং ম্যানেজার গ্রেফতার তুষার ক্রেনের ভাড়া, চুক্তি, ড্রাইভার নিয়োগ ও ক্রেনের ফিটনেস যাচাইসহ অন্যান্য দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।



তিনি আরও জানান, গ্রেফতার রুহুল ২০১০ সালে এবং গ্রেফতার তুষার ২০১৫ সালে এই প্রতিষ্ঠানে যোগদান করে। তারা অতিরিক্ত লাভের জন্য অল্প পারিশ্রমিকে ভারী গাড়ি চালানোর লাইসেন্স ছাড়া অপারেটর আল আমিনকে নিয়োগ প্রদান করে। এছাড়াও এই ক্রেনের ফিটনেস যাচাই করা হয়েছিল সর্বশেষ ২০২১ সালে। কিন্তু ২০২২ সালে ক্রেনের কোনো ধরনের ফিটনেস যাচাই করা হয়নি।

খন্দকার আল মঈন বলেন, আমরা গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পেরেছি, ক্রেনটির ফিটনেস ছিল না। অতিরিক্ত ভার বহন করায় ক্রেনটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এ ধরনের গার্ডার শিফট করতে কাউন্টার লোড ব্যবহার করা উচিত ছিল। আরেকটি ক্রেন পাশাপাশি স্ট্যান্ডবাই রাখা উচিত ছিল।

তিনি বলেন, গতকাল রাতে র‌্যাব সদরদপ্তরের গোয়েন্দা শাখা, র‌্যাব-১, ৩, ৪, ৬ ও র‌্যাব-১২ এর যৌথ অভিযানে ক্রেন চালক মো. আল আমিন হোসেন ওরফে হৃদয় (২৫), রাকিব হোসেন (২৩), দুর্ঘটনাস্থলে নিরপাত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ফোর ব্রাদার্স গার্ড সার্ভিসের ট্রাফিক ম্যান মো. রুবেল (২৮), মো. আফরোজ মিয়া (৫০), ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সেফটি ইঞ্জিনিয়ার মো. জুলফিকার আলী শাহ (৩৯), হেভি ইকুইপমেন্ট সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত ইফসকন বাংলাদেশ লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী মো. ইফতেখার হোসেন (৩৯), হেড অব অপারেশন মো. আজহারুল ইসলাম মিঠু (৪৫), ক্রেন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বিল্ড ট্রেড কোম্পানির মার্কেটিং ম্যানেজার তোফাজ্জল হোসেন ওরফে তুষার (৪২), প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুহুল আমিন মৃধা (৩৩) ও মো. মঞ্জুরুল ইসলামকে (২৯) গ্রেফতার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় বিআরটি প্রকল্পের ফ্লাইওভারের গার্ডারচাপায় প্রাইভেটকারে থাকা শিশুসহ পাঁচ যাত্রী নিহত হন। আহত হন একই গাড়িতে থাকা এক নবদম্পতি।

সক্ষমতা   গার্ডার   ফিটনেসবিহীন   ক্রেন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ঢাকা-গুয়াংজু রুটে বিমানের প্রথম ফ্লাইট উদ্বোধন

প্রকাশ: ০১:২৩ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ঢাকা-গুয়াংজু রুটে বিমানের প্রথম ফ্লাইট উদ্বোধন

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-গুয়াংজু রুটের ফ্লাইট উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহির্গমন টার্মিনালে এই ফ্লাইটের উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশ থেকে বেলা ১১ টায় ছাড়া বিমানটি চীনের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে ফ্লাইটটি গুয়াংজু বাইয়ুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। এছাড়া আজই গুয়াংজু বাইয়ুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফিরতি ফ্লাইট রয়েছে। ফিরতি ফ্লাইট বিজি ৩৬৭ স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে উড্ডয়ন করে ঢাকায় পৌঁছাবে রাত ৯টা ৩০ মিনিটে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) তাহেরা খন্দকার সাংবাদিকদের জানান, ঢাকা-গুয়াংজু রুটে যাত্রীরা বিমানের যেকোনো সেলস সেন্টার থেকে প্রথম যাত্রীবাহী ফ্লাইটের টিকেট কিনতে পারবেন। তবে আসার ক্ষেত্রে বিমানের ওয়েবসাইট www.biman-airlines.com ও বিমান অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সি থেকে টিকেট কিনতে হবে।

গত ১৬ আগস্ট ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং এর সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. জাহিদ হোসেন সাক্ষাৎ করেন। তখন ঢাকা-গুয়াংজু রুটে বিমানের যাত্রীবাহী ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে উভয়ের মধ্যে আলোচনা হয়। এ ছাড়া বিমানের এমডি ও সিইও চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ঢাকা-কুনমিং রুটে ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

ঢাকা-গুয়াংজু   বিমান   ফ্লাইট   উদ্বোধন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

দুর্ঘটনার সময় ক্রেন চালাচ্ছিলেন চালকের সহকারী

প্রকাশ: ১২:২৯ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail দুর্ঘটনার সময় ক্রেন চালাচ্ছিলেন চালকের সহকারী

উত্তরায় প্রাইভেটকারের ওপর নির্মাণাধীন বিআরটি প্রকল্পের গার্ডার পড়ার ঘটনার সময় ক্রেনটি চালাচ্ছিলেন চালকের সহকারী রাকিব। আর বাইরে থেকে নির্দেশনা দিচ্ছিলেন মূল অপারেটর আল আমিন।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) র‍্যাবের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

র‍্যাব জানিয়েছে, ক্রেনের মূল অপারেটর আল আমিনের হালকা গাড়ি চালানোর অনুমোদন থাকলেও ভারী গাড়ি চালানোর লাইসেন্স নেই। ২০১৬ সালে ক্রেন চালানোর প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর দুই-তিনটি নির্মাণ প্রকল্পে কাজ করেন তিনি। পরে ২০২২ সালের মে মাসে বিআরটি প্রকল্পে ক্রেন অপারেটর হিসেবে কাজ শুরু করেন।

হেলপার রাকিব তিন মাস আগে প্রকল্পের ক্রেন হেলপার হিসেবে কাজ শুরু করেন। তার ক্রেন চালানোর কোনো প্রশিক্ষণ ছিল না। দুর্ঘটনার দিন দুপুর ২টায় আল আমিন ও রাকিব ক্রেন চালানো শুরু করেন। একটি গার্ডার স্থাপন শেষে ২য় গার্ডার স্থাপনের সময় ক্রেনের ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত ওজনের গার্ডার উত্তোলন করতে গেলে ক্রেনটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। তখন ক্রেনে থাকা গার্ডারটি প্রাইভেটকারের ওপর পড়ে।

র‍্যাব জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় হেলপার রাকিব ক্রেন চালাচ্ছিলেন এবং ক্রেন অপারেটর আল আমিন ক্রেনের বাইরে থেকে নির্দেশনা দিচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার পর অপারেটর আল আমিন ও হেলপার রাকিব ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

দুর্ঘটনা   ক্রেন   চালক   সহকারী  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন