ইনসাইড বাংলাদেশ

ডিএমপি কমিশনার থাকছেন শফিকুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০২:৪৭ পিএম, ২৮ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে অতিরিক্ত আইজিপি মোহা. শফিকুল ইসলামকে আরও এক বছর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
 
বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতির আদেশে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তার অবসরোত্তর ছুটি স্থগিতের শর্তে ৩০ অক্টোবর অথবা যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে ডিএমপি কমিশনার হিসেবে নিয়োগ করা হলো।

জানা গেছে, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতামূলক পুলিশি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ায় তাকে এ দায়িত্বে বহাল রাখা হয়েছে। সরকারি চাকরির নিয়ম অনুযায়ী অবসরে যাওয়ার এক সপ্তাহ আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তার পিআরএলের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতি দেশে ফিরে পিআরএলের প্রজ্ঞাপনটি বাতিল করে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপত্রে স্বাক্ষর করবেন। তখন নিয়োগের বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

মোহা. শফিকুল ইসলাম ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ডিএমপি কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।

এর আগে বাংলা ইনসাইডারে এই সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বিদায়ী মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

প্রকাশ: ০৯:৩৯ পিএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন বিদায়ী মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার। বৈঠকে মানবাধিকার ও আইনের শাসনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মাঝে আলোচনা হয়েছে। 

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) মিলার এক টুইটে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি জানান।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনের সঙ্গে বিদায়ী বৈঠকে আমরা যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্ব, মানবাধিকার ও আইনের শাসনে গুরত্বসহ উন্নয়নে সহযোগিতা বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, নিরাপত্তা, রোহিঙ্গা সংকটের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করেছি।  

তিনি বলেন, চলতি বছর ঢাকা ও ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী। আগামী পঞ্চাশ বছর এবং তারপর আরও শক্তিশালী অংশীদারিত্বের জন্য আমার দারুণ আশাবাদ রয়েছে। 


যুক্তরাষ্ট্র   রাষ্ট্রদূত   পররাষ্ট্রমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রাজনৈতিক দলগুলো কেন লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ দেয়?

প্রকাশ: ০৬:০১ পিএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে লবিস্ট ফার্ম নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম গতকাল জাতীয় সংসদে এবং পরবর্তীতে আলাদা সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেছেন যে বিএনপি তিন বছরে লবিস্ট ফার্মের পেছনে প্রায় ৩২ কোটি টাকা খরচ করেছে এবং তিনি এই সংক্রান্ত লবিস্ট ফার্মগুলোর নামের তালিকাও প্রকাশ করেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই সংবাদ সম্মেলনের আগেও তিনি সংসদে বিএনপি যে লবিস্ট ফার্মের পেছনে কোটি কোটি টাকা খরচ করেছেন, তার বৃত্তান্ত বলেন। তিনি এই বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে তদন্ত করার জন্য অনুরোধ জানান এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এই সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে চিঠি পাঠাবে বলে উল্লেখ করেন। একইসাথে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এই টাকা বৈধভাবে খরচ করা হয়েছে কিনা, সে ব্যাপারে অনুসন্ধানের জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেন। এই বক্তব্যের পরপরই দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি জাতীয় দৈনিক দাবি করেছে যে ২০১৪ সাল থেকেই আওয়ামী লীগ সরকার লবিস্ট নিয়োগ রেখেছে এবং লবিস্ট ফার্ম দিয়ে কাজ করছে। ওই প্রতিবেদনে এটাও বলা হয়েছে যে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিজিআর নামে একটি লবিস্ট ফার্মকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে আরও একটি লবিস্ট ফার্মকেও নিয়োগ দেয়া হয়েছে। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে এটাও দাবি করা হয়েছে যে ২০০৫, ২০০৬, ২০০৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আওয়ামী লীগ এলকার্ড এন্ড ফে নামে লবিং ফার্মকে ১০ কোটি টাকার বেশি দিয়েছে এবং এই ফার্মটি আনুষ্ঠানিকভাবে লবি করেছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে যে, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য এবং আওয়ামী লীগের লবিস্ট ফার্ম নিয়ে যে বিতর্ক, এটির আসল উদ্দেশ্য কী? কেন লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করা হয়? পররাষ্ট্র মন্ত্রী নিজেই স্বীকার করেছেন যে বাংলাদেশের জন্য একটি লবিস্ট ফার্ম কাজ করে। 

অনেকেই মনে করছেন যে লবিস্ট ফার্ম নিয়োগটি বোধহয় একটি অবৈধ এবং অনৈতিক তৎপরতা। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্র পরিচালনা পদ্ধতি, প্রশাসনের পরিকাঠামো এবং সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণের যে প্রক্রিয়া, সে প্রক্রিয়াগুলো যদি কেউ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে এবং পড়াশোনা করে, তাহলে দেখা যাবে যে লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ মোটেই কোনো অনৈতিক কাজ নয়। বরং এটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনে একটি প্রচলিত ধারা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই ফার্মগুলোকে বলা হয় পিআর ফার্ম বা জনসংযোগ ফার্ম। যে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে আওয়ামী লীগে লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করা হয়েছে, সেটি আসলে আংশিক সত্য। আওয়ামী লীগ সরকার আসলে জনসংযোগ ফার্ম নিয়োগ করেছিল, যে জনসংযোগ ফার্মের প্রধান কাজ হয় যে মার্কিন নীতিনির্ধারকদের কাছে, কংগ্রেসম্যান, সিনেটরদের কাছে বাংলাদেশের কার্যাবলী সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য-উপাত্ত দেয়া। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এটাই নিয়ম। শুধু বাংলাদেশই নয়, ভারত, পাকিস্তানসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশেরই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই ধরনের পিআর ফার্ম বা জনসংযোগ ফার্মের প্রয়োজন পড়ে। কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনো বিষয়ই সরাসরি কংগ্রেসম্যান বা সিনেটরদের কাছে পৌছনো যায় না বা নীতিনির্ধারকদের কাছে যাওয়া যায় না। সেখানে এই ধরনের ফার্মগুলো আইনগত বৈধ এবং তারা বৈধ লাইসেন্সের মাধ্যমেই ঘোষণা দিয়ে এই ধরনের লবিং করে। বাংলাদেশের গার্মেন্টসের কিছু বিষয়, যে বিষয়গুলোর জন্য গার্মেন্টস মালিকরা মার্কিন নীতিনির্ধারকদের সঠিক তথ্য জানাতে চান এবং তারা তখন সেখানে একটি লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করে। উল্লেখ্য যে, এর আগে ডক্টর মুহম্মদ ইউনূসকেও গার্মেন্টস মালিকরা লবিস্ট ফার্ম হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। ২০০৪ সালে গ্রেনেড হামলার পর বাংলাদেশে যে গ্রেনেড হামলা ঘটেছে, এটার আসল তথ্য উপাত্ত ইত্যাদি সম্পর্কে মার্কিন প্রশাসনকে অবহিত করার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুক্তরাষ্ট্র শাখার লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করেছিল।

আবার বিএনপি সাম্প্রতিক সময়ে তারেক জিয়ার বিদেশে অবৈধ অর্থ, তার সাথে জঙ্গিবাদের সম্পর্ক, যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে বিএনপির অবস্থান ইত্যাদি বিষয়ে জানানোর জন্য লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ দিয়েছে। বাংলাদেশ সরকার মার্কিন প্রশাসনে তাদের সরকারের নীতি, কৌশল আদর্শ ইত্যাদি বোঝানোর জন্য লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ দিয়েছে। এটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ পন্থা, কিন্তু জিনিসগুলোকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে যাতে মনে করা হচ্ছে যে লবিস্ট ফার্ম বিষয়টি অবৈধ, অনৈতিকভাবে হয়ত টাকা-পয়সা দেয়া হয়েছে। রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য এইসব কথা না বলে বরং সঠিক তথ্যটি দেয়া উচিত। এই ধরনের লবিস্ট ফার্ম ছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনে কোনো রকমের কর্মকাণ্ডই পরিচালনা করা যায় না। 


লবিস্ট ফার্ম   রাজনীতি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

এসপিদের ওপর নিয়ন্ত্রণ চান ডিসিরা

প্রকাশ: ০৫:০৫ পিএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

তিন দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলন আগামীকাল শেষ হচ্ছে। এ সম্মেলনে মাঠ প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে সব আলোচনা ছাড়িয়ে জেলার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি সবার সামনে চলে এসেছে। যদিও সরকার এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত আগের অবস্থানে অটল রয়েছে। বর্তমানে জেলার দায়িত্বগুলো বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। এসপিরা যেমন ডিসির কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন, তেমনি জেলার দায়রা জজরাও পদও মর্যাদার দিক থেকে জেলা প্রশাসকদের থেকে অনেক উপরে। সিভিল সার্জনদেরও একটি স্বাতন্ত্র্য তৈরি হয়েছে। প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণের অংশ হিসেবে প্রত্যেকটি ক্যাডারের আলাদা আলাদা ক্ষমতায়নের নীতি অনুসরণ করেই জেলা প্রশাসকদের এখন সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করতে হচ্ছে। কিন্তু এতে জেলা প্রশাসকরা সন্তুষ্ট নন, বরং তারা মনে করেন যে জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা এবং জেলায় সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। আর এ কারণে এসপিদের উপর তারা নিয়ন্ত্রণ চান। তারা মনে করেন যে এখন এসপিরা জেলা প্রশাসকদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন। আর এ কারণেই অনেক ঘটনা ঘটে যে ঘটনাগুলোর দায় জেলা প্রশাসকদের উপর বর্তায়। অথচ সেখানে তাদের কোনো কিছুই করণীয় নেই। 

এই বিতর্কটি অবশ্য পুরনো নয়। গত কয়েকটি জেলা প্রশাসক সম্মেলনেই জেলা প্রশাসকরা এরকম দাবি করে আসছেন। একটা সময় ছিল যেখানে জেলা প্রশাসকদের কর্তৃত্বই ছিলো সবকিছু। বিশেষ করে জেলার এসপি, দায়রা জজ এবং সিভিল সার্জনসহ অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারাও জেলা প্রশাসকের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকতেন। ১৯৭৯ সালে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন জেলায় এসপি পদে অনেক সেনা কর্মকর্তাকে পদায়ন করা হয়। এই সময় জেলা প্রশাসকদের ক্ষমতা প্রথম খর্ব হয়। পরবর্তীতে এসপি, জেলা প্রশাসক এবং জেলা জজরা আলাদা আলাদা অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে থাকে এবং তাদের মধ্যে এক ধরনের সমন্বয় যেন থাকে সেটাও নিশ্চিত করা হয়। কিন্তু জেলা প্রশাসকরা বলতে চেয়েছেন যে একটি জেলায় যখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে তখন এই পুরো এলাকার পরিস্থিতির অবনতি হয়। তখন তাদেরকে নির্ভর করতে হয় এসপিদের উপর। অনেক সময় এসপিরা তাদের মতো করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ফলে পুরো ঘটনার উপর জেলা প্রশাসকদের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। জেলা প্রশাসক সম্মেলনে গত মার্চে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং দুর্গাপূজায় কুমিল্লা সহ বিভিন্ন স্থানের ঘটনা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলা হয় যে, এই ঘটনাগুলো দায় জেলার প্রশাসনের উপর বর্তেছে বটে, কিন্তু এখানে আইন-শৃঙ্খলা একটি বড় বিষয় ছিল এবং এ কারণেই এসপিদের উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন। 

তিন দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনে সরকারের নীতিনির্ধারক মহল থেকে এ ব্যাপারে কোনো আশ্বাস পাওয়া যায়নি। বরং সরকার মনে করছে যে জেলা প্রশাসকদের দায়িত্বটা হলো অনেকটাই সমন্বয়কের। প্রত্যেকটি বিভাগ স্বতন্ত্র মর্যাদা এবং ক্ষমতা নিয়ে কাজ করবে। জেলা প্রশাসকরা তাদের মধ্যে সমন্বয় করবেন। একই সাথে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এমপিদের সাথেও সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। এর ফলে জেলা প্রশাসকদের জেলার পূর্ণ কর্তৃত্ব চাওয়ার দাবিটি এবারও পূরণ হলো না বলেই মনে করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক   এসপি   জজ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পলিথিন বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশনা বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর

প্রকাশ: ০৩:০৪ পিএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

দেশে পলিথিনের ব্যবহার বন্ধে ডিসিদের প্রতি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী। আজ বুধবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসামানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, আমরা পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করে জুট ব্যাগিংয়ে চলে যেতে চাই। পলিথিন বন্ধে উপজেলা পর্যায়ে প্রতি মাসে অন্তত দুটি এবং জেলা পর্যায়ে একটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতা চেয়েছি। তারা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবেন, যাতে করে ব্যাগিং পলিথিনের ব্যবহারটা বন্ধ হয়।

গোলাম দস্তগীর বলেন, পূর্ব পাকিস্তানের সবচেয়ে বেশি আয় ছিল পাট খাত থেকে। আমরা আবার পাটের ব্যবহারে চলে যেতে চাই। আমার আশা, পাট ও বস্ত্র খাত আবার পুরোপুরি ফিরে আসবে।

খুলনায় পাটকল বন্ধ করে যে আধুনিকায়নের পরিকল্পনার করা হয়েছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে পাটমন্ত্রী বলেন, পাটকলের লিজ পদ্ধতির ম্যানেজমেন্ট থাকবে বেসরকারি হাতে। আমরা ইতোমধ্যে পাঁচটি টেন্ডার করেছি। আগামীতে তাদের কাছে সেগুলো হ্যান্ড ওভার করে দেব। ইতোমধ্যে দুটি টেন্ডার হ্যান্ড ওভার হয়ে গেছে।

জেলা প্রশাসক সম্মেলন   বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী   গোলাম দস্তগীর গাজী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

একটা সময় সহায়তা দেওয়ার জন্য মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না: মির্জা আজম

প্রকাশ: ০২:৫৫ পিএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেছেন, ‌প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে দেশের মানুষকে স্বাবলম্বী করে তুলছেন, তাতে করে একটা সময় সহায়তা দেওয়ার জন্য সারাদেশে মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না, বাংলাদেশ বিশ্বের অনুন্নত দেশকে সহায়তা করবে। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিভিন্ন দেশকে সহায়তা করে যাচ্ছে।

আজ বুধবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জামালপুর পৌরসভায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সহযোগিতায় জামালপুরে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে মির্জা আজম এসব কথা বলেন।

মির্জা আজম বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদিকে যেমন ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশকে উন্নত রাষ্ট্রের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তেমনি নানামুখী উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত করে দেশের নিম্ন আয়ের হতদরিদ্র মানুষদের উন্নত রাষ্ট্রের অংশীদার হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। 

জামালপুর পৌরসভার মেয়র ছানোয়ার হোসেন ছানুর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মালেক, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালেহ শফিক গেন্দা প্রমুখ। এ সময় জামালপুর পৌর এলাকার এক হাজার শীতার্ত মানুষের মাঝে এই কম্বল বিতরণ করা হয়। 

মির্জা আজম   আওয়ামী লীগ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন