ইনসাইড ইকোনমি

যতটা ভয় পাচ্ছি, ততটা ভয়াবহ কিছু হবে না: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৩:৪৯ পিএম, ২৩ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail যতটা ভয় পাচ্ছি, ততটা ভয়াবহ কিছু হবে না: অর্থমন্ত্রী

করোনা সংক্রমণ রোধে সরকারঘোষিত বিধিনিষেধের মধ্যে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুতি আছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আমরা যতটা ভয় পাচ্ছি, ততটা ভয়াবহ কিছু হবে না।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে অর্থনৈতিক বিষয়ক সংক্রান্ত ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

করোনার বিধিনিষেধের মধ্যে কী ধরনের চাপ আসতে পারে এবং প্রস্তুতি কেমন জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবসময় আমাদের সোশ্যাল সেফটিনেট বিস্তৃত, আমরা সবসময় সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছি। এজন্য আমরা মনে করি যতটা ভয় পাচ্ছি, ততটা ভয়াবহ কিছু হবে না। আমরা আগে যেভাবে মোকাবিলা করেছি, সেভাবে মোকাবিলা করতে পারবো।

এফবিসিসিআইয়ের অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ীরা প্রণোদনা ঠিকমতো পাননি বলে অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা যেসব প্রণোদনা দিয়েছি, এগুলো যাদের জন্য তারা অবশ্যই পাবে। যদি ডিলে (বিলম্ব) হয়ে থাকে তাহলেও সেটাও বাতিল হয়ে যাবে না। কারণ বাতিলের কোনো ব্যবস্থা নেই। যে শর্তসাপেক্ষে আমরা দিয়েছি সেই শর্ত পূরণ করলে তারা সেটি পেয়ে যাবে। আমি মনে করি এখানে ভুল বোঝাবুঝি আছে, হয়তো কোনো কারণ থাকতে পারে। আমি আবারও বলবো, যদি এমন কোনো অভিযোগ থাকে তাহলে এগুলো আমাকে দিলে আরও দেখতে পারবো এবং আপনাদের ভালোভাবে জবাব দিতে পারবো।

আ হ ম মুস্তফা কামাল   অর্থমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে বেড়েছে প্রায় সব পণ্যের দাম!

প্রকাশ: ১২:০৩ পিএম, ২০ মে, ২০২২


Thumbnail সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে বেড়েছে প্রায় সব পণ্যের দাম!

সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে দাম বেড়েছে চাল, ডাল, আটা, ডিম, সবজি ও মুরগির। এছাড়াও অন্যান্য পণ্যের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন নিত্য প্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম আরও বাড়বে।

শুক্রবার (২০ মে) সকালে সকালে রাজধানীর মিরপুরের ১ নম্বর বড় বাজার, মিরপুর রায়েনখোলা বাজার ও পল্লবী এলাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে বেড়েছে সবজির দাম। এসব বাজারে টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, চায়না গাজর প্রতি কেজি ১৬০ টাকা,  লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা আর গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি, চাল কুমড়া পিস ৫০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, পেঁপের কেজি ৪০ টাকা, বটবটির কেজি ৬০ টাকা ও মটরশুটির ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে কাঁচামরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা। কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকা। 

মিরপুরের ১ নম্বর বড় বাজার সবজি বিক্রেতা সাজু ফকির বলেন, বন্যার কারণে সবজির দাম বেড়েছে। সবজির সরবরাহ বাজারে কম এবং ক্রেতাদের চাহিদা বেশি। ফলে সবজির দাম বেড়েছে।  

বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে আলু। আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা।  পেঁয়াজে কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে। আর একটু ভালো মানের পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকায়।

মূলত আমদানি বন্ধ থাকায় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। এখন যে দামে বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে সেই দামে বিক্রি হবে। দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

বাজারে চায়না রসুন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি।  

বাজারে চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা কেজি। এছাড়া প্যাকেট চিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়। এছাড়াও এসব বাজারে বেড়েছে ডালের দাম। দশ টাকা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে দেশি মসুরের ডালের কেজি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। আটার দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা। খোলা আটার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা।

বাজারে ডিমের দামও বেড়েছে। লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। বাজারে হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ১৯০ টাকা।  

গরুর মাংসের কেজি ৭০০ টাকা। খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকায়। বাজারে বেড়েছে মুরগির দাম। ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। সোনালী মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩১০ টাকা। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকায়।  

দাম বেড়েছে চালের। মিনিকেট চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৬৬ টাকা। এক সপ্তাহ আগে মিনিকেটের কেজি ছিল ৬৪ টাকা। ২৮ চালের কেজি ২ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। আগে দাম ছিল ৪৮ টাকা কেজি। নাজিরশাইল চালের দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হতো ৬৮ থেকে ৭০ টাকায়। বাজারে পোলাও-এর চাল বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকায়। সাত দিন আগেও পোলাও-এর চালের কেজি ছিল ৯০ থেকে ১০০ টাকা।  

এদিকে রুই ও কাতল মাছ ২৩০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি, চিংড়ি ৪৫০ থেকে ১২০০ টাকা, বোয়াল ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা, ইলিশ ৯০০ থেকে ১৪০০ টাকা, শিং ৪০০ থেকে ৭০০, কাচকি ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হতে দেখা গেছে। 

বাজারে নতুন রেটের তেল প্রায় দোকানে বিক্রি হতে দেখা গেছে। ৫ লিটার রূপচাঁদা ৯৮০ টাকা, লিটার ১৯৮ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে। আগের দামেই ৮০ টাকা কেজি চিনি, ১০০ থেকে ১৩০ টাকা ডাল বিক্রি করা হচ্ছে।

বাজার   পণ্যের দাম   চাল   ডাল   আটা   ডিম   সবজি   মুরগি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

সিন্ডিকেট করে ডলারের দাম বাড়ানোর অভিযোগ

প্রকাশ: ০১:০০ পিএম, ১৯ মে, ২০২২


Thumbnail সিন্ডিকেট করে ডলারের দাম বাড়ানোর অভিযোগ

গত কয়েকদিন ধরেই খোলাবাজারে ডলারের দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যদিও রাজধানীতে বুধবার প্রতি ডলার ১০০ টাকা ও তার নিচে বেচাকেনা হয়েছে। তথাপি ডলারের সরবরাহ না থাকায় তেমন লেনদেন হয়নি, চাহিদাও তেমন ছিল না। এদিকে, ডলার নিয়ে ভয়াবহ কারসাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর সঙ্গে কিছু মানিচেঞ্জার প্রতিষ্ঠান, কিছুসংখ্যক অসৎ ব্যবসায়ী ও কয়েকটি ব্যাংক জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, অসৎ ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে ডলারের বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন এমন ধারণাও করা হচ্ছে। এজন্য এসব প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী ও ব্যাংকের লেনদেনের প্রতি পর্যবেক্ষণ ও নজরদারি বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

অনেকে অভিযোগ করেছেন, সিন্ডিকেট করে ডলারের দাম বাড়ানো হচ্ছে। ব্যাংক ও কার্ব মার্কেট সংশ্লিষ্টরা ব্যবসা করার জন্য ডলারের দর বাড়াচ্ছেন। কিছু ব্যাংক ডলার বিক্রি করে বিশাল অঙ্কের মুনাফা করছে। যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত দর ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা। এ দর নির্ধারণ করেই বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার সরবরাহ করছে। ব্যাংকগুলো বাস্তবে এলসি খুলতে ডলারে দর রাখছে ৯৩-৯৪ টাকা। অর্থাৎ প্রতি ডলারে ব্যাংকগুলোর মুনাফা হচ্ছে ৫-৬ টাকা। খোলাবাজারে বিক্রি হচ্ছে ৯৭-৯৮ টাকায়। এখানে মুনাফা করছে ৯-১০ টাকা। এজন্য এ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে স্থায়ী এবং কার্যকর সমাধানের জন্য নীতির জায়গাটা আগে ঠিক করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা বলছেন, ডলারের দাম বেড়েছে এটা সত্যি। চাহিদার তুলনায় জোগানের ঘাটতি রয়েছে এও সত্যি। রপ্তানি আয়ের তুলনায় আমদানি ব্যয় অনেক বেশি। সেজন্যই এ বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে। যার ফলে বাজারে ডলারের সংকট রয়েছে। কিন্তু এ সংকট আরও বেশি ঘনীভূত করা এবং কৃত্রিমভাবে দাম বাড়িয়ে বাজারে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে কিছু অসৎ ব্যবসায়ী, কয়েকটি মানিচেঞ্জার প্রতিষ্ঠান। এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংক তদন্ত শুরু করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডলারের বাজার নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেগুলো সময়োপযোগী। একই বিলাসী পণ্যের আমদানি কিছুদিন বন্ধ রাখা, গাড়ি আমদানির প্রতি নিয়ন্ত্রণ ও আরোপ আমদানি পণ্যের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ানোর প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। একইভাবে খোলাবাজার ব্যাংকের মধ্যে ডলারের রেটের যে বিশাল ব্যবধান রয়েছে তা কমিয়ে আনার কোনো বিকল্প নেই। মানিচেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও একটা নির্দিষ্ট রেট ঠিক করে দেওয়া উচিত। মানিচেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলো ডলার মজুদ করে কারসাজির মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে কি না সে বিষয়েও বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, ‘কার্ব মার্কেটটা খুবই ছোট। কিন্তু এখানে হিউজ লেনদেন হয়। কেননা দীর্ঘ আড়াই বছরের করোনা মহামারির পর মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। এতে মানুষের বিদেশ ভ্রমণ বেড়েছে। ভ্রমণের জন্য বেশির ভাগই খোলাবাজার থেকেই ডলার কেনেন। তবে মূল মার্কেট হচ্ছে ব্যাংক। এ বাজারেও স্বচ্ছতার ঘাটতি থাকতে পারে।’ এখানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সাবেক এই গভর্নর। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী বিভিন্ন পণ্যের এলসি বেড়েছে প্রায় ৪৬ শতাংশ। ফলে আমদানিতে ডলারের চাহিদা বেড়েছে। ডলারের যে পরিমাণ চাহিদা বিপরীতে ডলার আহরণের উৎস সে অনুযায়ী হয়নি। যেখানে আমদানি বেড়েছে ৫০ শতাংশের কাছাকাছি, রপ্তানি সেখানে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বেড়েছে। অন্যদিকে প্রতি বছর প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স হিসেবে প্রবাসীরা পাঠালেও এ বছর সে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হচ্ছে না। সাত-আট মাস ধরে প্রতি মাসেই রেমিট্যান্স প্রবাহ কমছে। ফলে চাহিদা অনুযায়ী ডলার পাচ্ছে না বাংলাদেশ। আবার এর সুযোগও কাজে লাগাচ্ছে সিন্ডিকেট চক্র। বাজারে সত্যিকারের সংকট কাজে লাগিয়ে রেট বাড়াতে ডলার থাকলেও তা ধরে রাখছে মানিচেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলো। 

এদিকে দেশে এখন আমদানির জন্য যে পরিমাণ অর্থ বা ডলার খরচ হচ্ছে, রপ্তানি ও প্রবাসী আয় দিয়ে তা মিটছে না। এর ফলে সংকট তৈরি হয়েছে। প্রতি মাসে প্রায় ১০০ কোটি ডলার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। আমদানি ব্যয় বেড়েছে জ্বালানি, ভোগ্যপণ্য, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি ও জাহাজভাড়া বাড়ার কারণে। ডলার-সংকট মোকাবিলায় বিলাসপণ্য আমদানি নিরুৎসাহিত করছে বাংলাদেশ ব্যাংক, আর সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর বাতিল করেছে সরকার। 

সিন্ডিকেট   ডলার   দাম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

এপ্রিলের মূল্যস্ফীতি ১৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ: বিবিএস

প্রকাশ: ০৮:৩৪ এএম, ১৯ মে, ২০২২


Thumbnail এপ্রিলের মূল্যস্ফীতি ১৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ: বিবিএস

এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। যা গত ১৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ২৯ শতাংশে। খাদ্য দ্রব্য ও খাদ্য বহির্ভুত জিনিসপত্রের ক্রমাগত মূল্য বৃদ্ধির ফলে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।

বুধবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় বিবিএস এই তথ্য প্রকাশ করেছে। গত মার্চ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ২২ শতাংশ।

মার্চ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ২২ শতাংশ। এর আগে ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে সর্বোচ্চ ৬ দশমিক ৪৪ শতাংশের রেকর্ড হয়। 

এপ্রিলে, খাদ্য মূল্যস্ফীতি আগের মাসের ৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ২৪ শতাংশে।

বিবিএসের মতে, খাদ্যবহির্ভুত খাতে মূল্যস্ফীতি ৩৫ বেসিস পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৩৯ পয়েন্টে। যা মার্চ মাসে ছিল ৬ দশমিক ০৪ পয়েন্ট।

এপ্রিল মাসে শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামীণ এলাকার মানুষ বেশি পরিমাণে মূল্যস্ফীতির শিকার হয়েছেন। 

বিবিএস অনুসারে, গ্রামীণ এলাকায় সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ যেখানে শহরাঞ্চলে ছিল ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, বিবিএসের তথ্যে মূল্যস্ফীতির কথা বলা হলেও এর পরিমাণ আরও বেশি হবে। তার কারণে ২০০৫-০৬ সালকে ভিত্তি বছর ধরে মূল্যস্ফীতির হিসাব করে।

মূল্যস্ফীতি   বিবিএস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ: ০৮:২৭ পিএম, ১৮ মে, ২০২২


Thumbnail বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনাসহ একটি অভ্যন্তরীণ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, যেখানে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী এখন থেকে বিদেশ ভ্রমণ, বৈদেশিক শিক্ষা কার্যক্রম এবং সেমিনার ও কর্মশালায় অংশ নিতে পারবেন না। তবে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের নিজস্ব অর্থায়নে চিকিৎসা ও হজ পালনের জন্য বিদেশ যেতে পারবেন।

মূলত ডলার সংকট ও রিজার্ভের উপর চাপ কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিদেশ ভ্রমণ বাতিল করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থায়নে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদেশ ভ্রমণের জন্য জারি করা সব আদেশও বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া নতুন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। 

সোমবার (১৬ মে) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের এক পরিপত্রে বলা হয়, রাষ্ট্রায়ত্ত, স্বায়ত্তশাসিত, আধা সরকারি প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিলের অর্থে বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ থাকবে। এই নির্দেশনার পরই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন নির্দেশনা এলো।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে এবং ডলার সংকট থেকে উত্তরণের অংশ হিসেবে সরকার সম্প্রতি বিলাসদ্রব্যের আমদানি সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সব রাষ্ট্রায়ত্ত, স্বায়ত্তশাসিত, আধা সরকারি প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিলের অর্থে বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ ঘোষণা করেছে। সরকারি নির্দেশেনার আলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিদেশ ভ্রমণ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


বাংলাদেশ ব্যাংক   কর্মকর্তা-কর্মচারী   বিদেশ ভ্রমণ   নিষেধাজ্ঞা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

ভরিতে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ১৭৪৯ টাকা

প্রকাশ: ০৮:৫২ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail ভরিতে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ১৭৪৯ টাকা

যুদ্ধ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলার ও অন্যান্য মুদ্রার দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে এক হাজার ৭৪৯ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭৮ হাজার ২৬৫ টাকা হয়েছে।

আগামীকাল বুধবার (১৮ মে) থেকে স্বর্ণের এই নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

ভালো মানের স্বর্ণের পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে সব ধরনের স্বর্ণের দাম। মান অনুযায়ী প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে এক হাজার ১৬৭ থেকে এক হাজার ৭৪৯ টাকা পর্যন্ত। তবে রুপার দামে কোনো অপরিবর্তিত আসেনি।

বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি মঙ্গলবার (১৭ মে) বৈঠক করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। পরে মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুদ্ধ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলার ও অন্যান্য মুদ্রার দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। স্থানীয় বুলিয়ান মার্কেটেও স্বর্ণের দাম বেড়েছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে, যা ১৮ মে থেকে কার্যকর হবে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এক হাজার ৭৪৯ টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৭৮ হাজার ২৬৫ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৬৯১ টাকা বাড়িয়ে ৭৪ হাজার ৭০৮ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৩৯৯ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৩৫ টাকা করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৭ টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫৩ হাজার ৩৬৩ টাকা।

স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার আগের নির্ধারিত দামই বহাল রয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ৯৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে আন্তর্জাতিক বাজার ও স্থানীয় বুলিয়ান মার্কেটে দাম কমার প্রেক্ষিতে গত ২৬ এপ্রিল ও ১১ মে দু’দফায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। এর মধ্যে ১১ মে থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে করা হয় ৭৬ হাজার ৫১৬ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ১৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬২ হাজার ৬৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮৭৬ টাকা কমিয়ে ৫২ হাজার ১৯৬ টাকা করা হয়। মঙ্গলবার পর্যন্ত এ দামেই স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন