ইনসাইড ইকোনমি

ব্যাংকিংখাতে চরম নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে ওমিক্রন

প্রকাশ: ০৯:০৪ এএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail ব্যাংকিংখাতে চরম নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে ওমিক্রন

করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ হঠাৎ তীব্রতর হওয়ায় দেশের উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এ ছাড়া বিরূপ প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে। এ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের পক্ষে ব্যাংক ঋণের কিস্তি সময়মতো পরিশোধ করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না বলে মনে করছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরকে দেওয়া চিঠিতে এসব কথা লিখেছেন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। 

তিনি বলেন, দেশে করোনাভাইরাসের তৃতীয় ধাক্কা ওমিক্রনের নেতিবাচক প্রভাব ব্যাংকিং খাতসহ পুরো অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। 

পত্রে তিনি উল্লেখ করেছেন, চলমান কভিড পরিস্থিতিতে দেশের বিরাজমান অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ওপর সারা দেশের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে এফবিসিসিআই। সভায় ব্যবসায়ী নেতারা উল্লেখ করেন, কভিড পরিস্থিতি বিদ্যমান থাকায় অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে স্বাভাবিক হয়নি। স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলে এখনো অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পত্রে এফবিসিসিআই বলেছে, কভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ হঠাৎ তীব্রতর হওয়ায় দেশের উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সরকার ইতোমধ্যে নতুন করে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। অর্ধেক জনবল নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ ছাড়া ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে কভিড পুনরায় বিস্তার লাভ করায় লকডাউন ঘোষণা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম ও ফ্রেইট চার্জ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীদের পক্ষে ঋণের কিস্তি সময়মতো পরিশোধ করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না। ঋণ শ্রেণীকরণ সুবিধার মেয়াদ বৃদ্ধি করা না হলে অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অনিচ্ছাকৃত খেলাপি গ্রাহকে পরিণত হবে, যা ব্যাংকিং খাতসহ পুরো অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এ সমস্যা উত্তরণে সারা দেশের চেম্বারের নেতারা ঋণ বিরূপমানে শ্রেণীকরণ প্রক্রিয়া আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত স্থগিত রাখার দাবি করেছেন। এফবিসিসিআই পত্রে বিষয়টি উল্লেখ করে জানায়, দেশের বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিত্বকারী শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই ব্যবসায়ী নেতাদের দাবির প্রতি সহমত পোষণ করেছে। এ অবস্থায় বিদ্যমান কভিড পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দেশের অর্থনীতির স্বার্থে বিনা শর্তে ঋণ বিরূপমানে শ্রেণীকরণ প্রক্রিয়া আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত স্থগিত রাখার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি বাংলাদেশ ব্যাংক বিদ্যমান পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে সচল রাখতে সক্রিয় সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসবে। এ প্রসঙ্গে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন গতকাল সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কার পর এখন ওমিক্রন ধরনের সংক্রমণে আবারও ব্যবসা বাণিজ্যে নাজুক পরিস্থিত তৈরি হয়েছে। এমন অবস্থায় অনেক ব্যবসায়ীর ঋণের কিস্তি দেওয়ার সক্ষমতা নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক সময় না বাড়ালে ঋণগ্রহীতাদের অনেকেই খেলাপি হবেন, যা দীর্ঘ মেয়াদে দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর হবে। এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, মহামারিকালীন মন্দা কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি-সহায়তা এখন আরও বেশি দরকার। মহামারিতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা। কিন্তু অন্যান্য প্রণোদনা তহবিলের অর্থ প্রায় শতভাগ ছাড় হলেও এসএমই প্রণোদনার বড় অংশ বিতরণ হয়নি। ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতে ছোট আকারের ঋণ দিতে ব্যাংকগুলোর অনীহা আছে। 

করোনা   ভাইরাস   মহামারি   ব্যাংক   এফবিসিসিআই  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

ভরিতে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ১৭৪৯ টাকা

প্রকাশ: ০৮:৫২ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail ভরিতে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ১৭৪৯ টাকা

যুদ্ধ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলার ও অন্যান্য মুদ্রার দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে এক হাজার ৭৪৯ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭৮ হাজার ২৬৫ টাকা হয়েছে।

আগামীকাল বুধবার (১৮ মে) থেকে স্বর্ণের এই নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

ভালো মানের স্বর্ণের পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে সব ধরনের স্বর্ণের দাম। মান অনুযায়ী প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে এক হাজার ১৬৭ থেকে এক হাজার ৭৪৯ টাকা পর্যন্ত। তবে রুপার দামে কোনো অপরিবর্তিত আসেনি।

বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি মঙ্গলবার (১৭ মে) বৈঠক করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। পরে মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুদ্ধ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলার ও অন্যান্য মুদ্রার দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। স্থানীয় বুলিয়ান মার্কেটেও স্বর্ণের দাম বেড়েছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে, যা ১৮ মে থেকে কার্যকর হবে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এক হাজার ৭৪৯ টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৭৮ হাজার ২৬৫ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৬৯১ টাকা বাড়িয়ে ৭৪ হাজার ৭০৮ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৩৯৯ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৩৫ টাকা করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৭ টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫৩ হাজার ৩৬৩ টাকা।

স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার আগের নির্ধারিত দামই বহাল রয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ৯৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে আন্তর্জাতিক বাজার ও স্থানীয় বুলিয়ান মার্কেটে দাম কমার প্রেক্ষিতে গত ২৬ এপ্রিল ও ১১ মে দু’দফায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। এর মধ্যে ১১ মে থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে করা হয় ৭৬ হাজার ৫১৬ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ১৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬২ হাজার ৬৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮৭৬ টাকা কমিয়ে ৫২ হাজার ১৯৬ টাকা করা হয়। মঙ্গলবার পর্যন্ত এ দামেই স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

খোলা বাজারে ডলারের দাম ৪ টাকা বেড়ে ১০২ টাকা

প্রকাশ: ০৬:২৫ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail খোলা বাজারে ডলারের দাম ৪ টাকা বেড়ে ১০২ টাকা

দেশের বাজারে ডলারের দামের ঊর্ধগতি অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। আজ মঙ্গলবার মার্কিন ডলারের মূল্য ১০০ টাকা ছাড়িয়েছে যার গতকাল দর ছিল ৯৬ থেকে ৯৮ টাকা।

মঙ্গলবার (১৭ মে) রাজধানীর ব্যাংক পাড়া মতিঝিল, পল্টন ও বায়তুল মোকাররম এলাকায় খোঁজ নিয়ে এমন তথ্য পাওয়া গেছে, এক্সচেঞ্জ (মুদ্রা বিনিময়) হাউজগুলোতে আজ খুচরা ডলার ১০০ টাকা থেকে ১০২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এমন অস্বাভাবিক মূল্য ভাবিয়ে তুলছে সংশ্লিষ্টদের। ডলারে দাম আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা করছে সাধারণ মানুষজন। কি কারণে এমন অস্বাভাবিক দাম? জানতে চাইলে সোজাসাপ্টা উত্তর- চাহিদা আছে, ডলার নেই।

একদিকে প্রচুর চাহিদা, অন্যদিকে ডলারের সল্পতা, অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির মূল কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বশেষ সোমবার (১৬ মে) ডলারের দর বেঁধে দিয়েছে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা। কিন্তু তাদের বেঁধে দেওয়া এ রেট বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো মানছে না। এখন ব্যাংকে এলসি করতে গেলে ডলারের বিপরীতে নেওয়া হচ্ছে ৯২ থেকে ৯৩ টাকা। আবার কোনো কোনো ব্যাংক ৯৫/৯৬ টাকাও নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশে ব্যাপক হারে আমদানির চাপ বেড়েছে। ফলে আমদানির দায় পরিশোধে বাড়তি ডলার লাগছে। কিন্তু সেই তুলনায় রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়েনি। ফলে ব্যাংক-ব্যবস্থা ও খোলা বাজারে মার্কিন ডলারের ওপর চাপ বাড়ছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহে ঘাটতি দেখা দি‌য়ে‌ছে। যার কারণে টাকার বিপরীতে বাড়ছে ডলারের দাম। বাজার স্থিতিশীল রাখতে ব্যাংকগুলোর চাহিদার বিপরীতে ডলার বিক্রি করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে কমছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। কিন্তু তারপরও নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে না ডলার।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২০ সালের জুলাই থেকে গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দাম ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল। কিন্তু এরপর থেকে বড় ধরনের আমদানি ব্যয় পরিশোধ করতে গিয়ে ডলার সংকট শুরু হয়। যা এখন পর্যন্ত অব্যাহত আছে।

২০২১ সালের ৩ আগস্ট থেকে দু’এক পয়সা করে বাড়তে বাড়তে গত বছরের ২২ আগস্ট প্রথমবারের মতাে ৮৫ টাকা ছাড়ায় ডলারের দাম। চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি এটি বেড়ে ৮৬ টাকা হয়। গত ২৩ মার্চ আন্তঃব্যাংক লেনদেনে ৮৬ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়ায়। ২৭ এপ্রিল ৮৬ টাকা ৪৫ পয়সা, ১০ মে ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা এবং গতকাল (১৬ মে) ৮৭ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়ায় ডলারের মূল্য। যা এ যাবতকালের সর্বোচ্চ। অর্থাৎ গত ৯ মাসের ব্যবধানে প্রতি ডলারে দর বেড়েছে দুই টাকা ৭০ পয়সা।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

২ লাখ ৪৬ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন

প্রকাশ: ০১:১৩ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail ২ লাখ ৪৬ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন

২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য সম্বলিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা করপোরেশনের প্রায় ৯ হাজার ১৩০ কোটি টাকার এডিপিও অনুমোদিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ মে) শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী ও এনইসির চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে শেরেবাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষ ও সচিবালয়স্থ মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।

সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ২ লাখ ৪৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন এডিপি অনুমোদন হয়েছে। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের কথা চিন্তা করেই এই অনুমোদন। মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নসহ নানা উন্নয়নকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

অন্যান্য বছরের ন্যায় এ বছরেও দেশের সম্পদ, বৈদেশিক অর্থায়ন ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা নিয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরের এডিপি প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার, কোভিড -১৯ মোকাবিলা, অধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি , শিক্ষা-স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়ন , মানব সম্পদ উন্নয়ন , খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, দারিদ্র্য বিমোচন তথা দেশের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে ।

সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রীসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকের কর্মকর্তাদেরও বিদেশভ্রমণ নয়: অর্থ মন্ত্রণালয়

প্রকাশ: ০৮:৩৩ এএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকের কর্মকর্তাদেরও বিদেশভ্রমণ নয়: অর্থ মন্ত্রণালয়

সরকারি কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের পর এবার রাষ্ট্রায়ত্ত কর্মকর্তাদেরও বিদেশভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের বেলায়ও এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

সোমবার (১৬ মে) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এ–সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আ ফ ম ফজলে রাব্বী স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়, এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। পরিপত্র অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত, স্বায়ত্তশাসিত, আধা সরকারি প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিলের অর্থে বিদেশভ্রমণও বন্ধ থাকবে।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে ১২ মে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় বিদেশ সফর বন্ধ করা হয়। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ শওকত উল্লাহর সই করা ওই পরিপত্রে বলা হয়, করোনা–পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের প্রেক্ষাপটে পুনরায় আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এক্সপোজার ভিজিট, শিক্ষাসফর, এপিএ এবং ইনোভেশনের আওতামুক্ত ভ্রমণ ও ওয়ার্কশপ বা সেমিনারে অংশগ্রহণসহ সব ধরনের বিদেশভ্রমণ বন্ধ থাকবে। এ আদেশ উন্নয়ন বাজেট ও পরিচালন বাজেট উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।



রাষ্ট্রমালিকানাধীন   ব্যাংক   কর্মকর্তাদের   বিদেশ   ভ্রমণ   বন্ধ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

প্রতিবেশী দেশগুলো ভারত থেকে গম আনতে পারবে: ভারতীয় হাইকমিশন

প্রকাশ: ০৭:১৪ পিএম, ১৬ মে, ২০২২


Thumbnail প্রতিবেশী দেশগুলো ভারত থেকে গম আনতে পারবে: ভারতীয় হাইকমিশন

ভারত গমের বাণিজ্যিক রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও প্রতিবেশী দেশগুলো ভারত থেকে গম আনতে পারবে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় হাইকমিশন। 

রোববার (১৫ মে) ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, সম্প্রতি গণমাধ্যমে ভারত থেকে গম রপ্তানির ওপর ‘নিষেধাজ্ঞা’র খবর প্রকাশিত হয়েছে। অভ্যন্তরীণ খাদ্যের প্রাপ্যতা রক্ষা, খাদ্য-মূল্যের সাথে সম্পর্কিত মুদ্রাস্ফীতি প্রশমিত করতে এবং ভারতের প্রতিবেশী এবং খাদ্য নিরাপত্তার উদ্বেগসহ অন্যান্য দেশের প্রকৃত চাহিদাগুলোর সমর্থনে এই ব্যবস্থাগুলো নেওয়া হয়েছে।

এটি স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ভারত থেকে গমের বাণিজ্যিক রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তবে এই নির্দেশাবলিতে রপ্তানির জন্য ইতোমধ্যে চুক্তিবদ্ধ গমের চালানের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই নির্দেশাবলী ভারতের প্রতিবেশী এবং অন্যান্য দেশগুলো যারা তাদের সরকারের অনুরোধে অভ্যন্তরীণ খাদ্য নিরাপত্তা নীতির পরিপূরক হিসাবে এই পণ্য সংগ্রহ করতে আগ্রহী তাদের জন্য গম রপ্তানি সরবরাহ বন্ধ হবে না।


প্রতিবেশী   দেশগুলো   গম   পারবে   ভারতীয়   হাইকমিশন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন