ইনসাইড ইকোনমি

ভরিতে স্বর্ণের দাম কমেছে ১ হাজার ১৬৬ টাকা

প্রকাশ: ০৫:২৪ পিএম, ১৪ মে, ২০২২


Thumbnail ভরিতে স্বর্ণের দাম কমেছে ১ হাজার ১৬৬ টাকা

গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন হয়েছে। এ সময়ে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম প্রায় চার শতাংশ কমেছে। ফলে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৭০ ডলারেরও বেশি কমে বর্তমানে ১৮৫০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। সেই সঙ্গে কমেছে রুপা ও প্লাটিনামের দাম।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমায় এরই মধ্যে দেশের বাজারেও এর দাম কমানো হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) গত ১১ মে (বুধবার) থেকে দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মান বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৭৬ হাজার ৫১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ১৭ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬২ হাজার ৬৩৬ টাকা করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮৭৬ টাকা কমিয়ে করা হয়েছে ৫২ হাজার ১৯৬ টাকা।

বাজুস দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দেওয়ার সময় বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ১ হাজার ৮৬০ ডলারের ওপরে। এরপর বিশ্ববাজারে লেনদেন হওয়া প্রতি কার্যদিবসেই স্বর্ণের দাম কমেছে। এতে গত চার সপ্তাহের মধ্যে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে চলে এসেছে।

গত এক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৩ দশমিক ৮১ শতাংশ বা ৭১ দশমিক ৭৪ ডলার কমেছে। এর মধ্যে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসেই কমেছে ১০ দশমিক ৪৪ ডলার বা দশমিক ৫৭ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮১১ ডলার। আর মাসের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম কমেছে ৮ দশমিক ২২ শতাংশ।

স্বর্ণের পাশাপাশি গত এক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে রূপা ও প্লাটিনামের দামেও বড় পতন হয়েছে। এ সময়ে ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স রূপার দাম দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক শূন্য ৯ ডলারে। মাসের ব্যবধানে এই ধাতুটির দাম কমেছে ১৭ দশমিক ৭০ শতাংশ।

আরেক দামি ধাতু প্লাটিনামের দাম গত সপ্তাহজুড়ে কমেছে ২ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স প্লাটিনামের দাম দাঁড়িয়েছে ৯৩৮ দশমিক ৫০ ডলারে। মাসের ব্যবধানে দামি এই ধাতুটির দাম কমেছে ৫ দশমিক ২১ শতাংশ।

এদিকে, রাশিয়া ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরু করার পর থেকেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা গেছে। হুট করে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান, এরপর আবার বড় দরপতনের ঘটনা ঘটছে গত তিন মাস ধরেই।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে আক্রমণ শুরু করে রাশিয়া। হামলা শুরুর পর প্রথম সপ্তাহেই বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ বা ৮২ দশমিক ৪৮ ডলার বেড়ে যায়। এতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯৭০ দশমিক শূন্য ৭ ডলারে উঠে যায়।

এরই প্রেক্ষিতে গত ৩ মার্চ বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। সে সময় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৫ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৭৮ হাজার ২৬৫ হাজার টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ৯১ টাকা বাড়িয়ে ৭৪ হাজার ৭৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ১৫২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ৫৩ হাজার ৪২১ টাকা করা হয়।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর পর এক সপ্তাহের মধ্যে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়ে দুই হাজার ডলার ছাড়িয়ে যায়। ফলে ৯ মার্চ দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয় স্বর্ণের দাম। এ দফায় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৭৯ হাজার ৩১৫ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার ৬৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৮১৬ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৯৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৬৪২ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৫৪ হাজার ৬২ টাকা।

অবশ্য এরপর বিশ্ববাজারে টানা দরপতনের মধ্যে পড়ে স্বর্ণ। ফলে ১৬ মার্চ ও ২২ মার্চ দুই দফায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। এর মধ্যে ২২ মার্চ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে করা হয় ৭৭ হাজার ৯৯ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ৬০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬৩ হাজার ১০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ৫২ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এরপর রোজা শুরু হলে দেশের বাজারে ঈদকেন্দ্রিক স্বর্ণালঙ্কারের বিক্রি কিছুটা বেড়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে দামেও। বিশ্ববাজারে খুব একটা দাম না বাড়লেও ১২ এপ্রিল ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৮৪৯ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৭৪৯ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার ৩৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৫৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ২২৪ টাকা বাড়িয়ে ৫৩ হাজার ৮২৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

তবে বিশ্ববাজারে দাম কমার প্রবণতা দেখা দিলে ২৬ এপ্রিল আবারও দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। সে সময় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭৫৮ টাকা কমানো হয়। আর ঈদের পর এক সপ্তাহ না যেতেই ১১ মে আরেক দফা স্বর্ণের দাম কমানো হয়।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট পাস

প্রকাশ: ০৯:৩৮ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail

মহামারি করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবলা করে চলমান উন্নয়ন বজায় রাখা ও উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য সামনে রেখে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট সংসদে পাস করা হয়েছে। গত ৯ জুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে ‘কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় পরিবর্তন’ শ্লোগান সম্বলিত এ বাজেট পেশ করেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) বাজেট পাসের প্রক্রিয়ায় মন্ত্রীগণ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ব্যয় নির্বাহের যৌক্তিকতা তুলে ধরে মোট ৫৯টি মঞ্জুরি দাবি সংসদে উত্থাপন করেন। এই মঞ্জুরি দাবিগুলো সংসদে কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়।

এসব মঞ্জুরি দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে বিরোধীদলের ১৩ জন সংসদ সদস্য মোট ৬৬৪টি ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং জননিরাপত্তা বিভাগ ৪টি মঞ্জুরী দাবিতে আনীত ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর বিরোধী দলের সদস্যরা আলোচনা করেন। পরে কণ্ঠভোটে ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো নাকচ হয়ে যায়।

ছাঁটাই প্রস্তাবে আলোচনা করেন জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ, ফখরুল ইমাম, রুস্তম আলী ফরাজী, পনির উদ্দিন আহমেদ, মজিবুল হক, রওশন আরা মান্নান, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বিএনপির হারুনুর রশীদ, মোশাররফ হোসেন, রুমীন ফারহানা, গণফোরামের মোক্কাবির খান এবং স্বতন্ত্র সদস্য রেজাউল করিম বাবলু।

এরপর সংসদ সদস্যগণ টেবিল চাপড়িয়ে নির্দিষ্টকরণ বিল-২০২২ পাসের মাধ্যমে ২০২২- ২৩ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করেন।
এর আগে গতকাল ২৯ জুন সংসদে অর্থ বিল ২০২২ পাসের মাধ্যমে বাজেটের আর্থিক ও কর প্রস্তাব সংক্রান্ত বিধি-বিধান অনুমোদন করা হয়।

এদিকে ২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩১ হাজার ৯৯ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ  দেয়া  হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা।

বাজেটে মোট রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে আয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য সূত্র থেকে কর রাজস্ব ধরা হয়েছে ৬৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এনবিআর বহির্ভূত ১৮ হাজার কোটি টাকা, কর ব্যতিত প্রাপ্তি ৪৫ হাজার কোটি টাকা।

সামগ্রিক বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে, যা জিডিপির ৫.৫ শতাংশ। ২০২১-২২অর্থ বছরের বাজেটে ঘাটতি ছিল জিডিপির ৬.২ শতাংশ।

এ ঘাটতি অর্থায়নে বৈদেশিক ঋণ থেকে ১ লাখ ১২ হাজার ৪৫৮ কোটি টাকা, অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা আহরণ করা হবে। বৈদেশিক ঋণের মধ্যে ঋণ পরিশোধ খাতে ১৭ হাজার কোটি রাখা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ৩৫ হাজার কোটি টাকা, ব্যাংক বহির্ভূত উৎস থেকে ৪০ হাজার ১ কোটি টাকা এবং অন্যান্য খাত থেকে ৫ হাজার কোটি টাকা সংস্থানের ব্যবস্থা রাখা  হয়েছে।

বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭.৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া মূল্যস্ফীতি ৫.৬  শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজেটে সামাজিক অবকাঠামো খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ২৭.০৫ শতাংশ; এর মধ্যে মানবসম্পদ খাতে (শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাত) বরাদ্দ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫২৪ কোটি টাকা। ভৌত অবকাঠামো খাতে ২ লাখ ৮৬০ কোটি টাকা বা ২৯.৬২ শতাংশ; যার মধ্যে সার্বিক কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ৮৬ হাজার ৭৯৮ কোটি; যোগাযোগ অবকাঠামো খাতে ৭৯ হাজার ২৬ কোটি এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ২৬ হাজার ৬৫ কোটি টাকা। সাধারণ সেবা খাতে ১ লাখ ৫৩ হাজার ২০৮ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ২২.৫৯ শতাংশ। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি), বিভিন্ন শিল্পে আর্থিক সহায়তা, ভর্তুকি, রাষ্ট্রায়ত্ত, বাণিজ্যিক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের জন্য ব্যয় বাবদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৫৩ হাজার ১৫৫ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ৭.৮৪ শতাংশ; সুদ পরিশোধ বাবদ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৮০ হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ১১.৮৫ শতাংশ; নিট ঋণদান ও অন্যান্য ব্যয় খাতে ৭ হাজার ৪১ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ১.০৪ শতাংশ।

বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা, যোগাযোগ অবকাঠামো, ভৌত অবকাঠামো, আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, কৃষি, মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।

সূত্র: বাসস

বাজেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা

প্রকাশ: ০৪:২৩ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা

২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য মুদ্রানীতি (মনিটরি পলিসি স্টেটমেন্ট) ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অর্থ সরবরাহ ক‌মি‌য়ে মূল্যস্ফীতির লাগাম টানার চেষ্টায় এই নীতি ঘোষণা করা হয়।

বৃহস্প‌তিবার (৩০ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে নতুন এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন গভর্নর ফজলে কবির। অনুষ্ঠানে উপ‌স্থিত ছি‌লেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর, হেড অব বিএফআইইউ ও নির্বাহী পরিচালকরা।  

করোনার কারণে গত দুই বছর আনুষ্ঠানিকতা ছাড়া শুধু ওয়েবসাইটে মুদ্রানীতি প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক আগে প্রতি ছয় মাসের আগাম মুদ্রানীতি ঘোষণা করলেও গত দুই অর্থবছর ধরে তা এক বছরের জন্য করা হচ্ছে। এবারও মুদ্রানীতি এক বছরের জন্য ঘোষণা করেছেন গভর্নর ফজলে কবির। এটি বর্তমান গভর্নরের মেয়াদের শেষ মুদ্রানীতি ঘোষণা।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও প্রকাশ করে। দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় মুদ্রানীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ঋণ, মুদ্রা সরবরাহ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ, বৈদেশিক সম্পদ কতটুকু বাড়বে বা কমবে এর একটি পরিকল্পনা তুলে ধরা হ‌য়ে‌ছে।

নতুন অর্থবছরের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা। ত‌বে মূল্যস্ফীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কিছু উপকরণ ব্যবহার ছাড়া তেমন কোনো করণীয় নেই। যে কয়েকটি উপকরণ রয়েছে, তার অন্যতম প্রধান হলো টাকার প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা। অর্থাৎ বেসরকারি খাতে কম হারে ঋণ দেওয়া। এজন্য আগামী অর্থবছরের জন্য মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা থেকে কমিয়ে আনা হয়ে‌ছে।

মুদ্রানীতি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

সংসদে বাজেট পাস হচ্ছে আজ

প্রকাশ: ০৮:০৪ এএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail সংসদে বাজেট পাস হচ্ছে আজ

জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট পাস হতে যাচ্ছে আজ। বাজেট পাসের পর আগামী ১ জুলাই থেকে শুরু হবে নতুন অর্থবছর। অর্থবিল পাসের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রস্তাবিত বাজেটের উপর বক্তব্য রাখবেন। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বাজেট পাস হবে। গত ৯ জুন ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এরপর গত ২০ দিন সংসদ ও সংসদের বাইরে বাজেট নিয়ে আলোচনা সমালোচনা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটের মূল প্রতিপাদ্য– ‘কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তন’। প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। এনবিআরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। এনবিআর বহির্ভূত কর ধরা হয়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা।

করছাড় প্রাপ্তি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বৈদেশিক অনুদান ৩ হাজার ২৭১ কোটি টাকা। বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। এডিপিতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা।

প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির ধরা হয়েছে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। আগামী বছরের জন্য উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা।

ঘাটতি অর্থায়ন

আড়াই লাখ কোটি টাকার ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণ নেবে ২ লাখ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা। ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা।

ব্যাংক বহির্ভূত ঋণ নেওয়া হবে ৪০ হাজার ১ কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেওয়া হবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এছাড়াও বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ নেবে সরকার।

উল্লেখ্য, প্রস্তাবিত বাজেটের আকার চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় ৭৪ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকা বেশি। আর সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৮৪ হাজার ৫৬৪ কোটি টাকা বেশি।

চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ছিল ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। এবারের প্রস্তাবিত বাজেট দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ বাজেট। আবার ঘাটতির দিক থেকেও নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে।

বাজেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

শনিবার ব্যাংক খোলা রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের চিঠি

প্রকাশ: ০৯:৫৩ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail শনিবার ব্যাংক খোলা রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের চিঠি

সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার জন্য আগামী ২ জুলাই (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যাংকের শাখা খোলা রাখার অনুরোধ জানিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে চিঠি দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

বুধবার (২৯ জুন) মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে অনুরোধ জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে একটি চিঠি দেওয়া হয়। চিঠি দেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখার উপ-সচিব আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন।

চিঠিতে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে রাজকীয় সৌদি সরকার বাংলাদেশ থেকে নির্ধারিত হজ কোটার পাশাপাশি অতিরিক্ত ২৪১৫ জনকে বহনের অনুমতি দিয়েছে। সেসব হাজিদের অর্থ সৌদিতে পাঠানোর কাজ চলমান আছে। আগামী ২ জুলাই ছুটির দিনেও টাকা পাঠানোর কাজ চলবে। 

চিঠিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে ২ জুলাই হজ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শাখাগুলো খোলা রাখার নির্দেশনা জারি করতে অনুরোধ করা হয়েছে।


মন্ত্রণালয়ের চিঠি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

ফের ডলারের বিপরীতে কমলো টাকার মান

প্রকাশ: ০৭:২৩ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail ফের ডলারের বিপরীতে কমলো টাকার মান

ডলারের বিপরীতে আরও ৫০ পয়সা দর হারিয়েছে টাকা। মঙ্গলবার (২৮ জুন) আন্তঃব্যাংক লেনদেনে প্রতি ডলার বিক্রি হয় ৯৩ টাকা ৪৫ পয়সায়। এর আগে গতকাল সোমবার প্রতি ডলার বিক্রি হয় ৯২ টাকা ৯৫ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত বছরের ৩০ জুন আন্তঃব্যাংকে প্রতি এক ডলারের জন্য ব্যাংকগুলোকে ৮৪ টাকা খরচ করতে হয়েছিল। আজ (২৮ জুন) তা ৯৩ টাকা ৪৫ পয়সা হয়েছে। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমেছে ১০ দশমিক ২০ শতাংশ। সবশেষ এক মাসের ব্যবধানে ডলারের বিপরীতে ৫ শতাংশ কমেছে টাকার মান। আর চলতি বছরে ডলারের বিপরীতে অন্তত ১৩ বার মান হারিয়েছে টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, আন্তঃব্যাংক রেট ৯৩ টাকা ৪৫ পয়সায় বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী (এডি) ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে অন্যান্য ব্যাংকের নির্ধারিত রেটই কার্যক্রম হবে সেসব ব্যাংকে। অর্থাৎ বাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে স্ব-স্ব ব্যাংকগুলো নিজেরাই ডলারের দাম নির্ধারণ করে বিক্রি করতে পারবে। আজ (মঙ্গলবার) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ৯৩ টাকা ৪৫ পয়সা দরে চার কোটি ২০ লাখ ডলার বিক্রি করা হয়েছে।

তবে এদিন খোলাবাজারে ডলারের দাম ১০০ টাকার ওপরে। এছাড়া বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বিক্রি করেছে ৯৩ থেকে ৯৫ টাকার মধ্যে।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন