ইনসাইড ইকোনমি

২ লাখ ৪৬ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন

প্রকাশ: ০১:১৩ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail ২ লাখ ৪৬ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন

২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য সম্বলিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা করপোরেশনের প্রায় ৯ হাজার ১৩০ কোটি টাকার এডিপিও অনুমোদিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ মে) শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী ও এনইসির চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে শেরেবাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষ ও সচিবালয়স্থ মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়।

সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ২ লাখ ৪৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন এডিপি অনুমোদন হয়েছে। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের কথা চিন্তা করেই এই অনুমোদন। মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নসহ নানা উন্নয়নকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

অন্যান্য বছরের ন্যায় এ বছরেও দেশের সম্পদ, বৈদেশিক অর্থায়ন ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা নিয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরের এডিপি প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার, কোভিড -১৯ মোকাবিলা, অধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি , শিক্ষা-স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়ন , মানব সম্পদ উন্নয়ন , খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, দারিদ্র্য বিমোচন তথা দেশের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে ।

সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রীসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

‘বিশ্বের ২০৩ দেশে ৭৫১ পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ’

প্রকাশ: ০৯:২৬ পিএম, ২৩ Jun, ২০২২


Thumbnail ‘বিশ্বের ২০৩ দেশে ৭৫১ পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ’

২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ বিশ্বের ২০৩টি দেশে ৭৫১টি পণ্য রপ্তানি করেছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি । এই রপ্তানির বিপরীতে ৩৮ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হয়েছে বলেও জানান তিনি। 

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদে এ কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

সংসদ সদস্য মোজাফফর হোসেনের (জামালপুর-৫) লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ প্রধানত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ড ও বেলজিয়ামসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানি করে। আর জাপান, কানাডা, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশ এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানি করে।

আরেক সংসদ সদস্য গোলাম মোহম্মদ সিরাজের প্রশ্নে টিপু মুনশি জানান, বাংলাদেশের ২০২০-২১ অর্থবছরে মোট রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৫ হাজার ৩৬৭ দশমিক ১৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর ৬১ হাজার ৬০৯ দশমিক ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আমদানির পরিমাণ ছিল। অর্থাৎ ২০২০-২১ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ১৬ হাজার ২৪২ দশমিক ০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

মন্ত্রীর দেওয়া তথ্যমতে, প্রধান প্রধান রপ্তানি পণ্যগুলো হলো নিটওয়্যার, ওভেন পোশাক, হিমায়িত মাছ, হিমায়িত চিংড়ি, হাঙ্গরের পাখনা, শুটকি মাছ, লবণযুক্ত মাছ, পশুর নাড়িভুঁড়ি, শাকসবজি, আলু, ফল, নারিকেল, সুপারি, শুকনা মরিচ, হলুদ, সরিষা, সয়াবিন-নারিকেল ও সরিষার তেল, তামাক, কফি বিনস, আদা, ধনিয়া, মধু, মসলা, চাল, শুকনা খাদ্য, বিস্কুট, জ্যাম, জেলি ও ফ্রুট জুস।

রপ্তানি করা আরও পণ্য হলো সস, চা, কাঁচাপাট, মাংস, কাঁকড়া, কনডেন্সড মিল্ক, মানুষের চুল, হাঁসের পালক, পশুর হাড়, শিং, খুর, তাজা ফুল, বাঁশের খুঁটি, চিনি, চিটা গুড়, মিনারেল ওয়াটার, হুইস্কি, কয়লা, সি শেল, ছোবড়া ও ছোবড়া জাত পণ্য, ঝিনুক, মুক্তা, ন্যাপথা, ফার্নেস ওয়েল, ফার্মাসিটিক্যালস, রাসায়নিক সার, পিভিসি পাইপ, পিডিসি ব্যাগ, পলিথিন সিট, প্লাস্টিক হ্যাম্পার, সিনথেটিক রোপস, প্লাস্টিকের বর্জ্য, সিমেন্ট, প্রসাধনী, সাবান, রাবার, মণ্ড, কাগজ, গ্লাস সিট, জিলোটিন, চামড়া, জুট ইয়ান, জুট টুয়াইন, জুট কারপেট, জুট ম্যানুফাকচারার্স, সিল্ক ফেব্রিক্স, কাঁচা তুলা, সুতি কাপড়ের বর্জ্য, কটন সূতা, পলিয়েস্টার ফ্রেড, অ্যাকরেলিক ইয়ার্ন, টেক্সটাইল ফেব্রিক্স, হস্তশিল্প, টেরি টাওয়েল, হোম টেক্সটাইল, পাদুকা (চামড়া), পাদুকা (পাট), পাদুকা (স্পোর্টস), সিরামিকের ইট, সিরামিক টাইলস, সিরামিক স্যানিটারি ওয়্যার ও সিরামিক টেবিল ওয়্যার।

এছাড়া এমএস রড, জিআই পাইপ, আয়রন চেইন, কাস্ট আয়রন আর্টিকেল, তামার তার, মেশিনারিজ, ইলেকট্রিক ফ্যান, কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ, জেনারেটর, ট্রান্সফরমার, ড্রাইসেল ব্যাটারি, টেলিফোন সেট, বৈদ্যুতিক তার, টেলিফোন ক্যাবলস, কার্বন রড, বাইসাইকেল, লাইট ফিটিংস, গাড়ির যন্ত্রাংশ, জিঙ্ক ওয়াল্ট, বিল্ডিং ম্যাটারিয়ালস, অডিও-ভিডিও ক্যাসেট, টেলিভিশন সেট, সার্কিট ব্রেকার্স/বোর্ড, ইনডিকেটর ল্যাম্প, কম্পিউটার সফটওয়্যার, সিগারেট, মোমবাতি, ফিচার ফিল্ম, মেলামাইন টেবিলওয়্যার, চামড়ার ব্যাগ ও পার্টস রপ্তানি করা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রীর তথ্যমতে আরও যেসব পণ্য রপ্তানি হয়, চামড়ার তৈরি হার্ভ গ্লাবস, পার্টিকেল বোর্ড, করোগেটেড কার্টুন, কাঠের ফ্রেম, প্রিন্টেড পণ্য, স্টেশনারি সামগ্রী, জামদানি শাড়ি, কম্বল, বস্তা ও ব্যাগ, তাঁবু, মশারির কাপড়, টুপি, ছাতা, পরচুলা, প্রাকৃতিক পাথর, ছোট প্লাস, জুয়েলারি, অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি সামগ্রী, ব্লেড, স্টেলনেস স্টিলের তার, অ্যাকিউমুলেটর ব্যাটারি ও পার্টস, ফেরি বোট, ক্যামেরা পার্টস, দেওয়াল ঘড়ি, কাঠের আসবাবপত্র, খেলনা, গল সেফট, ঝাড়বাতি, টুথব্রাশ, জিপার, বলপেন, মিউজিক্যাল যন্ত্রাংশ, অ্যালুমিনিয়াম স্ট্রাকচার, উপহার সামগ্রী, চামড়ার তৈরি ফেব্রিক্স, হ্যান্ড গ্লাভস (রাবার) ও জাহাজের তৈরি যন্ত্রাংশ। এসময় মন্ত্রী বলেন, আম, পান, আলু ও শাকসবজিও প্রচুর পরিমাণে রপ্তানি হচ্ছে।

সংসদ সদস্য মমতা হেনা লাভলীর প্রশ্নের জবাবে টিপু মুনশি বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর প্রভাব পড়ায় বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়েছে। এ যুদ্ধের কারণে আমদানি নির্ভর পণ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের বাজারেও দেখা যাচ্ছে ঊর্ধ্বগতি।

তিনি জানান, সরকার নিত্যপণ্যের দাম ভোক্তাদের নাগালের মধ্যে রাখার জন্য নানা পরিকল্পনা নিয়েছে। এরই মধ্যে ব্যবসায়িক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এছাড়া ঢাকাসহ সারাদেশে তিন হাজার ডিলারের মাধ্যমে টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে।

রপ্তানি   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

সিলেট ছাড়া সারাদেশে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু কাল

প্রকাশ: ০৯:০৩ পিএম, ২১ Jun, ২০২২


Thumbnail সিলেট ছাড়া সারাদেশে টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু কাল

সিলেট বিভাগ ছাড়া সারা দেশে ফের শুরু হচ্ছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য বিক্রি কার্যক্রম। বুধবার (২২ জুন) থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে। তবে এবার আগের মতো ট্রাকে নয়, শুধু ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ডিলারের দোকান বা নির্ধারিত স্থায়ী স্থাপনা থেকে পণ্য বিক্রি হবে।

মঙ্গলবার (২১ জুন) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায় টিসিবি।

এতে বলা হয়, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এক কোটি নিম্ন আয়ের পরিবারকে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির পণ্য দেওয়া হবে। বুধবার থেকে শুরু হবে এ কার্যক্রম। চলবে ৫ জুলাই পর্যন্ত।

তবে মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোয় ২৬ জুন থেকে বিক্রি শুরু হবে। বন্যার কারণে সিলেট বিভাগের জেলাগুলোতে আপাতত স্থগিত থাকবে বিক্রি কার্যক্রম। পরিস্থিতি বিবেচনায় বিক্রির তারিখ পরে জানানো হবে।

এ দফায় একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি মসুর ডাল ও এক কেজি চিনি কিনতে পারবেন।

প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১১০ টাকা, চিনি ৫৫ টাকা এবং মসুর ডাল ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হবে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

আবারও ডলারের বিপরীতে কমলো টাকার মান

প্রকাশ: ০৭:০১ পিএম, ২১ Jun, ২০২২


Thumbnail আবারও ডলারের বিপরীতে কমলো টাকার মান

ব্যাংকগুলোর হাতে দাম নির্ধারণের এখতিয়ার ছাড়ার পরই বাড়ছে ডলারের দাম। বিপরীতে মান হারাচ্ছে দেশীয় মুদ্রা টাকা। এরই ধারাবাহিকতায় আবারও ডলারের বিপরীতে টাকার মান ১০ পয়সা কমিয়ে ৯২ টাকা ৯০ পয়সা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

মঙ্গলবার (২১ জুন) আন্তঃব্যাংকে প্রতি ডলার ৯২ টাকা ৯০ পয়সা দরে বিক্রি করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গতকাল সোমবার প্রতি ডলারের দাম ছিল ৯২ টাকা ৮০ পয়সা।

এ নিয়ে গত দুই মাসে ডলারের বিপরীতে টাকার মান প্রায় ৬ টাকা ৭০ পয়সা কমেছে। আর চলতি বছরে শুধু ডলারের বিপরীতে অন্তত ১৩ বার মান হারিয়েছে টাকা।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২০ সালের জুলাই থেকে গত বছরের (২০২১ সালের) আগস্ট পর্যন্ত আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দাম ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল। কিন্তু এরপর থেকে বড় ধরনের আমদানি ব্যয় পরিশোধ করতে গিয়ে ডলার সংকট শুরু হয়, যা এখনো অব্যাহত।

২০২১ সালের আগস্টের শুরুতেও আন্তঃব্যাংকে প্রতি ডলারের মূল্য একই ছিল। ৩ আগস্ট থেকে দু-এক পয়সা করে বাড়তে বাড়তে গত বছরের ২২ আগস্ট প্রথমবারের মতো ৮৫ টাকা ছাড়িয়ে যায়। এ বছরের ৯ জানুয়ারিতে এটি বেড়ে ৮৬ টাকায় পৌঁছে। এরপর ২২ মার্চ পর্যন্ত এ দরেই স্থির ছিল।

পরে গত ২৩ মার্চ আন্তঃব্যাংকে আরও ২০ পয়সা বেড়ে ৮৬ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়ায়। ২৭ এপ্রিল আরও ২৫ পয়সা বেড়ে দাঁড়ায় ৮৬ টাকা ৪৫ পয়সায়। ১০ মে বাড়ে আরও ২৫ পয়সা। ১৬ মে বাড়ে ৮০ পয়সা। ২৩ মে বাড়ে ৪০ পয়সা।

২৯ মে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলারে ৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এরপরও বাজার স্থিতিশীল হয়নি। সংকট নিরসনে বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) এবং ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকারস, বাংলাদেশের (এবিবি) দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৯ মে বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলারের দাম ৮৯ টাকা বেঁধে দেয়।

আমদানিকারকদের কাছে বিক্রির জন্য সেলিং রেট নির্ধারণ করা হয় ৮৯ টাকা ১৫ পয়সা। যদিও ব্যাংকগুলো আন্তঃব্যাংক লেনদেনে প্রতি ডলারের বিনিময়মূল্য ৮৯ টাকা ৮০ পয়সার প্রস্তাব করেছিল।

গতকাল সোমবার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ৯৪ থেকে ৯৫ টাকার মধ্যে ডলার কেনাবেচা করেছে।  খোলা বাজারে প্রতি ডলারের দাম ছিল ৯৯ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত। তবে মঙ্গলবার (২১ জুন) আন্তঃব্যাংক প্রতি ডলার বিক্রি করছে ৯২ টাকা ৯০ পয়সা দামে। যা গতকাল ছিল ৯২ টাকা ৮০ পয়সা।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

অগ্নিকাণ্ডে নথিপত্রের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রকাশ: ০৯:৩০ পিএম, ২০ Jun, ২০২২


Thumbnail অগ্নিকাণ্ডে নথিপত্রের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: বাংলাদেশ ব্যাংক

রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের চতুর্থ তলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যাংকের নথিপত্রের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার (২০ জুন) রাতে আগুনের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও সহকারী মুখপাত্র জি এম আবুল কালাম আজাদের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার আনুমানিক বিকেল ৬টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশ ব্যাংকের (দ্বিতীয় সংলগ্নী ভবনের ৪র্থ তলা) মেডিকেল সেন্টারে শর্ট সার্কিটের কারণে জরুরি ওষুধ সংরক্ষণাগারের ফ্রিজের কম্প্রেসারে আগুনের সূত্রপাত হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্বক্ষণিক দায়িত্বে থাকা রিজার্ভ ফায়ার ব্রিগেড ইউনিট ব্যাংকের নিজস্ব ফায়ার হাইড্রেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নথিপত্রের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

আগুনের বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (মিডিয়া সেল) মো. শাহজাহান শিকদার জানান, সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে আগুনের সংবাদ পেয়ে পাশেই স্ট্যান্ডবাই থাকা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। মতিঝিল এলাকার ওই টহল ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে তাৎক্ষণিকভাবে কাজ শুরু করে।

পরে সিদ্দিক বাজার ফায়ার স্টেশন থেকে আরও ৩টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে যায়। মোট ৪টি ইউনিটের চেষ্টায় ৬টা ৫০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

বাংলাদেশ ব্যাংক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৭.৪২ শতাংশ: বিবিএস

প্রকাশ: ০৯:০৫ পিএম, ১৯ Jun, ২০২২


Thumbnail মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৭.৪২ শতাংশ: বিবিএস

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসেবে বাড়ছে মূল্যস্ফীতি। পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে গত মে মাসে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ। যা এপ্রিলে ছিল ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ।

রোববার (১৯ জুন) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর দেওয়া মে মাসের ভোক্তা মূল্য সূচকের (সিপিআই) হালনাগাদ তথ্যে এমনটা বলা হয়েছে।

বিবিএস জানায়, মে মাসে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ। গত কয়েক মাসের মতো মে মাসে শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি মূল্যস্ফীতি হয়েছে। এই মাসে গ্রামে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ। আর শহরে হয়েছে ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ। অর্থাৎ শহরের চেয়ে গ্রাম এলাকায় পণ্যমূল্য ও অন্যান্য সেবার দাম বেড়েছে বেশি।

বিবিএস আরও জানায়, নিত্যপণ্যের প্রভাবে মে মাসে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৩০ শতাংশ, যা গত মাসে ছিল মাত্র ৬ দশমিক ২৩ শতাংশ। তবে একই মাসে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ০৮ শতাংশ, যা গত মাসে ছিল ৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ। মে মাসে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার হয়েছে ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ। গত মাসে যা ছিল ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ।

এদিকে বাজারে লাগাম ছাড়া নিত্যপণ্যের দাম। তবুও ক্রেতাদের কিছুটা স্বস্তি দিতে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৬ শতাংশের মধ্যে বেঁধে রাখার প্রত্যাশা করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অথচ বাজেট ঘোষণার পরেই রেকর্ড হারে বেড়েছে খাদ্যপণ্যের দাম।

বিবিএস এর প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, ৪৭টি অত্যাবশ্যক পণ্যের মধ্যে অধিকাংশের দাম বেড়েছে এক মাসের ব্যবধানে। মে মাসে প্রতি কেজি মিনিকেট চালের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ টাকা ১৫ পয়সা, গত মাসে যা ছিল ৬৯ টাকা ১১ পয়সা। একইভাবে পাইজাম বেড়ে হয়েছে ৬২ টাকা ৭২ পয়সা, গত মাসে যা ছিল ৫৮ টাকা ০৫ পয়সা। দাম বেড়েছে বোরো, আটা, মুগডাল, গুড়, রুই মাছ, ইলিশ, শিং মাছ, মাংস, ডিম, দুধের দাম। সয়াবিন, শুকনা মরিচ, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, আলু, কাঁচা মরিচ, পেঁপে, দুধ, কাপড়, মেলামাইনের বাসনের দামও চড়া। সিমেন্ট, কেরোসিন, নারকেল তেল, সিগারেট ও সাদা কাগজের দামও চড়া। তবে বিবিএস এর হিসেবে দেখা গেছে, ম্যাচ ও ব্লেডের দাম বাড়েনি।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন