ইনসাইড ইকোনমি

বাংলাদেশের রফতানি ছুঁয়েছে ৫০ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশ: ১২:০৬ পিএম, ২৮ জুন, ২০২২


Thumbnail বাংলাদেশের রফতানি ছুঁয়েছে ৫০ বিলিয়ন ডলার

চলতি অর্থবছর শেষ হতে বাকি আর দুদিন। অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসেই (জুলাই-মে) দেশ থেকে পণ্য রফতানি হয়েছে ৪৭ বিলিয়ন (৪ হাজার ৭০০ কোটি) ডলারেরও বেশি মূল্যের।  চলতি মাসের প্রথম ২৫ দিনে শুধু পোশাক রফতানিই হয়েছে ৩২০ কোটি ডলারের। সে হিসাবে চলতি অর্থবছরেই ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৫০ বিলিয়ন (৫ হাজার কোটি) ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়েছে বাংলাদেশের রফতানি।

রফতানি ৫০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অর্জনকে বাংলাদেশের জন্য বড় প্রাপ্তি হিসেবেই দেখছেন নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা। একই সঙ্গে এ অগ্রযাত্রা টেকসই করতে সরকার ও ব্যক্তি খাতকে আরো নিবিড়ভাবে কাজ করে যেতে হবে বলে মত দিয়েছেন তারা। 

খাতসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের বছরেই দেশের রফতানি প্রথমবারের মতো ৫০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ানোর বিষয়টি একটি প্রতীকী ঘটনা, যা উদীয়মান রফতানি কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে বিশেষ বার্তা বহন করছে।

রফতানি বাড়াতে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এমপি বলেন, পণ্য রফতানি ৫০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, অর্থবছর শেষে মোট রফতানি আরো বেশি হবে। আগামী দুই বছরে বাংলাদেশের রফতানি ৮০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে। এ অর্জনে সব রফতানিকারক ও শ্রমিক ধন্যবাদ প্রাপ্য। বাংলাদেশ এখন একটি শক্ত অর্থনীতির ওপর দাঁড়িয়ে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য ব্যবসায়ীদের ভূমিকা অনেক বেশি। বাংলাদেশ আজ পাকিস্তান থেকে সব সূচকে এগিয়ে আছে, এমনকি ভারতের সঙ্গে প্রায় সাতটি সূচকে এগিয়ে। আমাদের সামনে উজ্জ্বল সম্ভাবনা। এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।

এদিকে আগামী অর্থবছরের রফতানি লক্ষ্য নির্ধারণে গতকাল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রাথমিকভাবে লক্ষ্য নির্ধারণ হয়েছে, আগামী অর্থবছরে শুধু পোশাক খাতের রফতানি হবে ৫০ বিলিয়ন ডলারের। সভার আলোচনায় উঠে আসে, চলতি অর্থবছরে পণ্য ও সেবা মিলিয়ে মোট ৫ হাজার ১০০ কোটি ডলারের পণ্য রফতানির লক্ষ্য ধরা হয়েছিল, যা এরই মধ্যে ৫ হাজার ৮০০ কোটি ডলার হয়েছে। ন্যূনতম ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে আগামী অর্থবছর রফতানি ৬ হাজার ৫০০ কোটি ডলারে দাঁড়াতে পারে। সে হিসেবে আগামী অর্থবছরের জন্য এর কাছাকাছি পরিমাণে লক্ষ্য নির্ধারণ হবে। বাণিজ্যমন্ত্রীর অনুমোদন সাপেক্ষে শিগগিরই আগামী অর্থবছরের লক্ষ্য ঘোষণা দেয়া হবে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান এএইচএম আহসান বলেন, জাতীয় উন্নয়নে রফতানি খাতের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে গত এক দশকে রফতানির প্রবৃদ্ধি অনেক আশাব্যঞ্জক। মাঝে কভিডের কারণে দুই বছরের সংকট না হলে এতদিনে রফতানি ৮০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি চলে যেত। সে হিসেবে বাংলাদেশের রফতানি খাত এ পর্যন্ত যথেষ্ট ভালো করেছে। এখন আমাদের মূল চ্যালেঞ্জ হলো বৈচিত্র্য আনার বিষয়টি। এখনো মূলত একটি পণ্যের ওপর রফতানি ৮০ শতাংশ নির্ভর করে। এ চিত্র রূপান্তরে যথেষ্ট পরিকল্পনা ও উদ্যোগ চলমান আছে। কিন্তু সেগুলো আরো বেগবান করা দরকার। এ চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করা যাবে। আমাদের হিসাব অনুযায়ী চলতি অর্থবছর শেষে রফতানি দাঁড়াতে পারে ৫৮ বিলিয়ন (৫ হাজার ৮০০ কোটি) ডলারে। এর মধ্যে পণ্য খাতে হবে ৫০ বিলিয়ন (৫ হাজার কোটি) আর সেবা খাতে ৮ বিলিয়ন (৮০০ কোটি) ডলার।

দেশের রফতানিতে ৮০ শতাংশের বেশি অবদান রাখা তৈরি পোশাক খাতের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, পোশাক খাতের মাধ্যমেই রফতানি ৫০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়া অনেক বড় অর্জন। পণ্যে বৈচিত্র্য আনার পাশাপাশি রফতানি বাজার সম্প্রসারণ এবং শিল্পকে একটি টেকসই অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে জাতি হিসেবে আমাদের অর্জন এবং গত ৪০ বছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের অবদান এখন আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচিত।

২০৪১ সাল নাগাদ একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার রূপকল্প বাস্তবায়নের জন্য আরো শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। সেই সঙ্গে মোট কর্মক্ষম জনসংখ্যার ২০ শতাংশ ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে সম্পৃক্ত হতে হবে। এটি অসম্ভব নয়, যদি আমরা অর্থনীতির চালিকাশক্তি পোশাক শিল্পের অগ্রযাত্রার পথ সুগম করতে পারি। অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা আহরণের অন্যতম প্রধান খাত পোশাক ও বস্ত্র শিল্প। সামষ্টিক দৃষ্টিকোণ থেকে এ শিল্পের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া বাঞ্ছনীয়।

অর্থমূল্য বিবেচনায় বাংলাদেশ থেকে রফতানি হওয়া শীর্ষ তিন পণ্য—পোশাক, পাট ও পাটজাত এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশের মোট রফতানির ৮৬ দশমিক ৫ শতাংশজুড়েই ছিল পণ্য তিনটি। এ আধিপত্য বজায় রয়েছে চলতি অর্থবছরেও। তবে মোট রফতানিতে বড় অবদান রাখা পণ্যের তালিকায় যুক্ত হয়েছে হোম টেক্সটাইল। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাস শেষে পোশাক রফতানি বেড়েছে ৩৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ, হোম টেক্সটাইল ৪১ দশমিক ৩ এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানিও বেড়েছে ৩১ দশমিক ৮৪ শতাংশ। পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি কমেছে ৩ দশমিক ১৯ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে পোশাক রফতানির অর্থমূল্য ছিল ৩ হাজার ৮৫২ কোটি ১১ লাখ ৬০ হাজার ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে রফতানি হয়েছিল ২ হাজার ৮৫৬ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ডলারের। এ হিসাবে রফতানি বেড়েছে ৩৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ। মোট রফতানির ৮১ দশমিক ৬৫ শতাংশই ছিল তৈরি পোশাক। হোম টেক্সটাইল পণ্য রফতানি চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে হয়েছে ১৪৬ কোটি ৭১ লাখ ৯০ হাজার ডলারের। গত অর্থবছরের একই সময়ে রফতানি হয়েছিল ১০৩ কোটি ৮৩ লাখ ৬০ হাজার ডলারের। এ হিসাবে হোম টেক্সটাইল পণ্য রফতানি বেড়েছে ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ।

ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের (আইসিসিবি) ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ মনে করেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গতিপ্রকৃতি ঠিক থাকলে খুব কম সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশ ১০০ বিলিয়ন ডলারের রফতানির মাইলফলকও ছুঁতে পারবে। তিনি বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে আমরা রফতানিতে ৫০ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছি। সংকটের মধ্যেও আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, এটা আশার কথা। তবে এখন আমাদের অনেক সতর্কও থাকতে হবে। উন্নত বিশ্বে এখন মূল্যস্ফীতি চলছে। অর্থনীতির গতি শ্লথ হয়ে গিয়েছে, যা আমাদের জন্য সংকটের বার্তা দিচ্ছে। তুলাসহ অন্যান্য কাঁচামালের দাম বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় সরকারকে বিদ্যুতের দাম না বাড়ানোর জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। এরই মধ্যে কারখানায় উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। জ্বালানি সুরক্ষা নিশ্চিতেও বিনীত অনুরোধ করছি।

চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে হয়েছে ১১১ কোটি ৫৫ লাখ ৮০ হাজার ডলারের। গত অর্থবছরের একই সময়ে রফতানি হয়েছিল ৮৪ কোটি ৬০ লাখ ৮০ হাজার ডলারের পণ্য। এ হিসাবে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি বেড়েছে ৩১ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এদিকে পোশাক, হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি বাড়লেও কমেছে বাংলাদেশের সোনালি আঁশখ্যাত পাট ও পাটজাত পণ্যের। এ পণ্যের রফতানি চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মে পর্যন্ত ছিল ১০৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলারের। গত অর্থবছরের একই সময়ে রফতানি হয়েছিল ১০৮ কোটি ৯৮ লাখ ১০ হাজার ডলারের। এ হিসাবে পণ্যটি রফতানিতে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হয়েছে বা কমেছে ৩ দশমিক ১৯ শতাংশ।

স্বাধীনতার ৫০ বছরের মাথায় এসে ৫০ বিলিয়ন রফতানিকে অনেক বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আমাদের এখনকার রফতানিতে শতকরা ৯০ ভাগই হলো শিল্পজাত পণ্য। উন্নয়নশীল দেশের নিরিখে এটি কাঠামোগত বড় পরিবর্তন। আমাদের এখন অন্তত পাঁচটা পণ্যের রফতানি ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এগুলো আমাদের অর্জন। এটা ঠিক আমরা একটা পণ্যের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এটাকে আমি বলব, এমন একটা পণ্যে আমাদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা প্রমাণ করতে পেরেছি, যার আন্তর্জাতিক বাজার প্রায় ৬০০ বিলিয়ন ডলারের। এ বাজারে তৈরি পোশাকের আরো অনেক সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশ   রফতানি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

অর্থনৈতিক সংকটের নেপথ্যে সুশীল সমাজ!

প্রকাশ: ১০:০০ এএম, ১৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail অর্থনৈতিক সংকটের নেপথ্যে সুশীল সমাজ!

দেশে দেশে চলছে অর্থনৈতিক সংকট। অনুন্নত, উন্নয়নশীল এমনকি উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে এই সংকট লক্ষ্য করা যাচ্ছে। করোনার ধকল সামলে উঠতে না উঠতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এই অর্থনৈতিক সংকট তৈরি করেছে বলে মনে করছেন অর্থনীতি বিশ্লেষকরা। বাংলাদেশেও এই অর্থনৈতিক সংকট চলছে। কিন্তু এই সংকটকে একটি বিশেষ গোষ্ঠী অতিরঞ্জিত করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ছড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে আইএমএফ এর কাছে ঋণ প্রস্তাব, ডলারের অস্থিতিশীলতা, রেমিট্যান্স, রিজার্ভ ইত্যাদি বিষয়ে নানা নেতিবাচক আলোচনার কারণে দেশের অর্থনীতি নিয়ে সাধারণ মানুষ এখন নেতিবাচক ধারণই পোষণ করছেন। কিন্তু গত মঙ্গলবার দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ভিন্ন কথা জানালেন আইএমএফ-এর এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক ডিপার্টমেন্টের ডিভিশন চিফ রাহুল আনন্দ। এক অনলাইন সভায় বাংলাদেশের চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি। তিনি বলেছেন যে, বাংলাদেশ কোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে নেই। বরং বিদেশি ঋণের ক্ষেত্রে এ অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর তুলনায় বেশ ভিন্ন অবস্থানে রয়েছে। অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ তুলনামূলক অল্প, যা জিডিপির ১৪ শতাংশের মতো। শুধু তাই নয় তিনি বাংলাদেশের ঋণ খেলাপি এবং রিজার্ভ নিয়েও কথা বলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি শ্রীলঙ্কা থেকে ভিন্ন। দেশটির  ঋণখেলাপির পথে যাওয়ার ঝুঁকিও কম। বাংলাদেশের রিজার্ভের বিষয়ে রাহুল বলেন, বর্তমান রিজার্ভ দেশটির চার থেকে পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর জন্য যথেষ্ট।

এদিকে ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দু এর প্রতিবেদন মতে বাংলাদেশকে অনুকরণ করার কথা বলেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে। ‘লেটস রিসেট শ্রীলঙ্কা’ শীর্ষক এক সম্মেলনে দেশটির অর্থনৈতিক সংকট দূর করতে বাংলাদেশের উদাহরণ টানেন তিনি। আমরা যখন দেশকে শ্রীলঙ্কার হওয়া কথা বলছি শ্রীলঙ্কা তখন বাংলাদেশকে অনুসরণ করার কথা ভাবছে।

সঙ্গত কারণেই এখন প্রশ্ন উঠেছে বাংলাদেশের চলমান অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে সুশীল মহল এবং দেশের কথিত কিছু অর্থনীতিবিদ যেভাবে সংকট নিয়ে গণমাধ্যমে নেতিবাচক কথা বলেছেন সেই সংকটের গভীরতা আসলে কতটুকু। বিশেষ করে ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এবং গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক রেজা কিবরিয়া আইএমএফ এর কাছ ঋণ প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে সংকট নিয়ে গণমাধ্যমে যেভাবে নেতিবাচক কথা বলেছেন তা আইএমএফ এর বক্তব্যের সাথে সাংঘর্ষিক।

বিশ্লেষকরা বলছে, দেশে অর্থনৈতিক সংকট আছে ঠিকই কিন্তু এই সংকটকে যেভাবে প্রোমশন করা হচ্ছে তাতে কারো বিশেষ কোনো স্বার্থ আছে কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন আছে। অথচ এর আগেও বাংলাদেশ আইএমএফ এর কাছে ১০ বার ঋণ চেয়েছিল। তাছাড়া রেমিট্যান্স নিয়ে যে আশঙ্কার কথা বলা হয়েছিল সেই রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে। চলতি আগস্ট মাসের প্রথম ১৬ দিনে ১১৭ কো‌টি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে বাংলাদেশে। তাহলে সংকট নিয়ে যেভাবে উস্কানি দেওয়া হয়েছিল এর পিছনে কি কোনো উদ্দেশ্যে আছে কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে।

অর্থনৈতিক সংকট   সুশীল সমাজ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

ডলার সংকটে অস্বাভাবিক মুনাফা করেছে ১২ ব্যাংক

প্রকাশ: ০৭:২৯ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ডলার সংকটে অস্বাভাবিক মুনাফা করেছে ১২ ব্যাংক

বাজারে মার্কিন ডলারের সংকটের মধ্যে অস্বাভাবিক মুনাফা অর্জন করেছে দেশের ১২ টি ব্যাংক। ডলার নিয়ে অতিরিক্ত মুনাফার অভিযোগে ইতোমধ্যে ছয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে শোকজ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পর্যায়ক্রমে অন্য ব্যাংকগুলোকেও চিঠি দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব ব্যাংকের এমডিদের চিঠি দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো- ব্র্যাক ব্যাংক, ডাচ-বাংলা, প্রাইম ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক ও বিদেশি খাতের স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। 

এর আগে এসব ব্যাংকের ট্রেজারি বিভা‌গের প্রধানকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ডলারে অতিরিক্ত মুনাফার বিষয়ে ছয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আপাতত এ ছয় ব্যাংকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্য ব্যাংকগুলোকেও চিঠি দেওয়া হবে। এছাড়া প্রতিটি ব্যাংকে ইন্সপেকশন করা হবে। কারণ একই কাজ আরও অনেক ব্যাংক করেছে। অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ডলার নিয়ে অস্বাভাবিক মুনাফা করেছে এমন ১২টি ব্যাংকের তথ্য পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে রয়েছে- ব্র্যাক ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ইসলামী ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক।

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন থেকে সর্বোচ্চ ৭৭০ শতাংশ মুনাফা করেছে বেসরকারি ব্যাংক ‘ব্যাংক এশিয়া’। যেখানে ২০২১ সালের একই সময়ে ডলার কেনাবেচায় মুনাফা করেছিল মাত্র ২৩ কোটি টাকা। সেখানে তারা এ বছরের প্রথম ছয় মাসে লাভ করেছে ২০০ কোটি টাকা। যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৮ গুণ বেশি।

জানা গেছে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন থেকে সর্বোচ্চ ৭৭০ শতাংশ মুনাফা করেছে বেসরকারি ব্যাংক ‘ব্যাংক এশিয়া’। যেখানে ২০২১ সালের একই সময়ে ডলার কেনাবেচায় মুনাফা করেছিল মাত্র ২৩ কোটি টাকা। সেখানে তারা এ বছরের প্রথম ছয় মাসে লাভ করেছে ২০০ কোটি টাকা। যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৮ গুণ বেশি।

ব্যাংক এশিয়া ছাড়াও ৯টি ব্যাংক এই সময়ের মধ্যে ২০০ শতাংশের বেশি মুনাফা অর্জন করেছে। আর দুটি ব্যাংক ১৪০ শতাংশের বেশি মুনাফা অর্জন করেছে বলে জানা গেছে।

ডলার লেনদেনের মাধ্যমে ব্যাংকগুলো যে মুনাফা করেছে তার তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রাইম ব্যাংক চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন মাসে ৫০৪ শতাংশ বা ১২৬ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। একই সময়ে, এনসিসি ব্যাংক ৫০০ শতাংশ বা ১০০ কোটি টাকা, ব্র্যাক ব্যাংক ৪১৭ শতাংশ বা ৭৫ কোটি টাকা, ডাচ-বাংলা ব্যাংক ৪০৩ শতাংশ বা ১১৭ কোটি টাকা, ঢাকা ব্যাংক ৩৫৩ শতাংশ বা ১০৬ কোটি টাকা, সিটি ব্যাংক ৩৪০ শতাংশ বা ১৩৬ কোটি টাকা, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ২৪৫ শতাংশ বা ১২০ কোটি টাকা, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ২৩৪ শতাংশ বা ৯৭ কোটি টাকা, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক ২০৫ শতাংশ বা ১৩৫ কোটি টাকা, ইস্টার্ন ব্যাংক ১৫৯ শতাংশ বা ৪৩ কোটি টাকা এবং ইসলামী ব্যাংক ১৪০ শতাংশ বা ১৩৬ কোটি টাকা মুনাফা অর্জন করেছে।

এদিকে দেশে ডলারের সংকট কাটাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। আমদানিতে দেওয়া হয়েছে নানা শর্ত। রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে দেওয়া হয়েছে নীতিগত ছাড়। এছাড়া ব্যাংক ও মানি চেঞ্জারগুলোর সঙ্গে বৈঠক করছে নিয়মিত। ডলার কারসাজির জন্য দায়ী ব্যক্তিদের ধরতে চালানো হচ্ছে অভিযা। অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।

ডলার সংকট   অস্বাভাবিক মুনাফা   ১২ ব্যাংক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

খোলাবাজারে ১১০ টাকার নিচে ডলারের দাম

প্রকাশ: ০৪:২৬ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail খোলাবাজারে ১১০ টাকার নিচে ডলারের দাম

রেমিট্যান্সের প্রবাহ বাড়ায় বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। ফলে মার্কিন ডলারের দাম এখন উল্টো পথে হাঁটতে শুরু করেছে। কমতে শুরু করেছে দাম। গত সপ্তাহে কার্ব মার্কেট বা খোলাবাজারে নগদ ডলার যেখানে ১২০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল, সেখানে আজ বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) তা নেমে এসেছে ১১০ টাকায়। অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে খোলাবাজারে প্রতি ডলারের দাম কমেছে ১০ টাকা। কিছু কিছু জায়গায় ১১০ টাকারও কমে বিক্রি হয়েছে ডলার।

মতিঝিলে খুচরা বাজারে ডলার বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১১ টাকায়। অপরদিকে, বসুন্ধরা মার্কেটে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ডলার ১০৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, বাজারে আরও স্থিতিশীলতা আনতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বুধবার (১৭ আগস্ট) মানি চেঞ্জারগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছে। ওই বৈঠকে প্রতি ডলারে সর্বোচ্চ দেড় টাকা মুনাফার সীমা ঠিক করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 

এর আগে গত রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি ও বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংকের সংগঠন বাফেদা বৈঠক করে। সেখানে বলা হয়, ব্যাংকগুলো ডলার কেনাবেচায় কত টাকা মুনাফা করবে, তা তারা নিজেরাই ঠিক করবে। তবে, বেচাকেনার মধ্যে পার্থক্য যেন এক টাকার বেশি না হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখাপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, মানি চেঞ্জারদের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর গড় রেট থেকে এক টাকা বেশি দামে ডলার ক্রয় করে সর্বোচ্চ দেড় টাকা মুনাফা করতে বলা হয়েছে। এর আগে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সর্বোচ্চ মুনাফার সীমা এক টাকা বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।


খোলাবাজার   ডলার   দাম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

৬ ব্যাংকের এমডিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

প্রকাশ: ০৪:১৪ পিএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ৬ ব্যাংকের এমডিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

ডলারের দাম বাড়ানোর পেছনে কারসাজির প্রমাণ পাওয়ায় দেশি–বিদেশি ছয়টি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) ব্যাখ্যা চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 

বুধবার (১৭ আগস্ট) এসব ব্যাংকের এমডি কাছে এ তলব নোটিশের চিঠি পাঠানো হয়েছে।

ব্যাংকগুলো হলো- ডাচ্–বাংলা, সাউথ ইস্ট, প্রাইম, দি সিটি, ব্র্যাক ও বিদেশি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।

এর আগে স্থানীয় ডলারের বাজার অস্থিতিশীল করে অতিরিক্ত মুনাফা করার অভিযোগে উল্লিখিত ব্যাংকগুলোর ট্রেজারিপ্রধানদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই ছয় ব্যাংকের ডলার কারসাজিতে কারা জড়িত, সেটি জানাতে বলা হয়েছে চিটিতে। ব্যাখা তলবের পর তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডলারের দাম বাড়ানোর পেছনে কারসাজির প্রমাণ পাওয়ায় গত ৮ আগস্ট ছয় ব্যাংকের ট্রেজারিপ্রধানকে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ডলার সংরক্ষণ করে ডলারের মূল্যবৃদ্ধি ঘটানোর অভিযোাগে তাদের বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এ বিষয়ে গত ৮ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেছিলেন, যারা খোলাবাজারে ডলারের অবৈধ ব্যবসা করছে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি। এখন পর্যন্ত পাঁচটি মানি এক্সচেঞ্জের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি ৪৫ মানি এক্সচেঞ্জকে শোকজ করা হয়েছে। শোকজের পাশাপাশি আরও নয়টি প্রতিষ্ঠানকে সিলগালা করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানগুলো লাইসেন্স না নিয়েই ব্যবসা করে আসছিল।

সম্প্রতি খোলা বাজারে ডলারের দাম প্রতিদিনই বাড়ছে। গত ১০ আগস্ট খুচরা বাজারে প্রতি ডলারের বিনিময় হার পৌঁছে ১২০ টাকায়। রেকর্ড পরিমাণ দাম দিয়েও বাজারে চাহিদা অনুযায়ী ডলারের জোগান না থাকার অভিযোগ ওঠে। তবে এ সপ্তাহের শুরু থেকে খোলা বাজারে ডলারের দাম কমতে শুরু করে। ফলে বাজার চাঙ্গা করে বেশি দামে কেনা ডলারের মজুতকারীরা এখন লোকসানের আশঙ্কায়।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

আগস্টের ১৬ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১১ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ১৮ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail আগস্টের ১৬ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১১ হাজার কোটি টাকা

বাংলাদেশে ডলার সংকটের উদ্বেগের মধ্যেই প্রশান্তির সুবাতাস নিয়ে আসছে রেমিট্যান্স। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বেড়েই চলেছে। জুলাই মাসের পর আগস্টেও প্রবাসী আয় ঊর্ধ্বমুখী।

চলতি আগস্ট মাসের ১৬ দিনে ১১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ৯৫ টাকা) ১১ হাজার ১২৪ কোটি টাকা। এটি গত বছরের (২০২১ এর আগস্টের ১৬ দিন) একই সময়ের চেয়ে ১৬.৩০ শতাংশ বেশি। প্রতিদিন এসেছে ৭ কোটি ২৬ লাখ ডলার বা প্রায় ৭০০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যসূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ব্যাংকখাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেভাবে রেমিট্যান্স আসছে এটা ইতিবাচক দিক। এ ধারা অব্যাহত থাকলে গত জুলাই মাসের মতো আগস্ট মাসেও ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স আসবে।

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ২০৯ কোটি ৬৯ লাখ ১০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। আর গত বছরের (২০২১) জুলাই মাসের চেয়ে বেশি ছিল ১২ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া নতুন অর্থবছরের (চলতি মাস আগস্টের ১৬ দিন) প্রথম দেড় মাসে ৩২৮ কোটি ৮০ লাখ (৩.২৭ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ৯৫ টাকা হিসাবে) এ অর্থের পরিমাণ ৩১ হাজার ৪৬ কোটি টাকা।

গত বছরের আগস্টের একই (১ থেকে ১৬ আগস্ট) সময়ে ১০০ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আর গত ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম দেড় মাসে (২০২১ এর আগস্টের ১৬ দিন) ২৮৭ কোটি ৮০ লাখ (২.৮৮ বিলিয়ন) ডলার এসেছিল দেশে। সে হিসাবে গত অর্থবছরের দেড় মাসের চেয়ে ১৩.৫০ শতাংশ বেশি এসেছে।

রেমিট্যান্স  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন