ইনসাইড ইকোনমি

তিন দিনের পর্যটন মেলায় শতকোটি টাকার ব্যবসা

প্রকাশ: ০৯:০৮ এএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে (বিআইসিসি) প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা। দেশের পর্যটন খাতকে চাঙা করতে এই মেলার আয়োজন করেছে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)। সাড়াও মিলেছে বেশ। তিন দিনব্যাপী মেলায় বুকিংসহ ১০০ কোটির মতো ব্যবসা হয়েছে বলে আটাব এর সূত্রে জানা গেছে।

আটাব বলছে, এবারের মেলায় ভারত, মালয়েশিয়া, ভুটান, নেপাল, মালদ্বীপ, ওমান, শ্রীলঙ্কা, তুরস্ক, আজারবাইজান, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ১৫টি দেশ থেকে ৯০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান ভালো ব্যবসা করেছে বলে জানান আয়োজকেরা।

পর্যটন মেলায় বিমান পরিবহন সংস্থাগুলোর স্টলে বেশি ভিড় লক্ষ করা গেছে। এর মধ্যে বেসরকারি খাতের বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস, নভোএয়ার ও সদ্য বাজারে আসা এয়ার অ্যাস্ট্রার স্টলে ছিল বেশি ভিড়। সরকারি প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের স্টলেও দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। মেলায় ভ্রমণ, ভিসাসহ বিভিন্ন রিসোর্ট ও ভ্রমণ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশ নেয় অনলাইনভিত্তিক সেবা প্রদানকারী শেয়ার ট্রিপ, ফ্লাইট এক্সপার্ট ও ট্রাভেল চ্যাম্পের মতো প্রতিষ্ঠান।

এসব প্রতিষ্ঠান মেলা উপলক্ষে ছাড় দিয়ে পণ্য বিক্রির জন্য উপস্থাপন করে। এ সুযোগ লুফে নেন মেলায় আসা বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

আইএমএফ ঋণের প্রথম কিস্তি: ৪৭ কোটি ডলার পেল বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৮:১৪ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail আইএমএফ ঋণের ৪৭ কোটি ডলার পেল বাংলাদেশ। ছবি: রয়টার্স

আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থা আইএমএফের বহুল আলোচিত ঋণের প্রথম কিস্তির অর্থ পেয়েছে বাংলাদেশ; অনুমোদনের তিন দিনের মধ্যে ছাড় হয়েছে ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ডলার। পর্ষদে অনুমোদনের তিন দিনের মধ্যে ঋণদাতা সংস্থাটি ৪৭০ কোটি ডলার ঋণের মধ্যে প্রথম কিস্তির অর্থ ছাড় করল।

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকে সংস্থাটির মোট ৪.৭ বিলিয়ন ডলার (৪৭০ কোটি ডলার) ঋণের মধ্যে প্রথম কিস্তির অর্থ জমা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক।

তিনি বলেন, “আজকে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংকের যে অ্যাকাউন্ট রয়েছে, আইএমএফএর ঋণের প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ডলার জমা হয়েছে।”

সিডিউল অনুযায়ী দ্বিতীয় কিস্তি ও পর্যায়ক্রমে বাকি অর্থ আসবে বলেও জানান তিনি।

২.২ শতাংশ সুদে নেওয়া এই ঋণ আসবে সাত কিস্তিতে। শেষ কিস্তি আসবে ২০২৬ সালে। বিদেশি মুদ্রা ডলার সরবরাহ সংকটের মধ্যে বাংলাদেশের বহু প্রত্যাশিত ঋণের প্রস্তাব গত ৩১ জানুয়ারি অনুমোদন করে ওয়াশিংটনভিত্তিক আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্বাহী পর্ষদ। ৪.৭ বিলিয়ন ডলারের এই ঋণের সুবাদে দুর্বল হয়ে পড়া রিজার্ভের বিপরীতে বিদেশি মুদ্রার একটি ‘বাফার’ তৈরির সুযোগ পাবে বাংলাদেশ।  

৪২ মাসের চুক্তিতে সরকারের নেওয়া ‘অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচিতে’ সহায়তা হিসেবে আইএমএফের এক্সটেন্ডেড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি (ইসিএফ) এবং এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি (ইএফএফ) থেকে ৩৩০ কোটি ডলার ঋণ পাবে বাংলাদেশ। ঋণ অনুমোদনের কথা জানিয়ে প্রথম কিস্তির ৪৭৬ মিলিয়ন ডলার তাৎক্ষণিকভাবে ছাড় করা হবে বলে গত মঙ্গলবার বিবৃতিতে জানিয়েছিল আইএমএফ।

এছাড়া আইএমএফ এর নবগঠিত রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনিবিলিটি ফ্যাসিলিটির (আরএসএফ) আওতায় বাংলাদেশ পাবে ১৪০ কোটি ডলার। বাংলাদেশই প্রথম এশীয় দেশ, যার এই তহবিল থেকে ঋণ পাচ্ছে। ইউক্রেইন যুদ্ধের প্রভাবে বৈদেশিক মুদ্রার সঙ্কটে পড়া বাংলাদেশ রিজার্ভ বাড়াতে এমন অর্থের প্রত্যাশায় ছিল।


আইএমএফ   ঋণ   প্রথম কিস্তি   ডলার   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

সাত মাসে রিজার্ভ থেকে রেকর্ড ৯২০ কোটি ডলার বিক্রি

প্রকাশ: ০৫:৫২ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

চলতি (২০২২-২৩) অর্থবছরের সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) রেকর্ড ৯২০ কোটি বা ৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে ২০২১-২২ অর্থবছরের পুরো সময় রিজার্ভ থেকে ৭ দশমিক ৬২ বিলিয়ন বা ৭৬২ কোটি ডলার বিক্রি করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলমান ডলার সংকট কাটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। তারপরও সংকট কাটছে না। ফলে জরুরি আমদানির দায় মেটাতেই রিজার্ভ থেকে ডলার সহায়তা দিতে হচ্ছে। তবুও আটকে থাকছে কোটি কোটি টাকার পণ্য।

তিনি বলেন, ডলার সংকটে আমদানিকারকদের চাহিদা মেটাতে পারছে না অনেক ব্যাংক। এসব সমস্যার সমাধান দিতে ৯২০ কোটি ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এদিকে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত থেকে ডলার সহায়তা দেওয়ার কারণে রপ্তানি আয় ও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাড়ার পরও রিজার্ভ কমছে। বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করেছে। ফলে দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ কমে ৩২ বিলিয়ন ডলারের ঘরে অবস্থান করছে।

অন্যদিকে ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রিতে নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে রিজার্ভ থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৭৬২ কোটি বা ৭.৬২ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছিল। তার আগের ২০২০-২১ অর্থবছরে ডলারের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় বাজার থেকে উল্টো প্রায় ৮০০ কোটি বা ৮ বিলিয়ন ডলার কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

চলতি অর্থবছরের সাত মাসেই ৯২০ কোটি ডলার বা ৯.২০ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে। তবে রেমিট্যান্স ব্যাংকিং চ্যানেলে আরও বাড়াতে হবে, পাশাপাশি রপ্তানিও বাড়াতে পারলে দেশের ডলার সংকট কমে আসবে। অন্যদিকে সদ্যবিদায়ী মাস জানুয়ারিতে ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে।


ডলার বিক্রি   রিজার্ভ   বাংলাদেশ   অর্থনীতি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

চলতি অর্থবছরে ১০ হাজার মিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৮:০৫ পিএম, ০১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০ হাজার মিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জাতীয় পার্টির সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি উচ্চ রেমিট্যান্সপ্রাপ্ত দেশ। বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারির পরও ২০২০-২০২১ এবং ২০২১-২০২২ অর্থবছরে প্রাপ্ত রেমিট্যান্স যথাক্রমে ২৪.৭৭ এবং ২১.০৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এছাড়া ২০২২-২৩ অর্থবছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার ৪৯৩.২৬ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স অর্জিত হয়েছে।  

রেমিট্যান্সে প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে গত কয়েক বছরে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।  

শেখ হাসিনা জানান, পদক্ষেপগুলোর মধ্যে বৈধভাবে ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠাতে কর্মীদের উৎসাহিত করা; অধিক কর্মী পাঠানের মাধ্যমে রেমিট্যান্সে প্রবাহ বৃদ্ধি করা; অধিক রেমিট্যান্সে পাঠাতে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে অনিবাসী/প্রবাসী বাংলাদেশি ওয়েজ আর্নারদের জন্য সরকার কর্তৃক বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং বিশেষ নাগরিক সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা অব্যাহত রাখা উল্লেখযোগ্য।  

তিনি জানান, প্রবাসীদের মাঝে রেমিট্যান্সে প্রেরণকারী বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৫৭ জন এবং বিদেশে বাংলাদেশি পণ্যের আমদানিকারক ক্যাটাগরিতে ১০ জনসহ মোট ৬৭ জনকে সিআইপি (এনআরবি) ২০২০ ঘোষণাপূর্বক সম্মাননা হিসেবে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও সিআইপি কার্ড প্রদান করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অধিক হারে দক্ষ কর্মী তৈরির লক্ষ্যে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সংখ্যা ৩৮ হতে ৯৫-এ উন্নীত করা হয়েছে। ‘৪০ উপজেলায় ৪০ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং চট্টগ্রাম জেলায় ১টি ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজী’ স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পের কাজ চলমান আছে।  গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর মেলানদহ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী উদ্বোধন করেন। বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকার ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ২ শতাংশ প্রণোদনা প্রদান করে আসছে। সরকার ইতোমধ্যে প্রণোদনার বিষয়টি ২ থেকে ২.৫ শতাংশে উন্নীত করেছে।  

সরকারের এ সকল পদক্ষেপের ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরও জানান, প্রবাসী কর্মীদের অর্জিত অর্থ বৈধ পথে ও ব্যাংকিং চ্যানেলে বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য দূতাবাসসমূহ অব্যাহত প্রচারণা চালিয়ে আসছে। প্রতিবছর ‘আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস’সহ দূতাবাসের সব অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।  

এ বিষয়ে দূতাবাসের ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত প্রচার প্রচারণা চালানো হচ্ছে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে রেমিট্যান্সের কোনো বিকল্প নেই এবং তা আনতে হবে বৈধ পথে।  

নতুন শ্রম বাজার অনুসন্ধান, বিদ্যমান বাজার সংহত করা এবং সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সম্ভাবনাময় দেশসমুহের সরকার ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনগুলো আলোচনা অব্যাহত রেখেছে।

রেমিট্যান্স   প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

শিল্প প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরিতে সরকার বদ্ধ পরিকর: সালমান এফ রহমান

প্রকাশ: ০৬:৫৬ পিএম, ০১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

কলকারখানা, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দুর্ঘটনারোধ ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণে সরকার বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিদর্শনকৃত যে ১৭টি প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ২৫ শতাংশের কম স্কোর করেছে, তাদেরকে আগামী তিন মাস সার্বিক পরিস্থিতি উন্নয়নের সুযোগ দেওয়া হবে। এরমধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ উন্নয়ন না ঘটলে সেসব কোম্পানিকে সিলগালা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। 

এছাড়াও, আরও ২০৬টি প্রতিষ্ঠান মানদণ্ডের ৫০ শতাংশ স্কোর করায় সেসব কোম্পানিকে আগামী ছয় মাস সুযোগ দেয়া হবে। নির্দিষ্ট সময়ে পরিবেশের উন্নয়ন না ঘটলে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান  প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা। 

পরিদর্শনকৃত সকল শিল্প প্রতিষ্ঠানকে তাদের বিদ্যমান ত্রুটিসমূহ অবগত করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করার নির্দেশনা দেওয়া হবে। একই সাথে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষ, বিভাগীয় কমিশনার/জেলা প্রশাসক/উপজেলা নির্বাহী অফিসার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণসহ সংশ্লিষ্ট সকল এসোসিয়েশনকে পরিদর্শন প্রতিবেদন এবং প্রদত্ত নির্দেশনা সম্পর্কে অবহিত করা হবে বলেও জানান তিনি।  

বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘কলকারখানা, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে দুর্ঘটনা রোধ ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ’-এর লক্ষ্যে গঠিত জাতীয় কমিটি’র দ্বিতীয় সভা শেষে  এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। 

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা জানান, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে কলকারখানা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশের প্রায় অর্ধলক্ষাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠানের ৫ হাজার ২০৬টি প্রতিষ্ঠানের পরিদর্শন কার্যক্রম সমাপ্ত হয়েছে। আরও ১০ হাজার শিল্প-কলকারখানা পরিদর্শন করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এছাড়াও কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের জনবল ও কার্য অধিক্ষেত্র বৃদ্ধির মাধ্যমে এটিকে একটি কর্তৃপক্ষে রূপান্তরিত করার বিষয়টিও সভায় আলোচিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা জানান, ২০২০ সালে ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড’ প্রণীত হয়েছে এবং এর কার্যকর বাস্তবায়নে বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরি অথরিটি (বিবিআরএ) গঠনের আবশ্যকতার বিষয়টি সভায় আলোচিত হয়। ‘বিবিআরএ’ এর আওতায় ভবন নির্মাণ সম্পর্কিত সকল নকশা অনুমোদন ও ভবন নির্মাণ তদারকি কাজ সম্পন্ন হলে বর্তমানে বিদ্যমান পরিস্থিতির যথেষ্ট উন্নতি হবে বলে সকলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। 

এ  সময় সভার সভাপতি প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা স্বল্পতম সময়ে সংস্থা গঠন ও এর কাযক্রম শুরুর জন্য পূর্ত মন্ত্রণালয়কে আহ্বান জানালে উপস্থিত পূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি (অতিরিক্ত সচিব) জানান, আগামী এক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে একটি কর্ম পরিকল্পনা প্রস্তুত পূর্বক ‘বিবিআরএ’ গঠন ও কার্যকর করার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। সেই সাথে এ সকল গুরুত্বপূর্ণ কাজ সামনে এগিয়ে নেয়ার জন্য উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানকে ধন্যবাদ জানান তারা।


শিল্প প্রতিষ্ঠান   নিরাপদ   কর্মপরিবেশ   সরকার   বদ্ধ পরিকর   সালমান এফ রহমান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

বছরের প্রথম মাসে রেমিট্যান্স এলো ১৯৫ কোটি ডলার

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ০১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১০৭ টাকা হিসাবে) এর মুল্য ২০ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকার বেশি। এর আগের মাস ডিসেম্বরে এসেছিল ১৬৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

রেমিট্যান্সের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীদের উৎসাহিত করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এজন্য রেমিট্যান্সে প্রণোদনাও বাড়ানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেওয়া নানা উদ্যোগ কাজে আসছে। এখন বৈধপথে রেমিট্যান্স বাড়তে শুরু করেছে।

তিনি বলেন, আমাদের সামনে দুইটি ধর্মীয় উৎসব (ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা) রয়েছে। এ দুই উৎসবকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়বে। কারণ প্রবাসীরা নিজ পরিবারের কেনাকাটায় এ সময়ে বেশি অর্থ পাঠিয়ে থাকেন। এতে দেশের ডলার সংকটও কিছুটা কেটে যাবে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও ইতিবাচক ধারায় ফিরবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছেন, জানুয়ারিতে ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। আগের মাস ডিসেম্বরে এসেছে ১৬৯ কোটি ৯৭ লাখ ডলার। সে হিসাবে গত মাসের চেয়ে জানুয়ারিতে ২৫ কোটি ৯১ লাখ ডলার বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি এসেছে ২৫ কোটি ৪৩ লাখ ডলার। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৭০ কোটি ৪৫ লাখ ডলার।


রেমিট্যান্স   ডলার   বাংলাদেশ ব্যাংক  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন