ইনসাইড ইকোনমি

চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি জাহাজে এক বছরে আয় বেড়ে ৫২৬ কোটি টাকা

প্রকাশ: ০৭:২৩ পিএম, ০৪ মার্চ, ২০২৩


Thumbnail

বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও বিদেশি জাহাজ থেকে আয় বেড়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের। বছরজুড়ে বিদেশি জাহাজ ভিড়িয়ে এ খাতে গতবছরের চেয়ে প্রায় ৩৯ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব বেড়েছে চট্টগ্রাম  বন্দরের।

 চলতি বছর এ খাতে বন্দরের আয় ৫২৬ কোটি। যদিও মার্কিন ডলারের দাম বাড়ার কারণে গতবছরের শেষদিকে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানিতে স্থবিরতা নেমেছিল।
বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, মূলত রাজস্ব আয় বৃদ্ধিটা নির্ভর করে কনটেইনার হ্যান্ডেলিংয়ের ওপর। বিভিন্ন কৌশল ও যুগোপযুগী সিদ্ধান্ত ও বৈদেশিক জাহাজের আগমনের সংখ্যা দিনকে দিন বাড়ার কারণে রাজস্ব আয় বাড়ছে বলে দাবি তাদের। 

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে জাহাজের মোট পরিচালনা আয়ের মধ্যে শুধু বৈদেশিক জাহাজ থেকে রাজস্ব এসেছে ৫২৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। বিপরীতে ২০২০-২১ অর্থবছরে ৪৮৭ কোটি টাকা রাজস্ব আসে বিদেশি জাহাজ পরিচালনা করে। 

তাছাড়া বিদেশি জাহাজ পরিচালনা করে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৪৮৪ কোটি ২০ লাখ টাকা, অপরদিকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪৩৬ কোটি টাকা আয় আসে বন্দরের। এছাড়া প্রতিটি বিদেশি জাহাজ থেকে ২০২১-২২ অর্থবছরে ১৭ লাখ ৬৬ হাজার টাকা, ২০২০-২১ অর্থবছরে ১৮ লাখ ১০ হাজার টাকা, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রতি জাহাজ থেকে ১৫ লাখ ২০ হাজার টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম বন্দর।

বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান, চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণে পণ্য উঠানামা হয়ে থাকে। এর মাধ্যমেও রাজস্ব আয় করে বন্দর। সে রাজস্ব আয়ের পরিমাণও বছরের ব্যবধানে বেড়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে পণ্য উঠানামা করে ২ হাজার ৪৯৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা আয় করে বন্দর। তাছাড়া পণ্য উঠানামা বাবদ ২০২০-২১ অর্থবছরে ২ হাজার ৩০৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২ হাজার ৩৭৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২ হাজার ৩৭৯ কোটি ৫৫ লাখ টাকা পণ্য উঠানামা বাবদ আয় করে বন্দর। পাশাপাশি ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রতি টন পণ্যে রাজস্ব এসেছিল ২ কোটি ৫৭ লাখ ৯৭ হাজার টাকা, ২০২০-২১ অর্থবছরে ২ কোটি ৪৮ লাখ ২৯ হাজার টাকা ও ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২ কোটি ৩৩ লাখ ৯৭ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছিল। 

বন্দর সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, গতবছর সার্বিকভাবে খারাপ পরিস্থিতির মধ্যেও বন্দরে জাহাজ আগমনের সংখ্যাও আগের তুলনায় বেড়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে ২ হাজার ৯৮০ জাহাজ এসেছিল বন্দরের জেটিতে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ২ হাজার ৬৯৩টি জাহাজ, তার আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২ হাজার ৯৭০টি জাহাজ ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২ হাজার ৮৬৮টি জাহাজ এসেছিল। অপরদিকে জাহাজ বহির্গমনের সংখ্যা বছরের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ২ হাজার ৯৫০টি বহির্গমন হয়েছিল। তাছাড়া ২০২০-২১ অর্থবছরে ২ হাজার ৯৯০টি জাহাজ, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২ হাজার ৯৬০ ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে বহির্গমন হয়েছিল ২ হাজার ৮৫০টি জাহাজ।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে কমেছে আমদানি ও রপ্তানি মালামাল খালাসের পরিমাণ। ২০২১-২২ অর্থবছরে ৮৪২ লাখ টন আমদানি করা মালামাল খালাস করেছে চট্টগ্রাম বন্দর। এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে ৯৩৯ লাখ টন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৮৯১ লাখ টন ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৮২৯ লাখ টন আমদানি করা পণ্য খালাস করা হয়েছে। অপরদিকে ২০২১-২২ অর্থবছরে ১২৫ লাখ টন পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে। অথচ ২০২০-২১ অর্থবছরে ১৮১ লাখ টন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১৬৯ লাখ টন ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৫২ লাখ টন পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে। 

চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্যমতে, দু’বছরের ব্যবধানে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ অবস্থানের জন্য বার্থ ও মুরিংয়ের সংখ্যা বেড়েছে। ২০১৯ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ অবস্থানের জন্য ১৭টি বার্থ ও ১৯টি মুরিং ছিল। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে সে সংখ্যা বেড়ে ১৯টি বার্থ ও ৩৫টি মুরিং রয়েছে। ২০২১-২০২২ অর্থবছরে দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয় ৩২ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৮ টিইইউস কন্টেইনার। এছাড়া ২০২০-২১ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে মোট ৩০ লাখ ২০ হাজার টিইইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছে। তার আগের অর্থবছরেও একই ধারা বজায় ছিল। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২৯ লাখ ১৯ হাজার টিইইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিং করা হয়েছিল।

জজানা গেছে, ১৯৯৭ সাল থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ১৮৬ মিটার লম্বা এবং ৯ দশমিক ১০ মিটার ড্রাফটের জাহাজ বন্দরে ভেড়ানো যেত। এরপর আরও বড় জাহাজ ভেড়ানোর সুবিধা চালু করা হয়। ২০১৫ সাল থেকে সর্বোচ্চ ১৯০ মিটার লম্বা ও সাড়ে ৯ মিটার ড্রাফটের জাহাজ বন্দরে ভেড়ানো যেত। সাতবছর পর চলতি বছরের শুরুতে আরো বড় জাহাজ ভিড়িয়ে নতুন ইতিহাস তৈরি করে চট্টগ্রাম বন্দর। বছরের শুরুতে অর্থাৎ গত ১৬ জানুয়ারি বন্দরের সিসিটি-১ নম্বর জেটিতে ভেড়ানো হয়েছিল ১০মিটার গভীরতা ও ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের বড় জাহাজ ‘কমন এটলাস’। এরপর গত ২৬ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধনের আগেই পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে প্রথমবারের মত ভিড়েছে ২০০ মিটার দীর্ঘ এবং ১০ মিটার গভীরতার বড় জাহাজ। বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ ‘মেঘনা ভিক্টোরি’র মাধ্যমে নবনির্মিত এ টার্মিনালে উদ্বোধনের আগেই বড় জাহাজ ভেড়ানোর রেকর্ড গড়লো। 

বন্দর কর্মকর্তারা বলছেন, বন্দর জেটিতে এখন বড় জাহাজ ভেড়ানো সম্ভব। তাই ভবিষ্যতে বন্দর জেটিতে বিদেশি জাহাজ আগমনের সংখ্যা আরো বাড়বে। এতে করে পণ্যর আমদানি-রপ্তানি বাড়ার পাশাপাশি বন্দরের রাজস্ব আদায়ের পরিমাণও অনেক বাড়বে। 

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মোহাম্মদ উমর ফারুক  বলেন,  প্রতিকূলতার মাঝেও গতবছর বন্দরে জাহাজ আগমন, কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে ধারাবাহিকতা বজায় ছিল। একদিকে জাহাজ আগমন বেড়েছে, অপরদিকে কনটেইনার পরিবহনে তিন মিলিয়নের ক্লাব থেকেও আমরা ছিটকে পড়িনি। গতবছর জাহাজ আগমনের পরিমাণ বাড়ায় জাহাজ থেকে আয়টা বেড়েছে। এখন আমাদের জেটিতে ২০০ মিটার দীর্ঘ এবং ১০ মিটার গভীরতার বড় জাহাজ ভেড়ানো সম্ভব। পাশাপাশি ইংল্যান্ড, নেদারল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। তাই আশা করছি সামনে জাহাজ আগমন এবং এটা থেকে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ আরও বাড়বে।

শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক খায়রুল আলম সুজন বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা দিনে দিনে বাড়ছে। বন্দর এখন ১০ মিটার গভীরতা ও ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের বড় জাহাজ ভেড়ানোর সক্ষমতা অর্জন করেছে। বৈশ্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পণ্য আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ আরও বেড়ে যাবে। তখন জাহাজ আগমনের সংখ্যাও বাড়বে।

চট্টগ্রাম বন্দর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

একদিনের ব্যবধানে আবার কমলো স্বর্ণের দাম

প্রকাশ: ০৮:৩৫ পিএম, ২২ মার্চ, ২০২৩


Thumbnail

একদিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও কিছুটা কমানো হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ১৬৭ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৬ হাজার ৪৬১ টাকা।

বুধবার (২২ মার্চ) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) থেকে সোনার এ নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাজুস।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ভালো মানের প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ১৬৬ টাকা ক‌মি‌য়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হ‌য় ৯৭ হাজার ৬২৮ টাকা। এ‌তদিন যা ছিল ৯৮ হাজার ৭৯৪ টাকা।

বাজুস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

টাকা ধার করে চলছে কয়েকটি ব্যাংক!

প্রকাশ: ১২:৪৮ পিএম, ২২ মার্চ, ২০২৩


Thumbnail

সাম্প্রতিক সময়ে শুধু ডলার কিনতে ব্যাংক থেকে এক লাখ কোটি টাকা বেরিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসরুর আরেফিন।

আমাদের দেশেও ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়েছিল জানিয়ে তিনি বলেন, সঙ্কট নেই এটা বলা যাবে না। কয়েকটি ব্যাংকের সঙ্কটে আছে। তারা আন্তঃব্যাংক থেকে টাকা ধার নিয়ে চলছে। একটা সময় আমাদের এখান থেকে গ্রাহকরা নগদ টাকা তুলতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছিল। এতে সাময়িক সমস্যা দেখা দেয়। তারা টাকা তুলে আরেক ব্যাংকে রেখেছে। তবে, এতে তারল্য কমেনি বরং বেড়েছে।

বুধবার (২২ মার্চ) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই), দৈনিক সমকাল ও চ্যানেল২৪ আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেছেন, আমাদের তারুল্য সংকট নেই। গ্রাহক এক ব্যাংক থেকে টাকা তুলেছেন এটা সত্য, কিন্তু তারা আবার অন্য ব্যাংকে রেখেছেন। এতে বলা যায় তারল্য সংকট নেই বরং তারল্য বেড়েছে। যেখানে ১০০ টাকায় ১৭ টাকা তরল হিসাবে রাখতে হয়, সেখানে আমাদের ব্যাংকখাতে এখন তরল আছে ২৫ দশমিক ৫ টাকা।

মাসরুর আরেফিন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বড় বড় ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার পেছনে পলিটিকাল গাইডলাইন্সের বিষয় ছিল না। মানুষ আস্থা হারিয়ে টাকা তুলেছিল, এরপরই ব্যাংক তারুল্য সংকটে পড়ে এবং পরে দেউলিয়া হয়ে যায়। যাদের সংকট আছে তাদের সার্বিক ব্যবস্থা ঠিক করতে হবে। এটা অভ্যন্তরীণভাবেই ঠিক করা প্রয়োজন।

এক সময় আমাদের দেশেও ভুল তথ্য এভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে, সংকট নেই এটা বলবো না, কয়েকটি ব্যাংকের সংকট আছে। তারা আন্তঃব্যাংক থেকে টাকা ধার নিয়ে চলছে। একটা সময় আমাদের এখান থেকে গ্রাহকরা নগদ টাকা তুলতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছিল। এতে সাময়িক সমস্যা দেখা দেয়। তারা টাকা তুলে এক ব্যাংক থেকে আরেক ব্যাংকে রেখেছে এতে তারল্য আমাদের কমেনি বরং বেড়েছে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

তিনদিনের মাথায় দাম কমলো সোনার

প্রকাশ: ০৮:৩৭ পিএম, ২১ মার্চ, ২০২৩


Thumbnail

‌তিনদিন আগেই দেশের বাজারে সোনার দা‌ম রেকর্ড প‌রিমাণ বেড়েছিল। তিন‌দিন না যেতেই এবার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ভালো মানের প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৭ হাজার ৬২৮ টাকা। এ‌তদিন ছিল ৯৮ হাজার ৭৯৪ টাকা। 

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।  

বুধবার (২২ মার্চ) থেকে সোনার এ নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাজুস।

গত শনিবার (১৮ মার্চ) ভরি প্রতি সোনার দাম ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা বাড়িয়ে ৯৮ হাজার ৭৯৪ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস।

গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতি ভরি সোনার (২২ ক্যারেট) দাম ছিল ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা। ওই দিন ১ হাজার ১৬৬ টাকা বেড়ে হয় ৮৮ হাজার ৪১৩ টাকা। এরপর ৭ জানুয়ারি ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বেড়ে হয় ৯০ হাজার ৭৪৬ টাকা এবং ১৪ জানুয়ারি ২ হাজার ৬৮৩ টাকা বেড়ে হয় রেকর্ড ৯৩ হাজার ৪২৯ টাকা। মাঝে ৪ ফেব্রুয়ারি সোনার দাম কিছুটা কমলেও সেটি ৯০ হাজারের ঘরে থেকে যায়।

সোনা   বাজুস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

ব্যাংকিং খাতে তারল্য কমেছে ৫৫ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশ: ১১:০০ এএম, ২১ মার্চ, ২০২৩


Thumbnail

গত ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে বিশেষায়িত ব্যাংক ছাড়া দেশের ব্যাংক খাতে তারল্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৬৭৩ কোটি টাকা। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালের ডিসেম্বর শেষে তারল্যের পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ৩৮ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। হিসাব অনুযায়ী, এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকিং খাতে তারল্য কমেছে ৫৪ হাজার ৭০১ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।

খাত বিশ্লেষকরা বলছেন, রেপো মার্কেটে অনেক তারল্য দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আবার নতুন রি-ফাইন্যান্সিং স্কিম চালু হচ্ছে, এতে তারল্য যোগ হচ্ছে। তবে ব্যাংকগুলোয় তারল্য কমার সবচেয়ে বড় কারণ বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বৈদেশিক মুদ্রা, বিশেষ করে ডলার কেনা।

ব্যাংক খাতে তারল্য নিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর অর্থনীতি শক্তিশালী করতে ঋণ বিতরণ বেড়েছে। আবার দ্রব্যমূল্য বাড়ায় আমদানিতে খরচ বেশি হচ্ছে। এর ফলে ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার কিনছে। এসব কারণে ব্যাংক ব্যবস্থায় তারল্য বা নগদ টাকার পরিমাণ কমে এসেছে।

সবশেষ ২০২২ সালের ডিসেম্বর শেষে দেশের ব্যাংকিং খাতে মোট তারল্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৬৭৩ কোটি টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ৩৮ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। সে হিসাবে, এক বছরে তারল্য কমেছে প্রায় ৫৫ হাজার কোটি (৫৪ হাজার ৭০১ কোটি) টাকা।

এর আগের প্রান্তিক অর্থাৎ সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংক খাতের তারল্যের পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ৪ হাজার ৭৭৮ কোটি টাকা। সে হিসাবে তিন মাসের ব্যবধানে তারল্য কমেছে ২১ হাজার ১০৫ কোটি টাকা।

এদিকে ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে সুদের হারে এক অঙ্কের বেঁধে দেওয়া সর্বোচ্চ সীমা তুলে নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূলত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পরামর্শেই নেওয়া হয়েছে এই সিদ্ধান্ত। এর পরিবর্তে বাজারে সুদের চাহিদা অনুযায়ী বেঞ্চমার্ক ভিত্তি বা রেফারেন্স রেট বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

নতুন এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে সুদের হার হতে পারে ১৩ শতাংশ। বর্তমানে সুদহারের সর্বোচ্চ সীমা রয়েছে ৯ শতাংশ।

আগামী অর্থবছরের মুদ্রানীতিতে উল্লেখ করা হবে সুদহারের বিষয়টি। রোববার (১৯ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

ইডিএফ ঋণ পরিশোধে বিলম্ব হলে গুনতে হবে অতিরিক্ত সুদ

প্রকাশ: ১২:৩২ পিএম, ২০ মার্চ, ২০২৩


Thumbnail

রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) থেকে নেওয়া ঋণ সময়মতো পরিশোধ না করলে দণ্ড হিসেবে অতিরিক্ত সুদ গুনতে হবে। এ ক্ষেত্রে দিতে হবে অতিরিক্ত ৪ শতাংশ সুদ। আর ইসলামী শরিয়াহ ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে এটি ক্ষতিপূরণ হিসেবে চিহ্নিত হবে।

রোববার (১৯ মার্চ) এ সংক্রান্ত সার্কুলার দেশের সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়, ইডিএফ থেকে নেওয়া ঋণ সময়মতো পরিশোধ করতে বিলম্ব হলে, মেয়াদোত্তীর্ণ অংশের ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকে অতিরিক্ত ৪ শতাংশ ‘দণ্ড সুদ’ দিতে হবে রপ্তানিকারকদের। আর ইসলামী শরিয়াহ ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে এটি ক্ষতিপূরণ হিসেবে চিহ্নিত হবে। এক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর অথোরাইজড শাখা ঋণের অর্থসহ সুদ ও ‘দণ্ড সুদ’ বাংলাদেশ ব্যাংককে দেবে।

এর আগে ১ ফেব্রুয়ারি রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের ঋণের সুদহার নিয়ে একটি নির্দেশনা দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই নির্দেশনায় বলা হয়, রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের ঋণের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে তিন শতাংশ সুদহারে অর্থ দেবে। আর সাড়ে চার শতাংশ সুদহারে ঋণ নিতে হবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে।

এতদিন ইডিএফ থেকে ব্যাংকগুলো আড়াই শতাংশ সুদহারে ঋণ নিয়ে রপ্তানিকারকদের কাছে ৪ শতাংশ সুদে ঋণ বিতরণ করতো।

২০২০ সালের এপ্রিলে প্রথমবারের মতো ইডিএফ ঋণের সুদের হার ২ শতাংশে নামিয়ে আনে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূলত করোনায় দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এ সুদহার নামিয়ে আনা হয়েছিল। এর আগে সুদহার ছয় মাসের লন্ডন ইন্টার-ব্যাংক অফারড রেটের (লাইবর) সঙ্গে দেড় শতাংশ যুক্ত করে নির্ধারণ করা হতো। সে ক্ষেত্রে লাইবর রেট প্রতিদিনই ওঠানামা করায় সুদহার তিন থেকে চার শতাংশে পড়ে যেত রপ্তানিকারকদের জন্য।



মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন