ইনসাইড এডুকেশন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনই বন্ধ হচ্ছে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ১২:৩৬ পিএম, ০৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বিশ্বের অনেক দেশে করোনা সংক্রমণ ভয়াবহভাবে বাড়ছে। বাংলাদেশে পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্কুল-কলেজ খোলা রয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই। তবে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে যাত্রীবাহী বাস-ট্রেন-লঞ্চে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চলাচলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই এ সংক্রান্ত নির্দেশনা আসবে।

আজ শনিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে মানিকগঞ্জ শুভ্র সেন্টারে মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হত-দরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
 
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। সারাদেশে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের সকল হাসপাতালের ও নার্স-চিকিৎসকরা সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন। সকল দোকান-পাট রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। রেস্টুরেন্টে টিকা সনদ ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না। বাস-ট্রেন-লঞ্চসহ যাত্রীবাহী সকল পরিবহনে অর্ধেক যাত্রী বহন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মাস্ক ছাড়া বাইরে গেলেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল-জরিমানা করা হবে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, দেশে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আছে বলেই এখনো অর্থনীতির চাকা ঘুরছে। কল-কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে যেতে পারছে। এই পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যুবায়ের হোসেন, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন সরকার, সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিনসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

গুচ্ছ ভর্তি পরিক্ষার ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

প্রকাশ: ০৪:৪৮ পিএম, ১৬ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail গুচ্ছ ভর্তি পরিক্ষার ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

গুচ্ছভুক্ত ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথমবর্ষের মানবিক অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলে ৪৮ হাজার ১০৬ জন শিক্ষার্থী ৩০ এর বেশি নম্বর পেয়ে কৃতকার্য হয়েছেন।

৩০ নম্বর এর কম পেয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৩৭ হাজার ৩৫১ জন শিক্ষার্থী। এতে ৫৬ দশমিক ২৬ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। এবং ৪৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ শিক্ষার্থী ফেল করেছে।
  
মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) গুচ্ছ ভর্তি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গুচ্ছের ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে (https://gstadmission.ac.bd/) লগইন করে ভর্তিচ্ছুরা নিজেদের আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ-ইন করে ফল দেখতে পারবেন।

উল্লেখ্য, গত ১৩ আগস্ট গুচ্ছভুক্ত ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবিক অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত মোট ২৯টি কেন্দ্রে ১০০ নম্বরের এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবারের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ৪ হাজার ৮৩৪টি আসনের বিপরীতে ৯৫ হাজার ৬৩৭ জন আবেদন করেছেন।

গুচ্ছ ভর্তি পরিক্ষা   'বি' ইউনিট   ফলাফল   প্রকাশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

শিক্ষার্থীদেরই জন্য জরুরি সুপরিকল্পিত রুটিন

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ১৬ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail শিক্ষার্থীদেরই জন্য জরুরি সুপরিকল্পিত রুটিন

বর্তমান সময়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে রুটিন করে পড়াশোনার একটা প্রবণতা দেখা যায়। তবে শুধু মেধাবী শিক্ষার্থীরা না,  সকল শিক্ষার্থীদের জন্যই রুটিন কতটা প্রয়োজনীয় সেটা নিয়েই বাংলা ইনসাইডারের আজকের আয়োজন। 

শুধু মেধাবীরাই নয়, রুটিন করে পড়াশোনা করা সকল শিক্ষার্থীদের জন্যই প্রয়োজন। কারণ একটা রুটিন আমাদের দিনের কাজ দিনে সেরে ফেলতে সাহায্য করে। সব থেকে বড় কথা হলো রুটিন অনুযায়ী প্রতিদিনের কাজ প্রতিদিন করে ফেলায় নিজেদের মধ্যে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। যেটা একটা রুটিনের মাধ্যমেই সম্ভব।

একজন শিক্ষার্থীর ভালো ফলাফলা করা সম্পূর্ণই নির্ভর তার পড়াশোনার উপর। তাই বলে কি সকল কাজ বাদ দিয়ে সারাদিন বইয়ের ভেতর মুখ গুজে বসে থাকবেন! না সারাদিন বইয়ে মুখ গুজে কোনো লাভ নেই।  তাতে সবার ক্ষেত্রে ফলাফল ভালো হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে।  তাই রুটিন করে পড়াশোনার পাশাপাশি,  আপনার অন্যান্য কাজ করা, খেলাধুলা করা, অনুশীলন করা সব কিছুই জরুরি।

পড়াশোনার পাশাপাশি আপনার যদি পছন্দের তালিকায় অঙ্কন, গান বা নাচ থাকে৷  তাহলে আপনি রুটিন কাজে লাগিয়ে ঘন্টা খানেক সময় রাখুন৷ আর প্রতিদিন একই সময়ে ঘন্টা খানেক অনুশীলন করেন তাহলে খুব সহজেই আপনি এটা নিজের মধ্যে আয়ত্ত করতে পারবেন। সেটা হতে পারে খেলা-ধুলা, অঙ্কন, নাচ গান ইত্যাদি৷ 

 যখনের কাজ তখন করা।  যেমন আপনার যখন পড়াশোনা করা উচিত তখন পড়াশোনা আর যখন খেলা ধুলা বা অন্যান্য অনুশীলন আলদা আলদা সময়ে নিয়ম অনুযায়ী করা। কারণ সময়েরটা সময়ে করলে কাজটি ভালোভাবে করা যায়। এছাড়া নিয়ম করে খেলাধুলা আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। আর ভালো করে পড়াশোনা করতে হলে সুস্থ থাকা খুবই জরুরি। যদি আপনি একটা রুটিন মেনে চলেন তাহলেই সব সম্ভব। 

রুটিন মানেই হলো আপনার কোন কাজটি কখন করবেন সেসব কিছু লিখে রাখা এবং তা মেনে চলা। আপনার প্রতিদিনের কাজ প্রতিদিন শেষ করতে রুটিন আপনাকে ভীষণভাবে সাহায্য করবে। তবে এর জন্য অবশ্যই রুটিন মেনে চলা জরুরি। রুটিনে আপনার যে কাজটি যখন দেওয়া থাকে চেষ্টা করবেন রুটিনের সময় অনুযায়ীই শেষ করতে। তবে আপনি যদি রুটিন না করেন তাহলে আপনার কোন কাজটা কখন বা কত সময় করতে সেটা বুঝতে পারবেন না।  তাতে করে আপনার অন্য কাজে প্রভাব  পড়ার সম্ভাবনা থাকে৷ কখন কোন কাজটি করতে হবে সেটা ভাবতে ভাবতেই আপনার অনেকটা সময় নষ্ট হয়ে যাবে। যা একটা রুটিন মেনে চললে আপনার জন্য বিষয়টা খুবই সহজ হয়।

ছোট একটা রুটিন আপনার সময় অনেকটুকু বাচিয়ে দেবে। কারণ একটা রুটিনেই লেখা থাকে আপনি কখনের কাজ কখন করবেন৷ রুটিনে দেওয়া বরাদ্দ সময় অনুযায়ী কাজ শেষ করতে পারলে আপনার অনেকটা সময় বেচে যাবে এবং আপনি সময় অপচয় থেকে বিরত থাকতে পারবেন। 
ফলে আপনার পড়াশোনায় একঘেয়েমি চলে আসবে না। আপনার অন্যান্য কাজও সময় মত শেষ হবে। এছাড়াও রুটিনে আগে থেকেই পরিকল্পনা করা থাকে বলেই প্রতিদিন পরিকল্পনা করার জন্য সময় নষ্ট হয় না।

রুটিনে পড়াশোনা, খেলা-ধুলা, অন্যান্য কাজের পাশাপশি নিজের জন্য সময় রাখুন৷  নিজের জন্য সময়টা কখন বা কত সময় সেটাও রুটিনে লিখে রাখুন তাতে আপনার জন্য সব কিছুই সহজ মনে হবে এবং নিজেকে নিজে কিছুটা সময় দিলে আরও নতুন নতুন ভাবনা তৈরি করার আগ্রহটা বাড়বে।

একটি সুপরিকল্পিত রুটিন আপনার প্রত্যাহিক জীবনে অনেকটা সস্তি ফিরিয়ে দিতে সহায়তা করবে। রুটিন মানেই নিয়ম। আর তাই এই নিয়মকে অভ্যাসে পরিণত করতে পারলে সময়ানুবর্তিতা বৃদ্ধি পাবে। এর পাশাপাশি নিয়ম মেনে চলার অভ্যাসও গড়ে উঠবে।

একজন শিক্ষার্থীর জন্য রুটিন শুধুমাত্র একটা রুটিন না, এটি শিক্ষার্থীদের প্রাত্যহিক জীবনকে শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসার হাতিয়ার। শৃঙ্খলাই একজন শিক্ষার্থীকে একাধারে ভালো ছাত্র ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেতে পারে। যদি একটি সুপরিকল্পিত  রুটিন মেনে চলা যায় তাহলে আপনাদের প্রতিদিনের জীবন আরও সুন্দর এবং গোছালো হবে। এর জন্য প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের একটি রুটিন তৈরি করা প্রয়োজন।

শিক্ষার্থী   সুপরিকল্পিত রুটিন   পড়াশোনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

আগামী বছর থেকে সপ্তাহে ৫ দিন ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪:৪২ পিএম, ১৫ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail আগামী বছর থেকে সপ্তাহে ৫ দিন ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, সপ্তাহে পাঁচদিন ক্লাস এমনভাবে পুনর্বিন্যাস করতে চাই যেন শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি না হয়। সেইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের যে শিখন ঘাটতি নিরূপণ করা হয়েছে তা পুষিয়ে নেওয়ার জন্য পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সোমবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুর সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আগামী বছর থেকে নতুন শিক্ষাক্রমে সপ্তাহ হবে পাঁচদিনে। বর্তমানে যে জ্বালানি সংকট বিশ্বে চলছে এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে সেজন্য এখন থেকেই আমাদের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যদি সপ্তাহে পাঁচদিন ক্লাস নেওয়া হয় তাহলে বিশেষ করে শহরে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে যে পরিমাণ যানবাহন চলে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় তা সাশ্রয় হবে। যেজন্য আমাদের একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। তবে আমরা এই পাঁচদিনের মধ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্লাস পুনর্বিন্যাস করতে চাই। যাতে শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের সমস্যা না হয়।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বশির আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারীসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতারা।

পরে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

'রাজনৈতিক অনুষ্ঠান জানলে অনুমতি দিতো না বুয়েট প্রশাসন'

প্রকাশ: ১১:৩৩ এএম, ১৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail 'রাজনৈতিক অনুষ্ঠান জানলে অনুমতি দিতো না বুয়েট প্রশাসন'

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ছাত্রলীগের ব্যানারে শোক দিবসের কর্মসূচি আয়োজন করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্রলীগের নেতারা।

শনিবার (১৩ আগস্ট) শোক দিবসের এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

তবে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ নিহত হওয়ার পর বুয়েটে সকল প্রকার রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়৷ এমন নিষেধাজ্ঞার পরও রাজনৈতিক ব্যানারে কর্মসূচি আয়োজন করায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ।

এ নিয়ে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। তবে সাবেক ছাত্র হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের অনুমতি দিয়েছিল। সভার আয়োজক সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা দাবি করেন, এটি কোনো রাজনৈতিক সভা নয় বরং বঙ্গবন্ধুর জন্য দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দোয়া অনুষ্ঠান করবে, তবে সেটা সাবেক ছাত্রলীগ হয়ে কেন? সাবেক শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এই আয়োজন করা যেত। এদিকে, রাজনৈতিক কোনো অনুষ্ঠানের কথা আয়োজকরা বলেননি বলে দাবি করেন কর্তৃপক্ষ। রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের বিষয়টি জানলে বুয়েট প্রশাসন অনুমতি দিতো না। 

বলা যায়, তারা আমাদের থেকে অনুমতি নিয়েছে, আবার নেয়নি। অনুমতি নেওয়ার সময় জানিয়েছে- তারা সাবেক শিক্ষার্থী, পুনর্মিলনী করবে ক্যাম্পাসে। সে কারণে আমরা অনুমতি দেই। কিন্তু তারা বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের ব্যানারে প্রোগ্রাম করতে গেলে বাধা দেয় শিক্ষার্থীরা বলে জানিয়েছেন বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক (ডিএসডব্লিউ) অধ্যাপক মিজানুর রহমান।

তিনি বলেন, আমরা যদি জানতাম তারা বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক নেতা, তাহলে অনুমতি দিতাম না। তাই শিক্ষার্থীদের বিক্ষুব্ধ হওয়ার অধিকার আছে। আমি এ মুহূর্তে ক্যাম্পাসের বাইরে আছি। নইলে স্পটে যেতাম। কাল (রবিবার) সকালে আমরা শিক্ষার্থীদের কথা শোনবো।

এ বিষয়ে বুয়েটের উপাচার্য ড. সত্য প্রসাদ মজুমদারও একই কথা বলেছেন। তিনি বলেন, তারা সাবেক ছাত্র হিসেবে অনুমতি নিয়েছিল। রাজনৈতিক প্রোগ্রামের বিষয়টি জানাননি। জানালে আমরা করতে দিতাম না।

ছাত্রলীগের ব্যানারে কর্মসূচি এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের ক্ষোভের বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় বুয়েটের উপাচার্যকে। এ বিষয়ে বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদার বলেন, আমাদের কাছ থেকে যখন অনুমতি নেওয়া হয়েছিল তখন বলা হয়েছিল দোয়া অনুষ্ঠান করবে। সে সময় কোনো রাজনৈতিক দলের ব্যানারে কর্মসূচি করার কথা বলা হয় নি।

রাজনৈতিক অনুষ্ঠান   অনুমতি   বুয়েট প্রশাসন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দেওয়ায় ঢাবি ছাত্রসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ: ০৮:২৯ এএম, ১৪ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দেওয়ায় ঢাবি ছাত্রসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ‘বি’ ইউনিটের (মানবিক বিভাগে) গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দেওয়ার অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

শনিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিনজনের বিরুদ্ধে একটা মামলা দায়ের করেছে। তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। 

মামলার আসামিরা হলেন, মূলহোতা মো. রাব্বি, প্রক্সি দিতে গিয়ে আটক হওয়া ঢাবি ছাত্র মো. আকতারুল ইসলাম আবির ও মূল শিক্ষার্থী সিজান মাহফুজ। আটক হওয়া আকতারুল ইসলাম আবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, শনিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছভুক্ত ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মো. মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে যাচাই-বাছাই কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভবনের একটি কক্ষের পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্রসহ অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই করছিলেন। এ সময় আকতারুল ইসলাম নামে এক পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র ও সংযুক্ত ছবির সাথে তার চেহারার মিল না থাকার বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়। পরে পলাতক আসামি সিজান মাহফুজ ও মূলহোতা রাব্বির পরামর্শ, প্ররোচনা ও সহযোগিতায় এক লাখ ৪০ হাজার টাকার চুক্তিতে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন গ্রেফতারতৃত ঢাবি শিক্ষার্থী।


ভর্তি পরীক্ষা   প্রক্সি   ঢাবি   মামলা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন