ইনসাইড এডুকেশন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের তথ্য গুজব: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

প্রকাশ: ০৪:০৯ পিএম, ১৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক সহ বিভিন্ন মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির বরাত দিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কথা বলা হচ্ছে। যা একটি গুজব। শিক্ষামন্ত্রী এ সংক্রান্ত কোনো বক্তব্য সাম্প্রতিক সময়ে দেননি বলে সতর্ক করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

আজ শনিবার (১৫ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল খায়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার নিয়মিত পরিস্থিতি মনিটর করছে। করোনা সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে আবার মিটিং করা হবে। তারপর এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকার এই মুহূর্তে শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া নিশ্চিত করার বিষয়ে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ সংক্রান্ত কোনো রকমের গুজবে কান না দিতে এবং আগাম তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে সবাইকে অনুরোধ করা হলো। 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

কে হচ্ছেন শাবিপ্রবির নতুন উপাচার্য?

প্রকাশ: ১১:১৪ এএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

শেষ পর্যন্ত বিদায় নিতে হচ্ছে অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমদকে। উপাচার্যের পদ থেকে তার যাওয়া এখন সময়ের ব্যাপার বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। সরকারের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র বলছে যে, শিক্ষামন্ত্রী যদিও এই মুহূর্তে উপাচার্য পরিবর্তনের পক্ষে না কিন্তু সরকারের নীতিনির্ধারক মহল এখন এই ব্যাপারে আর কোন প্রকার ঝুঁকি নিতে চাচ্ছে না। তাছাড়া এই সংকট নিরসনে অধ্যাপক ড. মোঃ জাফর ইকবালের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের যে কথা হয়েছে সেই কথায় তারা আশ্বস্ত করেছিলেন জাফর ইকবাল স্যার যেভাবে চাইবেন সেভাবেই সংকটের সমাধান হবে।

অধ্যাপক ড. মোঃ জাফর ইকবাল চাইছেন উপাচার্য সরে যাক। নতুন উপাচার্য কে হবে তা নিয়ে সরকারের মাঝে আলাপ-আলোচনা চলছে। এক্ষেত্রে দুজনের নাম আলোচনায় এসেছে। একজন হলেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ড. আনোয়ারুল ইসলাম এবং অন্যজন হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক তুলসি কুমার দাস । তবে এক্ষেত্রে তৃতীয় কোন ব্যক্তির নামও আলোচিত হতে পারে বলে সরকারের সূত্রগুলো জানিয়েছে। 

সরকারের একাধিক নীতিনির্ধারক মহল মনে করছে এই সংকট সমাধানে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অধ্যাপক ড. মোঃ জাফর ইকবালকে। তিনি শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে একটি যৌক্তিক সমাধানে যাবেন। সমাধানের প্রথম পদক্ষেপ যে ফরিদ উদ্দিনের সরে যাওয়া সেটা মোটামুটি নিশ্চিত।

শাবিপ্রবি   ড. জাফর ইকবাল   আন্দোলন   শিক্ষক সমিতি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

জাফর ইকবালের কাছে শিক্ষার্থীদের পাঁচটি দাবি

প্রকাশ: ০৯:১০ এএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

আশার আলো দেখা যাচ্ছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি)। অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও অধ্যাপক ড. ইয়াসমীন হকের অনুরোধে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির অপসারণের দাবিতে চলা ১৬৩ ঘণ্টার অনশন ভেঙেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা। তবে অনশন কর্মসূচি থেকে সরে আসলেও তারা তাদের পাঁচটি দাবির কথা তুলে ধরেছেন সরকারের কাছে। 

বুধবার রাত ১১টার দিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের একজন মুখপাত্র সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। 

ওই শিক্ষার্থী বলেন, 'তাদের ৫টি দাবির মধ্যে একটি ইতোমধ্যে পূরণ হয়েছে। আরও ৩টি দাবি শিগগিরই পূরণ হবে। তবে উপাচার্যের পদত্যাগের মূল দাবি পূরণে কিছুটা সময় লাগতে পারে।'

তাদের দাবিগুলো হলো- উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগসহ ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা অধ্যাপক জহির উদ্দিন আহমেদ ও প্রক্টরিয়াল বডির অপসারণ, ক্যাম্পাসের সবগুলো আবাসিক হল সচল রাখার বিষয়ে উদ্যোগ, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অর্থ সাহায্য দেওয়া ৫ সাবেক শিক্ষার্থীর জামিন, অজ্ঞাতনামা শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার এবং অনশনরত শিক্ষার্থী ও উপাচার্যের নির্দেশে পুলিশের হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার দায়ভার বহন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে ওই মুখপাত্র আরও জানান, তাদের ৩ নম্বর দাবি অনুযায়ী ৫ সাবেক শিক্ষার্থীর জামিন হয়েছে এবং ৪ নম্বর দাবি অনুযায়ী মামলা প্রত্যাহারের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। যার ফলে অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার হবে বলে জানানো হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র জানান, তাদের ৫ নম্বর দাবি অনুযায়ী ইতোমধ্যে অনশনকারী শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার সব ব্যয় মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং পুলিশের হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় দাবি অনুযায়ী সবগুলো আবাসিক হল দ্রুত সচল করার ব্যাপারেও আশ্বস্ত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, 'আমাদের মূল দাবি, অর্থাৎ উপাচার্যের পদত্যাগসহ ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা ও প্রক্টরিয়াল বডির অপসারণের দায়িত্ব জাফর ইকবাল স্যার ও ইয়াসমীন হক ম্যাম শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে নিয়েছেন।'

এ ছাড়া বুধবার সন্ধ্যায় অধ্যাপক মুহাম্মদ জাফর ইকবালের মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সঙ্গে ভিডিও কলে কথা হয়েছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের। 

এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওই মুখপাত্র বলেন, 'আমাদের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে যে, উপাচার্যের পদত্যাগের বিষয়ে আমাদের যে দাবি তা এখনই বাস্তবায়ন সম্ভব না হলেও খুব শিগগিরই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া শিক্ষামন্ত্রী আমাদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের সমস্যা নিয়ে আরও আলোচনা করতে চেয়েছেন এবং তিনি নিজে এসে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।'

শাবিপ্রবি   ড. জাফর ইকবাল   আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

ভিসির গেট খুলে দিলেন শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ: ০৮:২০ এএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ঘোষণা অনুযায়ী শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্যের বাসভবনের প্রধান গেট খুলে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সাতদিনের অনশন ভাঙার পর অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত থেকে এই গেট খুলে দেওয়া হয়। তবে উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা। 

গতকাল বুধবার (২৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টায় মূল ফটক উন্মুক্ত করে দেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ১১টায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন। বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন ও প্রশাসনিক ভবনের তালা খুলে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন- শিক্ষার্থী রোমিও নিকোলাস রোজারিও ও মোহাইমিনুল বাশার রাজ।

তারা বলেন, আন্দোলনের অংশ হিসেবে ২৫ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী টানা ১৬৩ ঘণ্টা ১৭ মিনিট অনশনরত থাকার পর অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন হকের অনুরোধে অনশন থেকে সরে আসেন তারা। তবে আপাতত অনশন থেকে সরে আসা হলেও উপাচার্যের পদত্যাগের আগ পর্যন্ত চলমান আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। আন্দোলনের অংশ হিসেবে নাটক, গান, কবিতা আবৃত্তি, র‌্যালিসহ বেশকিছু কর্মসূচি হাতে নেবে শিক্ষার্থীরা।

অন্যদিকে অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল তাদের ৫টি দাবি উপস্থাপন করার পরামর্শ দিয়েছেন। দাবিগুলো হলো- শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অর্থদানের অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত ৫ জন সাবেক শিক্ষার্থীর জামিন মঞ্জুর, অজ্ঞাতনামা শিক্ষার্থীদের নামে করা মামলা প্রত্যাহার, অনশনকারী শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা খরচ বহন, পুলিশের হামলায় গুরুতর আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়া।

এসব দাবি পূরণে শিক্ষার্থীরা আশ্বাস পেলেও মূল দাবি ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে প্রত্যাহার করা হয়নি। তবে ছাত্র উপদেষ্টা ও প্রক্টরিয়াল বডির অপসারণের দায়িত্ব ড. জাফর ইকবাল এবং ড. ইয়াসমিন হক নিয়েছেন।

এছাড়া ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের দখলে থাকবে বলে ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

গত ১৩ জানুয়ারি থেকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট কমিটির পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। পরে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিও সামনে আসে।

এরপর ১৬ জানুয়ারি বিকেলে তিন দফা দাবি আদায়ে উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটি ভবনে অবরুদ্ধ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সময় পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। পুলিশ ৩০০ জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করে।

শাবিপ্রবি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

শিক্ষার্থীদের সব দাবি-দাওয়া বাস্তবায়ন করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ০৮:০৩ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যৌক্তিক উল্লেখ করে তাদের সব দাবি-দাওয়া বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনাকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বুধবার (২৬ জানুয়ারি) শাবিপ্রবি ইস্যু নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। রাজধানীর হেয়ার রোডে নিজ বাসভবনে শিক্ষামন্ত্রী এ প্রেস ব্রিফিং করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, সরকার সবাই একপক্ষ। এখানে দুইপক্ষ বলে কিছু নেই। আন্দোলনে থাকা শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে কিছুটা ভেঙে পড়েছেন। তারা একটু গুছিয়ে উঠুক। তারা চাইলে কিছুদিন পর আমরা সেখানে যেতে পারি। শিক্ষার্থীরা চাইলে আমরা যে কোনো সময় তাদের সঙ্গে বসবো।’

শাবিপ্রবি উপাচার্যের পদত্যাগের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ভিসির পদত্যাগ অন্য বিষয়। তাকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন। তিনি পদত্যাগ করলেই তো সমস্যার সমাধান হবে না। এক ভিসি যাবেন, আরেক ভিসি আসবেন। সমস্যার জায়গায় সমস্যা থেকে যাবে।

এসময় অজ্ঞাত মামলার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'আগে যা হয়ে গেছে, তা তো হয়েই গেছে। আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে ক্ষতি হোক সেটা আমরা চাই না।' মামলার ফলে শিক্ষার্থীদের কোনো ক্ষতি হবে না বলে জানান তিনি। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

দীপু মনি   শাবিপ্রবি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

যে উদ্যোগে অনশন ভাঙ্গলো

প্রকাশ: ১১:৪৫ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের অনশন শেষ পর্যন্ত ভঙ্গ হয়েছে। সাতদিন পর অনশন ভেঙ্গেছে শিক্ষার্থীরা। অধ্যাপক ড. জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রী ইয়াসমিন হক আজ বুধবার ভোরে শাবিপ্রবিতে পৌঁছানোর পরপরই শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের কথায় আশ্বস্ত হয়ে শিক্ষার্থীরা অনশন ভাঙ্গতে রাজি হন। এরপর হাসপাতাল থেকে ১১ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে আসা হয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অনশন ভাঙ্গা হয়। কিন্তু এই অনশন ভাঙ্গার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ব্যক্তিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

যখন শিক্ষা মন্ত্রণালয় আন্দোলন থামাতে পারছিলো না এবং অনশন ভাঙ্গানোর ক্ষেত্রে কোনো রকম অগ্রগতি হচ্ছিল না, শিক্ষামন্ত্রীর সাথে বৈঠক করতেও যখন শিক্ষার্থীরা অস্বীকৃতি জানাচ্ছিল, সেই সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লীগের একটি রাজনৈতিক দল এই উদ্যোগ নেয়। জাহাঙ্গীর কবির নানকের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং তারা সেখানকার  শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ বিভিন্ন মহলের সাথে কথা-বার্তা বলতেন। এ রকম কথা-বার্তা বলার পরেই জাহাঙ্গীর কবির নানক প্রধানমন্ত্রীকে জানান যে, যদি ড. জাফর ইকবালকে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেই এই সংকটের একটি সমাধান করা সম্ভব হবে। 

প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সংকেত পাওয়ার পর জাহাঙ্গীর কবির নানকের নেতৃত্বে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আসীম কুমার উকিল এবং সুভাষ সিংহ রায় অধ্যাপক জাফর ইকবালের বাসায় যান গতকাল। সেখানে জাফর ইকবালের সাথে পুরো পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন এবং শেষ পর্যন্ত জাফর ইকবালকে সিলেট যাওয়ার ক্ষেত্রে রাজি করাতে সক্ষম হন। জাফর ইকবাল আজ সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন যে, আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা তার বাসায় এসেছিলেন।

শাবিপ্রবি   অনশন   আওয়ামী লীগ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন