ইনসাইড এডুকেশন

করোনায় ৩ কোটি ৭০ লাখ শিক্ষার্থীর পড়াশোনা ব্যাহত

প্রকাশ: ০৮:২৮ এএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail করোনায় ৩ কোটি ৭০ লাখ শিক্ষার্থীর পড়াশোনা ব্যাহত

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় দেশের তিন কোটি ৭০ লাখ শিক্ষার্থীর পড়াশোনা ব্যাহত হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। 

গতকাল সোমবার (২৪ জানুয়ারি) সংস্থাটির প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ মোকাবিলার ক্ষেত্রে স্কুল বন্ধ করতে হলে তা অবশ্যই শেষ অবলম্বন হিসেবে অস্থায়ী ভিত্তিতে করতে হবে।

করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। সম্প্রতি ওমিক্রনের প্রভাব বেড়ে যাওয়ায় সরকার নতুন করে ২৩ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্কুল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।

বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বলেন, কভিড-১৯ মোকাবেলার ক্ষেত্রে স্কুল বন্ধ করতে হলে তা অবশ্যই শেষ অবলম্বন হিসেবে অস্থায়ী ভিত্তিতে করতে হবে। সংক্রমণের ঢেউ সামাল দিতে আমরা যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছি তার মধ্যে প্রতিষ্ঠান বন্ধের ক্ষেত্রে সবার শেষে এবং খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বাগ্রে স্কুল থাকা উচিত। 

জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, এ দফায় যদি এক-দুই মাস স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখতে হয়, তাহলে খোলার পরই স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন স্কুলে আনতে হবে। প্রয়োজনে দুই শিফটের ব্যবস্থা করতে হবে। আর যদি দীর্ঘমেয়াদি ৮-৯ মাস বন্ধ রাখতে হয়, তাহলে আমার পরামর্শ—আগামী বছরও শিক্ষার্থীদের একই শ্রেণিতে রাখতে হবে। স্কুল খোলার পর সপ্তাহে এক-দুই দিন ক্লাসে আনলে কোনোভাবেই শিক্ষার গুণগত মান রক্ষা করা সম্ভব হবে না। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্কুল বন্ধ থাকায় শিশুরা গণনা ও সাক্ষরতার মৌলিক দক্ষতা হারিয়েছে। বৈশ্বিকভাবে পড়াশোনায় ব্যাঘাতের অর্থ হলো যে লাখ লাখ শিশু শ্রেণিকক্ষে থাকলে যে একাডেমিক শিক্ষা অর্জন করতে পারত, তা থেকে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বঞ্চিত হয়েছে। যেখানে ছোট ও আরো বেশি প্রান্তিক শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে স্কুল বন্ধের কারণে পড়াশোনার ক্ষতি হওয়ায় ১০ বছর বয়সীদের ৭০ শতাংশই সহজ পাঠ্য পড়া বা বোঝার সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি, যা মহামারির আগের সময়ের তুলনায় ৫৩ শতাংশ বেশি।

বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ইউনিসেফ বলছে, স্কুল বন্ধ থাকার কারণে এর নেতিবাচক প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে। স্কুল বন্ধ থাকায় তা পড়াশোনার ক্ষতির পাশাপাশি শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করেছে, তাদের নিয়মিত পুষ্টি প্রাপ্তির উৎস কমিয়ে দিয়েছে এবং তাদের নিগ্রহের শিকার হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়েছে। বিশেষ করে মেয়ে, কিশোর-কিশোরী এবং গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারীরা অধিক হারে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

ইউনিসেফের শিক্ষাবিষয়ক প্রধান রবার্ট জেনকিন্স বলেন, বৈশ্বিক শিক্ষাব্যবস্থায় কভিড-১৯ সম্পর্কিত বিঘ্নের দুই বছর পূর্ণ হবে আগামী মার্চে। খুব সহজভাবে বললে, আমরা শিশুদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে প্রায় অপূরণীয় মাত্রার ক্ষতি প্রত্যক্ষ করছি। তবে পড়াশোনার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার অবসান ঘটাতে হবে এবং শুধু স্কুল পুনরায় খুলে দেওয়াই এ ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়, পড়াশোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে শিক্ষার্থীদের নিবিড় সহায়তা প্রয়োজন। শিশুদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য, সামাজিক বিকাশ এবং পুষ্টি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে স্কুলগুলোকে শুধু শেখানোর নির্ধারিত গণ্ডির বাইরেও যেতে হবে। 

ইউনিসেফ বলছে, ইথিওপিয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা স্বাভাবিক শিক্ষাবর্ষে যে পরিমাণ গণিত শিখতে পারত তার মাত্র ৩০-৪০ শতাংশ শিখতে পেরেছে বলে ধারণা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস, ক্যালিফোর্নিয়া, কলোরাডো, টেনেসি, উত্তর ক্যারোলাইনা, ওহাইও, ভার্জিনিয়া, মেরিল্যান্ডসহ অনেক অঙ্গরাজ্যে পড়াশোনার ক্ষতি পরিলক্ষিত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, টেক্সাসে ২০২১ সালে গ্রেড ৩-এর দুই-তৃতীয়াংশ শিশুর তাদের গ্রেডের জন্য গণিতে দক্ষতা কম ছিল। ২০১৯ সালে এই হার ছিল অর্ধেক শিশু।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রাজিলের বেশ কয়েকটি প্রদেশে গ্রেড ২-এর প্রতি চারটি শিশুর মধ্যে তিনটি পড়ার দক্ষতা অর্জন থেকে বিচ্যুত, যা মহামারির আগে ছিল প্রতি দুটি শিশুর মধ্যে একটি। দেশটিতে ১০-১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজন জানিয়েছে, তাদের স্কুল পুনরায় খুলে দেওয়ার পর তারা আর স্কুলে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে না।

দক্ষিণ আফ্রিকায় স্কুলগামী শিশুদের শিক্ষাবর্ষে যে অবস্থানে থাকার কথা তার চেয়ে তারা ৭৫ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত পিছিয়ে আছে। ২০২০ সালের মার্চ থেকে ২০২১ সালের জুলাইয়ের মধ্যবর্তী সময়ে প্রায় চার থেকে পাঁচ লাখ শিক্ষার্থী স্কুল থেকে ঝরে পড়েছে বলে জানা গেছে। স্কুল বন্ধ থাকার সময়ে বিশ্বব্যাপী ৩৭ কোটিরও বেশি শিশু স্কুলের খাবার থেকে বঞ্চিত হয়, যা কিছু শিশুর জন্য খাবার ও দৈনিক পুষ্টি প্রাপ্তির একমাত্র নির্ভরযোগ্য উৎস।

করোনাভাইরাস   বাংলাদেশ   শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান   ইউনিসেফ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতি রোধে মঞ্জুরি কমিশনের নির্দেশনা আসছে

প্রকাশ: ১১:৫২ এএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতি রোধে মঞ্জুরি কমিশনের নির্দেশনা আসছে

দেশের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক অনিয়ম বন্ধে ৫০ বিশ্ববিদ্যালয়কে ব্যয়-সংক্রান্ত নির্দেশনা দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এ বিষয়ে শিগগিরই ইউজিসি থেকে একটি সর্তকতা পরিপত্র জারি করা হবে।

জানা গেছে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক অনিয়ম চলছে। এ ক্ষেত্রে কয়েকজন উপাচার্য বেশ বেপরোয়া। তারা আইনকানুন মানছেন না। এ কারণে গতবছর থেকে নিজেদের বাজেট পাশের আগে ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সতর্ক করে পরিপত্র দিয়ে আসছে।

জানা গেছে, ইউজিসির কর্মকর্তারা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে যে আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে এনেছেন, তাতে উপাচার্য থেকে শুরু করে ড্রাইভার পর্যন্ত বিধিবহির্ভূতভাবে অর্থ গ্রহণ করছেন তহবিল থেকে। উপাচার্যরা কেউ বিশেষ ভাতা আবার কেউ দায়িত্ব ভাতার নামে বেতনের অতিরিক্ত ২০ শতাংশ পর্যন্ত হারে অর্থ নিচ্ছেন। শিক্ষক-কর্মচারীদেরকে পূর্ণ বাড়ি দেওয়ার পর বর্গফুট হিসেবে ভাড়া আদায় করা। সহকারী রেজিস্ট্রাররা পঞ্চম বা ষষ্ঠ গ্রেডে আর উপরেজিস্ট্রার চতুর্থ ও পঞ্চম গ্রেডে বেতন নিচ্ছেন। নিয়োগের দিন থেকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নয়ন বা উচ্চতর স্কেল নেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে।

ইউজিসির প্রস্তাবিত পরিপত্রে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ার্টার বা ডরমেটরিতে বসবাসরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বাসাভাড়া, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ইত্যাদি বিলের ব্যাপারে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পর্যবেক্ষণ আছে। কমিটির অষ্টম বৈঠকে এ নিয়ে আপত্তি দেওয়া হয়েছে। উল্লেখিত জনবলকে ইতিপূর্বে দেওয়া বর্গফুট হিসেবে বা নির্দিষ্ট হারে বা সাব-স্টান্ডার্ড (নিম্নমানের) দেখিয়ে বা দৈনিক ভিত্তিতে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের সুবিধা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাই এ ক্ষেত্রে সরকারের প্রচলিত নিয়মে বাড়ি ভাড়া আদায় করতে হবে। আর সুবিধাভোগীর কাছ থেকে অন্যান্য (পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস) প্রকৃত বিল আদায় করতে হবে। কোনো রূপ ভর্তুকি দেওয়া যাবে না।

বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে আরও বলা হয়, এক খাতের অর্থ অন্য খাতে কিংবা মূল খাতের অর্থ অভ্যন্তরীণ কোনো খাতেই সমন্বয় করা যাবে না। কমিশনের অনুমতি ছাড়া কোনো খাতে বরাদ্দের অতিরিক্ত ব্যয় করা যাবে না। কোনো খাতে বাড়তি অর্থের দরকার হলে ইউজিসিকে অবহিত করতে হবে। অনুমোদিত জনবলের বাইরে কোনোপ্রকার নিয়োগ করা যাবে না। বিধিবহির্ভূত নিয়োগে ব্যয়ের অর্থ জন্য বরাদ্দ রাখা হয়নি। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্তরা অবসরপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান থেকেই উৎসব ও নববর্ষভাতা গ্রহণ করবেন।

বলা হয়েছে, চুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রহণ করতে হলে তাকে অঙ্গীকারনামা দিতে হবে যে, তিনি অবসরপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান থেকে এসব ভাতা নেন না। এ ধরনের জনবলকে চুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে কনসোলিডেট পেমেন্ট ফিক্সেশনের সময়ে কোনোভাবেই উল্লেখিত ভাতা অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়   মঞ্জুরি কমিশন   দুর্নীতি   রোধ   নির্দেশনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি ১ম বর্ষ পরীক্ষার ফল প্রকাশ

প্রকাশ: ০৯:৫১ পিএম, ১৬ মে, ২০২২


Thumbnail জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি ১ম বর্ষ পরীক্ষার ফল প্রকাশ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২০ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স ১ম বর্ষ পরীক্ষার ফলাফল সোমবার প্রকাশ করা হয়েছে। রাত ৮টা থেকে পরীক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন ও কলেজওয়ারী ফলাফল www.nu.ac.bd/results ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে। 

সোমবার (১৬ মে) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মো: আতাউর রহমান জানান, এ পরীক্ষায় ১ লাখ ৭১ হাজার ১৯৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। উত্তীর্ণ হয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৬০৭ জন। গড় পাসের হার ৮৭ দশমিক ৯ শতাংশ। এ ফলাফল সম্পর্কে কোনো পরীক্ষার্থী বা সংশ্লিষ্ট কারও আপত্তি/অভিযোগ থাকলে ফলাফল প্রকাশের ১ মাসের মধ্যে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের নিকট লিখিতভাবে জানাতে হবে। এরপর আর কোনো আপত্তি/ অভিযোগ গ্রহণযোগ্য হবে না।   


ডিগ্রি   ১ম বর্ষ   পরীক্ষার   ফল প্রকাশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার

প্রকাশ: ০৬:২১ পিএম, ১৬ মে, ২০২২


Thumbnail ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান সচিব অধ্যাপক তপন কুমার সরকার।

সোমবার (১৬ মে) নিয়োগ দেওয়ার পরে এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক তপন কুমার সরকারকে প্রতিষ্ঠানটির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিম্নোক্ত শর্তে নিয়োগ করা হলো।

শর্তাবলি

১. তিনি নিজ বেতনক্রম অনুযায়ী বেতন ভাতা গ্রহণ করবেন।
২. তিনি পদ সংশ্লিষ্ট ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন।
৩. বোর্ড কর্তৃপক্ষ বিনা ভাড়ায় বাসস্থানের ব্যবস্থা করলে তিনি কোনো বাড়ি ভাড়া ভাতা গ্রহণ করতে পারবেন না। সরকারি বাসায় বসবাস করলে বাড়ি ভাড়াসহ যাবতীয় সরকারি পাওনা নিজ দায়িত্বে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খাতে জমা দেবেন।
৪. তিনি স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বাধ্যতামূলক ভবিষ্য তহবিল, গোষ্ঠী বিমা ও অন্যান্য তহবিল চাঁদা প্রদান করবেন।
৫. বোর্ড কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী তার লিভ বেতন ও পেনশনের চাঁদা প্রদান করবেন।
৬. সরকারের প্রচলিত ও প্রণীতব্য বিধি-বিধান ও আদেশ অনুসারে তার চাকরি নিয়ন্ত্রিত হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড   চেয়ারম্যান   তপন কুমার সরকার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

সন্ধ্যা থেকে ডাউনলোড করা যাবে ঢাকা ঢাবি ভর্তি পরিক্ষার প্রবেশপত্র

প্রকাশ: ০৬:১০ পিএম, ১৬ মে, ২০২২


Thumbnail সন্ধ্যা থেকে ডাউনলোড করা যাবে ঢাকা ঢাবি ভর্তি পরিক্ষার প্রবেশপত্র

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় প্রবেশপত্র  সোমবার (১৬ মে) থেকে ডাউনলোড করা যাবে। গ ও খ ইউনিটের প্রবেশপত্র সন্ধ্যা ৬টা থেকে এবং অন্যান্য ইউনিটের প্রবেশপত্র রাত সাড়ে ৮টা থেকে পাওয়া যাবে।

সোমবার (১৬ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আজ সন্ধ্যা ৬টা কিংবা সাড়ে ৬টা থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু হবে। প্রথমে গ এবং খ ইউনিট, এরপর দুই-তিন ঘণ্টা পর অন্যান্য ইউনিটের শুরু হবে। যাতে শুরুতেই কোনো সমস্যা না দেখা দেয় এ জন্য প্রতি ইউনিটের পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা আগ পর্যন্ত প্রবেশপত্র ডাউনলোড করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছেন প্রায় ২ লাখ ৯০ হাজার ৩৪৮ শিক্ষার্থী। আসনসংখ্যা ৬ হাজার ৩৫টি। প্রতি আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৪৮ জন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্যমতে, ক’ ইউনিটের ১ হাজার ৮৫১ আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৭১০ জন। এ ছাড়া ‘খ’ ইউনিটের ১ হাজার ৭৮৮ আসনের বিপরীতে ৫৮ হাজার ৫৫১ জন, ‘গ’ ইউনিটে ৯৩০ আসনের বিপরীতে ৩০ হাজার ৬৯৩ জন, ‘ঘ’ ইউনিটে ১ হাজার ৩৩৬ আসনের বিপরীতে ৭৮ হাজার ২৯ জন এবং ‘চ’ ইউনিটে ১৩০ আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৭ হাজার ৩৫৭ জন।

ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৩ জুন ব্যবসা শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হবে এবারের ভর্তি পরীক্ষা। ৪ জুন কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিট, ১০ জুন বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিট এবং ১১ জুন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ১৭ জুন চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান) বেলা ১১টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়   ভর্তি পরিক্ষা   প্রবেশপত্র   ডাউনলোড  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ৫ দিন দর্শনার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধ

প্রকাশ: ০৯:৪৯ এএম, ১৫ মে, ২০২২


Thumbnail প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ৫ দিন দর্শনার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের দ্বিতীয় ধাপের পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী শুক্রবার (২০ মে ) থেকে। এ উপলক্ষে সোমবার (১৬ মে) থেকে ২১ মে পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে (ডিপিই) দর্শনার্থী প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে ডিপিই।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২০ এর ২য় ধাপের লিখিত পরীক্ষা আগামী ২০ মে অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে আগামী ১৬ থেকে ২১ মে পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে সব ধরনের দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধ থাকবে।

জানা গেছে, আগামী শুক্রবার (২০ মে) ৩০ জেলায় প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে ৮ জেলার সবকটিতে এবং ২২ জেলায় আংশিক পরীক্ষা হবে। এদিন মোট ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৭২৫ জন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

২০ মে দ্বিতীয় ধাপে রাজশাহী, খুলনা, ফরিদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, বরিশাল, সিলেট ও রংপুর জেলার সব উপজেলায় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
 
এছাড়া, কয়েকটি জেলার নির্দিষ্ট কিছু উপজেলায়ও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সেগুলো হলো- নওগাঁ জেলার সদর, নিয়ামতপুর, পত্নীতলা, রানীনগর, পোরশা, সাপাহার উপজেলা, নাটের জেলার বাগাতিপাড়া, বড়াইগ্রাম, গুরুদাশপুর, লালপুর, সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ, শাহজাদপুর, সদর ও তাড়াশ উপজেলা, কুষ্টিয়া জেলার খোকসা, সদর ও মিরপুর, ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু, সদর, কালিগঞ্জ, যশোর জেলার অভয়নগর, চৌগাছা, সদর, বাঘেরপাড়া উপজেলা, সাতক্ষীরা জেলার সদর, দেবহাটা, কলারোয়া, কালিগঞ্জ উপজেলা, বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট, মোংলা, মোড়লগঞ্জ, কচুয়া, শরণখোলা উপজেলা, জামালপুর জেলার সদর, মাদারগঞ্জ, মেলান্দহ, ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা, সদর, নান্দাইল, ফুলপুর, তারাকান্দা, ত্রিশাল উপজেলা, নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ী, মদন, মোহনগঞ্জ, সদর, পূর্বধলা উপজেলা, কিশোরগঞ্জ জেলার সদর কুলিয়াচর, মিঠামইন, নিকলী, পাকুন্দিয়া, তাড়াইল।

একইদিন পরীক্ষা হবে টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি, মধুপুর, মির্জাপুর, নাগরপুর, সফিপুর, বাসাইল উপজেলা, রাজবাড়ি জেলার কালুখালি, গোয়ালন্দ উপজেলা, কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার, হোমনা, লাকসাম, লালমাই, সদর দক্ষিণ, মনোহরগঞ্জ, মুরাদনগর, নাগলকোট, তিতাস উপজেলা, নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ, চাটখিল, কোম্পানিগঞ্জ, হাতিয়া উপজেলা, পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর, নেছারাবাদ, সদর, পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া, মির্জাগঞ্জ, সদর, রাঙ্গাবালি, দুমকি উপজেলা, সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার, জগন্নাথপুর, জামালগঞ্জ, শাল্লা, সদর, তাহিরপুর উপজেলা, হবিগঞ্জ জেলার সদর, লাখাই, মাধবপুর, নবীগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা, কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী, রাজারহাট, রাজিবপুর, রৌমারী, উলিপুর উপজেলা, গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়ও।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রথম ধাপের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ ধাপে  ৪০ হাজার ৮৬২ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ হয়েছেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর   দর্শনার্থী   প্রবেশ   নিষিদ্ধ   নিয়োগ   পরিক্ষা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন