ইনসাইড এডুকেশন

করোনায় ৩ কোটি ৭০ লাখ শিক্ষার্থীর পড়াশোনা ব্যাহত

প্রকাশ: ০৮:২৮ এএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail করোনায় ৩ কোটি ৭০ লাখ শিক্ষার্থীর পড়াশোনা ব্যাহত

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় দেশের তিন কোটি ৭০ লাখ শিক্ষার্থীর পড়াশোনা ব্যাহত হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। 

গতকাল সোমবার (২৪ জানুয়ারি) সংস্থাটির প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ মোকাবিলার ক্ষেত্রে স্কুল বন্ধ করতে হলে তা অবশ্যই শেষ অবলম্বন হিসেবে অস্থায়ী ভিত্তিতে করতে হবে।

করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। সম্প্রতি ওমিক্রনের প্রভাব বেড়ে যাওয়ায় সরকার নতুন করে ২৩ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্কুল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।

বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বলেন, কভিড-১৯ মোকাবেলার ক্ষেত্রে স্কুল বন্ধ করতে হলে তা অবশ্যই শেষ অবলম্বন হিসেবে অস্থায়ী ভিত্তিতে করতে হবে। সংক্রমণের ঢেউ সামাল দিতে আমরা যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছি তার মধ্যে প্রতিষ্ঠান বন্ধের ক্ষেত্রে সবার শেষে এবং খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বাগ্রে স্কুল থাকা উচিত। 

জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, এ দফায় যদি এক-দুই মাস স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখতে হয়, তাহলে খোলার পরই স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন স্কুলে আনতে হবে। প্রয়োজনে দুই শিফটের ব্যবস্থা করতে হবে। আর যদি দীর্ঘমেয়াদি ৮-৯ মাস বন্ধ রাখতে হয়, তাহলে আমার পরামর্শ—আগামী বছরও শিক্ষার্থীদের একই শ্রেণিতে রাখতে হবে। স্কুল খোলার পর সপ্তাহে এক-দুই দিন ক্লাসে আনলে কোনোভাবেই শিক্ষার গুণগত মান রক্ষা করা সম্ভব হবে না। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্কুল বন্ধ থাকায় শিশুরা গণনা ও সাক্ষরতার মৌলিক দক্ষতা হারিয়েছে। বৈশ্বিকভাবে পড়াশোনায় ব্যাঘাতের অর্থ হলো যে লাখ লাখ শিশু শ্রেণিকক্ষে থাকলে যে একাডেমিক শিক্ষা অর্জন করতে পারত, তা থেকে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বঞ্চিত হয়েছে। যেখানে ছোট ও আরো বেশি প্রান্তিক শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে স্কুল বন্ধের কারণে পড়াশোনার ক্ষতি হওয়ায় ১০ বছর বয়সীদের ৭০ শতাংশই সহজ পাঠ্য পড়া বা বোঝার সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি, যা মহামারির আগের সময়ের তুলনায় ৫৩ শতাংশ বেশি।

বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ইউনিসেফ বলছে, স্কুল বন্ধ থাকার কারণে এর নেতিবাচক প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে। স্কুল বন্ধ থাকায় তা পড়াশোনার ক্ষতির পাশাপাশি শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করেছে, তাদের নিয়মিত পুষ্টি প্রাপ্তির উৎস কমিয়ে দিয়েছে এবং তাদের নিগ্রহের শিকার হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়েছে। বিশেষ করে মেয়ে, কিশোর-কিশোরী এবং গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারীরা অধিক হারে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

ইউনিসেফের শিক্ষাবিষয়ক প্রধান রবার্ট জেনকিন্স বলেন, বৈশ্বিক শিক্ষাব্যবস্থায় কভিড-১৯ সম্পর্কিত বিঘ্নের দুই বছর পূর্ণ হবে আগামী মার্চে। খুব সহজভাবে বললে, আমরা শিশুদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে প্রায় অপূরণীয় মাত্রার ক্ষতি প্রত্যক্ষ করছি। তবে পড়াশোনার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার অবসান ঘটাতে হবে এবং শুধু স্কুল পুনরায় খুলে দেওয়াই এ ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়, পড়াশোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে শিক্ষার্থীদের নিবিড় সহায়তা প্রয়োজন। শিশুদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য, সামাজিক বিকাশ এবং পুষ্টি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে স্কুলগুলোকে শুধু শেখানোর নির্ধারিত গণ্ডির বাইরেও যেতে হবে। 

ইউনিসেফ বলছে, ইথিওপিয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা স্বাভাবিক শিক্ষাবর্ষে যে পরিমাণ গণিত শিখতে পারত তার মাত্র ৩০-৪০ শতাংশ শিখতে পেরেছে বলে ধারণা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস, ক্যালিফোর্নিয়া, কলোরাডো, টেনেসি, উত্তর ক্যারোলাইনা, ওহাইও, ভার্জিনিয়া, মেরিল্যান্ডসহ অনেক অঙ্গরাজ্যে পড়াশোনার ক্ষতি পরিলক্ষিত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, টেক্সাসে ২০২১ সালে গ্রেড ৩-এর দুই-তৃতীয়াংশ শিশুর তাদের গ্রেডের জন্য গণিতে দক্ষতা কম ছিল। ২০১৯ সালে এই হার ছিল অর্ধেক শিশু।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রাজিলের বেশ কয়েকটি প্রদেশে গ্রেড ২-এর প্রতি চারটি শিশুর মধ্যে তিনটি পড়ার দক্ষতা অর্জন থেকে বিচ্যুত, যা মহামারির আগে ছিল প্রতি দুটি শিশুর মধ্যে একটি। দেশটিতে ১০-১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজন জানিয়েছে, তাদের স্কুল পুনরায় খুলে দেওয়ার পর তারা আর স্কুলে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে না।

দক্ষিণ আফ্রিকায় স্কুলগামী শিশুদের শিক্ষাবর্ষে যে অবস্থানে থাকার কথা তার চেয়ে তারা ৭৫ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত পিছিয়ে আছে। ২০২০ সালের মার্চ থেকে ২০২১ সালের জুলাইয়ের মধ্যবর্তী সময়ে প্রায় চার থেকে পাঁচ লাখ শিক্ষার্থী স্কুল থেকে ঝরে পড়েছে বলে জানা গেছে। স্কুল বন্ধ থাকার সময়ে বিশ্বব্যাপী ৩৭ কোটিরও বেশি শিশু স্কুলের খাবার থেকে বঞ্চিত হয়, যা কিছু শিশুর জন্য খাবার ও দৈনিক পুষ্টি প্রাপ্তির একমাত্র নির্ভরযোগ্য উৎস।

করোনাভাইরাস   বাংলাদেশ   শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান   ইউনিসেফ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

২৬ দিনের ছুটিতে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

প্রকাশ: ০৭:০৩ পিএম, ২৭ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

রমজানের ঈদ আসতে আরও বাকি ১৪দিন। এর আগেই ছুটি শুরু হয়ে গেছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। ২০ এপ্রিল পর্যন্ত ক্লাস বন্ধ থাকার ঘোষণা। সে অনুযায়ী মোট ২৬ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

জানা গেছে, রমজান, স্বাধীনতা দিবস, ঈদুল ফিতরসহ বেশ কয়েকটি ছুটি সমন্বয় করে আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণিতে ছুটি থাকবে। ১৯ ও ২০ এপ্রিল শুক্র ও শনিবার হওয়ায় ২১ এপ্রিল থেকে যথারীতি ক্লাস শুরু হবে।

১০ মার্চ থেকে প্রাথমিক ও মাদ্রাসায় এবং ১১ মার্চ থেকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে টানা প্রায় এক মাসের ছুটি শুরুর কথা ছিল। কিন্তু শিখন ঘাটতি পূরণে মাধ্যমিকে ১৫ দিন ছুটি কমিয়ে ২৫ মার্চ এবং রোজার প্রথম ১০ দিন প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

সরকারের এ সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট করেন একজন অভিভাবক। হাইকোর্ট সরকারের সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে আদেশ দেয়।

এই আদেশের বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আপিল বিভাগে যায়। আপিল বিভাগ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছুটি সমন্বয় করে রোজায় ১৫ দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার পক্ষে রায় দেন। আর মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০ দিনের ছুটি কমানো হয়।

এই হিসেবে, ২১ মার্চ পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা চালু ছিল। ২২ মার্চ থেকে ছুটি শুরু হয়েছে। ছুটি শেষে ২১ এপ্রিল থেকে ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হবে।

উল্লেখ্য, দেশের সরকারি-বেসরকারি কলেজগুলোতে ২৫ মার্চ থেকে ছুটি শুরু হয়েছে। মাদ্রাসার ছুটি শুরু হয়েছে ২২ মার্চ থেকে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান   ঈদ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা

প্রকাশ: ০১:০৩ পিএম, ২৩ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

২০২৪ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়সীমা ঘোষণা করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। অনলাইনে ফরম পূরণ কার্যক্রম শুরু হবে আগামী ১৬ এপ্রিল। জরিমানা ছাড়া ফরম পূরণ চলবে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড থেকে ফরম পূরণ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আবুল বাশার স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনায় বলা হয়, বিলম্ব ফিসহ ফরম পূরণ করা যাবে ২৯ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত। পরীক্ষা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ৩০ জুন।

ফরম পূরণের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান শাখার পরীক্ষার্থীদের জন্য ২৬৮০ টাকা, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ২১২০ টাকা করে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনায় বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আগামী ৩১ মার্চের নির্বাচনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে হবে।


এইচএসসি-২০২৪   ফরম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত থাকছে না প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা

প্রকাশ: ০৩:৩৯ পিএম, ২১ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িকের মতো আর কোনো পরীক্ষা হবে না। তবে নতুন শিক্ষাক্রমের আলোকে ধারাবাহিক মূল্যায়ন চলবে।

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ। 

গত বছর প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। প্রথম বছর প্রথম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে নতুন এই শিক্ষাক্রম শুরু হয়। আর গত জানুয়ারি শুরু হওয়া নতুন শিক্ষাবর্ষে ওই তিন শ্রেণি ছাড়াও নতুন করে দ্বিতীয়, তৃতীয়, অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে চালু হয়েছে এই শিক্ষাক্রম। পর্যায়ক্রমে ২০২৭ সালে দ্বাদশ শ্রেণিতে (উচ্চমাধ্যমিক) বাস্তবায়িত হবে নতুন শিক্ষাক্রম। নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের বড় অংশ হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে (শিখনকালীন)।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো বছরে তিনটি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হতো।

যেহেতু এ বছর প্রাথমিকের তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত নতুন শিক্ষাক্রম চালু হয়েছে আর তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত প্রথম সাময়িক, দ্বিতীয় সাময়িক-এটি আর থাকবে না। মূল্যায়ন হবে, কিন্তু আগের মতো গতানুগতিক না। ধারাবাহিক মূল্যায়ন থাকবে। 


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়   শিক্ষাক্রম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

চলতি বছরের মাঝামাঝিতে হচ্ছে এইচএসসি!

প্রকাশ: ০৭:১৪ পিএম, ২০ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

আগামী জুনের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে পারে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। শীঘ্রই রুটিনসংক্রান্ত প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। বুধবার (২০ মার্চ) এসব তথ্য জানান আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা বোর্ডের অধ্যাপক তপন কুমার সরকার।

সাধারণত করোনার আগে ফেব্রুয়ারিতে শুরু হতো এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা আর এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হতো এপ্রিলে। কিন্তু করোনার ধাক্কায় এলোমেলো হয়ে যায় পরীক্ষার সূচি।

২০২০ সালে করোনা মহামারির কারণে এসএসসি পরীক্ষা হলেও এইচএসসি পরীক্ষা না নিয়ে সাবজেক্ট ম্যাপিং করে শিক্ষার্থীদের সনদ দেওয়া হয়। ২০২১ সালে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা শুধু গ্রুপভিত্তিক ৩টি নৈর্বাচনিক বিষয়ে পরীক্ষার সময় ও পরীক্ষার নম্বর হ্রাস করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নেওয়া হয়। সে সিলেবাস কিছুটা বাড়িয়ে ২০২২ সালে নেওয়া হয় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা। ওই বছর পরীক্ষার সময় কিছুটা কম ছিল।

আর ২০২৩ সালের এসএসসি ও এইচএসসি সমমানের পরীক্ষা হয়েছে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে। তবে এসএসসির আইসিটি ছাড়া এ দুই পাবলিক পরীক্ষা অন্যান্য বিষয়ে পূর্ণ সময় ও নম্বরে নেওয়া হয়েছিল।


এইচএসসি   শিক্ষা মন্ত্রণালয়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

প্রকাশ: ০৭:৪৬ পিএম, ১৯ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) বিকেলে বুয়েটের ওয়েবসাইট ও নোটিস বোর্ডে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

বুয়েটের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কমিটির সভাপতি ও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জীবন পোদ্দারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৩০৯ জন ভর্তির জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ও অপেক্ষমাণ তালিকায় স্থান পেয়েছেন বলেও জানান তিনি।

এর আগে গত ৯ মার্চ বুয়েটের চূড়ান্ত ভর্তি পরীক্ষা (মডিউল ‘এ’: গ্রুপ ‘ক’ এবং ‘খ’ উচ্চতর গণিত, পদার্থবিজ্ঞান এবং রসায়ন) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা এবং (মডিউল বি: ‘খ’ গ্রুপ মুক্তহস্ত অঙ্কন এবং দৃষ্টিগত ও স্থানিক ধীশক্তি) দুপুর ২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

বুয়েটে কেমিক্যাল অ্যান্ড ম্যাটেরিয়ালস কৌশল, পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদসমূহের অধীনে ১৩টি বিভাগে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য এলাকার ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীভুক্ত প্রার্থীদের জন্য প্রকৌশল বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য তিনটি ও স্থাপত্য বিভাগে একটি সংরক্ষিত আসনসহ মোট ১ হাজার ৩০৯টি আসন বরাদ্দ রয়েছে।

এই আসনের বিপরীতে অংশ প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মোট ৬ হাজার ৭০৬ জন।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়   বুয়েট   ভর্তি পরীক্ষা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন