ইনসাইড এডুকেশন

উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের খুঁটিনাটি

প্রকাশ: ০৮:০৩ এএম, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের খুঁটিনাটি

আপনি একজন শিক্ষার্থী, এবং আপনি অনেক দিন ধরেই কী ভাবছেন দেশের বাইরে যাওয়ার কথা? পরিকল্পনা করছেন বাইরে যাওয়া নিয়ে কিন্তু পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারছেন না তথ্যের ঘাটতির জন্য, কিংবা দোটানায় ভুগছেন কিভাবে কী করবেন সেই ভেবে? তাহলে আজকের এই লিখা আপনার জন্যই। 

শিক্ষা জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের এমন মনোভাব তৈরি হয় যে দেশের বাইরে যাবে, উচ্চশিক্ষার জন্য। স্কলারশিপে কিংবা নিজেদের ব্যবস্থাপনায়। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনার। আসুন সবার আগে জেনে নেই কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ স্কলারশিপ দিয়ে থাকে কিংবা আপনি স্কলারশিপের জন্য এপ্লাই করতে পারবেন। 

যে যে বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ স্কলারশিপ দিয়ে থাকে- 

উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রথম পাঁচটি পছন্দের দেশ এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, মালেয়শিয়া, অস্ট্রেলিয়া,জার্মানি এবং কানাডা সর্বপ্রথমে। 

অনেক দেশ রাষ্ট্রীয়ভাবে বৃত্তি প্রদান করে থাকে। হাংগেরি, চায়না, জাপান কিংবা কমনওয়েলথ। এ ধরণের  স্কলারশিপের মতো বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় বৃত্তিগুলো বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর মাধ্যমে আবেদন করা হয় এবং স্কলারশিপের জন্য মূলত এই দেশ গুলোর জন্যই চাহিদা বেশি। স্কলারশিপ নিয়ে বাইরে পড়াশোনা করতে আগ্রহী এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাংলাদেশে দিনদিন বাড়লেও, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় তা অনেক কম। অর্থাৎ সে সব দেশে যদি স্কলারশিপ এর জন্য এপ্লাই করতে চান, তবে অবশ্যই যে বিশ্ববিদ্যালয়ে এপ্লাই করবেন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের রিকোয়ারমেন্ট সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। তাতে করে সুযোগ সুবিধা জেনে আবেদন করা যাবে৷ পাশাপাশি কোনো জটিল পরিস্থিতি সম্মুখীন হতে হবে না। 

বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের জন্য নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা:

একেক  বিশ্ববিদ্যালয়ের একেক শিক্ষাগত চাহিদা রয়েছে। আপনি কোন অবস্থানে আবেদন করতে চাচ্ছেন সেটাও বিবেচনার মুখ্য বিষয় সমূহের একটি। সাধারণত প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে কোন স্কলারশিপের জন্য নূন্যতম কতটুকু যোগ্যতা প্রয়োজন সে সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়ে থাকে। সেটুকু ঘাটাঘাটি করেও নিজের কাঙ্ক্ষিত স্কলারশিপ সম্পর্কে সব ধরণের তথ্য পাওয়া সম্ভব। যেমন, আপনি যদি এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে আন্ডারগ্রেডের জন্য যেতে চান তাহলে এক ধরণের স্কলারশিপ আবার কেউ যদি গ্র্যাজুয়েটের জন্য চায় সেক্ষেত্রে অন্য ব্যবস্থা। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে তথ্য পাওয়া যায়। প্রত্যেকটি স্কলারশিপের জন্যই আবেদন করার জন্য একটি নির্দিষ্ট ডেডলাইন থাকে। তাই আগে থেকেই আপনার প্রয়োজনের কাগজপত্র প্রস্তুত থাকাটা বাঞ্ছনীয়। এতে করে আপনার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আবেদন সম্পন্ন করতে সুবিধা হবে। 

স্কলারশিপ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়:

আপনি কোন দেশে স্কলারশিপের জন্য আবেদন করছেন তার উপর সেই দেশের রিকোয়ারমেন্ট ভ্যারি করে। ধরুন,  যদি আপনি ফ্রান্স বা জার্মানিতে এপ্লাই করে থাকেন তাহলে সে দেশের ভাষার প্রতি আপনার দক্ষতা থাকলে সে বিষয়টিকে ইতিবাচক বলে ধরা হবে এবং স্কলারশিপ পেতে সুবিধা  হবে। বিশেষ ভাষার দক্ষতা থাকা প্রয়োজন এমন দেশগুলোতে।  তাছাড়া IELTS,  GRE, TOEFL এই ধরণের পরীক্ষা সমূহে ভালো নাম্বার অর্জন করলেও স্কলারশিপ নিশ্চিতে সাহায্য হয়।

এর বাইরে, আপনি যদি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থী হন তাহলে সিজিপিএ কিছুটা অবদান রাখে স্কলারশিপ পেতে। যত ভালো সিজিপিএ থাকবে স্কলারশিপ এর সুবিধা তত বৃদ্ধি পাবে। 

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

 সাধারণত মেয়াদসম্পন্ন পাসপোর্ট, সকল পরীক্ষার সনদ, ভাষাগত দক্ষতার সনদ অনেক দেশেই এসব কাগজের নোটারি পেপার চায়। আবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে বা যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রে নোটারি করার প্রয়োজন নেই। 

বিশেষ দক্ষতা কিংবা অভিজ্ঞতা:

শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি যদি কোনো সংস্থা, সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা থেকে থাকে, নেতৃত্বের গুণাবলি থাকে তাহলে ইতিবাচক দিক হিসেবে সাধারণত ধরা হয়৷ অনেক ব্যাপার স্কলারশিপ এর ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হয়। সেটা হতে পারে নিজের পড়াশোনার বাইরে এক্সট্রা-কারিকুলার একটিভিটিজ।

খেলাধুলা, অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ, বিভিন্ন সেবামুলক সংগঠনে কাজ করা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ইত্যাদি। পড়াশোনার পাশাপাশি কোনো গঠনমূলক কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করাটাও খুব গুরত্বপুর্ন একটা ব্যাপার। বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পুঁথিগত বিদ্যায় বিশ্বাসী না। আপনার ওভার অল পারফর্মেন্স তারা দেখবে। এসব ব্যাপার তাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি কোনো পাবলিকেশন, রিসার্চ ওয়ার্ক থাকে তাহলে সেসব যোগ করাও প্রয়োজনীয়।  

রিকমেন্ডেশন লেটার:

অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই স্কলারশিপের জনহ আগের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের রিকমেন্ডেশন লেটারের দরকার হয়। এই লেটারের ভাষা যদি আট দশজন আবেদনকারীর মতোই হয়, তবে বৃত্তি পাবার সম্ভাবনা কমে যাবে। তাই আপনি যেই শিক্ষকের অধীনে পড়াশোনা করেছেন, তাকে যথেষ্ট সময় দিয়ে একটি রিকমেন্ডেশন লেটার লিখে নিন। 

স্টেটমেন্ট অফ পার্পাস (SOP):

বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেই বৃত্তি পাবার জন্য স্টেটমেন্ট অব পারপার(SOP) অর্থাৎ কেন আপনি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যেতে চান সেটা সম্পর্কে সুন্দর একটা কনসেপ্ট পেতে চাইবে।আপনার লেখার মাধ্যমে আপনাকে তুলে ধরতে হবে, কেন আপনি তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যেতে চান। আপনার প্ল্যান কি? আপনাকে কেন স্কলারশিপ দেয়া উচিত। আপনার স্পেশালিটি কি? এই ব্যাপারগুলো তুলে ধরবেন। অর্থাৎ এটা একরকমের চিঠি বলতে পারেন। এই চিঠির মাধ্যমেই ওনাদেরকে কনভিন্স করতে হবে যে, আপনি তাদের স্কলারশিপের জন্য রাইটফিট! যারা ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্কলারশিপ পেয়েছেন, তারা SOP লেখার ক্ষেত্রে ক্রিয়েটিভ বা সৃজনশীল হবার জন্য বলেছেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এই লেটার

কিভাবে আবেদন করা হয়:

কাগজপত্র সব তৈরি থাকলে সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের ওয়েবসাইটে স্কলারশিপ এর সার্কুলার দিলেই আবেদন করার সুযোগ হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, সার্টিফিকেট,  কোনো অ্যাচিভমেন্ট এর স্বীকৃতি ইত্যাদি যোগে আবেদন করতে হয়।  এর ভাইরে কখনো কখনো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ বা তথ্য মাফিক দেওয়া আবেদনের নিয়মে আবেদন করতে হয়। সেক্ষেত্রে সাবধানতার সাথে সব কাজ করতে হয় এবং কাগজপত্র গুছাতে হয়। তা না হলে স্কলারশিপ বাতিল পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে কিংবা স্কলারশিপের জন্য সিলেক্ট না হতেও পারেন। তাই কাগজপত্রের জমা দেওয়ার মধ্য দিয়ে আবেদনের প্রাথমিক এবং গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সাবধানতার সাথে পার করতে হয়।

স্বপ্ন যত বড়ই হোক, কখনো দুষ্প্রাপ্য না যদি সঠিক পরিকল্পনার সাথে আগানো হয়। কৃতীদের সাহায্য নিন প্রয়োজনে, পরিকল্পনা করে ধাপে ধাপে এগিয়ে যান আপনার লক্ষ্যের উদ্দেশ্যে। কাগজপত্র গুছানো, বৃত্তির জন্য আগানো, সিলেকশন, ভিসা এসব কিছুই লম্বা প্রক্রিয়ার কাজ সেক্ষেত্রে রাখতে হবে ধৈর্য এবং হাল না ছাড়ার মনোভাব। তবেই স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা অর্থ ব্যয়ে পড়ার স্বপ্ন সত্যি হয়ে উঠবে।

উচ্চশিক্ষা   বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

এইচএসসি-সমমানের ফল ৮ ফেব্রুয়ারি

প্রকাশ: ১০:০৯ এএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে। রোববার (২৯ জানুয়ারি) সকালে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি এইচএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। এ পরীক্ষার ফল প্রকাশে ৭-৯ ফেব্রুয়ারি সম্ভাব্য সময় উল্লেখ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। সেটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠালে তিনি ৮ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করেন। গত বৃহস্পতিবার বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সময় নির্ধারণ করায় আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরের মধ্যে এ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

ওই দিন সকাল ১০টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেবেন। এরপর সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। বেলা ১২টার পর থেকে ফলাফল জানা যাবে।

উল্লেখ্য, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করে থাকেন।

করোনা পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হওয়ায় গত ৬ নভেম্বর সারাদেশে স্বাভাবিক পরিবেশে শুরু হয় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১২ লাখের কিছু বেশি।


এইচএসসি   পরীক্ষা   ফল প্রকাশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

নতুন বইয়ের ছবিটি বিভিন্ন সময়ের মানুষের ছবি: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯:১৫ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, মানুষের পূর্বপুরুষ বানর—নতুন পাঠ্যবইয়ের কোথাও এমনটি বলা নেই। মানুষ বানর থেকে এসেছে এটি গুজব। মানুষ বানর থেকে আসেনি। আমাদের বইয়ে যেই ছবিটা আছে সেই ছবিটা হলো বিভিন্ন সময়ের মানুষের ছবি। তাই কেউ গুজবে কান দেবেন না। এটি নিয়ে অপপ্রচার করা হচ্ছে। 

শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে চাঁদপুরের ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে ব্র্যাক শিক্ষাতরীর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের নতুন বইয়ে বলা আছে- একজন শিক্ষার্থী শিক্ষককে জিজ্ঞেস করছে-মানুষ কি বানর থেকে এসেছে? প্রতি উত্তরে শিক্ষক বলছে, না। মানুষ বানর থেকে আসেনি। বানর হচ্ছে মানুষের পূর্বপুরুষ- এই কথাটা ঠিক নয়। আমাদের বইয়ে তিন বার বলা আছে। অথচ একটা গোষ্ঠী এটা নিয়ে অপপ্রচার করছে। এমনকি আমাদের বইয়ে যেই ছবিটা আছে সেই ছবিটা হলো বিভিন্ন সময়ের মানুষের ছবি। অর্থাৎ আদি যুগে মানুষ দেখতে কেমন ছিল, এখন দেখতে কেমন সেটা। কোথাও বানরের ছবি নেই। কিন্ত একটা বানরের ছবি লাগিয়ে দিয়ে বলা হচ্ছে- এটা আমরা বইয়ে দিয়েছি।

ডা. দীপু মনি বলেন, আমাদের শুধু মাধ্যমিকেই বিভিন্ন শ্রেণির ৬৫টি নতুন বই তৈরি করতে হয়েছে। বইগুলোর প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতি অক্ষর সকলে সমানভাবে দেখেছে তা কিন্তু নয়। আমরা অনেকেই খুবই কম দেখেছি। তারপরও সেখানে যদি কোনো ভুল থেকে থাকে সেটি অনিচ্ছাকৃত। তবে কেউ যদি ইচ্ছা করে ভুল করে থাকে। এজন্য আমরা তদন্ত কমিটি করেছি। এখন পর্যন্ত পাঠ্যবইয়ে যেসব ভুল বেরিয়েছে তার অধিকাংশ ১০ বছর আগের ভুল। আমি খুব খুশি। কেননা এখন সবাই বই পড়ছে। কাজেই ভবিষ্যতে আমাদের কোনো বইয়ে আর ভুল থাকবে না।

এ সময় চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা শাহনাজসহ ব্র্যাকের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

নতুন বই   শিক্ষামন্ত্রী   ডা. দীপু মনি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

পাঠ্যবইয়ে ভুল সংশোধনে কমিটি গঠনের কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ০২:৩৫ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

নতুন শিক্ষাক্রমে পাঠ্যবইয়ে ভুল সংশোধনে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কেউ ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে ভুল করেছে কিনা তার তদন্ত করতে আরেকটি কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।  

২০২৩ সালের নতুন পাঠ্যবইয়ে নানা ভুল ও অসঙ্গতি নিয়ে মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে ‘নতুন শিক্ষাক্রম বিষয়ক’ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোনো ধরনের ধর্মীয় ও লিঙ্গ বিদ্বেষ যাতে না থাকে আমরা সেই চেষ্টা করেছি। আওয়ামী লীগ ধর্মীবিরোধী কিছু করেনি। কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার ইচ্ছা আমাদের নেই।  

তিনি বলেন, আমরা দুটি কমিটি তৈরি করেছি। একটি কমিটি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে। সেখানে স্বাস্থ্য, ধর্মীয়, পেশাগত বিশেষজ্ঞরা থাকবেন। যে কেউ যেকোনো জায়গা থেকে যে কোনো মতামত দিতে পারবেন। বিশেষজ্ঞ কমিটি তা যাচাই-বাছাই করে সংশোধন করবে। কোথাও ভুল থাকলে নিশ্চয়ই সংশোধন করা হবে। কারো কোনো অস্বস্তি থাকলে তা বিবেচনায় নেব।

দীপু মনি জানান, আরেকটি কমিটি…। এনসিটিবিতে কেউ ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে কিছু করে থাকলে তা তদন্ত করে কারো গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা নেব।

আগামী রোববারের মধ্যে কমিটি দুটির বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবরা।   



মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

সরকার হটাতে পাঠ্যপুস্তককে ‘ইস্যু’ বানানোর অপচেষ্টা চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ০৮:১৮ পিএম, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, কোনো ইস্যু না পেয়ে শেখ হাসিনার সরকারকে সরাতে কেউ কেউ নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তকের ওপর ভর করার চেষ্টা করছেন। তাদের নিয়ে করুণা করা যায়। পাঠ্যপুস্তক নিয়ে তারা যা বলছেন তা মিথ্যাচার, সেটি মেনে নেওয়া যায় না।

তিনি বলেন, পাঠ্যবইয়ে যেসব ভুল এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে তা সংশোধন করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে। বাকি বইগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত আছে। সবাই মতামত দিন। যেসব মতামত যৌক্তিক হবে সেগুলো গ্রহণ করা হবে।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষক প্রশিক্ষণ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমি সবার কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ ও আনন্দিত যে, শুধু শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয় বা শিক্ষা বোর্ড নয়, দেশের সব মানুষ পাঠ্যবই পড়ছেন। আমি চাই, এটি তারা আরও সূক্ষ্মভাবে দেখুন। যত গঠনমূলক সমালোচনা ও পরামর্শ রয়েছে আমাদের দিক, আমরা খোলা মনে সব পরামর্শ বিবেচনা করবো। যৌক্তিক মনে হলে পরিমার্জন, পরিশোধন, পরিশীলন করা হবে। এটি আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি।

তিনি বলেন, কেউ কেউ বই না পড়ে, না দেখে শোনা কথায় কান দিয়ে অপরাজনৈতিক হিংসা ও বিদ্বেষের বশে সমালোচনা করছেন। তারা এ সরকারকে চায় না। স্মার্ট বাংলাদেশ নয়, তারা চায় পাকিস্তান। এরকম একটি গোষ্ঠী বলছে, নতুন বইয়ে ইসলাম নেই, যা আছে ওটা নাকি ইসলামবিরোধী। আমি তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, আপনার আশপাশে এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ওয়েবসাইটে বই আছে, ভালো করে দেখে নিন। চিলে কান নিয়ে গেছে শুনে চিলের পেছনে না ছুটে নিজের চোখে আগে দেখুন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের এবারের বইগুলো শিক্ষক, অভিভাবক-শিক্ষার্থী, শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানীর পরামর্শ নিয়ে করা হয়েছে। আমরা তো মানুষ, আমাদের ভুল হতে পারে। ৩৫ কোটি বই ছাপা হয়, এটি একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। গত বছর বিদ্যুতের সমস্যা, কাগজের সংকট ছিল। প্রকাশকদের নিয়েও নানা ধরনের সমস্যা সমাধান করতে হয়েছে। যেখানে ভুল থাকবে, যেখানে ধরা পড়বে আমরা সব যৌক্তিক ভুল সংশোধন করব। কিন্তু যারা মিথ্যাচার করছেন, তা মেনে নেওয়া হবে না। পশ্চিমবঙ্গের বাতিল করা একটি বইয়ের বর্ণপরিচয় থাকা একটি পৃষ্ঠার সঙ্গে আমার ছবি দিয়ে বলা হচ্ছে যে আমি পৌত্তলিকতা শেখাচ্ছি। সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে জীবনের হুমকি দেওয়া হলে সেটি সামাজিকতা নয়।

যেসব শিক্ষক সামান্য সম্মানীর বিনিময়ে দিনের পর দিন কষ্ট করে বইগুলো সম্পাদনা করেন তাদের যদি হুমকি দেওয়া হয় তাদের আমি কি বলব— প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, মিথ্যাচার ও অপপ্রচার সহ্য করা হবে না। যা যৌক্তিক, সঠিক আমরা তা নিশ্চয়ই গ্রহণ করব। কোনো ইস্যু না পেয়ে শেখ হাসিনা সরকারকে সরাতে নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তকের ওপরে ভর করার চেষ্টা যারা করছেন তাদের নিয়ে করুণা করা ছাড়া সাধ্য নেই। কারণ তারা যা বলছেন তা মিথ্যাচার। যেসব ভুল এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে তা সংশোধন করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে।

নবম-দশম শ্রেণির বই নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে দীপু মনি বলেন, এটি গত ১০ বছর পরে ধরা পড়ছে। এটি দেশের একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ সংশোধন করেছেন। তিন দফায় সংশোধন করা হলেও সেই ভুল রয়ে গেছে। সেটি এবার সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমকে দায়িত্বশীল সংবাদ প্রচার করার আহ্বান জানান তিনি।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষা বিষয়ে সভা ২৯ জানুয়ারি

প্রকাশ: ০৩:৫২ পিএম, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষা বিষয়ে সভা ২৯ জানুয়ারি।

এমবিবিএস ও বিডিএস ২০২২-২৩ সেশনের ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে ২৯ জানুয়ারি একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ২০২২-২৩ সেশনের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা কবে অনুষ্ঠিত হবে বা হতে পারে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা রয়েছে। 

রোববার (২২ জানুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে একটি সভা স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে ২৯ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের মিনি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য শারফুদ্দিন আহমেদ, স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের সভাপতিসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।      


মেডিকেল   ডেন্টাল   ভর্তি পরীক্ষা   সভা   জানুয়ারি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন