ইনসাইড এডুকেশন

উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের খুঁটিনাটি

প্রকাশ: ০৮:০৩ এএম, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের খুঁটিনাটি

আপনি একজন শিক্ষার্থী, এবং আপনি অনেক দিন ধরেই কী ভাবছেন দেশের বাইরে যাওয়ার কথা? পরিকল্পনা করছেন বাইরে যাওয়া নিয়ে কিন্তু পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারছেন না তথ্যের ঘাটতির জন্য, কিংবা দোটানায় ভুগছেন কিভাবে কী করবেন সেই ভেবে? তাহলে আজকের এই লিখা আপনার জন্যই। 

শিক্ষা জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের এমন মনোভাব তৈরি হয় যে দেশের বাইরে যাবে, উচ্চশিক্ষার জন্য। স্কলারশিপে কিংবা নিজেদের ব্যবস্থাপনায়। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনার। আসুন সবার আগে জেনে নেই কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ স্কলারশিপ দিয়ে থাকে কিংবা আপনি স্কলারশিপের জন্য এপ্লাই করতে পারবেন। 

যে যে বিশ্ববিদ্যালয় সমূহ স্কলারশিপ দিয়ে থাকে- 

উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রথম পাঁচটি পছন্দের দেশ এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, মালেয়শিয়া, অস্ট্রেলিয়া,জার্মানি এবং কানাডা সর্বপ্রথমে। 

অনেক দেশ রাষ্ট্রীয়ভাবে বৃত্তি প্রদান করে থাকে। হাংগেরি, চায়না, জাপান কিংবা কমনওয়েলথ। এ ধরণের  স্কলারশিপের মতো বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় বৃত্তিগুলো বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর মাধ্যমে আবেদন করা হয় এবং স্কলারশিপের জন্য মূলত এই দেশ গুলোর জন্যই চাহিদা বেশি। স্কলারশিপ নিয়ে বাইরে পড়াশোনা করতে আগ্রহী এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাংলাদেশে দিনদিন বাড়লেও, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় তা অনেক কম। অর্থাৎ সে সব দেশে যদি স্কলারশিপ এর জন্য এপ্লাই করতে চান, তবে অবশ্যই যে বিশ্ববিদ্যালয়ে এপ্লাই করবেন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের রিকোয়ারমেন্ট সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। তাতে করে সুযোগ সুবিধা জেনে আবেদন করা যাবে৷ পাশাপাশি কোনো জটিল পরিস্থিতি সম্মুখীন হতে হবে না। 

বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের জন্য নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা:

একেক  বিশ্ববিদ্যালয়ের একেক শিক্ষাগত চাহিদা রয়েছে। আপনি কোন অবস্থানে আবেদন করতে চাচ্ছেন সেটাও বিবেচনার মুখ্য বিষয় সমূহের একটি। সাধারণত প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে কোন স্কলারশিপের জন্য নূন্যতম কতটুকু যোগ্যতা প্রয়োজন সে সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়ে থাকে। সেটুকু ঘাটাঘাটি করেও নিজের কাঙ্ক্ষিত স্কলারশিপ সম্পর্কে সব ধরণের তথ্য পাওয়া সম্ভব। যেমন, আপনি যদি এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে আন্ডারগ্রেডের জন্য যেতে চান তাহলে এক ধরণের স্কলারশিপ আবার কেউ যদি গ্র্যাজুয়েটের জন্য চায় সেক্ষেত্রে অন্য ব্যবস্থা। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে তথ্য পাওয়া যায়। প্রত্যেকটি স্কলারশিপের জন্যই আবেদন করার জন্য একটি নির্দিষ্ট ডেডলাইন থাকে। তাই আগে থেকেই আপনার প্রয়োজনের কাগজপত্র প্রস্তুত থাকাটা বাঞ্ছনীয়। এতে করে আপনার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আবেদন সম্পন্ন করতে সুবিধা হবে। 

স্কলারশিপ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়:

আপনি কোন দেশে স্কলারশিপের জন্য আবেদন করছেন তার উপর সেই দেশের রিকোয়ারমেন্ট ভ্যারি করে। ধরুন,  যদি আপনি ফ্রান্স বা জার্মানিতে এপ্লাই করে থাকেন তাহলে সে দেশের ভাষার প্রতি আপনার দক্ষতা থাকলে সে বিষয়টিকে ইতিবাচক বলে ধরা হবে এবং স্কলারশিপ পেতে সুবিধা  হবে। বিশেষ ভাষার দক্ষতা থাকা প্রয়োজন এমন দেশগুলোতে।  তাছাড়া IELTS,  GRE, TOEFL এই ধরণের পরীক্ষা সমূহে ভালো নাম্বার অর্জন করলেও স্কলারশিপ নিশ্চিতে সাহায্য হয়।

এর বাইরে, আপনি যদি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থী হন তাহলে সিজিপিএ কিছুটা অবদান রাখে স্কলারশিপ পেতে। যত ভালো সিজিপিএ থাকবে স্কলারশিপ এর সুবিধা তত বৃদ্ধি পাবে। 

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

 সাধারণত মেয়াদসম্পন্ন পাসপোর্ট, সকল পরীক্ষার সনদ, ভাষাগত দক্ষতার সনদ অনেক দেশেই এসব কাগজের নোটারি পেপার চায়। আবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে বা যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রে নোটারি করার প্রয়োজন নেই। 

বিশেষ দক্ষতা কিংবা অভিজ্ঞতা:

শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি যদি কোনো সংস্থা, সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা থেকে থাকে, নেতৃত্বের গুণাবলি থাকে তাহলে ইতিবাচক দিক হিসেবে সাধারণত ধরা হয়৷ অনেক ব্যাপার স্কলারশিপ এর ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হয়। সেটা হতে পারে নিজের পড়াশোনার বাইরে এক্সট্রা-কারিকুলার একটিভিটিজ।

খেলাধুলা, অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ, বিভিন্ন সেবামুলক সংগঠনে কাজ করা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ইত্যাদি। পড়াশোনার পাশাপাশি কোনো গঠনমূলক কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করাটাও খুব গুরত্বপুর্ন একটা ব্যাপার। বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পুঁথিগত বিদ্যায় বিশ্বাসী না। আপনার ওভার অল পারফর্মেন্স তারা দেখবে। এসব ব্যাপার তাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি কোনো পাবলিকেশন, রিসার্চ ওয়ার্ক থাকে তাহলে সেসব যোগ করাও প্রয়োজনীয়।  

রিকমেন্ডেশন লেটার:

অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই স্কলারশিপের জনহ আগের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের রিকমেন্ডেশন লেটারের দরকার হয়। এই লেটারের ভাষা যদি আট দশজন আবেদনকারীর মতোই হয়, তবে বৃত্তি পাবার সম্ভাবনা কমে যাবে। তাই আপনি যেই শিক্ষকের অধীনে পড়াশোনা করেছেন, তাকে যথেষ্ট সময় দিয়ে একটি রিকমেন্ডেশন লেটার লিখে নিন। 

স্টেটমেন্ট অফ পার্পাস (SOP):

বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেই বৃত্তি পাবার জন্য স্টেটমেন্ট অব পারপার(SOP) অর্থাৎ কেন আপনি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যেতে চান সেটা সম্পর্কে সুন্দর একটা কনসেপ্ট পেতে চাইবে।আপনার লেখার মাধ্যমে আপনাকে তুলে ধরতে হবে, কেন আপনি তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যেতে চান। আপনার প্ল্যান কি? আপনাকে কেন স্কলারশিপ দেয়া উচিত। আপনার স্পেশালিটি কি? এই ব্যাপারগুলো তুলে ধরবেন। অর্থাৎ এটা একরকমের চিঠি বলতে পারেন। এই চিঠির মাধ্যমেই ওনাদেরকে কনভিন্স করতে হবে যে, আপনি তাদের স্কলারশিপের জন্য রাইটফিট! যারা ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্কলারশিপ পেয়েছেন, তারা SOP লেখার ক্ষেত্রে ক্রিয়েটিভ বা সৃজনশীল হবার জন্য বলেছেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এই লেটার

কিভাবে আবেদন করা হয়:

কাগজপত্র সব তৈরি থাকলে সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের ওয়েবসাইটে স্কলারশিপ এর সার্কুলার দিলেই আবেদন করার সুযোগ হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, সার্টিফিকেট,  কোনো অ্যাচিভমেন্ট এর স্বীকৃতি ইত্যাদি যোগে আবেদন করতে হয়।  এর ভাইরে কখনো কখনো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ বা তথ্য মাফিক দেওয়া আবেদনের নিয়মে আবেদন করতে হয়। সেক্ষেত্রে সাবধানতার সাথে সব কাজ করতে হয় এবং কাগজপত্র গুছাতে হয়। তা না হলে স্কলারশিপ বাতিল পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে কিংবা স্কলারশিপের জন্য সিলেক্ট না হতেও পারেন। তাই কাগজপত্রের জমা দেওয়ার মধ্য দিয়ে আবেদনের প্রাথমিক এবং গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সাবধানতার সাথে পার করতে হয়।

স্বপ্ন যত বড়ই হোক, কখনো দুষ্প্রাপ্য না যদি সঠিক পরিকল্পনার সাথে আগানো হয়। কৃতীদের সাহায্য নিন প্রয়োজনে, পরিকল্পনা করে ধাপে ধাপে এগিয়ে যান আপনার লক্ষ্যের উদ্দেশ্যে। কাগজপত্র গুছানো, বৃত্তির জন্য আগানো, সিলেকশন, ভিসা এসব কিছুই লম্বা প্রক্রিয়ার কাজ সেক্ষেত্রে রাখতে হবে ধৈর্য এবং হাল না ছাড়ার মনোভাব। তবেই স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে বিনা অর্থ ব্যয়ে পড়ার স্বপ্ন সত্যি হয়ে উঠবে।

উচ্চশিক্ষা   বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

২৬ দিনের ছুটিতে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

প্রকাশ: ০৭:০৩ পিএম, ২৭ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

রমজানের ঈদ আসতে আরও বাকি ১৪দিন। এর আগেই ছুটি শুরু হয়ে গেছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। ২০ এপ্রিল পর্যন্ত ক্লাস বন্ধ থাকার ঘোষণা। সে অনুযায়ী মোট ২৬ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

জানা গেছে, রমজান, স্বাধীনতা দিবস, ঈদুল ফিতরসহ বেশ কয়েকটি ছুটি সমন্বয় করে আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণিতে ছুটি থাকবে। ১৯ ও ২০ এপ্রিল শুক্র ও শনিবার হওয়ায় ২১ এপ্রিল থেকে যথারীতি ক্লাস শুরু হবে।

১০ মার্চ থেকে প্রাথমিক ও মাদ্রাসায় এবং ১১ মার্চ থেকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে টানা প্রায় এক মাসের ছুটি শুরুর কথা ছিল। কিন্তু শিখন ঘাটতি পূরণে মাধ্যমিকে ১৫ দিন ছুটি কমিয়ে ২৫ মার্চ এবং রোজার প্রথম ১০ দিন প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

সরকারের এ সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট করেন একজন অভিভাবক। হাইকোর্ট সরকারের সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে আদেশ দেয়।

এই আদেশের বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আপিল বিভাগে যায়। আপিল বিভাগ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছুটি সমন্বয় করে রোজায় ১৫ দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার পক্ষে রায় দেন। আর মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০ দিনের ছুটি কমানো হয়।

এই হিসেবে, ২১ মার্চ পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা চালু ছিল। ২২ মার্চ থেকে ছুটি শুরু হয়েছে। ছুটি শেষে ২১ এপ্রিল থেকে ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হবে।

উল্লেখ্য, দেশের সরকারি-বেসরকারি কলেজগুলোতে ২৫ মার্চ থেকে ছুটি শুরু হয়েছে। মাদ্রাসার ছুটি শুরু হয়েছে ২২ মার্চ থেকে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান   ঈদ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা

প্রকাশ: ০১:০৩ পিএম, ২৩ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

২০২৪ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়সীমা ঘোষণা করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। অনলাইনে ফরম পূরণ কার্যক্রম শুরু হবে আগামী ১৬ এপ্রিল। জরিমানা ছাড়া ফরম পূরণ চলবে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড থেকে ফরম পূরণ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আবুল বাশার স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনায় বলা হয়, বিলম্ব ফিসহ ফরম পূরণ করা যাবে ২৯ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত। পরীক্ষা শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ৩০ জুন।

ফরম পূরণের ক্ষেত্রে বিজ্ঞান শাখার পরীক্ষার্থীদের জন্য ২৬৮০ টাকা, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ২১২০ টাকা করে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনায় বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আগামী ৩১ মার্চের নির্বাচনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে হবে।


এইচএসসি-২০২৪   ফরম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত থাকছে না প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা

প্রকাশ: ০৩:৩৯ পিএম, ২১ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িকের মতো আর কোনো পরীক্ষা হবে না। তবে নতুন শিক্ষাক্রমের আলোকে ধারাবাহিক মূল্যায়ন চলবে।

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ। 

গত বছর প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। প্রথম বছর প্রথম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে নতুন এই শিক্ষাক্রম শুরু হয়। আর গত জানুয়ারি শুরু হওয়া নতুন শিক্ষাবর্ষে ওই তিন শ্রেণি ছাড়াও নতুন করে দ্বিতীয়, তৃতীয়, অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে চালু হয়েছে এই শিক্ষাক্রম। পর্যায়ক্রমে ২০২৭ সালে দ্বাদশ শ্রেণিতে (উচ্চমাধ্যমিক) বাস্তবায়িত হবে নতুন শিক্ষাক্রম। নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের বড় অংশ হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে (শিখনকালীন)।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো বছরে তিনটি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হতো।

যেহেতু এ বছর প্রাথমিকের তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত নতুন শিক্ষাক্রম চালু হয়েছে আর তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত প্রথম সাময়িক, দ্বিতীয় সাময়িক-এটি আর থাকবে না। মূল্যায়ন হবে, কিন্তু আগের মতো গতানুগতিক না। ধারাবাহিক মূল্যায়ন থাকবে। 


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়   শিক্ষাক্রম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

চলতি বছরের মাঝামাঝিতে হচ্ছে এইচএসসি!

প্রকাশ: ০৭:১৪ পিএম, ২০ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

আগামী জুনের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে পারে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। শীঘ্রই রুটিনসংক্রান্ত প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। বুধবার (২০ মার্চ) এসব তথ্য জানান আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা বোর্ডের অধ্যাপক তপন কুমার সরকার।

সাধারণত করোনার আগে ফেব্রুয়ারিতে শুরু হতো এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা আর এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হতো এপ্রিলে। কিন্তু করোনার ধাক্কায় এলোমেলো হয়ে যায় পরীক্ষার সূচি।

২০২০ সালে করোনা মহামারির কারণে এসএসসি পরীক্ষা হলেও এইচএসসি পরীক্ষা না নিয়ে সাবজেক্ট ম্যাপিং করে শিক্ষার্থীদের সনদ দেওয়া হয়। ২০২১ সালে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা শুধু গ্রুপভিত্তিক ৩টি নৈর্বাচনিক বিষয়ে পরীক্ষার সময় ও পরীক্ষার নম্বর হ্রাস করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নেওয়া হয়। সে সিলেবাস কিছুটা বাড়িয়ে ২০২২ সালে নেওয়া হয় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা। ওই বছর পরীক্ষার সময় কিছুটা কম ছিল।

আর ২০২৩ সালের এসএসসি ও এইচএসসি সমমানের পরীক্ষা হয়েছে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে। তবে এসএসসির আইসিটি ছাড়া এ দুই পাবলিক পরীক্ষা অন্যান্য বিষয়ে পূর্ণ সময় ও নম্বরে নেওয়া হয়েছিল।


এইচএসসি   শিক্ষা মন্ত্রণালয়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

প্রকাশ: ০৭:৪৬ পিএম, ১৯ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) বিকেলে বুয়েটের ওয়েবসাইট ও নোটিস বোর্ডে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।

বুয়েটের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কমিটির সভাপতি ও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জীবন পোদ্দারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৩০৯ জন ভর্তির জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ও অপেক্ষমাণ তালিকায় স্থান পেয়েছেন বলেও জানান তিনি।

এর আগে গত ৯ মার্চ বুয়েটের চূড়ান্ত ভর্তি পরীক্ষা (মডিউল ‘এ’: গ্রুপ ‘ক’ এবং ‘খ’ উচ্চতর গণিত, পদার্থবিজ্ঞান এবং রসায়ন) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা এবং (মডিউল বি: ‘খ’ গ্রুপ মুক্তহস্ত অঙ্কন এবং দৃষ্টিগত ও স্থানিক ধীশক্তি) দুপুর ২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

বুয়েটে কেমিক্যাল অ্যান্ড ম্যাটেরিয়ালস কৌশল, পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদসমূহের অধীনে ১৩টি বিভাগে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য এলাকার ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীভুক্ত প্রার্থীদের জন্য প্রকৌশল বিভাগসমূহ এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য তিনটি ও স্থাপত্য বিভাগে একটি সংরক্ষিত আসনসহ মোট ১ হাজার ৩০৯টি আসন বরাদ্দ রয়েছে।

এই আসনের বিপরীতে অংশ প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মোট ৬ হাজার ৭০৬ জন।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়   বুয়েট   ভর্তি পরীক্ষা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন