ইনসাইড এডুকেশন

শিক্ষাজীবনে শিক্ষকের গুরুত্ব কতখানি

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail শিক্ষা জীবনে শিক্ষকের গুরুত্ব কতখানি

একটা শিশু, জন্মের পর থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় লাগে তার বুদ্ধি বিকাশ ঘটতে। এ কথা আমরা কম বেশি সকলেই নানা ধরণের থিউরিটিক্যাল আলাপে,  বই পুস্তকে অনেক পড়েছি। দ্বিতীয় ধাপে হয় বুদ্ধি বিকাশ হয়।  সাধারণত প্রাথমিক শিক্ষার সময় টাতে এই বুদ্ধি বিকাশের পরিপূর্ণ সময় বলে ধরা হয়। তাহলে বলা যায়, এই সময়কাল একজন শিশুর জীবনের বেশ গুরুত্বপূর্ণ সময়। তাহলে এই সময়ে শিক্ষকের গুরুত্ব কেমন? যেহেতু শিক্ষা বা বুদ্ধি বিকাশে শিক্ষকের ভূমিকা সব থেকে বেশি সেক্ষেত্রে শিক্ষকের অবস্থান কেমন হওয়া উচিৎ? 

আমরা সাধারণত, শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে বেশ গুরুত্ব দিয়ে থাকি৷ তারা কতটা পড়ছে, কতখানি নাম্বার পাচ্ছে, কতটা ভালো ফলাফল দিন শেষে আনতে পারছে তা কমবেশি সকলেই তদারকি করে। কিন্তু প্রতিটা বাচ্চা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কতটা ভালো শিক্ষা পাচ্ছে, সেখানকার পরিবেশের সাথে কতটা খাপ খাইয়ে নিতে পারছে এসব বিষয় নিয়ে আমরা ভাবি না কিংবা অতটা বোধ্যগমে নেয় না। অথচ এই দিকটা নিয়ে আমাদের আলাপ করার প্রয়োজনীয়তা সব থেকে বেশি৷ কেননা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেই একটি শিশুর বুদ্ধি বিকাশের হাতেকড়ি শুরু হয়৷ সেক্ষেত্রে পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানো কিংবা সুস্থ মনোভাব নিয়ে আনন্দের সাথে পড়ালেখা করার জন্য শিক্ষকের সাহায্য সব থেকে বেশি প্রয়োজন। 

একজন শিক্ষক কেন ছাত্র জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখেন তা নিয়ে ক্যাম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক রিসার্চে দেখানো হয়েছে, শিক্ষার্থীরা শিক্ষা জীবনে সব থেকে বেশি অনুপ্রাণিত হয় শিক্ষকদের দ্বারা। কেননা, তারা তাদের জীবনের একটা বিশাল সময় কাটাই নানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে,  শিক্ষা গ্রহণের কাজে নিয়োজিত থেকে। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা যত বেশি বন্ধুসুলভ আচরণ পাবে তত তাদের জন্য শিক্ষাগ্রহণ আনন্দঘন হবে,  পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কোনো ধরণের অস্বস্তিকর জায়গা বলে মনে হবে না কোনো শিক্ষার্থীদের জন্যই। কোনো রকম ভায়োলেন্স হতে পারে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বস্তি বা শিক্ষা গ্রহণের মানসিকতায় বিদ্রুপ প্রভাব। 

স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় লন্ডনের এক গবেষণামূলক পরীক্ষায় দেখা গেছে, সেসকল শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনোযোগী এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এর প্রতি স্বস্তি প্রকাশ করেছে তাদের অধিকাংশই ভালো শিক্ষকের সান্নিধ্যে ছিল, আবার যারা কঠোর শিক্ষক বা শারীরিক নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ শিক্ষকদের দ্বারা তাদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তেমন স্বস্তির বলে প্রকাশ করেনি। শিক্ষক হচ্ছেন শিক্ষা প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করে এগিয়ে নেয়ায় অনুপ্রেরণাদানকারী ব্যক্তি। জ্ঞান আহরণ ও বিতরণের প্রক্রিয়ায় শিক্ষকের অংশগ্রহণ মানুষকে আলোকিত হতে সাহায্য করে। কোনো বিষয় চর্চা বা অনুশীলনের মাধ্যমে শিক্ষক ধারণা ও জ্ঞান অর্জন করে এবং ঐ জ্ঞানের জ্যোতির দ্বারা নিজে আলোকিত হতে ও সমাজকে জ্যোর্তিময় করতে সহায়তা করে। শিক্ষকের ইতিবাচক ভূমিকার কারণেই শিক্ষার্থীর মন-মনন, মানসিক উৎকর্ষ সাধন হয়, আচার আচরণ, মন ও আত্মার ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন ঘটে, মেজাজ ও দৃষ্টিভঙ্গির উপর সুদূরপ্রসারী পরিবর্তনের প্রভাব ফেলে। 

দল-মত, শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে একজন শিক্ষক সমাজের সকল মানুষের কাছে অত্যন্ত মর্যাদা ও সম্মানের পাত্র। শিক্ষার মান উন্নয়ন, শিখন প্রক্রিয়া উন্নয়ন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং সমাজে বিদ্যমান বৈষম্য দূরীকরণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ বিনির্মাণে শিক্ষকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া সমৃদ্ধ জাতি গড়ে তুলতে শিক্ষকরা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন।

শিক্ষা জীবন   শিক্ষক   গুরুত্ব  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

রাবির ১০৩ শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক প্রদান করলেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ০৭:৩১ পিএম, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কৃতি শিক্ষার্থীদের স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়েছে। আজ সোমবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে শিক্ষার্থীদের হাতে স্বর্ণপদক তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জনকারী ১০৩ কৃতি শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

তিন ক্যাটাগরিতে এই পদক প্রদান করা হয়। রাবির চারুকলা, প্রকৌশল, বিজনেস স্টাডিজ, বিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান, আইন, জীব ও ভূ-বিজ্ঞান, কৃষি এবং কলা অনুষদের ৯৬ জনকে ‘বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক, অগ্রণী ব্যাংক’, প্রদান করা হয়। দর্শন বিভাগের ৫ জন শিক্ষার্থীকে ‘ড. মমতাজ উদ্দিন আহমদ স্বর্ণপদক’ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুষদের ২ জন শিক্ষার্থীকে ‘ডা. এ.কে খান স্বর্ণপদক’ প্রদান করা হয়েছে।

পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘২০৪১ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী যে স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণের কথা বলেছেন সেটির জন্য স্মার্ট নাগরিক হতে হবে। স্মার্ট নাগরিক হওয়ার জন্য প্রয়োজন স্মার্ট শিক্ষা ব্যবস্থা। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তাই প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান থাকতে হবে। যেটি বিশ্বের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কয়েক বছর পর পর আবার পরিবর্তন হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুধুমাত্র জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা এ যুগের জন্য অচল। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে যে শিক্ষার্থী তৈরি হবে সেই শিক্ষার্থী যেন এই যুগে চলতে পারে, ভবিষ্যতে চলতে পারে এবং সমস্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে। আর সেটি করতে হলে তাকে শুধু জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষায় শিক্ষিত হলে চলবে না। জ্ঞানের সঙ্গে দক্ষতাও অর্জন করতে হবে। তাকে মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ হতে হবে। তার সৃজনশীলতা থাকতে হবে। তার যোগাযোগের দক্ষতা, সূক্ষ্ম চিন্তার দক্ষতা, সমস্যা নিরূপণ করার দক্ষতা, একসঙ্গে কাজ করার দক্ষতা অর্জন না করলে আমাদের শিক্ষার্থী এই বিশ্বে অচল প্রমাণিত হবে। আর এই অচল নাগরিক দিয়ে আমাদের সোনার বাংলা হবে না।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার। এসময় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিশেষ অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যদ্বয় অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম ও অধ্যাপক হুমায়ুন কবির এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক অবায়দুর রহমান প্রামাণিক। সম্মানিত অতিথি হিসেবে ছিলেন, অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুরশেদুল কবির। এছাড়া বিভিন্ন অনুষদের অধিকর্তা, বিভাগীয় প্রধান এবং পদকপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বর্ণপদক   শিক্ষামন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

এসএসসি-সমমান পরীক্ষা শুরু ৩০ এপ্রিল

প্রকাশ: ১০:২২ এএম, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

চলতি বছরের (২০২৩) এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সময় নির্ধারণ হয়েছে। এ পরীক্ষা শুরু হবে ৩০ এপ্রিল থেকে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার।

তিনি রোববার (২৯ জানুয়ারি) জাগো নিউজকে বলেন, আগামী ৩০ এপ্রিল থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠালে সেটি অনুমোদন দেওয়া হয়। এর দুই মাস পরে শুরু হবে এইচএসসি পরীক্ষা।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছিলেন, ২০২৩ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এপ্রিলের শেষে অনুষ্ঠিত হবে। গত বছরের মতো পুনর্বিন্যাস করা সিলেবাসেই নেওয়া হবে এ পরীক্ষা। অন্যদিকে উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষা হবে জুনে।

সাধারণত এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারির শুরুতে ও এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলের শুরুতে হতো। কিন্তু করোনার কারণে ২০২০ সালের মার্চ থেকে পুরো শিক্ষাপঞ্জি এলোমেলো হয়ে গেছে। পরীক্ষার এ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আগামী বছর পর্যন্ত লেগে যেতে পারে।

এদিকে ৮ ফেব্রুয়ারি উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

পাঠ্যপুস্তকে ভুল ও সংশোধন নিয়ে দু’টি পৃথক কমিটি গঠন

প্রকাশ: ০৮:১৪ এএম, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

পাঠ্যপুস্তকের ভুল-ভ্রান্তি ও অভিযুক্তদের খুঁজে বের করার জন্য দুটি পৃথক কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একটি কমিটিতে সাত সদস্য ও আরেকটিতে পাঁচ সদস্য রাখা হয়েছে। প্রথম কমিটিকে ৩০ কর্মদিবস ও দ্বিতীয় কমিটিকে ১৫ কর্মদিবস সময় দেওয়া হয়েছে তাঁদের তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এ দুই কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন বলে জানা গেছে। আজ সোমবার (৩০ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, সাত সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. ওয়াহেদুজ্জামান চাঁনকে। তারা পাঠ্যপুস্তকের ভুলত্রুটি ও বির্তকিত বিষয় খুঁজে বের করবেন। সময় দেয়া হয়েছে ৩০ দিন।

অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খালেদা আক্তারকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। বইয়ে ভুল-ভ্রান্তির জন্য জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কোন কোন কর্মকর্তা জড়িত তাদের খুঁজে বের করে শাস্তির সুপারিশ করবে খালেদা আক্তার এর নেতৃত্বে থাকা কমিটি। এই কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তাঁদের প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, শিক্ষামন্ত্রী রোববার বিকেলে কমিটি দুটির অনুমোদন দেন। এ কারণে রোববার দাপ্তরিক কাজ শেষ করে কমিটি সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা সম্ভব হয়নি।

পাঠ্যপুস্তক সংক্রান্ত কমিটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা গবেষণা বিভাগের আরও একজন শিক্ষক আব্দুল হালিম এবং বিএফ শাহিন কলেজের শিক্ষক আব্দুল মান্নানকে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।

এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে ভুল-ভ্রান্তি, তথ্য বিকৃতি ও ধর্মীয় উসকানি সংশোধনসহ জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে উচ্চপর্যায়ের দুটি তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। একটি কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সম্পৃক্ত থাকবেন বলে জানান তিনি। রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে ভুল-ভ্রান্তি সংশোধন সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

এইচএসসি-সমমানের ফল ৮ ফেব্রুয়ারি

প্রকাশ: ১০:০৯ এএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে। রোববার (২৯ জানুয়ারি) সকালে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি এইচএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। এ পরীক্ষার ফল প্রকাশে ৭-৯ ফেব্রুয়ারি সম্ভাব্য সময় উল্লেখ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। সেটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠালে তিনি ৮ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করেন। গত বৃহস্পতিবার বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সময় নির্ধারণ করায় আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরের মধ্যে এ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

ওই দিন সকাল ১০টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেবেন। এরপর সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। বেলা ১২টার পর থেকে ফলাফল জানা যাবে।

উল্লেখ্য, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করে থাকেন।

করোনা পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হওয়ায় গত ৬ নভেম্বর সারাদেশে স্বাভাবিক পরিবেশে শুরু হয় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১২ লাখের কিছু বেশি।


এইচএসসি   পরীক্ষা   ফল প্রকাশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড এডুকেশন

নতুন বইয়ের ছবিটি বিভিন্ন সময়ের মানুষের ছবি: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯:১৫ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, মানুষের পূর্বপুরুষ বানর—নতুন পাঠ্যবইয়ের কোথাও এমনটি বলা নেই। মানুষ বানর থেকে এসেছে এটি গুজব। মানুষ বানর থেকে আসেনি। আমাদের বইয়ে যেই ছবিটা আছে সেই ছবিটা হলো বিভিন্ন সময়ের মানুষের ছবি। তাই কেউ গুজবে কান দেবেন না। এটি নিয়ে অপপ্রচার করা হচ্ছে। 

শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে চাঁদপুরের ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে ব্র্যাক শিক্ষাতরীর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের নতুন বইয়ে বলা আছে- একজন শিক্ষার্থী শিক্ষককে জিজ্ঞেস করছে-মানুষ কি বানর থেকে এসেছে? প্রতি উত্তরে শিক্ষক বলছে, না। মানুষ বানর থেকে আসেনি। বানর হচ্ছে মানুষের পূর্বপুরুষ- এই কথাটা ঠিক নয়। আমাদের বইয়ে তিন বার বলা আছে। অথচ একটা গোষ্ঠী এটা নিয়ে অপপ্রচার করছে। এমনকি আমাদের বইয়ে যেই ছবিটা আছে সেই ছবিটা হলো বিভিন্ন সময়ের মানুষের ছবি। অর্থাৎ আদি যুগে মানুষ দেখতে কেমন ছিল, এখন দেখতে কেমন সেটা। কোথাও বানরের ছবি নেই। কিন্ত একটা বানরের ছবি লাগিয়ে দিয়ে বলা হচ্ছে- এটা আমরা বইয়ে দিয়েছি।

ডা. দীপু মনি বলেন, আমাদের শুধু মাধ্যমিকেই বিভিন্ন শ্রেণির ৬৫টি নতুন বই তৈরি করতে হয়েছে। বইগুলোর প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতি অক্ষর সকলে সমানভাবে দেখেছে তা কিন্তু নয়। আমরা অনেকেই খুবই কম দেখেছি। তারপরও সেখানে যদি কোনো ভুল থেকে থাকে সেটি অনিচ্ছাকৃত। তবে কেউ যদি ইচ্ছা করে ভুল করে থাকে। এজন্য আমরা তদন্ত কমিটি করেছি। এখন পর্যন্ত পাঠ্যবইয়ে যেসব ভুল বেরিয়েছে তার অধিকাংশ ১০ বছর আগের ভুল। আমি খুব খুশি। কেননা এখন সবাই বই পড়ছে। কাজেই ভবিষ্যতে আমাদের কোনো বইয়ে আর ভুল থাকবে না।

এ সময় চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা শাহনাজসহ ব্র্যাকের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

নতুন বই   শিক্ষামন্ত্রী   ডা. দীপু মনি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন