ইনসাইড গ্রাউন্ড

উপেক্ষিত ইমরুল নির্বাচকদের বিবেচনার প্রত্যাশায়

প্রকাশ: ১২:১৭ পিএম, ১৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

কারণে অকারণে বারবার দল থেকে বাদ পড়েছেন। পারফরম্যান্স করেও দিনের পর দিন অপেক্ষায় থেকে হতাশ হয়েছেন। নামটি ইমরুল কায়েস। ওপেনিংয়ে তামিমের সঙ্গী ছিলেন দীর্ঘদিন। কিন্তু কখনো কোচ আবার কখনো নির্বাচকদের মন জয় করতে না পেরে ছিটকে গেছেন।

ইমরুল কায়েসের এটাই যেন নিয়তি। তা অবশ্য মেনে নিয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। নিজের কাজটায় সবসময় মনোযোগী। খেলছেন বিসিএলের ওয়ানডে ফরম্যাট ইন্ডিপেনডেন্ট কাপেও। ব্যাটটাও হেসেছে। দুই ইনিংসে করেছেন ৭১ এবং ৬৯।

২০২৩ বিশ্বকাপে দলে সুযোগ হবে কি না তা টিম ম্যানেজমেন্ট বিবেচনা করবে। তার আগে নিজের কাজটা ঠিকঠাক করতে চান টাইগার ব্যাটার ইমরুল কায়েস। তাই ফিটনেস এবং পরফরম্যান্সের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। বিসিএলে টানা দুই ম্যাচে পেয়েছেন ফিফটি। নির্বাচকদের বিবেচনার প্রত্যাশায় তিনি। ইমরুলের মতে, যারা বিসিএলের ওয়ানডে ফরম্যাটে খেলেছেন আসন্ন আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলাটা সহজ হবে।

ইমরুল কায়েস বলেন, কঠোর পরিশ্রম করার পর যদি রানটা আসে তাহলে ভালো লাগে। দলের প্রয়োজনে রান করার দরকার ছিল। সেটা করতে পেরে ভালো লাগছে। আলহামদুলিল্লাহ।

ইস্ট জোনের হয়ে খেলেছেন তামিম ইকবালের সঙ্গে। মাঠে দু'জন জুটিও গড়েছেন। যা মনে করিয়ে দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলো। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ইমরুলকে দলে চেয়েছেন তামিম। সেটা নিয়ে ভাবছেন না। নিজের কাজটায় বেশি মনোযোগ তার।

টাইগার এই ওপেনার বলেন, ২০২৩ বিশ্বকাপ নিয়ে তামিম যা বলেছে, সেটা টিম ম্যানেজমেন্ট ভালো বুঝবে। এখন তো ২০২২ চলছে। আগে চলতি বছরটা শেষ করি।

তামিমের সঙ্গে বিসিএলে ওপেনিং করা নিয়ে এ ক্রিকেটার বলেন, তার সঙ্গে জাতীয় দলে অনেক খেলেছি। ২০১০ সালে যেভাবে জাতীয় দলে দুজনে মিলে খেলেছিলাম, সেটা অনুভব করেছি।

সামনে বিপিএল। এরপরই বাংলাদেশে আসবে আফগানিস্তান। ঘরোয়া আসরে ভালো করতে চান ইমরুল। তার মতে, বিসিএলের ওয়ানডে ফরম্যাটে খেলা ক্রিকেটাররা আফগানিস্তান সিরিজে সুযোগ পেলে সহজ হবে খেলা। ইমরুল কায়েস বলেন, এ টুর্নামেন্টে যারা খেলেছে, তারা আফগানিস্তান সিরিজে সুযোগ পেলে ভালো করবে। এছাড়া বিপিএল তো আছেই।

এদিন ইমরুলের দারুণ পারফরম্যান্সে ইস্ট জোন জয় পেলেও, ফাইনালে উঠতে পরেনি তার দল।

বাংলাদেশ ক্রিকেট   বিসিবি   ইমরুল কায়েস   তামিম ইকবাল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

চিলিতে আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের বাথরুমে যেতে দেওয়া হয়নি!

প্রকাশ: ১১:৫১ এএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) স্বাগতিক চিলির বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। যদিও এ ম্যাচে ছিলেন না লিওনেল মেসি। এমনকি ডাগআউটে ছিলেন না কোচ লিওনেল স্ক্যালোনিও। তবুও আন্তর্জাতিক ফুটবলে টানা ২৮ ম্যাচ ধরে অপরাজিত থাকার তকমা ধরে রেখেছে কোপাজয়ীরা।

তবে ম্যাচ জেতার পর গুরুতর এক অভিযোগ করেছেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার ডি পল। তিনি বলেন, বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচ খেলতে চিলিতে আসার পর থেকেই তারা আমাদের সঙ্গে খুব বাজে ব্যবহার করেছে।

তিনি জানান, প্লেন থেকে নামার পর আমাদের বাথরুমে পর্যন্ত যেতে দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া আমাদের এয়ার কন্ডিশনারের লাইন কেটে দিয়েছে। পানি বন্ধ করে দিয়েছে। এ ছাড়া সারাক্ষণ সাইরেনের শব্দ শুনিয়ে শুনিয়ে বিরক্ত করেছে।

মেসির এ সতীর্থ আরও বলেন, আমি বলছি না এটা ঠিক নাকি ভুল। কিন্তু একজন আর্জেন্টাইন হিসেবে, আমার দেশে আসা প্রতিটি দলই যথাসম্ভব স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। আমরা শুধু খেলায় নয়, আচার-ব্যবহার দিয়ে তাদের মনও জয় করে নেই।

আর্জেন্টিনা   চিলি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

আইপিএলের সব ম্যাচ এক শহরে, শুরু ২৭ মার্চ

প্রকাশ: ১১:২৭ এএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

করোনার ঊর্ধ্বমুখীর মধ্যেই আইপিএল আয়োজনের জোড় প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে আয়োজকরা। আগামী ২৭ মার্চ থেকে শুরু হতে পারে এবারের আইপিএল। তবে, এবারের আইপিএলে ভেন্যু কমে যাচ্ছে। 

এবারের আইপিএল সম্ভবত পুরোটাই হবে মুম্বাই শহরে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসলেও বৃহস্পতিবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সভায় মোটামুটি এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আইপিএলের কেন্দ্র হিসেবে মুম্বাইয়ের কথা ভাবার বড় কারণ, সেখানে কোভিডের সংক্রমণ অনেকটাই কমে গেছে। তাছাড়া মুম্বাইয়ে খেলা হলে একসঙ্গে তিনটি স্টেডিয়াম পাওয়া যাবে।

ওয়াংখেড়ে, ব্র্যাবোর্ন এবং ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে ম্যাচগুলো আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তেমন হলে দলগুলোকে আর বিমানে যাতায়াত করতে হবে না। প্রয়োজন পড়লে কিছু ম্যাচ পুনেতেও নেওয়া হতে পারে।

আইপিএল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

অতিরিক্ত খেলোয়াড় না থাকায় উইকেটকিপিং করলেন কোচ!

প্রকাশ: ১১:০৯ এএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

করোনার কারণে দলের এমনই বিপদ যে, উইকেটের পেছনে দাঁড়ানোর মতো কেউ নেই। কিন্তু দলের মুখরক্ষা করতে গিয়ে সহকারী কোচকে প্যাড-গ্লাভস করে উইকেটরক্ষা করতে নেমে পড়তে হলো। খেলোয়াড় হিসেবে দলে ছিলেন না। ফলে খেলার কোনো কথাও ছিল না। নিয়মিত উইকেটকিপার কোভিডে আক্রান্ত হওয়ায় এই কাণ্ড!

ঘটনাটি ঘটেছে অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি লিগ বিগ ব্যাশে (বিবিএল)। বিবিএলে সেমিফাইনাল খেলা ছিল সিডনি সিক্সার্স ও অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের মধ্যে। কিন্তু ম্যাচের আগে সিডনির উইকেটকিপার জস ফিলিপের কোভিড পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। বদলি উইকেটকিপার হিসেবে কাউকে না পাওয়ায় সিডনি বাধ্য হয় তাদের সহকারী কোচ জে লেন্টনকে উইকেটকিপার হিসেবে নামাতে।

নিয়মিত উইকেটকিপারকে না পেয়েও সিডনির অবশ্য জিততে কোনও অসুবিধে হয়নি। তারা ৪ উইকেটে হারায় অ্যাডিলেডকে। 

বিগ ব্যাশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ধোনির ফোন নম্বার জানেন না রবি শাস্ত্রী!

প্রকাশ: ১০:৫৪ এএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

খুব কম মানুষের কাছে মহেন্দ্র সিং ধোনির ফোন নম্বর রয়েছে। ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত এক সাজঘরে সময় কাটিয়েও রবি শাস্ত্রীর কাছে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের নম্বর নেই। ধোনি এমনই মানুষ। তাঁর নাগাল পেতে সাংবাদিকরা যেমন হিমশিম খান, শাস্ত্রীরও নাকি তেমন অবস্থাই হয়।

২০১৯ সালে অবসর নেওয়ার পর ধোনি কোথায় রয়েছেন তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। কিন্তু তাঁর খোঁজ প্রায় কারও কাছেই ছিল না। বেশ কিছু দিন পর তিনি নিজেই জানান খামারবাড়িতে রয়েছেন তিনি। ধোনি না চাইলে তাঁর খোঁজ পাওয়া সত্যিই বেশ মুশকিল। শোয়েব আখতারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাস্ত্রী বলেন, “ফোন যাতে হাতে না নিতে হয়, তার জন্য যা যা করা যায়, সব করবে ধোনি। সত্যি বলতে আমার কাছে ওর নম্বর নেই। ওর কাছে ফোন খুব কম থাকে। ধোনি এমনই মানুষ।”

ভারতীয় ক্রিকেটে ধোনিকে ‘ক্যাপ্টেন কুল’ বলে ডাকা হয়। মাঠের মধ্যে কখনও রাগতে দেখা যায়নি ধোনিকে। শাস্ত্রী বলেন, “আমি অনেক ক্রিকেটার দেখেছি। শচীন টেন্ডুলকারকে দেখেছি। কিন্তু ধোনির মতো কাউকে দেখিনি। শূন্য করুক বা ১০০, বিশ্বকাপ জিতুক বা প্রথম পর্বে হেরে যাক, ধোনির কাছে কোনওটাই যেন কোনও ব্যাপার নয়। অনেক সময় শচীনকেও রাগতে দেখেছি, কিন্তু ধোনিকে কখনও না।”

মহেন্দ্র সিং ধোনি   রবি শাস্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

চমক দেখিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আফগানিস্তান

প্রকাশ: ১০:২৩ এএম, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

চমক দেখিয়ে যুব বিশ্বকাপের সুপার লিগ সেমিফাইনালে নাম লেখালো আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল। বৃহস্পতিবার রাতে এন্টিগায় শ্বাসরুদ্ধকর এক লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে ৪ রানে হারিয়ে দিয়েছে তারা।

দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তানের ইনিংস গুটিয়ে যায় মাত্র ১৩৪ রানে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন আব্দুল হাদি, ৯৭ বলের মোকাবেলায়। এছাড়া নূর আহমেদ ৩০ ও আল্লাহ নূর ২৫ রান করেন।

শ্রীলঙ্কার পক্ষে ভিনুজা রানপল একাই শিকার করেন পাঁচটি উইকেট। এছাড়া তিনটি উইকেট শিকার করেন ওয়েল্লালাগে।

জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২ রানে প্রথম উইকেট হারানো শ্রীলঙ্কা পড়ে আরও ভয়ানক ব্যাটিং বিপর্যয়ে। ৪৩ রানের মধ্যেই ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে দলটি। এরপর হাল ধরেন অধিনায়ক দুনিথ ও রবিন ডি সিলভা।

অষ্টম উইকেটে দুজনে গড়েন ৬৯ রানের পার্টনারশিপ। ৬১ বলে ৩৪ রান করে বিদায় নেন দুনিথ। ৮৪ বলে ২১ রান করা রবিনও সাজঘরে ফেরেন।

এরপর ভিনুজাকে নিয়ে ত্রিভান ম্যাথু আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। তবে ভুল বোঝাবুঝিতে ম্যাথু রানআউট হলে ৪ ওভার বাকি থাকতেই ১৩০ রানে থামে লঙ্কানদের ইনিংস। ১৪ বলে ১১ রানে অপরাজিত থাকেন ভিনুজা।

আফগানদের পক্ষে জোড়া উইকেট শিকার করেন বিলাল সামি।

যুব বিশ্বকাপ   অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন