ইনসাইড গ্রাউন্ড

গিবসনের বিদায়ে হতাশ টাইগার পেসাররা

প্রকাশ: ০৫:৫৫ পিএম, ১৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

চলেই যাচ্ছেন পেস বোলিং কোচ ওটিস গিবসন। চুক্তি আর নবায়ন করছেন না। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট জয়ে পেসারদের ভূমিকা থাকার পর সবাই চাইছিলো তার বাংলাদেশ অধ্যায়টা আরেকটু বড় হোক। তাই তার বিদায়ে হতাশ তাসকিন, এবাদতরাও।

মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টের নায়ক এবাদত হোসেন পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানেই গিবসনকে কৃতিত্ব দিয়েছেন। গতকাল ক্রাইস্টচার্চ থেকে বলছিলেন, ‘গত দুই বছর আমাদের পেসারদের উন্নতি দেখলে বুঝতে পারবেন, তাঁর সঙ্গে কাজ করে আমাদের পেসাররা কতটা উন্নতি করেছে। আমরাও চাইছিলাম তিনি যেন থাকেন। তিনি যেভাবে শেখাতেন, খুব সহজে শিখতে পারার মতো একটা ব্যাপার ছিল। ঢাকায় একদিন আমাদের বলছিলেন, যাওয়ার আগে অন্তত চার-পাঁচজন বিশ্বমানের পেসার রেখে যেতে চাই এখানে।’

হতাশা লুকাতে পারলেন না বাংলাদেশ দলের আরেক ফাস্ট বোলার তাসকিন আহমেদ। তিনি বলছিলেন গিবসনের অধীনে তাঁদের টেকনিক্যাল উন্নতির কথা, ‘কোচ হিসেবে ওটিস আমাদের কাছে বেশি সুট করেছিলেন। রিস্ট পজিশন, লাইন-লেংথ, অ্যাকশন—কার কোথায় বেশি জোর দিলে ভালো হবে, এসব নিয়ে কাজ করেছেন। বোলারদের সঙ্গে তাঁর খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। তাঁর চলে যাওয়ার খবরে আমরাও একটু অবাক হয়েছি!’

এছাড়া সাদা বলের ক্রিকেটে বাংলাদেশ দলের অপরিহার্য সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বলছিলেন, ‘আমার বেসিকে সে হাত দেয়নি। বেসিক পরিবর্তন করলে আমার বোলিং নষ্ট হয়ে যেত। আমার ইনসুইংয়ে তার অবদান আছে। ২০২০ সালের শুরুতে এটা নিয়ে প্রথম তার সঙ্গে কাজ করেছিলাম।’


 

গিবসন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

দায়িত্বশীল মিরাজের দেখা মিলছে এবারের বিপিএলে

প্রকাশ: ১০:৫৫ এএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

মেহেদী হাসান মিরাজ, বাংলাদেশের এক সম্ভাবনাময়, প্রতিভাবান ক্রিকেটার। বিপিএলের অষ্টম আসরে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই টি-টোয়েন্টি দলে নেই তিনি। এর মাঝে বিপিএলের মতো বড় আসরে তাকে অধিনায়ক করা হয়। চট্টগ্রাম দলে আরও অভিজ্ঞ ক্রিকেটার থাকার পরেও মিরাজকে অধিনায়ক করায় অনেকে নানা সমালোচনা করেছিলেন। তবে টিম ম্যানেজমেন্ট যে ভুল সিদ্ধান্ত নেয়নি তাকে অধিনায়ক করে সেটির প্রমাণ তিনি দিয়ে যাচ্ছেন মাঠে পারফরম্যান্স করে। বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য এমন দায়িত্বশীল মিরাজকেই বড্ড প্রয়োজন। বিপিএলে মিরাজের অধিনায়কত্ব, ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স সবকিছু মিলিয়ে ভিন্ন এক মিরাজকেই যেনো এবার দেখা যাচ্ছে চলতি বিপিএলে। 

বোলার মিরাজ বাংলাদেশকে সার্ভিস দিচ্ছেন অনেকদিন ধরেই। তবে পুরোদস্তর অলরাউন্ডার বলতে যা বুঝায় সে রকম পারফরম্যান্স দীর্ঘদিন ধরে পাওয়া যাচ্ছিল না মিরাজ থেকে। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য সুখবর হলো যে, বিপিএলে যেনো তিনি পূর্নাঙ্গ অলরাউন্ডারের ভূমিকাই পালন করছেন। সাথে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব মিরাজকে যেনো আরও পরিপূর্ণ করে তুলেছে। তাঁর নেতৃত্বেই বাংলাদেশ প্রথম অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলেছিল।

এবারের বিপিএলে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে এখন পর্যন্ত তিন ম্যাচে অংশ নিয়েছেন তিনি। প্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতে ৯ রান করার পাশাপাশি বল হাতে একাই নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বোলারদের প্রধান কাজ থাকে রান চেক দেয়া। সেই রান চেক দেয়ার পাশাপাশি সেই ম্যাচে মাত্র ১৬ রানের বিনিময়ে তিনি শিকার করেছিলেন ৪ উইকেট। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেন তিনি। ঢাকার বিপক্ষে সেই ম্যাচে তার ব্যাট থেকে আসে কার্যকরী ২৫ রান, এছাড়া বল হাতেও পুরো ৪ ওভার বোলিং করেন তিনি। যদিও ঢাকার বিপক্ষে   তিনি কোনো উইকেট পাননি, তবে সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন। 

সর্বশেষ খুলনার বিপক্ষেও আমরা অলরাউন্ডার মিরাজকে দেখতে পায়। এদিনও ব্যাট হাতে ৩০ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। একই সাথে বল হাতে  দুই উইকেট লাভ করেন। ব্যাট এবং বল হাতে মিরাজের এমন পারফরম্যান্স যেনো বাংলাদেশের সাকিবের কথা ই মনে করিয়ে দেয়। মিরাজ তার এমন পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারলে এবং নিজেকে আরও শাণিত করতে পারলে চট্টগ্রামের চেয়ে  বেশী উপকৃত হবে বাংলাদেশের ক্রিকেটই। 

মেহেদী হাসান মিরাজ   বিপিএল   চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

নিজের সিদ্ধান্তে অটল তামিম, ফিরছেন না টি-টোয়েন্টিতে

প্রকাশ: ০৯:৩০ এএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি আর খেলতে চান না তামিম, সম্প্রতি বিসিবি বস নাজমুল হাসান পাপন এমন খবর জানালে জাতীয় দলের টিম ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন বলেছিলেন তামিমকে তার সিদ্ধান্ত থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা করবেন তিনি। তবে সর্বশেষ খবর হলো, সুজনের সাথে তামিমের সেই মিটিং কোনো ইতিবাচক ফল আনেনি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি না খেলার সিদ্ধান্তেই অটল জাতীয় দলের ওপেনার তামিম ইকবাল।

২০২০ সালে জিম্বাবুয়ে সিরিজের পর থেকে ক্রিকেটের শর্টার ভার্সনে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেখা যায়নি দেশসেরা এই ওপেনারকে। এমনকি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন তিনি।

তামিমের সিদ্ধান্ত নিয়ে তার সঙ্গে আলোচনা করেন জাতীয় দলের টিম ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন। রোববারের সে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তাই ফেরার সম্ভাবনা নেই তামিমের।

গত শনিবার বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও সংবাদমাধ্যমকে জানান তামিম টি-টোয়েন্টি না খেলার বিষয়ে অটল। তবে ওয়ানডে ও টেস্ট ক্রিকেট চালিয়ে যেতে চান তিনি।

তামিম ইকবাল   খালেদ মাহমুদ সুজন   পাপন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

লিজেন্ডস লিগে বাংলাদেশের রফিকের বাজিমাত

প্রকাশ: ০৯:১১ এএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

লিজেন্ডস লিগ ক্রিকেটে এশিয়ান লায়ন্সের হয়ে খেলছেন মোহাম্মদ রফিক। সেখানে খেলতে নেমে প্রথম ম্যাচেই বাড়তি আলো ছড়িয়েছেন বাংলাদেশি এই কিংবদন্তি। তুলে নিয়েছেন দুই উইকেট। তারকাদের ভিড়ে রফিকের এমন পারফরম্যান্স প্রশংসা কুঁড়িয়েছে সকলের।  

সোমবার রাতে ওমানের মাসকাটে ইন্ডিয়ান মাহারাজাসের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল এশিয়ান লায়ন্স। সে ম্যাচ দিয়েই এই টুর্নামেন্টে অভিষেক হয় রফিকের, দলে যোগ দেওয়ার পর অপেক্ষাই করতে হয়নি তাকে। প্রথম ম্যাচেই পেয়ে গেছেন সুযোগ। 

ওপরের দিকের ব্যাটারদের কল্যাণে ব্যাট হাতে নামতেই হয়নি তাকে। তবে রফিক বল হাতে ঠিকই পেয়েছেন সুযোগ। তাতেই ছড়িয়েছেন আলো।

ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে বল হাতে দৃশ্যপটে আসেন তিনি। পরের ওভারেই পান সাফল্য। ব্যাট হাতে শুরু থেকে দারুণ সেট হয়ে গিয়েছিলেন ভারতের ওপেনার ওয়াসিম জাফর। তাকেই ফিরিয়ে দেন রফিক। 

বাংলাদেশি এই স্পিনারের পরের উইকেটটাও বেশ মূল্যবান। বড় রান তাড়া করতে নামা ভারতকে জয়ের আশাই দেখাচ্ছিলেন স্টুয়ার্ট বিনি। ১৪ বলে ২৫ রান করা বিনি তার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। তাতেই ৪ ওভারে ৩২ রানের বিনিময়ে দুটো উইকেট তুলে নেন রফিক।

তার এমন পারফর্ম্যান্সের পর এশিয়ান লায়ন্সও জিতেছে হেসেখেলেই। ইন্ডিয়ান মাহারাজাসকে ৩৬ রানের বিনিময়ে হারায় দলটি। এশিয়া লায়ন্সে রফিক ছাড়াও খেলবেন হাবিবুল বাশার সুমন, যদিও ভারতীয় দলের বিপক্ষে খেলা হয়নি তার।

লিজেন্ডস লিগ ক্রিকেট   মোহাম্মদ রফিক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

বিপিএল: জাতীয় দলে ফেরার মঞ্চ হতে পারে যাদের জন্য

প্রকাশ: ০৯:০০ এএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

দেশের সবচেয়ে বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট বিপিএল চলছে। ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে ৬টি ম্যাচ। এই বছর রয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আর তাই এবারের বিপিএল অনেক ক্রিকেটারের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যারা টি-টোয়েন্টির জন্য জনপ্রিয় এবং যারা জাতীয় দলে পূর্বে খেলেছে তাদের জন্য জাতীয় দলে পুনরায় ফেরার মঞ্চ হতে পারে এই বিপিএল। এবারের বিপিএলে অনেকের উপরই বিশেষ নজর থাকছে ক্রিকেট প্রেমীদের। তবে চার ক্রিকেটারের উপর হয়তো আলাদা করেই নজর থাকবে সকলের। কারণ, এই চার ক্রিকেটারের জন্য জাতীয় দলের দরজা হয়তো আবার খুলে যেতে পারে বিপিএলে ধারাবাহিক পারফর্ম করতে পারলে। সেই চার ক্রিকেটার হলেন:

১। সাব্বির রহমান: বাংলার ক্রিকেটে ঝড়ে পড়া তারাদের একজন হলেন সাব্বির রহমান। এক সময় জাতীয় দলে নিয়মিত মুখ ছিলেন সাব্বির। অপার সম্ভাবনা নিয়ে দলে এসেছিলেন। এক সময়ের সম্ভাবনা জাগানো এই ক্রিকেটার এখন যেন নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন। জাতীয় দল তো দূর, ঘরোয়াতেও হয়ে পড়েন অনিয়মিত। এমনকি পেটের দায়ে 'খ্যাপ' পর্যন্ত খেলেছেন পাড়ার ক্রিকেটে। মাঠে দর্শককে পেটাতে যাওয়া, সতীর্থের গায়ে হাত তোলা, নারী কেলেংকারী ইত্যাদি নানা কারণে হয়েছেন বিতর্কিত। অথচ বিপিএলে তিনি পঞ্চম সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। সব বিতর্ককে ঝেড়ে ফেলতে চান 'ব্যাড বয়' তকমা পাওয়া এই ক্রিকেটার। বিতর্ককে পিছনে ফেলে তিনি নতুন করে শুরু করতে বদ্ধপরিকর। তাই এবারের বিপিএল হতে পারে তার জন্য ফিরে আসার বড় সুযোগ। ইতিমধ্যেই শেষ দুই ম্যাচে রানের দেখা পেয়ে নিজেকে ফিরে পাওয়ার ইঙ্গিত যেনো দিয়েছেন তিনি। আগামী ম্যাচ গুলোতে বড় ইনিংস খেলে সব সম্ভাবনাকে শংকায় পরিণত করা সাব্বির কি পারবেন আবার ঘুরে দাঁড়াতে? 

২। এনামুল হক বিজয়: দেশের ক্রিকেটে আরেক আফসোসের নাম এনামুল হক বিজয়। বিপিএলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছেন তিনি। একসময় তাকে ভাবা হতো মুশফিকের বিকল্প। অথচ তিনিও খেই হারিয়ে ফেলেছেন। দায়টা বেশিভাগ তার নিজেরই। আশার বেলুন যে নিজেই ফুটো করে দিয়েছেন। অল্প বয়সে পেয়ে যাওয়া তারকাখ্যাতি সামলাতে পারেন নি। দলে জায়গা ধরে রাখতে পারেন নি। তাকে নিয়ে আফসোসটা আরো বাড়ে কারণ ২০১২ সালের যুব বিশ্বকাপে তিনি ছিলেন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। অথচ সেই আসরেরই বাবর আজম এখন দাপট দেখিয়ে বেড়াচ্ছেন ক্রিকেটবিশ্বে। আর বিজয় যেন হারিয়ে গেলেন অতলে! নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে আরেকটু সাবধানে পা ফেললে হয়তো এখনো জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ থাকতেন এই উইকেট-কীপার ব্যাটার। এবারের বিপিএলে বিজয় খেলছেন সিলেট সানরাইজার্সের হয়ে। নিজের নামের প্রতি এখনও সুবিচার করতে পারেননি তিনি। বাকি ম্যাচগুলোতে পারফর্ম করে আবারও জাতীয় দলের জন্য বিবেচিত হওয়ার সুযোগ রয়েছে তার সামনেও। 

৩। রুবেল হোসেন: অনেক দিন ধরেই ফর্ম ও ইনজুরির কারণে জাতীয় দলে নিয়মিত হতে পারছেন না তারকা পেসার রুবেল হোসেন। এবারের বিপিএল হয়তো ৩১ বছর বয়সী এই পেসারকে আবারো জাতীয় দলে ফিরতে সাহায্য করতে পারে। সুযোগটা রুবেলের জন্যও দারুণ চ্যালেঞ্জের। সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্কোয়াডে রাখা হয়েছিল দেশের ওয়ানডে ক্রিকেটের এ সফল পেসারকে। কিন্তু একটি ম্যাচও খেলার সুযোগ হয়নি তার। এ বছরই আবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর বসছে। রুবেল চাইবেন এবার মূল একাদশে জায়গা করে নিতে। তাই রুবেল নিজেও জানেন নির্বাচকদের নজরে আসতে এবারের বিপিএলে পারফর্ম করাটা তার জন্য কতোটা গুরুত্বপূর্ণ।

৪। ইমরুল কায়েস: জাতীয় দলের হয়ে সবশেষ ২০১৯ সালে খেলেছেন ইমরুল কায়েস। জাতীয় দলে কখনোই নিয়মিত না হওয়া ক্রিকেটার ইমরুল কায়েসকে ফেরার লড়াই করতে হয়েছে ক্যারিয়ারজুড়ে। নিজেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে ‘দুর্ভাগা’ ক্রিকেটার হিসেবেও দাবি করেন। প্রতিবার জেদ করেই ফিরে এসেছেন। সদ্য শেষ হওয়া স্বাধীনতা কাপে ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোনের হয়ে ব্যাট হাতে ছিলেন দারুণ ছন্দে। বিপিএলে তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের অধিনায়ক হিসেবে খেলছেন। বিপিএলকে নিজের জন্য একটা প্রমাণের মঞ্চ হিসেবে নিয়েছেন এবার। নির্বাচকদের মন জয় করতে পারবেন কিনা, তা সময়ই বলে দেবে।

সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি এই ক্রিকেটারদের। এখনো রয়েছে জ্বলে উঠার এবং পারফরম্যান্স করে আবার দলে ফেরার সুযোগ। আশার আলো এখনো নিভে যায়নি।  নিজেদেরকে চেনাতে তারা কতোটা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

বিপিএল   সাব্বির রহমান   বিজয়   রুবেল   ইমরুল কায়েস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

চট্টগ্রামের পাহাড়সম টার্গেট ছুঁতে পারলোনা খুলনা

প্রকাশ: ০৯:১১ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বিপিএলের আজকের দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে খুলনা টাইগার্সকে ২৫ রানে হারিয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ম্যাচে চট্টগ্রামের পাহাড়সম ১৯১ রানের টার্গেট তাড়া করতে গিয়ে ১৬৫ রানে ইনিংস শেষ হয় খুলনার। 

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম ৪ ওভারেই তানজিদ হাসান তামিম ও রনি তালুকদারকে হারায় খুলনা। তামিম ৯ বলে ৯ রান ও রনি ৬ বলে ৭ রান করেন। শেখ মেহেদী হাসান ও আন্দ্রে ফ্লেচার ইনিংস গুছানোর কাজ করেন। তবে দুর্ভাগ্যবশত মাথায় আঘাত পেয়ে মাঠ ছাড়েন ফ্লেচার। ১২ বলে ১৬ রান করেন।


ভালো খেলতে থাকা মেহেদী আউট হন কেনার লুইসের এক অবিশ্বাস্য বলে। ৫ বাউন্ডারিতে ২৪ বলে ৩০ রান করেন মেহেদী। মুশফিক বিদায় নেন ১৫ বলে ১১ রানের শ্লথ ইনিংস খেলে। ফ্লেচারের বদলে কনকাশন-সাব হিসেবে মাঠে নামেন সিকান্দার রাজা। ১২ বলে ২২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে রেজাউর রহমান রাজার বলে আউট হন তিনি।


খুলনার ইনিংসে বাকি সময় ইয়াসির একাই লড়াই করেন। ১৯তম ওভারে ইয়াসির আউট হওয়ার সাথেসাথেই খুলনার জয়ের স্বপ্নও শেষ হয়ে যায়। ২৬ বলে ৪০ রান করেন ইয়াসির। তার ইনিংসে ছিল ২টি চার ও ৩টি ছক্কা।


এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। সোহরাওয়ার্দী শুভর প্রথম ওভারে ২৩ রান সংগ্রহ করে ম্যাচ শুরু করেন কেনার লুইস ও উইল জ্যাকস। মাত্র ৭ বলের ঝড়েই থেমে যান জ্যাকস। ১ চার ও ২ ছক্কায় ৭ বলে ১৭ রান করে কামরুল ইসলাম রাব্বির শিকার হন তিনি।


আফিফ হোসেনের সাথে জুটিতে ২৩ রান যোগ করে বিদায় নেন লুইস। লুইস দুইটি করে চার ও ছক্কায় করেন ১৪ বলে ২৫ রান। রান-আউট হয়ে ১৩ বলে ১৫ রান করে আফিফ বিদায় নেন। চতুর্থ উইকেটে বড় জুটি গড়েন সাব্বির ও মেহেদী হাসান মিরাজ। ফরহাদ রেজার এক ওভারে সাব্বির ও মিরাজ দুইজনেই জীবন পেয়েছিলেন।


আফগান পেসার নাভিন উল হকের এক ওভারে টানা তিন চার হাঁকানোর পর চতুর্থ বলটিও চার হাঁকানোর জন্য স্কুপ করতে গিয়ে ক্যাচ আউট হন মিরাজ। চট্টগ্রামের অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে ২৩ বলে ৩০ রান। চারটি চার হাঁকান তিনি। মিরাজ ফেরার দুই ওভার পরই ৩৩ বলে ৩২ রানের ধীরগতির ইনিংস খেলে বিদায় নেন সাব্বির।


শেষ ৫ ওভারে চট্টগ্রাম সংগ্রহ করে ৬২ রান। হাওয়েল ২০ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন। তার ইনিংসে ছিল চারটি চার ও একটি ছক্কা। নাঈম ইসলাম দুই ছক্কায় ৫ বলে ১৫ রানের ক্যামিও দেখিয়ে ইনিংসের শেষ বলে রান-আউট হন।


নির্ধারিত ২০ ওভারে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স সংগ্রহ করে ৭ উইকেটে ১৯০ রান। খুলনার পক্ষে কামরুল দুইটি এবং নাভীন ও রেজা একটি করে উইকেট পান।

সংক্ষিপ্ত স্কোর


চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ১৯০/৭ (২০ ওভার)

হাওয়েল ৩৩*, মিরাজ ৩০, লুইস ২৫, জ্যাকস ১৭, নাঈম ১৫;

কামরুল ২/৩৫।


খুলনা টাইগার্স ১৬৫/৯ (২০ ওভার)

ইয়াসির ৪০, মেহেদী ৩০, রাজা ২২, মুশফিক ১১,







বিপিএল  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন