ইনসাইড গ্রাউন্ড

শেখ রাসেলের হোম ভেন্যু হাজার কোটি টাকার বসুন্ধরা ক্রীড়া কমপ্লেক্স

প্রকাশ: ০৫:৪৮ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail শেখ রাসেলের হোম ভেন্যু হাজার কোটি টাকার বসুন্ধরা ক্রীড়া কমপ্লেক্স

শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র লিমিটেডের হোম ভেন্যু হয়ে গেল হাজার কোটি টাকার বসুন্ধরা ক্রীড়া কমপ্লেক্স । আসন্ন প্রিমিয়ার লিগে তারা নিজেদের হোম ম্যাচগুলো খেলবে দেশের নব নির্মিত সর্বাধুনিক বসুন্ধরা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের মাঠে। প্রথমে শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের কর্মকর্তাদের ভাবনায় ছিল সিলেট ও গোপালগঞ্জের কথা। এর আগে তারা একবার সিলেট জেলা স্টেডিয়ামকেও করেছিল নিজেদের হোম ভেন্যু। এবারো কর্মকর্তাদের মাথায় ঢাকার বাইরে যাওয়ার নানা ভাবনা ঘুরপাক খেলেও শেষমেষ তাদের দুশ্চিন্তামুক্ত করেছেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান। তিনি বসুন্ধরা ক্রীড়া কমপ্লেক্সকে লিগে হোম ভেন্যু হিসাবে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রকে। 

এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর বলেছেন, “এখন দেশের সর্বাধুনিক মাঠে ফুটবল লিগ খেলবে আমাদের ক্লাব দলটি। আশা করি, তাদের খেলার মান আরো বাড়বে এবং নতুন সাফল্য উপহার দিয়ে শেখ রাসেল ক্লাবকে তারা নিয়ে যাবে নতুন উচ্চতায়।“২০১৫ সালে তিনি ক্লাবের দায়িত্ব নেওয়ার পর শেখ রাসেল রানার্স- আপ হয় ২০১৫-১৬ মৌসুমে। পরের বছর মাগুরায় জয় করেন বঙ্গবন্ধু কাপ ফুটবলের শিরোপা। তারা এবারো ভালো মানের দেশি-বিদেশী খেলোয়াড় নিয়ে দুর্দান্ত দল গড়েছে শিরোপা অর্জনের স্বপ্নে। 

বসুন্ধরা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের মাঠ এবং তার আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দেখে ফুটবল লিগের ভেন্যু হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। প্রথমে সেটি ছিল কেবল বসুন্ধরা কিংসের হোম ভেন্যু। মঙ্গলবার তার সঙ্গে যোগ হয়েছে শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র। এর অনুমতি দানের জন্য শেখ রাসেলের ডিরেক্টর ইনচার্জ ইসমত জামিল আখন্দ লাভলু কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের কাছে, “বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান বসুন্ধরা ক্রীড়া কমপ্লেক্স স্থায়ীভাবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ায় তার কাছে আমাদের ক্লাবের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এখন থেকে এই মাঠে শেখ রাসেলের প্র্যাকটিস ও খেলা দুই-ই চলবে।“


বসুন্ধরা ক্রীড়া কমপ্লেক্স   শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র   ফুটবল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

মানের বিচারে উন্নত ফুটবল খেলেনা ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা: এমবাপ্পে

প্রকাশ: ০৮:৪৬ এএম, ২৫ মে, ২০২২


Thumbnail মানের বিচারে উন্নত ফুটবল খেলেনা ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা: এমবাপ্পে

ভালো মানের ফুটবল খেলে না ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা। ল্যাটিন আমেরিকা থেকে ইউরোপ অঞ্চলের দলগুলোই উঁচু মানের ফুটবল খেলে বলে দাবি করে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন বর্তমান সময়ে সবচেয়ে আলোচিত ফ্রেঞ্চ ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পে। 

চলতি মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান ক্লাব পিএসজির কাছ থেকে সুযোগ বুঝে রেকর্ড পরিমাণ আর্থিক সুবিধা ভাগিয়ে নিয়ে বর্তমান ক্লাবের সাথে চুক্তি নবায়ন করে বেশ তোপের মুখে পরেছেন এই ফরাসি। তার রেকর্ড আর্থিক সুবিধা নিয়ে কারো প্রশ্ন না থাকলেও যে প্রক্রিয়ায় তিনি ক্লাবের কাছ থেকে এই সুবিধা লুফে নিয়েছে তা নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে ফুটবল বিশ্বে। এর মাঝে ফুটবল দুনিয়ায় সবচেয়ে প্রভাবশালী ও সেরা দুই দেশ ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনাকে নিয়ে এহেন মন্তব্য আবারো আলোচনায় তিনি।  

আসন্ন কাতার বিশ্বকাপে বরাবরের মতোই অংশগ্রহণ করছে ফুটবল র্যাংকিংয়ে শীর্ষে থাকা ব্রাজিল ও চতুর্থ স্থানে থাকা আর্জেন্টিনা। তবে দেশদুটির ফুটবল মান নিয়ে প্রশ্ন রেখে এক সাক্ষাতকারে কিলিয়ান বলেন, ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা উঁচু মানের ফুটবল খেলে না। আমি মনে করি ব্রাজিল ভালো দল। ইউরোপেরও কয়েকটি দল বেশ ভালো। কিন্তু সুবিধা হচ্ছে, ইউরোপে সবসময় উঁচু মানের ফুটবল খেলা হয়। উদাহরণ হিসেবে, আমাদের নেশন্স লিগ আছে। যখন বিশ্বকাপ শুরু হবে তার আগেই আমরা প্রস্তুত হব।

গত বিশ্বকাপগুলোর পরিসংখ্যান টেনে এমবাপ্পে লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের দল, বিশেষ করে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা ফুটবলে অনুন্নত বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিল বিশ্বকাপে পৌঁছানোর জন্য উঁচু মানের ম্যাচ খেলে না। দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল ইউরোপের মতো উন্নত নয়। কারণ আপনি গত কয়েক বিশ্বকাপের দিকে তাকান, সবগুলোতেই ইউরোপিয়ানরা জয়ী হয়েছে।

এমবাপ্পে   ব্রাজিল   আর্জেন্টিনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

এএফসি কাপ: কেরালাকে হারিয়ে সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখলো বসুন্ধরা কিংস

প্রকাশ: ০৭:৩৩ পিএম, ২৪ মে, ২০২২


Thumbnail এএফসি কাপ: কেরালাকে হারিয়ে সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখলো বসুন্ধরা কিংস

‘মাস্টউইন’ ম্যাচে ভারতের গোকুলাম কেরালাকে হারিয়ে এএফসি কাপের আঞ্চলিক সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রেখেছে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংস। মঙ্গলবার (২৪ মে) কলকাতার যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বসুন্ধরা কিংস ২-১ গোলে হারিয়েছে ভারতের দলটিকে।

দুই ম্যাচ জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে বসুন্ধরা কিংসকে এখন অপেক্ষা করতে হবে রাতে অনুষ্ঠিত ভারতের মোহনবাগান ও মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবের মধ্যেকার ম্যাচ পর্যন্ত। ওই ম্যাচে মোহনবাগান না জিতলেই পরের রাউন্ডে উঠে যাবে বাংলাদেশের ক্লাবটি।

ম্যাচের সেরা পারফরমার ব্রাজিলিয়ান রবসন রবিনহোর গোলে বসুন্ধরা কিংস এগিয়ে যায় ৩৬ মিনিটে। দুই জন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে যে শট নন রবসন তা আটকানোর কোন সুযোগ ছিল না গোকুলাম কেরালার গোলরক্ষকের।

৫৪ মিনিটে গাম্বিয়ান ফরোয়ার্ড নুহা মারং ব্যবধান বাড়ানো যে গোলটি করেন তার পেছনেও অবদান ছিল রবসনের। বাম দিক থেকে তার ক্রসেই দুই ডিফেন্ডারের ফাঁক দিয়ে হেডে গোল করেন নুহা মারং।

গোকুলাম কেরালা ব্যবধান কমিয়েছে ৭৫ মিনিটে। মুজিবের দারুণ এক পাস থেকে গোল করেছেন জ্যামাইকার ফরোয়ার্ড ফ্লেচার।

বসুন্ধরা কিংস

আনিসুর রহমান জিকো, খালিদ শাফি, ইয়াসিন আরাফাত, বিশ্বনাথ ঘোষ, সোহেল রানা, মাহবুবুর রহমান সুফিল (মতিন মিয়া), বিপলু আহমেদ (মাসুক মিয়া জনি, ফাহাদ), রবসন রবিনহো, রিমন হোসেন, মিগুয়েল ফেরেইরা (ইব্রাহিম) ও নুহা মারং (সবুজ)।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ঢাকা টেস্টে ২য় দিন শেষে ২২২ রানে পিছিয়ে শ্রীলঙ্কা

প্রকাশ: ০৬:০৮ পিএম, ২৪ মে, ২০২২


Thumbnail ঢাকা টেস্টে ২য় দিন শেষে ২২২ রানে পিছিয়ে শ্রীলঙ্কা

দিনের শুরুর অংশে পুরোটা জুড়েই ছিলেন মুশফিকুর রহিম। দিনের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে ইবাদতের রানআউটের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ ব্যাটিং শেষ করে ৩৬৫ রানে। তবে শ্রীলঙ্কার ইনিংস শুরু হতেই ধীরে ধীরে বদলে গেছে সবকিছু। দ্বিতীয় সেশনে ব্যাটিং এ নেমে দুই অপেনার ওশাদা ফার্নান্দো এবং দিমুথ করুণারত্নে ৯৫ রানের জুটি গড়েন। ওশাদা তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারে পঞ্চম অর্ধশতক।

তবে তৃতীয় সেশনের চতুর্থ ওভারে স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ তুলে  ইবাদতের শিকার হন ওশাদা ফার্নান্দো। দুই ব্যাটারের ৯৫ রানের উদ্বোধনী জুটিতে ১৪৩ রানে দিনশেষ করেছে শ্রীলঙ্কা। ফলে প্রথম ইনিংসে টাইগারদের চেয়ে ২২২ রানে পিছিয়ে আছে লঙ্কানরা।  

দ্বিতীয় সেশনে ৪৯ বলে ৩১ রানে অপরাজিত থাকা দিমুথ করুণারত্নে তৃতীয় সেশনে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের ২৯তম হাফ সেঞ্চুরি। নিজের ইনিংসের ৮৪তম বলে এই ফিফটি তুলে নেন করুণারত্নে। দিনশেষে ১২৭ বলে ৭০ রান করে অপরাজিত আছেন তিনি। 

দলীয় ৯৫ রানে প্রথম উইকেট হারানো শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় উইকেট হারায় ১৩৯ রানে। তিনে নামা কুশল মেন্ডিসকে সাথে নিয়ে ৪৪ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক করুণারত্নে। ব্যক্তিগত ১১ রানে ফেরেন কুশল মেন্ডিস। শেষ পর্যন্ত দুই উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রানে দিন শেষ করে শ্রীলঙ্কা। 

চা বিরতির পর ২৪ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ৫৯ রান করেছে শ্রীলঙ্কা। আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ওশাদা ফার্নান্দো এবং কুশল মেন্ডিস।

এর আগে, দিনের প্রথম সেশনের অষ্টম ওভারে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন আগের দিনের সেঞ্চুরিয়ান লিটন দাস। ক্যারিয়ার সেরা ১৪১ রানে আউট হন তিনি। একই ওভারে সাজঘরের পথ ধরেন ৩২ মাস পর সাদা পোশাকে খেলার সুযোগ পাওয়া মোসাদ্দেক।  

লঙ্কানদের জোড়া আঘাতের পর তাইজুলকে নিয়ে ইনিংস বড় করার চেষ্টা করেন মুশফিক। তাইজুলের সাথে গড়ে তোলেন ৪৯ রানের জুটি। তাইজুলের বিদায়ের পরপরই ফেরেন খালেদ আহমেদও। টানা দুই ব্যাটারের বিদায়ের পর ইবাদতকে নিয়ে দলের রান বাড়ানোর শেষ চেষ্টাটা করেন মুশফিক।

ইবাদতকে সাথে নিয়ে স্কোরবোর্ডের ৫৬ বলে ১৬ রান যোগ করেন মুশফিকুর রহিম। জুটির সব রানই এসেছিল মিস্টার ডিপেন্ডাবলের ব্যাট থেকে। মধ্যাহ্ন বিরতি থেকে ফিরে ইবাদত রান আউটের শিকার হলে ৩৬৫ রানে থামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।

বাংলাদেশের হয়ে ১৭৫ রানে অপরাজিত ছিলেন মুশফিকুর রহিম। টেস্ট ক্যারিয়ারে পঞ্চমবারের মতো দেড়শ রানের বেশি করেছেন মুশফিক। এছাড়াও লিটনের ব্যাট থেকে আসে ১৪১ রান আর তাইজুল করেন ১৫ রান। বাংলাদেশের হয়ে মাত্র তিনজন ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘর ছুঁতে পেরেছিলেন। বাকি আট ব্যাটারের ছয়জনই ফিরেছেন শূন্য রানে।

শ্রীলঙ্কার হয়ে স্পিনাররা শিকার করতে পারেননি কোনো উইকেট। দুই পেসার কাসুন রাজিথা এবং আসিথা ফার্নান্দো শিকার করেন নয় উইকেট। টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেট শিকার করেন কাসুন রাজিথা। ঢাকায় ৬৪ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন। এটাই তার ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার।

শ্রীলঙ্কা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

মুশফিক-লিটন দৃঢ়তায় ৩৬৫ রান টাইগারদের

প্রকাশ: ০১:৫৭ পিএম, ২৪ মে, ২০২২


Thumbnail মুশফিক-লিটন দৃঢ়তায় ৩৬৫ রান টাইগারদের

ঢাকা টেস্টের প্রথম দিন মহাকাব্যিক এক জুটিতে বাংলাদেশ দলকে খাদের কিনার থেকে টেনে তোলেন মুশফিকুর রহিম আর লিটন দাস। তাদের রেকর্ড জুটিতে ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনটা নিজেদের নামে লেখে টাইগাররা। তবে দ্বিতীয় দিনের শুরুতে ছন্দপতন স্বাগতিকদের। লিটনের ফেরার পর প্রত্যাবর্তন রাঙাতে পারেননি মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তাইজুল আর খালেদ আহমেদও দায়িত্ব নিয়ে খেলতে পারেননি। কিন্তু অন্যপ্রান্তে অবিচল ছিলেন মুশফিক। 

দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন ২৪ রানে ৫ উইকেটের পতনের পর লিটন ও মুশফিকের কল্যাণে শেষ মেশ ৩৬৫ রানে থামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। ধ্বংসস্তূপ থেকে টেনে বের করে রানের খাতা ভরা শুধু এই দুই ব্যাটারের ব্যাট থেকেই এসেছে ইনিংসের ৩১৬ রান। যেখানে টাইগারদের ৬ জন ব্যাটারই সাজঘরে ফিরে গেছেন শূন্য রানে।   



ঢাকা টেস্টে দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ব্যক্তিগত দেড়শ রানের কোটা পার করেছেন মুশফিক। ইনিংস শেষে তিনি অপরাজিত ছিলেন ১৭৫ রান নিয়ে। সঙ্গে শেষ ব্যাটার হিসেবে তার সঙ্গী হিসেবে শূন্য রানে রান আউট হন এবাদত হোসেন। অলআউট হওয়ার শঙ্কা মাথায় নিয়ে মধ্যাহ্নভোজনের বিরতিতে যাওয়ার আগে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩৬১ রানের সংগ্রহ করেছিলো টাইগাররা। তবে বিরতির পর মাত্র ৪ রান যোগ করেই ইনিংস শেষ হয় বাংলাদেশের। 

দ্বিতীয় দিনের খেলার শুরুর পর আর ছন্দ ধরে রাখতে পারেননি লিটন কুমার দাস। টেস্টে প্রথমবারের মতো দেড়শ রানের মাইলফলক ছোঁয়ার দিকে ছুটতে গিয়ে আউট হন ব্যক্তিগত ১৪১ রানে। লিটন ফেরার দুই বল পরেই প্রায় তিন বছর পর টেস্ট দলে ফেরা মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত নিজের উইকেট বিলিয়ে দিয়েছেন রানের খাতা না খুলেই। রাজিথার অফ স্টাম্পের অনেক বাইরের বলে খোঁচা মেরে প্রত্যাবর্তনকে বিষাদময় করেছেন তিনি। তাইজুল ভালোই সঙ্গ দিলেও অসিথার লাফিয়ে ওঠা বল খেলতে গিয়ে আউট হয়ে যান এই বাঁহাতি। 



শ্রীলঙ্কার হয়ে কুশান রাজিথা ও আসিথা ফারনান্দ যথাক্রমে নেন ৫ ও ৪ উইকেট। 

টেস্ট   শ্রীলঙ্কা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

লিটন ও মুশফিকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

প্রকাশ: ০৭:২৯ পিএম, ২৩ মে, ২০২২


Thumbnail লিটন ও মুশফিকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের টেস্টের দ্বিতীয় সেশনে সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া লিটন এবং মুশফিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন বলে জানান বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে সফররত আইসিসি চেয়ারম্যান বার্কলেকে নিয়ে আমি সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম দেখতে যাচ্ছিলাম। তখনই পাপনকে মেসেজ পাঠান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু গত ম্যাচে অল্পের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেছিলেন লিটন। ওই ভয়ে নাকি স্কোর দেখেননি বিসিবি সভাপতি।

আইসিসি চেয়ারম্যানকে নিয়ে হওয়া সংবাদ সম্মেলনে সোমবার তিনি বলেছেন, 'আমি নিশ্চিত গ্রেগ চমকে গেছে এটা দেখে একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী ক্রিকেট এতটা ভালোবাসে। এমনকি যখন আমরা হেলিকাপ্টারে ছিলাম। লিটন যেই মুহূর্তে সেঞ্চুরি করল, প্রধানমন্ত্রী আমাকে মেসেজ পাঠালেন লিটনকে অভিনন্দন জানিয়ে। '

'আমি তো দেখতে ভয় পাচ্ছিলাম। কারণ আগেরবার লিটন অল্পের জন্য মিস করেছে। তাই দেখতে ভয় পাচ্ছিলাম। এরপর আপার দ্বিতীয় মেসেজ দেখলাম, মুশফিককে অভিনন্দন। এরপর অনেক মেসেজ পাঠিয়েছেন। '

দেশের প্রধানমন্ত্রীর ক্রিকেট নিয়ে এত আগ্রহ আইসিসি চেয়ারম্যানের জন্যও দারুণ অভিজ্ঞতা বলে মনে করেন বিসিবি সভাপতি, 'দেখেন, এটা গ্রেগের জন্যও একটা অভিজ্ঞতা যে একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী ক্রিকেট এতটা ভালোবাসেন। আমরা ক্রিকেট ভালোবাসি ও আরও ভালো ক্রিকেট খেলতে চাই। '



লিটন ও মুশফিকে   প্রধানমন্ত্রীর   অভিনন্দন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন