ইনসাইড গ্রাউন্ড

আবার স্থগিত জিম্বাবুয়ে-আফগানিস্তান সিরিজ

প্রকাশ: ০২:৩১ পিএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail আবার স্থগিত জিম্বাবুয়ে-আফগানিস্তান সিরিজ

আফগানিস্তান জাতীয় দলের জিম্বাবুয়ে সফর আবার স্থগিত হল। দ্বিতীয় দফা স্থগিতাদেশের কারণ ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম বা ডিআরএসের অপ্রাপ্যতা।

সিরিজে তিনটি ওয়ানডে ও পাঁচটি টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তিনটি ওয়ানডে ছিল ওয়ানডে সুপার লিগের অংশ। ওয়ানডে সুপার লিগের ম্যাচগুলোতে ডিআরএসের ব্যবহার বাধ্যতামূলক।

কিন্তু বিশ্বব্যাপী টানা ক্রিকেটের কারণে ডিআরএস পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের মত জিম্বাবুয়েও আফগানিস্তান সিরিজের জন্য ডিআরএস ব্যবস্থা করতে পারেনি। বাধ্য হয়ে তাই হাঁটতে হয়েছে সিরিজ স্থগিতের পথে। সেক্ষেত্রে শুধু ওয়ানডে নয়, টি-টোয়েন্টি সিরিজও পিছিয়ে যাচ্ছে।

এই সিরিজ আগেও একবার স্থগিত হয়। মূলত গত ডিসেম্বরে মাঠে গড়ানোর কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয় ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তবে ফেব্রুয়ারিতেও মাঠে না গড়ানোয় নতুন করে সূচি নির্ধারণ করতে হবে দুই বোর্ডকে।

আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড তাদের বিবৃতিতে জানায়, ‘জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট অল্প দিনের নোটিশে প্রয়োজনীয় সম্প্রচার প্রযুক্তি পায়নি, যার মধ্যে ডিআরএসও ছিল। পুরো বিশ্বে এখন অনেকগুলো ক্রিকেট ইভেন্ট একসাথে চলছে।’

জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গিভমোর ম্যাকোনি বলেন, ‘আফগানদের আতিথেয়তা দেওয়া নিয়ে আমরা বেশ রোমাঞ্চিত ছিলাম। তবে বর্তমানে যা পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে তাতে সফরটা পিছিয়ে দেওয়াই একমাত্র উপায়। আমরা যত দ্রুত সম্ভব এই সিরিজটা আয়োজনের চেষ্টা করব।’




জিম্বাবুয়ে   আফগানিস্তান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

সালাহকে হুঁশিয়ারি দিলেন অ্যানচেলোত্তি

প্রকাশ: ১০:৩৫ এএম, ২৫ মে, ২০২২


Thumbnail সালাহকে হুঁশিয়ারি দিলেন অ্যানচেলোত্তি

চ্যাম্পিয়নস লীগের ফাইনাল ম্যাচের আগেই জমে উঠেছে দুই দলের কথার লড়াই। এই যেমন লিভারপুল তারকা মোহামেদ সালাহ তো এবারের ফাইনাল দিয়ে ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে হারের প্রতিশোধ নেওয়ার কথা জানিয়ে দিয়েছেন। 

তবে লড়াই জমে উঠে আরো একধাপ যখন রিয়াল বস অ্যানচেলোত্তি নিজে জড়িয়ে যান এই লড়াইয়ে। তিনি সালাহকে মনে করিয়ে দিয়ে বলেছেন, এটা আসলে লিভারপুলের প্রতিশোধ মিশন নয়, প্রতিশোধের মিশনটা আসলে ১৯৮১ ইউরোপিয়ান ফাইনালে লিভারপুলের কাছে রিয়ালের হারের প্রতিশোধ। 

এবারের ফাইনাল বসছে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে। সেবার ইউরোপিয়ান ফাইনালে এই প্যারিসেই লিভারপুলের কাছে হার মেনেছিলো মাদ্রিদ।  

তখনও ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত হয়নি। ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে দ্বিতীয় লেগ খেলা বাকি। তার আগের দিন ভিয়ারিয়ালকে হারিয়ে নিজেদের ফাইনাল নিশ্চিত করে সালাহ বলেছিলেন, ফাইনালে তিনি রিয়াল মাদ্রিদকে চান। পরের দিন নাটকীয় জয়ে ম্যান সিটিকে টপকে মাদ্রিদ ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সালাহ যেন তাদের সরাসরি হুমকিই দিয়ে বসলেন, ‘আমাদের কিছু হিসাব-নিকাশ বাকি আছে।’

২০১৮ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে হারের দিকেই ইঙ্গিত করছিলেন এই মিসরীয় ফরোয়ার্ড। যে ম্যাচে তখনকার রিয়াল অধিনায়ক সার্জিও রামোসের বাজে ট্যাকলের শিকার হয়ে আধঘণ্টা খেলেই মাঠ ছাড়তে হয়েছিল সালাহকে, হার আর চোটের বিষাদে নীল সালাহ পরের বছরই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতলেও রিয়ালের বিপক্ষে প্রতিশোধের আগুন নেভেনি। এবার তাই একেবারে ঘোষণা দিয়ে প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।

মাদ্রিদ ক্যাম্প থেকে সালাহর হুঁশিয়ারির তাৎক্ষণিক জবাব কেউ দেয়নি। তবে অবশেষে দলটির কোচ অ্যানচেলোত্তি ওই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন, ‘২০১৮’র ফাইনাল সালাহ’র জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারে, তবে প্যারিসে কিন্তু মাদ্রিদও লিভারপুলের বিপক্ষে একটি ফাইনাল হেরেছিল। তাই আমাদেরও সেই হারের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ আছে।’

আগামী ২৯ মে (রোববার) বাংলাদেশ সময় রাত ১ টায় প্যারিসের স্তাদ দি ফ্রান্সে লিভারপুলের মুখোমুখি হবে রিয়াল মাদ্রিদ।

চ্যাম্পিয়নস লীগ   লিভারপুল   রিয়াল মাদ্রিদ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

মানের বিচারে উন্নত ফুটবল খেলেনা ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা: এমবাপ্পে

প্রকাশ: ০৮:৪৬ এএম, ২৫ মে, ২০২২


Thumbnail মানের বিচারে উন্নত ফুটবল খেলেনা ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা: এমবাপ্পে

ভালো মানের ফুটবল খেলে না ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা। ল্যাটিন আমেরিকা থেকে ইউরোপ অঞ্চলের দলগুলোই উঁচু মানের ফুটবল খেলে বলে দাবি করে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন বর্তমান সময়ে সবচেয়ে আলোচিত ফ্রেঞ্চ ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পে। 

চলতি মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান ক্লাব পিএসজির কাছ থেকে সুযোগ বুঝে রেকর্ড পরিমাণ আর্থিক সুবিধা ভাগিয়ে নিয়ে বর্তমান ক্লাবের সাথে চুক্তি নবায়ন করে বেশ তোপের মুখে পরেছেন এই ফরাসি। তার রেকর্ড আর্থিক সুবিধা নিয়ে কারো প্রশ্ন না থাকলেও যে প্রক্রিয়ায় তিনি ক্লাবের কাছ থেকে এই সুবিধা লুফে নিয়েছে তা নিয়ে বেশ আলোচনা চলছে ফুটবল বিশ্বে। এর মাঝে ফুটবল দুনিয়ায় সবচেয়ে প্রভাবশালী ও সেরা দুই দেশ ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনাকে নিয়ে এহেন মন্তব্য আবারো আলোচনায় তিনি।  

আসন্ন কাতার বিশ্বকাপে বরাবরের মতোই অংশগ্রহণ করছে ফুটবল র্যাংকিংয়ে শীর্ষে থাকা ব্রাজিল ও চতুর্থ স্থানে থাকা আর্জেন্টিনা। তবে দেশদুটির ফুটবল মান নিয়ে প্রশ্ন রেখে এক সাক্ষাতকারে কিলিয়ান বলেন, ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা উঁচু মানের ফুটবল খেলে না। আমি মনে করি ব্রাজিল ভালো দল। ইউরোপেরও কয়েকটি দল বেশ ভালো। কিন্তু সুবিধা হচ্ছে, ইউরোপে সবসময় উঁচু মানের ফুটবল খেলা হয়। উদাহরণ হিসেবে, আমাদের নেশন্স লিগ আছে। যখন বিশ্বকাপ শুরু হবে তার আগেই আমরা প্রস্তুত হব।

গত বিশ্বকাপগুলোর পরিসংখ্যান টেনে এমবাপ্পে লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের দল, বিশেষ করে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা ফুটবলে অনুন্নত বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিল বিশ্বকাপে পৌঁছানোর জন্য উঁচু মানের ম্যাচ খেলে না। দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল ইউরোপের মতো উন্নত নয়। কারণ আপনি গত কয়েক বিশ্বকাপের দিকে তাকান, সবগুলোতেই ইউরোপিয়ানরা জয়ী হয়েছে।

এমবাপ্পে   ব্রাজিল   আর্জেন্টিনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

এএফসি কাপ: কেরালাকে হারিয়ে সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখলো বসুন্ধরা কিংস

প্রকাশ: ০৭:৩৩ পিএম, ২৪ মে, ২০২২


Thumbnail এএফসি কাপ: কেরালাকে হারিয়ে সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখলো বসুন্ধরা কিংস

‘মাস্টউইন’ ম্যাচে ভারতের গোকুলাম কেরালাকে হারিয়ে এএফসি কাপের আঞ্চলিক সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রেখেছে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংস। মঙ্গলবার (২৪ মে) কলকাতার যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বসুন্ধরা কিংস ২-১ গোলে হারিয়েছে ভারতের দলটিকে।

দুই ম্যাচ জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে বসুন্ধরা কিংসকে এখন অপেক্ষা করতে হবে রাতে অনুষ্ঠিত ভারতের মোহনবাগান ও মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবের মধ্যেকার ম্যাচ পর্যন্ত। ওই ম্যাচে মোহনবাগান না জিতলেই পরের রাউন্ডে উঠে যাবে বাংলাদেশের ক্লাবটি।

ম্যাচের সেরা পারফরমার ব্রাজিলিয়ান রবসন রবিনহোর গোলে বসুন্ধরা কিংস এগিয়ে যায় ৩৬ মিনিটে। দুই জন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে যে শট নন রবসন তা আটকানোর কোন সুযোগ ছিল না গোকুলাম কেরালার গোলরক্ষকের।

৫৪ মিনিটে গাম্বিয়ান ফরোয়ার্ড নুহা মারং ব্যবধান বাড়ানো যে গোলটি করেন তার পেছনেও অবদান ছিল রবসনের। বাম দিক থেকে তার ক্রসেই দুই ডিফেন্ডারের ফাঁক দিয়ে হেডে গোল করেন নুহা মারং।

গোকুলাম কেরালা ব্যবধান কমিয়েছে ৭৫ মিনিটে। মুজিবের দারুণ এক পাস থেকে গোল করেছেন জ্যামাইকার ফরোয়ার্ড ফ্লেচার।

বসুন্ধরা কিংস

আনিসুর রহমান জিকো, খালিদ শাফি, ইয়াসিন আরাফাত, বিশ্বনাথ ঘোষ, সোহেল রানা, মাহবুবুর রহমান সুফিল (মতিন মিয়া), বিপলু আহমেদ (মাসুক মিয়া জনি, ফাহাদ), রবসন রবিনহো, রিমন হোসেন, মিগুয়েল ফেরেইরা (ইব্রাহিম) ও নুহা মারং (সবুজ)।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ঢাকা টেস্টে ২য় দিন শেষে ২২২ রানে পিছিয়ে শ্রীলঙ্কা

প্রকাশ: ০৬:০৮ পিএম, ২৪ মে, ২০২২


Thumbnail ঢাকা টেস্টে ২য় দিন শেষে ২২২ রানে পিছিয়ে শ্রীলঙ্কা

দিনের শুরুর অংশে পুরোটা জুড়েই ছিলেন মুশফিকুর রহিম। দিনের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে ইবাদতের রানআউটের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ ব্যাটিং শেষ করে ৩৬৫ রানে। তবে শ্রীলঙ্কার ইনিংস শুরু হতেই ধীরে ধীরে বদলে গেছে সবকিছু। দ্বিতীয় সেশনে ব্যাটিং এ নেমে দুই অপেনার ওশাদা ফার্নান্দো এবং দিমুথ করুণারত্নে ৯৫ রানের জুটি গড়েন। ওশাদা তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারে পঞ্চম অর্ধশতক।

তবে তৃতীয় সেশনের চতুর্থ ওভারে স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ তুলে  ইবাদতের শিকার হন ওশাদা ফার্নান্দো। দুই ব্যাটারের ৯৫ রানের উদ্বোধনী জুটিতে ১৪৩ রানে দিনশেষ করেছে শ্রীলঙ্কা। ফলে প্রথম ইনিংসে টাইগারদের চেয়ে ২২২ রানে পিছিয়ে আছে লঙ্কানরা।  

দ্বিতীয় সেশনে ৪৯ বলে ৩১ রানে অপরাজিত থাকা দিমুথ করুণারত্নে তৃতীয় সেশনে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের ২৯তম হাফ সেঞ্চুরি। নিজের ইনিংসের ৮৪তম বলে এই ফিফটি তুলে নেন করুণারত্নে। দিনশেষে ১২৭ বলে ৭০ রান করে অপরাজিত আছেন তিনি। 

দলীয় ৯৫ রানে প্রথম উইকেট হারানো শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় উইকেট হারায় ১৩৯ রানে। তিনে নামা কুশল মেন্ডিসকে সাথে নিয়ে ৪৪ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক করুণারত্নে। ব্যক্তিগত ১১ রানে ফেরেন কুশল মেন্ডিস। শেষ পর্যন্ত দুই উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রানে দিন শেষ করে শ্রীলঙ্কা। 

চা বিরতির পর ২৪ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ৫৯ রান করেছে শ্রীলঙ্কা। আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ওশাদা ফার্নান্দো এবং কুশল মেন্ডিস।

এর আগে, দিনের প্রথম সেশনের অষ্টম ওভারে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন আগের দিনের সেঞ্চুরিয়ান লিটন দাস। ক্যারিয়ার সেরা ১৪১ রানে আউট হন তিনি। একই ওভারে সাজঘরের পথ ধরেন ৩২ মাস পর সাদা পোশাকে খেলার সুযোগ পাওয়া মোসাদ্দেক।  

লঙ্কানদের জোড়া আঘাতের পর তাইজুলকে নিয়ে ইনিংস বড় করার চেষ্টা করেন মুশফিক। তাইজুলের সাথে গড়ে তোলেন ৪৯ রানের জুটি। তাইজুলের বিদায়ের পরপরই ফেরেন খালেদ আহমেদও। টানা দুই ব্যাটারের বিদায়ের পর ইবাদতকে নিয়ে দলের রান বাড়ানোর শেষ চেষ্টাটা করেন মুশফিক।

ইবাদতকে সাথে নিয়ে স্কোরবোর্ডের ৫৬ বলে ১৬ রান যোগ করেন মুশফিকুর রহিম। জুটির সব রানই এসেছিল মিস্টার ডিপেন্ডাবলের ব্যাট থেকে। মধ্যাহ্ন বিরতি থেকে ফিরে ইবাদত রান আউটের শিকার হলে ৩৬৫ রানে থামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।

বাংলাদেশের হয়ে ১৭৫ রানে অপরাজিত ছিলেন মুশফিকুর রহিম। টেস্ট ক্যারিয়ারে পঞ্চমবারের মতো দেড়শ রানের বেশি করেছেন মুশফিক। এছাড়াও লিটনের ব্যাট থেকে আসে ১৪১ রান আর তাইজুল করেন ১৫ রান। বাংলাদেশের হয়ে মাত্র তিনজন ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘর ছুঁতে পেরেছিলেন। বাকি আট ব্যাটারের ছয়জনই ফিরেছেন শূন্য রানে।

শ্রীলঙ্কার হয়ে স্পিনাররা শিকার করতে পারেননি কোনো উইকেট। দুই পেসার কাসুন রাজিথা এবং আসিথা ফার্নান্দো শিকার করেন নয় উইকেট। টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেট শিকার করেন কাসুন রাজিথা। ঢাকায় ৬৪ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন। এটাই তার ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার।

শ্রীলঙ্কা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

মুশফিক-লিটন দৃঢ়তায় ৩৬৫ রান টাইগারদের

প্রকাশ: ০১:৫৭ পিএম, ২৪ মে, ২০২২


Thumbnail মুশফিক-লিটন দৃঢ়তায় ৩৬৫ রান টাইগারদের

ঢাকা টেস্টের প্রথম দিন মহাকাব্যিক এক জুটিতে বাংলাদেশ দলকে খাদের কিনার থেকে টেনে তোলেন মুশফিকুর রহিম আর লিটন দাস। তাদের রেকর্ড জুটিতে ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনটা নিজেদের নামে লেখে টাইগাররা। তবে দ্বিতীয় দিনের শুরুতে ছন্দপতন স্বাগতিকদের। লিটনের ফেরার পর প্রত্যাবর্তন রাঙাতে পারেননি মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তাইজুল আর খালেদ আহমেদও দায়িত্ব নিয়ে খেলতে পারেননি। কিন্তু অন্যপ্রান্তে অবিচল ছিলেন মুশফিক। 

দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন ২৪ রানে ৫ উইকেটের পতনের পর লিটন ও মুশফিকের কল্যাণে শেষ মেশ ৩৬৫ রানে থামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। ধ্বংসস্তূপ থেকে টেনে বের করে রানের খাতা ভরা শুধু এই দুই ব্যাটারের ব্যাট থেকেই এসেছে ইনিংসের ৩১৬ রান। যেখানে টাইগারদের ৬ জন ব্যাটারই সাজঘরে ফিরে গেছেন শূন্য রানে।   



ঢাকা টেস্টে দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ব্যক্তিগত দেড়শ রানের কোটা পার করেছেন মুশফিক। ইনিংস শেষে তিনি অপরাজিত ছিলেন ১৭৫ রান নিয়ে। সঙ্গে শেষ ব্যাটার হিসেবে তার সঙ্গী হিসেবে শূন্য রানে রান আউট হন এবাদত হোসেন। অলআউট হওয়ার শঙ্কা মাথায় নিয়ে মধ্যাহ্নভোজনের বিরতিতে যাওয়ার আগে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩৬১ রানের সংগ্রহ করেছিলো টাইগাররা। তবে বিরতির পর মাত্র ৪ রান যোগ করেই ইনিংস শেষ হয় বাংলাদেশের। 

দ্বিতীয় দিনের খেলার শুরুর পর আর ছন্দ ধরে রাখতে পারেননি লিটন কুমার দাস। টেস্টে প্রথমবারের মতো দেড়শ রানের মাইলফলক ছোঁয়ার দিকে ছুটতে গিয়ে আউট হন ব্যক্তিগত ১৪১ রানে। লিটন ফেরার দুই বল পরেই প্রায় তিন বছর পর টেস্ট দলে ফেরা মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত নিজের উইকেট বিলিয়ে দিয়েছেন রানের খাতা না খুলেই। রাজিথার অফ স্টাম্পের অনেক বাইরের বলে খোঁচা মেরে প্রত্যাবর্তনকে বিষাদময় করেছেন তিনি। তাইজুল ভালোই সঙ্গ দিলেও অসিথার লাফিয়ে ওঠা বল খেলতে গিয়ে আউট হয়ে যান এই বাঁহাতি। 



শ্রীলঙ্কার হয়ে কুশান রাজিথা ও আসিথা ফারনান্দ যথাক্রমে নেন ৫ ও ৪ উইকেট। 

টেস্ট   শ্রীলঙ্কা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন