ইনসাইড গ্রাউন্ড

ইতালির বিপক্ষে আর্জেন্টিনার প্রাথমিক দল ঘোষণা

প্রকাশ: ১০:৩৭ এএম, ১৪ মে, ২০২২


Thumbnail ইতালির বিপক্ষে আর্জেন্টিনার প্রাথমিক দল ঘোষণা

কনমেবল-উয়েফা কাপ অব চ্যাম্পিয়ন্সের ম্যাচে আগামী ১ জুন মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালি এবং কোপা আমেরিকা জয়ী আর্জেন্টিনা। ইংল্যান্ডের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

এই ম্যাচের জন্য ৩৫ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করেছে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনার এই স্কোয়াডে প্রথমবারের মতো জায়গা পেয়েছেন ডাচ ক্লাব ফেয়েনুর্দের ডিফেন্ডার মার্কোস সেনেসি। ইতালির হয়ে খেলার গুঞ্জন ছিল ২৫ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডারের। তবে আর্জেন্টিনার কনকর্দিয়ায় জন্ম নেওয়া এই ফুটবলার শেষ পর্যন্ত জন্মভূমির হয়েই খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এছাড়া চোট থেকে সেরে ওঠার প্রক্রিয়ায় থাকা পিএসজি মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকেও স্কোয়াডের অন্তর্ভুক্ত করেছেন আলবিসেলেস্তে কোচ লিওনেল স্কালোনি।

৩৫ জনের আর্জেন্টিনা স্কোয়াড:

ফরোয়ার্ড

লিওনেল মেসি (পিএসজি), আলেহান্দ্র পাপু গোমেজ (সেভিয়া), নিকোলাস গঞ্জালেজ (ফিওরেন্টিনা), লুকাস ওকাম্পোস (সেভিয়া), আনহেল ডি মারিয়া (পিএসজি), আনহেল কোরেয়া (অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ), পাউলো দিবালা (জুভেন্টাস), হোয়াকিন কোরেয়া (ইন্টার মিলান), হুলিয়ান আলভারেজ (রিভার প্লেট), লুকাস আলারিও (বেয়ার লেভারকুসেন), লাউতারো মার্টিনেজ (ইন্টার মিলান)

মিডফিল্ডার

গুইদো রদ্রিগেজ (রিয়াল বেটিস), লিয়ান্দ্রো পারেদেস (পিএসজি), নিকোলাস ডমিংগুয়েজ (বোলোনিয়া), অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার (ব্রাইটন), রদ্রিগো ডি পল (অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ), এজিকুয়েল প্যালাসিওস (বায়ার লেভারকুসেন), জিওভান্নি লো সেলসো (ভিয়ারিয়াল), এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া (অ্যাস্টন ভিলা)

ডিফেন্ডার

গঞ্জালো মন্তিয়েল (সেভিয়া), নাহুয়েল মলিনা (উদিনেস), হুয়ান ফয়েথ (ভিয়ারিয়াল), লুকাস মার্টিনেজ কুয়ার্তা (ফিওরেন্টিনা), ক্রিস্টিয়ান রোমেরো (টটেনহাম), মার্কোস সেনেসি (ফেয়েনুর্দ), জার্মান পেজেল্লা (রিয়াল বেতিস), লিসান্দ্রো মার্টিনেজ (আয়াক্স), নিকোলাস তালিয়াফিকো (আয়াক্স), নিকোলাস ওটামেন্ডি (বেনফিকা), নেহুয়েন পেরেজ (উদিনেস), মার্কোস আকুনা (সেভিয়া)

গোলরক্ষক

এমিলিয়ানো মার্টিনেজ (অ্যাস্টন ভিলা), হুয়ান মুসো (আটালান্টা), জেরোনিমো রুলি (ভিয়ারিয়াল), ফ্রাঙ্কো আর্মানি (রিভার প্লেট)

ইতালি   আর্জেন্টিনা   দল ঘোষণা   ইউরো   কোপা আমেরিকা   কনমেবল-উয়েফা কাপ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

অনূর্ধ্ব ১৯ দলের প্রধান কোচ স্টুয়ার্ট ল

প্রকাশ: ০৭:৪১ পিএম, ২০ মে, ২০২২


Thumbnail অনুধ্ধ ১৯ দলের প্রধান কোচ স্টুয়ার্ট ল

কোচের দায়িত্ব নিয়ে আবার বাংলাদেশে আসছেন স্টুয়ার্ট ল। তবে জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করবেন না তিনি। দায়িত্ব সামলাবেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের। ২ বছরের জন্য হেড কোচের দায়িত্ব নিয়ে আসছেন স্টুয়ার্ট।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে নতুন এই কোচের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবে বিসিবি।

তিনি বলেন, ‘তাদের সঙ্গে আলোচনা অনেকদিন ধরেই চলছে। এখন চূড়ান্ত বলা যায়। আপাতত দুই বছরের জন্য অনূর্ধ্ব-১৯ দলের দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।

উল্লেখ্য, ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষে কোচিং শুরু করা স্টুয়ার্ট ২০১১-১২ সালে বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচ হয়ে এদেশে আসেন। তার কোচিংয়ে প্রথমবার এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলেছিল বাংলাদেশ। তবে পরিবারকে বেশি সময় দেওয়ার কারণ দেখিয়ে দায়িত্ব নেওয়ার ৯ মাস পরেই সরে যান তিনি।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

লীগ নির্ধারনী মহাগুরুত্বপূর্ণ শেষ ম্যাচের আগে সুসংবাদ পেলেন গার্দিওলা

প্রকাশ: ০৩:৫৫ পিএম, ২০ মে, ২০২২


Thumbnail লীগ নির্ধারনী মহাগুরুত্বপূর্ণ শেষ ম্যাচের আগে সুসংবাদ পেলেন গার্দিওলা

আজ সিটি তো কাল লিভারপুল। ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে এই মৌসুমের শেষে এসে যেনো কোন দলেরই পা হড়কানোর বিন্দু পরিমাণ কোন সুযোগই নেই। কারণ এক পয়েন্টেই যে ঠিক হতে যাচ্ছে এই মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন দলের ভাগ্য। 

এক দশক আগেও যেখানে ৯০ পয়েন্টে নির্ধারিত হয়ে যেতো লীগ জয়ের ভাগ্য। যেখানে এই মৌসুমে লিভারপুল ও সিটি সেটিকে নিয়ে গেছে এক অন্য উচ্চতায়। দুই দলই নিঃশ্বাস ফেলছে একে অন্যর ঘাড়ে। 

যদিও ৩৭ ম্যাচ শেষে ৯০ পয়েন্ট নিয়ে এই মৌসুমে লীগের সবার উপরে আছে সিটি। কিন্তু সমান ম্যাচ খেলে ঠিক এক পয়েন্ট পিছিয়ে সিটির সাথেই লিভারপুলের অবস্থান। দুই দলের হাতেই আছে সমান একটি করে ম্যাচ। সিটি যদি শেষ ম্যাচে এসে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে পচা শামুকে পা না আর কাটে তবে এবারের ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে জয়ী দল হবে তারাই। তবে… জয় ব্যাতিত অন্য যেকোনো ফলাফলই পাল্টে দিতে পারে লীগ ভাগ্য রেখা। কারণ সিটি জয় হীন ম্যাচে লিভারপুল যদি উলভসকে হারিয়ে দেয়, তাহলে আর শীর্ষে থাকা হবে না সিটির। 

দুই দলের জন্যই প্রতিটি মুহূর্ত কাটছে স্নায়ুযুদ্ধের সময়ের মত টান টান উত্তেজনায়। আর তাই তো আগামী রোববার রাত নটায় শুরু হতে যাওয়া দুটি ম্যাচের ফলাফল আসার আগে তাই কোনোভাবেই বলা যাচ্ছে না, এবার কে জিতবে লিগ শিরোপা।  

এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই গার্দিওলার চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন দলের ডিফেন্ডাররা। একে একে চোটে পড়েছিলেন জন স্টোনস, রুবেন দিয়াস, নাথান আকে, কাইল ওয়াকারের মতো ডিফেন্ডাররা।

গত কয়েক ম্যাচে তো দলের ৩৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার ফার্নান্দিনিওকেই খেলতে হয়েছিল সেন্টারব্যাক হিসেবে। মহাগুরুত্বপূর্ণ শেষ লিগ ম্যাচের আগে সে ভয়ে থাকতে হচ্ছে না আর গার্দিওলাকে। আসল সময়ে ওয়াকার ও স্টোনস দুজনই ফিট হয়ে গিয়েছেন, দলের সঙ্গে অনুশীলনও করেছেন। যদিও দিয়াস এখনও দলের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেননি।

রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে চোটে পড়েছিলেন স্টোনস। আগের রাউন্ডের অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে চোটে পড়েছিলেন ওয়াকার।

অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে শেষ লিগ ম্যাচের আগে এর চেয়ে বড় সুসংবাদ হয়তো পেতে পারতেন না গার্দিওলা!

ম্যানচেস্টার সিটি   লিভারপুল   ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

মুস্তাফিজ কি আদৌ টেস্ট খেলবেন?


Thumbnail মুস্তাফিজ কি আদৌ টেস্ট খেলবেন?

মুস্তাফিজুর রহমান। দ্যা ফিজ নামেও বেশ পরিচিত। কাটার মাষ্টার খ্যাত এই বোলারের বল অনেক বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানকেও চোখে সরশে ফুল দেখায়। মাঠের পারফরমেন্সে মুস্তাফিজের জুড়ি মেলা ভাড়। কারণ মুস্তাফিজ যে কখন কি করবে সেটা কেউ বলে দিতে পারে না আগে থেকে। আইপিএলেও মুস্তাফিজের জয়জয়কার। কিন্তু একটি বিষয় নিয়ে মুস্তাফিজকে নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। আর সেটি হলো মুস্তাফিজের টেস্ট খেলতে অনীহার বিষয়টি। এটি এখন অনেকটাই স্পষ্ট যে, মুস্তাফিজ টেস্টে খেলতে চান না। এটা নিয়ে জলঘোলাও কম হয়নি। কিন্তু তারপরও মুস্তাফিজকে টেস্ট দলে পাওয়া নিয়ে এক রকমের সন্দেহ বা সংশয় থেকেই যাচ্ছে। বিশেষ করে যখন দলের সেরা পেস বোলার শরিফুল-তাসকিন ইনজুরির কারণে মাঠের বাইরে তখন মুস্তাফিজের টেস্ট খেলা নিয়ে এখন আলোচনা চলছে। অনেকে বলছেন, মুস্তাফিজ কি আদৌও টেস্ট খেলবে?

মুস্তাফিজের টেস্টে খেলতে না চাওয়ার বিষয়টি নতুন কিছু নয়। গত বছরও বায়োবাবল যন্ত্রণাকে কারণ দেখিয়ে টেস্ট ক্রিকেট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয় মুস্তাফিজুর রহমান। এমনকি বিসিবির সর্বশেষ কেন্দ্রীয় চুক্তির আগেও নিজেকে সাদা পোশাক থেকে দূরে রাখেন। এমনকি বায়োবাবল যতদিন থাকবে ততদিন টেস্ট খেলবেন না বলে নিজেই বোর্ডকে জানিয়েছিলেন মুস্তাফিজ। সম্প্রতি আবারও মুস্তাফিজের টেস্ট খেলতে না চাওয়াটা বিসিবিকে ভাবিয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন তো মুস্তাফিজের টেস্ট খেলতে না চাওয়ার বিষয়টি ভালো চোখে দেখেন নি। 

মুস্তাফিজ সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল কিংবা মুশফিকুর রহিমদের মতো বয়সে পৌঁছাননি, সেটা মনে করিয়ে দিয়ে সুজন বললেন, ‘পাপন ভাই বলেছিলেন খেলোয়াড়রা যে ফরম্যাট খেলতে চায় এ নিয়ে আলাপ করতে পারে। সেটা সিনিয়র খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে কথাটা বলেছেন, সবার ক্ষেত্রে না। এখন যদি জয় বলে আমি ওয়ানডে খেলব আর টেস্ট খেলব না, এটা কি ঠিক হলো নাকি? মুস্তাফিজের আসলে বয়স কত? কয়দিন ধরে খেলে? ও তো সাকিব না, তামিম না, মাশরাফি বা মুশফিক না, যারা এত বছর ধরে বাংলাদেশকে তিন ফরম্যাটে সার্ভিস দিয়েছে। দেশের জন্য খেলা জরুরী।’

খালেদ মাহমুদ সুজন আরও বলেন, ‘সাকিব-তামিমদের বয়স ৩৪-৩৫ বছর। তাদের এখন বিরতি প্রয়োজন, তারা এটার যোগ্য। কিন্তু লিটন দাস তো বিশ্রামের যোগ্য না। লিটন যদি সাকিব-তামিম হতো, বলতাম সেও বিশ্রামের যোগ্য। মুস্তাফিজের অবশ্যই টেস্ট খেলা উচিৎ। এখন তার পিক টাইম। আমরা তো বলছি না সব টেস্ট খেলো। আমি চাই ৬-৮টা টেস্ট ম্যাচ বছরে তার খেলা উচিৎ।’

এদিকে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে দুই তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম নেই, তারা থাকবেন না ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরেও। এই সময়ে মুস্তাফিজকে দরকার। কিন্তু তিনি এখন ব্যস্ত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে। এই অবস্থায় বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল হকও বলছেন, মুস্তাফিজের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে বোর্ড। চট্টগ্রাম টেস্ট শেষে তিনি বলেছেন, ‘আমি জানি না মুস্তাফিজ কয়টা টেস্ট খেলেছে, সত্যি বলতে আমাদের দেশের কোনো পেস বোলারই অভিজ্ঞ না। ২০টাও হবে কি না সব মিলিয়ে টেস্ট ম্যাচ সন্দেহ আছে। আমার কাছে মনে হয় অভিজ্ঞতাটাই ম্যাটার করছে এখানে। আর মুস্তাফিজের বিষয়টাতে বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে কী করবে। ডিমান্ড বলতে যদি বোর্ড দেয় তাহলে অবশ্যই খেলবে।’ 

তিনি বলেন, ‘আপনার যেটা দেখতে হবে মুস্তাফিজ লাল বলে কতদিন খেলেছে। এখানে কিন্তু অনেক কিছু নির্ভর করে। কতদিন খেলছে, না খেলছে। আর ফিটনেসের একটা ইস্যু থাকে। এখন যদি ওকে দরকার হয় তাহলে অবশ্যই খেলবে। দেখেন আমাদের সামনের সারির দুটো পেসার নেই, শরিফুল-তাসকিন। যদি প্রয়োজন হয় তবে অবশ্যই সে খেলবে।’ এক্ষেত্রে অনেকটাই স্পষ্ট যে মুস্তাফিজকে নিয়ে বিসিবিতে একটি অস্বস্তি কাজ করছে। এই অস্বস্তি দূর করার একমাত্র মাধ্যম হলো মুস্তাফিজের টেস্টে ফেরা।

ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, মুস্তাফিজুর রহমান একজন ভালো পেসার এবং কাটার মাস্টার এ বিষয়ে কারও সন্দেহ নেই। কিন্তু তার এই যোগ্যতা দলের জন্য না দিতে পারলে আদতে কোনো লাভ নেই। মুস্তাফিজকে বুঝতে হবে আজকের মুস্তাফিজ তৈরি হয়েছে দলের জন্য খেলে। তাই দলকে আগে প্রাধান্য দিতে হবে। নইলে তার এই বাহিরে খেলায় কোনো লাভ হবে না। আর বিশেষ করে যখন দল বিপদের মধ্যে। দলের প্রধান পেসাররা নেই। এই অবস্থায় তার টেস্টে ফিরে দলের জন্য ভালো কিছু উপহার দেওয়া উচিৎ। 

মুস্তাফিজ   ফিজ   আইপিএল   মুস্তাফিজুর রহমান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ঢাকা টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন নাঈম হাসানও

প্রকাশ: ০৮:২৫ এএম, ২০ মে, ২০২২


Thumbnail ঢাকা টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন নাঈম হাসানও

পেসার শরিফুল ইসলামের পর এবার অফস্পিনার নাঈম হাসানও চলতি সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন। আঙুলের চোটের কারণে ঢাকা টেস্ট থেকে ছিটকে গেছেন নাঈম।

বিসিবির মেডিকেল টিম খবরটি নিশ্চিত করেছে। তবে কতদিন মাঠের বাইরে থাকতে হবে নাঈমকে, তা এখনই নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তার বদলে স্কোয়াডে নতুন কাউকে নেওয়া হবে কি না, সেটিও পরে জানানো হবে।

চট্টগ্রাম টেস্টের চতুর্থ দিনই লঙ্কান অধিনায়ক দিমুথ করুনারাত্নের ড্রাইভ ঠেকাতে গিয়ে ডানহাতের মাঝের আঙুলে ব্যথা পেয়েছিলেন নাঈম। তবে তখন ঠিক বুঝতে পারেননি আঙুলের সত্যিকারের অবস্থা।

সেই ব্যথা নিয়েই পঞ্চম দিন বোলিং করে যান চট্টগ্রামের এ তরুণ অফস্পিনার। পরে খেলা শেষে এক্স-রে করা হলে দেখা যায় ভেঙেই গেছে ডান হাতের মাঝের আঙুলটি।

এই টেস্ট দিয়েই দীর্ঘ ১৫ মাস পর জাতীয় দলে ফিরেছিলেন নাঈম। প্রথম ইনিংসে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করে নিয়েছিলেন ৬টি উইকেট। কিন্তু এক ম্যাচ খেলেই আবার ছিটকে গেলেন এ তরুণ অফস্পিনার।

ঢাকা টেস্ট   নাঈম হাসান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ড্রয়েই শেষ চট্টগ্রাম টেস্ট

প্রকাশ: ০৪:৪৮ পিএম, ১৯ মে, ২০২২


Thumbnail ড্রয়েই শেষ চট্টগ্রাম টেস্ট

নিষ্প্রাণ ড্রতেই শেষ হলো চট্টগ্রাম টেস্ট। পঞ্চম দিনে শুরুটা ধামাকা দার হলেও দ্রুত ৪ উইকেট পতনের পর চান্দিমাল ও ডিকভেলার দৃঢ়চেতা ব্যাটিংয়ে ফ্লাট উইকেটেও লঙ্কানদের আর বিপদে ফেলতে পারেনি টাইগাররা।  শেষ দিনের শেষ বিকেলেও কোনো ঝুঁকি নিতে রাজি না হওয়া শ্রীলঙ্কার সাথে তাই সময় ক্ষেপণ না করেই ড্র মেনে নেয় বাংলাদেশ দল। 

ফলে দ্বিতীয় ইনিংসে লঙ্কানরা ৯০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৬০ রান তোলার পর ড্র হয় চট্টগ্রাম টেস্ট। প্রথম ইনিংসে ৩৯৭ রানে অলআউট হয়েছিল শ্রীলঙ্কা। জবাবে ৪৬৫ রান করে বাংলাদেশ।

তাইজুল ইসলাম ও সাকিব আল হাসানের ঘূর্ণিতে বাংলাদেশ দল নাটকীয়তার আশা জাগিয়েছিল। কিন্তু সব সম্ভাবনা মিইয়ে দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার দুই ব্যাটার দিনেশ চান্দিমাল ও নিরোশান ডিকভেলা। এ দুজনের ব্যাটেই নিষ্প্রাণ ড্রয়ে শেষ হয়েছে টেস্টটি।

১৬১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়া লঙ্কানদের বাঁচিয়েছে এই জুটি। ৩৩.৫ ওভার খেলে তারা যোগ করেন ৯৯ রান।

বিস্তারিত আসছে...

টেস্ট   শ্রীলঙ্কা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন