ইনসাইড গ্রাউন্ড

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: প্রতিশোধ নাকি পুনরাবৃত্তি?


Thumbnail চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: প্রতিশোধ নাকি পুনরাবৃত্তি?

২৬ মে, ২০১৮, ইউক্রেনের কিয়েভ। ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল। মুখোমুখি লিভারপুল-রিয়াল মাদ্রিদ। গোলরক্ষক লরিস ক্যারিয়াসের শিশুতোষ ভুলে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে সেদিন দাঁড়াতেই পারেনি লিভারপুল। সাদামাটা ফাইনালে ৩-১ গোলে জিতে যায় লস ব্ল্যাঙ্কোসরা। তিন গোলের দুইটিতেই ছিল অলরেড গোলরক্ষকের অবদান। নিজ দলের এমন একতরফা পরাজয় মাঠে থেকে দেখতে পারেননি দলের সেরা তারকা মোহাম্মদ সালাহ। ম্যাচের ১৩ মিনিটের মাথায় দুর্ভাগ্যজনকভাবে আহত হয়ে বাধ্য হয়ে মাঠ থেকে উঠে যেতে হয়েছিল তাকে। এই ইনজুরির কারণেই পরবর্তীতে রাশিয়া বিশ্বকাপেও ফর্মে ছিলেন না মোহাম্মদ সালাহ। তাই প্রতিশোধ নিয়ে হয়তো সবসময়ই চেয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের সাথে আবারও দেখা হোক। প্রতিশোধ কেবল সালাহরই নয়, প্রতিশোধ নিতে মরিয়া ইয়ুর্গেন ক্লপ এমনকি লিভারপুলও। প্রতিশোধের সেই সুযোগ দিতে কার্পণ্য করেনি ফুটবল বিধাতা।

দু:সহ স্মৃতির চার বছর পর প্রতিশোধে বুধ হয়ে থাকা অলরেডদের সামনে ফ্রান্সের স্তাদ দো ফ্রান্সে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে আবারও রিয়াল মাদ্রিদ। প্রতিশোধ নিতে উদগ্রীব মোহামেদ সালাহও। কাকে ফাইনালে প্রতিপক্ষ হিসেবে চান, এমন প্রশ্নে যেমন বলেছেন স্প্যানিশ জায়ান্টদের নাম তেমনি রিয়াল ফাইনাল নিশ্চিত করার পরেই তিনি টুইট করেছিলেন, ‘We have a score to settle.’

অন্যদিকে প্রতিশোধের আগুন জ্বলছে রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তি’র মনেও। ২০০৫ সালে এসি মিলানের বিপক্ষে লিভারপুলের অবিশ্বাস্য কামব্যাকের কথা ভক্তদের ভুলে যাওয়ার কথা নয়। সেইদিন ইতালিয়ান ক্লাবটির ডাগআউটে ছিলেন স্বদেশী কার্লো। আর তাই মুখে কিছু না বললেও তিনি যে পুরনো ক্ষতে প্রলাপ দিতে চাইবেন তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

প্রতিশোধের আগুনে উত্তপ্ত ম্যাচে কি প্রতিশোধ নিতে পারবে অলরেডরা নাকি আবারও ২০১৮ সালের পুনরাবৃত্তি দেখবে ফুটবল বিশ্ব, এমন প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। প্রতিশোধ নাকি পুনরাবৃত্তি? উত্তর জানা যাবে আজ (২৮ মে) রাত একটায় স্তাদ দো ফ্রান্সে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

বাংলাদেশকে অলআউট করে ক্যারিবীয়দের ব্যাটিং তাণ্ডব

প্রকাশ: ০৮:৫৩ এএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail বাংলাদেশকে অলআউট করে ক্যারিবীয়দের ব্যাটিং তাণ্ডব

সেন্ট লুসিয়া টেস্টে যে উইকেটে বাংলাদেশি ব্যাটারদের দেখা গেছে খারাপ খেলতে, সেই একই উইকেটে ভয়ডরহীন ব্যাটিং করছেন ক্যারিবীয় দুই ওপেনার। আগের টেস্টে ধীরগতিতে ইনিংস সাজানোর চেষ্টা ছিল স্বাগতিকদের। তবে এবার বাংলাদেশকে ২৩৪ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর মারকুটে চেহারায় হাজির হন তারা। প্রথম দিন শেষে ১৬ ওভারেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ তুলে ফেলেছে বিনা উইকেটে ৬৭ রান। 

বাংলাদেশের পাঁচ বোলার বল করেও একটি উইকেটের পতন ঘটাতে পারেননি। ক্যারিবীয় অধিনায়ক ক্রেইগ ব্রেথওয়েট ৫৫ বলে ৩৩ আর জন ক্যাম্পবেল ৪১ রানে অপরাজিত আছেন ৩২ রানে।

এর আগে লিটন দাসের হাফসেঞ্চুরি আর টেল এন্ডারদের দৃঢ়তায় বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে পৌঁছাতে পেরেছে ২৩৪ রান পর্যন্ত। ৬৪.২ ওভার খেলে অলআউট হয়ে যায় টাইগাররা।

অ্যান্টিগা টেস্টের সঙ্গে সেন্ট লুসিয়ায় কিছুটা পার্থক্য অন্তত তৈরি করতে পেরেছে বাংলাদেশ। তবে সেটা সন্তোষজনক নয়। কোনো ম্যাচে দ্রুত একটা-দুটা উইকেট পড়তেই পারে। তবে, নিয়মিত বিরতিতে যখন উইকেট পড়তে শুরু করে তখনই বিপদ।

সেন্ট লুসিয়া টেস্টের প্রথম সেশনে ২টি এবং দ্বিতীয় সেশনে পড়লো ৪টি উইকেট। এরপর শেষ সেশনের শুরুতে পড়লো বাকি ৪ উইকেটও। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়ার কারণে অলআউট হতে হলো ২৩৪ রানে।

লিটন দাস সর্বোচ্চ ৫৩ রান করেছেন। ক্যারিয়ারের ১৪তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন তামিম ইকবাল, ২৬ রান করেছেন শরিফুল ইসলাম এবং এবাদত হোসেন করেন ২১ রান।

৭ বছরেরও বেশি সময় পর দলে ফিরে এসে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারলেন না এনামুল হক বিজয়। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ম্যাচের পর ম্যাচ যেভাবে রানের বন্যা বইয়ে দিয়েছিলেন, সেন্ট লুসিয়ায় তার ছিটেফোঁটাও দেখাতে পারলেন না। বরং, দলকে হতাশা উপহার দিয়ে ফিরে গেলেন মাত্র ২৩ রান করে।

ক্যারিবিয়ান অভিষিক পেসার অ্যান্ডারসন ফিলিপের বলে উইকেট হারিয়েছিলেন টপ অর্ডারের ব্যাটার মাহমুদুল হাসান জয়ও। ৬৮ রানে দুই উইকেট পড়ার পর এনামুল হক বিজয়কে নিয়ে জুটি গড়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত; কিন্তু দলকে ১০৫ রানে বসিয়ে রেখে পরপর আউট হয়ে গেলেন বিজয় এবং শান্ত। বিজয় আউট হয়েছেন কাইল মায়ার্সের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে।

এনামুল হক বিজয় আর নাজমুল হোসেন শান্তর জুটিতে মনে করা হচ্ছিল, বাংলাদেশ বুঝি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। হয়তো উইকেটে জমিয়ে বসে যাচ্ছেন এই দুই ব্যাটার। কিন্তু অ্যান্ডারসন ফিলিপের বলে প্রথমে বিজয় হলেন এলবিডব্লিউর শিকার। পরের ওভারে কাইল মায়ার্সের বলে হলেন এলবিডব্লিউ। বিজয় ৩৩ বল খেলে করেছেন ২৩ রান এবং শান্ত খেলেছেন ৭৩ বল। করেছেন ২৬ রান।

শান্ত বিজয়ের পর জুটি গড়েন সাকিব আল হাসান এবং লিটন দাস। কিন্তু এই জুটিও বেশিদুর এগুতে পারেননি। মাত্র ২০ রানের জুটি গড়ার পর তাদের বিচ্ছিন্ন করে দেন জাইডেন সিলস। মাত্র ৮ রান করে সিলসের বলে বোল্ড হয়ে যান অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

৬ নম্বর ব্যাটার হিসেবে আউট হয়েছেন নুরুল হাসান সোহান। অ্যালজারি জোসেফের লেগ স্ট্যাম্পের ওপর উঠে আসা একটি বাউন্সারকে ঠিকমত সামলাতে পারেননি। ঘাড়ের ওপর থাকা বলটাকে শেষ মুহূর্তে গ্লাভসে লাগিয়ে জমা দিলেন উইকেটের পেছনে জসুয়া ডা সিলভার হাতে। ৭ রান করে ফিরে যান সোহান।

মেহেদী হাসান মিরাজ স্বচ্ছন্দেই খেলছিলেন লিটনের সঙ্গে। কিন্তু তার দুর্ভাগ্য। দুর্দান্ত এক ক্যাচের শিকার হলেন। কাইল মায়ার্সের বলে বদলি ফিল্ডার থমাসের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হন তিনি। পয়েন্ট দাঁড়িয়ে তিনি ঝাঁপ দেন লং থার্ডম্যানের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ক্যাচটি ধরেন। মাত্র ৯ রান করে আউট হন মিরাজ।

শরিফুল ইসলাম আর খালেদ আহমেদ মিলে দারুণ জুটি গড়েন। মাত্র ১৭ বল খেলে ২৬ রান করে আউট হন শরিফুল। ২১ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন এবাদত হোসেন।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে মাহমুদুল হাসান জয়ের উইকেট হারালেও হাফসেঞ্চুরির দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিলেন ওপেনার তামিম ইকবাল। কিন্তু মাত্র ৪ রানের জন্য ক্যারিয়ারে ৩২তম ফিফটিটি মিস করেছেন বাঁহাতি এই ওপেনার।

ইনিংসের ২৩তম ওভারে আলজেরি জোসেফের বলে টাইমিং গড়বড় করে কভার পয়েন্টে ক্যাচ হয়েছেন তামিম। ৬৭ বলে গড়া তার ৪৬ রানের ইনিংসে ছিল ৯টি বাউন্ডারির মার। ২৬ ওভারে ২ উইকেটে ৭৭ রান নিয়ে প্রথম দিনের লাঞ্চ বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

গ্রস আইলেটের ড্যারেন স্যামি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে টসভাগ্য সহায় হয়নি বাংলাদেশের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক ক্রেইগ ব্রেথওয়েট টস জিতে টাইগারদের ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছেন।

প্রথম ওভারেই বিপদে পড়তে পারতো বাংলাদেশ। কেমার রোচের ওভারের পঞ্চম বলে জোরালো আবেদন হয়েছিল। তামিম ইকবালের প্যাডে বল লাগায় রিভিউও নিয়েছি ক্যারিবীয়রা। কিন্তু বল লেগ স্ট্যাম্প হালকা ছুঁয়ে গেলেও আউট পায়নি স্বাগতিকরা। বরং ওভারের শেষ বলটি ফ্লিক করে সীমানাছাড়া করেন তামিম।

রোচের পরের ওভারের প্রথম বলে আরেকটি বাউন্ডারি হাঁকান তামিম। এবার হাঁটু গেড়ে চমৎকার কভার ড্রাইভে। এমন শুরু করা তামিম এখন পর্যন্ত খেলছেন বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে।

তবে প্রথম টেস্টের মতো বিপজ্জনক জায়গায় বল ফেলে ইনিংসের যাচ্ছেন কেমার রোচ। উইকেট পাওয়ার খুব কাছাকাছিই চলে এসেছিলেন ক্যারিবীয় পেসার। কিন্তু ভাগ্য সহায় হয়নি।

ইনিংসের সপ্তম ওভারের ঘটনা। ওভারের চতুর্থ বলটি মাহমুদুল হাসান জয়ের প্যাডে লাগলে আবেদন করেন রোচ। আউট দেন আম্পায়ার রিচার্ড ইলিংওর্থ। রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। দেখা যায়, বল জয়ের লেগ স্ট্যাম্পের অনেকটা বাইরে ছিলো।

পরের বলটি নিচু হয়ে লেগেছিল জয়ের প্যাডে। এবারও আবেদনে আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার। বাংলাদেশ নেয় রিভিউ। এবারও দেখা যায়, বল লেগ স্ট্যাম্পের বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যেতো। সিদ্ধান্ত বদলাতে হয় আম্পায়ারকে। টানা দুই বলে বেঁচে যান জয়।

তারপরও ইনিংসটা বড় করতে পারেননি না ডানহাতি এই ওপেনার। এবার আর রিভিউ নেওয়ার সুযোগ ছিল না। ব্যক্তিগত ১০ রানে ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলে সরাসরি বোল্ডই হয়েছেন অভিষিক্ত পেসার অ্যান্ডারসন ফিলিপের বলে। ১২.২ ওভারে জয়-তামিমের জুটিটি ছিল ৪১ রানের।

সেন্ট লুসিয়া টেস্ট   বাংলাদেশ   ক্যারিবীয়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

২০২২ সালের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে হাজার রানের মাইলফলক লিটনের

প্রকাশ: ০৮:৪৬ এএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail ২০২২ সালের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে হাজার রানের মাইলফলক লিটনের

সাদা পোশাকে বেশ ছন্দেই ছিলেন লিটন দাস। তবে রঙীন পোশাক গায়ে চড়ালেই তা যেন ফ্যাঁকাসে হয়ে যেত। সেই সময়টা চলতি বছর পেছনে ফেলেছেন অবশেষে। চলতি বছর যখনই ব্যাট হাতে নেমেছেন, লিটন ভরসা যুগিয়েছেন বাংলাদেশকে। দেখালেন গত রাতেও। উইন্ডিজ বোলারদের তোপে বাংলাদেশ যখন ২০০’র নিচে অলআউটের শঙ্কায়, তখনই বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন। ফিফটি করলেন। ছুঁয়ে ফেললেন আরও একটা কীর্তিও। টেস্ট, ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টির দারুণ ফর্মের সুবাদে ২০২২ সালের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ছুঁয়ে ফেললেন সব ফরম্যাট মিলিয়ে ১০০০ রান ছোঁয়ার মাইলফলক।

এই মাইলফলক ছুঁতে অবশ্য খুব একটা বেগ পেতে হয়নি তাকে। ৯৯৬ রান নিয়ে শুরু করেছিলেন সেন্ট লুসিয়া টেস্ট। এনামুল হক বিজয়ের বিদায়ে এসেছিলেন ক্রিজে। পরের ওভারে দেখলেন সঙ্গী নাজমুল হোসেন শান্তকে ফিরে যেতে। 

তবে লিটন তাতে বিচলিত হলেন না একটি। অ্যান্ডারসন ফিলিপসের করা পরের ওভারেই রানের খাতা খুললেন দর্শনীয় এক চারে। ফিলিপসের ব্যাক অফ দ্য লেন্থের বলটা ব্যাটের ফেস খুলে পয়েন্ট অঞ্চল দিয়ে পাঠিয়ে দেন সীমানার বাইরে। মাইলফলকটা ছুঁয়ে ফেলেন তাতেই।

সেখানেই অবশ্য থামেননি। ওপাশ থেকে সাকিব আল হাসান, নুরুল হাসান, মেহেদি হাসান মিরাজদের বিদায় নিতে দেখেছেন একে একে। তাতে ইনিংস গড়ার দায়িত্বটা এসে পড়ে তার কাঁধেই। সে দায়িত্বের পুরোটা পালন করা হয়নি অবশ্য। ৭০ বলে খেলেছেন ৫৩ রানের ইনিংস। তাতে বাংলাদেশ পেয়েছে ২০০ পেরোনোর দিশা।

এই ইনিংসের পর লিটনের রানসংখ্যা দাঁড়াল ১০৪৯। ২০ ইনিংস লেগেছে এই মাইলফলক ছুঁতে। ৪৯.৯৫ গড়ে করেছেন এই রান। গত রাতের এই ইনিংস শেষে লিটনের ফিফটি দাঁড়াল ৬টি, পাশাপাশি সেঞ্চুরিও আছে ৩টি। গেল সিরিজে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেছেন ১৪১ রানের ইনিংস, এখন পর্যন্ত সেটাই হয়ে আছে তার সর্বোচ্চ।

চলতি বছর লিটনের হাজার রানের ৩৩৬ রান এসেছে ওয়ানডে আর ৭৩ রান এসেছে টি-টোয়েন্টি থেকে। ৬ ওয়ানডেতে খেলেছেন, ৫৬ গড়ে একটি সেঞ্চুরি ও দুইটি ফিফটি তুলে নিয়েছেন তিনি। আর টি-টোয়েন্টিতে ২ ইনিংস খেলেছেন তিনি। এখানেও ফিফটি আছে একটি।

লিটন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

একাদশে দুই পরিবর্তন: থাকছেন বিজয়-শরিফুল

প্রকাশ: ০৭:৫৩ পিএম, ২৪ Jun, ২০২২


Thumbnail একাদশে দুই পরিবর্তন: থাকছেন বিজয়-শরিফুল

দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে অ্যান্টিগায় যে একাদশ নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ দল, সেই একাদশ থেকে সেন্ট লুসিয়ায় দ্বিতীয় টেস্টে দুটি পরিবর্তন এনেছে টাইগাররা। টানা অফ ফর্মের কারণে বাদ পড়েছেন সদ্য সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল হক, বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে মুস্তাফিজুর রহমানকে।

টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান মুমিনুলের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন এনামুল হক বিজয়। বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজের পরিবর্তে খেলবেন শরিফুল ইসলাম। প্রথম টেস্ট ৭ উইকেটে হারের পর সিরিজ বাঁচাতে এ ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই সফরকারীদের সামনে। এমন সমীকরণ নিয়ে খেলতে নেমে আবারো টস হেরে ব্যাটিং করবে অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের দল।

ঘরোয়া ক্রিকেটে আলো ছড়িয়ে বাংলাদেশ দলে ডাক পেয়েছেন বিজয়। শুরুতে উইন্ডিজ সফরের টি-টোয়েন্টি আর ওয়ানডে স্কোয়াডে নাম ছিল তার। পরে ইয়াসির আলি রাব্বির চোটে টেস্টেও ডাক পান। ২৯ বছর বয়সী বিজয়ের বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক হয় প্রায় এক দশক আগে। তবে সাকুল্য ৪টি টেস্ট খেলেছেন। ৯.১২ গড়ে করেছেন ৭৩ রান। 

শেষ টেস্ট খেলেছেন ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে। কাকতালীয়ভাবে বিজয় শেষবার সাদা পোশাকে খেলেছিলেন এই উইন্ডিজের বিপক্ষে, সেন্ট লুসিয়াতেই। সেই একই প্রতিপক্ষ, একই মাঠে প্রত্যাবর্তন হলো তার। মুস্তাফিজকে সাদা বলের দুই সিরিজের কথা ভেবে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। এজন্য চোট কাটিয়ে একাদশে ফিরছেন শরিফুল।

দ্বিতীয় টেস্টের জন্য বাংলাদেশ একাদশ-

তামিম ইকবাল খান, মাহমুদুল হাসান জয়, এনামুল হক বিজয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), লিটন কুমার দাস, নুরুল হাসান সোহান (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, এবাদত হোসেন, সৈয়দ খালেদ ও শরিফুল ইসলাম।

বিজয়   শরিফুল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

সিরিজের শেষ টেস্টেও টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৭:৪৭ পিএম, ২৪ Jun, ২০২২


Thumbnail সিরিজের শেষ টেস্টেও টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

সেন্ট লুসিয়ার ড্যারেন স্যামি স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের শেষ টেস্টে মুখোমুখি বাংলাদেশ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন উইন্ডিজ অধিনায়ক ক্রেইগ ব্রাথওয়েট।

উইন্ডিজ সফরে অ্যান্টিগায় প্রথম টেস্টে ব্যাটিং বিপর্যয়ে মুখে পড়ে ৭ উইকেটে হারে বাংলাদেশ। দুই ইনিংসে ব্যাট হাতে শুধু অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের ব্যাটই কথা বলেছে। সেন্ট লুসিয়ায় আরও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে যাচ্ছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা, কারণ ড্যারেন স্যামি স্টেডিয়ামের উইকেট বরাবরই বোলারদের একটু বাড়তি সুবিধা দিয়ে থাকে।  

প্রথম টেস্টেও টস হেরে শুরুতে ব্যাটিং করতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। সেন্ট লুসিয়ায় শুরুতে ব্যাটিং করতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব। তবে এই মাঠে বোলাররা যে বাড়তি সুবিধা পেতে যাচ্ছেন, সেটার সুবিধা আগে নিতে চান উইন্ডিজ অধিনায়ক ব্রাথওয়েট। সেজন্য আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উইন্ডিজ দলপতি।

ম্যাচের আগে প্রথম টেস্টের মতো শুরুর বিপর্যয় এড়াতে এবার প্রথম দিনের প্রথম সেশন নিয়ে বাড়তি মনোযোগী হওয়ার কথা বলেছিলেন সাকিব, ‘আমাদের ফোকাস থাকবে প্রথম দুই ঘণ্টায়। সেটা আমরা ব্যাটিং করি বা বোলিং করি। তারপর থেকে আমাদের ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলতে হবে। প্রথম দুই ঘণ্টা আমরা ভালোভাবে শুরু করার চেষ্টা করব।’

দুই টেস্টের এই সিরিজ আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৯ ম্যাচ থেকে মোটে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে এখন পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে রয়েছে বাংলাদেশ। আর ৮ ম্যাচ থেকে ৪২ পয়েন্ট ছয়ে অবস্থান করছে উইন্ডিজ।

ব্যাটিং   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

সেন্ট লুসিয়ায় দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

প্রকাশ: ০২:১৪ পিএম, ২৪ Jun, ২০২২


Thumbnail সেন্ট লুসিয়ায় দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সেন্ট লুসিয়ায় সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় মাঠে নামছে টাইগাররা। প্রথম টেস্টে ব্যর্থতার পর দ্বিতীয় টেস্টে একাদশে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেন অধিনায়ক সাকিব। সেই হিসেবে দলে সুযোগ পেতে পারেন এনামুল হক বিজয়।  

বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের কাছে এই মুহূর্তে গুরুত্ব পাচ্ছে প্রথম দিনের প্রথম দুই ঘণ্টা। এই সেশনে ব্যাটে কিংবা বলে দারুণ একটা শুরু এনে দিতে পারলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ থাকবে টাইগারদের নিয়ন্ত্রণে।

এ বিষয়ে সাকিব বলেন, দ্বিতীয় টেস্টে আমরা প্রথম দুই ঘণ্টার ব্যাটিং এবং বোলিং ফোকাস করতে পারি। এরপর ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলতে হবে। কিন্তু প্রথম দুই ঘণ্টা আমরা ভালোভাবে শুরু করার চেষ্টা করব।

দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ : 

তামিম ইকবাল, মাহমুদুল হাসান জয়, নাজমুল হাসান শান্ত, মুমিনুল হক, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), মেহেদি হাসান মিরাজ, এনামুল হক বিজয়, শরিফুল ইসলাম, এবাদত হোসেন, খালেদ আহমেদ।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ   বাংলাদেশ   ক্রিকেট  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন