ইনসাইড গ্রাউন্ড

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের এ কি হাল!


Thumbnail

‘শনির দশা’ চলছে ফ্রান্স ফুটবলের উপর। দলটা যে জয়ের স্বাদ কেমন হয় সেটাই ভুলতে বসেছে। উয়েফা নেশনস লিগের আগের আসরের চ্যাম্পিয়ন দল ফ্রান্স। অথচ চলতি আসরে এখনও জয় নামক সোনার হরিণের দেখা পায়নি তারা। গত রাতে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে এক গোলের ব্যবধানে আবারও হেরেছে দিদিয়ের দেশমের দল। 

গেল বছর ইউরো কাপের শেষ আটে উঠতে পারেনি বিশ্বজয়ী ফ্রান্স। কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াইয়ে সুইজারল্যাান্ডের সাথে ৩-৩ গোলে অমীমাংসিত হবার পর ম্যাচ গড়ায় ট্রাইব্রেকারে। সেখানে ৫-৪ ব্যাবধানে হেরে ছিটকে পড়ে ইউরো সেরার লড়াই থেকে। 

পাঁচমাস পরই কাতার বিশ্বকাপ। বড় এই টুর্নামেন্টের আগে ইউরোপীয় দলগুলোর সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ থাকছে চলমান উয়েফা নেশন্স লিগে। নেশন্স লিগ নামে ভারি না হলেও বিশ্বকাপের প্রস্তুতি অন্তত নেওয়াই যায়। সেখানে ফ্রান্সের প্রস্তুতি যেমন হচ্ছে, ৪ ম্যাচে মাত্র ২ পয়েন্ট। দুটি ড্র, দুটি হার। জয় নেই! 'এ১' গ্রুপের তলানিতে গিয়ে নেশনস লিগে চূড়ান্ত চার দলের তালিকায় নাম লেখাতে পারেনি বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। উয়েফার অন্তর্ভুক্ত ৫৫ দেশের এই ফুটবল টুর্নামেন্ট এক অর্থে ইউরোপ সেরারই লড়াই। অথচ গ্রুপ পর্বে লিগের প্রথম চার ম্যাচের একটিতে জিততে পারেনি ফ্রান্স। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ডেনমার্কের সাথে ২-১ গোলে হেরে ‘আপসেট’ এর জন্ম দেয় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। এর পরের ম্যাচ ক্রোয়েটদের মাঠে সাথে ১-১ গোলে ড্র করে জয়ের আশা জাগিয়েও পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে গেলবারের চ্যাম্পিয়নরা। পরের ম্যাচে অস্ট্রিয়ার সাথে ম্যাচের শেষ দিকে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলে ড্র করে মান বাঁচায় ফ্রান্স। গতকাল চতুর্থ ম্যাচে ঘরের মাঠে লুকা মদরিচের একমাত্র গোলে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে এই পতন আজ নিশ্চিত হলো।

বিশ্বকাপের আগে যেখানে ফেবারিট দলগুলো প্রতিপক্ষের জালে গোল উৎসব করে একের পর এক জয় তুলে নিচ্ছে, ফরাসিরা সেখানে যেন খাবি খাচ্ছে একটি জয়ের জন্য। নভেম্বর কাতার বিশ্বকাপের জন্য সব দলই নিজেদের বাজিয়ে নিচ্ছে, সেখানে ফ্রান্স যেন খেই হারিয়ে নিজেদের খুঁজছে? 

জয়ের জন্য মরিয়া ফ্রান্সের তারকা খেলোয়াড়েরা অবশ্য ক্লাবে স্বনামে উজ্জ্বল। সদ্য সমাপ্ত চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শিরোপাধারী রিয়াল মাদ্রিদ স্ট্রাইকার করিম বেনজেমা দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে এবারের ব্যালন ডি’অর প্রত্যাশী। অন্যদিকে কিলিয়ান এমবাপ্পেও পিএসজি’র সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে মৌসুম শেষ করেছেন। অ্যান্তোনি গ্রিজম্যান, কিংসলে কোমান, অলিভার জিরুডের মত ফরোয়ার্ড নিয়ে গড়া বিশ্বসেরা অ্যাটাকিং দলের মিডফিল্ডে দারুণ ছন্দে আছেন পল পগবা, এনগোলো কান্তে। তরুণ মিডফিল্ডার অরেলিয়ান শৌয়ামনিকে নিয়ে তো ইউরোপের দলগুলোর কাড়াকাড়ি শেষ হল রিয়াল মাদ্রিদে চুক্তির মাধ্যমে। ইব্রাহিম কোনাতে, থিয়াগো হার্নান্দেজ, রাফায়েল ভারানে, উইলিয়াম সালিবা, বেঞ্জামিন পাভার্ডের মত তারকা ডিফেন্ডার এবং হুগো লরিস, আলফোনসো অরেওলা বা মাইক মাইগনানের মত গোলকিপার স্কোয়াডে থাকা দলটি কেন ম্যাচের পর ম্যাচ জয়বঞ্চিত থাকছে? সেটা এক অমীমাংসিত রহস্য যেন। 

দিদিয়ের দেশমের হিসেবে কোথাও কি কোন গড়মিল হচ্ছে?


বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন   ফ্রান্স  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

শেষ পর্যন্ত অবসরই নিলেন মরগান

প্রকাশ: ০৯:১২ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail শেষ পর্যন্ত অবসরই নিলেন মরগান

দীর্ঘদিন ধরেই ফর্মহীনতায় ভুগছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক ইয়ন মরগান। কয়েকদিন ধরেই গুঞ্জন চলছিল ক্রিকেট থেকে অবসরে যাবেন তিনি। এবার সেটিই সত্য হলো। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেন ইংলিশ এই ব্যাটার।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে আইসিসি।

ইংল্যান্ডের জার্সিতে মরগানের অবদান অনেক। সীমিত ওভারে দলটির রূপ বদলে দেওয়ার অন্যতম কারিগর তিনি। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই নেই ফর্মে। গত দেড় বছরে ৪৮টি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি (ঘরোয়া/ফ্রাঞ্চাইজ টুর্নামেন্টসহ) মিলিয়ে ফিফটির দেখা পেয়েছেন কেবল একবার।  

নিজের শেষ ওয়ানডে সিরিজে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে দুই ম্যাচেই শূন্য রান নিয়ে সাজঘরে ফেরেন মরগান। ফর্মে না থাকা এই ব্যাটার হয়তো আগেই বুঝেছিলেন নিজের ব্যর্থতার কথা। তাইতো ম্যাচ পূর্ববতী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘যদি মনে করি ভালো খেলতে পারছি না বা দলের জন্যে অবদান রাখতে পারছি না, তা হলে খেলা ছেড়ে দেব। ’

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মরগানের শুরুটা ২০০৬ সালে আয়ারল্যান্ডের হয়ে। তিন বছর পর ইংল্যান্ডের হয়ে অভিষেক হয় তার। ২০১৫ বিশ্বকাপে দলের ভরাডুবির পর নেতৃত্বের দায়িত্ব পান তিনি। কোচ ট্রেভর বেলিসকে সঙ্গে নিয়ে পুরো সেসময় পাল্টে দেন এই অধিনায়ক।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রথম বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পায় ইংল্যান্ড। এরপর আর ব্যাট হাতে ভালো ইনিংসের দেখা পাননি তিনি। শেষ পর্যন্ত সাড়ে ৭ বছর পর অবসরের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতি টানলেন ইংলিশ এই তারকা।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময়সূচি ঘোষণা

প্রকাশ: ০৪:৪১ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail

অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ায় বসবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। তার আগে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য একটি টি-টোয়েন্টি ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রিকেট নিউজিল্যান্ড। সেই সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল দেশটি।

বাংলাদেশ আগেই সিরিজ খেলতে নিজেদের সম্মতি দিয়েছিল, তবে পাকিস্তান সেপ্টেম্বরে ঘরের মাঠে ইংল্যান্ড সিরিজের সূচি নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় ছিল। সেটা হয়ে যাওয়ার পরই গত ২৬ জুন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) প্রধান রমিজ রাজা ত্রিদেশীয় সিরিজে দেশটির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেন।

ত্রিদেশীয় সিরিজের সব পক্ষের সম্মতি পাওয়ার পর এবার সিরিজের সূচি ঘোষণা করেছে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। সিরিজের ফরম্যাট হবে ডাবল হেডার, তথা প্রথম পর্বে তিন দেশই একে অন্যের বিপক্ষে দুইবার করে খেলবে। এরপর সর্বোচ্চ পয়েন্ট পাওয়া দুই দল মুখোমুখি হবে ফাইনালে।

৮ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় সকাল ৯ টায় পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে ত্রিদেশীয় সিরিজ। ১০ অক্টোবর স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। এরপর ১৩ ও ১৪ অক্টোবর যথাক্রমে নিউজিল্যান্ড এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম পর্বের বাকি দুটি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ফাইনাল হবে ১৫ অক্টোবর। সিরিজের সবগুলো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালে।

ত্রিদেশীয় সিরিজের পূর্ণাঙ্গ সূচি

বাংলাদেশ - পাকিস্তান (৮ অক্টোবর, সকাল ৯টা)

নিউজিল্যান্ড - পাকিস্তান (৯ অক্টোবর, দুপুর ১টা)

নিউজিল্যান্ড - বাংলাদেশ (১০ অক্টোবর, দুপুর ১টা)

নিউজিল্যান্ড - পাকিস্তান (১২ অক্টোবর, সকাল ৯টা)

নিউজিল্যান্ড - বাংলাদেশ (১৩ অক্টোবর, সকাল ৯টা)

বাংলাদেশ - পাকিস্তান (১৪ অক্টোবর, সকাল ৯টা)

ফাইনাল (১৫ অক্টোবর, সকাল ৯টা)

* বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

হোয়াটওয়াশ হয়েই টেস্ট সিরিজ শেষ করলো বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৮:৩৫ এএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail হোয়াটওয়াশ হয়েই টেস্ট সিরিজ শেষ করলো বাংলাদেশ

বাংলাদেশ দলকে সাদা বলের ক্রিকেটে আবারো হোয়াটওয়াশ করে এই ফরম্যাটে নিজেদের আধিপত্য বজার রাখলো ক্যারিবিয়রা। দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিনে বাংলাদেশ দল ইনিংস হারের লজ্জা এড়িয়ে ক্যারিবিয়ানদের সামনে মাত্র ১২ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায়। লক্ষ্য তাড়ায় ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৭ বল খেলে গোটা ১০ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে উইন্ডিজ। 

হারটা একপ্রকার নিশ্চিতই ছিল। তবে এদিন নুরুল হাসান সোহানের দারুণ এক ইনিংসে কোন রকমে ইনিংস হার এড়ায় বাংলাদেশ দল। ২০০০ সালে টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পর ২২ বছরে ১৩৪টি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ দল। এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে সাদা পোশাকে হারের সেঞ্চুরি পূর্ণ করল তারা। যেখানে ১০০ হারের বিপরীতে টাইগারদের জয় ১৬টি ও ড্র আছে ১৮টি। 

সেই সাথে ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটের দলের বিপক্ষে শেষ ৪ দেখায় টানা ৪ পরাজয় বাংলাদেশের, সব মিলিয়ে ২০ টেস্টে এটি ১৪তম পরাজয়। 

ক্যারিবিয়দের বিপক্ষে এ হার টেস্টে বাংলাদেশ দলের শততম। মাত্র ১৩৪ ম্যাচেই পরাজয়ের সেঞ্চুরির স্বাদ পেল বাংলাদেশ দল। 

সাকিব বাহিনী অ্যান্টিগায় তিনদিনেই পরাজিত হয়েছিল। সেন্ট লুসিয়ায় সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচেও একই চিত্রনাট্য। ব্যাটারদের ভরাডুবিতে তিন দিনেই আবারো হারের শঙ্কা চেপেছিল। যদিও বৃষ্টি ভাগ্যে শেষমেশ তা হয়নি। খেলা গড়ায় চতুর্থ দিনে।

বৃষ্টির কারণে চতুর্থ দিনের দুটি সেশন মাঠেই গড়ায়নি। তৃতীয় সেশনে স্থানীয় সময় বিকেলে খেলা শুরু হতেই আবারো সেই বিপর্যয়। আগের দিনে বাকি থাকা চার উইকেট টিকল মাত্র ৫৪ বল। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮৬ রানেই গুঁড়িয়ে গেছে বাংলাদেশের ইনিংস।

যদিও নুরুল হাসান সোহানের ব্যাটে ভর করে কোনো রকমে ইনিংস হারের লজ্জা এড়ায় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকা উইকেটকিপার এ ব্যাটার ৫০ বলে ৬০ রানের ক্যামিওতে দলকে লিড এনে দেন। তবে যোগ্য সঙ্গ না পাওয়ায় মাত্র ১২ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।

সহজ লক্ষ্য পেরোতে ক্যারিবীয়দের খরচ করতে হয়েছে কেবল ১৭ বল। কোনো উইকেট না হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছে গেছে ক্রেইগ ব্রাথওয়েটের দল।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ   বাংলাদেশ   ক্রিকেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে সংশয়ে আনহেল ডি মারিয়া

প্রকাশ: ১২:৪০ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail

আর্জেন্টিনা দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের আনহেল ডি মারিয়া জানিয়েছেন, কাতার বিশ্বকাপে কেবল লিওনেল মেসি ছাড়া দলের বাকি সবার জায়গা অনিশ্চিত। যেখানে তিনি নিজেও বেশ ভালো ফর্মে থাকার পরেও নিজেই নিজেই জায়গা নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানালেন। 

রবিবার (২৬ জুন) এক সাক্ষাৎকারে ডি মারিয়া তুলে ধরেন ক্লাব পরিবর্তনের সঙ্গে জাতীয় দলে জায়গা নিয়ে অনিশ্চয়তার বিষয়টি। 

বয়স ৩৪ হলেও খেলার ধার কমেনি এতটুকু বরং দুর্দান্ত ফর্মে আছেন ডি মারিয়া। সদ্যই পিএসজি থেকে বিদায় নেওয়ার পর তার পরবর্তী গন্তব্য নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা থাকলেও লিওনেল স্কালোনির দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ তিনি। দলটির রেকর্ড ৩৩ ম্যাচ অপরাজিত থাকার পথচলায় তার রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। গত বছর কোপা আমেরিকার ফাইনালে তার গোলেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলকে হারিয়ে ২৮ বছরের শিরোপা খরা কাটিয়েছিল দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। 

যেভাবে খেলছেন, তাতে বছরের শেষে হতে যাওয়া বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা দলে ডি মারিয়ার না থাকাটাই হবে বিস্ময়কর। 

সাক্ষাৎকারে ডি মারিয়া জানান, দলে জায়গা ধরে রাখতে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে তাকে। তিনি বলেন, কাতার বিশ্বকাপের দলে) একমাত্র লিওনেল মেসির জায়গা নিশ্চিত। এখন থেকে চার মাস পরে কী হবে, কেউ জানে না। আমাকে ক্লাব পরিবর্তন করতে হবে, সেখানে আবার মানিয়ে নিতে হবে, খেলতে হবে এবং ভালো অনুভব করতে হবে - যা পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। 

আর্জেন্টিনার হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার তালিকায় দি মারিয়া আছেন চতুর্থ স্থানে (১২২)। তালিকায় তার আগে রয়েছেন মেসি (১৬২), হাভিয়ের মাসচেরানো (১৪৭) ও হাভিয়ের জানেত্তি (১৪৫)। ২০২১-২২ মৌসুমে পিএসজির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩১টি ম্যাচ খেলেছেন দি মারিয়া। ৫টি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৮টি।

২০২১-২২ মৌসুমে পিএসজির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এখন ক্লাবহীন তিনি। সূত্রের খবর, এক বছরের চুক্তিতে তাকে দলে টানতে আগ্রহী ইতালিয়ান ক্লাব জুভেন্টাস।

গুঞ্জন রয়েছে, জুভেন্টাসের পাশাপাশি দি মারিয়াকে দলে টানতে চেষ্টা করছে বার্সেলোনাও। বর্তমানে ছুটিতে থাকা সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকা অবশ্য এই মুহূর্তে সেসব নিয়ে ভাবছেন না। তিনি বলেন, ইউভেন্তুস ইতালির সবচেয়ে বড় ক্লাব এবং আমার প্রতি আগ্রহী দলগুলোর একটি। এই মুহূর্তে আমি এটা নিয়ে একটু চিন্তা করছি, তবে এখন আমার পূর্ণ মনোযোগ পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটানো। বার্সেলোনা বিশ্বের সেরা দলগুলোর একটি এবং আগে আমাকে সবসময় তাদের বিপক্ষে খেলতে হয়েছে। 

ডি মারিয়া   আর্জেন্টিনা   পিএসজি   ফুটবল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

লিড তুলতেই নেই ৬ উইকেট, এখনও ৪২ রানে পিছিয়ে টাইগাররা!

প্রকাশ: ০৮:১২ এএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail লিড তুলতেই নেই ৬ উইকেট, এখনও ৪২ রানে পিছিয়ে টাইগাররা!

সেন্ট লুসিয়া টেস্টে আবারও বিপর্যস্ত অবস্থায় টিম টাইগারর্স। অবস্থা এতটাই খারাপ যে, ক্যারিবিয়দের প্রথম ইনিংসে দেওয়া ১৭৪ রানের লিড তুলতেই দ্বিতীয় ইনিংসে দিন শেষে পড়ে গেছে ৬ উইকেট। কেই যেনো উইকেটে থিতু হতে পারছেন না। স্কোরবোর্ড দেখলে অবশ্য তাই অনুমান করা যায়।

তামিম ইকবাল ৪ (৮), মাহমুদুল হাসান জয় ১৩ (২১), নাজমুল শান্ত ৪২ (৯১), এনামুল বিজয় ৪ (৭), লিটন দাস ১৯ (৩২), সাকিব আল হাসান ১৬ (৩২), নুরুল হাসান সোহান ১৬(১৪)*, মেহেদী মিরাজ ০(১৩)*। সেন্ট লুসিয়া টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে, বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস সামারিটা এমনই।

এখনও ক্যারিবীয়দের থেকে ৪২ রানে পিছিয়ে আছে সাকিব আল হাসানের দল। এখন শেষ ভরসা হয়ে সলতেতে প্রদীপ জ্বেলে আছেন সোহান আর মিরাজ। তারপর আছেন তিন পেসার খালেদ আহমেদ, এবাদত হোসেন আর শরীফুল ইসলাম।

কেমার রোচ আর আলজারি জোসেফের তোপে দ্বিতীয় ইনিংসে এখন পর্যন্ত সাকিব আল হাসানের দল তুলতে পেরেছে ১৩২, হারিয়েছে ৬ উইকেট।
এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪০৮ রানে অলআউট হয়েছে ক্যারিবিয়ানরা, বাংলাদেশের হয়ে খালেদ আহমেদ নিয়েছেন ৫ উইকেট।

অন্যদিকে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৩৪ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সবমিলিয়ে চতুর্থ দিনে কতোটা প্রতিরোধ গড়তে পারবে বাংলাদেশ এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।

টাইগার   ব্যাটিং ব্যর্থতা   সেন্ট লুসিয়া টেস্ট  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন