ইনসাইড গ্রাউন্ড

ভারতের চতুর্থ উইকেটের পতন

প্রকাশ: ০১:৩৯ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বাংলাদেশের বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে শুরুটা ভালো হয়নি ভারতের। দলীয় ২৩ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় সফরকারীরা। এরপর রোহিত-কোহলির ২৫ রানের জুটি লম্বা করতে দেননি সাকিব আল হাসান। দলীয় ১১তম ওভারে এসেই ২য় বলে তুলে নেন রোহিতের উইকেট। একই ওভারের শিকার করেন ভারতের নির্ভরযোগ্য ব্যাটসমান বিরট কোহলির উইকেট। ৪৯ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ভারত যখন কিছুটা ব্যাকফুটে। সেখান থেকে দলকে এগিয়ে নেন শ্রেয়াস আইয়ার এবং লোকেস রাহুল। দুইজনের করা ৪৩ রানের জুটি লম্বা করার আগে আবারও ফিরে যান শ্রেয়াস আইয়ার। ইবাদতের ওভারে মারতে গিয়ে মুশফিকের হাতে ধরা পড়েন ৩৯ বলে ২৪ রান করা শ্রেয়াস আইয়ার। ফলে ২১ ওভার শেষে চার উইকেট হারিয়ে ভারতের সংগ্রহ ৯৪ রান।

ক্রিকেট   বাংলাদেশ   ভারত  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

উড়তে থাকা সিলেটকে মাটিতে নামালো রংপুর

প্রকাশ: ১০:০৭ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বাংলাদেশ প্রিমিয়াল লিগ ক্রিকেটের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিলো সিলেট স্ট্রাইকার্স ও রংপুর রাইডার্স। বিপিএলের চলতি আসরে দুই দলেরই প্লে-অফ নিশ্চিত হয়েছে এরই মধ্যে। ফলে এই নকআউট পর্বের আগে নিজেদের ঝাঁলিয়ে নিতে চান দুই দলের ক্রিকেটাররা। সেই সাথে পয়েন্ট টেবিলেও নিজেদের অবস্থান আরো দৃঢ় করার লক্ষ্য উভয় দলের। তবে ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়ে টেবিল টপার সিলেটকে টুর্নামেন্টের তৃতীয় হারের স্বাদ দিলো রংপুর রাইডার্স। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সিলেটকে ৮ উইকেটে হারিয়ে জয়ের ধারা ধরে রাখলো রুংপুর রাইডার্স।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে সিলেট স্ট্রাইকার্সের শুরুটা হয় খানিক ধীর গতির। মাপা লাইন লেন্থে বল করে সিলেটের দুই ওপেনারকে হাত খুলে খেলতে দেননি রংপুরের বোলাররা। তবে দুই ওপেনার তৌহিদ হৃদয় ও নাজমুল শান্ত খেলতে থাকেন দেখেশুনে। পাওয়ার প্লের ৬ ওভার থেকে মাত্র ২৬ রান তুলতে পারে সিলেট স্ট্রাইকার্স। তবে পাওয়ার প্লে শেষ হলে খোলস থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন দুই ব্যাটার। উদ্বোধনী জুটিতে দলকে ভাল অবস্থানে নিয়ে যেতে থাকেন দুজনে। দলীয় ৪২ রানে হাসান মাহমুদের বলের লাইন মিস করলে স্টাম্প উপড়ে যায় শান্তর, ভাঙে উদ্বোধনী জুটি।

শান্তর বিদায়ে ক্রিজে আসেন জাকির হাসান। তবে এদিন থিতু হতে পারেন নি তরুণ এই ব্যাটসম্যান। মাত্র ৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন জাকির। তবে এরপর রংপুরের বোলারদের উপর আগ্রাসন চালাতে থাকেন তৌহিদ হৃদয়। দৃষ্টিনন্দন শটে বল আছড়ে ফেলতে থাকের মাঠের চারপাশে। তুলে নেন চলতি আসরে নিজের ৫ম হাফসেঞ্চুরি, যা চলতি বিপিএলে কোন ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ সংখ্যক অর্ধশতক। ৪টি অর্ধশতক নিয়ে হৃদয়ের পরে আছেন পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান মোহাম্মাদ রিজওয়ান। 

হদয়ের পাশাপাশি অপর প্রান্ত থেকে তান্ডব চালান এ ম্যাচে অধিনায়কত্ব করা মুশফিকুর রহিম। মাত্র ৩০ বল থেকে অর্ধশতক তুলে নেন তিনিও। যা বিপিএলের চলতি আসরে মুশফিকের প্রথম হাফসেঞ্চুরি। রংপুরের বোলারদের হতাশা বাড়িয়ে রানের চাকা সচল রাখেন দুজনে। তৃতীয় উইকেটে তাদের ১১১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে বড় সংগ্রহ গড়ে সিলেট। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে ২ উইকেটে ১৭০ রান তোলে টেবিল টপাররা। ৫৭ বলে ক্যারিয়ার সেরা ৮৫ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তৌহিদ হৃদয়। ৩৫ বলে ৫৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন মুশফিক।

সিলেটের দেয়া বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় রংপুর রাইডার্স। রনি তালুকদারের ঝড়ে শুরুতেই দিশেহারা হয়ে পড়ে সিলেটের বোলাররা। এদিন রংপুরের দুই ওপেনারের সামনে সুবিধা করে উঠতে পারছিলো না কোন বোলারই। ওভারপ্রতি ৯ এর উপর গড়ে রান তুলতে থাকেন রনি ও নাঈম শেখ। উদ্বোধনী জুটি গড়েন ১০০ রানের। তাতে জয়ের সুবাস পেতে থাকে রংপুর। মোহাম্মাদ ইরফানের বলে মুশফিকের তালুবন্দী হওয়ার আগে করেন ৩৫ বলে ৬৬ রান।

খানিকবাদে রনিকে অনুসরণ করেন নাঈম শেখ। দলীয় ১২৪ রানে নাঈমকে সাজঘরে পাঠান রেজাউর রহমান। তবে শোয়েব মালিক ও অধিনায়ক নুরুল সোহানের ব্যাটে ভর করে কক্ষপথেই থাকে রংপুর রাইডার্স। দ্রুত গতিতে রান তুলে রান রেট নামিয়ে আনেন পাঁচ এর নিচে। এতে সহজ জয়ের দিকেই এগোতে থাকে দল। ২ ওভার হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে রংপুর রাইডার্স।


বিপিএল   সিলেট স্ট্রাইকার্স   রংপুর রাইডার্স   মিরপুর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

বিয়ের পিঁড়িতে শাহিন আফ্রিদি

প্রকাশ: ০৮:২৮ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বিয়ে করেছেন পাকিস্তানের ফার্স্ট বোলার শাহিন শাহ আফ্রিদি। শুক্রবার করাচিতে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সাবেক ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদির মেয়ে আনশা আফ্রিদির সাথে তার বিবাহ সম্পন্ন হয়। এ সময় দুই পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি পাকিস্তান জাতীয় দলের বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটাররা উপস্থিত ছিলেন। 

পাকিস্তানের গণমাধ্যমের খবর, একটি মসজিদে শাহিন-আনশার বিয়ে পড়ানো হয়। পরে শহরটির ডিএইচএ গলফ অ্যান্ড কান্ট্রি ক্লাবে আয়োজন করা হয় বিবাহোত্তর সংবর্ধনার। ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তান ক্রিকেটের দুই আফ্রিদি এখন জামাই-শ্বশুর। অনুষ্ঠানে অতিথিদের মধ্যে ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় দলের অধিনায়ক বাবর আজম, সীমিত ওভার ক্রিকেটের সহ-অধিনায়ক শাদাব খান, সাবেক অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ ও মোহাম্মদ হাফিজ। বাংলাদেশ থেকে বিপিএল খেলে যাওয়া পেসার নাসিম শাহও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিপিএল খেলতে বাংলাদেশে থাকায় ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান।

বিয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে তিন দিন আগে পাঞ্জাব ও সিন্ধু প্রদেশের খাইবার পাখতুনখাওয়া থেকে করাচিতে আসেন শাহিনের পরিবার। সাত ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট শাহিন শাহ আফ্রিদি। ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন শাহিন। পাকিস্তানের হয়ে ২৫ টেস্ট, ৩২ ওয়ানডে ও ৪৭ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ২২ বছর বয়সী এই পেসার।

শুধু শাহিন নয়, জীবনের নতুন ইনিংস শুরুর অপেক্ষায় আছেন আরো বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি ক্রিকেটার। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে পাকিস্তান জাতীয় দলের আরও তিন ক্রিকেটার শাদাব খান, শান মাসুদ ও হারিস রউফও বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন।


শাহিন শাহ আফ্রিদি   বিয়ে   শহীদ আফ্রিদি   পাকিস্তান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

টেবিল টপার সিলেটের মুখোমুখি রংপুর

প্রকাশ: ০৬:৪৭ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বাংলাদেশ প্রিমিয়াল লিগ ক্রিকেটের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে সিলেট স্ট্রাইকার্স ও রংপুর রাইডার্স। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে সিলেটকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছেন রংপুরের অধিনায়ক নুরুল হাসান। দুই দলেরই প্লে-অফ নিশ্চিত হয়েছে এরই মধ্যে। ফলে এই নকআউট পর্বের আগে নিজেদের ঝাঁলিয়ে নিতে চান দুই দলের ক্রিকেটাররা। সেই সাথে পয়েন্ট টেবিলেও নিজেদের অবস্থান আরো দৃঢ় করার লক্ষ্য উভয় দলের।

১০ ম্যাচে ৮ জয় ও ২ হারে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের সবার উপরে রয়েছে সিলেট স্ট্রাইকার্স। তাদের থেকে ১ ম্যাচ কম খেলা রংপুরের পয়েন্ট ১২, রয়েছে চার নম্বরে। এই ম্যাচে ব্যাট-বলে দাপট দেখিয়ে টেবিল টপারদের বিপক্ষে জিততে চায় রংপুর। তবে সে জন্য তাদের যে কঠিন পরীক্ষাই দিতে হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টের সবচেয়ে সফল দল সিলেট। তবে রংপুরের বিপক্ষে এ ম্যাচে নিয়মিত অধিনায়ক মাশরাফির বিন মুর্তজার পরিবর্তে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন আরেক অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম। নিজেদের সবশেষ ম্যাচেও জয়ের দেখা পেয়েছিলো দুই দল।

দুই দলের একাদশ:

সিলেট স্ট্রাইকার্স:

তৌহিদ হৃদয়, নাজমুল হাসান শান্ত, মাশরাফি বিন মুর্তজা, মুশফিকুর রহিম, থিসারা পেরেরা, টম মুরস, জাকির হাসান, রায়ান বার্ল, রেজাউর রহমান রাজা, রুবেল হোসেন, মোহাম্মাদ ইরফান।

রংপুর রাইডার্স:

নাঈম শেখ, মাহেদী হাসান, রনি তালুকদার, শামীম হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, শোয়েব মালিক, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, রাকিবুল হাসান, হারিস রউফ, মোহাম্মাদ নাওয়াজ, হাসান মাহমুদ।


বিপিএল   সিলেট স্ট্রাইকার্স   রংপুর রাইডার্স   মিরপুর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে শামসুন্নাহারকে নিয়ে শঙ্কা

প্রকাশ: ০৬:২৮ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

নেপালের বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয় জয় দিয়ে অনূর্ধ্ব-২০ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ। কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে নেপালের বিপক্ষে সে ম্যাচে মাথায় ও চোয়ালে আঘাত পান বাংলাদেশ দলের আক্রমণভাগের অন্যতম কান্ডারি ও অধিনায়ক শামসুন্নাহার। সে ম্যাচে একটি গোলও করেছেন তিনি। তবে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ্বে আর মাঠে নামতে পারেন নি এই ফুটবলার। পরে ম্যাচ শেষে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

তবে পরীক্ষা-নীরিক্ষা শেষে তিনি আবার বাফুফের আবাসিক ক্যাম্পে দলের বাকিদের সাথে যোগ দেন। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ সামনে রেখে স্কোয়াডের বাকিদের সাথে অনুশীলনও করছেন শামসুন্নাহার। তবে ভারতের বিপক্ষে তাকে পাওয়া নিয়ে সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে। তবে দলীয় সূত্র জানিয়েছে, শামসুন্নাহারের ইনজুরি তেমন গুরুতর নয়। তবে চোয়ালে আঘাত পাওয়ায় কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে তার। কিন্তু ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে তাকে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী বাংলাদেশ দলের কোচ গোলাম রাব্বানি।

গত সেপ্টেম্বরে নেপালে অনুষ্ঠিত নারী সাফের শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন শামসুন্নাহার। সাফজয়ী সে দলের ছয়জন খেলছেন এবারের টুর্নামেন্টে। এর মধ্যে গোলরক্ষক রুপনা চাকমা, ফরোয়ার্ড শামসুন্নাহার, সোহাগি কিসকু ও স্বপ্না রানীকে রাখা হয় মূল একাদশে। এবারও দেশের মাটিতে শামসুন্নাহারকে ঘিরেই আক্রমণভাগের পরিকল্পনা সাজিয়েছেন কোচ। তবে শেষ পর্যন্ত চোটের কারণে ছিটকে গেলে, তা বড় ধাক্কা হয়ে আসবে বাংলাদেশের জন্য। আগামীকাল নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভূটানকে ১২-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ভারত।


অনূর্ধ্ব-২০ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ   বাংলাদেশ   শামসুন্নাহার   ভারত  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

বিবর্ণ চট্টগ্রামের বিপক্ষে দাপুটে জয় কুমিল্লার

প্রকাশ: ০৫:৩৮ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বিপিএল ক্রিকেটে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, যা দলটির টানা সপ্তম জয়। এ জয়ে পয়েন্ট টেবিলেও নিজেদের অবস্থান শক্ত করলো বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। এবারের বিপিএলের শুরুটা খুব বাজে হলেও দারুণভাবে ঘুরে দাড়িয়ে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হয়ে উঠেছে ইমরুল কায়েসের দল। টুর্নামেন্টে এটি ছিলো দুই দলেরই ১০ম ম্যাচ। আগেই প্লে-অফ পর্বে নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিলো বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের। আর টুর্নামেন্ট থেকে চট্টগ্রাম ছিটকে যাওয়ায় তাদের জন্য ম্যাচটি আনুষ্ঠানিকতার হলেও পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে দুইয়ে থেকে প্রাথমিক পর্ব শেষ করার চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নেমেছিলো কুমিল্লা।

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে কুমিল্লার বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় চট্টগ্রাম অধিনায়ক শুভাগত হোম চৌধুরি।

তবে শুরুটা খুব একটা ভাল হয়নি দলটির। রানের খাতা খোলার আগেই উইকেট হারায় চ্যালেঞ্জার্স। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে ওপেনার মেহেদী মারুফকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন তানভীর ইসলাম। এক ওভার পর আবারো আঘাত হানেন তানভীর। এবার এই স্পিনারের শিকার খাজা নাফে। লফটেড শট খেলতে গিয়ে ব্যাট-বলে করতে পারেন নি এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। সহজ ক্যাচ নেন সৈকত আলী। মাত্র ৬ রানে দুই উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। 

শুরুর ধাক্কা সামলে দলকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন উসমান খান ও আফিফ হোসেন। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওভারপ্রতি ৫ গড়ে ৩০ রান তোলে দলটি। তৃতীয় উইকেটে ৮৮ রানের জুটি গড়েন উসমান ও আফিফ। অর্ধশতক তুলে নেন উসমান। তবে এরপরই সৈকত আলীর বলে জনসন চার্লসের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ৪টি চার ও ৩ ছয়ে ৪১ বলে করেন ৫২ রান। দলকে বড় সংগ্রহের আশা দেখাতে থাকেন আফিফ ও অধিনায়ক শুভাগত হোম। 

তবে দলীয় ১২৯ রানে ১৭তম ওভারের শেষ বলে রান আউটে কাঁটা পড়েন শুভাগত। পরের ওভারের প্রথম বলে আইরিশ অলরাউন্ডার কার্টিস ক্যাম্ফারও অধিনায়কের পথে হাঁটেন। আর পঞ্চম বলে জিয়াউর রহমান ক্যাচ তুলে দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরলে রান তোলার গতি কমে যায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের। একপ্রান্ত আগলে রেখে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন আফিফ হোসেন। ইনিংসের শেষ ওভারে হাসান আলীর শিকারে পরিণত হন আফিফ। আউট হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৬৬ রান। ৪৯ বলে ৬টি চার ও ২টি ছয়ে সাজান নিজের ইনিংস। তবে দারউইস রাসুলির ২১ রানের ক্যামিও ইনিংসে ভাল সংগ্রহই পায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে দলটির সংগ্রহ দাড়ায় ৭ উইকেটে ১৫৬ রান। দুটি করে উইকেট নেন তানভীর ইসলাম ও হাসান আলী।

আগের ম্যাচে হাতে চোট পাওয়ায় এদিন দলে ছিলেন না লিটন দাস। তবে চট্টগ্রামের দেয়া ১৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আত্নবিশ্বাসের ছাপ রাখছিলেন দুই ওপেনার সৈকত আলী ও মোহাম্মাদ রিজওয়ান। তবে ২০ রানে সৈকতকে সাজঘরে ফেরান মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরি। ক্রিজে এসে দ্রুত আগ্রাসী ক্রিকেট খেলতে থাকেন ইমরুল কায়েস। তবে জিয়াউর রহমানের একটি বুদ্ধিদীপ্ত ডেলিভারিতে পরাস্ত হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন ইমরুল। দলীয় ৫৭ রানে আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান জনসন চার্লসকেও ফেরান জিয়া। কিন্তু কুমিল্লার আশার আলো হয়ে ছিলেন মোহাম্মাদ রিজওয়ান। তুলে নেন আসরের চতুর্থ অর্ধশতক।

মোসাদ্দেক হোসেনকে নিয়ে ৫২ বলে ৭৬ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান রিজওয়ান। ১৩৩ রানে মৃত্যুঞ্জয়ের বলে আউট হন রিজওয়ান। ৪৭ বলে করেন ৬১ রান। বাকি পথটা জাকের আলীকে নিয়ে অনায়াসে পাড়ি দিয়েছেন মোসাদ্দেক। এক ওভার হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় কুমিল্লা। ৩৭ রানে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক।

চট্টগ্রামের বিপক্ষে জয়ের ফলে ১০ ম্যাচে ৭টি করে জয়ে সমান ১৪ পয়েন্ট ফরচুন বরিশাল ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের। তবে রান রেটে এগিয়ে থাকায় দুইয়ে অবস্থান করছে বরিশাল আর তিনে কুমিল্লা।


বিপিএল   কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স   চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স   মিরপুর  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন