ইনসাইড গ্রাউন্ড

নারী ফুটবল: বাংলাদেশের ফুটবলের পুনর্জাগরণ

প্রকাশ: ০৬:০২ পিএম, ০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

একটা সময়ে ফুটবলে বাংলাদেশের নামটা উচ্চারিত হতো সমীহের সাথে। এশিয়ার ফুটবলের অন্যতম পরাশক্তি হিসেবে বিবেচিত হতো বাংলাদেশ। তবে সময়ের সাথে সাথে রং হারিয়েছে ফুটবল, হয়েছে মলিন ও বিবর্ণ। ক্রিকেটের ভীড়ে ফুটবল এখন অনেকটাই দৃশ্যপটের আড়ালে। একের পর এক ব্যর্থতায় ফুটবল একদিকে যেমন মান হারিয়েছে, তেমনি সাংগঠিক দুর্বলতা ও সঠিক পরিকল্পনার অভাবে শুধু পেছনেই হেঁটেছে বাংলাদেশের ফুটবল। এমন দমবন্ধ করা সময়ে ফুটবলে খানিকটা স্বস্তির বাতাস এসেছে গত কয়েক বছরে। তবে সেটা পুরুষদের ফুটবলে নয়। সাবিনা-রুপনা-শামসুন্নাহারদের হাত ধরে সেই সাফল্য পেয়েছে নারীদের ফুটবল। পুরুষরা যেখানে ব্যর্থতার ঘেরাটোপে আবদ্ধ, সেখানেই উল্টো স্রোতে ভেসে একের পর এক সাফল্য লিখে চলেছেন নারী ফুটবলাররা।

হারিয়ে যাওয়া সে সোনালী দিন না হলেও, মৃতপ্রায় ফুটবলে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে নারীদের ফুটবল দিয়ে। বয়সভিত্তিক কিংবা জাতীয় দল নারীরা নিজেদের প্রমাণ করে চলেছেন ধারাবাহিকতার সাথে। ২০০৫ সালে পাকিস্তানের করাচিতে অনুষ্ঠিত হওয়া সাফ ফুটবলে শেষবার ফাইনালে খেলেছিলো বাংলাদেশ। সবশেষ শিরোপা জিতেছিলো ২০০৩ সালে। এরপরের গল্পটা শুধুই হতাশার। প্রতিটি আসরেই নতুন করে ব্যর্থতার গল্পই ফিরে এসে বারবার। হাল সময়ে সে ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন জামাল ভূইয়া-তপু বর্মণরা। তবে নতুন জাগরণের গল্প লিখেছেন সাবিনা-কৃষ্ণা রানীরা। তাদের অনুপ্রেরণায় এবং কঠোর পরিশ্রমে সে জয়যাত্রা এগিয়ে নিচ্ছে বয়সভিত্তিক দলগুলোও। আর একথাটি যে মিথ্যে নয়, সেটির প্রমাণ নারী ফুটবলারদের মাঠের পারফরম্যান্স।

২০১৭ সালে বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতার শুরু হয় সাফে। এরপর দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের এই টুর্নামেন্টের সবগুলো ফাইনালেই খেলেছে বাংলাদেশ। অনূর্ধ্ব-১৫ নারী সাফের উদ্বোধনী আসরে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নের খেতাব জিতেছিলো বাংলাদেশ। এরপর টানা দুটি আসরে ফাইনালে উঠলেও শিরোপা জিততে পারেনি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। দুইবারই হেরেছে ভূটানের কাছে। ২০২২ সালে নেপালের সাথে ১-১ গোলে ড্র করায় রানার্সআপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় বাংলাদেশকে।

২০১৮ সালে অনূর্ধ্ব-১৮ নারী সাফ দলও উদ্বোধনী আসরের শিরোপা এনে দিয়েছিলো বাংলাদেশকে। সবশেষ ২০২২ সালে এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠলেও অধরা থেকে গেছে তাদের শিরোপা স্বপ্ন। ভারতে অনুষ্ঠিত সে টুর্নামেন্টটি লিগভিত্তিক হওয়ায়, জামশেদপুরে অনুষ্ঠিত সে ম্যাচে ভারতকে ১-০ গোলে জিতলেও, গোলগড়ে পিছিয়ে থাকায় শিরোপা উল্লাসে মেতেছিলো স্বাগতিকরা। ২০২১ সালে সে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ সাফ চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ।

সাম্প্রতিক সময়ে বড়দের সাফেও দাপট দেখিয়ে আসছে বাংলাদেশ। প্রথমবার নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছিলো ২০১৭ সালে। তবে প্রথম শিরোপার জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে ২০২২ সাল পর্যন্ত। নেপালের দশরথ রঙ্গশালায় স্বাগতিকদের ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবার নারী সাফের শিরোপা জেতে সাবিনা-রুপনা চাকমারা। নারীদের ফুটবলে যা সর্বোচ্চ সাফল্য। বড়দের দেখানো সে পথেই হাঁটছে ছোটরা। 

সেই দলের অন্যতম সদস্য শামসুন্নাহার জুনিয়র এবার অনূর্ধ্ব-২০ দলের অধিনায়ক। আছেন গোলপোস্টের নিচে ভরসার প্রতীক হয়ে আছেন সবশেষ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সেরা গোলরক্ষকের পুরষ্কার জেতা রুপনা চাকমা। নাসরিন আক্তার, সুরমা জান্নাত, আফঈদা খন্দকার সামলাচ্ছেন রক্ষণভাগ। গোলাম রব্বানী ছোটনের মাঝমাঠের কান্ডারি স্বপ্না রানী, আইরিন খাতুন, ইতি খাতুন ও উন্নতি খাতুন। আর আক্রমণভাগের ত্রিফলা শামসুন্নাহার, আকলিমা খাতুন ও শাহেদা আক্তার। নারীদের ফুটবলে আরো একটি অর্জন থেকে হাতছোঁয়া দুরত্বে বাংলাদেশ। আরেকটি সাফল্যগাঁথা রচনার অপেক্ষায় সকলে।


নারী ফুটবল   বাংলাদেশ   অনূর্ধ্ব-২০ নারী সাফ   নেপাল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

তামিম ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন আশরাফুল

প্রকাশ: ০১:৪৫ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

তামিম ইকবাল ইস্যুতে দেশের ক্রীড়াঙ্গন বেশকিছুদিন ধরেই সরব। আসন্ন ভারত বিশ্বকাপের স্কোয়াডে জায়গা না পাওয়া নিয়ে গতকাল একটি ভিডিও বার্তায় কথা বলেন তিনি। তার সেই ভিডিও বার্তার নিয়ে সব মহলেই চলছে আলোচনা সমালোচনা। এবার তামিম ইস্যুতে কথা বলেছেন সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল।

তামিম গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলে নিজেই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছিল বলে মন্তব্য করেন সাবেক টাইগার ক্রিকেটার আশরাফুল। বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যমকে তিনি এ কথা বলেন।

আশরাফুল বলেন, তামিম যদি গণমাধ্যমের সঙ্গে নিজের ইনজুরি নিয়ে কথা না বললে পুরো ব্যাপারটি অন্যরকম হত। বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে কোনো ক্রিকেটার পুরোপুরি ফিট না থাকলে তাকে দলে রাখতে চায় না টিম ম্যানেজমেন্ট।

তামিমের এই ইস্যুতে ২০১১ ও ২০১৯ বিশ্বকাপের প্রসঙ্গ টেনে আশরাফুল বলেন, প্রথম থেকেই সংবাদমাধ্যমে দেখেছি যে, তামিম পুরোপুরি ফিট না। আবার এক ম্যাচ খেলে বিশ্রামেও চলে গেছেন। তাছাড়া বিশ্বকাপেও সবগুলো ম্যাচ পাবে কিনা নিশ্চিত না। ঠিক এমন কারণেই অতীতে মাশরাফিকে ২০১১ এবং তাসকিনকে ২০১৯ বিশ্বকাপের দলে নেয়নি টিম ম্যানেজমেন্ট।

এ ছাড়া তামিম ইকবাল যেখানেই যাচ্ছিল সেখানে নিজ থেকেই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছিল বলে মন্তব্য করেন সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান আশরাফুল।

আশরাফুল বলেন, তামিমের জায়গায় যারা সুযোগ পেয়েছে তাদের একদমই পারফরম্যান্স নাই। টিম ম্যানেজমেন্ট হয়তো ভেবেছে যারা শতভাগ ফিট, সবগুলো ম্যাচে যাদের পাব তাদেরই বিবেচনা করব।’



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ইন্ডিয়ান সিরিয়ালের মতো নাটক দেখছি: পাইলট

প্রকাশ: ১২:২২ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার এবং বোর্ডের সাথে বিরোধপূর্ণ সম্পর্ককে নাটকের সঙ্গে তুলনা করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার খালেদ মাসুদ পাইলট।

গতকাল নিজের ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে পাইলট বলেন, 'আমি আসলে একটু বিরক্তই বলতে গেলে। আসলেই এটা একটা নাটক। নাটকের মতোই ঘটনা। এভাবে আসলে টিম বানানো বা টিম ওয়ার্ল্ড কাপ খেলতে যাবে...! এটা তো গত তিন বছর ধরে, চার বছর ধরে, গত ওয়ার্ল্ড কাপের পর যে এতো দামি দামি কোচ নিয়োগ করা হলো, এতো দামি ম্যানেজমেন্ট, অ্যাসিস্ট্যান্ট বোলিং কোচ, ব্যাটিং কোচ, এই কোচ-সেই কোচ নিয়োগ হলো...টার্গেট নেক্সট ওয়ার্ল্ড কাপ!'

২০০৩ বিশ্বকাপে টাইগারদের নেতৃত্ব দেওয়া পাইলট বলেন, 'টিমকে নিয়ে আমি কোনো আলোচনা-সমালোচনা করব না। কারণ তারা এখন মিশনে চলে গেছে। আমরা দোয়া করি, যেন তারা ভালো খেলে। তারা যেন আমাদের জন্য ভালো কিছু বয়ে নিয়ে আসে। কিন্তু যেভাবে প্রিপারেশনটা হলো, তাতে কি ভালো প্রিপারেশন মনে হলো আপনাদের কাছে? আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন, এটা কি ভালো প্রিপারেশন?'

পাইলট বলেন, 'দুয়েকজন মানুষ আছেন যারা এই নাটকটা বানাচ্ছেন। ইন্ডিয়ান সিরিয়ালগুলোয় যেমন নাটক হয়, সেরকম একটা নাটক বানাচ্ছেন। এই নাটকটা আসলে ক্রিকেটের জন্য ভালো নয়। এটা খুবই দুঃখজনক এবং আমি মনে করি, আমাদের কাছে এমন নাটক সাধারণ মানুষ আশা করে না। বিশেষ করে আপনারা যেভাবে তামিমকে পঁচাচ্ছেন যে, তামিম পাঁচটা ম্যাচের বেশি খেলবে না। আবার আরেকজন ভাবে সাকিবকে ব্যঙ্গ করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষকেতো আসলে বোকা বানানো হচ্ছে।'

বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়ার পর একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন তামিম ইকবাল। যেখানে তিনি বলেছেন, তাকে মিডল অর্ডারে খেলার প্রস্তাব দেওয়ার কারণেই তিনি বিশ্বকাপে খেলতে চাননি। শেষ পর্যন্ত তাকে ছাড়াই দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তামিমের এমন মন্তব্যকে ছেলেমানুষি বলেছেন সাকিব।

 


খালেদ মাসুদ পাইলট   ইন্ডিয়ান সিরিয়াল   সাকিব   তামিম   বিশ্বকাপ   বিসিবি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

তামিমকে টিমম্যানই মনে করেন না সাকিব

প্রকাশ: ১০:৪১ এএম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

দলের প্রয়োজনে যে কারও যেকোনো পজিশনে খেলতে রাজি থাকা উচিত বলে মনে করেন সাকিব আল হাসান। তামিম ইকবালকে মিডল অর্ডারে খেলার প্রস্তাব যদি কেউ দিয়েও থাকেন, তাহলে সেটি দলের ভালোর জন্যই দেওয়া হয়েছে বলেও মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

বিশ্বকাপ মিশনে অংশ নিতে দেশ ছাড়ার আগে একটি টেলিভিশনকে নিজের নানা অভিমত ও ক্রিকেট বোর্ডের নানা ইস্যুতে কথা বলেন সাকিব। তিনি বলেন, 'আমি যেটা বললাম এটা আমার সঙ্গে কোনো আলোচনাই হয় নাই। তো এই প্রশ্ন কোথা থেকে আসছে আমি জানি না। আর যদি কেউ এমন কিছু বলে থাকে, আমি নিশ্চিত যেই বলেছে সে অথরাইজ মানুষ, এটা আগে থেকেই আলাপ করে রাখছিল যাতে করে সেটা জানা থাকলে দুই পক্ষের জন্যই ভালো হয়। এই রকম বলাতে খারাপ কিছু আছে আমি তো মনে করি না। এটা কেউ তো খারাপের জন্য বলবে না আমি নিশ্চিত।'

'আমি নিশ্চিত এই কথাটা কেউ বলে থাকে সে টিমের কথা চিন্তা করেই বলেছে যে এরকম যদি আমরা কম্বিনেশন করি, এই রকম যদি আমরা চিন্তা করি এমন অনেক কিছুই আসে একটা ম্যাচকে কেন্দ্র করে। এ রকম কম্বিনেশন বানালে কি হতো, এ রকম কম্বিনেশন বানালে কি হতো। ওই হিসেবে কেউ যদি চিন্তা করে আগের থেকেই ক্লারিফিকেশন করে রাখতে চায় আমার তো মনে হয় যে আলোচনার কোনো দোষের আছে। এমন প্রস্তাব যদি কেউ দিয়ে থাকে এটাতে কি কোনো দোষের আছে? নাকি এমন কোনো প্রস্তাবই দেওয়া যাবে না যে একজনকে আমি বলব তুমি তোমার যা ইচ্ছা কর।' -যোগ করে বলেন সাকিব।

ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মার উদাহরণ টেনে সাকিব আরও বলেন, 'টিম আগে না, ব্যক্তি আগে। রোহিত শর্মার মতো খেলোয়াড় নম্বর সাত থেকে ওপেনার হিসেবে ১০ হাজার রান করে ফেলছে। ও যদি মাঝে মাঝে তিন চারে নামে বা ব্যাটিংয়ে না নামে এটা কি খুব একটা প্রবলেম হয়। এটা আমার কাছে মনে হয় একদম বাচ্চা মানুষের মতো যে আমার ব্যাট আমিই খেলব আর কেউ খেলতে পারবে না। জিনিসটা হচ্ছে এমন। টিমের প্রয়োজনে যে কেউ যে কোনো জায়গায় খেলতে রাজী থাকা উচিত। এটা টিম প্রথমে, আপনি ব্যক্তিগতভাবে ১০০ করলেন ২০০ করলেন টিম হারল তাতে কিছুই আসে যায় না।'

তামিমকে টিমম্যান না মনে করে সাকিব বলেন, 'পারসোনাল এচিভমেন্ট দিয়ে আপনি কি করবেন আসলে। আপনার নিজের নাম কামাবেন, তার মানে আপনি নিজের কথা চিন্তা করছেন। আপনি দলের কথা চিন্তা করছেন না। আপনি দলের কথা চিন্তা করছেন না মোটেও। মানুষ এই পয়েন্টগুলোই বোঝে না। আপনাকে যখন প্রস্তাবটা দেওয়া হয়েছে, কেন প্রস্তাবটা দেওয়া হয়েছে আপনার টিমের কোথা চিন্তা করেই দেওয়া হয়েছে। টিমের এভাবে হলে হয়তো টিমের জন্য ভালো হবে। সে কারণেই প্রস্তাবটা দেওয়া হয়েছে, যদি দেওয়াও হয়ে থাকে। এটাতে খারাপের কি আছে?

'বিষয়টি মেনে অবশ্যই আলোচনার রয়েছে, না আমি পারব, আমি এটা পারব, তোমার কি লাগবে। তুমি বল আমাকে আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব দলের জন্য। তাহলেই আপনি টিমম্যান। অন্যথায় ওইভাবে চিন্তা করলে আপনি টিমম্যানই না। আপনি খেলছেন ব্যক্তিগত রেকর্ড এবং সাফল্যের জন্য। নিজের ফেম এবং নেমের জন্য, টিমের জন্য না।'-যোগ করেন সাকিব।


সাকিব   তামিম   বিশ্বকাপ   অবসর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

অবসরের কথা নিজেই জানালেন সাকিব

প্রকাশ: ০৮:৩২ এএম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

বিশ্বকাপ মিশনে অংশ নিতে দেশ ছাড়ার আগে একটি টেলিভিশনকে নিজের নানা অভিমত ও ক্রিকেট বোর্ডের নানা ইস্যুতে কথা বলেন সাকিব। এসময় নিজের নেতৃত্ব ছাড়ার ও অবসরের প্রসঙ্গও টানেন তিনি।

সাকিব বলেন, আমি যদি দেখি, আজকে এখন এই অবস্থায় বলছি, ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি পর্যন্ত ওয়ানডে খেলবে। ২০২৪  টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলে টি-টোয়েন্টিকে বিদায় দেবো। টেস্টের অবসর শিগগিরই।

অবশ্য সাকিব এ সঙ্গে যুক্ত করেন, একেক ফরমেট একেক সময় ছাড়লেও আনুষ্ঠানিক অবসর ঘোষণা করবো ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর।

কয়েক দিন ধরেই উত্তাল বাংলাদেশ ক্রিকেট অঙ্গন। এশিয়া কাপে ভরাডুবির পর বিশ্বকাপ প্রস্তুতি, বিশ্বকাপ স্কোয়াড সব মিলিয়ে নানা আলোচনায় দেশের ক্রিকেট। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য তামিম ইকবালকে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে না রাখা। তা নিয়ে চলছে পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা-সমালোচনা।

এরই মধ্যে তামিমকে ছাড়াই বিশ্বকাপ খেলতে ভারত গেছে বাংলাদেশ দল। বুধবারই বিশ্বকাপের দেশে পৌঁছায় টাইগাররা।

অধিনায়কত্ব নিয়ে সাকিব বলেন, ‘আমার অধিনায়কত্ব নেওয়ার ইচ্ছা ছিল না! আমি কখনও ভাবিও নাই কেউ ওই সময় অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিবে! তারপর আমাকে এশিয়া কাপের দলে পাঠালো! আমি দেখলাম রিয়াদ ভাই দলে নেই! আমার কিছু বলার ও ছিল না! কারন পরের দিনে সবাই রওনা দিয়েছে! আমাকে সবাই বলতেছে আমি নাকী রিয়াদ ভাইকে নেইনি! এইসব হাস্যকর কথা! মানুষের সাইলকোলজি এমন কেনও! আমি কিছু জানি না! তাও আমার দোষ দেওয়া হয়েছে!’

‘এই বিশ্বকাপই শেষ। এরপর একদিনও (অধিনায়কত্ব) করবো না। যে কারণে আমি এশিয়া কাপের আগে নিতে চাইনি। এরপরও এটা না। আমার কাছে মনে হয়েছে আমি হাসতে চাই, খেলতে চাই, পারফর্ম করতে চাই। এই একটা কারণে আমি করতে চাইনি। আর কোনো কারণ নেই। বেস্ট হয় যদি অধিনায়ক না থাকি। অধিনায়কত্ব কি আমার কোনো ভেল্যু এড করতেছে ক্যারিয়ারে এই স্টেজে এসে? আমি তো মনে করি না।’ যুক্ত করেন সাকিব।


সাকিব   অবসর   বিসিবি   তামিম   বিশ্বকাপ   অধিনায়ক   ওয়ানডে   এশিয়া কাপ   রিয়াদ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

বিশ্বকাপের পরই অধিনায়কত্ব ছাড়ছেন সাকিব

প্রকাশ: ০৮:৩০ এএম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

তামিম ইকবালের নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণার পর গত ১১ আগস্ট তৃতীয় দফায় বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক হন সাকিব আল হাসান। সে সময় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়ে ছিল এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিবেন সাকিব। এবার সাকিবও জানিয়ে দিলেন বিশ্বকাপের পরই অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন তিনি।

সাকিবের নেতৃত্বে এশিয়া কাপ খেলে বাংলাদেশ। যদিও সেখানে ভারতের বিপক্ষে জয় ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো অর্জন নেই টাইগারদের। তবে বিশ্বকাপে দারুণ কিছু করার স্বপ্নে বিভোর টাইগাররা আজ সেই সাকিবের নেতৃত্বেই উড়াল দিলেন ভারতে।

ভারতে যাওয়ার আগে দেশের একটি টিভি চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‌‘এই বিশ্বকাপই শেষ। এরপর একদিনও (অধিনায়কত্ব) করবো না। যে কারণে আমি এশিয়া কাপের আগে নিতে চাইনি। এরপরও এটা না। আমার কাছে মনে হয়েছে আমি হাসতে চাই, খেলতে চাই, পারফর্ম করতে চাই। এই একটা কারণে আমি করতে চাইনি। আর কোনে কারণ নেই। বেস্ট হয় যদি অধিনায়ক না থাকি। অধিনায়কত্ব কি আমার কোনো ভেল্যু এড করতেছে ক্যারিয়ারে এই স্টেজে এসে? আমি তো মনে করি না।’

ওই সাক্ষাৎকারে তামিমের প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, ‘রোহিত শর্মা ৭ থেকে ওপেনিংয়ে এসে ১০ হাজার রান করে ফেলছে। তো আপনি ওপেনিং থেকে তিনে বা চারে খেললে সমস্যা কী? এটা আসলে বাচ্চা মানুষি। যে আমার ব্যাট, আমিই খেলবো।’



মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন