ইনসাইড গ্রাউন্ড

দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক নারী আম্পায়ার সাথিরা জেসি

প্রকাশ: ০৪:৪৪ পিএম, ১৭ মে, ২০২৩


Thumbnail দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক নারী আম্পায়ার সাথিরা জেসি।

আগামী ১২ থেকে ২১ জুন হংকংয়ে বসবে নারী ইমার্জিং এশিয়া কাপের আসর। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এই আসরে আম্পায়ার হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশের সাথিরা জাকির জেসি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা আম্পায়ার।

এক সময় মাঠের এই নারী ক্রিকেটার ধারাভাষ্যকার হিসেবেও প্রশংসিত হয়েছেন। তারপর মনোনিবেশ করেন আম্পায়ারিংয়ে। ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আম্পায়ার হিসেবে তার পদচারণা।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ছোটবেলা থেকে আমার একটাই স্বপ্ন ছিল ক্রিকেটার হব, জাতীয় দলে খেলব। স্বপ্ন পূরণও হয়েছে। যখন ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষের দিকে তখন আমি ধারাভাষ্য দেওয়া শুরু করি। আন্তর্জাতিক পর্যায়েও ধারাভাষ্য করেছি। খেলা ছাড়ার সময় যখন ঘনিয়ে আসছে তখন আমার মনে হয়েছে মাঠের মাঝখানে কীভাবে থাকা যায়? ক্রিকেটের যেই উত্তেজনা সেটা কীভাবে ধরে রাখা যায়! তখন আমার মনে হলো, আম্পায়ারিং সবচেয়ে ভালো জায়গা। 

ক্রিকেটের প্রতি ভালো লাগা কবে থেকে, কার খেলা অনুপ্রাণিত করত? এমন প্রশ্নের জবাবে জেসি বলেন, ‘অনেক ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটের প্রতি ভালোলাগা ও ভালোবাসা জন্মায়। মামা ও বড় ভাইদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলতাম। ছোটবেলা থেকে শচীন টেন্ডুলকারের খেলা দেখে বড় হয়েছি। তার খেলা ভালো লাগত। একের পর এক সেঞ্চুরি আমাকে মুগ্ধ করত। শচীনের বড় একটা পোস্টার আমার রুমে ছিল। শচীন, সৌরভ, আফ্রিদি তাদের খেলা দেখেই ক্রিকেটার হওয়ার ইচ্ছে জাগে।’

জেসি আরও বলেন, ‘আমি যখন অনেক ছোট তখনই আশপাশের মানুষ অনেক কথা বলত। তারা বলত, মেয়ে হয়ে সারা দিন ছেলেদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলি, ইত্যাদি। মেয়েরা চিরাচরিত যেই খেলাগুলো খেলে, তা কখনো খেলা হয়নি। আমার যেটা সুবিধা ছিল, আম্মু আমাকে এভাবেই বড় করেছে, সব ধরনের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করিয়েছে। আম্মু আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে, তারা কখনোই না করেনি। 

২০০৭ সাল থেকে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের সঙ্গে আমি আছি। দলের সহঅধিনায়ক ছিলাম, এশিয়া কাপ খেলেছি, এশিয়ান গেমসে খেলেছি, বহু টুর্নামেন্ট খেলেছি। জাহানারা-জ্যোতিদের খেলা যখন দেখি তখন তো অবশ্যই খেলার মাঠ মিস করি। খুব বেশি মিস করি তাও না, যেহেতু প্রিমিয়ার লিগ, ন্যাশনাল লিগ খেলছি, শুধু জাতীয় দলের হয়ে খেলা হচ্ছে না। তাদের সঙ্গে আমি এখনও ড্রেসিং রুম শেয়ার করছি। সামনে প্রিমিয়ার লিগ, এবারই হয়তো শেষবারের মতো ড্রেসিং রুম শেয়ার করা হবে, যেহেতু আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আম্পায়ারিংয়ে ঢুকে গেছি- যাতে ভবিষ্যতে আমাকে দেখে অনেকেই অনুপ্রানিত হয়।’

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই পদচারনা নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমি জুনের ১০ তারিখে ইমার্জিং এশিয়া কাপে আম্পায়ারিং করতে যাব হংকং-এ। বাংলাদেশ থেকে প্রথম কোনো নারী হিসেবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আম্পায়ারিং করব। আমার জন্য এটা বড় অর্জন। নারী ক্রিকেটের জন্যও। মেয়েরা যে শুধু ক্রিকেটে আটকে থাকবে এমন না, খেলার পরে কোচিং আছে। আম্পায়ারিং আছে, স্কোরিং আছে, ধারাভাষ্য আছে। বাংলাদেশি হিসেবে আমরা অনেক অনেক পিছিয়ে আছি।’ 


আন্তর্জাতিক   নারী আম্পায়ার   সাথিরা জেসি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

এবারের বিশ্বকাপে কেমন হবে বাংলাদেশ দল?

প্রকাশ: ০৯:০০ এএম, ১৬ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

চলতি বছরে শ্রীলংকার সাথে পূর্ণাঙ্গ সিরিজের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক খেলায় মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ দল। যা বোর্ডের নীতি নির্ধারক থেকে শুরু করে দলের অধিনায়ক, সবার জন্যই ছিল প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। কারণ এই সিরিজের কিছুদিন   পূর্বেই নানা জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বদলেছিল নির্বাচক প্যানেল ও দলের অধিনায়ক উভয়ই।

তবে নতুন নির্বাচক প্যানেল ও অধিনায়কের প্রথম অ্যাসাইনমেন্টেই ধরাশায়ী হয়েছে বাংলাদেশ। পূর্ণাঙ্গ সিরিজের মধ্যে টি-টোয়েন্টিতে হেরে শুরুতেই ব্যাকফুটে চলে গেলেও পরবর্তীতে ওয়ানডেতে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে সবকটিতেই হেরে হোয়াইটওয়াশ হয় নাজমুল শান্তরা। তবে এই পূর্ণাঙ্গ সিরিজে ধরাশায়ী হলেও বেশ কিছু ইতিবাচক দিক রয়েছে বলেই জানিয়েছিলেন সংশ্লিষ্টরা।

পুরো সিরিজে টাইগারদের পারফরম্যান্স নিয়ে নতুন অধিনায়ক শান্ত বলেছিলেন, ‘যদি পুরো সিরিজের দিকে তাকান, আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছি। এই সিরিজ থেকে আমরা অনেক আত্মবিশ্বাস পেয়েছি। বোলারদেরও অভিজ্ঞতা হচ্ছে আরও ভালোভাবে যে ভালো উইকেটে কীভাবে বোলিং করতে হয়। ব্যাটারদের ১৭০-৮০ অথবা ২০০ রান কীভাবে চেইজ করা লাগে সেরকম ধারণা আসছে। বিশ্বকাপের আগে এটা আমার মনে হয় ভালো প্রস্তুতি।’

আগামী জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে বসতে যাচ্ছে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। ইতোমধ্যেই বৈশ্বিক এই আসরকে সামনে রেখে পরিকল্পনা শুরু করেছে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দল। অন্যান্য সব দলগুলোই বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে দল গঠন করা শুরু করেছে। সেই তালিকায় বাদ যায়নি বাংলাদেশও।

শুধু শ্রীলংকাই নয়, এবার জিম্বাবুয়ে এবং পরবর্তীতে আমেরিকার সঙ্গে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে টাইগাররা। আর এসব সিরিজ বিবেচনা করেই মূলত আসন্ন বিশ্বকাপের দল গঠন করা হবে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশের বিশ্বকাপের দল গঠন নিয়ে কথা বলেছেন বিসিবির পরিচালক ও ঢাকা আবাহনীর কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন।ঈদের ছুটি শেষে সোমবার (১৫ এপ্রিল) থেকে মাঠে গড়াচ্ছে ডিপিএল। এদিন মুখোমুখি হবে আবাহনী-প্রাইম ব্যাংক। সেই ম্যাচকে সামনে রেখে রোববার (১৪ এপ্রিল) অনুশীলন করে আবাহনী। অনুশীলন শেষে মিরপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সুজন।

বিসিবির এই বোর্ড পরিচালক মনে করেন, আসন্ন জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকেই বিশ্বকাপের দল গঠনের কার্যক্রম শুরু করা উচিত। তিনি বলেন, ‘যারা বিশ্বকাপে খেলবে, যাদের ওপর কোচ, অধিনায়ক, ম্যানেজমেন্টের বিশ্বাস রয়েছে তাদের জিম্বাবুয়ে সিরিজ থেকে শুরু করা উচিত। হাতে তো বেশি সময় নেই। এরকম না যে দুইটা ম্যাচ একজন খেললো, পরের দুইটা ম্যাচ আরেকজন খেললো, আবার দুজনেই ফেইল করলো।’

সুজন বলেন, ‘তখন পাঁচ নাম্বার ম্যাচে কাকে নিয়ে খেলবেন আসলে। আপনি কনফিডেন্স নষ্ট করলেন দুইটা ছেলের। ওরকম না করে, একটা ছেলেকেই চারটা ম্যাচেই খেলানো হোক।’

উল্লেখ্য, আগামী ২৮ এপ্রিল পাঁচ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল। পাঁচ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজ শুরু হবে মে মাসে। সিরিজের প্রথম তিন টি-টুয়েন্টি হবে চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে, যথাক্রমে আগামী ৩, ৫ ও ৭ মে। তারপর মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে ১০ ও ১২ মে হবে শেষ দুটি ম্যাচ।


বিশ্বকাপ   ক্রিকেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

আইপিএলে ইতিহাস গড়া ম্যাচে শেষ হাসি হাসল হায়দরাবাদ

প্রকাশ: ০১:১২ এএম, ১৬ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে আজ যেন এক অতিমাণবীয় রূপ দেখল ক্রিকেট বিশ্ব। এক ম্যাচেই দুই দল মিলিয়ে রান করল ৫৪৯। আর এতে করেই ভাঙ্গা হয়ে গেছে ডজনের বেশি রেকর্ড।


সোমবার (১৫ এপ্রিল) বেঙ্গালুরুর চিন্বাস্বামী স্টেডিয়ামে চার ছক্কার খেলাই মেতেছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। যেখানে মাঠের লড়াই য়ে শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসি হেসেছে হায়দরাবাদ।


এদিন টসে হেরে শুরুতে দানবীয় ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২৮৭ রানের ইতিহাস গড়ে অরেঞ্জ আর্মিরা। এমন দানবীয় স্কোরে প্রথম ইনিংসের পরেই হয়তো লড়াইটা একঘেয়ে হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে বিরাট কোহলি, ফাফ ডু প্লেসিস এবং দিনেশ কার্তিকরা যা করলেন সেটাও রূপকথার চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। ২৮৮ রানের পাহাড়সম লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শেষ পর্যন্ত লড়েছে দলটি। বোলারদের ব্যর্থতা ব্যাট হাতে পুষিয়ে দেয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন কোহলিরা। তবে ২৮৮ রানের লক্ষ্যটা যে অনেকটাই অসম্ভব। তাই কাছাকাছি গিয়ে শেষমেশ হেরেছে ডু প্লেসির দল।


আইপিএলে নিজেদের সপ্তম ম্যাচে হায়দরাবাদের কাছে ২৫ রানে হেরেছে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। হায়দরাবাদের দেয়া ২৮৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৬২ রান করেছে কোহলিরা। এই হারে এবারের আইপিএলে টানা পঞ্চম হারের স্বাদ পেল বেঙ্গালুরু। ৭ ম্যাচে মাত্র ২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তলানিতে আছে বিরাট-ফাফরা। 

 

বেঙ্গালুরুর ঘরের মাঠে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামে হায়দ্রাবাদ। হায়দ্রাবাদের দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও হেড দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেয়। ওপেনিং জুটি থেকে আসে ১০৮ রান। অভিষেক ৩৪ রানে আউট হলেও, অপরপ্রান্তে থাকা হেডের ঝোড়ো ব্যাটিং অব্যাহত থাকে। প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান ক্লাসেনকে নিয়ে এগোতে থাকেন তিনি।


মাত্র ৩৯ বলে শতক হাঁকিয়ে চলতি আইপিএলের দ্রুততম সেঞ্চুরিও করেন হেড। হেডের শতক চলতি আইপিএলে সবচেয়ে দ্রুততম হলেও, আইপিএলের ইতিহাসে এটি চতুর্থ দ্রুততম।

 

তবে হেড বেশিদূর যেতে পারেননি। ৪১ বলে ১০২ রানে থামে তার ইনিংস। হেড আউট হওয়ার পর তাণ্ডব চালান ক্লাসেন। ২৩ বলে অর্ধশতক হাঁকান এই প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান। ৩১ বলে ৬৭ রান করে আউট হন তিনি।

 

শেষ দিকে মারকামের ১৭ বলে অপরাজিত ৩২ এবং আব্দুল শামাদের ১০ বলে অপরাজিত ৩৭ রানের উপর ভর করে ২৮৭ রানের পাহাড়সম পুঁজি পায় হায়দ্রাবাদ। আইপিএলের সবগুলো আসর মিলিয়ে এটিই এখন সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। চলতি মৌসুমেই মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ২৭৭ রান করেছিল দলটি। এবার নিজেদের রেকর্ডই ভাঙল দলটি। 

 

প্রায় অসম্ভব রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা দারুণ হয়েছিল হায়দরাবাদের। পাওয়ারপ্লেতে দুই ওপেনার বিরাট কোহলি এবং ফাফ ডু প্লেসি মিলে ৭৯ রান করে দলকে রেখেছিলেন লড়াইয়ে। ৮০ রানে ভাঙে এই জুটি। ২০ বলে ৪২ রান করা কোহলি ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ মায়াঙ্ক মারকান্দের বলে আউট হন।  


কোহলির বিদায়ের পর রানের গতি কমার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি উইকেটও হারায় বেঙ্গালুরু। বড় রানতাড়ায় রান পাননি উইল জ্যাকস, রজত পাতিদার এবং সৌরভ চৌহান। দলীয় ১২১ রানে উইকেটের মিছিলে যোগ দেন অধিনায়ক প্লেসি। ৪ ছক্কা ও ৭ চারে ২৮ বলে ৬২ রান করে কামিন্সের শিকার হয়ে ফেরেন তিনি।

 

ষষ্ঠ উইকেটে লড়াইয়ে ফেরার বেশ চেষ্টা করেছিলেন কার্তিক এবং লোমরোর। তবে তাদের ২৫ বলে ৫৯ রানের জুটিও ভাঙেন কামিন্স। ৩০ বলে ১০১ রানের লক্ষ্য ছিল বেঙ্গালুরুর। প্রায় অসম্ভব এই রান তাড়ায় একাই লড়েছেন কার্তিক।

 

১৭তম ওভারে দুটি ছক্কা, ১৮তম ও ১৯তম ওভারে একটি করে ছক্কা মেরেছেন কার্তিক। তবে শেষ পর্যন্ত আর লড়াইটা চালিয়ে যেতে পারেননি। ৭ ছক্কা ও ৫ চারে সাজানো তার ৩৫ বলে ৮৩ রানের ইনিংস থামে ১৯তম ওভারে নটরঞ্জনের বলে। ম্যাচ না জেতাতে পারলেও কার্তিকের লড়াইকে দাঁড়িয়ে হাততালি দিয়ে সম্মান জানিয়েছে বেঙ্গালুরুর দর্শকরা।

 

আইপিএলের এক ম্যাচে ৫৪৯ রান এখন টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। চলতি মৌসুমেই এক ম্যাচে ৫২৩ রানের রেকর্ড গড়েছিল মুম্বাই-হায়দরাবাদ। এবার সেই রেকর্ড ভাঙল বেঙ্গালুরু-হায়দরাবাদ। দুই ম্যাচেই শেষ পর্যন্ত জিতেছে হায়দরাবাদ।


সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ   আইপিএল   ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

আইপিএলে আবারও হায়দরাবাদের সর্বোচ্চ রানের ইতিহাস

প্রকাশ: ০৯:৫২ পিএম, ১৫ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৭তম আসরে নিজেদেরই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস লিখলো সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আইপিএলের ইতিহাসে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়লো দলটি।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ম্যাচে প্রথম ব্যাট করে এক সেঞ্চুরি ও এক ফিফটিতে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৮৭ রান করে তারা।

এর আগে এবারের আসরেই মুম্বাইয়ের বিপক্ষে ২৭৭ রানের রেকর্ড গড়েছিল অরেঞ্জ আর্মিরা। আজ আবারও তাদের নিজেদের রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস লিখলো তারা।

এদিন দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১০২ রান করেছেন ট্রাভিস হেড। তাছাড়া ৩১ বলে ৬৭ রান এসেছে হেনরিখ ক্লাসেনের ব্যাট থেকে। আর আব্দুল সামাদ করেছেন ১০ বলে ৩৭ রান।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৩ সালে পুনে ওয়ারিয়র্সের বিরুদ্ধে ৫ উইকেটে ২৬৩ রান করেছিল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করেছিল লখনৌ সুপার জায়ান্টস। তারা ২০২৩ সালে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ৫ উইকেটে ২৫৭ করে। তবে এবার গত ১১ বছরের ইতিহাস দ্বিতীয়বারের মতো ভেঙ্গেছে হায়দরাবাদ।


সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ   আইপিএল   ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

আইপিএলের জন্য বিসিবি থেকে সুখবর পেলেন মুস্তাফিজ

প্রকাশ: ০৯:১৮ পিএম, ১৫ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

আইপিএলের চলতি আসরে বল হাতে দারুণ ছন্দে রয়েছেন বাংলাদেশি গরু পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ৫ ম্যাচ খেলে ইতোমধ্যেই শিকার করেছেন ১০ উইকেট। রয়েছেন সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির তালিকাতেও। 

তবে শেষ পর্যন্ত মুস্তাফিজ এই তালিকায় থাকতে পারবেন কি না টা নিয়ে ছিল সংশয়। কারণ আন্তর্জাতিক সূচির কারণে বিসিবি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি পেয়েছিলেন মুস্তাফিজ। কিন্তু এবার বিসিবি থেকে নতুন সুখবর পেয়েছেন তিনি। 

এবার তাকে আরও একদিন বেশি ভারতে চেন্নাই দলের সাথে থাকার সুযোগ করে দিয়েছে বিসিবি। আগামী ১ মে নিজেদের দশম ম্যাচ খেলতে নামবে চেন্নাই। পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে অনুষ্ঠিতব্য ওই ম্যাচটিতে খেলতে পারবেন মুস্তাফিজ। সব ঠিক থাকলে সে ম্যাচটি খেলে ২ মে বাংলাদেশে ফিরবেন তিনি।

বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের সহকারী ম্যানেজার শাহরিয়ার নাফীস দেশের একটি জাতীয় দৈনিককে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চলতি মাসের শেষ দিকে পাঁচ ম্যাচের টি-২০ সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসছে জিম্বাবুয়ে। আগামী ২৮ এপ্রিল ঢাকায় পা রাখবে দলটি। এরপর ৩ মে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে হবে সিরিজের প্রথম ম্যাচ। আসন্ন এই সিরিজে অংশ নিতেই আইপিএল থেকে ফিরে জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দিবেন মুস্তাফিজ। 

বল হাতে দারুণ সময় পার করছেন দ্য ফিজ। চেন্নাইয়ের জার্সিতে ৫ ম্যাচ খেলে উইকেট নিয়েছেন ১০টি। আইপিএলের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি বোলারের তালিকায় বাংলাদেশ দলের এই বাঁহাতি পেসার এখন আছেন ৩ নম্বরে।

সমান ১০ উইকেট নিয়েও ইকোনমি গড়ে এগিয়ে থেকে এবারের আইপিএলে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির তালিকায় দুইয়ে আছেন জাসপ্রিত বুমরাহ। ১১ উইকেট নিয়ে শীর্ষে যুবেন্দ্র চাহাল। 


মুস্তাফিজ   বাংলাদেশ   চেন্নাই   আইপিএল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

মুস্তাফিজের ক্যাচেই মোড় ঘুরে আইপিএলের এল ক্লাসিকোর!

প্রকাশ: ০৩:৫৫ পিএম, ১৫ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

আইপিএলের ১৭তম আসরের ‘এল ক্লাসিকো’ খ্যাত ম্যাচে মুম্বাইয়ের বিপক্ষে চেন্নাইয়ের একাদশে থেকেও বল হাতে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি টাইগার পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। তবে বল হাতে কিছুটা বিবর্ণ থাকলেও এ ম্যাচে ভিন্ন এক কারণে আলোচনায় উঠে এসেছেন তিনি। কারণ এদিন দুর্দান্ত একটি ক্যাচ নিয়েছেন দ্য ফিজ। আর সূর্যকুমারের সেই ক্যাচটিই নাকি ম্যাচের মোড় ঘুরে দিয়েছে বলে দাবি করেছে ভারতীয় কিছু সংবাদমাধ্যম।

মুম্বাই ইনিংসের অষ্টম ওভারের চলছিল। ওয়াংখেড়েতে চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ক্রিজে এসে পাথিরানার ওভারে প্রথম বলটি ডট দেন সূর্যকুমার। দ্বিতীয় বলে খেলেন আপার-কাট। থার্ডম্যান অঞ্চলে সীমানার কাছে দাঁড়িয়ে সেটি লুফে নেন ফিজ।

যদিও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সীমানাদড়ির বাইরের দিকে হেলে পড়ায় বল উপরের দিকে ভাসিয়ে দেন মুস্তাফিজ। সীমানার বাইরে চলে যাওয়া মুস্তাফিজ দ্রুত মাঠে ঢুকে আবার সেই ক্যাচ ধরেন। এতে ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই বিদায় নেন সূর্য।

মুস্তাফিজের দুর্দান্ত সেই ক্যাচের প্রশংসা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। তার মতে,  ‘মুস্তাফিজের ক্যাচটা দারুণ ছিল। ঐ এক ওভারে দুই উইকেট যাওয়ায় মোমেন্টাম ঘুরে যায়।’

এই ম্যাচে দুই দল মিলিয়ে পুরো ৪০ ওভার জুড়ে লড়াই করলেও তিনটি মুহূর্ত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে, দাবি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের।


মুস্তাফিজ   চেন্নাই সুপার কিংস   আইপিএল   মহেন্দ্র সিং ধোনি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন