ইনসাইড গ্রাউন্ড

সেমিতে হারের দায় নিজের কাঁধে নিলেন দেশম

প্রকাশ: ০৯:৪৭ পিএম, ১০ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

২০১২ সালে ফ্রান্স জাতীয় দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দিদিয়ের দেশম দলের হাল ধরেছেন। এই সময়ের মধ্যে ফ্রান্সকে দুটি বিশ্বকাপের ফাইনাল ও একটি ইউরোর ফাইনালে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। যদিও বিশ্বকাপ জিতেছেন একবার, তবে ইউরো জয়ের স্বাদ এখনও পাননি এই কিংবদন্তি কোচ। এবারের ইউরো থেকে খালি হাতে ফেরার দায়ও নিজ কাঁধে তুলে নিলেন দেশম।

স্পেনের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে দেশম বলেন, “আমি কারোর উপর দায় দিচ্ছি না। আমি দলের দায়িত্বে আছি এবং আমিই এই হারের জন্য দায়ী। আমরা স্পেনের মত মানসম্পন্ন দলের বিপক্ষে খেলেছি। যদিও গ্রিজম্যান শুরু থেকে খেলেনি, এমবাপে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার চেষ্টা করেছে। আমরা আমাদের সাধ্যমত চেষ্টা করেছি।” ম্যাচের শুরুতে ফ্রান্স কুলো মুয়ানির গোলে লিড পেলেও পরে লামিন ইয়ামাল ও দানি ওলমোর গোলে হেরে যায়।

দেশম আরও বলেন, “শুরুটা দারুণ ছিল কারণ আমরা লিড নিয়েছিলাম, কিন্তু স্প্যানিশরা শিক্ষকের মত আমাদের উপর চাপ সৃষ্টি করে খেলেছে। আমরা ভাল পারফর্ম করতে পারিনি। আমরা বৈচিত্রময় খেলা উপহার দিতে পারিনি যেটা আমরা চেয়েছিলাম।” ২০২৬ বিশ্বকাপ পর্যন্ত জাতীয় দলের দায়িত্বে থাকছেন দেশম। এবারের ইউরোতে চাহিদামত অনেককে সুযোগ দিতে না পারার বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা শেষ পর্যন্ত জিততে চেষ্টা করেছি। আমি এটা বলছি না যে খেলোয়াড়রা তাদের সেরাটা দেয়নি। অনেকে তাদের চাহিদামত দিতে পারেনি নানা কারণে।”


স্পেন   ফ্রান্স   এমবাপে   দেশম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

ইউরোতে গোল্ডেন বুট জিতলেন ৬ ফুটবলার

প্রকাশ: ০৭:৫২ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সেমিফাইনালের পরই উয়েফা জানিয়েছিল গোল্ডেন বুটের নতুন নিয়মের কথা। যেখানে বলা হয়েছিল, গোলসংখ্যায় যে এগিয়ে থাকবে, তিনিই জিতবেন গোল্ডেন বুট। আর একাধিক সংখ্যক ফুটবলারের গোলের সংখ্যা সমান হলে সবাই যুগ্মভাবে গোল্ডেন বুট জিতবেন। অবশেষে সেটিই হয়েছে।

এবারের ইউরোতে মোট ৬ জন ফুটবলার যুগ্মভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। তাদের প্রত্যেকেই ৩টি করে গোল করেন। ফলে যুগ্মভাবে ৬ জনই গোল্ডেন বুট জিতেছেন। তাদের প্রত্যেকেই আবার আলাদা আলাদা দেশের। ইউরোর ইতিহাসে প্রথমবার ঘটেছে এমন ঘটনা।

এই ছয় ফুটবলারের দুজন ফাইনালে খেলেছেন। দানি ওলমো ও হ্যারি কেইন দুজনই তিন গোল করে ফাইনালের আগে থেকেই বাকি চারজনের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন। তাই তাদের সামনে সবাইকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু এ দু’জনের কেউই ফাইনালে গোল করতে পারেননি।

শেষ পর্যন্ত কডি গাকপো, জামাল মুসিয়ালা, জর্জেস মিকাউতাদজে, ইভান শ্রানজের সঙ্গে গোল্ডেন বুট ভাগাভাগি করেছেন কেইন ও ওলমো।

ফুটবলে বৈশ্বিক কিংবা মহাদেশীয় যেকোনো বড় প্রতিযোগিতায় আকর্ষণীয় একটি পুরস্কার গোল্ডেন বুট। যা টুর্নামেন্ট শেষে আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতার হাতেই ওঠে। ১৯৬০ সাল থেকে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা এই পুরস্কার দিয়ে আসছে। সাধারণত সর্বোচ্চ গোলদাতা পেয়ে থাকেন গোল্ডেন বুট, যদি একাধিক ফুটবলার সর্বোচ্চ সংখ্যক গোল করেন তাহলে তাদের অ্যাসিস্ট সংখ্যা বিবেচনায় (২০২০ নিয়ম অনুযায়ী) নেওয়া হয়। তবে এবার সেই নিয়মে বদল এসেছে ইউরোতে।

ইউরো ২০২৪ আসরে গোল্ডেন বুটের নিয়ম পরিবর্তন করে উয়েফা আগেই জানিয়েছিল, ফাইনালে যদি এককভাবে কোনো ফুটবলার সর্বোচ্চ গোলে এগিয়ে যেতে না পারেন, তবে সবাইকেই গোল্ডেন বুট দেওয়া হবে।

যে ছয়জন গোল্ডেন বুট জিতেছেন-

১. হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড)
২. দানি ওলমো (স্পেন)
৩. কডি গাকপো (নেদারল্যান্ডস)
৪. জামাল মুসিয়ালা (জার্মানি)
৫. জর্জেস মিকাউতাদজে (জর্জিয়া)
৬. ইভান শ্রানজ (স্লোভাকিয়া)


ইউরো   গোল্ডেন বুট   ফুটবল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

অনন্য মেসির ভিন্ন রেকর্ড

প্রকাশ: ০৬:৩২ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

শেষ কয়েক বছরে শিরোপা এবং আর্জেন্টিনা যেন একে অপরের সমার্থক হয়ে উঠেছে। অন্তত গত তিন বছরের পরিসংখ্যান তাই বলছে। এই সময়ে আর্জেন্টিনা জিতেছে তিনটি প্রধান ট্রফি এবং ফিনালিসিমা।

লিওনেল মেসির নেতৃত্বে দলটি আজ (সোমবার) কোপা আমেরিকার ফাইনালে কলম্বিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো মহাদেশীয় সেরার মুকুট পরেছে। এই ট্রফি জয়ের মাধ্যমে মেসি একটি অনন্য রেকর্ডেও নাম লেখালেন। ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার দানি আলভেজকে ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে সবচেয়ে বেশি ট্রফি জয়ের রেকর্ডটি এখন মেসির। আলভেজের ৪৪টি ট্রফি ছিল, আর এতদিন সেই রেকর্ড ভাগাভাগি করছিলেন মেসি।

কোপা জেতার পর মেসির ট্রফি সংখ্যা দাঁড়াল ৪৫টিতে। সর্বোচ্চ শিরোপা জয়ের এই রেকর্ড মেসি গড়েছেন চারটি ভিন্ন দলের হয়ে। ২০২১ সালে আর্জেন্টিনার হয়ে কোপা জেতার পর তিনি ফুটবল বিশ্বকাপ এবং ইতালিকে হারিয়ে ফিনালিসিমাও জিতেছিলেন। এছাড়া মেসির দখলে রয়েছে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ ও অলিম্পিক গোল্ডও।

ক্লাব পর্যায়ে মেসি সবচেয়ে বেশি ট্রফি জিতেছেন বার্সেলোনার হয়ে। তিনি বার্সেলোনার হয়ে জিতেছেন ১০টি লা লিগা, ৭টি কোপা দেল রে, ৮টি সুপার কাপ এবং ৪টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। এছাড়া ৩টি ক্লাব বিশ্বকাপ এবং ৩টি উয়েফা সুপার কাপও জিতেছেন তিনি।

বার্সেলোনা ছাড়ার পর পিএসজিতে যোগ দিয়ে মেসি দুটি লিগ ওয়ান শিরোপা এবং একটি লিগ কাপ জিতেছেন। বর্তমানে মেসি খেলছেন আমেরিকান মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে। সেই দলের হয়েও তিনি একটি লিগ কাপ জিতেছেন।


লিওনেল মেসি   আর্জেন্টিনা   ফুটবল   ট্রফি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

জরিমানা ছাড়া কীভাবে খেললো ইয়ামাল?

প্রকাশ: ০৪:৪৫ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

জমজমাট ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে রেকর্ড চতুর্থবারের মতো ইউরোর শিরোপা জিতেছে স্পেন। এবারের আসরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন ১৭ বছর বয়সী তরুণ খেলোয়াড় লামিন ইয়ামাল।

সদ্য সমাপ্ত ইউরোতে ইয়ামাল মাঠে নামলেই যেন তৈরি হয়েছে একের পর এক রেকর্ড। ফাইনালেও ইয়ামালের পা থেকে এসেছে দর্শনীয় অ্যাসিস্ট। তার দুর্দান্ত অ্যাসিস্টে প্রথম গোলের দেখা পায় নিকো উইলিয়ামস। এরপরই উল্লাসে ফেটে পড়ে পুরো স্পেন।

তবে ফাইনালে ইয়ামালকে খেলানো নিয়ে দুঃসংবাদ শোনা যাচ্ছিল। তবে কোনো চোট বা কার্ডের সমস্যা নয়, তাকে খেলানোর ক্ষেত্রে মূলত দুঃসংবাদ হয়ে উঠেছিল আয়োজক দেশ জার্মানির আইন। ১৭ বছর বয়সী এই তরুণ খেলোয়াড় জার্মানির আইনে নাবালক।

জার্মানির যে শ্রম আইন রয়েছে সেই আইন অনুযায়ী কোনো নাবালক বা শিশুকে দিয়ে রাত আটটার পরে কোনো কাজ করানো যাবে না। তবে অ্যাথলেটদের ক্ষেত্রে রয়েছে বিশেষ ছাড়। তাদের রাত ১১টা অবধি খেলানো বা অনুশীলন করানো যায়।

এদিকে খুব সূক্ষ্মভাবে এই আইনের জরিমানা এড়িয়েছেন স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। এদিন ইয়ামালকে ম্যাচের ৯০ মিনিট খেলাতে গেলে জরিমানা দিতে হতো। তাই ৯০ মিনিটের আগেই বদলি খেলোয়াড় দিয়ে তাকে মাঠ থেকে উঠিয়ে নেওয়া হয়।

তবে খেলা শেষ হওয়ার ৪ ঘণ্টা পর্যন্ত উয়েফা কর্তৃপক্ষ ইয়ামালের জরিমানা নিয়ে স্পষ্ট কোনও বার্তা দেয়নি। তবে দ্রুতই হয়ত এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা দেবে ইউরো ও স্পেন দল। অবশ্য পুরো সময় খেললে কত টাকা জরিমানা হতে পারতো স্পেনের?

জানা গেছে, আইন ভাঙলে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের ৩০ হাজার ইউরো জরিমানা হতে পারতো। তবে ইউরো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য এই পরিমাণ অর্থ দিয়েও দিতে পারতো স্পেনের ফুটবল ফেডারেশন।

ইংলিশদের আক্ষেপে পুড়িয়ে চতুর্থবারের মতো দখলে নিলো ইউরো শিরোপা। ইউরোর ইতিহাসে যা পারেনি আর কোনো দল! শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে ১২ বছর পর। তাই সেক্ষেত্রে জরিমানা হলেও তা বিশেষ সমস্যা হতো না স্পেনের কাছে।


লামিনে ইয়ামাল   স্পেন   ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

এবার দুই চ্যাম্পিয়নের লড়াই দেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব

প্রকাশ: ০৪:২৫ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই মহাদেশীয় ফুটবলের দুই আসরের পর্দা নেমেছে। রোববার (১৪ জুলাই) রাতে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে উয়েফা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ঘরে তুলেছে স্পেন। এরপর সোমবার (১৫ জুলাই) সকালে কলম্বিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোপা আমেরিকার শিরোপা জেতে আর্জেন্টিনা।

ইউরোর ১৭তম আসরে ইংল্যান্ডের হৃদয় ভেঙে রেকর্ড চতুর্থবারের মতো শিরোপা নিজেদের ঘরে তুলেছে স্পেন। সেই সঙ্গে ১২ বছরের শিরোপা না পাওয়ার আক্ষেপ ঘুচলো তারা। অন্যদিকে কোপা চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ২৩ বছর শিরোপা খরায় ভোগা কলম্বিয়াকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় এবং টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ১৬তম শিরোপা জিতে নিয়েছে।

এবার দুই মহাদেশীয় ফুটবলের সেরা দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার পালা। কোপা আমেরিকা জয়ী ও ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা দলের লড়াইয়ের নাম ‘ফিনালিসিমা’। যে লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। মহাদেশীয় লড়াই শেষ হওয়ার পর এবার ফিনালিসিমার জন্য অপেক্ষা।

কনমেবল ও উয়েফা এরই মধ্যে এটা আয়োজনের সবুজ সংকেত প্রদান করেছে। তবে কবে আয়োজন করা হবে এই ম্যাচ সেটা নিয়ে নির্দিষ্ট তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে ফিনালিসিমার তৃতীয় আসর অনুষ্ঠিত হবে।

২০২৫ সালের ১৫ জুন থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত পর্যন্ত আয়োজিত হবে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ। এই টুর্নামেন্টের আগে বা পরেই আয়োজিত হবে ফিনালিসিমা। যদিও তারিখের মতো ভেন্যুও ঠিক হয়নি।

ফিনালিসিমার গত আসর আয়োজন করেছিল ওয়েম্বলি। যেখানে কোপা চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ৩-০ গোলে হারায় ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিকে। ২০২২ সালের আগে কেবল দুইটি ফিনালিসিমার ম্যাচ হয়েছিল। এর আগে ১৯৮৫ এবং ১৯৯৩ সালে আয়োজিত হয়েছিল এই প্রতিযোগিতা। প্রথম আসরে খেলেছিল ফ্রান্স ও উরুগুয়ে। দ্বিতীয় আসরে মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনা ও ডেনমার্ক।


ফিনালিসিমা   মেসি   ইয়ামাল   কোপা আমেরিকা   ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

কোপা আমেরিকা ২০২৪: সেরার পুরস্কার উঠল যাদের হাতে

প্রকাশ: ০৪:১৩ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

একটা প্রবাদ আছে যে, উপরওয়ালা যখন দেয়, তখন দুই হাত ভরে দেয়। আর এই প্রবাদটিই যেন প্রতিফলিত হয়েছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রে। একের পর এক ব্যর্থতা আর সমালোচনা যখন গ্রাস করেছিল দলটিকে ঠিক তখনই  এক নতুন পরিকল্পনা ও লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু। আর সেখান থেকেই আজ টানা ৪ আন্তর্জাতিক শিরোপা জিতেছে দলটি।

সোমবার কোপা আমেরিকার ফাইনালে কলম্বিয়াকে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ে মেতেছে দলটি। আর টুর্নামেন্টের ইতিহাসে রেকর্ড সর্বোচ্চ ১৬বার শিরোপা ঘুরে তুলেছে আলবিসেলেস্তেরা।

একুশ শতকে লম্বা সময় ধরে আর্জেটিনাকে বলতে গেলে একাই টেনেছেন মেসি। অথচ আর্জেন্টিনার টানা দ্বিতীয় কোপা আমেরিকা জেতায় মেসি থাকলেন পার্শ্বচরিত্র হয়ে। টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোল করে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জেতাতে দারুণ অবদান রেখেছেন লাউতারো মার্টিনেজ। ইন্টার মিলানের অধিনায়ক ৬ ম্যাচে ৫ গোল করে জিতে নিয়েছেন এবারের আসরের গোল্ডেন বুট।

আর্জেন্টিনার ফের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পেছনে দারুণ অবদান গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের। কাতার বিশ্বকাপের সেরা গোলরক্ষক এমি কোপা আমেরিকায়ও পেলেন সেরা গোলরক্ষকের গোল্ডেন গ্লাভস। আসরে আর্জেন্টিনার খেলা ছয় ম্যাচের পাঁচটিতেই গোল হজম করেননি মার্টিনেজ।

তবে সেরা খেলোয়াড়ের গোল্ডেন বল আর্জেন্টিনা ঘরে তুলতে পারেনি। কলম্বিয়াকে ফাইনালে তুলতে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দেয়া জেমস রদ্রিগেজই নির্বাচিত হয়েছেন এবারের আসরের সেরা খেলোয়াড়।

আসরে ১টি গোল ও ৬টি অ্যাসিস্ট করে সবাইকে পেছনে ফেলেছেন জেমস। মেসির (৭) পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫টি বিগ চান্সও তিনিই তৈরি করেছেন। সব মিলিয়ে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতার পথে জেমসের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীই ছিল না।

তবে ২৩ বছর পর দলকে ফাইনালে তুললেও শেষটা রাঙাতে পারেননি রদ্রিগেজ। লাউতারো মার্টিনেজের একমাত্র গোলে শিরোপা গেছে আর্জেন্টিনার ঘরে।


কোপা আমেরিকা   আর্জেন্টিনা   লাউতারো মার্টিনেজ   এমি মার্টিনেজ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন