ইনসাইড গ্রাউন্ড

জিম্বাবুয়ে ফেরত দুই নারী ক্রিকেটার কোভিড আক্রান্ত

প্রকাশ: ০৪:৫৭ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২১


Thumbnail

ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাই পর্ব শেষ না হতেই ঘোষণা আসে কোভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’ এর কারণে স্থগিত হয়েছে সব খেলা। তাতে অবশ্য কপাল খুলেছে বাংলাদেশ নারী জাতীয় ক্রিকেট দলের। র‍্যাংকিং অনুযায়ী বিশ্বকাপে খেলবে তারা।

তবে বাছাই পর্ব শেষে দেশে ফেরার পথে বেশ বিপাকে পড়তে হয় দলকে। প্রায় তিন দিন পর দেশে ফিরে রাজধানীর একটি হোটেলে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয় তাদের।

আজ সোমবার ছিল কোয়ারেন্টিনের শেষ দিন। এদিনই জানা গেল, নারী দলের দুই ক্রিকেটার কোভিড পজিটিভ হয়েছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে বিষয়টি।

এদিকে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করায় সংবর্ধনা দেয়ার কথা ছিল দলকে। তবে সেটি বাতিল করা হয়েছে দুই ক্রিকেটারের কোভিড আক্রান্ত হওয়ায়। দুই সদস্যের কোভিড আক্রান্তে গোটা দলকে আবারও কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে বলেও জানিয়েছে সূত্রটি।

বাংলাদেশ নারী দল   বিসিবি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

পিএসএলে করোনার হানা, আক্রান্ত ওয়াসিমসহ ৩ জন

প্রকাশ: ০১:০৮ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

আবারও করোনা আঘাত হেনেছে পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএলে)। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগেই একের পর এক ছোবল বসিয়ে যাচ্ছে প্রাণঘাতী করোনা।

কিছুদিন আগেই ৩ জন ক্রিকেটার এবং ৫ জন সাপোর্ট স্টাফ কোভিড পজিটিভ হন পিএসএলে। এবার কোভিড পজিটিভ হয়েছেন করাচি কিংসের প্রেসিডেন্ট পাকিস্তানের সাবেক কিংবদন্তী পেসার ওয়াসিম আকরাম। সাথে পেশোয়ার জালমির দুই ক্রিকেটার ওয়াহাব রিয়াজ ও হায়দার আলিও পজিটিভ হয়েছেন। একবার কোভিড পজিটিভ হওয়ার পর আইসোলেশন এবং পরপর দুইবার পিসিআর টেস্টে নেগেটিভ হয়ে তারপর দলের সাথে যোগ দিতে পারবেন ক্রিকেটার এবং স্টাফরা।

পেশোয়ার জালমির দুই ক্রিকেটার কামরান আকমল ও আরশাদ ইকবাল পজিটিভ হয়েছিলেন আগেই। যার ফলে এখন পেশোয়ার দলে কোভিড পজিটিভ ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে গিয়ে দাঁড়ালো ৪ এ। আগামী ২৭ জানুয়ারি মুলতান সুলতান্স এবং করাচি কিংসের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে মাঠে গড়াবে পিএসএলের এবারের আসর। টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে যেকোনো ধরনের জরুরি অবস্থার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন পিসিবি প্রধান রমিজ রাজা।

পিএসএলে অংশ নিতে যাওয়া সকল ক্রিকেটার ইতোমধ্যে আছেন কোয়ারেন্টিনে। মাঠে নামার আগে তিনবার কোভিড পরীক্ষায় নেগেটিভ হতে হবে প্রত্যেক ক্রিকেটারকে। টুর্নামেন্টের পরিচালক সালমান নাসির জানিয়েছেন, ২০ জানুয়ারি প্রথম কোভিড ধরা পড়ার পর থেকে আরও ২৫০ বার কোভিড টেস্ট করা হয়েছে।

নাসির জানান, ‘সর্বশেষ ফলাফল পাওয়া পর্যন্ত বৃহস্পতিবারের পর থেকে ২৫০ বার টেস্ট করা হয়েছে। পজিটিভ হওয়া ব্যক্তিরা এখনো পর্যন্ত আইসোলেশনে আছেন।’

রমিজ আগেই জানিয়েছিলেন, যদি উভয় দলে ১৩ জন করে কোভিড নেগেটিভ ক্রিকেটার থাকেন তখনই ম্যাচ শুরু হবে। যার অর্থ দাঁড়ায়, একটি দলে সর্বোচ্চ ৯ জন কোভিড পজিটিভ থাকলে তারা খেলতে পারবে।

তাছাড়া ড্রাফটে দল না পাওয়াদের মধ্যে থেকে ১৫-২০ জন ক্রিকেটারকে আলাদা করে প্রস্তুত রাখা হয়েছে যেন কেউ কোভিডের কারণে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেলে দলগুলো দ্রুতই বদলি খেলোয়াড় দলে নিয়ে নিতে পারে। কোভিড পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করলে ১০ দিনের বিরতি দিয়ে প্রতিদিন ২টি করে ম্যাচ আয়োজন করে টুর্নামেন্ট চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছে পিসিবি।






পিএসএল   ওয়াসিম আকরাম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

জাতীয় দলেই বেশি কাজ করবেন সিডন্স

প্রকাশ: ১২:৫৫ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

দীর্ঘ এক দশক পর বাংলাদেশ দলের সাবেক প্রধান কোচ জেমি সিডন্স আবারও বাংলাদেশে আসছেন, এটা পুরনো খবর। তবে তিনি কোন দল বা কোন পর্যায়ে কাজ করবেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়। বিসিবি অবশ্য জাতীয় দলের জন্যই সিডন্সকে বেশি কাজে লাগাতে চায়।

মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে এমনটিই জানান বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস। তিনি বলেন, ‘সিডন্সের সাথে চুক্তি নিশ্চিত হয়েছে অনেক আগে। তাকে আমরা ক্রিকেট বোর্ডের ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে নিয়ে এসেছি।’

‘এখনও চূড়ান্ত হয়নি কোন জায়গায় তিনি কাজ করবেন। মেইনস্ট্রিমে কাজ করবেন, নাকি অন্য জায়গায় পরামর্শক হিসেবে কাজ করবেন তা এখনও ঠিক হয়নি। তবে আমরা বিশেষ করে চাইবো মেইনস্ট্রিমেই কাজ করুক।’

সিডন্স যখন ব্যাটিং পরামর্শক হয়ে আসছেন, তখন নানা আলোচনা জাতীয় দলের প্রধান কোচের পদ নিয়ে। যেহেতু সিডন্স অতীতে সফল ছিলেন, তাই এবারও তাকে প্রধান কোচের আসনের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে জালাল বলেন, ‘জেমি সিডন্স অনেক সিনিয়র কোচ। তার থেকে আমরা অনেক সহায়তা পাব। ব্যাটিং কোচ হিসেবে আসছে, আমরা তাকে ব্যাটিং কোচ হিসেবেই বিবেচনা করছি। ভবিষ্যতে তাকে নিয়ে কী চিন্তা করব না করব তা এখন বলতে পারছি না।’

জাতীয় দলের বর্তমান ব্যাটিং কোচ অ্যাশওয়েল প্রিন্স, যার সাথে বিসিবির চুক্তি ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত। সিডন্স জাতীয় দলের সাথে কাজ করলে প্রিন্সের ভূমিকা কেমন হবে- এমন প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন জালাল ইউনুস।

তিনি বলেন, ‘সেটা আমরা পরে দেখব। প্রিন্স অবশ্যই থাকছে, এখনও চুক্তি আছে। তাকে কোথায় কাজে লাগানো যায় সেটাও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।’


সিডন্স  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

বল টেম্পারিং করার শাস্তি পেল নেদারল্যান্ডস

প্রকাশ: ১২:৪৪ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

দোহায় সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে নেদারল্যান্ডসকে ৭৫ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ডাচদের হোয়াইটওয়াশ করেছে আফগানিস্তান। তবে ম্যাচশেষে সব আলোচনা বল টেম্পারিং বিতর্ক ঘিরে। সিরিজের শেষ ম্যাচে নেদারল্যান্ডস তাৎক্ষণিক শাস্তি পেয়েছে বল টেম্পারিং করে।

আফগানিস্তানের ইনিংসের ৩০ ওভার শেষে আফগানদের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ১১৪ রান। উইকেট না হারালেও আফগানরা দ্রুত রান সংগ্রহ করতে পারছিলেন না। ব্যাটিংয়ে ছিলেন আফগান অধিনায়ক হাসমতউল্লাহ শহিদি। ৩১তম ওভারে বোলিং করতে আসেন ব্রেন্ডন গ্লোভার। শেষ বলটির আগে দেখা যায় আম্পায়ার বল পরিবর্তন করতে যাচ্ছেন। জানা যায়, ডাচরা বিশেষ সুবিধা নেওয়ার জন্য বল বিকৃত করেছেন।

বল বিকৃত করার অপরাধে নেদারল্যান্ডসকে তাৎক্ষণিক শাস্তিও দেন আম্পায়ার। ৫ রান পেনাল্টি করা হয়। সাথেসাথে আফগানিস্তানের স্কোর বোর্ডে যোগ হয় ৫ রান। ৩১তম ওভারে গ্লোভার মাত্র ২ রান খরচ করলেও পেনাল্টির কারণে সেই ওভারে ৭ রান পায় আফগানিস্তান। নির্ধারিত ২০ ওভারে আফগানরা সংগ্রহ করে ৫ উইকেটে ২৫৪ রান।

নেদারল্যান্ডসের ব্যাটিং খুবই ভালো ভাবে শুরু হয়। বলের সাথে পাল্লা দিয়ে রান তুলে উদ্বোধনী জুটিতেই ১০৩ রান যোগ করেছিলেন কলিন অ্যাকারম্যান ও স্কট এডওয়ার্ডস। কিন্তু তারা আউট হওয়ার পরই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে নেদারল্যান্ডসের ব্যাটিং। শেষ ৭৬ রানে ১০টি উইকেট হারিয়ে ১৭৯ রানে অল-আউট হয় ডাচরা। ফলে ৭৫ রানের ব্যবধানে জয় পায় আফগানিস্তান।

আফগানিস্তান   নেদারল্যান্ডস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

পাকিস্তান সফরে যেতে আপত্তি একাধিক অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারের

প্রকাশ: ১১:২১ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

প্রায় ২৪ বছর পর পাকিস্তান সফরের হাতছানি অস্ট্রেলিয়া দলের সামনে। অস্ট্রেলিয়া দলকে বরণ করে নিতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তানও। কিন্তু এরই মাঝে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম খবর প্রকাশ করেছে যে,  নিরাপত্তাজনিত কারণে পাকিস্তান সফরে যেতে আপত্তি আছে বেশ কয়েকজন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারের। সেই গণমাধ্যম ক্রিকেটারদের নাম এখনও প্রকাশ করেনি। তবে পিসিবির জন্য স্বস্তির খবর এই যে, পাকিস্তানে যাওয়ার ব্যাপারে এখনও ইতিবাচক ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)।


পাকিস্তান সফরের প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই নিতে শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়া। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজে তাই বিশ্রামে রাখা হয়েছে অজি হেড কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার, দলটির ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও অলরাউন্ডার মিচেল মার্শকে।

কিছুদিন আগেও এই সফরের ব্যাপারে ইতিবাচক মন্তব্য করেছিল সিএ'র শীর্ষস্থানীয় এক কর্তা, 'ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এবং পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এই সফরের পরিকল্পনা করছে। তারা নিয়মিতই নিজেদের সঙ্গে এবং নিজ দেশের সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে।'

কোন কোন ক্রিকেটার পাকিস্তানে যেতে আপত্তি প্রকাশ করেছে তা উল্লেখ করা না হলেও সিএ'র পক্ষ থেকে তাদের এই সফরের ব্যাপারে আগ্রহী করে তোলার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে।

পাকিস্তান   অস্ট্রেলিয়া  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

আইপিএল আয়োজন করতে চায় দক্ষিণ আফ্রিকা!

প্রকাশ: ১০:৪৮ এএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৫তম আসর ভারতের মাটিতেই আয়োজন করতে যথাসাধ্য চেষ্টা চালাচ্ছে দ্য বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)। ভারতের মাটিতে আয়োজন করতে না পারলেও বিকল্প ভাবনায় দক্ষিণ আফ্রিকা এবং শ্রীলঙ্কাও আছে বলে জানিয়েছিল ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম। এরই মধ্যে আইপিএল আয়োজনে নিজেদের আগ্রহের কথা জানিয়েছে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা (সিএসএ)।

ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে আইপিএল আয়োজনে ইতোমধ্যেই বিসিসিআইয়ের সাথে আলোচনা শুরু করেছে সিএসএ। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে আইপিএলের সর্বশেষ দুই আসর সংযুক্ত আরব আমিরাতে আয়োজন করেছিল বিসিসিআই। এ কারণেই এবার দেশের বাইরে আয়োজন করলে আরব আমিরাত ভিন্ন অন্য জায়গায় আয়োজন করতে চায় বিসিসিআই।

এর আগে ২০০৯ সালের আইপিএলের দ্বিতীয় আসর দক্ষিণ আফ্রিকায় আয়োজন করেছিল বিসিসিআই। সেই অভিজ্ঞতাতেই আবারও আইপিএল আয়োজনে আগ্রহী তারা।

এছাড়াও সিএসএ জানিয়েছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পরিবর্তে দক্ষিণ আফ্রিকায় আইপিএল আয়োজন করা হলে ফ্রাঞ্চাইজিগুলো খরচ অনেকাংশে কমে আসবে। এ দিক বিবেচনাতেই আইপিএল আয়োজনের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা উপযুক্ত বলে জানিয়েছে তারা।

আইপিএল  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন