ইনসাইড হেলথ

বিশ্বে করোনায় মৃত্যু-শনাক্ত বাড়লো

প্রকাশ: ০৮:২০ এএম, ১১ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বিশ্বজুড়ে মহামারি করোনায় আক্রান্ত হয়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। একইসঙ্গে আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাড়ে ৪ হাজারের বেশি মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় ২০ লাখে।

আজ মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) সকালে ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪ হাজার ৫১২ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে ১২০০-র বেশি। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫৫ লাখ ১১ হাজার ৬৩১ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাশিয়া। প্রাণহানির তালিকায় এরপরই রয়েছে ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি, ফিলিপাইন ও হাঙ্গেরি। এতে বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩১ কোটি ৬ লাখের ঘর। অন্যদিকে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫৫ লাখ ১১ হাজার।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৯ লাখ ৮০ হাজার ৫৪৫ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে সোয়া লাখের বেশি। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ কোটি ৬ লাখ ৫২ হাজার ২০৫ জনে।

করোনা   মৃত্যু   শনাক্ত   বিশ্ব  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনা শনাক্ত ১৪৮২৮, মৃত্যু ১৫

প্রকাশ: ০৫:৪৪ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সারাদেশে বেড়েই চলেছে করোনার সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাড়ালো ২৮ হাজার ২৩৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ১৪ হাজার ৮২৮ জন। শনাক্তের হার ৩২ দশমিক ৩৭ শতাংশ।। এ নিয়ে দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৬ লাখ ৯৯ হাজার ৯৬৪ জনে।

আজ সোমবার (২৪ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

করোনাভাইরাস   ওমিক্রন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

ওমিক্রনে স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্তের হার আশঙ্কাজনক

প্রকাশ: ১০:১৬ এএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে প্রতিদিন লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। সেবা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীরাও। দেশে এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৪৯৪ জন স্বাস্থ্যকর্মী। চিকিৎসকের মাঝে অধিকাংশই দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেক স্বাস্থ্যকর্মী এখন পর্যন্ত করোনায় তৃতীয়বার আক্রান্ত হয়েছেন। 

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ইউনিট ৪ এ কর্মরত আছেন ৪০ জন চিকিৎসক। এর মধ্যে গত এক মাসে কভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন ২০ জন। অধিকাংশ চিকিৎসকের পরিবারের সদস্যদের করোনা শনাক্তের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। শুধু ঢাকা মেডিকেল নয় অন্যান্য হাসপাতালেও চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের আক্রান্ত হওয়ার চিত্র প্রায় একই। 

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সালেহউদ্দিন মাহমুদ তুষার গণমাধ্যমকে বলেন, করোনা রোগী বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্যকর্মীদের আক্রান্ত হওয়ার হারও বাড়ছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন বিভাগে একাধিক চিকিৎসক আক্রান্ত হচ্ছেন। উপসর্গ আছে এমন স্বাস্থ্যকর্র্মীরা টেস্ট করলে করোনা পজিটিভ রিপোর্ট পাচ্ছেন। তাদের পরিবারের সদস্যরাও আক্রান্ত হচ্ছেন। আক্রান্ত হলে চিকিৎসক, নার্সরা রোগীর সেবা দিতে পারবেন না। একসঙ্গে অনেক বেশি চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীরা আক্রান্ত হলে সেবা ব্যবস্থাপনা ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের মার্চ থেকে গতকাল পর্যন্ত দেশের হাসপাতালে কর্মরত ৩ হাজার ১৩৬ জন চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, ২ হাজার ৩০৪ জন নার্স আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৪ হাজার ৫৪ জন স্টাফ আক্রান্ত হয়েছেন। সবমিলিয়ে ৯ হাজার ৪৯৪ জন স্বাস্থ্যকর্মী এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা জেলায় চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন সবচেয়ে বেশি ৮৭০ জন, নার্স আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪০ জন এবং স্টাফ আক্রান্ত হয়েছেন ৫০১ জন। চট্টগ্রাম জেলায় চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন ৪৯২ জন, নার্স আক্রান্ত হয়েছেন ৩১ জন, স্টাফ আক্রান্ত হয়েছেন ৯৮ জন। সিলেট জেলায় চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪৯ জন, নার্স আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩ জন, স্টাফ আক্রান্ত হয়েছেন ১১৩ জন। ময়মনসিংহ জেলায় চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন ১৪৩ জন, নার্স আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৪ জন, স্টাফ আক্রান্ত হয়েছেন ১৪০ জন। 

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ডা. মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘স্বাস্থ্যকর্মীরা দেশে করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে অনেকে আবার আক্রান্ত হচ্ছেন। করোনা প্রতিরোধী টিকা নিলেও আক্রান্ত হচ্ছেন তারা।’ 

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসক, নার্সসহ অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের দুটি মনঃকষ্টের কারণ রয়েছে। তারা হাসপাতাল থেকে সেবা দিয়ে বাড়ি গেলে তাদের পরিবারের সদস্যরা আক্রান্তের ঝুঁকিতে থাকছেন। অনেকের পরিবারে বৃদ্ধ অসুস্থ বাবা-মা আছেন। তারাও আক্রান্ত হচ্ছেন। স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিউটি শেষ করে হোটেল কিংবা কোনো আইসোলেশন সেন্টারে থাকার ব্যবস্থা নেই।  আরেকটি বিষয় করোনাকালে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রণোদনা এখনো পাননি চিকিৎসকরা। এরপরও চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয় ও অন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা দেশের এ দুর্যোগ মুহূর্তে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।’ 

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ভাইরোলজিস্ট ডা. মো. জাহিদুর রহমান খান বলেছেন, ‘শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ গত শনিবার কভিড-১৯ পিসিআর ল্যাবে ১৮৩টি নমুনার মধ্যে ১০৩টি পজিটিভ ফলাফল এসেছে।


স্বাস্থ্যকর্মী   করোনা   ওমিক্রন   ডেল্টা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনা সংক্রমণ: ঢাকাকে ছাড়িয়ে গেছে সব বিভাগ

প্রকাশ: ০৯:০১ এএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বেশি হওয়ায় সর্বাধিক করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। কিন্তু একই সময়ে নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্ত হারে ঢাকাকে ছাড়িয়ে গেছে বাকি সাত বিভাগ। একই সঙ্গে ২৪ জুলাইয়ের পর প্রায় ছয় মাসের মধ্যে নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে সর্বোচ্চ রোগী শনাক্ত হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩৪ হাজার ৮৫৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১০ হাজার ৯০৬ জনের দেহে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।

শনাক্তের হার ৩১.২৯ শতাংশ। সর্বশেষ এর চেয়ে বেশি শনাক্ত হারের খবর এসেছিল গত ২৪ জুলাই। ওই দিন শনাক্তের হার ছিল ৩২.৫৫ শতাংশ, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ৩৭.০৮ শতাংশ শনাক্তের হার ছিল ময়মনসিংহ বিভাগে। অর্থাৎ ১০০ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩৭ জনের বেশি মিলছে করোনা রোগী। এই সময়ে সর্বনিম্ন ৩০.১২ শতাংশ শনাক্তের হার ছিল ঢাকা বিভাগে। অন্য বিভাগগুলোর মধ্যে রংপুরে ৩৬.৫৮ শতাংশ, সিলেটে ৩৬.১৩ শতাংশ, খুলনায় ৩৪.৫১ শতাংশ, রাজশাহীতে ৩৪.৩৬ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৩২.৮০ শতাংশ ও বরিশালে ৩০.৩১ শতাংশ ছিল শনাক্তের হার। 

গত ২৪ ঘণ্টায় মোট নমুনা পরীক্ষার ৬৯.৪৫ ভাগ (২৪ হাজার ২০৬টি) হয়েছে ঢাকা বিভাগে। শনাক্ত রোগীর ৬৬.৮৬ ভাগ (৭ হাজার ২৯২ জন) পাওয়া গেছে এই বিভাগে। এ ছাড়া ময়মনসিংহে ৫০৭টি নমুনা পরীক্ষায় ১৮৮ জনের, চট্টগ্রামে ৪ হাজার ৭১৩টি নমুনা পরীক্ষায় ১ হাজার ৫৪৬ জনের, রাজশাহীতে ১ হাজার ৫২৮টি নমুনা পরীক্ষায় ৫২৫ জনের, রংপুরে ৪৫১টি নমুনা পরীক্ষায় ১৬৫ জনের, খুলনায় ১ হাজার ৪১১টি নমুনা পরীক্ষায় ৪৮৭ জনের, বরিশালে ৫৭৪টি নমুনা পরীক্ষায় ১৭৪ জনের ও সিলেটে ১ হাজার ৪৬৪টি নমুনা পরীক্ষায় ৫২৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

গত এক দিনে করোনায় মারা গেছেন ১৪ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৮২ জন। গতকাল পর্যন্ত দেশে মোট করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৬ লাখ ৮৫ হাজার ১৩৬ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৫ লাখ ৫৬ হাজার ৮৬১ জন। প্রাণ হারিয়েছেন ২৮ হাজার ২২৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের বয়স ছিল ৩১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে। ঢাকা বিভাগে ৫ জন, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে ২ জন করে এবং খুলনা, বরিশাল ও রংপুর বিভাগে ১ জন করে মারা গেছেন। সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

করোনা   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনায় মৃত্যু ১৪, শনাক্ত ১০৯০৬

প্রকাশ: ০৫:০০ পিএম, ২৩ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সারাদেশে বেড়েই চলেছে করোনার সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাড়ালো ২৮ হাজার ২২৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ১০ হাজার ৯০৬ জন। শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ২৯ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৬ লাখ ৮৫ হাজার ১৩৬ জনে।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

করোনাভাইরাস   ওমিক্রন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

ডেল্টার জায়গা দখল করে নিচ্ছে ওমিক্রন : স্বাস্থ্য অধিদফতর

প্রকাশ: ০৪:২৬ পিএম, ২৩ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

দেশে করোনাভােইরাসের আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন ঘটেছে। নতুন এই ধরনটি একটু একটু করে ডেল্টার জায়গা দখল করে নিচ্ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

আজ রোববার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে অধিদফতরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে সংস্থাটির মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি আরো বলেন, ডিসেম্বরের শেষ থেকে বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। ২২ জানুয়ারি এসে শনাক্তের হার ২৮ শতাংশের বেশি রয়েছে। সপ্তাহের শুরু ১৬ জানুয়ারি যেটা ছিল ১৭ দশমিক ৮২ শতাংশ। এছাড়া হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য আগ্রহী রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের এই মুখপাত্র।

নাজমুল ইসলাম বলেন, এখন সিজনাল যে ফ্লু হচ্ছে তার সঙ্গে ওমিক্রনের মিল রয়েছে। ওমিক্রনের যে উপসর্গগুলো আছে, শতকরা ৭৩ শতাংশ মানুষের নাক দিয়ে পানি ঝরছে। ৬৮ শতাংশ মানুষের মাথা ব্যথা করছে। ৬৪ শতাংশ রোগী অবসন্ন-ক্লান্তি অনুভব করছেন। ৭ শতাংশ রোগী হাঁচি দিচ্ছেন। গলাব্যথা হচ্ছে ৭ শতাংশ রোগীর। ৪০ শতাংশ রোগীর কাশি হচ্ছে। এই বিষয়গুলো আমাদের মাথায় রাখতে হবে।

তিনি বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। রোগীর সংখ্যা যদি প্রতিদিনই বাড়তে থাকে এবং স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে আমরা যদি নিজের মতো করে চলতে থাকি তাহলে রোগীর সংখ্যা আরও বাড়বে, সেটি সামগ্রিকভাবে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ প্রয়োগ করবে। এই অতিমারিকে যদি আমরা পরাস্ত করতে চাই তাহলে আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতেই হবে।

এর আগে গত ১২ জানুয়ারি ওমিক্রন নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এক অনুষ্ঠানে বলেন, যেভাবে সংক্রমণ বাড়ছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে ওমিক্রনের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন কিছুটা হয়েছে। এখন যারা করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের ১৫ থেকে ২০ শতাংশই ওমিক্রনে আক্রান্ত। কাজেই কমিউনিটি ট্রান্সমিশন হয়েছে বলে অমি মনে করি।

ওমিক্রন   স্বাস্থ্য অধিদফতর  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন