ইনসাইড হেলথ

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢাকায় এলো ফাইজারের ২৩ লাখ টিকা

প্রকাশ: ১১:১২ এএম, ১৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

মহামারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধী ফাইজারের ২৩ লাখ ডোজ টিকা যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে এসেছে। গতকাল শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় টিকার এই চালান।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব শামসুল হক।

শামসুল হক বলেন, বিশ্বজুড়ে ন্যায্যতার ভিত্তিতে করোনার টিকাপ্রাপ্তি নিশ্চিতের লক্ষ্যে গড়ে তোলা প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্সের আওতায় বাংলাদেশে ফাইজারের আরও ২৩ লাখ টিকা এসেছে। রাত সাড়ে ৯টায় একটি বিশেষ বিমানে এই টিকা পৌঁছেছে। টিকা গ্রহণ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তা। বিমানবন্দর থেকে এই টিকা মহাখালীর কেন্দ্রীয় আইপিআইয়ের ওয়্যার হাউজে নেওয়া হয়। এই টিকা শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে।
 
দেশে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে। সবমিলিযে এ পর্যন্ত টিকা এসেছে ২৩ কোটি ডোজ। প্রথম ডোজ টিকা পেয়েছেন ৮ কোটি ৫১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৭ জন। দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ৫ কোটি ৬১ লাখ ৫৮ হাজার ৭৯০ জন। এখন পর্যন্ত ৫ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৩ জন বুস্টার ডোজ নিয়েছেন।

করোনা ভাইরাস   ফাইজার টিকা   বাংলাদেশ   যুক্তরাষ্ট্র  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রোধে ৫ পরামর্শ কারিগরি কমিটির

প্রকাশ: ০৯:২৭ পিএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

করোনা পজিটিভ রোগীর লক্ষণ প্রকাশের ১০দিন পর্যন্ত আইসোলেশনে থাকার পাশাপাশি রোগীর সংস্পর্শে এসেছেন এমন ব্যক্তির উপসর্গ না থাকলে কোয়ারেন্টাইনের প্রয়োজন নেই সহ করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রোধে নতুন করে পাঁচ পরামর্শ দিয়েছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।  

বুধবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে কারিগরি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. সহিদুল্লা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৫৩তম সভা জুম প্ল্যাটফর্মে মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) রাত ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়। কোভিড-১৯ রোগের সাম্প্রতিক ক্রমবর্ধমান সংক্রমণ বিষয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ ও আলোচনা হয়। কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে বিস্তারিত আলােচনা শেষে সভায় নিম্নলিখিত সুপারিশ করা হয়-

১. কোভিড-১৯ পজিটিভ রােগীরা লক্ষণ প্রকাশের ১০দিন পর্যন্ত আইসোলেশনে থাকবে। এছাড়া কোভিড-১৯ নিশ্চিত রোগীর সংস্পর্শে এসেছেন এমন ব্যাক্তি যাদের কোন উপসর্গ নেই তাদের কোয়ারেন্টাইনের প্রয়ােজন নেই, তবে তাদের টাইট মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে হবে। 

২. বিমানবন্দরসহ সব পোর্টে এন্ট্রিতে সরকারি স্বাস্থ্য নির্দেশনা যথাযথভাবে পালনের লক্ষ্যে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পক্ষ থেকে নজরদারি বৃদ্ধির জন্য কমিটি সুপারিশ করছে।

৩. সব সরকারি হাসপাতালে সার্বক্ষণিক কোভিড-১৯ ও নন-কোভিড সব রোগীর জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়।

৪. মন্ত্রিপরিষদ কর্তৃক জারিকরা প্রজ্ঞাপনের বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অংশীদের যেমন- পরিবহন মালিক সমিতি, দোকান মালিক সমিতি, রেস্তোরা মালিক সমিতির নেতারাসহ সবাইকে সম্পৃক্ত করে পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

৫. জাতীয় পরামর্শক কমিটি জনগণকে মাস্ক পরিধান নিশ্চিতকরণে সরকারের পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণকে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণের প্রস্তাব করে। এছাড়া জনপ্রতিনিধি ও ধর্মীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণকে সঠিকভাবে মাস্ক পরিধান এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধকরণের সুপারিশ করা হয়।

করোনা   ওমিক্রন   টিকা   স্বাস্থ্যবিধি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

দেশে করোনায় শনাক্তের হার ২৫ দশমিক ১১ শতাংশ

প্রকাশ: ০৫:০৯ পিএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

দেশে করোনায় আরো ১২ জনের মৃত্যু। এ নিয়ে দেশে করোনায় আরো ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট প্রাণহানি হয়েছে ২৮ হাজার ১৭৬ জনের। 

এ সময়ে নতুন করে  শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৫০০। মোট শনাক্ত ১৬ লাখ ৪২ হাজার ২৯৪ জন। শনাক্তের হার ২৫ দশমিক ১১ শতাংশ।

আজ বুধবার (১৯ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। 

করোনা   স্বাস্থ্য  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

বিশ্বে করোনায় মৃত্যু-শনাক্ত বাড়লো

প্রকাশ: ১০:৪১ এএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বিশ্বে মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেড়েছে। একইসঙ্গে আগের দিনের উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮ হাজারের বেশি মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩০ লাখ ১৫ হাজার।

আজ বুধবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮ হাজার ৩৬ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে তিন হাজারের বেশি। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫৫ লাখ ৭২ হাজার ৮৯৪ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাশিয়া। প্রাণহানির তালিকায় এরপরই রয়েছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন পোল্যান্ড ও ব্রাজিল। এতে বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩৩ কোটি ৫১ লাখের ঘর। অন্যদিকে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫৫ লাখ ৭২ হাজার।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ লাখ ১৫ হাজার ১৬ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১১ লাখ। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ কোটি ৫১ লাখ ১৩ হাজার ৪০৫ জনে।

করোনা ভাইরাস   মৃত্যু   শনাক্ত   বিশ্ব  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনা সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে দেশের ১২ জেলা: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

প্রকাশ: ১০:২৭ এএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ঢাকা ও রাঙ্গামাটির পর করোনাভাইরাস সংক্রমণের উচ্চ ঝুকিঁতে দেশের ১২টি জেলা রয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। পাশাপাশি ৩১টি জেলা মধ্যম ঝুঁকিতে রয়েছে। আর গ্রিন বা সবুজ জোনে রয়েছে ১৬ জেলা। আজ বুধবার (১৯ জানুয়ারি) গত এক সপ্তাহের তথ্য বিশ্লেষণ করে বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত সাত দিনে দেশজুড়ে করোনা শনাক্তের সংখ্যা ৩৪ হাজার ৪০৫ জন, যা পূর্ববর্তী সাত দিনের (৩ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি) চেয়ে ২৩ হাজার ৯৩১ জন বেশি। এই সময়ে শতাংশ হিসেবে শনাক্ত বেড়েছে ২২৮ দশমিক ৪৮।

করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত এক সপ্তাহে মৃত্যু হয়েছে ৫৭ জনের, যা পূর্ববর্তী সপ্তাহের (৩ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি) চেয়ে ৩৭ জন বেশি। এই সময়ে শতাংশ হিসেবে মৃত্যু বেড়েছে ১৮৫%।

করোনা সংক্রমণের মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে নতুন করে ১০টি লাল তালিকাভুক্ত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। জেলাগুলোতে সংক্রমণের হার অন্তত ১০ শতাংশ।

লাল তালিকাভুক্ত জেলাগুলো হলো গাজীপুর, রাজশাহী, যশোর, কুষ্টিয়া, বগুড়া, দিনাজপুর, চট্টগ্রাম, লালমনরিহাট, খাগড়াছড়ি ও পঞ্চগড়। আগের দুটি ঢাকা ও রাঙ্গামাটি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে দেখা যায়, রাজধানীতে করোনা সংক্রমণের হার ২৮ দশমিক ১১ শতাংশ। রাঙ্গামাটিতে করোনা সংক্রমণের হার ১০ দশমিক ৭১ শতাংশ।

এ ছাড়া গাজীপুর করোনা সংক্রমণের হার ১০ দশমিক ৪৯, রাজশাহী ১৪.৭৪ শতাংশ, যশোর ১১ দশমিক ২১ শতাংশ, কুষ্টিয়া ১১.৩৮ শতাংশ, বগুড়া ১১.৮৪ শতাংশ, দিনাজপুর ১১.২৬ শতাংশ, চট্টগ্রামে ১৮ দশমিক ৪৮, লালমনরিহাটে ১০ দশমিক ৭১, খাগড়াছড়ি ১০ দশমিক ১৯ শতাংশ ও পঞ্চগড় ১০ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

হলুদ জোন বা মধ্যম ঝুঁকিতে থাকা ৩২ জেলার শনাক্তের হার অন্তত ৫ শতাংশ।

জেলাগুলো হলো সিলেট, ফেনী, নারায়ণগঞ্জ, নোয়াখালী, কক্সবাজার, মৌলভীবাজার, ফরিদপুর, মুন্সীগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, শরীয়তপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, মানিকগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, রংপুর, জামালপুর, নওগাঁ, ঝিনাইদহ, নাটোর, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর, বাগেরহাট, মাগুরা, নড়াইল, পটুয়াখালী, কুড়িগ্রাম, জয়পুরহাট, শেরপুর, ঝালকাঠি ও ঠাকুরগাঁও।

এ ছাড়া এখনও করোনা থেকে ঝুঁকিমুক্ত আছে ১৬ জেলা। এই জেলাগুলোতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে।

ঝুঁকিমুক্ত জেলাগুলো হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, ভোলা, নেত্রকোনা, গাইবান্ধা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বরগুনা, চুয়াডাঙ্গা, নীলফামারী ও মেহেরপুর।

গত বছর করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বিভিন্ন এলাকাকে রেড জোন চিহ্নিত করে জোনভিত্তিক লকডাউন করার পরিকল্পনা করেছিল সরকার।

করোনাভাইরাস   স্বাস্থ্য অধিদপ্তর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

সর্দি-জ্বরে পরিণত হবে করোনা?

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ১৮ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

ওমিক্রনে লণ্ডভণ্ড হচ্ছে পুরো বিশ্ব। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ওমিক্রনের কারণে দোকানে খাবার পাওয়া যাচ্ছেনা, বিভিন্ন ফ্লাইট বাতিল হয়ে যাচ্ছে। ইউরোপেও ওমিক্রনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হচ্ছে গোটা ইউরোপ। কিন্তু এই সমস্ত তাণ্ডবের পরও কোন দেশই এখনো লকডাউনে যাচ্ছে না। একমাত্র চীন ছাড়া লকডাউনে ফিরছে না কোন দেশই। বরং তারা অর্থনীতিকে গতিশীল করার ওপরই জোর দিচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন নিয়ম করেছে, ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়ার পর পাঁচ দিনের মাথায় যে কেউ যদি করোনা পরীক্ষা করে নেগেটিভ পায়, বের হতে পারবেন। আগে যেটি ছিলো ১৪ দিন, তা এখন পাঁচদিনে পরিণত হয়েছে। যুক্তরাজ্য এটিকে ১০ দিন করেছে আর ইউরোপীয় দেশগুলো করেছে ৭ দিন।

ওমিক্রনের সংক্রমণ তীব্র হলেও এটি তেমন আতঙ্ক ছড়াচ্ছে না এই কারণে যে ওমিক্রনে আক্রান্ত ব্যক্তির হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম। সাধারণত ওমিক্রনে আক্রান্ত হলে হালকা উপসর্গ দেখা যাচ্ছে এবং তারপরই আক্রান্ত ব্যক্তি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছেন। আর এ কারণেই ওমিক্রনকে পাত্তা দিচ্ছে না বিশ্ব। বরং ওমিক্রনের চেয়ে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে সারা বিশ্ব। গোটা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও করোনার দাপট বাড়তে শুরু করেছে। গত কয়েকদিন ধরে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ কিন্তু তারপরও সরকারও এখন পর্যন্ত যে ১১ দফা বিধিনিষেধ কাগজে-কলমে দিয়েছে সে বিধিনিষেধ ছাড়া নতুন কোনো বিধিনিষেধ দেয়নি। কাগজে-কলমে যে বিধি-নিষেধ দেয়া হয়েছে সেই বিধি-নিষেধও বাস্তবায়নের দিকে খুব একটা মনোযোগ দেয়া যাচ্ছে না। আর এ কারণেই মনে করা হচ্ছে যে, এখন করোনার যে ভয় ২০২০ সালে মানুষ পেয়েছিল সেই ভয়ে কাটতে শুরু করেছে। করোনাকে এখন একটা স্বাভাবিক অসুখ হিসেবেই মানুষ মেনে নিতে শুরু করেছে এবং করোনার সঙ্গে বসবাসের অভ্যস্ততা মানুষের মধ্যে তৈরি হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা যাই বলুক না কেন, সামনের দিনগুলোতে করোনা সর্দি-কাশির মত হয়ে যাবে। বাংলাদেশে করোনা বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, বাংলাদেশের যে পরিমাণ ওমিক্রনের হিসেবে দেখানো হচ্ছে বাস্তবায়ন এখন ওমিক্রন ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়েছে, ঘরে ঘরে নানারকম সর্দি-কাশি হচ্ছে। কিন্তু মানুষ এইসব সর্দি-কাশির কারণে করোনা পরীক্ষার ক্ষেত্রে তেমন উৎসাহী নয়। বরং তারা সর্দি-কাশি নিয়ে এক-দুইদিন বাসায় থেকে আবার বেরিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে ওমিক্রনের সামাজিক সংক্রমণ হচ্ছে। কিন্তু প্রথম দিকে বা গত বছরও ডেল্টার যে ভয়াবহতা, তার চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না। এর ফলে মানুষ এটিকে ৮-১০টা স্বাভাবিক অসুখ, বিশেষ করে সর্দি-জ্বর, ফ্লুর মতো অসুখ হিসেবে মানতে শুরু করেছে। কোন কোন আশাবাদী বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে, এটি হলো করোনার শেষের শুরু। ওমিক্রনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব থেকে করোনা বিদায় নিবে অথবা করোনার সঙ্গে মানুষ বসবাসে অভ্যস্ত হবে। করোনা হয়ে যাবে অন্য ৮-১০টা অসুখের মতো, যেটি থাকলে মানুষ আতঙ্কিত হবেন না বরং চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে।

ইতিমধ্যে করোনার টিকা কার্যক্রম সারা বিশ্বেই চলছে এবং উন্নত দেশগুলো বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু করেছে। উন্নত দেশের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের মতো দেশগুলো এখন সীমিত আকারে বুস্টার ডোজ চালু করেছে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ৭ লক্ষের বেশি মানুষ বুস্টার ডোজ দিয়েছে। অন্যদিকে, স্বাস্থ্যবিধি মানা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার ওষুধও ব্যবহার হচ্ছে। এই সবকিছুই করোনাকে একটি সাদামাটা রোগ হিসেবে উপস্থাপিত করবে এবং বিশ্বের মানুষ করোনার সঙ্গে বসবাসের অভ্যস্ততা অর্জন করবে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। এই বছরই হয়তো সে বছর যখন করোনা একটি সাধারণ সর্দি-জ্বরের মতো অসুখে পরিণত হবে।

ওমিক্রন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন