ইনসাইড হেলথ

করোনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ

প্রকাশ: ০৬:০১ পিএম, ১৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আরো ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৪৪৭ জন।  এ নিয়ে করোনায় মোট মারা গেলেন ২৮ হাজার ১৩৬ জন এবং এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ লাখ ১২ হাজার ৪৮৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত করোনা শনাক্তের গড় হার ১৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

শনিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

করোনাভাইরাস   মহামারি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

ওমিক্রনের তিন উপধরনের খোঁজ মিলেছে

প্রকাশ: ০৫:৩৩ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

রাজধানীতে ওমিক্রন ধরনের তিনটি সাব-টাইপ (উপধরন) পাওয়া গেছে। এ উপধরনগুলো বেশি ছড়াচ্ছে। ইতোমধ্যেই করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের জায়গা দখল করেছে ওমিক্রন। জানুয়ারিতে জিনোম সিকোয়েন্সিং করা নমুনার ৯০ দশমিক ২৪ শতাংশেই মিলেছে ওমিক্রনের উপস্থিতি।

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ-এর (আইসিডিডিআরবি) গবেষণা এবং গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডাটা (জিআইএসএইডে) ওয়েবসাইটে জমা হওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। আইসিডিডিআরবির গবেষণায় বলা হয়, ওমিক্রন ভেরিয়েন্টের জিনোম সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ থেকে জানা যায়, ঢাকা শহরে তিনটি সাব-টাইপ রয়েছে। এগুলো আফ্রিকান, ইউরো-আমেরিকান এবং এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ওমিক্রন ধরনের সঙ্গে মিলে যায়।

আইসিডিডিআরবি বলছে, জানুয়ারির প্রথম দুই সপ্তাহে তাদের ল্যাবরেটরিতে ১ হাজার ৩৭৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ২৮ শতাংশই ছিল করোনায় আক্রান্ত। আর আক্রান্তদের মধ্যে ওমিক্রন ছিল ৬৯ শতাংশের দেহে।

গত রোববার স্বাস্থ্য অধিদফতরের ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, দেশে করোনা সংক্রমণের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসা ৮০ শতাংশই করোনা পজিটিভ। ধারণা করা হচ্ছে, এখন বেশির ভাগই করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনে আক্রান্ত। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মুখপাত্র নাজমুল ইসলাম বলেন, করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের সামাজিক সংক্রমণ ঘটেছে। আস্তে আস্তে ডেল্টার জায়গাগুলোকে দখল করে ফেলছে ওমিক্রন। বিষয়গুলো আমাদের মাথায় রাখতে হবে। এখন সিজনাল যে ফ্লু হচ্ছে তার সঙ্গে কিন্তু ওমিক্রনের মিল রয়েছে। তাই এখন থেকে আরও সতর্ক হতে হবে।

গত নভেম্বরে সংগ্রহ করা নমুনাতেই করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছিল। তবে ডিসেম্বর পর্যন্ত যেসব নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়েছিল, তাতে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতিই ছিল বেশি। জানুয়ারিতে এসে সে চিত্র বদলে গেছে। জানুয়ারিতে জিনোম সিকোয়েন্সিং করা ৯০ দশমিক ২৪ শতাংশে নমুনাতেই মিলেছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি। বাকি ৯ দশমিক ৭৬ নমুনায় পাওয়া গেছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও জার্মান সরকারের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডাটা (জিআইএসএইডে) ওয়েবসাইটে জমা হওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এ চিত্র উঠে এসেছে। দেশে কভিড-১৯ সংক্রমণের গতিপ্রকৃতি বোঝার জন্য বিভিন্ন স্থানে জিনোম সিকোয়েন্সিং করে এই ওয়েবসাইটে ফল জমা রাখা হয়। জিআইএসএইডের তথ্য বলছে, ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য সংগ্রহ করা ৪১টি নমুনার মাঝে ৩৭টিতেই ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে চারটি নমুনায় পাওয়া গেছে ওমিক্রনেরই ‘গুপ্ত রূপ’ হিসেবে পরিচিত বিএ.২ লিনেজ। রাজধানীর বাইরে চট্টগ্রাম, যশোর ও কুষ্টিয়ার নমুনাতেও ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে।

করোনাভাইরাস   উপধরন   ওমিক্রন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনায় আক্রান্ত ডা. দীন মোহাম্মদ

প্রকাশ: ০৫:০৬ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সাবেক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ও প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. দীন মোহাম্মদ নুরুল হক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) তিনি নিজে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

১৬ হাজার ছাড়িয়ে করোনা শনাক্ত

প্রকাশ: ০৪:৫৭ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সারাদেশে বেড়েই চলেছে করোনার সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাড়ালো ২৮ হাজার ২৫৬ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ১৬ হাজার ৩৩ জন। শনাক্তের হার ৩২ দশমিক ৪০ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৭ লাখ ১৫ হাজার ৯৯৭ জনে

আজ মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

করোনাভাইরাস   ওমিক্রন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনা শনাক্ত ১৪৮২৮, মৃত্যু ১৫

প্রকাশ: ০৫:৪৪ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সারাদেশে বেড়েই চলেছে করোনার সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাড়ালো ২৮ হাজার ২৩৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ১৪ হাজার ৮২৮ জন। শনাক্তের হার ৩২ দশমিক ৩৭ শতাংশ।। এ নিয়ে দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৬ লাখ ৯৯ হাজার ৯৬৪ জনে।

আজ সোমবার (২৪ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

করোনাভাইরাস   ওমিক্রন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

ওমিক্রনে স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্তের হার আশঙ্কাজনক

প্রকাশ: ১০:১৬ এএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে প্রতিদিন লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। সেবা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীরাও। দেশে এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৪৯৪ জন স্বাস্থ্যকর্মী। চিকিৎসকের মাঝে অধিকাংশই দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেক স্বাস্থ্যকর্মী এখন পর্যন্ত করোনায় তৃতীয়বার আক্রান্ত হয়েছেন। 

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ইউনিট ৪ এ কর্মরত আছেন ৪০ জন চিকিৎসক। এর মধ্যে গত এক মাসে কভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন ২০ জন। অধিকাংশ চিকিৎসকের পরিবারের সদস্যদের করোনা শনাক্তের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। শুধু ঢাকা মেডিকেল নয় অন্যান্য হাসপাতালেও চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের আক্রান্ত হওয়ার চিত্র প্রায় একই। 

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সালেহউদ্দিন মাহমুদ তুষার গণমাধ্যমকে বলেন, করোনা রোগী বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্যকর্মীদের আক্রান্ত হওয়ার হারও বাড়ছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন বিভাগে একাধিক চিকিৎসক আক্রান্ত হচ্ছেন। উপসর্গ আছে এমন স্বাস্থ্যকর্র্মীরা টেস্ট করলে করোনা পজিটিভ রিপোর্ট পাচ্ছেন। তাদের পরিবারের সদস্যরাও আক্রান্ত হচ্ছেন। আক্রান্ত হলে চিকিৎসক, নার্সরা রোগীর সেবা দিতে পারবেন না। একসঙ্গে অনেক বেশি চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীরা আক্রান্ত হলে সেবা ব্যবস্থাপনা ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের মার্চ থেকে গতকাল পর্যন্ত দেশের হাসপাতালে কর্মরত ৩ হাজার ১৩৬ জন চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, ২ হাজার ৩০৪ জন নার্স আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৪ হাজার ৫৪ জন স্টাফ আক্রান্ত হয়েছেন। সবমিলিয়ে ৯ হাজার ৪৯৪ জন স্বাস্থ্যকর্মী এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা জেলায় চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন সবচেয়ে বেশি ৮৭০ জন, নার্স আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪০ জন এবং স্টাফ আক্রান্ত হয়েছেন ৫০১ জন। চট্টগ্রাম জেলায় চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন ৪৯২ জন, নার্স আক্রান্ত হয়েছেন ৩১ জন, স্টাফ আক্রান্ত হয়েছেন ৯৮ জন। সিলেট জেলায় চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪৯ জন, নার্স আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩ জন, স্টাফ আক্রান্ত হয়েছেন ১১৩ জন। ময়মনসিংহ জেলায় চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন ১৪৩ জন, নার্স আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৪ জন, স্টাফ আক্রান্ত হয়েছেন ১৪০ জন। 

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ডা. মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘স্বাস্থ্যকর্মীরা দেশে করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে অনেকে আবার আক্রান্ত হচ্ছেন। করোনা প্রতিরোধী টিকা নিলেও আক্রান্ত হচ্ছেন তারা।’ 

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসক, নার্সসহ অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের দুটি মনঃকষ্টের কারণ রয়েছে। তারা হাসপাতাল থেকে সেবা দিয়ে বাড়ি গেলে তাদের পরিবারের সদস্যরা আক্রান্তের ঝুঁকিতে থাকছেন। অনেকের পরিবারে বৃদ্ধ অসুস্থ বাবা-মা আছেন। তারাও আক্রান্ত হচ্ছেন। স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিউটি শেষ করে হোটেল কিংবা কোনো আইসোলেশন সেন্টারে থাকার ব্যবস্থা নেই।  আরেকটি বিষয় করোনাকালে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রণোদনা এখনো পাননি চিকিৎসকরা। এরপরও চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয় ও অন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা দেশের এ দুর্যোগ মুহূর্তে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।’ 

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ভাইরোলজিস্ট ডা. মো. জাহিদুর রহমান খান বলেছেন, ‘শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ গত শনিবার কভিড-১৯ পিসিআর ল্যাবে ১৮৩টি নমুনার মধ্যে ১০৩টি পজিটিভ ফলাফল এসেছে।


স্বাস্থ্যকর্মী   করোনা   ওমিক্রন   ডেল্টা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন