ইনসাইড হেলথ

সেবা বাড়াতে ২ জায়গায় অফিস করবেন ঢামেক পরিচালক

প্রকাশ: ০৩:০৪ পিএম, ২৭ মে, ২০২২


Thumbnail সেবা বাড়াতে ২ জায়গায় অফিস করবেন ঢামেক পরিচালক

রোগীদের চিকিৎসাসেবার মান আরও উন্নত করতে এবং চিকিৎসা কার্যক্রম গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য হাসপাতালের নির্দিষ্ট কার্যালয় ছাড়াও আরও দুই স্থানে অফিস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক। 

বৃহস্পতিবার (২৬ মে) গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক। 

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ঢামেক হাসপাতাল সারাবছর রোগীদের সেবা দিয়ে থাকে। সব পরিস্থিতিতে এখানে রোগী ভর্তি হয়। ধারণক্ষমতার চেয়েও বেশি রোগী ভর্তি আছে এখানে। শয্যা নেই বলে কোনো রোগীকে বিনা চিকিৎসায় ফেরত পাঠানো হয় না। ফ্লোরে, সিঁড়ির নিচে- যেভাবেই হোক রোগীদের ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। এরপরেও হাসপাতালে মাঝে মাঝে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। এগুলো বেশিরভাগ বাইরের লোকেরা করে থাকে।

তিনি আরও বলেন, এখন থেকে হাসপাতালের নার্সসহ স্টাফদের ডিউটির সময় তাদের খোঁজ নেওয়া এবং অন্যান্য বিষয় মাথায় রেখে হাসপাতালের আরও দুই জায়গায় আমি অফিস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর মধ্যে প্রশাসনিক ব্লকের মূল কার্যালয়ে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অফিস করবো। এরপর দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত জরুরি বিভাগ ও নতুন ভবনে বসবো।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকজন ব্যক্তি গণমাধ্যমকে বলেন, ২০-২৫ বছর ধরে দেখে আসছি হাসপাতালের পরিচালকেরা সবসময় প্রশাসনিক ব্লকে তাদের নির্দিষ্ট কার্যালয়ে অফিস করেন। এখন শোনা যাচ্ছে বর্তমান পরিচালক আরও দুই স্থানে দুপুরের পরে অফিস করবেন। এটা ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, যা আগের পরিচালকদের মধ্যে দেখা যায়নি।



২ জায়গায়   অফিস   করবেন   ঢামেক   পরিচালক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

শনাক্তের সংখ্যা কমলেও, বেড়েছে মৃত্যু

প্রকাশ: ০৫:১৮ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৩ জনের ‍মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ১৩৮ জনে।

এ সময়ে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৮০ জন। মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪৯৩ জনে। শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ০৭ শতাংশ।

শনিবার (২৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

করোনাভাইরাস   ওমিক্রন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

আরও ৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশ: ০৪:৫৬ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail আরও ৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

সারাদেশে গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৫ জন নতুন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শনিবার (২৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৫ জন নতুন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৩ জন এবং ঢাকার বাইরে সারাদেশে দুই জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে সারাদেশে সর্বমোট ১২৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১১৮ জন এবং ঢাকার বাইরে সারাদেশে নয় জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

ডেঙ্গু রোগী   হাসপাতাল   ভর্তি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

কলেরার টিকা কার্যক্রম শুরু রোববার

প্রকাশ: ০৪:৪০ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail কলেরার টিকা কার্যক্রম শুরু রোববার

ডায়রিয়া ও কলেরা সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের টিকা কর্মসূচি শুরু হবে রোববার (২৬ জুন) থেকে। আগামী ২ জুলাই (শনিবার) পর্যন্ত প্রথম ডোজের এই টিকা কর্মসূচি চলবে। মুখে খাওয়ার এই টিকা গর্ভবতী নারী ছাড়া ১ বছর বয়স হতে সব বয়সের মানুষকে দেওয়া হবে। আর প্রাথমিকভাবে রাজধানীর পাঁচটি স্থানে দেওয়া হবে এই টিকা।

শনিবার (২৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা (সিডিসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সিডিসি জানিয়েছে, আগামী ২৬ জুন থেকে ২ জুলাই ১ম ডোজ মুখে খাওয়ার কলেরা টিকাদানের ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। প্রথম ডোজের কলেরা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ২৬ জুন ঢাকার আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) সম্মেলন কক্ষে দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আরও জানানো হয়, জাতীয় কলেরা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় ঢাকা শহরের ৫টি স্থানে (যাত্রাবাড়ী, সবুজবাগ, মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও দক্ষিণখান) প্রায় ২৩ লাখ মানুষকে কলেরা টিকাদান কর্মসূচির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কলেরা টিকা প্রদান এবং টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে। এছাড়াও টিকাদান কার্যক্রম বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইসিডিডিআর,বি দায়িত্ব পালন করছে।

কলেরা   টিকা   কার্যক্রম   শুরু   রোববার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে করোনা

প্রকাশ: ০৪:৪৪ পিএম, ২৪ Jun, ২০২২


Thumbnail

দেশে করোনা পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৬৮৫ জন। এই নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৬২ হাজার ২১৩ জনে। একই সময়ে করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। ফলে মোট মারা যাওয়ার সংখ্যা ২৯ হাজার ১৩৫ জনই থাকল। আর শনাক্তের হার ১২ দশমিক ১৮ শতাংশ।

শুক্রবার (২৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৮৫ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬ হাজার ৪১৭ জন।

২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ৮৫০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৩ হাজার ৮৩৩টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১২ দশমিক ১৮ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।

করোনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

নন সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে দেশে যেভাবে হৃদরোগ চিকিৎসা'র শুরু

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ২৪ Jun, ২০২২


Thumbnail নন সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে দেশে যেভাবে হৃদরোগ চিকিৎসা'র শুরু

কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ বা সিভিডি, বিশ্বব্যাপী ৩২ শতাংশ মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এই হৃদরোগ। শুধুমাত্র ২০১৯ সালেই দেড় কোটিরও বেশি মানুষ হৃদরোগের কারণে মারা যায়। যার মাঝে ৮৫ ভাগ মৃত্যুর কারণই ছিলো হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক।

বিশ্বব্যাপী ভয়ংকর এই ব্যধির চিকিৎসা থাকলেও তা যথেষ্ট জটিল, সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। প্রায় প্রতিটি পরিবারের কেউ না কেউ ভুগছেন এই কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজে। হার্টে ব্লক ধরা পড়া রোগীর জন্য সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে চিকিৎসা অত্যান্ত কষ্টসাধ্য। 

তবে বর্তমানে সার্জিক্যাল কোনো ট্রিটমেন্ট ছাড়া দেশেই হৃদরোগের চিকিৎসা সম্ভব। এমনটাই সম্ভব করেছে বিশ্বের বৃহত্তম নন-সার্জিক্যাল চেইন হার্ট কেয়ার ও লাইফস্টাইল প্রতিষ্ঠান সাওল হার্ট সেন্টার (বিডি) লি.

কিংবদন্তি চিকিৎসক ডা. ডিন অর্নিশের 'রিভার্সাল হার্ট ডিজিজ' চিকিৎসার আলোকে ১৯৮৫ সালে উপমহাদেশের প্রখ্যাত হৃদরোগ ও লাইফস্টাইল বিশেষজ্ঞ ডা. বিমল ছাজেড় ভারতের নয়া দিল্লিতে প্রতিষ্ঠা করেন সাওল হার্ট সেন্টার।

ভারত, নেপাল ও যুক্তরাষ্ট্রে সাওলের শতাধিক শাখা ছাড়াও বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, সিলেট ও ঢাকায় রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির শাখা।

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম নন সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে হৃদরোগের চিকিৎসার প্রচলন করেন স্বাস্থ্য আন্দোলনের পথিকৃৎ মোহন রায়হান। যিনি বর্তমানে সাওল হার্ট সেন্টারে চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

২০০৭ সাল থেকে এই চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমেই দেশব্যাপী হৃদরোগ মুক্তির লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে সাওল হার্ট সেন্টার বাংলাদেশ লিমিটেড।

প্রতিষ্ঠানটিতে জনস্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি শনিবার বিকাল ৩টায় হার্ট সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়, যা বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। এছাড়াও সাওল হার্ট সেন্টার বছরব্যাপী বিশেষ ও জাতীয় সেমিনারের আয়োজনও করে থাকে।

সাওল হার্ট সেন্টার   কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ   হৃদরোগ   মোহন রায়হান  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন