ইনসাইড হেলথ

রোবারের মধ্যে অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক বন্ধ না হলে নেওয়া হবে ব্যবস্থা

প্রকাশ: ০৪:২০ পিএম, ২৮ মে, ২০২২


Thumbnail রোবারের মধ্যে অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক বন্ধ না হলে নেওয়া হবে ব্যবস্থা

‘অবৈধ’ অর্থাৎ অনিবন্ধিত ও নবায়নবিহীন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের ৭২ ঘন্টা বেঁধে দেওয়া সময় শেষ হতে যাচ্ছে রোববার( ২৯ মে)। এই সময়ের মধ্যে যেসব অবৈধ বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ হবে না, সেসবের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।  

শনিবার (২৮ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. বেলাল হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. বেলাল হোসেন বলেন, অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে নিয়মিত আমাদের অভিযান চলছে। ৭২ ঘণ্টা শেষ হলে আমরা বসব। নিবন্ধনের কতটা অগ্রগতি হয়েছে, অবৈধ কতগুলো ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ হয়েছে, আমরা তা দেখব। এরপর সে অনুযায়ী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ও সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট যারা আছেন, তাদের সঙ্গে বসে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও ব্যবস্থা নেব। 

এ পর্যন্ত কতগুলো ক্লিনিক বন্ধ হয়েছে জানতে চাইলে পরিচালক বলেন, রোববার পর্যন্ত তাদের সময় দেওয়া হয়েছে। এ সময়ের পর সে তথ্য আমরা জানিয়ে দেব।

তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশে কতগুলো অবৈধ ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে, সেই তথ্য আমাদের কাছে নেই।  নিবন্ধনের জন্য আবেদন করলে, সেক্ষেত্রে আমরা বলতে পারি যে, এতগুলো আবেদন এসেছে, এতগুলো লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, এতগুলো ওয়েটিংয়ে আছে। তবে যারা আবেদনই করেনি, তাদের তথ্য আমরা জানব কী করে?

তালিকা ছাড়া অভিযান কোন উপায়ে পরিচালনা করা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, অবৈধগুলোর নির্দিষ্ট তালিকা না থাকলেও বৈধদের তালিকা জেলা সিভিল সার্জনদের কাছে রয়েছে। ধরুন নরসিংদী জেলায় ৫০টি নিবন্ধিত ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে, সেই তালিকটি কিন্তু ওই জেলার সিভিল সার্জনের কাছে রয়েছে। এর বাইরে যেগুলো রয়েছে,  সেগুলর সম্পর্কে অবশ্যই সিভিল সার্জন বলতে পারেন। সে অনুযায়ী আমরা অভিযান পরিচালনা করছি। অভিযানের ক্ষেত্রে সিভিল সার্জনের বড় একটি ভূমিকা রয়েছে।

গত বুধবার (২৫ মে) অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দেশের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর মনিটরিং ও সুপারভিশন বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

সিদ্ধান্তগুলো হলো

১. আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অনিবন্ধিত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো বন্ধ করতে হবে। অনিবন্ধিত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে। এ কার্যক্রমে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।

২. যেসব প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন  নিয়েছে কিন্তু নবায়ন করেনি, তাদের নিবন্ধন নবায়নের জন্য একটি সময়সীমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নবায়ন না করলে সেসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।

৩. বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে অপারেশন করার সময় অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া ও ওটি অ্যাসিস্ট করার ক্ষেত্রে নিবন্ধিত ডাক্তার ছাড়া অন্যদের রাখা হলে সেসব প্রতিষ্ঠান ও জড়িতদের বিরুদ্ধে লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

৪. যেসব প্রতিষ্ঠান নতুন নিবন্ধনের আবেদন করেছে তাদের লাইসেন্স দেওয়ার কার্যক্রম দ্রুত শেষ করতে হবে। লাইসেন্স পাওয়ার আগে এসব প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম চালাতে পারবে না।

উল্লেখ্য, অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী দেশে অনুমোদিত ও আবেদন করা ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা প্রায় ১১ হাজার।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর   অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

শনাক্তের সংখ্যা কমলেও, বেড়েছে মৃত্যু

প্রকাশ: ০৫:১৮ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৩ জনের ‍মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ১৩৮ জনে।

এ সময়ে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৮০ জন। মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪৯৩ জনে। শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ০৭ শতাংশ।

শনিবার (২৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

করোনাভাইরাস   ওমিক্রন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

আরও ৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশ: ০৪:৫৬ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail আরও ৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

সারাদেশে গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৫ জন নতুন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শনিবার (২৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৫ জন নতুন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৩ জন এবং ঢাকার বাইরে সারাদেশে দুই জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে সারাদেশে সর্বমোট ১২৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১১৮ জন এবং ঢাকার বাইরে সারাদেশে নয় জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

ডেঙ্গু রোগী   হাসপাতাল   ভর্তি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

কলেরার টিকা কার্যক্রম শুরু রোববার

প্রকাশ: ০৪:৪০ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail কলেরার টিকা কার্যক্রম শুরু রোববার

ডায়রিয়া ও কলেরা সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের টিকা কর্মসূচি শুরু হবে রোববার (২৬ জুন) থেকে। আগামী ২ জুলাই (শনিবার) পর্যন্ত প্রথম ডোজের এই টিকা কর্মসূচি চলবে। মুখে খাওয়ার এই টিকা গর্ভবতী নারী ছাড়া ১ বছর বয়স হতে সব বয়সের মানুষকে দেওয়া হবে। আর প্রাথমিকভাবে রাজধানীর পাঁচটি স্থানে দেওয়া হবে এই টিকা।

শনিবার (২৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা (সিডিসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সিডিসি জানিয়েছে, আগামী ২৬ জুন থেকে ২ জুলাই ১ম ডোজ মুখে খাওয়ার কলেরা টিকাদানের ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। প্রথম ডোজের কলেরা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ২৬ জুন ঢাকার আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) সম্মেলন কক্ষে দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আরও জানানো হয়, জাতীয় কলেরা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় ঢাকা শহরের ৫টি স্থানে (যাত্রাবাড়ী, সবুজবাগ, মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও দক্ষিণখান) প্রায় ২৩ লাখ মানুষকে কলেরা টিকাদান কর্মসূচির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কলেরা টিকা প্রদান এবং টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে। এছাড়াও টিকাদান কার্যক্রম বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইসিডিডিআর,বি দায়িত্ব পালন করছে।

কলেরা   টিকা   কার্যক্রম   শুরু   রোববার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে করোনা

প্রকাশ: ০৪:৪৪ পিএম, ২৪ Jun, ২০২২


Thumbnail

দেশে করোনা পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৬৮৫ জন। এই নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৬২ হাজার ২১৩ জনে। একই সময়ে করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। ফলে মোট মারা যাওয়ার সংখ্যা ২৯ হাজার ১৩৫ জনই থাকল। আর শনাক্তের হার ১২ দশমিক ১৮ শতাংশ।

শুক্রবার (২৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৮৫ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬ হাজার ৪১৭ জন।

২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ৮৫০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৩ হাজার ৮৩৩টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১২ দশমিক ১৮ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।

করোনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

নন সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে দেশে যেভাবে হৃদরোগ চিকিৎসা'র শুরু

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ২৪ Jun, ২০২২


Thumbnail নন সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে দেশে যেভাবে হৃদরোগ চিকিৎসা'র শুরু

কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ বা সিভিডি, বিশ্বব্যাপী ৩২ শতাংশ মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এই হৃদরোগ। শুধুমাত্র ২০১৯ সালেই দেড় কোটিরও বেশি মানুষ হৃদরোগের কারণে মারা যায়। যার মাঝে ৮৫ ভাগ মৃত্যুর কারণই ছিলো হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক।

বিশ্বব্যাপী ভয়ংকর এই ব্যধির চিকিৎসা থাকলেও তা যথেষ্ট জটিল, সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। প্রায় প্রতিটি পরিবারের কেউ না কেউ ভুগছেন এই কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজে। হার্টে ব্লক ধরা পড়া রোগীর জন্য সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে চিকিৎসা অত্যান্ত কষ্টসাধ্য। 

তবে বর্তমানে সার্জিক্যাল কোনো ট্রিটমেন্ট ছাড়া দেশেই হৃদরোগের চিকিৎসা সম্ভব। এমনটাই সম্ভব করেছে বিশ্বের বৃহত্তম নন-সার্জিক্যাল চেইন হার্ট কেয়ার ও লাইফস্টাইল প্রতিষ্ঠান সাওল হার্ট সেন্টার (বিডি) লি.

কিংবদন্তি চিকিৎসক ডা. ডিন অর্নিশের 'রিভার্সাল হার্ট ডিজিজ' চিকিৎসার আলোকে ১৯৮৫ সালে উপমহাদেশের প্রখ্যাত হৃদরোগ ও লাইফস্টাইল বিশেষজ্ঞ ডা. বিমল ছাজেড় ভারতের নয়া দিল্লিতে প্রতিষ্ঠা করেন সাওল হার্ট সেন্টার।

ভারত, নেপাল ও যুক্তরাষ্ট্রে সাওলের শতাধিক শাখা ছাড়াও বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, সিলেট ও ঢাকায় রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির শাখা।

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম নন সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে হৃদরোগের চিকিৎসার প্রচলন করেন স্বাস্থ্য আন্দোলনের পথিকৃৎ মোহন রায়হান। যিনি বর্তমানে সাওল হার্ট সেন্টারে চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

২০০৭ সাল থেকে এই চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমেই দেশব্যাপী হৃদরোগ মুক্তির লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে সাওল হার্ট সেন্টার বাংলাদেশ লিমিটেড।

প্রতিষ্ঠানটিতে জনস্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি শনিবার বিকাল ৩টায় হার্ট সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়, যা বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। এছাড়াও সাওল হার্ট সেন্টার বছরব্যাপী বিশেষ ও জাতীয় সেমিনারের আয়োজনও করে থাকে।

সাওল হার্ট সেন্টার   কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ   হৃদরোগ   মোহন রায়হান  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন