ইনসাইড হেলথ

ওমিক্রনের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত

প্রকাশ: ০৫:১৫ পিএম, ২১ Jun, ২০২২


Thumbnail ওমিক্রনের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টারে বাংলাদেশি দুই জনের শরীরে করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ধরনের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট BA.4/5 শনাক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুন) জিনোম সেন্টারের একদল গবেষক যশোরের দুজন আক্রান্ত ব্যক্তির থেকে সংগৃহীত ভাইরাসের আংশিক (স্পাইক প্রোটিন) জিনোম সিকুয়েন্সের মাধ্যমে করোনার নতুন এই উপধরণটি শনাক্ত করে।

যবিপ্রবির গবেষক দলটি জানায়, আক্রান্ত দুজন ব্যক্তিই পুরুষ। যাদের একজনের বয়স ৪৪ এবং আরেকজনের বয়স ৭৯ বছর। আক্রান্ত ব্যক্তির একজন করোনা ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ এবং অপরজন দুই ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং আরেকজন বাসাতেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। আক্রান্তদের শরীরে জ্বর, গলাব্যথা, সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন মৃদু উপসর্গ রয়েছে। তারা উভয়েই স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছেন বলে গবেষকরা ধারণা করছেন।

গবেষক দলটি আরও জানায়, BA.4/5 সাব-ভ্যারিয়েন্টে স্পাইক প্রোটিনে ওমিক্রনের মতই মিউটেশন দেখা যায়। তবে তার সাথে এই সাব-ভ্যারিয়েন্টে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের মত স্পাইক প্রোটিনের ৪৫২ নম্বর অ্যামাইনো অ্যাসিডে মিউটেশন থাকে। এছাড়াও এই সাব-ভ্যারিয়েন্টে স্পাইক প্রোটিনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ৪৮৬ নম্বর অ্যামাইনো অ্যাসিডেও মিউটেশন দেখা যায়।

ওমিক্রনের এই দুইটি সাবভ্যারিয়েন্ট জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হয়েছে। গত মে মাসের শেষের দিকে দক্ষিণ ভারতে এই সাবভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়। এই উপধরণটি দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনা সংক্রমণের পঞ্চম ঢেউ এবং সাম্প্রতিককালে ভারতে করোনার তৃতীয় ঢেউ এর জন্য দায়ী বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন। ভ্যাকসিন নেওয়া ব্যক্তিরাও এই সাবভ্যারিয়েন্ট দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছেন। আগামী দিনে এই সাবভ্যারিয়েন্ট বর্তমানে সংক্রমণশীল অন্যান্য সাবভ্যারিয়েন্টের তুলনায় বেশি সংক্রমণ ঘটাতে পারে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন।

করোনার এই নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের বিষয়ে যবিপ্রবির উপাচার্য ও জেনোম সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন বলেন, এই সাব-ভ্যারিয়েন্টটি মানুষের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সহজেই ফাঁকি দিতে সক্ষম। এজন্য মাস্ক ব্যবহারসহ কঠোরভাবে করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বিকল্প নেই।

তিনি জানান, অচিরেই পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকুয়েন্স করে এ বিষয়ে আরও তথ্য জানা সম্ভব হবে এবং এই সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তকরণের কাজ জিনোম সেন্টারে অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে জিনোম সেন্টারে করোনাভাইরাসের ডেল্টা ও ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের স্থানীয় সংক্রমণও শনাক্ত করা হয়।

যবিপ্রবির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও জিনোম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. ইকবাল কবীর জাহিদের নেতৃত্বে করেনার নতুন এই সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তে গবেষক দলের অন্য সদস্যরা হলেন- বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. হাসান আল-ইমরান, পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শিরিন নিগার, অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তানভীর ইসলাম, ড. সেলিনা আক্তার, অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. অভিনু কিবরিয়া ইসলাম, শোভন লাল সরকার, এ এস এম রুবাইয়াতুল আলম, সাজিদ হাসান, জিনোম সেন্টারের গবেষণা সহকারী প্রশান্ত কুমার দাস, রাসেল পারভেজ প্রমুখ।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনায় শনাক্ত ২১০১, মৃত্যু ২

প্রকাশ: ০৫:৫৮ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail করোনায় শনাক্ত ২১০১, মৃত্যু ২

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ১০১ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ২৭৪ জনে। শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ২০ শতাংশ। এসময় ২ জনের ‍মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ১৪২ জনে। 

সোমবার (২৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মারা যাওয়া দুই জনই ঢাকার বাসিন্দা। এর মধ্যে একজন নারী, একজন পুরুষ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৭৯ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬ হাজার ৮৬৭ জন।

২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ৯২০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৩ হাজার ৮২০টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ২০ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

চতুর্থ ঢেউ মোকাবিলায় মাস্ক পরার বিকল্প নেই: ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ

প্রকাশ: ০৫:১০ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail চতুর্থ ঢেউ মোকাবিলায় মাস্ক পরার বিকল্প নেই: ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ বলেছেন, করোনাভাইরাসের চতুর্থ ঢেউ মোকাবিলায় মাস্ক পরার কোনো বিকল্প নেই। 
 
সোমবার (২৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত ‘করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে মূল আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি সবাইকে হাত ধোয়ার অভ্যাস চর্চা ও সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখাসহ যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি করোনার নতুন ধরন যথাযথভাবে মোকাবিলা করার জন্য দ্রুত টিকা নিতে আহ্বান জানিয়েছেন।

সোমবার (২৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) আয়োজিত ‘করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে মূল আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, করোনাভাইরাসের নতুন ধরন দ্রুত ও ব্যাপকভাবে ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তি প্রায় ১০ জনকে সংক্রমিত করতে পারে। তবে, সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পেলেও আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। করোনার চতুর্থ ঢেউ মোকাবিলায় লকডাউনের মতো পদক্ষেপের প্রয়োজন পড়বে না। তবে বেপরোয়াভাবে চলাচল বা স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করা যাবে না।

ইউজিসি সচিব ড. ফেরদৌস জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ইউজিসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক ও এপিএর ফোকাল পয়েন্ট মো. গোলাম দস্তগীরের সঞ্চালনায় সেমিনারে ইউজিসির উপ-পরিচালক, সিনিয়র সহকারী পরিচালক, সহকারী পরিচালক ও সমপর্যায়ের ৪০ জন কর্মকর্তা অংশ নেন।

এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, নাকে নেওয়ার কোভিড ওষুধের ট্রায়াল শিগগির দেশে শুরু হতে পারে। বাংলাদেশ ও সুইডেনের যৌথ উদ্যোগে এ ওষুধ বাংলাদেশে তৈরি হবে। এ টিকা করোনাভাইরাসের সব ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধেই প্রায় শতভাগ কার্যকর হবে এবং এটি মানুষকে অনেক বেশি সুরক্ষা দেবে।

তিনি আরও বলেন, শিগগির ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের করোনাভাইরাসের টিকার আওতায় নিয়ে আসার বিষয়টি সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অভিমত অনুযায়ী ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে।

অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা পেতে সবাইকে দ্রুত টিকা নেওয়া এবং করোনা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রমের মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কারণে বিশ্বে বাংলাদেশ সাফল্যের শীর্ষে রয়েছে।

চতুর্থ ঢেউ   মাস্ক পরা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনায় আতঙ্কিত না হলেও স্বাস্থ্য বিভাগ চিন্তিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৬:০৭ পিএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail করোনায় আতঙ্কিত না হলেও স্বাস্থ্য বিভাগ চিন্তিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ফের বাড়তে শুরু করেছে। এ পরিস্থিতিতে সংক্রমণ নিয়ে আতঙ্কিত না হলেও স্বাস্থ্য বিভাগ চিন্তিত জানিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে আমরা সফল হয়েছিলাম। কিন্তু আবারও সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। আমরা আতঙ্কিত না হলেও চিন্তিত।

রোববার (২৬ জুন) বিকেলে রাজধানীর মহাখালীতে আইসিডিডিআর,বিতে কলেরা টিকা কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা দেশের টার্গেটকৃত প্রায় সবাইকেই টিকার আওতায় এনেছি। এতে সংক্রমণ এক শতাংশের নিচে চলে এসেছিল। আমাদের মৃত্যু প্রায় শূন্যের কোটায়। কিন্তু এখন আবার সংক্রমণের হার ১৫ শতাংশে উঠে এসেছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছি।

তিনি বলেন, করোনায় মন্ত্রণালয়ের অনেকেই আক্রান্ত হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অফিসেও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ অবস্থায় আমাদের সচেতন হতে হবে। সবাইকেই মাস্ক পরতে হবে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

করোনাভাইরাস   স্বাস্থ্যমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনায় মৃত্যু ২, শনাক্ত ১৬৮০

প্রকাশ: ০৪:৩২ পিএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail করোনায় মৃত্যু২, শনাক্ত ১৬৮০

সারাদেশে  গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ২ জনের ‍মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ১৪০ জনে।

এ সময়ে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৬৮০ জন। মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৬৫ হাজার ১৭৩ জনে। শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

রোববার (২৬ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

করোনাভাইরাস   ওমিক্রন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

সাওল হার্ট সেন্টার: যেভাবে হয় হার্টের চিকিৎসা

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail সাওল হার্ট সেন্টার: যেভাবে হয় হার্টের চিকিৎসা

কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ বা সিভিডি, বিশ্বব্যাপী ৩২ শতাংশ মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এই হৃদরোগ। শুধুমাত্র ২০১৯ সালেই দেড় কোটিরও বেশি মানুষ হৃদরোগের কারণে মারা যায়। যার মাঝে ৮৫ ভাগ মৃত্যুর কারণই ছিলো হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক।

বিশ্বব্যাপী ভয়ংকর এই ব্যধির চিকিৎসা থাকলেও তা যথেষ্ট জটিল, সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। প্রায় প্রতিটি পরিবারের কেউ না কেউ ভুগছেন এই কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজে। হার্টে ব্লক ধরা পড়া রোগীর জন্য সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে চিকিৎসা অত্যান্ত কষ্টসাধ্য। 

তবে বর্তমানে সার্জিক্যাল কোনো ট্রিটমেন্ট ছাড়া দেশেই হৃদরোগের চিকিৎসা সম্ভব। এমনটাই সম্ভব করেছে বিশ্বের বৃহত্তম নন-সার্জিক্যাল চেইন হার্ট কেয়ার ও লাইফস্টাইল প্রতিষ্ঠান সাওল হার্ট সেন্টার (বিডি) লি.

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম নন সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে হৃদরোগের চিকিৎসার প্রচলন করেন স্বাস্থ্য আন্দোলনের পথিকৃৎ মোহন রায়হান। যিনি বর্তমানে সাওল হার্ট সেন্টারের চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সাওল হার্ট সেন্টারের চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা মহোন রায়হানের সাথে বাংলা ইনসাইডারের আলাপচারিতায় তিনি তাদের চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে বাংলা ইনসাইডারকে বিস্তারিত জানান।



তিনি বলেন, 'আমরা অপারেশনের বিপরীতে ইমিডিয়েট ট্রিটমেন্ট করছি নেচারাল বাইপাস (ইইসিপি) ও কার্ডিয়াক ডিটক্স।

অপরদিকে স্থায়ী ট্রিটমেন্ট হিসেবে লাইফস্টাইল ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে দেওয়া'।
 
চলুন তাহলে উপরের চিকিৎসা পদ্ধি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-

*নেচারাল বাইপাস (ইইসিপি)

নেচারাল বাইপাস সর্বাধুনিক বিজ্ঞানভিত্তিক প্রমাণিত উপায় ও প্রায় শতভাগ সফল হৃদরোগ চিকিৎসা পদ্ধতি। ইইসিপি মেশিনে ৩৫-৫০ ঘণ্টা থেরাপির মাধ্যমে হৃৎপিণ্ড-রক্তনালীর ব্লকের আশ-পাশের অব্যবহৃত সুপ্ত নালী সক্রিয় হয়ে হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহ বৃদ্ধি করে। অর্থাৎ ব্লকটি বাইপাস হয়ে যায়, কোনো কাঁটা-ছেঁড়া করতে হয় না। এ বাইপাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে। তবে থেরাপি শুরুর প্রথম সপ্তাহ থেকেই রোগী অপেক্ষাকৃত সুস্থবোধ করেন।



*কার্ডিয়াক ডিটক্স

একটি জৈব-রাসায়নিক মিশ্রণ, যা স্যালাইন গ্রহণের মতন রক্তনালীতে প্রবেশ করে নালীর ব্লকেজ কমিয়ে দেয়। এই রসায়নের মাত্রা কেবল বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নির্ধারণ করেন। যা রোগীভেদে ভিন্ন হয়ে থাকে। এ চিকিৎসা ব্যবস্থায় ২০-৩০টি ডোজ ৪০-৬০ দিনের সময়সীমায় দেওয়া হয়।



অন্যদিকে স্থায়ী ট্রিটমেন্ট হিসেবে লাইফস্টাইল এবং খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করা।

*মর্ডান মেডিকেল সাইন্সের মাধ্যমে পরিক্ষা নীরিক্ষা করে খাওয়া দাওয়া চার্ট তৈরি করে দেওয়া হয়। তবে  খাদ্যের চার্ট ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়। যে তালিকার মধ্যে রয়েছে তেল ছাড়া খাবার, ফাস্টফুড জাতীয় খাবার, কম মসলা দেওয়া খাবার খাওয়া এবং সঠিক সময় ঘুমানো ইত্যাদি।

এছাড়াও হৃদরোগের ১৫টি কারণের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে মানসিক চাপ। এই বস্তুতান্ত্রিক জগত ও যান্ত্রিক জীবনে প্রত্যেক মানুষের রয়েছে কম-বেশি মানসিক চাপ বা টেনশন। সাওল হার্ট সেন্টারে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ইয়োগা মেডিটেশন বিশেষজ্ঞ দ্বারা মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।

সাওল হার্ট সেন্টার   কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ   হৃদরোগ   মোহন রায়হান  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন