ইনসাইড হেলথ

একদিনে বুস্টার ডোজের আওতায় ১ লাখ ৩৩ হাজার মানুষ

প্রকাশ: ১০:৪৯ এএম, ২২ Jun, ২০২২


Thumbnail একদিনে বুস্টার ডোজের আওতায় ১ লাখ ৩৩ হাজার মানুষ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দেশে টিকা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের পর এখন তৃতীয় বা বুস্টার ডোজে জোর দিচ্ছে সরকার। সারাদেশে একদিনে টিকার বুস্টার ডোজ (তৃতীয়) পেয়েছেন এক লাখ ৩৩ হাজার মানুষ। এনিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত বুস্টার ডোজ পেয়েছেন দুই কোটি ৮১ লাখের বেশি মানুষ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন শাখার (এমআইএস) পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমানের স্বাক্ষরিত করোনার টিকাদান বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশে ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১২ কোটি ৮৯ লাখ ৫৭ হাজার ৫০৮ জন। এছাড়া দুই ডোজ টিকার আওতায় এসেছেন ১১ কোটি ৮৭ লাখ ৬২ হাজার ৮৫৫ জন মানুষ। আর বুস্টার ডোজ নিয়েছেন দুই কোটি ৮১ লাখ ৮৩ হাজার ৫৭৯ জন।

এতে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার) সারাদেশে প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে ৮ হাজার ৭৬১ জনকে, দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ৮৩ হাজার ৯৭৯ জনকে। এই সময়ে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে এক লাখ ৩২ হাজার ৯৪৬ জনকে। এগুলো দেওয়া হয়েছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সিনোফার্ম, ফাইজার, মডার্না এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা।

গত ১ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশে ১২-১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত এক কোটি ৭৩ লাখ ৩২ হাজার ৭৩২ জনকে প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে এক কোটি ৬০ লাখ ১২ হাজার ৫৯ জনকে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশে এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ৯৪৫ জন ভাসমান জনগোষ্ঠী টিকার আওতায় এসেছেন। তাদেরকে জনসন অ্যান্ড জনসনের সিঙ্গেল ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।

একদিনে   বুস্টার ডোজ   আওতায়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

সাওল হার্ট সেন্টার: যেভাবে হয় হার্টের চিকিৎসা

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ২৬ Jun, ২০২২


Thumbnail সাওল হার্ট সেন্টার: যেভাবে হয় হার্টের চিকিৎসা

কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ বা সিভিডি, বিশ্বব্যাপী ৩২ শতাংশ মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এই হৃদরোগ। শুধুমাত্র ২০১৯ সালেই দেড় কোটিরও বেশি মানুষ হৃদরোগের কারণে মারা যায়। যার মাঝে ৮৫ ভাগ মৃত্যুর কারণই ছিলো হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক।

বিশ্বব্যাপী ভয়ংকর এই ব্যধির চিকিৎসা থাকলেও তা যথেষ্ট জটিল, সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। প্রায় প্রতিটি পরিবারের কেউ না কেউ ভুগছেন এই কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজে। হার্টে ব্লক ধরা পড়া রোগীর জন্য সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে চিকিৎসা অত্যান্ত কষ্টসাধ্য। 

তবে বর্তমানে সার্জিক্যাল কোনো ট্রিটমেন্ট ছাড়া দেশেই হৃদরোগের চিকিৎসা সম্ভব। এমনটাই সম্ভব করেছে বিশ্বের বৃহত্তম নন-সার্জিক্যাল চেইন হার্ট কেয়ার ও লাইফস্টাইল প্রতিষ্ঠান সাওল হার্ট সেন্টার (বিডি) লি.

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম নন সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে হৃদরোগের চিকিৎসার প্রচলন করেন স্বাস্থ্য আন্দোলনের পথিকৃৎ মোহন রায়হান। যিনি বর্তমানে সাওল হার্ট সেন্টারের চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সাওল হার্ট সেন্টারের চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা মহোন রায়হানের সাথে বাংলা ইনসাইডারের আলাপচারিতায় তিনি তাদের চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে বাংলা ইনসাইডারকে বিস্তারিত জানান।



তিনি বলেন, 'আমরা অপারেশনের বিপরীতে ইমিডিয়েট ট্রিটমেন্ট করছি নেচারাল বাইপাস (ইইসিপি) ও কার্ডিয়াক ডিটক্স।

অপরদিকে স্থায়ী ট্রিটমেন্ট হিসেবে লাইফস্টাইল ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে দেওয়া'।
 
চলুন তাহলে উপরের চিকিৎসা পদ্ধি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-

*নেচারাল বাইপাস (ইইসিপি)

নেচারাল বাইপাস সর্বাধুনিক বিজ্ঞানভিত্তিক প্রমাণিত উপায় ও প্রায় শতভাগ সফল হৃদরোগ চিকিৎসা পদ্ধতি। ইইসিপি মেশিনে ৩৫-৫০ ঘণ্টা থেরাপির মাধ্যমে হৃৎপিণ্ড-রক্তনালীর ব্লকের আশ-পাশের অব্যবহৃত সুপ্ত নালী সক্রিয় হয়ে হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহ বৃদ্ধি করে। অর্থাৎ ব্লকটি বাইপাস হয়ে যায়, কোনো কাঁটা-ছেঁড়া করতে হয় না। এ বাইপাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে। তবে থেরাপি শুরুর প্রথম সপ্তাহ থেকেই রোগী অপেক্ষাকৃত সুস্থবোধ করেন।



*কার্ডিয়াক ডিটক্স

একটি জৈব-রাসায়নিক মিশ্রণ, যা স্যালাইন গ্রহণের মতন রক্তনালীতে প্রবেশ করে নালীর ব্লকেজ কমিয়ে দেয়। এই রসায়নের মাত্রা কেবল বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নির্ধারণ করেন। যা রোগীভেদে ভিন্ন হয়ে থাকে। এ চিকিৎসা ব্যবস্থায় ২০-৩০টি ডোজ ৪০-৬০ দিনের সময়সীমায় দেওয়া হয়।



অন্যদিকে স্থায়ী ট্রিটমেন্ট হিসেবে লাইফস্টাইল এবং খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করা।

*মর্ডান মেডিকেল সাইন্সের মাধ্যমে পরিক্ষা নীরিক্ষা করে খাওয়া দাওয়া চার্ট তৈরি করে দেওয়া হয়। তবে  খাদ্যের চার্ট ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়। যে তালিকার মধ্যে রয়েছে তেল ছাড়া খাবার, ফাস্টফুড জাতীয় খাবার, কম মসলা দেওয়া খাবার খাওয়া এবং সঠিক সময় ঘুমানো ইত্যাদি।

এছাড়াও হৃদরোগের ১৫টি কারণের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে মানসিক চাপ। এই বস্তুতান্ত্রিক জগত ও যান্ত্রিক জীবনে প্রত্যেক মানুষের রয়েছে কম-বেশি মানসিক চাপ বা টেনশন। সাওল হার্ট সেন্টারে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ইয়োগা মেডিটেশন বিশেষজ্ঞ দ্বারা মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।

সাওল হার্ট সেন্টার   কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ   হৃদরোগ   মোহন রায়হান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

শনাক্তের সংখ্যা কমলেও, বেড়েছে মৃত্যু

প্রকাশ: ০৫:১৮ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৩ জনের ‍মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ১৩৮ জনে।

এ সময়ে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৮০ জন। মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪৯৩ জনে। শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ০৭ শতাংশ।

শনিবার (২৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

করোনাভাইরাস   ওমিক্রন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

আরও ৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশ: ০৪:৫৬ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail আরও ৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

সারাদেশে গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৫ জন নতুন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শনিবার (২৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৫ জন নতুন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৩ জন এবং ঢাকার বাইরে সারাদেশে দুই জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বর্তমানে সারাদেশে সর্বমোট ১২৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১১৮ জন এবং ঢাকার বাইরে সারাদেশে নয় জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

ডেঙ্গু রোগী   হাসপাতাল   ভর্তি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

কলেরার টিকা কার্যক্রম শুরু রোববার

প্রকাশ: ০৪:৪০ পিএম, ২৫ Jun, ২০২২


Thumbnail কলেরার টিকা কার্যক্রম শুরু রোববার

ডায়রিয়া ও কলেরা সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের টিকা কর্মসূচি শুরু হবে রোববার (২৬ জুন) থেকে। আগামী ২ জুলাই (শনিবার) পর্যন্ত প্রথম ডোজের এই টিকা কর্মসূচি চলবে। মুখে খাওয়ার এই টিকা গর্ভবতী নারী ছাড়া ১ বছর বয়স হতে সব বয়সের মানুষকে দেওয়া হবে। আর প্রাথমিকভাবে রাজধানীর পাঁচটি স্থানে দেওয়া হবে এই টিকা।

শনিবার (২৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা (সিডিসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সিডিসি জানিয়েছে, আগামী ২৬ জুন থেকে ২ জুলাই ১ম ডোজ মুখে খাওয়ার কলেরা টিকাদানের ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। প্রথম ডোজের কলেরা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ২৬ জুন ঢাকার আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) সম্মেলন কক্ষে দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আরও জানানো হয়, জাতীয় কলেরা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় ঢাকা শহরের ৫টি স্থানে (যাত্রাবাড়ী, সবুজবাগ, মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও দক্ষিণখান) প্রায় ২৩ লাখ মানুষকে কলেরা টিকাদান কর্মসূচির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কলেরা টিকা প্রদান এবং টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে। এছাড়াও টিকাদান কার্যক্রম বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইসিডিডিআর,বি দায়িত্ব পালন করছে।

কলেরা   টিকা   কার্যক্রম   শুরু   রোববার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে করোনা

প্রকাশ: ০৪:৪৪ পিএম, ২৪ Jun, ২০২২


Thumbnail

দেশে করোনা পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৬৮৫ জন। এই নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৬২ হাজার ২১৩ জনে। একই সময়ে করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। ফলে মোট মারা যাওয়ার সংখ্যা ২৯ হাজার ১৩৫ জনই থাকল। আর শনাক্তের হার ১২ দশমিক ১৮ শতাংশ।

শুক্রবার (২৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৮৫ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬ হাজার ৪১৭ জন।

২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ৮৫০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৩ হাজার ৮৩৩টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১২ দশমিক ১৮ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।

করোনা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন