ইনসাইড হেলথ

নন সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে দেশে যেভাবে হৃদরোগ চিকিৎসা'র শুরু

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ২৪ Jun, ২০২২


Thumbnail নন সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে দেশে যেভাবে হৃদরোগ চিকিৎসা'র শুরু

কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ বা সিভিডি, বিশ্বব্যাপী ৩২ শতাংশ মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এই হৃদরোগ। শুধুমাত্র ২০১৯ সালেই দেড় কোটিরও বেশি মানুষ হৃদরোগের কারণে মারা যায়। যার মাঝে ৮৫ ভাগ মৃত্যুর কারণই ছিলো হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক।

বিশ্বব্যাপী ভয়ংকর এই ব্যধির চিকিৎসা থাকলেও তা যথেষ্ট জটিল, সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। প্রায় প্রতিটি পরিবারের কেউ না কেউ ভুগছেন এই কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজে। হার্টে ব্লক ধরা পড়া রোগীর জন্য সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে চিকিৎসা অত্যান্ত কষ্টসাধ্য। 

তবে বর্তমানে সার্জিক্যাল কোনো ট্রিটমেন্ট ছাড়া দেশেই হৃদরোগের চিকিৎসা সম্ভব। এমনটাই সম্ভব করেছে বিশ্বের বৃহত্তম নন-সার্জিক্যাল চেইন হার্ট কেয়ার ও লাইফস্টাইল প্রতিষ্ঠান সাওল হার্ট সেন্টার (বিডি) লি.

কিংবদন্তি চিকিৎসক ডা. ডিন অর্নিশের 'রিভার্সাল হার্ট ডিজিজ' চিকিৎসার আলোকে ১৯৮৫ সালে উপমহাদেশের প্রখ্যাত হৃদরোগ ও লাইফস্টাইল বিশেষজ্ঞ ডা. বিমল ছাজেড় ভারতের নয়া দিল্লিতে প্রতিষ্ঠা করেন সাওল হার্ট সেন্টার।

ভারত, নেপাল ও যুক্তরাষ্ট্রে সাওলের শতাধিক শাখা ছাড়াও বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, সিলেট ও ঢাকায় রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির শাখা।

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম নন সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে হৃদরোগের চিকিৎসার প্রচলন করেন স্বাস্থ্য আন্দোলনের পথিকৃৎ মোহন রায়হান। যিনি বর্তমানে সাওল হার্ট সেন্টারে চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

২০০৭ সাল থেকে এই চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমেই দেশব্যাপী হৃদরোগ মুক্তির লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে সাওল হার্ট সেন্টার বাংলাদেশ লিমিটেড।

প্রতিষ্ঠানটিতে জনস্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি শনিবার বিকাল ৩টায় হার্ট সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়, যা বিনামূল্যে সবার জন্য উন্মুক্ত। এছাড়াও সাওল হার্ট সেন্টার বছরব্যাপী বিশেষ ও জাতীয় সেমিনারের আয়োজনও করে থাকে।

সাওল হার্ট সেন্টার   কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ   হৃদরোগ   মোহন রায়হান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

আমেরিকা থেকেও অনেক রোগী চিকিৎসা নিতে বাংলাদেশে আসে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ১০:০৬ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail আমেরিকা থেকেও অনেক রোগী চিকিৎসা নিতে বাংলাদেশে আসে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা অনেক ভালো উল্লেখ করে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘আমাদের ১৭ কোটি লোককে এই বাংলাদেশে চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কোভিডকালীন সময়ে যখন কেউ বাইরে যেতে পারে নাই তখন এই ১৭ কোটি লোকের চিকিৎসা এই বাংলাদেশে হয়েছে। বাইরে কাউকে যেতে হয়নি।’ 

তিনি বলেন, ‘আমেরিকা থেকেও আমাদের এখানে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য আসে। এমন অনেক রোগী আছে যারা ভালো চিকিৎসা না পেয়ে এখানে আসে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য। এখানে অনেক চিকিৎসা যেমন দাঁতের চিকিৎসা, পেটের চিকিৎসা সব বাংলাদেশে নেওয়ার জন্য আসে। আমেরিকা থেকে অনেক মানুষ চিকিৎসা নিতে আসে।’

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে একাদশ সংসদের বাজেট অধিবেশনের বৃহস্পতিবারের বৈঠকে নির্দিষ্টকরণ বিলের স্বাস্থ্যখাতে আনা ছাটাই প্রস্তাবের জবাব দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি এমপি রুমিন ফারহানার কথার জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অনেক লোকের কথা বলছেন। কিছু লোক যদি বাইরে যায় তাদের তো আমরা এখানে ধরে রাখতে পারবো না। যত ভালো সেবাই হোক এখানে সেবা নেবে না তারা। তারা আমেরিকায় যাবে, ইউরোপে যাবে, সিঙ্গাপুর যাবে। এটা স্বাভাবিক। তবে আমেরিকা থেকেও অনেক রোগী ভালো চিকিৎসা না পেয়ে বাংলাদেশে আসে।’

দেশে করোনা অতিমারি নিয়ন্ত্রণে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকার ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হয়েছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমরা নিজেদের অর্থায়নে ভ্যাকসিন দিয়েছি প্রায় ১৭ হাজার কোটি ডোজ। সব মিলে এ ভ্যাকসিন দিতে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা লেগেছে। এটা আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে। আর বিদেশ থেকে আমরা ১০ কোটি ভ্যাকসিন বিনামূল্যে পেয়েছি। তার দাম প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকার ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হয়েছে। এটাও দেশের অর্জন, প্রধানমন্ত্রীর অর্জন। কোনো দেশ ১০ কোটি ভ্যাকসিন পায় নাই, যেটা বাংলাদেশ পেয়েছে।’

তিনি জানান, ‌আমরা শিশু ভ্যাকসিনের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছি। ৫ বছর থেকে ১২ বছর শিশুদের ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হয়েছে। ডব্লিউএইচও থেকে ভ্যাকসিন পাওয়ার সম্ভাবনা আছে এবং সেটা শিশুদের দেওয়ার ব্যবস্থা হাতে নিয়েছি। জুলাইয়ের শেষের দিকে শিশুদের ভ্যাকসিন দিতে সক্ষম হবো। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘যে সকল হাসপাতাল ক্লিনিকের সঠিক মান নেই, সেগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছি। আমরা তিন হাজার বন্ধ করেছি, প্রয়োজন হলে আরও বেশি বন্ধ করে দেব, যদি মানসম্পন্ন না হয়। যারা ভুয়া মেডিসিন তৈরি করছিল এ ধরনের ২০টি ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দিয়েছি। এটা চলমান প্রক্রিয়া।’


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

করোনায় বেড়েছে মৃত্যু, শনাক্ত ২১৮৩

প্রকাশ: ০৫:০৭ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail করোনায় বেড়েছে মৃত্যু, শনাক্ত ২১৮৩

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু দাঁড়াল ২৯ হাজার ১৪৯ জনে। একেই সময়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ১৮৩ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮৫ জনে। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৯০ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৭ হাজার ৫০৯ জন।

২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ৭৮২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৩ হাজার ৯০৫টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৭০ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের দুইজন চট্টগ্রামের। চট্টগ্রাম ও ঢাকায় একজন করে মারা গেছেন। তাদের তিনজন পুরুষ ও একজন নারী।  

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।


করোনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

আরও ৩৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশ: ০৪:২৮ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail আরও ৩৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

দেশে দিনের পর দিন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যাব এড়েই যাচ্ছে। সারাদেশে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ডেন্নগু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৩ জন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সারা দেশের পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে ৩৩ জনই ঢাকার বাসিন্দা। এ সময়ে ঢাকার বাইরের কোনো হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন কোনো রোগী ভর্তি হয়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন ৩৩ জনসহ বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৮ জনে। তাদের মধ্যে ১২২ জনই ঢাকার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আর ঢাকার বাইরে রয়েছেন সর্বমোট ৬ জন রোগী।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ (৩০ জুন) পর্যন্ত হাসপাতালে সর্বমোট রোগী ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৭৯ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯৬০ জন। এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

এর আগে ২০১৯ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করে। সেই বছর এক লাখের বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। মারা যান ১৪৮ জন। করোনা মাহামারির মধ্যে ২০২০ সালে ডেঙ্গু তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। তবে ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময়ে কিছুটা উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করে ডেঙ্গু।

ডেঙ্গু   জ্বর   রোগী   হাসপাতাল   ভর্তি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

সাওয়াল হার্ট সেন্টার: রোগীদের অভিমত

প্রকাশ: ১০:০০ এএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail সাওয়াল হার্ট সেন্টার: রোগীদের অভিমত

কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ বা সিভিডি, বিশ্বব্যাপী ৩২ শতাংশ মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এই হৃদরোগ। শুধুমাত্র ২০১৯ সালেই দেড় কোটিরও বেশি মানুষ হৃদরোগের কারণে মারা যায়। যার মাঝে ৮৫ ভাগ মৃত্যুর কারণই ছিলো হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক।

বিশ্বব্যাপী ভয়ংকর এই ব্যধির চিকিৎসা থাকলেও তা যথেষ্ট জটিল, সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। প্রায় প্রতিটি পরিবারের কেউ না কেউ ভুগছেন এই কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজে। হার্টে ব্লক ধরা পড়া রোগীর জন্য সার্জিক্যাল পদ্ধতিতে চিকিৎসা অত্যান্ত কষ্টসাধ্য। 



তবে বর্তমানে সার্জিক্যাল কোনো ট্রিটমেন্ট ছাড়া দেশেই হৃদরোগের চিকিৎসা সম্ভব। এমনটাই সম্ভব করেছে বিশ্বের বৃহত্তম নন-সার্জিক্যাল চেইন হার্ট কেয়াইসলাম লতিফ হার্টের ব্লক ধরা পড়ায় ১১ দিন যাবত  চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। 

তিনি জানায়, চিকিৎসার প্রথম দিকে একটা ঔষধ দেন সেটা জিহ্বার নিচে রাখতে হয়। এখন সেটা আর প্রয়োজন পড়ে না।  আলহামদুলিল্লাহ এই ১১ দিনের মাথায় এখন অনেক আরাম পাই। আমি ৩ তলায় উঠতে পারি নাই, একটু হাটলেই শরীর ভেতর একটা অস্থিরতা ভাব করতো৷  এখন আর এই সমস্যা নাই। আলহামদুলিল্লাহ এখন অনেক সুস্থ মনে নিজেকে।



প্রোফেসর খন্দকার আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, হার্টের ব্লক ধরা পড়ায় এক সপ্তাহ ধরে সাওয়াল হার্ট সেন্টারে  চিকিৎসাধীন আছেন।

তিনি জানায়, আগে যে বুকে ব্যথা হতো আলহামদুলিল্লাহ এটা এখন বেশি অনুভব হয় না। এখানে চিকিৎসা নেওয়ার পর অনেকটাই ইম্প্রুভ মনে হচ্ছে।

ব্যথা হওয়ার সাথে সাথে ল্যাবএইডে গেলাম।  সেখানে যাওয়ার পরে আমার যে ডাক্তার উনি আমাকে কিছু চেকাপ করতে বললেন এবং বললেন যে আপনার এনজিওগ্রাম করতে হবে। তবে সাওয়াল হার্ট সেন্টারের সেমিনারে এসে তাদের খাওয়ার চার্ট সব কিছু দেখে এবং ব্যক্তিগত ভাবে আমি বলছি তাদের সেমিনার আমার খুব ভালো লেগেছিলো।  শুধু আমার নয়, আমার পুরো পরিবার( ছেলে, বউ) এসেছিলো তাদেরও ভালো লেগেছিলো। সব কিছু মিলিয়ে সিধান্ত নিলাম এনজিএ গ্রাম না করিয়ে সাওয়াল হার্ট সেন্টারেই চিকিৎসা করাবো।  

এছাড়া তিনি বলেন, আমি একজন শিক্ষক সেই হিসেবে আমি মনে করি খাবারে যদি একটা রুটিন মেনে চলি, তেল জাতীয় খাবার পরিহার করি এবং যেসব খাবার খেলে ব্লক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে সেগুলো ত্যাগ করি তাহলে আমাদের ব্লক হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে সকলেরই।

সাওয়াল   হার্ট সেন্টার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

চারদিন পর করোনায় মৃত্যুশূন্য দেশ, নতুন শনাক্ত ২২৪১

প্রকাশ: ০৫:৩৬ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail চারদিন পর করোনায় মৃত্যুশূন্য দেশ, নতুন শনাক্ত ২২৪১

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। ফলে চারদিন পর করোনায় মৃত্যুশূন্য দেশ। এতে দেশে মোট করোনায় মৃতের সংখ্যা ২৯ হাজার ১৪৫ জনই রয়েছে।

একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ২৪১ জনের। এ নিয়ে শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৭১ হাজার ৬০২ জনে।

বুধবার (২৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ২৩ শতাংশ।

এর আগে মঙ্গলবার (২৮ জুন) ২৪ ঘণ্টায় তিনজনের মৃত্যু এবং ২ হাজার ৮৭ জন নতুন রোগী শনাক্তের তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ওইদিন শনাক্তের হার ছিল ১৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের ৮৮০টি ল্যাবরেটরিতে ১৪ হাজার ৯১২টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১৪ হাজার ৭১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ২৩ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

করোনা   শনাক্ত  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন