ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান, আটক ৬১

প্রকাশ: ১১:৩১ এএম, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান, আটক ৬১

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে বিক্রি ও সেবনের অপরাধে ৬১ জনকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। 

গতকাল মঙ্গলবার সকাল ছয়টা থেকে আজ বুধবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) হাফিজ আল আসাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন 

হাফিজ আল আসাদ জানান, তাদের কাছ থেকে ৯ হাজার ৫৮৮ পিস ইয়াবা, ১৩৫ গ্রাম হেরোইন, ৪ কেজি ৬১৫ গ্রাম গাঁজা, ২৪৫ বোতল ফেনসিডিল ও ১০ লিটার দেশি মদ জব্দ করা হয়। আসামিদের নামে ডিএমপির থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মাদকবিরোধী অভিযান   ডিএমপি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৬২

প্রকাশ: ১১:০৬ এএম, ১৮ মে, ২০২২


Thumbnail মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৬২

রাজধানীতে বিভিন্ন এলাকায় ডিএমপির নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৬২ জনকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের(ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ। অভিযানে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৬২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় গ্রেপ্তারদের কাছে থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার (১৮ মে) সকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে এক হাজার ১৩২ পিস ইয়াবা, ৬৮ কেজি ৯৬৫ গ্রাম গাঁজা, ১১৮ গ্রাম হেরোইন, পাঁচ বোতল ফেনসিডিল ও পাঁচ গ্রাম আইস জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।


মাদক অভিযান   গ্রেফতার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৬২

প্রকাশ: ১২:১২ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে  ৬২ জনকে গ্রেফতার করা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ। মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ মে) সকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সোমবার (১৬ মে) সকাল ৬টা থেকে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছে থেকে ৫ হাজার ৪২৯ পিস ইয়াবা, ২৩ কেজি ২৯৫ গ্রাম ৪০ গাঁজা, ৩৪ দশমিক ২ গ্রাম ৫১ হেরোইন, ১০ বোতল ফেনসিডিল, ৮ ক্যান বিয়ার ও ২ গ্রাম আইস জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।


মাদক অভিযান   গ্রেফতার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান, আটক ৪৯

প্রকাশ: ১২:৩০ পিএম, ১৬ এপ্রিল, ২০২২


Thumbnail রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান, আটক ৪৯

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪৯ জনকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। মাদক বিক্রি ও সেবনের অপরাধে তাদের আটক করা হয়। 

শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ছয়টা থেকে শনিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

ডিএমপির গণমাধ্যম শাখা থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, আটকের সময় আসামিদের কাছ থেকে ১০ হাজার ৬২৯ পিস ইয়াবা, ১২০ গ্রাম ১৫ পুরিয়া হেরোইন, ২৪ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজা ও ২২ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।

আসামিদের বিরুদ্ধে ডিএমপির থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৩ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আটক   মাদকবিরোধী অভিযান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

টিপুকে হত্যার পর মোবাইল বিক্রি করে দেয় নাছির, সিম ফেলে ডাস্টবিনে

প্রকাশ: ১০:২২ এএম, ১৫ এপ্রিল, ২০২২


Thumbnail টিপুকে হত্যার পর মোবাইল বিক্রি করে দেয় নাছির, সিম ফেলে ডাস্টবিনে

গত ২৪ মার্চ রাতে নিজ মাইক্রোবাসে করে বাসায় ফেরার সময় রাজধানীর শাহজাহানপুরে খুন হন মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু। তার গাড়িটি শাহজাহানপুরে ইসলামী ব্যাংকের পাশে বাটার শো-রুমের সামনে এলে যানজটে পড়ে। ঠিক তখনই তার মাইক্রোবাসের পাশে দাঁড়িয়ে গুলি ছোড়ে হেলমেটধারী আততায়ী। এলোপাতাড়ি গুলিতে শুধু টিপুই নন, সে পথে রিকশা দিয়ে যাওয়া সামিয়া আফরান প্রীতি নামের বদরুন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজের এক ছাত্রীও নিহত হন। গুলিবিদ্ধ হন টিপুর গাড়িচালক মুন্না।

মাত্র মিনিটখানেকের মধ্যেই এই হত্যার সংঘটিত হয়। এরইমধ্যে হেলমেট পরা ওই ব্যক্তি সড়ক বিভাজক টপকে গুলি করতে করতে রাস্তার অন্য পাশে অপেক্ষায় থাকা একটি মোটরসাইকেলে উঠে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এই দুই হত্যার ঘটনায় সারাদেশে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ঘটনার পরপরই জড়িতদের চিহ্নিত ও গ্রেফতার করতে মাঠে নামে গোয়েন্দা পুলিশ। এরপর সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে খুলতে থাকে হত্যা-রহস্যের জট। টিপু হত্যার পরিকল্পনায় নাসিরকে শুটারদের নাম না জানালেও মুসা শুধু এটুকু বলেছিল যে, এ হত্যাকাণ্ড সম্পন্ন করতে তার ব্যাকআপ প্ল্যানও রয়েছে। কিন্তু ওই রাতে নাছির নিজেই ফোন করে ‘ইট ইজ ডান’ বলার পর মুসার ব্যাকআপ প্ল্যানের আর প্রয়োজন হয়নি। 

এক পর্যায়ে জানা যায়, দুবাইয়ে বসে টিপু হত্যার পরিকল্পনা ও নির্দেশনা দিয়েছিলেন সুমন শিকদার ওরফে মুসা। সে রাতে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পরপরই মো. নাছির উদ্দিন ওরফে কিলার নাছির দুবাইয়ে থাকা মুসাকে ফোনে জানান ‘ইট ইজ ডান’। এরপর নিজেও ঘটনাস্থল থেকে গা-ঢাকা দেন। একটি মোবাইলের দোকানে গিয়ে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কয়েকবার ফ্লাশ করে বিক্রি করে দেন। সিমটি দাঁত দিয়ে কামড়ে নষ্ট করে ফেলে দেন সিটি করপোরেশনের ডাস্টবিনে। হত্যাকাণ্ডের এক সপ্তাহ পর কিলার নাছির র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হলেও তার ব্যবহৃত মোবাইল ও সিম উদ্ধার করতে সময় লাগে আরও কয়েকদিন।

পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাবের গোয়েন্দা সূত্র জানায়, টিপু হত্যাকাণ্ডে নাছিরের স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা সবচেয়ে বেশি। কারণ, ২০১৬ সালে স্বার্থগত দ্বন্দ্বে টিপুর অন্যতম সহযোগী রিজভী হাসান ওরফে বোচা বাবু হত্যাকাণ্ডে এক নম্বর আসামি নাছির। এমনকি গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে সে র‌্যাবকে জানিয়েছে, রিজভী হত্যায় মামলার বিচারিক কার্যক্রম ধীরগতির না হলে তার মৃত্যুদণ্ড হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রায় অর্ধযুগ আগের এ হত্যা মামলার তিন নম্বর আসামি দুবাইয়ে অবস্থানকারী মুসা।

সূত্র আরও জানায়, টিপু হত্যার পরিকল্পনায় নাসিরকে শুটারদের নাম না জানালেও মুসা শুধু এটুকু বলেছিল যে, এ হত্যাকাণ্ড সম্পন্ন করতে তার ব্যাকআপ প্ল্যানও রয়েছে। কিন্তু ওই রাতে নাছির নিজেই ফোন করে ‘ইট ইজ ডান’ বলার পর মুসার ব্যাকআপ প্ল্যানের আর প্রয়োজন হয়নি।

গত ১ এপ্রিল র‌্যাব সদরদপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র‌্যাব-৩ এর অভিযানে রাজধানীর মুগদা, শাহজাহানপুর ও মিরপুর এলাকা হতে মো. নাছির উদ্দিন ওরফে কিলার নাছিরসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার অন্য তিনজন হলেন- ঘটনার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড ওমর ফারুক ও পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত আবু সালেহ শিকদার ওরফে শুটার সালেহ এবং মো. মোরশেদুল আলম ওরফে কাইল্লা পলাশ। অভিযানে নজরদারির কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, নগদ তিন লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং মোবাইলসহ উদ্ধার হয় অন্যান্য সামগ্রীও।

পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মোট ১৫ লাখ টাকার চুক্তি হয়। যেখানে ফারুক একাই ৯ লাখ টাকার যোগান দেন। বাকি ৬ লাখ টাকা আসে মুসা, সালেহ ও নাছিরের কাছ থেকে। গত ১২ মার্চ দুবাই যাওয়ার সময় মুসা ৫ লাখ টাকা সঙ্গে নেন এবং হুন্ডির মাধ্যমে তাকে আরও ৪ লাখ টাকা পাঠানো হয়। বাকি ৬ লাখ টাকা দেশে হস্তান্তরের চুক্তি ছিল। 

এরপর প্রাথমিক গ্রেফতার ব্যক্তিরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে টিপু ও তাদের (গ্রেফতার ব্যক্তিদের) মধ্যে বিরোধ চলছিল। মতিঝিল এলাকার চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, স্কুল-কলেজে ভর্তি বাণিজ্য, বাজার নিয়ন্ত্রণ, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উভয়পক্ষের দ্বন্দ্ব-সংঘাত ছিল চরমে। এরই একপর্যায়ে ২০১৩ সালের ৩০ জুলাই রাজধানীর গুলশানে শপার্স ওয়ার্ল্ডের সামনে মিল্কী হত্যার ঘটনা ঘটে। টিপু হত্যার ঘটনায় গ্রেফতাররা এলাকায় মিল্কীর সহযোগী হিসেবে পরিচিত।

নয় বছরেরও বেশি সময় আগে মিল্কী হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ওইসময় টিপুর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে ওমর ফারুক ও তার সহযোগীরা। এ হত্যা মামলার বাদীর মাধ্যমে এজাহারে টিপুর নাম অন্তর্ভুক্ত করানো হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে মামলা থেকে অব্যাহতি পান টিপু। এতে ক্ষুব্ধ হয় ওমর ফারুক গং। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালে টিপুর সহযোগী রিজভী হাসান ওরফে বোচা বাবু হত্যা। বর্তমানে রিজভী হত্যা মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন।

শুরু থেকেই ফারুক ও তার সহযোগীদের ধারণা ছিল, টিপুর কারণেই রিজভী হত্যা মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হয়েছে। এরইমধ্যে মামলার বাদী রিজভীর বাবা আবুল কালামের সঙ্গে ফারুক ও তার সহযোগীরা ৫০ লাখ টাকায় দফারফা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু টিপুর হস্তক্ষেপেই মীমাংসায় যাননি কালাম।

একপর্যায়ে কালামকে হত্যার পরিকল্পনা করে ওমর ফারুকরা। কিন্তু টিপুর সঙ্গে চলাচল করার কারণে তা সম্ভব হয়নি। রিজভী হত্যায় আদালতে কালামের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পরই টিপু হত্যার পরিকল্পনা নেয় তারা। যেন মামলা পরিচালনায় গতি না আসে। তাদের ধারণা ছিল, কালাম একা মামলাটি সঠিকভাবে চালাতে পারবেন না। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মাস তিনেক আগে রিজভীর মামলার সাক্ষ্য শেষে আদালত চত্বর এলাকায় টিপু হত্যার বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা করেন ওমর ফারুকরা।

রিজভী হত্যাকাণ্ডের অন্যতম সাক্ষী মো. মোরশেদুল আলম ওরফে কাইল্লা পলাশকে অর্থের বিনিময়ে সাক্ষ্যদানে বিরত থাকতে বলা হয়েছিল। এতে মোরশেদুল আলম প্রথমে রাজি হলেও পরে টিপুর চাপে সাক্ষ্য দেন। তবে রিজভী হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার আসামিদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে টিপুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে অংশ নেন মোরশেদুল। এই মোরশেদুলই টিপু হত্যা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ফারুক ও মুসাকে ফোনালাপের মাধ্যমে কয়েকজন আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাসীর সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেন। হত্যাকাণ্ডটি বাস্তবায়নে চূড়ান্ত সমন্বয়ের জন্য গত ১২ মার্চ দুবাই যান হত্যার নির্দেশদাতা সুমন শিকদার ওরফে মুসা।

র‌্যাব জানিয়েছে, টিপু হত্যার মধ্য দিয়ে রিজভী হত্যা মামলার মূল আসামিরা মামলাটিকে প্রভাবিত ও বাদীকে ভয় দেখানো যাবে বলে মনে করেন। সে অনুযায়ী টিপু হত্যার পরিকল্পনা এবং তা বাস্তবায়নে সন্ত্রাসী ও শুটার মুসাকে দায়িত্ব দেন রিজভী হত্যা মামলার আসামি বহিষ্কৃত আওয়ামী লীগ নেতা ওমর ফারুক। মুসা ও তার ভাই সালেহও রিজভী হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি।

নাছির উদ্দিন ওরফে কিলার নাছির সম্পর্কে জানতে চাইলে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, হত্যাকাণ্ডের দিন সকাল থেকে নাছির টিপুকে ফলো করছিলেন। ওইদিন সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সে নিয়মিত টিপুর আপডেট দুবাইতে থাকা মুসার কাছে দিচ্ছিলেন। রাত ১০টা ২৪ মিনিটে টিপুকে গুলি করার পর নাসির মোবাইলে মুসাকে জানায়, ‘ইট ইজ ডান’। টিপুকে গুলি করার পর শুটাররা মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। নাছিরও তড়িঘড়ি করে ঘটনাস্থলে নিজের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ফেলেই পালিয়ে যায়।

তিনি বলেন, টিপু হত্যার পর ওই রাতেই মুসার সঙ্গে শেষবার করে বলে বিক্রি করে দেওয়া নাছিরের নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধারের আগে একাধিকবার বিক্রি হয়ে হাত বদল হয়। নাছিরের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই সিমটি সিটি করপোরেশনের ময়লার ডাস্টবিন থেকে উদ্ধার করা হয়। একাধিকবার বিক্রি হওয়ায় মোবাইলটি উদ্ধারে একটু সময় লাগে।

উদ্ধার হওয়া নাছিরের সেই মোবাইল ফোনে কোনো আলামত পাওয়া গেছে কি না, জানতে চাইলে কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, নাছির বুঝতে পেরেছিল তার মোবাইলে তথ্য থেকে গেলে সেটিই হবে অন্যতম আলামত। এ কারণে তিনি মোবাইলটি একাধিকবার ফ্লাশ করে বিক্রি করে। তার মোবাইল ফরেনসিকের জন্য ল্যাবে পাঠানো হবে।

চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের পর ওইদিন রাতেই শাহজাহানপুর থানায় নিহত টিপুর স্ত্রী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) সংরক্ষিত কাউন্সিলর ফারহানা ইসলাম ডলি বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। এতে অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়।

টিপু-প্রীতি হত্যার ৪৮ ঘণ্টা পর গত ২৬ মার্চ গ্রেফতার হন মূল শুটার মো. মাসুম ওরফে আকাশ। গত ৫ এপ্রিল ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন গ্রেফতার মাসুম। আদালত সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বলছে, টিপুকে গুলি করে হত্যার কথা জবানবন্দিতে স্বীকার করেছেন শুটার মাসুম। 


টিপু হত্যা   টিপু-প্রীতি হত্যা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

‘ই-নিডজ’ ই-কমার্সের বিরুদ্ধে ২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

প্রকাশ: ০৯:৫৭ পিএম, ১০ এপ্রিল, ২০২২


Thumbnail ‘ই-নিডজ’ ই-কমার্সের বিরুদ্ধে ২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

‘ই-নিডজ’ নামের একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গ্রাহকের ২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সাতজনের বিরুদ্ধে রাজধানীর গুলশান থানায় গত ১ এপ্রিল মামলা করেছেন আবদুল্লাহ আল নোমান নামের এক গ্রাহক।

মামলায় ই-নিডজের চেয়ারম্যান ওয়াহিদ ইকবাল, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নাহিদ ইকবাল, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আবদুল কাইয়ুম, চেয়ারম্যানের স্বজন নওমী আশরাফ, সায়মা আফরিন, আইরিন পারভীন ও হোসেইন রাহী।

মামলায় বলা হয়েছে, গ্রাহকের টাকা ফেরত না দিয়ে ই-নিডজের চেয়ারম্যান ওয়াহিদ ও এমডি নাহিদ দেশ থেকে পালিয়েছেন। তাঁদের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ই-নিডজের অফিস তালাবদ্ধ রয়েছে।

জানতে চাইলে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, ই-নিডজ নামের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান, এমডিসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক গ্রাহক। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

গুলশান থানায় দায়ের হওয়া মামলার অভিযোগ অনুসারে, ই-নিডজ নামের প্রতিষ্ঠানটি গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গ্রাহকের প্রায় ২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।

মামলায় বাদী আবদুল্লাহ আল নোমান তিনিসহ আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী গ্রাহকের নাম উল্লেখ করেছেন। তাঁরা হলেন হাবিবুরের রহমান, ছাদিয়া আফরিন, রাশেদ খান, আবুল হাসান, মাহাবুবুর রহমান, সাদেক হোসেন, আবদুল আজিজ, ইমরান দেওয়ান, শাহাদাত হোসেন, নেয়ামুল হক, আবদুল হালিম, মশিউজ্জামান।

মামলার বাদী আবদুল্লাহ আল নোমান গণমাধ্যমকে বলেন, টাকা নিয়ে শতাধিক গ্রাহককে পণ্য না দিয়ে ই-নিডজের চেয়ারম্যান ওয়াহিদসহ অন্য আসামিরা টালবাহানা শুরু করেন। একপর্যায়ে তাঁরা সরাসরি ই-নিডজের অফিসে যান। তখন কোনো কোনো গ্রাহককে টাকা ফেরতের চেক দেওয়া হয়। চেক নগদায়নের তারিখ ছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু ব্যাংকে গিয়ে জানা যায়, ই-নিডজের ব্যাংক হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা নেই।

আবদুল বারেক নামের এক ব্যক্তি নিজেকে ভুক্তভোগী দাবি করে বলেন, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ই-নিডজের পণ্যের বিজ্ঞাপন দেখে পণ্য কিনতে উৎসাহী হন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে ৯ লাখ টাকা মূল্যের মোটরসাইকেল ও মুঠোফোন কেনার জন্য ক্রয়াদেশ দেন তিনি। টাকাও পরিশোধ করেন। তবে এখন পর্যন্ত তিনি কোনো পণ্য বুঝে পাননি।

আবদুল্লাহ আল নোমানের করা মামলার এক নম্বর আসামি ই-নিডজের সিইও আবদুল কাইয়ুম গণমাধ্যমকে বলেন, গত বছর ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সিইও মো. রাসেল গ্রেপ্তার হলে তিনি ই-নিডজ সম্পর্কে খোঁজ নেন। তাঁর কাছে প্রতিষ্ঠানটির কিছু অসংগতি ধরা পড়ে। এরপর তিনি এই প্রতিষ্ঠানের চাকরি ছেড়ে দেন। পরে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

আবদুল কাইয়ুম বলেন, গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার তথ্য তিনি জানেন না। ই-নিডজের মালিকদের সঙ্গে এখন আর কোনো যোগাযোগ নেই বলে দাবি করেন তিনি।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন