ইনসাইড পলিটিক্স

মানুষের ওপর যত অত্যাচার হয় ভোটাররা তত ঐক্যবদ্ধ হয়: তৈমুর

প্রকাশ: ০১:১৬ পিএম, ১৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

মানুষের ওপর যত অত্যাচার হয় ভোটাররা তত ঐক্যবদ্ধ হয়। লক্ষাধিক ভোটে পাশ করব। মরে গেলেও মাঠ ছাড়ব না। প্রশাসনকে বলব জনগণের সেবা করা আপনাদের দায়িত্ব। বহুবার রিকোয়েস্ট করেছি এখন বিবেকের কাছে ছেড়ে দিলাম। আগামীকালের ভোট যাই হোক আমরা মাঠে থাকবো। গ্রেফতার হলে হবো কিন্তু নির্বাচন চালিয়ে যাবো বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার। 

শনিবার (১৫ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তৈমুর আলম খন্দকার। 

তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, আমি প্রচার না সংবাদ সম্মেলন করছি। আমি ভোট চাইনি। আমার ঘরে আগুন লাগিয়ে দিলে আমি কী বলবো না। আমার লোকজন গ্রেফতার হচ্ছে আমার গলায় আপনি ফাঁসি লাগিয়ে দিবেন আমি কথা বলতে পারবো না সেটা তো হবে না। এটা নৈতিক দায়িত্ব। 

তিনি বলেন, আজকে আপনাদের সামনে হাজেরা বেগম উপস্থিত আছে। তার স্বামী মহানগর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক। তার স্বামীকে ঈদগাহের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বেশিরভাগই আমার দলের গুরুত্বপূর্ণ পদের নেতা এবং নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করছে। এমনকি সরকারি দলের সদস্যদেরও হুমকি ধমকি দেয়া হচ্ছে। পাঠানটুলি এলাকার একটা ছেলে আহসান। সেই এলাকায় আমার নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করেছিল। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমি এখনও তার খোঁজ পাইনি। 

তিনি আরও বলেন, এখানে অনেক লোক আছেন যারা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছেন। এদের মধ্যে এমন কোন লোক নেই যাদের বাড়িতে দুই থেকে তিনবার লোক যায়নি। প্রধানমন্ত্রীকে বলতে চাই আপনি আমাদের ওপর এত অত্যাচার করছেন কেন? প্রশাসনের এমন কাজে আপনার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পাপনও কাল এখানে ছিল। তাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। এভাবে আমার লোকদের গ্রেফতার করা হলে নির্বাচন কমিশন যে বলছে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে এটাই কী সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রক্রিয়া। 

তিনি বলেন, এখানে যারা আছেন তাদের জিজ্ঞেস করে দেখেন পুলিশ কীভাবে অত্যাচার করছে। একটি অডিও ভাইরাল হয়েছে। ভোটারদের নৌকায় ভোট দেয়ার জন্য প্রেশার দেয়া হচ্ছে। নয়ত তাদের ভোট দিয়ে দেয়া হবে না। 

এসপির বক্তব্যের প্রতিবাদে তিনি বলেন, আপনাদের মাধ্যমে যে কথা বলি এটাকি তার কর্ণগোচর হয় না? এসব সাফাইয়ের কোন ভিত্তি নাই। রবি কী মাদক ব্যবসায়ী, জামাল হোসেন কী হেফাজত। ১৯৫২ সালে যারা এদেশের আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালিয়েছিল তারা বাঙালি পুলিশই ছিল।

তৈমুর আলম খন্দকার   বিএনপি   নারায়ণগঞ্জ নির্বাচন   সেলিনা হায়াৎ আইভী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোতে টাকা ঢালছে তারেক-জামায়াত

প্রকাশ: ০৯:০০ পিএম, ২১ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সম্প্রতি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ ১১২টি আন্তর্জাতিক সংগঠন জাতিসংঘের শান্তি মিশনে র‍্যাবকে নিষিদ্ধ করার দাবি করেছে। এ নিয়ে তারা জাতিসংঘের কাছে একটি চিঠি দিয়েছে। শুধু চিঠি দিয়েই ক্ষান্ত হননি, তারা এই চিঠির বিবরণী তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে। এটি থেকে স্পষ্ট হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিসেবে পরিচিতি সংগঠনগুলো তাদের ম্যান্ডেট লঙ্ঘন করেছে। একটি দেশের বিরুদ্ধে তারা সুস্পষ্টভাবে অবস্থান গ্রহণ করেছেন। কারণ, যদি বাংলাদেশের এলিট ফোর্স র‍্যাবের বিরুদ্ধে সত্যি সত্যি কোন মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে তাহলে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ কিংবা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রথম দায়িত্ব ছিলো বাংলাদেশ সরকারকে এ সম্বন্ধে অবহিত করা, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে জানানো এবং এ ব্যাপারে যদি বাংলাদেশ সরকার বা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করতো, সেক্ষেত্রে তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করতো। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানগুলো একটি সুনির্দিষ্ট স্বার্থ হাসিলের জন্যই এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে বলে বিভিন্ন মহল মনে করছে।

শুধু তাই নয় অনুসন্ধানে দেখা গেছে, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এর মত মানবাধিকার সংগঠনগুলো ইউরোপিয়ান ইউনিয়নকেও এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছেও একই আবেদন দিয়েছে। তারা বলছে যে, জাতিসংঘকে যেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য চাপ প্রয়োগ করে যেন বাংলাদেশের কোন সদস্য শান্তি মিশনে না থাকে। এর থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, একটি রাজনৈতিক অভিপ্রায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই মানবাধিকার সংগঠনগুলো কাজ করছে। সাধারণত মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয় কোন ব্যক্তির দ্বারা, কোন প্রতিষ্ঠান দ্বারা না। র‍্যাবের যদি কোনো কর্মকর্তা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেন তার দায়-দায়িত্ব র‍্যাব হিসেবে পুরো প্রতিষ্ঠান বর্তায় না। কিংবা একটি বিশেষ ব্যক্তির অপরাধের কারণে পুরো একটি বাহিনীর ওপর কলঙ্ক লেপন কখনোই একটি ন্যায়বিচার নয়। আর এই কাজটি করেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিপুল পরিমাণ অনুদান দিচ্ছে তারেক জিয়া এবং জামায়াত। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সময় থেকেই বাংলাদেশবিরোধী অবস্থান গ্রহণ করে। সেইসময় যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হিউম্যান রাইটস ওয়াচকে ব্যবহার করে তাদের পক্ষে লবিং করার জন্য। সেই ধারায় সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, মীর কাসেমের মধ্যে স্বীকৃত ধনাঢ্য যুদ্ধাপরাধীরা মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার দিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচকে। এটি পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এই অর্থ দেয়ার কারণেই হিউম্যান রাইটস ওয়াচ সেই সময় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিপক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেছিল। শুধুমাত্র হিউম্যান রাইটস ওয়াচকে নয়, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালকেও তারেক এবং জামায়াতের ধনাঢ্যরা অর্থায়ন করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই সমস্ত অর্থায়নের কারণেই তারা বাংলাদেশের ব্যাপারে নেতিবাচক বিভিন্ন প্রতিবেদন রিপোর্ট প্রকাশ করছে।

একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, সমস্ত প্রতিবেদন এবং রিপোর্টগুলোকে তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে। এই রিপোর্ট গুলো কিভাবে তৈরি হবে এবং কিভাবে প্রকাশ করা হবে সে ব্যাপারে অর্থের লেনদেন হচ্ছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বে মানবাধিকার নিয়ে কাজ করছে। কিন্তু বিভিন্ন দেশে এই প্রতিষ্ঠানে সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক হয়েছে এবং এ কারণে তাদেরকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গতবছর ভারত অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের কার্যক্রমকে বন্ধ ঘোষণা করেছিল এবং ভারত সরকার তদন্ত করে পেয়েছিল যে, কিছু কিছু ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের দ্বারা আর্থিকভাবে লাভবান হয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ভারতের মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করেছে। একইরকম অভিযোগ করেছে রাশিয়া। চীন তো অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালকে কোন স্বীকৃতিই দেয় না। এরকম যখন অবস্থা তখন সুস্পষ্ট যে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহার করা হচ্ছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির এত খারাপ হয়নি যে একটি বাহিনীর সম্বন্ধে ঢালাওভাবে নেতিবাচক মন্তব্য করতে হবে, এর পিছনে রয়েছে সুগভীর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য।

তারেক জিয়া   ষড়যন্ত্র  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

সপরিবারে করোনামুক্ত হলেন মির্জা ফখরুল

প্রকাশ: ১২:৫৩ পিএম, ২১ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার বাসার সবাই করোনাভাইরাস থেকেবিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার বাসার সবাই করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত হয়েছেন। 

আজ শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান। 

শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে বলেন, বৃহস্পতিবার মির্জা ফখরুল ও তার পরিবারের সবার করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, মির্জা ফখরুলের শারীরিক অবস্থা কিছুটা দুর্বল। এ কারণে চিকিৎসকরা তাকে কিছু দিন বিশ্রামে থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন।
 
উল্লেখ্য, ১১ জানুয়ারি করোনা পরীক্ষার প্রতিবেদন পজিটিভ আসে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগমের। এর পর তার বাসায় অবস্থানরত কন্যা, ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রী এবং কাজের লোকসহ সবাই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন।

মির্জা ফখরুল   বিএনপি   করোনাভাইরাস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

'ধরা খাওয়া' সব বিএনপির হয় কেন?

প্রকাশ: ১০:০০ এএম, ২১ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বিগত বছরগুলোতে নেতিবাচক কাজের জন্য যতজন সমালোচিত হয়েছেন, তাদের অধিকাংশই অতীতে বিএনপির পদধারী নেতা-কর্মী ছিলেন। তা সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদ ফরিদ উদ্দিন আহমদ হোন, কিংবা সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান, এরা প্রত্যেকেই অতীতে বিএনপির একটিভ কর্মী ছিলেন এবং ক্ষমতা বদলের সাথে সাথে ক্ষমতাসীন দলে নাম লেখেন। সমাজে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে, এরকম প্রত্যেকটি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির অতীত ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, তারা একসময় বিএনপি করতেন। ক্ষমতার পালা বদলের সাথে সাথে দল বদল করে সমালোচিত হওয়া বিএনপি নেতাদের মধ্যে রয়েছেন-

ভিসি ফরিদ উদ্দিন আহমদ:  শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ভিসি এই মূহুর্তে দেশের সবচেয়ে হট টপিক। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনায় তাকে শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে শিক্ষার্থীরা। শাবিপ্রবির এই ভিসি বিএনপির শাসনামলে জিয়া চেয়ারের প্রস্তাব করেছিলেন এবং বিএনপি পন্থী সাদা দল করতেন। কিন্তু ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে আওয়ামী পন্থী নীল দলে যোগ দেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন হন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হন। ওনার বিরুদ্ধে আছে প্রশ্ন ফাসেঁর অভিযোগও। এত কিছুর পরেও তিনি বহাল তবিয়তে কিভাবে থাকেন, সেটি একটি বড় প্রশ্ন বটে। 

মুরাদ হাসান: বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য, এক সুপরিচিত চিত্রনায়িকাকে ধর্ষণের হুমকি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের সম্পর্কে কুরুচিকর মন্তব্য করার জেরে ইতোমধ্যে মন্ত্রিত্ব হারিয়েছেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান। বর্তমান সরকারের মন্ত্রী হলেও ১৯৯৬-৯৮ সেশনে ছাত্রদলের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ শাখার প্রচার সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। জানা যায়, মুরাদ হাসান ১৯৯৩ সাল থেকে ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ১৯৯৬ সালে যখন কলেজ শাখা কমিটি হয়, তখন তিনি প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ১৯৯৬ সালের শেষ দিকে বা ১৯৯৭ সালের শুরুতে মুরাদ হাসান ছাত্রলীগে যোগ দেন। ওইসময় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ছাত্রদলকে হোস্টেল ছাড়া করে ছাত্রলীগ। ছাত্রদলের এই কোণঠাসা পরিস্থিতিতে মুরাদ হাসান ছাত্রলীগে যোগ দেন। পরে তিনি মেডিকেল শাখার সভাপতি হন।

'রিজেন্ট' শাহেদ:  রিজেন্ট হাসপাতালে করোনা পরীক্ষা ও চিকিৎসার নামে জালিয়াতির অভিযোগে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের পর প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের বিষয়ে প্রতারণাসহ নানা তথ্য উঠে আসে। র‌্যাবের অভিযানের আগ পর্যন্ত তিনি টিভি টকশোতে নিজেকে আওয়ামী লীগের লোক বলে পরিচয় দিতেন। কিন্তু প্রতারণায় ধরা খাওয়ার পর দেখা যায় তিনি বিএনপি করতেন।

জিকে শামীম: ক্যাসিনো বাণিজ্যসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অর্থের পাহাড় বানানো জিকে শামীমের উত্থান ঘটে যুবদলের ওয়ার্ড পর্যায়ে রাজনীতির মাধ্যমে। মির্জা আব্বাসের ভাই মির্জা কালু ও মির্জা খোকনের ঘনিষ্ঠতা অর্জন করেন শামীম। তাদের হাত ধরে তিনি গণপূর্ত ভবনের ঠিকাদারি ব্যবসা শুরু ও পরে নিয়ন্ত্রক বনে যান। এক পর্যায়ে ঢাকা মহানগর যুবদলের সহ-সম্পাদকের পদ তিনি লাভ করেন।

খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া: জিকে শামীমের মতো ক্যাসিনো বাণিজ্যসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অর্থের পাহাড় বানানো খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াও একসময় যুবদল করতেন। কিন্তু ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ভিড়ে যান যুবলীগে। শুরু করেন যুবলীগের রাজনীতি। খুব দ্রুতই দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন তিনি। এরপর যুবলীগে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করতে খুব একটা সময় লাগে নি খালেদের।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপিতে আদর্শ ভিত্তিক রাজনীতি হয় না বলেই ক্ষমতার পালা বদলের সাথে সাথে কর্মীও নিজেকে নতুন আঙ্গিকে বদলে ফেলে এবং ক্ষমতাসীন দলের সাথে মিশে যায়। বিপরীতে ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় নেতার ব্যক্তিগত বলয় বৃদ্ধি করতে এসব বহিরাগতদের দলে অনুপ্রবেশ ঘটান। এসব অনুপ্রবেশকারীর কারণে দলের পোড় খাওয়া নেতারাও অনেক সময় দলে কোণঠাসা অবস্থায় থাকতে হয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিএনপি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

আজ সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

প্রকাশ: ০৯:১৮ এএম, ২১ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ (শুক্রবার)। সামরিক স্বৈরাচারবিরোধী ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের পটভূমিতে ১৯৮৪ সালের ২১ জানুয়ারি সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট আত্মপ্রকাশ করেছিল।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সংগঠনটি জোটবদ্ধ ও এককভাবে শিক্ষা ও গণতন্ত্রের সংগ্রামে আপসহীন সাহসী ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু সংগঠনের অভ্যন্তরে আদর্শিক ও সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্যের কারণে ছাত্র ফ্রন্ট এখন তিন ধারায় বিভক্ত।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নামে এখন তিনটি সংগঠন কাজ করছে। ছাত্র ফ্রন্ট (বাসদ), ছাত্র ফ্রন্ট (মার্ক্সবাদী) ও গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল। বাসদ ও মার্ক্সবাদীরা ২১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করলেও ছাত্র কাউন্সিল পালন করে ১৬ জানুয়ারি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পৃথক পৃথক শুভেচ্ছা বাণীও দিয়েছে সংগঠনগুলো। 

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট (বাসদ) সভাপতি আল কাদেরী জয় ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্স শুভেচ্ছা বাণীতে বলেন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের উত্তাল সময়ে সর্বজনীন, বিজ্ঞানভিত্তিক, সেক্যুলার, একই পদ্ধতির গণতান্ত্রিক শিক্ষার দাবিতে এই সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে পরবর্তীতে দেশের যেকোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। ছাত্রসমাজকে উদ্বুদ্ধ করেছে সমাজ পরিবর্তনের লড়াইয়ে সামিল হওয়ার জন্য। পুঁজিবাদী শোষণমূলক ব্যবস্থায় জনগণের শিক্ষা, চিকিৎসা, খাদ্যের অধিকার মুনাফার কাছে বন্দি। এই বন্দিদশা পুরো বিশ্বব্যাপী স্পষ্ট হয়ে উঠেছে করোনা মহামারিকালে।

তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সম্পূর্ণ বিপরীতে গিয়ে দেশে শিক্ষা চলছে বাণিজ্যিক ধারায়, সাম্প্রদায়িক ধ্যান ধারণার ভিত্তিতে। একমুখী শিক্ষার বদলে শিক্ষা আজ বিভক্ত ১১ ধারায়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই। আজকে মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে হলে এই ব্যবস্থা বদলানোর সংগ্রামে সামিল হওয়া ছাড়া আর কোনো রাস্তা নেই। ছাত্র-তরুণ সমাজ বাংলাদেশের ইতিহাসে সবসময়ই সেই সংগ্রামের অগ্রভাগে ছিল, ভবিষ্যতেও তাকে সেই ভূমিকা নিতে হবে।

এদিকে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট (মার্ক্সবাদী) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জয়দেব ভট্টাচার্য ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ শাহরিয়ার শুভেচ্ছা বাণীতে বলেন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অগ্নিগর্ভে ১৯৮৪ সালের ২১ জানুয়ারি জন্ম নেয় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-শিবদাস ঘোষের চিন্তাকে ভিত্তি করে এই দীর্ঘ যাত্রায় শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ, সাম্প্রদায়িকীকরণ বিরোধী ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ সংগঠনের মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে। সংগঠনের এই গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা তৈরিতে সংগঠন কৃতজ্ঞতায়-শ্রদ্ধায় স্মরণ করছে সেই সকল কর্মীদের, স্মরণ করছে অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী-শুভানুধ্যায়ী ও দরদীদের। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে অনায়াস প্রচেষ্টায় আজকের সংগঠন।

তারা বলেন, সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বর্তমানে আওয়ামী সরকারের ফ্যাসিবাদী দুঃশাসন, শিক্ষা ও ছাত্র অধিকার বিরোধী নানান অন্যায় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এবং মনুষ্যত্ব, মানবিকতা-মূল্যবোধ ধ্বংসের বিপরীতে সচেতন লড়াই করছে। সর্বজনীন বৈষম্যহীন বিজ্ঞানভিত্তিক সেক্যুলার একই ধারার গণতান্ত্রিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চলমান লড়াইয়ে আপনাদের আন্তরিক পরামর্শ ও সহযোগিতা আমাদের পাথেয়।

কর্মসূচি

২১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সারা দেশে যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে নানা কর্মসূচি পালন করবে সংগঠনটি। কেন্দ্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ২৩ জানুয়ারি বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলায় ছাত্র সমাবেশ করবে মার্ক্সবাদী ছাত্র ফ্রন্ট ও ২৬ জানুয়ারি একই সময়ে অপরাজেয় বাংলায় ছাত্র সমাবেশ করবে বাসদ ছাত্র ফ্রন্ট।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

মুরাদের কি হবে?

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ২০ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

জাতীয় সংসদে এখন শীতকালীন অধিবেশন চলছে। বছরের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দিয়েছেন, এখন রাষ্ট্রপতি ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবে আলোচনা চলছে। করোনা সংক্রমণের কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলছে এবং যে সমস্ত সংসদ সদস্যরা সংসদ অধিবেশনে যোগ দিচ্ছেন, তারা করোনা পরীক্ষা করেই অধিবেশনে যোগদান করছেন। সীমিত আকারে এই সংসদ অধিবেশনে পালাক্রমে সংসদ সদস্যরা অংশগ্রহণ করছেন। কিন্তু এই সংসদে এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের বহুল আলোচিত সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর ডা. মুরাদ হাসান যোগদান করেননি। একটি বিতর্কিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করে পদত্যাগে বাধ্য হন ডা. মুরাদ হাসান। মুরাদ হাসানের কিছু বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদককে বার্তা দেন যেন তিনি ডা. মুরাদ হাসানকে পদত্যাগ করতে বলেন। এর পরপরই মুরাদ হাসান পদত্যাগপত্র দেন। ভুলে ভরা এই পদত্যাগপত্র পরবর্তীতে সংশোধন করে জমা দেওয়া হয়। পদত্যাগের পর মুরাদ হাসান কানাডা চলে যাওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। কিন্তু ভুল ভিসায় কানাডা যাওয়ার কারণে তাকে কানাডায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

জানা যায় যে, তিনি যখন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন তখন তাকে একটি অফিশিয়াল ভিসা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই ভিসায় তিনি সরকারি কাজ ছাড়া কানাডা যেতে পারেন না। এজন্যই কানাডায় ইমিগ্রেশন ডা. মুরাদ হাসানকে ফেরত পাঠান। এখান থেকে মুরাদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে প্রবেশ করতে চেয়েছিল কিন্তু সেখানেও তাকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশে ফেরেন। কিন্তু মুরাদ যেন শান্ত থাকার কোনো মানুষই নন। এই সময় তিনি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং তার স্ত্রী নারী নির্যাতনের অভিযোগে ৯৯৯-এ ফোন করে অভিযোগ করেন। এরপর তার অস্ত্রগুলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জমা নেয়। এখন মুরাদ আপাতত শান্ত আছেন। এদিকে মুরাদের এই পদত্যাগের পরপরই তার নির্বাচনী এলাকা থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তার জেলা জামালপুর থেকে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অব্যাহত দেয়া হয়।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি যে দল থেকে নির্বাচিত হবেন সেই দলে যদি তিনি সদস্য না থাকেন বা সেই দলের বিরুদ্ধে যদি ভোট দেন তাহলে তার সদস্যপদ চলে যাবে। সেই বিবেচনায় ডা. মুরাদ হাসানের ভাগ্যে কি হবে, সেটি এখন পর্যন্ত অনিশ্চিত। কারণ, মুরাদ হাসানকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ থেকে যে অব্যাহতি দিয়েছে সেই স্থানীয় আওয়ামী লীগের অব্যাহতি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে এখন পর্যন্ত অনুমোদিত হয়নি। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি যদি এটি অনুমোদন করে তাহলেই একমাত্র মুরাদ হাসানের সংসদ সদস্যটি বাতিলের প্রশ্ন আসবে। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে যে, মুরাদ হাসানের ব্যাপারে সরকার এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ বলা হচ্ছে যে, কোনো নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়ে কোন ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি উক্ত দল থেকে পদত্যাগ করেন। এখানে আইনের একটি ফাঁক আছে বলে আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে। তারা বলছেন যে, মুরাদ হাসানকে যদি দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় তাহলেই তার সদস্যপদ বাতিল হবে কিনা নাকি তিনি পদত্যাগ করলে বাতিল হবে, এ নিয়ে একটি বিতর্ক আছে। এটি এখনও নিরীক্ষাধীন।

তবে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, তিনি পদত্যাগ করা বা দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়া একই বিষয়। কিন্তু আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন যে, মুরাদকে যে স্থানীয় আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে তা কেন্দ্রীয় কমিটিতে এখন পর্যন্ত অনুমোদিত হয়নি। কেন্দ্রীয় কমিটিতে অনুমোদিত না হওয়া পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত হন। আর অব্যাহতিপ্রাপ্ত না হলে তার সদস্যপদও বাতিল হওয়া সম্ভব না। এখন মুরাদের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ কি সিদ্ধান্ত নিবে সেটা দেখার অপেক্ষা। তবে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সূত্রগুলো বলছে যে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে নিশ্চয়ই এই সুপারিশ আসবে, সেই সুপারিশগুলো তখন তারা বিবেচনা করবেন এবং এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগ   ডা. মুরাদ হাসান  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন