ইনসাইড পলিটিক্স

সরকার নিজেদের অনুগত লোক দিয়েই ইসি গঠন করবে: রিজভী

প্রকাশ: ০১:০৬ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail সরকার নিজেদের অনুগত লোক দিয়েই ইসি গঠন করবে: রিজভী

ভদ্র-সাহসী কোনো লোক নয় সরকার তাদের অনুগত লোক দিয়েই নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন করবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

আজ সোমবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে বনানী কবরস্থানে আরাফাত রহমান কোকোর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া মোনাজাতের পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, আমি আগেও বলেছি আওয়ামী লীগ চায় একদলীয় শাসন। আর বিএনপি চায় বহুদলীয় গণতন্ত্র। সেজন্য আমাদের বক্তব্য আর তাদের বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য থাকবে। এখন যে সংসদ আছে সেটা একদলীয় সংসদ, নব্য বাকশালী সংসদ। ওখানে যে আইন হবে সেটা প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে। আমি গতকালও বলেছি সার্চ কমিটির যে খসড়া উপস্থাপন করা হয়েছে এটা প্রধানমন্ত্রী যেভাবে চাইবেন, মুজিবকোর্ট পরা মানুষগুলোকেই সার্চ কমিটিতে নেওয়া হবে এবং উনারা সার্চ করে যে ব্যক্তিদেরকে দিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন করবেন তারাও সেই মুজিবকোর্ট পরা মানুষই হবে। সুতরাং এটা একেবারেই একতরফা।

তিনি বলেন, যেভাবে হুদা কমিশন, রকিব কমিশন করা হয়েছিল, ওই রকম আর একটি কমিশন তারা করছেন। এটা একটা ড্রেস রিহার্সাল। আইন যেটা করার কথা বলছেন সেটা ১৯৭২ সালের সংবিধানে নির্দেশনা আছে। কিন্তু কোন সংসদে, যে সংসদে জনগণের প্রতিনিধিত্ব নেই। জনগণের অংশগ্রহণ নেই। জনগণ এখানে প্রশ্ন করতে পারে না। সেই সংসদে যে আইন হবে সে আইনতো বাকশালী আইন হবে। একটা অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য যে নির্বাচন কমিশন গঠন দরকার সেটি এই আইনের মাধ্যমে হবে না। এটা শেখ হাসিনার ইচ্ছার প্রতিফলন হবে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, যুবদল নেতা শফিকুল ইসলাম মিল্টন ও এসএম জাহাঙ্গীর আলম।

রিজভী   বিএনপি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

জাতীয় সরকারের দাবির পিছনে ওয়ান-ইলেভেনের অপচ্ছায়া

প্রকাশ: ০৭:০০ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail জাতীয় সরকারের দাবির পিছনে ওয়ান-ইলেভেনের অপচ্ছায়া

জাতীয় সরকারের দাবি নিয়ে বেশকিছুদিন ধরে মাঠে নেমেছেন গণস্বাস্থ্যের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি প্রথমে জাতীয় সরকারের বিষয়টি ইনিয়ে-বিনিয়ে বলেছিলেন কিন্তু এখন তিনি খোলাসা করেই সুনির্দিষ্ট ফর্মুলা দিয়ে জাতীয় সরকারের দাবি তুলছেন। যদিও তার জাতীয় সরকারের এই দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে দেশের প্রধান দুইটি রাজনৈতিক দলই। আওয়ামী লীগ এটিকে উদ্ভট এবং হাস্যকর হিসেবে বর্ণনা করেছে। অন্যদিকে বিএনপি বলেছে এটি অগ্রহণযোগ্য এবং ষড়যন্ত্রমূলক। প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল জাতীয় সরকারের সমালোচনা করলেও রাজনীতিতে জাতীয় সরকারের বিষয়টি কেউ উপেক্ষা করতে পারছে। কারণ এর পিছনে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট রয়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন।

গত কিছুদিন ধরেই একদিকে জাতীয় সরকারের দাবি তুলছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। অন্যদিকে কয়েকজন ব্যক্তি সুপরিকল্পিতভাবে অর্থনৈতিক দুরবস্থার কথা বলছেন এবং সরকারকে নানাভাবে আক্রমণের চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে একটি মহল আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিষেদাগার অব্যাহত রেখেছেন। এর ফলে সুস্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে যে, একটি অগণতান্ত্রিক শক্তি আস্তে আস্তে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইছে। সেই অগণতান্ত্রিক শক্তির ছাতা হিসেবে জাতীয় সরকারের দাবিটি সামনে এসেছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল মনে করছেন। এই জাতীয় সরকার দাবির পেছনে ওয়ান ইলেভেন ষড়যন্ত্রের কথাও কোনো কোনো মহল মনে করছে। ওয়ান ইলেভেনের সময় আওয়ামী লীগ-বিএনপির বাইরে একটি তৃতীয় ধারা তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল এবং সেই সময় দেশের শীর্ষ দুইটি গণমাধ্যম তৎকালীন সরকার এবং বিরোধী দলের সমালোচনা করে জনগণের মধ্যে একটি বিরাজনীতিকরণ প্রেক্ষাপট তৈরির চেষ্টা করেছিল। সেই ধারায় ওয়ান ইলেভেন আসে এবং একটি অনির্বাচিত সরকার প্রায় দু'বছর দেশ পরিচালনা করে।

ওয়ান-ইলেভেন আসার পেছনে যারা কুশীলব ছিল সেই কুশীলবরা এখন আবার ইনিয়ে-বিনিয়ে সরকারের অযোগ্যতা, ব্যর্থতা এবং ক্ষতগুলো দেখানোর চেষ্টা করছে। জাফরুল্লাহ যখন জাতীয় সরকারের দাবি উত্থাপন করেছেন তখন দেশের প্রধান শীর্ষ দুটি দৈনিক বিভিন্ন বিষয়ে সরকারের সমালোচনায় সরব হয়েছে। এর মধ্যে একটি দৈনিক প্রতিদিন বিভিন্ন দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধি খবর ছেপে দ্রব্যমূল্যের পরিস্থিতিকে আরও উসকে দিতে চাইছে। দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে দেওয়ার মহান দায়িত্ব যেন এই পত্রিকাটি নিয়েছে। অন্যদিকে কিছু কিছু সংগঠন হঠাৎ করেই মার্কিন প্রেমিক হয়ে উঠেছেন। তারা বাংলাদেশের মানবাধিকার, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে সরব এবং সোচ্চার হচ্ছেন। স্পষ্টতই তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টায় ব্যস্ত। আবার ঠিক এই সময় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের মধ্যে ব্যক্তিরা সরব হয়েছেন। একটু খতিয়ে দেখলেই বোঝা যায় যে, বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে যারা এ ধরনের কথাবার্তা বলছেন তারা সকলেই আসলে ওয়ান-ইলেভেনের সঙ্গে জড়িত। আর এই চক্রান্তের একটি আবরণ দেওয়ার জন্যই জাতীয় সরকারের দাবি উত্থাপন করা হচ্ছে কিনা, সেটি হলো দেখার বিষয়।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

জিয়া বললেন ইমপসিবল

প্রকাশ: ০৫:০০ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail জিয়া বললেন ইমপসিবল

আজ ১৭ মে। ১৯৮১ সালের এই দিনে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেছিলেন শেখ হাসিনা। কিন্তু শেখ হাসিনার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন অত্যন্ত সহজ সরল একটি বিষয় ছিল না। নানা প্রতিকূলতা এবং প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে তাকে দেশে ফিরতে হয়েছিল এবং তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে সবচেয়ে বড় বাধা ছিলেন তৎকালীন সামরিক স্বৈরাচারী জিয়াউর রহমান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যা করে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি। এই হত্যাকাণ্ডে যারা কুশীলব ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন জিয়া। জিয়া নেপথ্যে থেকে বঙ্গবন্ধু হত্যার সব কলকাঠি নেড়েছিলেন এবং এই হত্যাকাণ্ডের পর তিনি সেনাপ্রধান হয়েছিলেন, পর্যায়ক্রমে তিনি স্বঘোষিতভাবে রাষ্ট্রপতি হন।

জিয়াউর রহমানের প্রধান লক্ষ্য ছিল যে, বঙ্গবন্ধুর নাম-নিশানা বাংলাদেশ থেকে মুছে ফেলা এবং কিছুতেই যেন বঙ্গবন্ধুর উত্তরসূরীরা রাজনীতিতে না আসতে পারেন তার ব্যবস্থা করা। জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসেই ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনকে সিলগালা করেছিলেন এবং বঙ্গবন্ধুর জীবিত দুই কন্যা শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা যেন দেশে ফিরছেন না পারেন সেজন্য তৎপর হয়েছিলেন। কিন্তু এসব তৎপরতা স্বত্বেও ১৯৮১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আওয়ামী লীগ তার কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ হাসিনাকে দলের সভাপতি হিসেবে মনোনীত করেন। এই সভাপতি হওয়ার ঘটনায় জিয়াউর রহমান ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছিলেন। একটি মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকের বরাত দিয়ে সে সময়ে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় প্রতিবেদন লিখেছিল যে, জিয়া এই শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সভাপতি হওয়া অসাংবিধানিক কিনা এবং আইনের লংঘন কিনা কিংবা বিদেশ থেকে কেউ অন্যকোনো রাজনৈতিক দলের সভাপতি হতে পারে কিনা এই প্রশ্নগুলো উত্থাপন করেছিলেন। এ নিয়ে এর আইনগত দিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি সাত্তারকে। বিচারপতি সাত্তারের নেতৃত্বে এ ব্যাপারে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। যখন দেখা যায় যে, আইনগতভাবে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সভাপতি হওয়া বৈধ তখন শেখ হাসিনা যেন দেশে না ফিরতে পারেন সেজন্য সব চেষ্টাই করেছিলেন।

প্রথমত, জিয়াউর রহমান ভারতের কাছে ধর্ণা দিয়েছিলেন যেন শেখ হাসিনা ভারত থেকে দেশে না ফেরে। কিন্তু ভারত সরকার তার প্রস্তাবকে পাত্তা দেয়নি। এরপর তিনি শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই যেন তাকে হত্যা করা হয়, এমন পরিকল্পনাও করেছিলেন এবং এই পরিকল্পনার কথাটি আওয়ামী লীগের অনেক নেতারাই জানতেন। আর এ কারণেই তারা শেখ হাসিনার জীবন নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল। তারা মনে করতেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলেই হয়তো জিয়াউর রহমান তাকে মেরে ফেলবেন। কারণ ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য জিয়াউর রহমান কয়েক সহস্ত্র মানুষকে হত্যা করেছেন। যখন কোনো বাধাতেই শেখ হাসিনা ভয় পেলেন না এবং ১৭ মে দেশে ফেরার দিন নির্ধারণ করলেন তখন শেখ হাসিনাকে ইমিগ্রেশনে আটকানো কিংবা তাকে বিমানে না উঠনো ইত্যাদি চেষ্টাও করেছিলেন জিয়াউর রহমান। কিন্তু সর্বশেষ যখন শেখ হাসিনা তার অটল অবস্থান ব্যক্ত করেন এবং  প্রাণ চলে গেলেও দেশে ফেরার ব্যাপারে অনড় থাকেন তখন বাধ্য হয়ে জিয়া তার অবস্থান থেকে সরে আসতে। ১৭ মে শেখ হাসিনা যখন স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন তখন লাখো জনতার উত্তাল স্রোত ঢাকা শহর সয়লাব করে দেয়। এই তথ্যটি যখন জিয়াউর রহমান পান তিনি বলে ওঠেন ইমপসিবল।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

হাওরে বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতিতে জড়িতদের শাস্তি দাবি বিএনপির

প্রকাশ: ০২:২৯ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail হাওরে বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতিতে জড়িতদের শাস্তি দাবি বিএনপির

হাওর এলাকাগুলোতে বাঁধ নির্মাণে সরকারের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতি ও লুটপাটের অভিযোগ এনে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। আওয়ামী লীগের নেতা-মন্ত্রী-এমপি, সরকারি কর্মকর্তা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই টাকা হরিলুট করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৭মে) বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ কৃষকদলের একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি সুনামগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত হাওড়াঞ্চল সরেজমিনে পরিদর্শন ও কৃষকদের দুর্দশার চিত্র দেখে এসেছেন। তারা একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। যা থেকে জানা যায়, চলতি বছরে সুনামগঞ্জ জেলায় বাঁধ নির্মাণে সরকারি বরাদ্দ ছিল ১২২ কোটি এবং গত ৫ বছরে এই টাকার পরিমাণ ছিল ৬২১ কোটি টাকা। যা বাঁধ রক্ষায় তেমন কোনো কাজে আসেনি। বরং এই বরাদ্দকৃত টাকা ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাট হয়েছে। আওয়ামী লীগের নেতা-মন্ত্রী-এমপি, সরকারি কর্মকর্তা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই টাকা হরিলুট করেছেন। যে সমস্ত বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে তা এতই দুর্বল যে, মাত্র ২৪ ঘণ্টার পানির চাপ সামলাতে পারেনি।

সরকারি দুর্নীতিরোধ, হাওড়ের কৃষকদের দুর্দশা লাঘব ও শস্য নিরাপত্তা রক্ষায় কৃষক দলের কতিপয় সুপারিশ তুলে মির্জা ফখরুল বলেন, হাওড় রক্ষা বাঁধ নির্মাণে সীমাহীন দুর্নীতি ও লুটপাট বন্ধ করতে হবে। এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

বছর বছর বাঁধ নির্মাণ না করে সিমেন্ট ও বালু দিয়ে তৈরি ব্লক ফেলে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিনা সুদে বিশেষ ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে। ঋণগ্রস্ত কৃষকের ঋণের সুদ মওকুফ এবং স্বাভাবিক অবস্থা না ফেরা পর্যন্ত ঋণের কিস্তি নেওয়া বন্ধ করতে হবে। হাওড় অঞ্চলে শস্য বিমা চালু করতে হবে। হাওড় অঞ্চলের কৃষকের আর্থ-সামাজিক অবস্থা পরিবর্তনের জন্য গণমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ডাকসুর সাবেক ভিপি আমান উল্লাহ আমান, বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, নাজিম উদ্দিন আলম, মীর সরাফত আলী সপু, কৃষক দলের হাসান জাফির তুহিন, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, সহসভাপতি ভিপি ইব্রাহিম ও জামাল উদ্দিন খান মিলন।


বাঁধ   নির্মাণে   দুর্নীতিতে   জড়িতদের   শাস্তি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

হাসপাতালে ভর্তি মির্জা আব্বাস

প্রকাশ: ০১:২৫ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail হাসপাতালে ভর্তি মির্জা আব্বাস

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও ঢাকার সাবেক মেয়র মির্জা আব্বাস অসুস্থ হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, মির্জা আব্বাস দুদিন যাবৎ পেটের পীড়ায় ভুগছেন। সকালে তাকে শ্যামলী স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পরিবারের পক্ষ থেকে তার সুস্থতার জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে।


হাসপাতালে   ভর্তি   মির্জা   আব্বাস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

নিজেদের মধ্যে সন্দেহ বাড়ছে বিএনপিতে

প্রকাশ: ১২:০০ পিএম, ১৭ মে, ২০২২


Thumbnail নিজেদের মধ্যে সন্দেহ বাড়ছে বিএনপিতে

এক যুগেরও কিছু বেশি সময় ধরে রাষ্ট্র ক্ষমতার বাইরে বিএনপি। ক্ষমতায় আসতে নানা রকম ছলচাতুরির চেষ্টা আর সহিংসতার পথ অবলম্বন করায় মামলা ও গ্রেফতারে নেতাকর্মীদের নাজেহাল অবস্থা। বলা যায় জনগণ থেকে একঘরে হয়ে রয়েছে বিএনপি। হাজার বেড়াজালে দলটি এখন ভঙ্গুর প্রায়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফল বিপর্যয়ের পর আরও চাপে পড়েছে দলটি। সবমিলিয়ে এখন কঠিন সংকটের সম্মুখীন দলটি। এ অবস্থায় বর্তমান সংকট কাটিয়ে নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করে আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে বিএনপি। কিন্তু ঘুরে দাঁড়াতে গিয়ে নিজের উপর আস্থার সংকটে ভুগছে দলটির নেতাকর্মীরা। নিজেদের উপর আস্থার সংকট এবং সন্দেহ নিয়ে রোববার (১৫ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বাংলাদেশ লেবার পার্টি আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, অনেকেই ঝরে যাবে। অনেকেই দালালি করবে, অনেকেই ষড়যন্ত্রের শিকার হবে। আবার অনেকেই লোভে পড়বে।

বিএনপির নেতারা বলছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্ট গঠন করা হলে ২০ দলীয় জোট ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিয়েছিল এবং নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। কিন্তু যে প্রত্যাশা নিয়ে ২০ দলীয় জোট ওই ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিয়েছিল সে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি বরং তারা ষড়ষন্ত্রের মধ্যে পড়েছিল বলে দলের অধিকাংশ নেতা মনে করেন। তাদের অনেকের মতে, ড. কামাল হোসেন সে সময় সরকারের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছে। আর সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ড. কামালের এজেন্ডা বাস্তবায়নে বিএনপির শীর্ষ স্থানীয় কিছু নেতার ব্যক্তি স্বার্থে বিএনপি ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিয়েছিল। যা দলটির জন্য সমীচীন হয়নি বলে মনে করেন দলের একাংশের নেতাকর্মীরা। এই নিয়ে বিএনপিতে মেরুকরণও তৈরি হয়েছে। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে এবারও বিভিন্ন জোট গঠনের কথা ভাবছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। ফলে এবারও হয়তো স্বার্থন্বেষী কিছু নেতা আগের পথে পা বাড়াবে বলে শঙ্কা করছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এই নিয়ে দলের বেশ কয়েকজন নেতার প্রতি সন্দেহ-অবিশ্বাস বাড়ছে বিএনপিতে। বিএনপি সংশ্লিষ্টরা বলছে, যাঁদের সন্দেহ করা হচ্ছে তাঁদের মধ্যে বিএনপির সাবেক একাধিক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী আছেন। এমনকি স্থায়ীদের কমিটির একাধিক নেতার নামও এই তালিকায় রয়েছে বলে গুঞ্জন উঠেছে। শুধু বিএনপিতে নয়, ২০ দলীয় জোটের একাধিক শরিকও রয়েছে এই সন্দেহের তালিকায়।

বিশ্লেষকদের মতে, ভুল রাজনীতির কারণে বিএনপি এখন ‘চোরাগলিতে’আটকে গেছে। দলের ভেতর বিভিন্ন ধরনের সংকটে টালমাটাল দলটি। সাংগঠনিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানো চেষ্টা করলেও সুবিধা করতে পারছে না দলটি বরং আরও কঠিন হয়ে পড়ছে। এদিকে অসুস্থ হলেও এখনও বিএনপির কাণ্ডারি খালেদা জিয়া। কিন্তু নানা কারণে দলের নেতাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ হচ্ছে না। আবার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া লন্ডনে বসে স্বেচ্ছাচারীভাবে দল পরিচালনা করছেন। যাকে মন চাইছেন বহিষ্কার করছেন আবার যাকে মন চাইছেন শোকজ করছেন। ফলে নিজ দলে কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন দলের অধিকাংশ নেতাকর্মীরা। এমন পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে সরকারের সঙ্গে আঁতাত বা তৃতীয় শক্তির উত্থান তৎপরতায় নেতারা জড়িত হবেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


সন্দেহ   বাড়ছে   বিএনপিতে  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন