ইনসাইড পলিটিক্স

আওয়ামী লীগের মূল শক্তি জনগণ ও সংগঠন: হানিফ

প্রকাশ: ০৯:৩১ পিএম, ২৪ মে, ২০২২


Thumbnail আওয়ামী লীগের মূল শক্তি জনগণ ও সংগঠন: হানিফ

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, আওয়ামী লীগের শক্তি ক্ষমতা নয়, আমাদের মূল শক্তি জনগণ ও সংগঠন। এই দু’টির কোনো একটিও যদি আমাদের ক্ষতি হয় বা ভাটা পড়ে তাহলে আমাদের বিপর্যয় নেমে আসবে। যদি সংগঠন দুর্বলতা হয়, তাহলে আওয়ামী লীগের বিপর্যয় নেমে আসবে। আবার যদি জনগণের সমর্থনের বিপর্যয় হয় তাহলে দলের বড় ক্ষতি হবে।

মঙ্গলবার (২৪ মে) রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হানিফ বলেন, এ কারণে আওয়ামী লীগে নেতা-কর্মীদের মাথায় রাখতে হবে, আমাদের মূল শক্তি এদেশের জনগণ। জনগণের আস্থা ও সংগঠন যদি আমরা শক্তিশালী করতে পারি তাহলে আওয়ামী লীগকে কেউ কখনও পরাজিত করতে পারবে না। সে শক্তি বাংলাদেশে নাই। টানা ১২ বছরের বেশি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ। এই সময় দেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির মাধ্যমে দেশকে আমরা অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছি।

বিএনপি নেতাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিএনপি সারাক্ষণ বলে বাংলাদেশ নাকি শ্রীলঙ্কা হবে? তারা এসব বলে কারণ তারা বাংলাদেশের উন্নয়ন চায় না। তারা সব সময় প্রার্থনা করে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার মতো ধংস হয়ে যাক। তাদের প্রভু পাকিস্তান। পাকিস্তানের অর্থনীতি ধীরে ধীরে অধঃপতনের দিকে চলে যাচ্ছে। বাংলাদেশ পাকিস্তানের সকল দিক থেকে এগিয়ে আছে এটা বিএনপির পছন্দ হয় না। বিএনপি নেতারা আজ কাল মাঠে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে বাংলাদেশকে তুলনা করে বক্তব্য দিচ্ছেন।

শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি আর বাংলাদেশের অর্থনীতি এক নয় উল্লেখ করে হানিফ বলেন, শ্রীলঙ্কার ভিত্তি ছিল দু’টি। পর্যটন আর কৃষি। বিগত দুই বছর বিশ্ব করোনা মহামারিতে বিপর্যস্থ ছিল। এই সময় সারাবিশ্বের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। এতো পর্যটন খাতে ধস নামে। আর এতে করে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কা বিদায়ী সরকার হঠাৎ করে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তারা অর্গনিক ফুড উৎপাদন করবে। এতে দেখা গেছে, এক বিঘা জমিতে যেখানে ২০ মণ ধান হতো সেখানে সার না দেয়ার কারণে ৪ থেকে ৫ মণ ধান হয়েছে। এই যে খাদ্য ঘটাতি হয়েছে। এসব কারণে বিদেশ থেকে খাদ্য আমদানি করতে হয়েছে। আর খাদ্য আমদানিও অনেক ব্যয়বহুল। এই দুটি কারণে তাদের অর্থনীতি বিরাট ধস নেমে যায়।

হানিফ বলেন, বাংলাদেশে অর্থনীতি মূল ভিত্তি হলো কৃষি, গার্মেন্টস ও ফরেন রেমিটেন্স। এই করোনার সময়েও আমার আমাদের কৃষি খাত সচল রাখতে সক্ষম হয়েছিলাম। আমাদের কৃষকরা দুর্যোগের সময়েও সার পেয়েছে, কীটনাশক পেয়েছে তাদের ফসল উৎপাদন হয়েছে। এমনকি দুর্যোগের সময়ে যখন কৃষকরা ধান কাটতে পারছে না তখন আমাদের নেতা-কর্মীরা তাদের ধান কেটে দিছে। যার কারণে আমাদের যে খাদ্য ঘাটতি হওয়ার শঙ্কা ছিলো সেটা কিন্ত হয়নি।

আওয়ামী লীগের এ সিনিয়র নেতা বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যখন আমরা ২০০৯ সালে সরকার গঠন করেছিলাম তখন ৪০ লাখ মেট্রিকটন খাদ্য ঘাটতি ছিলো। আমরা সাড়ে ৩ বছরের মধ্যেই কিন্ত খাদ্য ঘাটতি পূরণ করতে সক্ষম হয়েছিলাম। পোশাক শিল্প আমাদের মূল রফতানির আয়ের জায়গা। প্রায় ৪৫ মিলিয়ন ডলার আমরা এক্সপোর্ট করি। করোনাকালীন সময় পুরো বিশ্বে শিল্প খাতে একটা বড় ধাক্কা লাগে। আমরাও ভাবছিলাম গার্মেন্টস খাতে বড় ধাক্কা লাগে কি-না। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আল্লাহর রহমতে আছে। কারণ তিনি মনে প্রাণে এই দেশটাকে ভালোবাসেন। সকাল থেকে সারাদিন এই দেশের উন্নয়নের জন্য জনগণের জন্য অনেক কাজ করেন বলে আল্লাহ তাকে অনেক সহায়তা করেন। আমরা পোশাক শিল্প খাতে আমাদের ধাক্কাটা তেমন লাগেনি। যে ধাক্কাটা লেগেছিলো তা আমরা এই এক বছরে পুষিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছি। এখনো আমাদের গার্মেন্টস শিল্প খাত অনেক চাঙ্গা। এই খাতে আমাদের কোনো সমস্যা নাই।

তিনি বলেন, ফরেন রেমিটেন্সে আমাদের কিছুটা ঘাটতি দেখা দিযেছিল। কারণ করোনার সময় মধ্যপ্রাচ্যেসহ অনেক দেশেই কর্মচারী ছাঁটাই করেছে। অনেকে শঙ্কা করেছিল রেমিটেন্স বোধ হয় আমাদের একটা বড় ধাক্কা আসবে। আল্লাহর রহমতে এই রেমিটেন্স ধাক্কাটা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছি। আমরা রেমিটেন্স নিয়ে মোটামোটি একটা সন্তোষজনক অবস্থায় আছি। এই তিনটা খাতে প্রমাণিত বাংলাদেশে অর্থনীতিক খাতে মন্দা বা শঙ্কা হওয়ার মতো কোনো কিছু নেই। বাংলাদেশ কখনো শ্রীলঙ্কা হবে না। বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যথেষ্ট শক্তিশালী সেটা প্রমাণিত হয়েছে।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি। সম্মেলনে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. সিরাজুল মোস্তফা, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক বেগম ওয়াসিকা আয়েশা খানম এমপি ও উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুছা মাতব্বর।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

যারা আন্দোলন করবে তাদের পেছনে লোক কোথায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯:০৬ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail যারা আন্দোলন করবে তাদের পেছনে লোক কোথায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, অনেকেই অনেক কথা বলেন কিন্তু  যারা আন্দোলন করবে তাদের পেছনে লোক কোথায়। তিনি বলেন, আমাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমাদের অর্জন অনেক। আপনাদের বলতে হবে এ দেশের জনগণকে। জনগণ কোনো দিন ভুল করে না।

সোমবার (২৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর ঢাকা পলিটেকনিক মাঠে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ২৪ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।  

নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, আমরা ভুল করি। আমরা জনগণের কাছে যাই না। নেতাকর্মীরা জনগণের কাছে যাবেন। তাদের সঙ্গে কথা বলবেন, যেটা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সব সময় করে থাকেন। সেই জায়গা থেকে আপনারা বিচলিত হবেন না। তাহলে আমরা কোনদিন অন্ধকারে নিমজ্জিত হবো না।

স্বাস্থ্যে এগিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতে আমরা এগিয়ে গেছি বলেই করোনা মোকাবিলা করতে পেরেছি। আমাদের গড় আয়ু ৬০ থেকে ৭৩ বছর বয়সে চলে গিয়েছে। আমরা শিক্ষার্থীদের নতুন বছরের শুরুতে নতুন বই দিচ্ছি। এটাই হলো প্রধানমন্ত্রী দূরদর্শী নেতৃত্ব। দূরদর্শী নেত্রীর জন্য আজকে বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে।

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সফিউল্লা সফির সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি প্রমুখ।

আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

সিলেটে বন্যার্তদের সরকার পুনর্বাসন করবে: হানিফ

প্রকাশ: ০৮:৫৪ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail সিলেটে বন্যার্তদের সরকার পুনর্বাসন করবে: হানিফ

সিলেটে বন্যার্তদের সরকার সাধ্য অনুযায়ী পুনর্বাসনসহ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি পূরণ করার চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ।তিনি বলেন, বন্যা পরবর্তী ইউনিয়নভিত্তিক মানুষের ঘরবাড়ি, ক্ষেত-খামারের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে সরকার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে। 

সোমবার (২৭ জুন) বিকেলে সিলেট সার্কিট হাউসে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে হানিফ এসব কথা বলেন। এর আগে সিলেট জেলার বিশ্বনাথ, ওসমানীনগর, দক্ষিণ সুরমা এবং সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন আওয়ামী লীগের এই নেতা। এ সময় দলের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী উপস্থিত ছিলেন।

মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, যখন দেশে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দেয়, তখন সরকারের প্রথম কাজ থাকে মানুষকে প্রাণে বাঁচানো। তারপর কার কী ক্ষতি হলো সেটা খুঁজে বের করা হয়। বৃহত্তর সিলেট এবার ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে। আগামীতে যে এমন বন্যা আসবে না তা বলা যায় না। তাই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ ও ব্যবস্থা নিতে হবে। ৫৪টি নদী ড্রেজিং করে গভীর করা খুবই চ্যালেঞ্জিং মন্তব্য করে তিনি বলেন, তারপরও সরকার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে।

হানিফ আরও বলেন, আমাদের দেশে সরকার বা সাংবাদিক কিছু একটা বললেই নেতিবাচক মন্তব্য চলে আসে। নেতিবাচক বক্তব্য দেশের জন্য কখনোই ভালো নয়। বাংলাদেশ এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এর একমাত্র কারণ আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্ব (লিডারশিপ)। 

আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের জন্যই আজ বাংলাদেশ বিশ্বে একটি মর্যাদার জায়গায়। তার জন্যই পদ্মা সেতুর মতো একটি বিস্ময় বাংলাদেশ উপহার দিতে পেরেছে। এটি শুধু একটি সেতু নয়, এটি আমাদের সক্ষমতার প্রতীক। পদ্মা সেতুর কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশ বাংলাদেশে বিনিয়োগে বেশ আগ্রহী।

প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, মহানগর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন প্রমুখ।

বন্যার্তদের   পুনর্বাসন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

‘সরকার জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছে’

প্রকাশ: ০৭:৫৬ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail ‘সরকার জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছে’

ক্ষমতাসীন সরকার জনগণের উপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, জুলুমবাজ, দখলবাজ, অনির্বাচিত, অবৈধ, নির্যাতনকারী একটা সরকারের অধীনে আমরা আছি। বাংলাদেশের বর্তমান যে প্রেক্ষাপট তা বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনও ঘটেনি। 

সোমবার (২৭ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাড্ডায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির বাড্ডা থানার ২১,৩৭, ৩৮, ৪১, ৪২ ও সাংগঠনিক ৯৭ নম্বর ওয়ার্ড সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তবে এসব কথা বলেন তিনি। 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সরকারের মধ্যে কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত হচ্ছে না। তাদের সবকিছু সমস্ত সিদ্ধান্ত লুটপাটের পক্ষে। 

আমানউল্লাহ আমান বলেন, বন্যাকবলিত এলাকায় মানুষের মধ্যে খাবার নেই। হাহাকার চলছে। অথচ সরকার দেশের মানুষের দিকে নজর দিচ্ছে না। সরকারের কাছ থেকে আশানুরূপ ত্রাণ যাচ্ছে না। একদিকে বানভাসিদের চোখের পানি ঝরছে। 

আমিনুল হক বলেন, আওয়ামী দুঃশাসন থেকে বাংলাদেশের ১৮ কোটি জনগণকে মুক্ত করতে হলে ঐক্যবদ্ধ গণআন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য তিনি সকল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথের গণআন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, সদস্য সচিব সদস্য আমিনুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুল ইসলাম মতিন, আব্দুল আলীম নকী, আতাউর রহমান চেয়ারম্যান, মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, এ জি এম শামসুল হক, আক্তার হোসেন, তুহিরুল ইসলাম তুহিন, রেজাউল রহমান ফাহিম, জাহাঙ্গীর মোল্লা, মাহফুজুর রহমান, এবিএমএ রাজ্জাক, বাড্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন, ভাটারা থানা বিএনপির মো. সেলিম মিয়া, উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপির মো. আব্দুস ছালাম, বিমান বন্দর থানা বিএনপির দেলোয়ার হোসেন দিলু প্রমুখ। 
আমীর খসরু আরো বলেন, স্বাধীনতার পর যে জুলুম হয়েছে, নির্যাতন হয়েছে, হত্যা হয়েছে, তাকেও অতিক্রম করে গেছে আজকের এ প্রেক্ষাপট। আওয়ামী সরকার জনগণকে বাইরে রেখে ক্ষমতা দখল করে অব্যাহতভাবে ক্ষমতায় থাকার জন্যে কাজ করছে। 

আমীর খসরু  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

পদ্মা সেতুর প্রশ্নে কোনো বিরোধীপক্ষ নেই: আ স ম আবদুর রব

প্রকাশ: ০৫:৪২ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail পদ্মা সেতুর প্রশ্নে কোনো বিরোধীপক্ষ নেই: আ স ম আবদুর রব

পদ্মা সেতুর প্রশ্নে কোনো বিরোধীপক্ষ নেই মন্তব্য করে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, নিজস্ব টাকায় নির্মিত পদ্মা সেতু দেশের অন্যতম কীর্তি এবং জনগণ এই কীর্তির গর্বিত অংশীদার। পদ্মা সেতুর অনিবার্যতা নিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিন্দুমাত্র বিরোধিতা বা দ্বিমত নেই, নেই কোনো বিরোধীপক্ষও। তারপরও সরকার এই জাতীয় প্রশ্নটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিতর্কিত করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যা খুবই দুঃখজনক।

সোমবার (২৭ জুন) ঢাকা মহানগর উত্তর জেএসডির প্রতিনিধি সভায় দেশের বাহিরে থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর উত্তরায় অনুষ্ঠিত প্রতিনিধি সভায় সভাপতিত্ব করেন কামাল উদ্দিন মজুমদার সাজু।

আ স ম আবদুর রব বলেন, দেশের যোগাযোগের ক্ষেত্রে ‘যুগান্তকারী স্থাপনা’ পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে পদ্মা সেতুর ‘কল্পিত বিরোধীপক্ষ’ আবিষ্কার একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে ষড়যন্ত্র বা নাশকতার আশঙ্কা করে সরকারের মনগড়া ও অবিবেচনাপ্রসূত বক্তব্য বর্হিবিশ্বে জাতির মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করেছে। এসব অমূলক আশঙ্কা যে অসাড় ও অর্থহীন তা এরইমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে।

সভায় জেএসডির সাধারণ সম্পাদক ছানোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, রাষ্ট্রীয় স্বার্থ, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতার প্রশ্নে অবশ্যই আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জাতীয় ঐক্যের মীমাংসিত প্রশ্নগুলোকে অমীমাংসিত পথে ধাবিত করার যেকোনো প্রবণতা থেকে সবাইকে অবশ্যই মুক্ত থাকতে হবে।

প্রতিনিধি সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জেএসডি সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ছানোয়ার হোসেন তালুকদার, কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট সৈয়দা ফাতেমা হেনা, অধ্যাপক ইউসুফ সিরাজ খান মিন্টু, মোশারেফ হোসেন মন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাইনুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নাসিম, আব্দুল মান্নান, বোরহান উদ্দিন চৌধুরী রোমান, শফিকুল ইসলাম শফিক, ফারজানা দিবা প্রমুখ।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

দেশে ফিরেছেন রওশন এরশাদ

প্রকাশ: ০১:২২ পিএম, ২৭ Jun, ২০২২


Thumbnail দেশে ফিরেছেন রওশন এরশাদ

থাইল্যান্ডে চিকিৎসা শেষে প্রায় ৮ মাস পর দেশে ফিরেছেন সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ। সোমবার (২৭ জুন) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তাকে বহনকারী বিমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বন্দরে অবরতণ করে।

এইচ এম এরশাদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান কাজী মামুনুর রশীদ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, রওশন এরশাদ বিমানবন্দর থেকে সরাসরি গুলশানে হোটেল ওয়েস্টিনে চলে যাবেন। ঢাকায় অবস্থানকালে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ সেখানেই থাকবেন। আগামী ৩০ জুন বাজেট অধিবেশনের সমাপনী দিনে তিনি উপস্থিত থাকবেন। পরে আগামী ৪ জুলাই চিকিৎসার জন্য আবারও থাইল্যান্ড চলে যাবেন।

রওশন এরশাদকে অভ্যর্থনা জানাতে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের, কো- চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলাসহ দলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রওশন এরশাদ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন