ইনসাইড পলিটিক্স

বাম গণতান্ত্রিক জোট থেকে সাইফুল হক ও সাকির দলের সদস্য পদ স্থগিত

প্রকাশ: ১০:০৩ পিএম, ২৪ মে, ২০২২


Thumbnail বাম গণতান্ত্রিক জোট থেকে সাইফুল হক ও সাকির দলের সদস্য পদ স্থগিত

বাম গণতান্ত্রিক জোটের দুই শরিক দল বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ও গণসংহতি আন্দোলনের সদস্য পদ স্থগিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ মে) জোটের এক বৈঠকে বাম জোট থেকে এই দুই দলের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়।

জোটের সমন্বয়ক আব্দুস সাত্তার গণমাধ্যমকে বলেন, আজকে বাম গণতান্ত্রিক জোটের বৈঠক ছিল। বৈঠকে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক আর গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়দ সাকিও উপস্থিত ছিলেন। তারা নিজেরাও জানিয়েছন, এ জোটে আর থাকতে পারছেন না তারা। এ কারণে বাম জোট থেকে এই দুই দলের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে।

জানা গেছে, জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, গণ অধিকার পরিষদ, ভাসানী পরিষদ ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এ ৭টি দল ও সংগঠনের সমন্বয়ে একটি রাজনৈতিক জোট গঠনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই জোটের নাম রাখা হয়েছে গণতন্ত্র মঞ্চ। এই জোটের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে সাইফুল হক ও সাকির দলের সদস্য পদ বাম জোট থেকে স্থগিত করা হয়েছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

সংসদে রুমিনের বক্তব্যে ক্ষেপলেন আইনমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৮:১৪ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail সংসদে রুমিনের বক্তব্যে ক্ষেপলেন আইনমন্ত্রী

জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনে পদ্মা সেতু ও বিএনপি নিয়ে বেশি কথা বলা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছিলেন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

এর পাল্টা জবাব হিসেবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আমরা কি তাহলে উনার (রুমিন ফারহানা) কাপড় নিয়ে কথা বলবো?

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অর্থ বরাদ্দের ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় এ কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

এর আগে, চলতি অধিবেশনকে বাজেট অধিবেশন না বলে ‘পদ্মা অধিবেশন’ বা ‘বিএনপি অধিবেশন’ নামকরণের কথা বলেন রুমিন ফারহানা।

এ প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা নাকি এখানে (সংসদে) খালেদা জিয়াকে বকাবকি করি। আমরা নাকি পদ্মা সেতু নিয়ে বেশি কথা বলছি। অথচ আমরা এই সংসদে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। পদ্মা সেতু অবশ্যই বাংলাদেশের জন্য বিরাট অর্জন। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা দেওয়ার পর যদি কোনো ঐতিহাসিক তাৎপর্যপূর্ণ স্থাপনা হয় সেটা হচ্ছে পদ্মা সেতুর অবকাঠামো। তো আমরা পদ্মা সেতু নিয়ে কথা বলবো নাকি উনার (রুমিন ফারহানা) কাপড়-চোপড় নিয়ে কথা বলবো? আমি তো তা করবো না।

পরে জননিরাপত্তা বিভাগের বরাদ্দের ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাব দেন রুমিন ফারহানা।

তিনি বলেন, যুক্তিবিদ্যার সবচেয়ে বড় ফ্যালাসি (কুযুক্তি) হচ্ছে যখন কোনো যুক্তি থাকে না, তখন ব্যক্তিগত আক্রমণ করা। উনি (আইনমন্ত্রী) যুক্তি না পেয়ে আমার পোশাক নিয়ে আলোচনা হবে কি না, এমন অভদ্র বক্তব্য দিয়েছেন। আমরা আইনমন্ত্রীর কাছে এমনটি আশা করি না। প্রধানমন্ত্রী একজন নারী, জাতীয় সংসদের স্পিকার একজন নারী। এই বক্তব্য পুরো সংসদের জন্য লজ্জার।

এদিকে ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনার জবাব দিতে গিয়ে আনিসুল হক বলেন, বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে এখানে বসে বলছেন নির্বাচন হয় না। তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে উনি সংসদে গেলেন কীভাবে? এর জবাব দেবেন উনি।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির দাবি হচ্ছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার হতে হবে। তাহলে উনারা ভোটে আসবেন। এই সংসদে দাঁড়িয় দ্ব্যার্থহীন ভাষায় বলতে চাই-বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে অবৈধ ঘোষণা দিয়েছে। উচ্চ আদালতের এই রায়ের এক সুতাও বাইরে যাবে না সরকার। কারণ বর্তমান সরকার আইনে বিশ্বাস করে।

আইনমন্ত্রী বলেন, বিএনপি বারবার বলছে তাদের নির্বাচনে আনতে হবে। তারা কি পাকিস্তানে থাকে যে সেখান থেকে ডেকে আনতে হবে? তারা তো বাংলাদেশে থাকে। উনারা নির্বাচন করতে চাইলেই করতে পারেন।

নির্বাচন কমিশনের বরাদ্দ ছাঁটাই করে এক টাকা দিতে বিএনপির প্রস্তাবের জবাবে আনিসুল হক বলেন, উনারা বলেছেন এক টাকা দিতে। উনারা পারবেন এক টাকা দিয়ে নির্বাচন করে দিতে? পারবেন না। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনের জন্য কমিশনের টাকা লাগবে। নির্বাচন কমিশন তার অর্থ ব্যয়ে পুরোপুরি স্বাধীন।

অবসরের দুদিন আগে স্থানীয় সরকার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব হেলালুদ্দীনের বিদেশ সফরের বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, বিদেশিদের আমন্ত্রণে ডেল্টা প্লানের বিষয়ে মন্ত্রী এবং সচিব টিম নিয়ে বিদেশে গিয়েছিলেন। তারা সেখান থেকে শিখে এসেছেন। এখানে কী কোনো অন্যায় আছে? জানি না উনি কোথা থেকে অন্যায় দেখলেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

‘ছেলে-মেয়ে হাত ধরে হাঁটছে, সিগারেট খাচ্ছে, এটি কোন শিক্ষা?’

প্রকাশ: ০৭:৫০ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail ‘ছেলে-মেয়ে হাত ধরে হাঁটছে, সিগারেট খাচ্ছে, এটি কোন শিক্ষা?’

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের হাতে সিগারেট দেখেছেন দাবি করে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ বলেছেন, হাতে কাপ আর সিগারেট। ছেলে-মেয়ে হাত ধরে হাঁটাহাঁটি করছে, আর সিগারেট খাচ্ছে। এটি কোন সংস্কৃতি, কোন শিক্ষা?

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাবের ছাঁটাইয়ের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ সব কথা বলেন।

কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, আজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কী হচ্ছে? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকী বলেছেন ডাক্তার, প্রকৌশলী বানাচ্ছি কিন্তু মানুষ বানাচ্ছি কতগুলো। দায়িত্ব তো তিনিও এড়াতে পারেন না। তিনি তো ঢাবির ভিসি ছিলেন, কিন্তু তার কোনো পাবলিকেশন-গবেষণা ছিল না। ডক্টরেট ডিগ্রি নেই, শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ হয়েছিল। সমস্যাটা সেখানে। যখন যে দল ক্ষমতায় আসবে, সেই দলের শিক্ষকদের পদোন্নতি হবে। তাদের ছত্রছায়ায় এক শ্রেণীর ছাত্রনেতারা মাস্তান হয়ে যায়।

তিনি বলেন, নড়াইলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ লাঞ্ছিত, জুতার মালা দিয়ে তাকে ঘোরানো হয়েছে। সাভারে একজন শিক্ষককে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারী কিশোর গ্যাংয়ের কাছে ‘দাদা’ বলে পরিচিত। পরিচালনা কমিটি তার আত্মীয়, আরেকজন শিক্ষক তাকে প্ররোচিত করেছেন, যে শিক্ষক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। শিক্ষার জায়গাটা নষ্ট হয়ে গেছে। শিক্ষার পরিবেশ দারুণভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে দলীয় সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের সমালোচনার জবাবে ফিরোজ রশীদ বলেন, ধর্মীয় শিক্ষা নিয়ে তো কথা বাড়ানোর দরকার নেই। আধুনিক শিক্ষা বানাবেন, হাফপ্যান্ট আর গেঞ্জি পরিয়ে ছেড়ে দেবেন, এ দেশে এটা হবে না। এগুলো বাদ দিয়ে আসল শিক্ষায় আসুন।

তিনি বলেন, শুধু শিক্ষার মান নয়, নৈতিকতাও কমেছে। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটিকেও শক্ত হতে হবে। এখন যাদের হাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গেছে, তাদের না আছে শিক্ষা, না আছে দীক্ষা। তারা শুধু বুঝে কীভাবে কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেবে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগের দুর্নীতির কথা তুলে ধরে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শিক্ষা র‌্যাংকিংয়ে আমরা কোন জায়গায় আছি? কল্পনা করা যায় ৫ হাজারের মধ্যেও নেই। ১৫ বছর একটানা ক্ষমতায়। যেভাবেই থাকেন না কেন। আন্তর্জাতিক র‌্যাংকিংয়ের জন্য কোনো সরকারী ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। এখানে গবেষণা ও প্রকাশনা নেই।

বেসরকারি শিক্ষায় করারোপ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মান নিচে নেমে গেছে। সর্বক্ষেত্রে অবক্ষয়ের চূড়ান্ত পর্যায়ে আছি। এর কারণ জবাবদিহিতা ছাড়া কোনো দেশ এগিয়ে যেতে পারে না।

এ সময় মানসম্পন্ন শিক্ষা তৈরি করতে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর জন্য বলেন এ সংসদ সদস্য।

রুমিন ফারহানা বলেন, শিক্ষার ক্ষেত্রে মানটাই সমস্যা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার জরিপের দেখা যায় শিক্ষার মানে ক্রমে অবনমন ঘটছে, র‌্যাংকিয়ে ধস নামছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

একজন ‘অগ্নিকণ্যা’র জন্মদিন

প্রকাশ: ০৭:৩৪ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail

মতিয়া চৌধুরী, একজন অগ্নিকণ্যা। আইয়ুববিরোধী আন্দোলনে তিনি ‘অগ্নিকন্যা’য় ভূষিত হন। করতেন ছাত্র ইউনিয়ন, কিন্তু ভালোবাসতেন বঙ্গবন্ধুকে। বঙ্গবন্ধুর ডাকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ৭৫ এর ১৫ আগস্টের বীভৎসতার বিরুদ্ধে প্রথম যারা প্রতিবাদ করেছিল, তাঁদের একজন মতিয়া চৌধুরী। ৭৯ সাল থেকে আওয়ামী লীগে, অথচ এখনো আওয়ামী লীগে তিনি একজন কমিউনিস্ট। দলে তাঁর জনপ্রিয়তা হয়তো নেই, কিন্তু সম্মান আছে আকাশচুম্বী। আওয়ামী লীগে অধিকাংশই যোগ দেয় সুদিনে, এমপি মন্ত্রী হাবার লোভে। মতিয়া চৌধুরী যোগ দিয়েছিলেন চরম দুর্দিনে, যখন আওয়ামী লীগ দিশেহারা, নেতৃত্বহীন। শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি করার প্রস্তাবে তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর ২০০৭ সালে আওয়ামী লীগ সবচেয়ে বড় সংকটে পড়েছিল। ওই সংকটে আওয়ামী লীগের সুবিধাবাদীদের বিরুদ্ধে একাই দাঁড়ান তিনি, দলকে বুকে আগলে রাখেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশ্নে ছিলেন অবিচল। আওয়ামী লীগের ভারী ভারী নেতাদের আদর্শহীনতার অন্ধকারে, তিনি এক অসামান্য দ্যুতি হয়ে ওঠেন, পথ দেখান আওয়ামী লীগকে। ওয়ান-ইলেভেনে তাঁর ভূমিকাকে অনেকেই তুলনা করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তাজউদ্দিন আহমেদের ভূমিকার সঙ্গে। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের সুবিধাবাদীরা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তাজউদ্দিন আহমেদের দূরত্ব সৃষ্টি করতে পেরেছিলেন। কিন্তু ২০০৭ সালের ষড়যন্ত্রকারীরা অনেক চেষ্টা করেও মতিয়া চৌধুরীর সঙ্গে শেখ হাসিনার বাঁধন ছিন্ন করতে পারেনি। বিডিআর বিদ্রোহের পর মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে সেনানিবাসে যাওয়া থেকে হাওরের বন্যা, সব ব্যাপারেই শেখ হাসিনার ভরসাস্থল ‘মতিয়া আপা’।

চাঁদেরও কলঙ্ক আছে, কিন্তু মতিয়া চৌধুরীর কোনো কলঙ্ক নেই। ১৩ বছরের মন্ত্রিত্বে কোনোদিন তাঁর বিরুদ্ধে একটা দুর্নীতির অভিযোগও ওঠেনি। তার দক্ষতা প্রশ্নাতীত, তাঁর পরিশ্রম শিক্ষণীয়, তাঁর সততা অনুকরণীয়, তাঁর দৃঢ়তা অদ্বিতীয়। জীবনে কোনোদিন আপোষ করেননি, সুবিধাবাদীতা তাঁকে স্পর্শ করেনি, বিশ্বাসভঙ্গের ইতিহাস নেই তাঁর। আজ এই ‘অগ্নিকণ্যা’ মতিয়া চৌধুরীর শুভ জন্মদিন।

মতিয়া চৌধুরী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

সন্ধ্যায় নির্মল রঞ্জন গুহ’র মরদেহ ঢাকায় আসছে

প্রকাশ: ০৩:২৩ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail সন্ধ্যায় নির্মল রঞ্জন গুহ’র মরদেহ ঢাকায় আসছে

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের মরদেহ সিঙ্গাপুর থেকে দেশে আসছে। এরপর রাতে ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে তার মরদেহ রাজধানীর সেগুনবাগিচার বাসভবনে রাখা হবে।

শুক্রবার (১ জুলাই) সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি থেকে শবযাত্রা শুরু হবে। বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহ রাখা হবে।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মরদেহ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নেওয়া হবে। পরে ঢাকার দোহারে তার নিজ গ্রামে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে।

এদিকে, সংগঠনের সভাপতির মৃত্যুতে আগামী তিনদিন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সব মহানগর, জেলা, উপজেলা, থানা ও ওয়ার্ড কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে।

স্থানীয় সময় বুধবার (২৯ জুন) সকালে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন নির্মল রঞ্জন গুহ। তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর।

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় নির্মল রঞ্জন গুহকে গত ১২ জুন দিনগত রাতে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে। হার্টে দুটি ব্লক ধরা পড়লে সেখানে রিং বসানো হয়। তাতেও অবস্থার উন্নতি হয়নি।

পরবর্তীসময়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৬ জুন দুপুরে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর থেকে সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। এরআগেও তিনি হার্টের সমস্যায় ভারতে গিয়ে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। ২০২০ সালের জুন মাসের শেষ সপ্তাহে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি।

নির্মল রঞ্জন গুহ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

‘বাজেট না বলে পদ্মা অধিবেশন বলতে পারি’

প্রকাশ: ০৯:৩০ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail ‘বাজেট না বলে পদ্মা অধিবেশন বলতে পারি’

বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, চলতি বাজেট অধিবেশনে বাজেট নিয়ে আলোচনা না হয়ে পদ্মা সেতু, খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে নিয়েই বেশি আলোচনা হয়েছে। এই অধিবেশনকে বাজেট অধিবেশন না বলে পদ্মা অধিবেশন বলতে পারি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বুধবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের অর্থ বিলে আপত্তি জানিয়ে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। 

রুমিন ফারহানা বলেন, এ অধিবেশনে যদি ১০ শতাংশ সময় বাজেট নিয়ে ব্যয় করা হয়, তবে ৯০ শতাংশ সময় ব্যয় করা হয়েছে পদ্মা সেতু, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে আলোচনায় এবং বিএনপির সমালোচনায়। 

তিনি বলেন, পাকিস্তানি লেখক ড. মালিকা-ই-আবিদা খাত্তাককে ধন্যবাদ দিতে চাই। তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একখানা কলাম লিখেছিলেন বলে আওয়ামী লীগের সমস্ত মন্ত্রী, এমপি থেকে শুরু করে নেতারা পদ্মা সেতু নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের আঙ্গিকে গর্ব করতে পারছেন।

দেশের অর্থনীতিতে সমস্যা হচ্ছে মূল্যস্ফীতি- জানিয়ে এ সংসদ সদস্য বলেন, আমদানি-রপ্তানিতে ভারসাম্যহীনতা, ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন, রিজার্ভ আশঙ্কাজনকভাবে কমতে থাকা- এ বিষয়গুলোতে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা আমরা পাইনি।

করোনায় দারিদ্র্যসীমার নিচে কত শতাংশ মানুষ গিয়েছে সেই হিসাব সরকারের কাছে নেই বলে জানান রুমিন। স্বাস্থ্য ও শিক্ষার ক্ষেত্রে জিডিপি অনুপাতে বরাদ্দ কমেছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, সব সময় কালোটাকা সাদা করতে গিয়ে নানা সমালোচনায় অর্থমন্ত্রীদের পড়তে হয়। এবারের অর্থমন্ত্রী সেই পথে হাঁটেননি। তিনি টাকা পাচারকেই বৈধতা দিয়েছেন। যাতে লুটপাটের টাকা বিদেশে পাচার করে ৭ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ হারে কর দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলা যায়। তিনি (অর্থমন্ত্রী) বলতে চাচ্ছেন এইভাবে পাচার করা টাকা বিদেশ থেকে দেশে ফিরবে। পাচারকারীরা তো দেশে ফেরত আনার জন্য পাচার করে না। এ সুযোগের মাধ্যমে পাচারকারীরা নিশ্চিন্ত হবে, উৎসাহিত হবে।


অধিবেশন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন