ইনসাইড পলিটিক্স

বিএনপি নৈরাজ্য করলে জনগণ ও আওয়ামী লীগ প্রতিরোধ করবে: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৬:১৫ পিএম, ২৮ মে, ২০২২


Thumbnail বিএনপি নৈরাজ্য করলে জনগণ ও আওয়ামী লীগ প্রতিরোধ করবে: তথ্যমন্ত্রী

'বিএনপির নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা জনগণকে সাথে নিয়ে আওয়ামী লীগ প্রতিরোধ করবে এবং এবিষয়ে লীগের নেতাকর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে' বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

শনিবার (২৮ মে) লালমনিরহাট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতার আগে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।

বিএনপি প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, 'সারাদেশে বিএনপি আবার নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমনকি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সামনে বহিরাগতদের নিয়ে সন্ত্রাস, দেশের অন্যান্য জায়গায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড -এগুলো দলীয়ভাবে  সিদ্ধান্ত নিয়েই নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা।'

'আমরা আওয়ামী লীগ যেহেতু রাষ্ট্রক্ষমতায়, জনগণ আমাদের দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে, সেহেতু আমাদের দলের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব হচ্ছে, দেশে যাতে কেউ শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করতে না পারে, ২০১৩-১৪-১৫ সালে বিএনপি যেভাবে অগ্নিসন্ত্রাস করেছে, সেটি যাতে না করতে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং আমরা তাদের সতর্ক করেছি' উল্লেখ করে  হাছান মাহমুদ বলেন, 'যদি এ ধরনের অপচেষ্টা আবারও চালানো হয়, জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা তা প্রতিরোধ করবো।'

সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান বলেন, 'আসলে বিএনপির মাথা খারাপ হয়ে গেছে। কারণ তারা বলেছিলো, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু করতে পারবেন না। বিশ্বব্যাংকসহ পৃথিবীর অন্যান্য অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন না করে, সেজন্য নানা ষড়যন্ত্র, অপচেষ্টা, বহুকিছু করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের মতো একটি দেশ নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করে ফেলেছে।'

'এ নিয়ে জনগণ যখন তাদেরকে ধিক্কার দিচ্ছে, তখন তাদের মাথাটা খারাপ হয়ে গেছে এবং সেকারণেই তারা নানা ধরনের আবোল-তাবোল কথা বলছে- মির্জা ফখরুল সাহেব সকালে একবার বলেন, বিকেলে আরেকবার বলেন, গয়েশ্বর বাবু রাতের কথা দিনে বলেন' মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী।

'বিএনপি এই সরকারের বিদায় ঘন্টা বাজাচ্ছে, ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে' -এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে হাছান মাহমুদ বলেন, 'আমাদের বিদায় ঘন্টা তো তারা ২০০৯ সাল থেকেই বাজাচ্ছে। যতই ঘন্টা বাজাচ্ছে, ততই তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে এবং নিজেদের বিদায় ঘন্টাই বাজিয়ে দিয়েছে। আর ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন সবাই দেখতে পারে, স্বপ্ন দেখতে কোনো দোষ আমি দেখি না। কিন্তু দেশে যদি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা হয়, তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে।'

তিস্তা নদীর পানি নিয়ে ভারতের সাথে চুক্তির বিষয়ে অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'আপনারা জানেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ২১০০ সালকে সামনে রেখে ডেলটা প্ল্যান করা হয়েছে। সারাদেশের জন্য একটা ফিজিক্যাল প্ল্যান করা হয়েছে। এর আওতায় সেটি বাস্তবায়নের কিছু কাজও শুরু হয়েছে। সেই মহাপরিকল্পনায় দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, যার মধ্যে  তিস্তার পানি বন্টনসহ অন্যান্য অনেক বিষয় রয়েছে।'

'সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, প্রধানমন্ত্রী যিনি ভবিষ্যৎ দেখেন, তিনি যেভাবে সারাদেশের ফিজিক্যাল প্ল্যানিং করে এই পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন, তাতে আমাদের মিলিত প্রচেষ্টা আর স্রষ্টার আশীর্বাদে ২০৪১ সাল নয়, তার আগেই বাংলাদেশ উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হবে' বলেন আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন এমপি'র সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানের সঞ্চালনায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর  সদস্য শাজাহান খান এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক, কার্যনির্বাহী সদস্য এড. হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, এড. সফুরা বেগম রুনি  প্রমুখ জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় বক্তব্য দেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

একজন ‘অগ্নিকণ্যা’র জন্মদিন

প্রকাশ: ০৭:৩৪ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail একজন ‘অগ্নিকণ্যা’র জন্মদিন

মতিয়া চৌধুরী, একজন অগ্নিকণ্যা। আইয়ুববিরোধী আন্দোলনে তিনি ‘অগ্নিকন্যা’য় ভূষিত হন। করতেন ছাত্র ইউনিয়ন, কিন্তু ভালোবাসতেন বঙ্গবন্ধুকে। বঙ্গবন্ধুর ডাকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ৭৫ এর ১৫ আগস্টের বীভৎসতার বিরুদ্ধে প্রথম যারা প্রতিবাদ করেছিল, তাঁদের একজন মতিয়া চৌধুরী। ৭৯ সাল থেকে আওয়ামী লীগে, অথচ এখনো আওয়ামী লীগে তিনি একজন কমিউনিস্ট। দলে তাঁর জনপ্রিয়তা হয়তো নেই, কিন্তু সম্মান আছে আকাশচুম্বী। আওয়ামী লীগে অধিকাংশই যোগ দেয় সুদিনে, এমপি মন্ত্রী হাবার লোভে। মতিয়া চৌধুরী যোগ দিয়েছিলেন চরম দুর্দিনে, যখন আওয়ামী লীগ দিশেহারা, নেতৃত্বহীন। শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি করার প্রস্তাবে তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর ২০০৭ সালে আওয়ামী লীগ সবচেয়ে বড় সংকটে পড়েছিল। ওই সংকটে আওয়ামী লীগের সুবিধাবাদীদের বিরুদ্ধে একাই দাঁড়ান তিনি, দলকে বুকে আগলে রাখেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশ্নে ছিলেন অবিচল। আওয়ামী লীগের ভারী ভারী নেতাদের আদর্শহীনতার অন্ধকারে, তিনি এক অসামান্য দ্যুতি হয়ে ওঠেন, পথ দেখান আওয়ামী লীগকে। ওয়ান-ইলেভেনে তাঁর ভূমিকাকে অনেকেই তুলনা করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তাজউদ্দিন আহমেদের ভূমিকার সঙ্গে। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের সুবিধাবাদীরা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তাজউদ্দিন আহমেদের দূরত্ব সৃষ্টি করতে পেরেছিলেন। কিন্তু ২০০৭ সালের ষড়যন্ত্রকারীরা অনেক চেষ্টা করেও মতিয়া চৌধুরীর সঙ্গে শেখ হাসিনার বাঁধন ছিন্ন করতে পারেনি। বিডিআর বিদ্রোহের পর মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে সেনানিবাসে যাওয়া থেকে হাওরের বন্যা, সব ব্যাপারেই শেখ হাসিনার ভরসাস্থল ‘মতিয়া আপা’।

চাঁদেরও কলঙ্ক আছে, কিন্তু মতিয়া চৌধুরীর কোনো কলঙ্ক নেই। ১৩ বছরের মন্ত্রিত্বে কোনোদিন তাঁর বিরুদ্ধে একটা দুর্নীতির অভিযোগও ওঠেনি। তার দক্ষতা প্রশ্নাতীত, তাঁর পরিশ্রম শিক্ষণীয়, তাঁর সততা অনুকরণীয়, তাঁর দৃঢ়তা অদ্বিতীয়। জীবনে কোনোদিন আপোষ করেননি, সুবিধাবাদীতা তাঁকে স্পর্শ করেনি, বিশ্বাসভঙ্গের ইতিহাস নেই তাঁর। আজ এই ‘অগ্নিকণ্যা’ মতিয়া চৌধুরীর শুভ জন্মদিন।

মতিয়া চৌধুরী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

সন্ধ্যায় নির্মল রঞ্জন গুহ’র মরদেহ ঢাকায় আসছে

প্রকাশ: ০৩:২৩ পিএম, ৩০ Jun, ২০২২


Thumbnail সন্ধ্যায় নির্মল রঞ্জন গুহ’র মরদেহ ঢাকায় আসছে

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের মরদেহ সিঙ্গাপুর থেকে দেশে আসছে। এরপর রাতে ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে তার মরদেহ রাজধানীর সেগুনবাগিচার বাসভবনে রাখা হবে।

শুক্রবার (১ জুলাই) সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি থেকে শবযাত্রা শুরু হবে। বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহ রাখা হবে।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মরদেহ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নেওয়া হবে। পরে ঢাকার দোহারে তার নিজ গ্রামে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে।

এদিকে, সংগঠনের সভাপতির মৃত্যুতে আগামী তিনদিন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সব মহানগর, জেলা, উপজেলা, থানা ও ওয়ার্ড কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে।

স্থানীয় সময় বুধবার (২৯ জুন) সকালে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন নির্মল রঞ্জন গুহ। তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর।

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় নির্মল রঞ্জন গুহকে গত ১২ জুন দিনগত রাতে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে। হার্টে দুটি ব্লক ধরা পড়লে সেখানে রিং বসানো হয়। তাতেও অবস্থার উন্নতি হয়নি।

পরবর্তীসময়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৬ জুন দুপুরে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর থেকে সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। এরআগেও তিনি হার্টের সমস্যায় ভারতে গিয়ে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। ২০২০ সালের জুন মাসের শেষ সপ্তাহে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি।

নির্মল রঞ্জন গুহ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

‘বাজেট না বলে পদ্মা অধিবেশন বলতে পারি’

প্রকাশ: ০৯:৩০ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail ‘বাজেট না বলে পদ্মা অধিবেশন বলতে পারি’

বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, চলতি বাজেট অধিবেশনে বাজেট নিয়ে আলোচনা না হয়ে পদ্মা সেতু, খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে নিয়েই বেশি আলোচনা হয়েছে। এই অধিবেশনকে বাজেট অধিবেশন না বলে পদ্মা অধিবেশন বলতে পারি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বুধবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের অর্থ বিলে আপত্তি জানিয়ে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। 

রুমিন ফারহানা বলেন, এ অধিবেশনে যদি ১০ শতাংশ সময় বাজেট নিয়ে ব্যয় করা হয়, তবে ৯০ শতাংশ সময় ব্যয় করা হয়েছে পদ্মা সেতু, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে আলোচনায় এবং বিএনপির সমালোচনায়। 

তিনি বলেন, পাকিস্তানি লেখক ড. মালিকা-ই-আবিদা খাত্তাককে ধন্যবাদ দিতে চাই। তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একখানা কলাম লিখেছিলেন বলে আওয়ামী লীগের সমস্ত মন্ত্রী, এমপি থেকে শুরু করে নেতারা পদ্মা সেতু নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের আঙ্গিকে গর্ব করতে পারছেন।

দেশের অর্থনীতিতে সমস্যা হচ্ছে মূল্যস্ফীতি- জানিয়ে এ সংসদ সদস্য বলেন, আমদানি-রপ্তানিতে ভারসাম্যহীনতা, ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন, রিজার্ভ আশঙ্কাজনকভাবে কমতে থাকা- এ বিষয়গুলোতে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা আমরা পাইনি।

করোনায় দারিদ্র্যসীমার নিচে কত শতাংশ মানুষ গিয়েছে সেই হিসাব সরকারের কাছে নেই বলে জানান রুমিন। স্বাস্থ্য ও শিক্ষার ক্ষেত্রে জিডিপি অনুপাতে বরাদ্দ কমেছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, সব সময় কালোটাকা সাদা করতে গিয়ে নানা সমালোচনায় অর্থমন্ত্রীদের পড়তে হয়। এবারের অর্থমন্ত্রী সেই পথে হাঁটেননি। তিনি টাকা পাচারকেই বৈধতা দিয়েছেন। যাতে লুটপাটের টাকা বিদেশে পাচার করে ৭ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ হারে কর দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলা যায়। তিনি (অর্থমন্ত্রী) বলতে চাচ্ছেন এইভাবে পাচার করা টাকা বিদেশ থেকে দেশে ফিরবে। পাচারকারীরা তো দেশে ফেরত আনার জন্য পাচার করে না। এ সুযোগের মাধ্যমে পাচারকারীরা নিশ্চিন্ত হবে, উৎসাহিত হবে।


অধিবেশন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

ড. ইউনুস, হিলারি ও টনি ব্লেয়ারের স্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি নিক্সন চৌধুরীর

প্রকাশ: ০৬:৩১ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail ড. ইউনুস, হিলারি ও টনি ব্লেয়ারের স্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি নিক্সন চৌধুরীর

পদ্মা সেতুতে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধ ও সেতু নির্মাণ নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ড. মোহাম্মদ ইউনূস, সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টন ও ইংল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের স্ত্রী শেরির ওপরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞার দাবি জানিয়েছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন। তিনি বলেন, এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে এসব ষড়যন্ত্রকারীরা দেশে এসে নতুন করে কোনো ষড়যন্ত্রের সুযোগ পাবে না।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) একাদশ জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশনে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাজেটের উপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন বলেন, ইতোমধ্যেই কানাডার আদালতে প্রমাণ হয়েছে পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি হয় নাই। তাহলে কোনো অপরাধ ছাড়া কেন আমাদের এই ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতু বাস্তবায়নে বাধা দেয়ার জন্য দেশে বিদেশে যারা ষড়যন্ত্র করেছে তাদেরকে রাষ্ট্রোদ্রহিতার মামলা দিয়ে বিচারের আওতায় আনতে হবে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ড. ইউনূস ও এতিমের টাকা মেরে খাওয়া তারেক জিয়া।

তিনি আরও বলেন, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ করোনাকালে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে একটি মানবিক সংগঠনে পরিণত হয়েছে।

নিক্সন চৌধুরী   ড. ইউনুস   হিলারি   টনি ব্লেয়ার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

সেতুর নাট-বল্টু খুলে নেওয়া বায়েজিদ খালেদা জিয়ার অনুসারী: নৌ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৩:০০ পিএম, ২৯ Jun, ২০২২


Thumbnail সেতুর নাট-বল্টু খুলে নেওয়া বায়েজিদ খালেদা জিয়ার অনুসারী: নৌ প্রতিমন্ত্রী

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, পদ্মা সেতুর রেলিংয়ের নাট-বল্টু খুলে নেওয়া বায়েজিদ বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অনুসারী।

বুধবার (২৯ জুন) সিরডাপ মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘পদ্মা সেতু: সম্প্রীতির পথে সাফল্যের অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, একজন নেত্রী বলেছিলেন পদ্মা সেতু জোড়া তালি দিয়ে বানানো হচ্ছে আপনারা এতে উঠবেন না। সেই কথা প্রমাণ করতে তারই এক অনুসারী পদ্মা সেতুর নাট-বল্টু খুলে নিয়েছে। অসুস্থ রাজনৈতিক নেতৃত্বের কারণে তারা এমনটা করতে পারে। নাট-বল্টু পদ্মা সেতুর অলংকার। অলংকার নারীর সৌন্দর্য। নারীর অলংকার যদি কেউ খুলে নিতে চায় তাকে আমরা ছিনতাইকারী বলি। পদ্মার নাট-বল্টু খুলে ছিনতাইকারীর মতন কাজ করেছে। তবে এসব করে আমাদের সৌন্দর্য নষ্ট করতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতুর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বে আরও বেশি পরিচিত হতে পারছে। বর্তমানে বাংলাদেশে পদ্মাসেতু থেকেও বড় প্রজেক্ট চলমান আছে। পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছিল। ড. মোহাম্মদ ইউনুস ছিলেন ষড়যন্ত্রের মূল হোতা। তার সঙ্গে পরবর্তীতে যোগ দিয়েছেন খালেদা জিয়া। তারা চেয়েছিল বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র করতে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শম রেজাউল করিম, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, সম্প্রতি বাংলাদেশের সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, সম্প্রীতি বাংলাদেশের সভাপতি পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। 


নৌ প্রতিমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন