ইনসাইড পলিটিক্স

‘আন্দোলনে জনসম্পৃক্ততা দেখে আওয়ামী লীগেরই কোমর ভেঙেছে’

প্রকাশ: ০৯:২৩ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ‘আন্দোলনে জনসম্পৃক্ততা দেখে আওয়ামী লীগেরই কোমর ভেঙেছে’

‘বিএনপি হাঁটুভাঙা বলে লাঠির ওপর ভর করেছে’- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আন্দোলনে জনসম্পৃক্ততা দেখে আওয়ামী লীগেরই কোমর ভেঙে গেছে। তাই রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকতে হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকালে এক ছাত্র সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, আন্দোলনে গণজোয়ার থেকেই তো বোঝা যাচ্ছে বিএনপি হাঁটুভাঙা দল নয়। বরং কোমর ভেঙে যাওয়ায় আওয়ামী লীগ রামদা-তলোয়ার এবং পুলিশের বন্দুকের ওপরে হাঁটছে। ক্ষমতাসীনরা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এখনো সময় আছে উল্টাপাল্টা কথা না বলে শান্তিতে পদত্যাগ করুন। নিরাপদে ক্ষমতা ছাড়ুন।

ছাত্রদল সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলের পরিচালনায় সমাবেশে সাবেক ছাত্রনেতা আমানউল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, শামসুজ্জামান দুদু, রুহুল কবীর রিজভী, ফজলুল হক মিলন, নাজিম উদ্দিন আলম, খায়রুল কবির খোকন, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, এ বি এম মোশাররফ হোসেন, আজিজুল বারী হেলাল, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, রফিকুল আলম মজনু, মোনায়েম মুন্না প্রমুখ বক্তব্য দেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

সোহরাওয়ার্দীতে নয়, নয়াপল্টনেই সমাবেশে করেব বিএনপি

প্রকাশ: ০৫:৩৮ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আগামী ১০ ডিসেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণসমাবেশ করার জন্য বিএনপিকে অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। কিন্তু নিজেদের অবস্থানেই অনড় রয়েছে বিএনপি। দলটি এখনও নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করতে চায়।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী গণমাধ্যমের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত নয়াপল্টন দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করব, এটাই আমাদের দলের সিদ্ধান্ত। আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করব।

তিনি আরও বলেন, আমরা তো সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের জন্য অনুমতি চাইনি। তারা চিঠি দিয়েছে বলে আমরা শুনেছি। কিন্তু কোনো চিঠি এখনও হাতে আসেনি। 

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সদরদপ্তর ও প্রশাসন) আব্দুল মোমেনের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে শর্ত সাপেক্ষে আগামী ১০ ডিসেম্বর (শনিবার) বিএনপিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণ-সমাবেশের অনুমতি দেয় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। 

১০ ডিসেম্বর   নয়াপল্টন   বিএনপি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

২৬ টি শর্তে সমাবেশের অনুমতি পেল বিএনপি

প্রকাশ: ০৫:১৭ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আগামী ১০ ডিসেম্বর ২৬ টি শর্তে বিএনপিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণ-সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সদরদপ্তর ও প্রশাসন) আব্দুল মোমেনের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সমাবেশের অনুমতির কথা বিএনপিকে জানানো হয়েছে।

ওইদিন দুপুর ১২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।

শর্তগুলো হল:-

১। এই অনুমতিপত্র স্থান ব্যবহারের অনুমতি নয়, স্থান ব্যবহারের জন্য অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে।
২। স্থান ব্যবহারের অনুমতিপত্রে উল্লেখিত শর্তাবলী যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
৩। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অভ্যন্তরে সমাবেশের যাবতীয় কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।
৪।  নিরাপত্তার জন্য নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক (দৃশ্যমান আইডি কার্ডসহ) নিয়োগ করতে হবে।
৫।  স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সমাবেশস্থলের অভ্যন্তরে ও বাইরে উন্নত রেজ্যুলেশনযুক্ত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।
৬।  নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি প্রবেশগেটে আর্চওয়ে স্থাপন করতে হবে এবং সমাবেশস্থলে আগতদের হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে (ভদ্রোচিতভাবে) চেকিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।
৭। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভেহিক্যাল স্কেনার/সার্চ মিররের মাধ্যমে সমাবেশস্থলে আসা সব যানবাহন তল্লাশির ব্যবস্থা করতে হবে।
৮। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সমাবেশস্থলে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা রাখতে হবে।
৯। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে বা সড়কের পাশে মাইক/সাউন্ডবক্স ব্যবহার করা যাবে না।
১০। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে বা সড়কের পাশে প্রজেক্টর স্থাপন করা যাবে না।
১১। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে, রাস্তায় বা ফুটপাতে কোথাও লোক সমাবেত হওয়া যাবে না।
১২। আজান, নামাজ ও অন্যান্য ধর্মীয় সংবেদনশীল সময় মাইক/শব্দযন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।
১৩। ধর্মীয় অনুভূতির ওপর আঘাত আসতে পারে এমন কোনো বিষয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন, বক্তব্য দেওয়া বা প্রচার করা যাবে না।
১৪। অনুমোদিত সময়ের মধ্যে সমাবেশের সার্বিক কার্যক্রম শেষ করতে হবে।
১৫। সমাবেশ শুরুর দুই ঘণ্টা আগে লোকজন সমবেত হওয়ার জন্য আসতে পারবে।
১৬। সমাবেশস্থলের আশপাশসহ রাস্তায় কোনো অবস্থাতেই সমবেত হওয়াসহ যান ও জন চলাচলে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।
১৭। পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন বহনের আড়ালে কোনো ধরনের লাঠি-সোটা, রড ব্যবহার করা যাবে না।
১৮।  আইন-শৃঙ্খলা পরিপন্থি ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কার্যকলাপ করা যাবে না।
১৯।  রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কার্যকলাপ ও বক্তব্য দেওয়া যাবে না।
২০। উস্কানিমূলক কোনো বক্তব্য দেওয়া বা প্রচারপত্র বিলি করা যাবে না।
২১। মিছিল সহকারে সমাবেশস্থলে আসা যাবে না।
২২। পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থানে গাড়ি পার্কিং করতে হবে, মূল সড়কে কোনো গাড়ি পার্কিং করা যাবে না।
২৩। সমাবেশস্থলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হলে আয়োজনকারী কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে।
২৪। স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণপূর্বক সমাবেশ পরিচালনা করতে হবে।
২৫। উল্লেখিত শর্তাবলী যথাযথভাবে পালন না করলে তাৎক্ষণিকভাবে এই অনুমতির আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।
২৬। জনস্বার্থে কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে এই অনুমতি আদেশ বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।

বিএনপি   ১০ ডিসেম্বর   মহাসমাবেশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

মুজিব কোট পরলেই মুজিব সৈনিক হওয়া যায় না: কাদের

প্রকাশ: ০১:৪৫ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

মুজিব কোট পরলেই মুজিব সৈনিক হওয়া যায় না, মুজিব সৈনিক হতে হলে মুজিবের আদর্শের সৈনিক হতে হবে, শেখ হাসিনার খাঁটি কর্মী হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা শাসক নন, তিনি জনগণের সেবক। মির্জা ফখরুল সাহেবদের অপপ্রচারের বিপরীতে আমরা গঠনমূলক সত্য প্রকাশ করব এবং কাজ দিয়ে প্রমাণ করব।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে নোয়াখালী শহর ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, আন্দোলন করেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে।

বিএনপির আন্দোলন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করুক কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু আগুন নিয়ে খেললে, সহিংসতা করতে এলে আমরা সতর্কতার সঙ্গে প্রস্তুত। জনগণের জানমাল রক্ষায় তাদের সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

নোয়াখালী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ পিন্টুর সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম, যুগ্ম আহ্বায়ক শিহাব উদ্দিন শাহীন, সহিদ উল্লাহ খান সোহেল এবং সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

ঠাকুরগাঁওয়ে ১০ ডিসেম্বর নিয়ে আতঙ্ক: নেপথ্যে মির্জা ফখরুল

প্রকাশ: ১০:০০ এএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ফয়সাল আহমেদ (ছদ্মনাম)। ঠাকুরগাঁত্ত জেলা শহরের মন্দিরপাড়ার বাসিন্দার। পেশায় একজন দলিল লেখক। পাশাপাশি স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত আছেন তিনি। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অত্যন্ত স্নেহভাজন। দিনাজপুর সরকারি কলেজে অর্থনীতিতে অনার্স পড়াকালীন সরাসরি শিক্ষক হিসেবে পেয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। সেখান থেকেই মির্জা ফখরুলের সঙ্গে তার বেশ ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে উঠে। সাম্প্রতি সময়ে ব্যক্তিগত কাজে ঢাকায় এসেছিলেন তিনি। কাজের ফাঁকে দেখা করেছেন মির্জা ফখরুলের সঙ্গে। সাক্ষাতে শিক্ষক তার অর্থনীতির ছাত্রকে বলেছেন সর্তক থাকতে। কারণ আগামী ১০ ডিসেম্বর সরকার বিএনপির মহাসমাবেশে বাধা দিবে এবং বাধা দিতে গিয়ে হয়তো পুলিশের সঙ্গে বিএনপির সংঘর্ষ ঘটবে এবং এতে করে অনেক মানুষের প্রাণহানি ঘটবে। শিক্ষক তার ছাত্রকে এ আতঙ্কের কথা ঢাকায় বললেও তার পৌঁছে গেছে ঠাকুরগাঁও জেলা শহরে। ফলে ১০ ডিসেম্বর নিয়ে মানুষের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে আসলেই কি ১০ ডিসেম্বর এমন কিছু ঘটবে? 

বিএনপি ঘোষণা দিয়েছে যে, ১০ ডিসেম্বর তারা ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে, সারাদেশ থেকে লাখ লাখ মানুষ এনে ঢাকায় জমায়েত করা হবে এবং এর মধ্য দিয়ে সরকারের পতন ঘটানো হবে। এদিকে আওয়ামী লীগও এখন বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের সন্মেলন নিয়ে ঢাকার রাজপথে সক্রিয় আছে। তবে তাদের এই সক্রিয়তা বিএনপিকে মোকাবিলা করতে নয় বরং নিয়মিত সাংগঠনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই করা হচ্ছে বলে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা নিশ্চিত করেছে।

আওয়ামী লীগের একজন সাংগঠনিক সম্পাদকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে যে, আওয়ামী লীগ বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের কর্মসূচিতে কোনো রকম বাধা দিবে না। বিএনপির সেদিন শান্তিপূর্ণ ভাবে কর্মসূচি পালন করবে বলে প্রত্যাশা তাদের। ওই নেতা বাংলা ইনসাইডারকে বলেন যে, আওয়ামী লীগ যদি বিএনপির কর্মসূচিতে বাধা দিতে চাইতো তাহলে সেদিন আমরা পাল্টা কর্মসূচি ঘোষণা করতাম। কিন্তু আমরা সেটি করিনি। বরং বিএনপি যেন শান্তিপূর্ণভাবে এবং বাধাহীন ভাবে সমাবেশ করতে পারে সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর নিদের্শক্রমে  ছাত্রলীগের সন্মেলন দুইদিন এগিয়ে আনা হয়েছে। অন্যান্য বিভাগীয় শহরের মতো মালিক সমিতি যেন পরিবহন ধর্মঘট না ডাকেন সেজন্যও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মালিক সমিতির প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ নয় বরং বিএনপিই ১০ ডিসেম্বর গায়ে পড়ে সংঘাতে জড়াতে চায়। আর ১০ ডিসেম্বরের আগেই মানুষের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়ে বিএনপি আসলে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়। কিন্তু আওয়ামী লীগ বিএনপির পাতানো এ ধরনের ফাঁদে পা দেবে না বলে দাবি করেন তিনি। এখন দেখার বিষয় ১০ ডিসেম্বর বিএনপি ঢাকায় মহাসমাবেশে কি করে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

রংপুরে মোস্তাফিজারকেই সমর্থন দিলেন রওশন এরশাদ

প্রকাশ: ০৮:৪৬ এএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী হিসেবে আসন্ন রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মোস্তাফিজার রহমানকে সমর্থন দিয়েছেন সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও পার্টির (জাপা) প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ।

গতকাল (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে আনুষ্ঠানিকভাবে মোস্তাফিজারের নাম ঘোষণা করেন রওশন এরশাদ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিরোধী দলীয় নেতার মুখপাত্র কাজী মামুনূর রশীদ সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

এর আগে গত ৩ অক্টোবর রংপুর সফরে গিয়ে জেলা ও মহানগর জাপার যৌথ কর্মিসভায় মোস্তাফিজার রহমানকে প্রার্থী ঘোষণা করেন পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। পরে গত ১৪ নভেম্বর জাপা কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুর কাছ থেকে তার পক্ষে এসএম ইয়াসির মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন।

সোমবার রাতে ঢাকায় এসে রওশন এরশাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মোস্তাফিজার রহমান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলীয় নেতার রাজনৈতিক সচিব গোলাম মসীহ্, জাতীয় পার্টি ও বিরোধী দলীয় নেতার মুখপাত্র কাজী মামুনূর রশীদ, রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ ও রওশন এরশাদের পুত্রবধূ মাহিমা সাদ।



মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন