ইনসাইড পলিটিক্স

বানারীপাড়ায় মেম্বার হতে সাবেক দুই চেয়ারম্যানের মরণপণ লড়াই

প্রকাশ: ১০:০৪ পিএম, ১৬ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail বানারীপাড়ায় মেম্বার হতে সাবেক দুই চেয়ারম্যানের মরণপণ লড়াই

রাত পোহালেই বরিশালের বানারীপাড়ায় জেলা পরিষদ নির্বাচন। জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গির হোসেন ইতোমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হওয়ায় বানারীপাড়ায় সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। 

বানারীপাড়া উপজেলায় (সাধারণ ওয়ার্ড-৫) নম্বরে আওয়ামী লীগের সাবেক দুই জনপ্রিয় ইউপি চেয়ারম্যান এবার জেলা পরিষদের মেম্বর (সদস্য) পদে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন। এরা হলেন উপজেলার উদয়কাঠি ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মামুন-উর-রশিদ স্বপন ( ঘুড়ি) ও সলিয়াবাকপুর ইউপির দুইবারের চেয়ারম্যান জিয়াউল হক মিন্টু (তালা)। 

শেষ মুহূর্তে এসে আওয়ামী লীগের সমর্থন পান মামুন-উর-রশিদ স্বপন। তদুপরি এখানে সাবেক দুই প্রভাবশালী ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যে বাঘে-সিংহে লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে। এছাড়া সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে (ওয়ার্ড নম্বর-২ বানারীপাড়া, বাবুগঞ্জ ও মুলাদী উপজেলা) ৬ জন প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। এরা হলেন বানারীপাড়ার শিউলী রহমান পুতুল ( ফুটবল),নাজমিন জাহান পলি ( দোয়াত-কলম ) ও সারা বুলু বিশ্বাস (হরিণ),বাবুগঞ্জ উপজেলার নাজমুন নাহার (ঘড়ি), এবং মুলাদী উপজেলার আয়শা রহমান (বই) ও সালমা রহমান (মাইক)। শেষ মুহূর্তে এসে সারা বুলু বিশ্বাস নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ায় এখানে ৫ নারী প্রার্থী বিজয়ী হতে মরণপণ লড়াই করছেন। নির্বাচনকে ঘিরে এখানে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমূখরতা বিরাজ করছে। প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে রয়েছে বিজয়ের রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষাও। এদিকে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠ’, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষে বানারীপাড়া সরকারি ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন (পাইলট) হাই স্কুলের ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও  এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস এবং বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট আরাফাত হোসেন ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব পালণ করবেন। ১৭ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।  প্রসঙ্গত, বানারীপাড়া উপজেলায় পৌরসভা ও ৮ ইউনিয়নে মোট ভোটার ১২০ জন। এরমধ্যে দুইজন ইউপি সদস্য মৃত্যুবরণ করায় এবং উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ গোলাম ফারুক চিকিৎসার জন্য খাইল্যান্ডে ও উপজেলার উদয়কাঠি ইউপি চেয়ারম্যান রাহাদ আহাম্মেদ ননী যুক্তরাষ্ট্রে থাকায় ১১৬ জন ভোটারের মন জয় করতে প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা নানাভাবে শেষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

বানারীপাড়া   মেম্বার   চেয়ারম্যান   লড়াই  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

বলেছিলাম ‘ঘোড়ার ডিম হবে’ আসলে কিছুই হয়নি: শামীম ওসমান

প্রকাশ: ০৯:০৫ পিএম, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail শামীম ওসমান। ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান বলেছেন, ১০ তারিখের আলটিমেটাম দিয়েছিল বিএনপি, বলেছিল ১১ তারিখ তারেক জিয়া আসবে। তখন আমি বলেছিলাম ‘ঘোড়ার ডিম হবে’। আসলেই কিছুই হয়নি। ডিমও পাড়েনি। 

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বিকালে নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়ায় জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন চলাকালে গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন শামীম ওসমান।

শামীম ওসমান বলেন, মূলত বিএনপিতে এখন দুটি গ্রুপ। একটি ভাইয়া গ্রুপ আরেকটি আম্মা গ্রুপ। ভাইয়া গ্রুপের যে নেতা তিনি দেশের বাইরে আছেন। সেখান থেকে তিনি ষড়যন্ত্র করছেন। তিনি বিএনপির বহু নেতাকর্মীর জীবনকে ধংস করছেন। তার টার্গেট নির্বাচন না। তার টার্গেট বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দেশে ফিরে আসা। 

তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচনে আসবে কি-না সেটা নিয়ে আমরা চিন্তিত না। জাতির পিতার কন্যার উপর রহমতের চাদর বিছিয়ে দেওয়া আছে। তাকে বার বার হত্যার চেষ্টা করেও কাজ হয়নি। সামনে যে খেলা হবে সে খেলায় আমরাই জিতবো। আওয়ামী লীগ আবারো ক্ষমতায় আসবে এটা নিশ্চিত। আবারো শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হবেন।

সুইডেনে কোরআন পোড়ানো প্রসঙ্গে বলেন, যারা এ ঘৃণিত কাজটি করেছে তাদের শাস্তি দাবি জানাচ্ছি। এটা তো সুইডেন করেনি বরং একজন ব্যক্তি করেছে। যারা যিনি করেছেন তাদের/তার প্রতি ঘৃণা জানাচ্ছি। বিশ্বে সর্বপ্রথম বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। বাংলাদেশে যারা এ নিয়ে আন্দোলন করেছেন আমি তাদের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছি। 

শামীম ওসমান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

মৃত্যুভয় উপেক্ষা করে দেশে ফিরেছিলেন শেখ হাসিনা

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের সভাপতি করা হয় শেখ হাসিনাকে। যখন শেখ হাসিনাকে সভাপতি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সে সময় তিনি দিল্লীতে অবস্থান করছিলেন। সভাপতি হওয়ার পরপরই তিনি দেশে ফেরার জন্য প্রত্যয় ঘোষণা করেন। কিন্তু তৎকালীন স্বৈরচারী সরকার জিয়াউর রহমান তাকে দেশে ফেরা পথে বাধা তৈরি করেন। কিন্তু সমস্ত বাধা বিপত্তি, ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। এটিই প্রথম ঘটনা নয়, এক-এগারো সময়ও শেখ হাসিনাকে বিদেশে রেখে মাইনাস করার একটা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। সে সময় ওই ষড়যন্ত্র তিনি ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করেছিলেন। কি হয়েছিল সে সময়? মহিউদ্দিন আহমেদের এক-এগারো বইয়ে সে সময়ের কথা সুস্পষ্টভাবে বলা আছে। সেখানে বলা আছে;

১৩ মার্চ ২০০৭ ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে গিয়ে ভিসা নেন শেখ হাসিনা। ওই সময় তিনি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত গীতা পাসির সঙ্গে কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়, তিনি এক মাসের জন্য ব্যক্তিগত সফরে যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন এবং ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ নাতনিদের সঙ্গে সময় কাটাবেন। এ ছাড়া তিনি কানের চিকিৎসাও করাবেন।

যুক্তরাষ্ট্রে রওনা দেওয়ার আগে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী ধানমন্ডির সুধা সদনে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন। ১৫ মার্চ বিকেলে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পথে লন্ডন রওনা হন।

শেখ হাসিনা ঢাকা ছাড়ার সময় জানিয়েছিলেন যে এক মাসের মধ্যেই তিনি ফিরবেন । ২৩ এপ্রিল তাঁর ঢাকা ফেরার কথা। দেশে ফিরে তাঁর বিরুদ্ধে আনা মামলার মোকাবিলা করবেন বলে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন। ফেরার পথে লন্ডনে তাঁর যাত্রাবিরতির কথা ছিল।

১৮ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেসনোটে ২৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। প্রেসনোটে বলা হয়, তাঁর ফিরে আসা দেশের আইনশৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা, জননিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। আইন উপদেষ্টা মইনুল হোসেন বিবিসিকে বলেন, প্রেসনোটের বক্তব্য হচ্ছে হাসিনার দেশে ফেরার ক্ষেত্রে একধরনের নিষেধাজ্ঞা। মইনুল বলেন, 'তাঁকে বারবার অনুরোধ জানানো এখন আপনার দেশে ফেরার প্রয়োজন নেই। আপনি সময় নিয়ে আসুন। এখানে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা রয়েছে। তারপর তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যেসব বক্তব্য দিয়ে আসছেন, এটি এখানে একধরনের উসকানির সৃষ্টি করেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, তিনি একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে এখানে আসছেন।’ দেশে চলে এলে কা হতে পারে, বিবিসির এমন প্রশ্নের জবাবে মইনুল বলেন, ‘আমরা এয়ারলাইনসগুলোকে অনুরোধ করেছি তাঁকে না নিয়ে আসার জন্য ।’ সরকারের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও হাসিনা ২৩ এপ্রিল ঢাকা ফেরার ঘোষণা দিয়ে ১৯ এপ্রিল বিকেলে লন্ডনে পৌঁছান। ২০ এপ্রিল যুক্তরাজ্যের ‘অল পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের’ (এপিপিজি) সঙ্গে তিনি দেড় ঘণ্টা বৈঠক করেন। বৈঠকে হাউস অব লর্ডসের নেতা ব্যারোনেস ইমোস, ব্যারোনেস জেনিটাং, ব্যারোনেস রয়াল লর্ড এভবারি, ব্যারোনেস পলা মঞ্জিলা উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন। ব্যারোনেস মঞ্জিলা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এপিপিজি বাংলাদেশের বন্ধু। তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সংস্কারমূলক কাজগুলো সমর্থন করে, আবার একই সঙ্গে শেখ হাসিনার বক্তব্যের ব্যাপারেও তারা সচেতন।

এর আগে ১১ এপ্রিল ২৮ অক্টোবর (২০০৬) পল্টনে সহিংসতার অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ১৪ দলের ৪৬ জন নেতা-কর্মী এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী ও সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছিল মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। ২২ এপ্রিল ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

শেখ হাসিনা ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ফিরতে চাইলে লন্ডনের হিথরো এয়ারপোর্টে তাঁকে বোর্ডিং পাস দেওয়া হয়নি। ২৪ এপ্রিল ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের ব্যবস্থাপক জেমস ফরস্টার এক লিখিত ব্যাখ্যায় বলেন, বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি লিখিতভাবে জানানোয় তাঁকে বোর্ডিং পাস দেওয়া হয়নি। ..... ২৪ এপ্রিল শেখ হাসিনার পক্ষের আইনজীবীরা তাঁর দেশে ফেরার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে জারি করা প্রেসনোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ ও তাঁর দেশে ফেরার বাধা দূর করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদনের অনুমতি চান। হাইকোর্ট ২৬ এপ্রিল রিট দায়েরের অনুমতি দেওয়ার কথা জানিয়ে ২৯ এপ্রিল এর ওপর শুনানি হবে বলে জানান ।

কিন্তু তার আগেই সরকারি সিদ্ধান্ত পাল্টে যায়। ২৬ এপ্রিল বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে চারজন উপদেষ্টা ও উচ্চপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এক বৈঠকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। 

সূত্র: এক-এগারো, বাংলাদেশ ২০০৭-২০০৮, মহিউদ্দিন আহমদ।

শেখ হাসিনা   আওয়ামী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

‘২০১৪-১৫ সালে বিএনপি-জামায়াত ১৬৫ জন জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে’

প্রকাশ: ০৭:৪৪ পিএম, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail শান্তি সমাবেশে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, ‘ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের পর সারা বিশ্ব বিপদগ্রস্থ। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি। সারা পৃথিবীর মানুষ বুঝে কিন্তু বিএনপি জামায়াত শক্তি তা বুঝে না। তারা এই ইস্যুটিকে সামনে এনে বর্তমান সরকারের পতন চায়। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার পতন চেয়ে তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়।’

মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, ‘২০১৪-১৫ সালেও এই রকম দাবি তুলে তারা দেশে হরতাল অবরোধ ডাকে। সে সময় বিএনপি জামায়াত দেশের ১৬৫ জীবন্ত মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের মানুষ ভালো আছে। ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে শেখ হাসিনাকে হত্যা করার চেষ্টা করেছে।’

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় দেশব্যাপী বিএনপি-জামাতের নৈরাজ্য ও তাণ্ডবের প্রতিবাদে পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কে  আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশের নির্দেশে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের উদ্যোগে আয়োজিত শান্তি সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন।  

যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত ও তাদের পরাশক্তি যদি আবার সেই ২০১৩-২০১৪ সালের মতো তাণ্ডব চালানোর চেষ্টা করে, সাধারণ জনগণের ওপর হামলা করে, মানুষ হত্যা করে তাহলে তাদের সেই হাত ভেঙ্গে চুরমার করে দেয়া হবে। শুধু ঢাকা শহর নয়, সারাদেশেই যুবলীগ এর জবাব দিবে। যুবলীগ বিএনপি-জামায়াতের ফখরুলদের ঘর থেকে বের হওয়া বন্ধ করে দিবে।’

পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কে  আওয়ামী যুবলীগের শান্তি সমাবেশ

তিনি বলেন, ‘বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় থেকে হাওয়া ভবন বানিয়ে লুটতরাজ করে হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। বিদেশে পাচার করেছে। ছাত্র সমাজের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছিলেন। তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে দেশের মানুষের বিরুদ্ধে তাদের ব্যবহার করেছিলেন। দেশের অশান্তির সৃষ্টি করেছিলেন।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত দেশের শত্রু। তারা স্বাধীনতার শত্রু। একাত্তরে তারা এদেশের স্বাধীনতা চায়নি। জিয়াউর রহমান সেই পরাজিত শক্তিকে, স্বাধীনতার শত্রু জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া আমাদের মা-বোনদের পাকিস্তানিদের ক্যাম্পে তুলে দিয়েছিলেন। মা-বোনদের ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিলেন। তাদের গাড়িতে এই স্বাধীন দেশের জাতীয় পতাকা উড়েছিল। এরা যখনই আবার ক্ষমতায় আসবে তখনই বাংলাদেশের মানুষ প্রশ্নবিদ্ধ হবে, জঙ্গি হামলার শিকার হবে। বাংলাদেশের মানুষ বিপথগামী হবে। অতএব তাদেরকে ক্ষমতায় আসতে দেয়া যাবেনা।’ 

নিখিল বলেন, ‘যারা বিএনপি জামায়াত দলকে সমর্থন করে তারা দেশের শত্রু, জাতির শত্রু। যে দলের নেতৃত্বে এই দেশ স্বাধীন হয়েছে সে দলকে বর্তমান নেতৃত্ব দিচ্ছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। আপনারা যারা বিএনপি জামায়াতকে সমর্থন করছেন তাদের দলের জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত।’

শান্তি সমাবেশে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানার সভাপতিত্বে সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজা। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য- হাবিবুর রহমান পবন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- মো. বদিউল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক- কাজী মো. মাজহারুল ইসলাম, মো. সাইফুর রহমান সোহাগ, প্রচার সম্পাদক- জয়দেব নন্দী, উপ- দপ্তর সম্পাদক- মো. দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা। এ সময় মহানগর ও ওয়ার্ড যুবলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


শান্তি সমাবেশ   যুবলীগ   মাইনুল হোসেন খান নিখিল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

পালানোর রাজনীতি কার?

প্রকাশ: ০৭:০০ পিএম, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

রাজশাহীর জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা পালাই না, পালানোর রেকর্ড হলো বিএনপির।’ রোববার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ কখনো পালায় না, পিছু হটে না। যারা বলে আওয়ামী লীগ পালানোর পথ খুঁজে পাবে না তাদের স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমরা পালাই না। আপনাদের নেতারাই পালায়।’

তিনি বলেন, ‘সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় আমাকে দেশে ফিরতে দিবে না। তখন আমি জোর করে দেশে ফিরে এসেছিলাম। আমার ওপর মার্ডার মামলা দেয়া হয়েছিল। আমি বাংলার মানুষের কথা চিন্তা করে ফিরে এসেছিলাম। বিএনপি নাকি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করবে। বিএনপির নেতা কে? তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দুর্নীতির দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে স্ট্যাম্প কাগজে মুচলেকো দিয়েছিলো, রাজনীতি করবে না, এরপর পালিয়ে গিয়েছিলো।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জনগনকে নিয়ে কাজ করে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় থাকে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়।’

এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপির নেতারা তাদের বক্তব্যে কথায় কথায় বলে থাকেন, আওয়ামী লীগ পালানোর পথ খোঁজে পাবে না। কিন্তু পালানোর রাজনীতি কার? -ইতহাসবিদ, রাজনীতিবিদ সবারই তা জানা। বিএনপির নেতাদের এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেছেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের একটি বক্তব্যকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাঁরা জানান, গত রোববার (৯ জানুয়ারি) কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার সৈয়দপুর এলাকার একটি হোটেলে কর্মশালায় বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমরা আন্দোলনের ১০ দফা ঘোষণা করেছি। এরই মধ্যে আমাদের গণমিছিল, গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সারাদেশে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসব কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে। এরপর আমরা গণঅভ্যূত্থানের ডাক দেব। সবাই এক হয়ে কর্মসূচি পালন করবে। তখন গণতন্ত্র হরণকারী এই সরকার পালানোর পথ খুঁজে পাবে না।’   

অন্যদিকে সোমবার (৩০ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজশাহীর সমাবেশে দেওয়া বক্তেব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, 'এক-এগারোতে গ্রেপ্তার হওয়ার পরে কারা কারা পালিয়েছিল দেশ ছেড়ে এটা সবাই জানে।'

গতকাল রাজশাহীর জনসভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, 'এক-এগারোতে গ্রেপ্তার হওয়ার পরে কারা কারা পালিয়েছিল দেশ ছেড়ে এটা সবাই জানে কিন্তু পালায়নি একজন, তিনি হলেন- দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি পরিষ্কার করে বলেছিলেন, বিদেশে আমার কোনো জায়গা নেই। এই দেশ আমার, এই মাটি আমার। আমার জন্ম এখানে, মরলেও আমি এখানে মরবো।'

বর্তমান সরকারের পদত্যাগ, নির্দলীয় নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যবস্থাসহ ১০ দফা দাবি আদায়ে সোমবার দুপুরে যাত্রাবাড়ীতে পদযাত্রা শুরুর আগে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এসব বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জানান, ১/১১ এর সময়ে তারেক জিয়া তখন জেলে। সে সময় খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হলো। খালেদা জিয়া তখন তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে আবেদন করে অনুনয়-বিনয় করলেন, আকূল আবেদন করলেন, যেন তারেক জিয়াকে মুক্ত করা হয়। বলা হলো, তারেক জিয়া মুক্ত হলে তিনি দেশে থাকবেন না এবং রাজনীতি করবেন না। এরপর তারেক জিয়াকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হলো। জেল থেকে বের হয়ে তারেক জিয়া শুধু খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেই সরাসরি বিমান বন্দরে চলে গেলেন। সে সময় তারেক জিয়া বিমান বন্দরে একটি মুচলেকা দিয়েই দেশ ত্যাগ করলেন। এটাই হলো বাংলাদেশের রাজনীতিতে পলায়নের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। সে সময় শুধু তারেক জিয়া নয়, হাওয়া ভবনে তারেক জিয়ার যারা যারা সাঙ্গ-পাঙ্গ ছিলেন, তাদের প্রায় সবাই পালিয়ে যায় এবং এখন অবধি তারা বিদেশেই অবস্থান করছেন। 

এছাড়াও, ১/১১ এর সময়ে বিএনপির মধ্যে পালানোর একটা রেকর্ড তৈরি হয়। তবে এটিই শুধু বিএনপির মধ্যে পালানোর একমাত্র ঘটনা নয়, সাম্প্রতিক সময়ে বেগম খালেদা জিয়া যখন অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, তখন তিনিও দণ্ড এড়ানোর জন্য চিকিৎসার অজুহাত দেখিয়ে নিজেকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তাব করেন। এর জন্য তিনি মুচলেকা দিতেও রাজি ছিলেন। কিন্তু সরকার শেষ পর্যন্ত আইন মোতাবেক তাকে বিদেশে যেতে দিতে রাজি হয়নি।                         

অন্যদিকে, শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল যখন সন্তান সম্ভাব্য ছিলেন, তাকে দেখার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। তখন ফেরার পথে তাকে বাঁধা দেওয়া হয়। সে সময় শেখ হাসিনা বলেছিলেন, আমি দেশে যাব এবং আমাকে নিয়ে যদি কোনো অভিযোগ থাকে, তবে তা নিয়ে দেশে যেন আমার বিচার হয়। ওই সময়ে শেখ হাসিনা যখন দেশে ফিরছিলেন, তাকে বাঁধা প্রদান করা হয়। এই বাঁধা উপেক্ষা করে তিনি ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি বিমানে করে আমেরিকা থেকে লন্ডনের হিথ্রো বিমান বন্দরে আসেন। সেখান থেকে তিনি যখন ঢাকায় আসেন। আসার পথে তাঁকে বর্ডিং পাস দিতে অস্বীকৃতি জানায় ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ। পরে এর প্রেক্ষিতে দেশে এবং বিদেশে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। অবশেষে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাকে দেশে প্রবেশ করতে দিতে বাধ্য হয়। দেশে প্রবেশ করার পর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয় এবং তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ দুটি ঘটনাই বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি অন্যতম আলোচিত ঘটনা। যেখান থেকে বোঝা যায় রাজনীতিতে কারা পালায়ন করেছে বলেও জানান রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বিএনপি   ওবায়দুল কাদের   আওয়ামী লীগ   মির্জা ফখরুল ইসলাম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

‘ওয়ান ইলেভেনে পালানোর গল্প শুধু বিএনপির আছে’

প্রকাশ: ০৬:৫৭ পিএম, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

পথ হারিয়ে বিএনপি পদযাত্রা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কখনো পালিয়ে যায়নি। ওয়ান ইলেভেনে পালানোর গল্প শুধু বিএনপির আছে। রাজনীতি না করার মুচলেকা দিয়ে পালিয়ে আছে। রিমোট কন্ট্রোলে অদৃশ্য নির্দেশে চলা আন্দোলন করে বাংলাদেশে জেতা যাবে না।’

সোমবার (৩০ জানয়ারি) বিকেলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, 'মানুষের মনের জোর যখন কমে যায় তখন গলার জোর বেড়ে যায়। বিএনপির অবস্থা তাই হয়েছে। বিএনপি নেতাদের মনের জোর কমে যাওয়ায় গলার জোর বেড়ে গেছে। পথ হারিয়ে তারা পদযাত্রা শুরু করেছে।' 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘হঠাৎ বিএনপি এতো শান্ত কেনো? পথ হারিয়ে তারা পদযাত্রা শুরু করেছে। এর মধ্য দিয়ে বিএনপির আন্দোলনের মরণ যাত্রা শুরু হয়েছে। ফখরুল ইসলামের গলার জোর বেড়ে গেছে। বিক্ষোভ কর্মসূচি এখন নিরব কেন? ফখরুল সাহেব অনেক বিষোদগার করেছেন।’

'আওয়ামী লীগের পায়ের নিচে মাটি নেই' বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কার পায়ের নিচে মাটি আছে, কার নেই তার প্রমাণের জন্য দরকার নির্বাচন। আসুন নির্বাচনে। আমরা ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চাই না। খেলা হবে। নির্বাচনের খেলা হবে। তখন দেখা যাবে কার পায়ের নিচে মাটি আছে আর কার নেই।’

শান্তি সমাবেশে মতিয়া চৌধুরী বলেন, বিএনপি জামায়াত আবারও বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে চেষ্টা করছে। দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শেখ হাসিনা সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকার প্রতিটি নাগরিকের জন্য গৃহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ভাবে মানুষের মাথা গোজার ঠাঁই করে দিয়েছেন অতীতে আর কেউ করে দেন নাই। চিকিৎসার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক করে দিয়েছেন সেখানে বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়া যায়।

বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহবান জানিয়ে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, ক্ষমতায় যেতে চাইলে ভোটে আসেন, অন্য কোন পথে ক্ষমতায় যাওয়া যাবে না। রাজপথে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করবেন না। নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে রাজপথে জবাব দেওয়া হবে।

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, বিএনপি গণতন্ত্রের কথা বলে, মানবাধিকারের কথা বলে তাদের সময় এগুলো কোথায় ছিলো। তাদের জন্যই আজ শান্তি সমাবেশ করতে হয়। তারা গণতন্ত্র, স্বাধীনতা কিছুই বিশ্বাস করে না। তারা লুটপাট সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল করতে চায়। তিনি বলেন, বিএনপির নেতৃত্বাধীন পিপিলিকার মতো দল নিয়ে গঠিত জোট ভাঙার ইচ্ছে আওয়ামী লীগের নেই। বিএনপির মধ্যে ভাঙনের সুর বাজছে, আগামী নির্বাচনে অংশ না নিলে দলের মধ্যেই ভাঙ্গন দেখা দেবে, অস্তিত্ব সংকটে পড়বে বিএনপি।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, এডভোকেট কামরুল ইসলাম ও ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির বক্তব্য রাখেন।


আওয়ামী লীগ   সাধারণ সম্পাদক   সড়ক পরিবহন   সেতুমন্ত্রী   ওবায়দুল কাদের  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন