ইনসাইড পলিটিক্স

সোহরাওয়ার্দীতে নয়, নয়াপল্টনেই সমাবেশে করবে বিএনপি

প্রকাশ: ০৫:৩৮ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

আগামী ১০ ডিসেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণসমাবেশ করার জন্য বিএনপিকে অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। কিন্তু নিজেদের অবস্থানেই অনড় রয়েছে বিএনপি। দলটি এখনও নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করতে চায়।

এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘প্রথমত, আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুমতিই চাইনি। আমাদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করার কথাই আমরা ডিএমপি কমিশনারকে বলেছি। আমাদের এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নয়াপল্টনেই করার। ডিএমপি যে চিঠি দিয়েছে, সেটা নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতারা বসবেন।’ 

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সদরদপ্তর ও প্রশাসন) আব্দুল মোমেনের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে শর্ত সাপেক্ষে আগামী ১০ ডিসেম্বর (শনিবার) বিএনপিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণ-সমাবেশের অনুমতি দেয় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। 

১০ ডিসেম্বর   নয়াপল্টন   বিএনপি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

‘সুযোগ পেলেই আবার নাশকতা করবে, জনগণকে ছোবল মারবে বিএনপি’

প্রকাশ: ০৯:১৬ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিএনপি এখন যদিওবা নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের বাহানা করছে, কিন্তু সুযোগ পেলেই আবার নাশকতা করবে, জনগণকে ছোবল মারবে। তাই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি জানে নির্বাচনে তাদের কোন সম্ভাবনা নেই, তাই তারা অনেক ষড়যন্ত্র এঁকেছে। নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা করার ষড়যন্ত্র করেছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজপথের দল। আমরা রাজপথে নেমেছি, নির্বাচন পর্যন্ত রাজপথে থাকব। কাউকে দেশে বিশৃঙ্খলা করতে দেয়া হবে না। যদি কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালায় আওয়ামী লীগ জনগণকে সাথে নিয়ে তাদের প্রতিহত করবে।’

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বন্দরনগরীর আন্দরকিল্লা মোড়ে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘দিয়াশলাইয়ের কাঠিতে যেমন খোঁচা দিলে জ্বলে ওঠে তেমনি আমাদের নেতাকর্মীদের একটা গুণ হল খোঁচা দিলে তারা জ্বলে ওঠে। বিএনপি আমাদের খোঁচা দিয়েছে, আমরা জ্বলে উঠেছি, রাজপথে নেমেছি। আগামী নির্বাচনে বিজয় ছিনিয়ে আনা ছাড়া আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা আর ঘরে ফিরে যাবে না।’

অতীতের উদাহরণ দিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘তারা ঘোষণা দিয়েছিল গত ১০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সরকারকে বিদায় করে দেবে, ১০ লক্ষ মানুষের সমাবেশ করবে, ১০ তারিখের পর বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে না কি দেশ চলবে। তারা যাতে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাবেশ করতে পারে সেজন্য আমরা বললাম সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে না গেলেও বাণিজ্য মেলার মাঠ কিংবা বিশ্ব ইজতেমার মাঠে যান। তারা বলল, নয়াপল্টনের অফিসের সামনেই সমাবেশ করবেন। শেষ পর্যন্ত গরুর হাটের মাঠে সমাবেশ করল। আর তাদের অফিসে পাওয়া গেল তাজা বোমা, দুই লাখ পানির বোতল, কয়েক টন চাল। তার মানে, তাদের পরিকল্পনা ছিল ঢাকা শহরে বোমাবাজি করে বিশৃঙ্খলা তৈরী করা।’ 

তিনি বলেন, ‘এরপর বিএনপি দিল হাঁটা কর্মসূচি, পদযাত্রা। মানুষ বলে, বিএনপির মনে হয় দম ফুরিয়ে গেছে। দুর্মূখেরা এও বলছে যে বিএনপি ভবিষ্যতে হামাগুড়ি দেওয়া শুরু করবে। এখন তারা সমগ্র বাংলাদেশে আটটি জায়গায় সমাবেশের ডাক দিয়েছে। তাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশে একটি বিশৃঙ্খলা তৈরী করা।’ 

‘বাংলাদেশে আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না’ সাফ জানিয়ে মন্ত্রী হাছান বলেন, ‘দুনিয়ার কোথাও তত্ত্বাবধায়ক সরকার নেই, আছে শুধু একমাত্র পাকিস্তানে। বাংলাদেশ পাকিস্তানকে অনুকরণ করে না, পাকিস্তান এখন বাংলাদেশকে অনুকরণ করে। সংসদীয় গণতান্ত্রিক সকল দেশে যেই সরকার ক্ষমতায় থাকে তারাই নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন করে। আমাদের দেশেও নির্বাচনকালীন  জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকবেন, তার সরকার নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। আর নির্বাচন হবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে।’ 

মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদের সঞ্চালনায় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। সমাবেশে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য আলহাজ নঈম উদ্দিন চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, উপদেষ্টা আলহাজ্ব শফর আলী, কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ প্রমুখ।


শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন তথ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের মধ্যে সহায়তা চেক বিতরণ করেন এবং উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন। 

ড. হাছান বলেন, ‘এটি নির্বাচনের বছর। সাংবাদিকরা জনমত গঠন করে, মানুষের মনন তৈরি করে। অবশ্যই সাংবাদিকরা সমালোচনাও করবেন, কিন্তু একটি কথা আমাদের মাথায় রাখতে হবে- দেশ কি এগুবে, না কি পশ্চাৎপদ হবে! দেশ কি পাকিস্তান হবে না কি মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুর হবে!’

দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘আগামী নির্বাচন দেশের জন্য এবং জাতির জন্য অত্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। কারণ সেই নির্বাচনে ফয়সালা হবে দেশের যে উন্নয়ন অগ্রগতি চলমান সেটি অব্যাহত থাকবে  না কি দেশ আবার পশ্চাৎপদ হবে। সে জন্য আমি তথ্যমন্ত্রী হিসেবে এবং আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে আপনাদের সহযোগিতা চাই।’

সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা একজন সাংবাদিকবান্ধব নেত্রী। তার সরকার সাংবাদিকবান্ধব সরকার। সে কারণেই সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে দল-মত নির্বিশেষে সাংবাদিকদের সহায়তা করা হচ্ছে। এর বাইরেও প্রধানমন্ত্রী নিজস্ব ঐচ্ছিক তহবিল থেকে মাঝেমধ্যেই সাংবাদিকদের সহায়তা করে থাকেন। ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নসহ আরো গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয় থাকলে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ নিয়ে সমাধান করা হবে।’ 

এ সময় চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি তপন চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শামছুল ইসলামের সঞ্চালনয় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুভাষ চন্দ বাদল, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি ওমর ফারুক, মহাসচিব দীপ আজাদ, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সভাপতি সালাউদ্দিন মো. রেজা, সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন এবং মন্ত্রীর সাথে চেক বিতরণে অংশ নেন।


তথ্যমন্ত্রী   ড. হাছান মাহমুদ   শান্তি সমাবেশ   বিএনপি   সাংবাদিক   আওয়ামী লীগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাবে না বিএনপি: মির্জা আব্বাস

প্রকাশ: ০৮:৫৬ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে আওয়ামী লীগ-জামায়াত জোট বারবার বলেছিল, ‘এই মুহূর্তে দরকার, তত্ত্বাবধায়ক সরকার।’ আজকের প্রধানমন্ত্রীও চিরদিনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকবে বলেছিলেন। কিন্তু আজ ক্ষমতায় এসেই একনায়কতন্ত্র কায়েম করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাদ দিলেন। এখন বলেন, এটা কোর্টের রায়। কোর্টের রায়ে বাংলাদেশের জনগণ সব সময় চলে না। কোর্টের রায়ে রাজনীতি নির্ধারণ হয় না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া বিএনপি নির্বাচনে যাবে না।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাজশাহী নগরীর সোনাদিঘীর মোড়ে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির এই সংগ্রাম জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম। বিএনপি আজ জনগণের ভোটের অধিকারের জন্য, গুম-খুন বন্ধের জন্য লড়াই করছে। আমরা যখন রাজপথে কোনো প্রোগ্রাম করি তখন আওয়ামী লীগের বুকে কম্পন ধরে। আওয়ামী লীগ এটাকে বলে, ‘বিএনপির মরণযাত্রা।’ এটা বিএনপির মরণযাত্রা নয়, এটা আওয়ামী লীগের অগ্রিম শবযাত্রা। যেটা সারা বাংলাদেশে শুরু হয়েছে।

রাজশাহী নয়, পুরো বাংলাদেশ বিএনপির ঘাঁটি দাবি করে মির্জা আব্বাস বলেন, রাজশাহীতে আওয়ামী লীগ নেতারা এসে বললেন, রাজশাহী আগে বিএনপির ঘাঁটি ছিল, এখন আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হয়েছে। আমি বলি, নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দেন। পুরো দেশ বিএনপির ঘাঁটি হয়ে যাবে।

আওয়ামী লীগ সরকারের ১০ টাকা কেজি চাল ও ঘরে ঘরে চাকরির নির্বাচনী ইশতেহারের কঠোর সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, এই সরকারের আমলে সাধারণ মানুষের চাকরি হয়নি। আওয়ামী লীগের এক শ্রেণির লোকের চাকরি হয়েছে। আজকে তারা বলে, চাকরির পেছনে না ছুটে স্বাবলম্বী হোন। কীভাবে স্বাবলম্বী হবে? আওয়ামী লীগ তো দুর্নীতি, চাঁদাবাজি করে ব্যবসাকে নষ্ট করে ফেলেছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা ধাক্কা দিয়ে সরকারকে সরাতে চাই না। আমরা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে বিপুল ভোটে জয় লাভ করে সরকার গঠন করতে চাই। যেখানে সাধারণ মানুষ তাদের অধিকার ফিরে পাবে।

এসময় আওয়ামী লীগ সরকারের অনিয়ম-দুর্নীতির সমালোচনা করে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি ১০ দফার দাবির ভিত্তিতে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে প্রতিটি ইউনিয়নে পদযাত্রা কমসূচির ঘোষণা করেন।

সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মো. মিজানুর রহমান মিনু। সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভাকেট মো. এরশাদ আলী ঈশা। সঞ্চালনায় ছিলেন নগর বিএনপির সদস্য সচিব মামুন-অর-রশিদ ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বাবু বিশ্বনাথ সরকার।


তত্ত্বাবধায়ক সরকার   নির্বাচন   বিএনপি   মির্জা আব্বাস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

জনগণের আস্থা অর্জনে বিএনপি ধুঁকছে: হানিফ

প্রকাশ: ০৮:২৮ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

জনগণের আস্থা অর্জনে বিএনপি ধুঁকছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপি জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য সংগ্রাম করছে, কিন্তু পারছে না। কারণ তাদের দলের যে নেতৃত্ব আছে সেই নেতৃত্বে শিষ্টাচার, সভ্যতা, মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও সততার ঘাটতি আছে। 

তিনি বলেন, তাদের নেতৃত্ব (তারেক রহমান) সমাজের কাছে আদর্শ মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। সে আদর্শ মানুষ হিসেবে নিজেকে তৈরি করতে পারেনি, সে কখনোই জনগণের নেতা হতে পারে না।

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে জাতীয় শিশু কিশোর সংগঠন বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার জাতীয় সম্মেলন-২০২৩ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা অর্থনৈতিক দিক দিয়ে অনেক দূর এগিয়ে গেছি। ২০০৯ সালেও আমাদের মাথাপিছু আয় ছিল ৬০০ ডলারের নিচে, দারিদ্র্যসীমা ছিল ৬০ শতাংশ। আওয়ামী লীগ দেশের দায়িত্ব নিয়ে দরিদ্র বাংলাদেশকে বদলে দিয়েছে। দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় আজ প্রায় ৩ হাজার ডলার। দারিদ্র্যসীমা ২০ শতাংশের নিচে নেমে গেছে। আমাদের লক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা। যে স্বপ্ন জাতির পিতা দেখেছিলেন। সেই স্বপ্ন পূরণই এখন আমাদের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার মেধা, বিচক্ষণতায় আমরা উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছি। উন্নয়নের এ ধারা টেকসই রাখতে হলে আমাদের বর্তমান সমাজে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানুষকে আদর্শিক, নীতি নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সৎ নাগরিক গড়ে তোলা। কারণ অসৎ জাতি হলে এ উন্নয়ন ধরে রাখতে পারব না। 

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ করে হানিফ বলেন, ওনাদের নেতা তারেক রহমান। তার কোনো সভ্যতা, ভদ্রতা আছে? সভ্যতা সে শিখেনি। 

হানিফ বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে সন্ত্রাসের রাজনীতি করেছে, নির্বিচারে মানুষ হত্যা করেছে। আওয়ামী লীগের লাখ লাখ নেতা-কর্মীকে নির্যাতন করেছে। তাদের মধ্যে কোনো মানবতা বোধ ছিলো না। 

শিশু কিশোরদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পাকস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দুঃশাসনের প্রতিবাদ করায় বঙ্গবন্ধুকে বারবার কারাবরণ করতে হয়েছে। দেশের জন্য তার আত্মত্যাগ জানতে হবে। অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা পড়তে হবে।

সমাজ থেকে সভ্যতা-ভব্যতা হারিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে হানিফ বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই দেশ গড়বে। এদের মধ্যে নৈতিকতা, শিষ্টাচার না থাকলে সমাজ ভালোভাবে এগুতে পারবে না। 

সম্মেলনে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিশু কিশোরদের নিয়ে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু আততায়িরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে আমাদের সৌভাগ্যের দ্বার বন্ধ করে দিয়েছিল।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করবেন। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচার করেছেন। একাত্তরে যারা স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছে, হত্যা, ধর্ষণ করেছিল তাদের বিচার করেছেন। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরী, বাহাদুর বেপারী, লিয়াকত সিকদার, বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক মীর মোশাররেফ হোসেন, বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক মীর মোশাররেফ হোসেন, এবি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আফজাল, বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার উপদেষ্ঠা বীর মুক্তিযোদ্ধা মনোরঞ্জন ঘোষাল ও উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার মো. আব্দুস সোবহান প্রমুখ।


আওয়ামী লীগ   যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক   মাহবুবউল আলম হানিফ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে গেলে ফলাফল ভালো হবে না: নানক

প্রকাশ: ০৮:২০ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, বিএনপি-জামায়াতের অগ্নি সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঠিক নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিশ্বের বিস্ময়। ক্ষমতার লোভে বিএনপি জামায়াতকে নিয়ে বারবার উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু দেশের মানুষ তাদের পাত্তা দেননি। তারা বরাবরই শেখ হাসিনার সাথে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। 

এ সময় তিনি বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, ষড়যন্ত্রের পথ ছেড়ে গণতান্ত্রিক পথে আসুন। ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে গেলে এর ফলাফল ভালো হবে না। 

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সিলেটের চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নানক এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিএনপির লজ্জা নেই, তারা বেহায়া। বিএনপি বলেছিল, গত ১০ ডিসেম্বরের পর থেকে দেশ খালেদা জিয়া ও তাদের আব্বা হুজুরের কথায় চলবে। কিন্তু এ দেশ এখন পর্যন্ত চলছে বঙ্গবন্ধু কন্যার কথায়।

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, জনসমর্থন হারিয়ে আবুল-তাবুল বকছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। দেশের মানুষ কেবল শেখ হাসিনাকেই চায়। কারণ-শেখ হাসিনাই মেট্রোরেল, পদ্মাসেতু, সিলেটে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেট-ঢাকা ৬ লেন সড়কসহ বড় বড় উন্নয়ন করেছেন। শেখ হাসিনা দেশে উন্নয়নের মহাসমুদ্রে মহাপ্রলয় ঘটিয়েছেন।

স্বাধীনতা বিরোধী চক্র জামায়াত ইসলামের সন্ত্রাসীদের নিয়ে বিএনপি বারবার বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে দাবি করে আওয়ামী লীগের এই সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বলেন, তারা শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে দেশে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গভীর ষড়যন্ত্র করছে। তাদের নৈরাজ্য আর অগ্নিসন্ত্রাসের কথা মানুষ ভুলেন নি। আর তাই দেশের রাজনীতি থেকে এই দুটি দলকে তারা ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী নানক বলেন, উন্নয়নের ক্ষেত্রে আজ বাংলাদেশ বিশ্বের বিস্ময়। পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, কর্নফুলি ট্যানেলের মতো মেগা প্রকল্পগুলো শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাস্তবায়ন হয়েছে। এর সুফল পাচ্ছেন দেশের সাধারণ মানুষ। আওয়ামী লীগ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের রাজনীতি করে। আর বিএনপি-জামায়াত রাজনীতি করে ব্যক্তি বিশেষের ভাগ্য পরিবর্তনের। আর তাই দেশের মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছেন। মানুষ শেখ হাসিনা এবং  আওয়ামী লীগের সাথে অতিতে যেমন ছিলেন, তেমনি বর্তমানেও আছেন ভবিষ্যতেও থাকবেন। তারা উন্নয়ন চান। শেখ হাসিনা ভয়াবহ করোনা ও বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সফল। সফল উন্নয়নেও। তাই তিনি এখন বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা।

মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খানের পরিচালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক এমপি সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাবেক এমপি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-৩ আসনের এমপি হাবিবুর রহমান এমপি, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন। এছাড়াও সমাবেশে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামী লীগ   জাহাঙ্গীর কবির নানক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

মঞ্চ ভেঙে পড়ে পাঁচবার ড্রেসিং করতে হয়েছিল কাদেরকে

প্রকাশ: ০৭:৪৫ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের অনুষ্ঠানে মঞ্চ ভেঙে পড়ার ঘটনায় আহত হয়ে পাঁচবার ড্রেসিং করতে হয়েছিল বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কামরাঙ্গীরচর সরকারি হাসপাতাল মাঠে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এতো সুন্দর পরিবেশ, হাজার হাজার শিক্ষার্থী। মঞ্চে এত ভিড়, ধারণ করতে পারেনি। আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করলেন। আমার পাঁচ পাঁচবার ড্রেসিং করতে হয়েছে। আমিতো সেটা বলিনি। এসব নিয়েই আওয়ামী লীগের সভা-সমাবেশে আমি যাচ্ছি। প্রতিদিন পার্টি অফিসে আসি। দল করলে দলের শৃঙ্খলা মানতে হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, পেছনে এত লোক কেন দাঁড়িয়েছেন? আমাদের এত নেতার দরকার নেই। সরে যান। ছাত্র নেতারা এত বড় নেতা হয়ে গেছেন? তারা মঞ্চে কেন? এটা আওয়ামী লীগের মিটিং। আমি যখন ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলা তখন আওয়ামী লীগের মঞ্চ হতো বায়তুল মোকাররমের সামনে। আমি সভাপতি হয়ে একদিনও মঞ্চে উঠতে পারিনি, বক্তৃতা-তো দূরের কথা। আর এখন আমার ছাত্র ভাইদের জ্বালায় মঞ্চ ভেঙে পড়ে। সব প্রাক্তন নেতা!

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ডা. মহিউদ্দিন জালাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ প্রমুখ। শান্তি সমাবেশ পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ। 

ওবায়দুল কাদের   আওয়ামী লীগ   সাধারণ সম্পাদক  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন