ইনসাইড পলিটিক্স

চুরি করে ক্ষমতায় এসেছিল বলেই ভোটে ভয় পায় বিএনপি: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪:০৮ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চুরি করে ক্ষমতায় এসেছিল বলেই ভোটে ভয় পায় বিএনপি। দেশে আজকে দেশে গণতন্ত্র আছে বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিএনপির দুটি গুণ আছে। ভোট চুরি আর মানুষ খুন।

রোববার (৪ ডিসেম্বর) বিকালে চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের সমাবেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাকে ঘিরে মিছিলের নগরীতে রূপ নিয়েছে চট্টগ্রাম। স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠেছে বন্দরনগরী। নেতাকর্মীদের গায়ে ছবি সম্বলিত নানা রঙয়ের গেঞ্জিতে পুরো জনসভাস্থল রঙিন হয়ে ওঠেছে। এছাড়া পলোগ্রাউন্ড মাঠের আশপাশ ছেয়ে গেছে ব্যানার আর পোস্টারে।

এদিন সকাল ৮টার পর থেকেই বাদ্য বাজিয়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন সংসদীয় এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা জনসভাস্থলের দিকে আসতে থাকেন। আর চট্টগ্রামের বাইরের উপজেলা থেকে বাস-ট্রাকে করে নগরীতে প্রবেশ করেন নেতাকর্মীরা। এরপর পায়ে হেঁটে মিছিল নিয়ে তারা জনসভাস্থলে যান।

তবে জনসভায় অপ্রীতিকর ঘটনা ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে আগে থেকেই স্থানীয় সংসদ সদস্যের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে মিছিল আনার সিদ্ধান্ত দেয় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

কবির বিন আনোয়ারের কি হলো?

প্রকাশ: ০২:০২ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

গত ৩ জানুয়ারি মাত্র ১৭ দিন মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্ব পালন শেষে অবসরে গেছেন কবির বিন আনোয়ার। সাবেক ছাত্র লীগের নেতা হিসেবে পরিচিত এই দক্ষ সরকারি কর্মকর্তা মাত্র ১৭ দিন মন্ত্রিপরিষদ সচিব থাকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা মুখি আলোচনা হয়েছিলো। যখন তাকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব করা হয়, তখন অনেকেই ধারণা করেছিলো তার চাকরির মেয়াদ বাড়ানো হবে। কিন্তু বিস্ময়কর ভাবে না বাড়িয়ে মাত্র ১৭ দিনের মাথায় তাকে অবসরে পাঠানো হয়। এরপর নানা রকম গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।

কবির বিন আনোয়ারকে অবসরে পাঠানো নিয়ে বিভিন্ন মুখী বক্তব্য পাওয়া যায়। এর দুই দিন পরেই ৫ জানুয়ারি কবির বিন আনোয়ার ধানমন্ডির ৩ নম্বরে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে যান এবং সেখানে আওয়ামী লীগের দুইজন নেতা বিপ্লব বড়ুয়া ও ড. সেলিম মাহমুদ তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। সে কার্যালয়ে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান প্রয়াত এইচ টি ইমামের কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয় কবির বিন আনোয়ারকে এবং তিনি এইচ টি ইমামের চেয়ারে বসেন। সে সময়ে বিভিন্ন নেতা কর্মীদেকে তিনি বলেন তাকে নির্বাচনের ব্যাপারে সুস্পষ্ট কিছু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আগের দিন অবশ্যক কবির বিন আনোয়ার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সপরিবারে সাক্ষাৎ করেছিলেন। এবং সেখানে আগামী সংসদ নির্বাচনে কাজ করার জন্য তিনি আগ্রহ ব্যক্ত করেছিলেন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার আগ্রহে সায় দিয়েছেন এবং তাকে নির্বাচন পরিচালনার কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

এরপর কবির বিন আনোয়ারকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেখা যায়। সে সময়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েযে প্রয়াত এইচ টি ইমামের জায়গায় তাকে দেওয়া হচ্ছে এবং তিনি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীতে বা নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে কবির বিন আনোয়ারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় নাই। বিভিন্ন মহল থেকে বলা হয়েছিলো যে, কবির বিন আনোয়ারকে হয়তো প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা করা হবে। কিন্তু সে ব্যাপারেও এখন পর্যন্ত কোন সুনির্দিষ্ট ঘোষণা পাওয়া যায়নি। তাহলে কবির বিন আনোয়ারের পরিণতি কি হবে? কি হলো তার?

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, কবির বিন আনোয়ারের ব্যাপারে কতগুলো সুনির্দিষ্ট আইনগত সমস্যা রয়েছে। প্রথমত, তিনি একজন সরকারি কর্মকর্তা পি আর এল অবসরে আছেন। পি আর এলে থাকা মানে তিনি সরকারের বেতন ভাতা সহ সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করে থাকেন। এই সময় তিনি একজন সরকারি কর্মচারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার কারণে এই সময়ে তাকে কোন রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সরাসরি যুক্ত করা সম্ভব নয়। আওয়ামী লীগের একটি সূত্র বলছে যে, কবির বিন আনোয়ার এখন নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত কিছু দায়িত্ব পালন করছেন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায়। কিন্তু আনুষ্ঠানিক ভাবে তিনি কো-চেয়ারম্যান বা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য হতে পারবেন না চাকরির বাধ্যবাদকতার কারণে। এজন্য তাকে পি আর এল সমপন্ন করতে হবে এবং সে কাজটি এখন পর্যন্ত করা হয়নি। আবার কোন কোন মহল মনে করছেন যে, গণপ্রতিনিধির আদেশে ১২ এক এর চ ধারা ইতোমধ্যে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে এবং এই ধারাটি যদি শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়ে যায় তাহলে কবির বিন আনোয়ার আগামী সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের একটি আসন থেকে নির্বাচন করবেন। সিরাজগঞ্জের ওই আসনে বর্তমান এমপি ডাক্তার হাবিবে মিল্লাত নানা কারণে আগামী নির্বাচনে তিনি মননোয়ন পাবেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর সে নির্বাচনের জন্য তিনি প্রস্তুতি গ্রহণ করছেন। তবে আনুষ্ঠানিক ভাবে কোন পদ দেওয়া না হলেও কবির বিন আনোয়ার আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কার্যক্রমের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত আছেন বলেই বিভিন্ন মহল জানিয়েছেন।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

নরসিংদী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিবের বাড়িতে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ

প্রকাশ: ১১:৪৯ এএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব নরসিংদী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক খায়রুল কবির খোকনের বাড়িতে ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় সদর উপজেলার চিনিশপুর এলাকায় খোকনের বাড়িতে হামলা চালানো হয়।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে সিদ্দিকুর রহমান নাহিদকে সভাপতি মেহেদী হাসান রিফাতকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রদলের সদস্য বিশিষ্ট জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়। ছাত্রদলের কমিটিতে পদ না পেয়ে পদবঞ্জিতদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিলো। রাত টার দিকে চিনিশপুরের তিতাস গ্যাস অফিসের সামনে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল ছাত্রদলের এই কমিটি মানি না স্লোগান দিয়ে মশালসহ খোকনের বাড়ির দিকে এগুতো থাকে। সময় তাদের কাছে লাঠি চাপাতি ছিলো। তারা মিছিল নিয়ে এসে বাড়ির প্রধান ফটকের গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এই সময় ভিতরের ব্যানার, ফেস্টুন ভাঙচুর করে। তারা ভবনের জানালার কাঁচ ভেঙে ভেতরে মশাল নিক্ষেপ করলে ভেতরে থাকা চেয়ারসহ আসবাবপত্রে আগুন লেগে যায়। পরে তারা মিছিল নিয়ে জেলখানার দিকে চলে যায়।  

বাড়ির কেয়ারটেকার কাজল বলেন, আমি ভবনের ভিতরে ছিলাম। হঠাৎ একটি মিছিলের শব্দ শুনতে পেলাম। তারা গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মঞ্জুর এলাহীসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মঞ্জুর এলাহী বলেন, আজকে জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করায় পদবঞ্জিতদের মাঝে কিছুটা উত্তেজনা ছিলো। কিন্তু এঘটনার সাথে তারা জড়িত কিনা বলতে পারছি না। বাড়ির সিসি ক্যামেরা দেখে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নরসিংদী সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কাশেম ভূঁইয়া বলেন, কে বা কারা মশাল মিছিল নিয়ে গিয়ে বাসভবনের নিচতলায় অগ্নিসংযোগ করেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। 



মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

শেখ হাসিনা সত্য ও সুন্দরের অভিসারী: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশ: ০৯:২৪ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সত্য ও সুন্দরের অভিসারী বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) এগিয়ে যাচ্ছেন ভিশন ২০২১ থেকে রূপকল্প ২০৪১-এর দিকে। যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে স্মার্ট বাংলাদেশ।’

বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলে সরস্বতী পূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আসুন আমরা এ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কারিগর হয়ে যার যার জায়গা থেকে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে সহযোগিতা করি, তার হাতকে শক্তিশালী করি। অসুরের বিরুদ্ধে সুরের ঝংকার তুলি। অশান্তির বিরুদ্ধে শান্তির পতাকা উড্ডয়ন করি। শান্তির পায়রা উড়িয়ে আমরা বাংলাদেশকে একটা শান্তিময় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় রূপান্তর করি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে শান্তিময় ক্যাম্পাসে রূপ দিতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখানে সাম্প্রদায়িকতার আগ্রাসন আমরা চাই না। জঙ্গিবাদের আগ্রাসনও চাই না। অস্ত্রের ঝনঝনানি একসময় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশকে অস্থিতিশীল করেছিল। ক্যাম্পাসে এখন আর অস্ত্রের ঝনঝনানি নেই। সেই ক্যাম্পাস এখন শান্তিপূর্ণ।’

জগন্নাথ হলের স্মৃতিচারণ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘জগন্নাথ হল আমার জীবনের এক স্মৃতিময় অধ্যায় হয়ে রয়েছে। ১৯৭৫ সালের পর বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমাদের সব কর্মকাণ্ড এ জগন্নাথ হল থেকে পরিচালিত হয়েছে। আমরা একঝাঁক তরুণ সেদিন প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলাম। এ জগন্নাথ হল থেকে প্রস্তুতি নিয়ে মধুর ক্যান্টিনের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছিলাম। এরপর বটতলা থেকে ৪ নভেম্বর আমরা গণমিছিল, শোক শোভাযাত্রা করেছিলাম। যার গন্তব্য ছিল বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর বাসভবন। ১৯৭৫ সালের পর জিয়াউর রহমানের কারাগারে আড়াই বছর জেল খেটেছিলাম। ১০ দিন রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করেছিল।’

ছাত্রলীগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার ধমনীতে ছাত্রলীগের রক্ত প্রবাহিত, আমার চেতনায়ও। আমি ছাত্রলীগের গৌরবময় ইতিহাসের উত্তরাধিকারী। শেখ হাসিনা সরকারের ১৬ বছর মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছি। কাজেই ছাত্রলীগ করলে কেউ হারিয়ে যায় না। কমিটমেন্ট থাকলে, লেগে থাকলে, জীবনে অনেক অসাধ্য সাধন করা যায়। অনেক কৃতিত্ব অর্জন করা যায়।’

বিদ্যার দেবী সরস্বতীকে সম্মান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আজকরে এদিনে বিদ্যা দেবীকে স্যালুট জানাই। আমাদের সবার অভিন্ন শত্রু সাম্প্রদায়িকতা। সনাতন ধর্মাবলম্বী সবাইকে আমি বলবো, আমাদের প্রধানতম শত্রু সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ। সাম্প্রদায়িকতা রুখতে হবে, জঙ্গিবাদ রুখতে হবে।’

আলোচনা সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল সাহা। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত কুমার নন্দী, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত প্রমুখ।


সড়ক পরিবহন   সেতুমন্ত্রী   আওয়ামী লীগ   সাধারণ সম্পাদক   ওবায়দুল কাদের   সরস্বতী পূজা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

রাজনীতিতে ফের সক্রিয় হচ্ছেন ডা. মুরাদ

প্রকাশ: ০৯:০০ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের জেরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন জামালপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মো. মুরাদ হাসান। পরে জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদকের পদ থেকে ২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বর তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি এই আলোচিত-সমালেচিত নেতাকে সাধারণ ক্ষমা করেছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ থেকে সাধারণ ক্ষমা পেয়ে পুরষ্কৃত উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে তিনি একজন। 

এদিকে ক্ষমা পাওয়ার পর পরই বৃহস্পতিবার(২৬ জানুয়ারি) ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় দেখা যায় তাকে। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, আওয়ামী লীগের অনেককেই ক্ষমা করা হয়েছে, আপনি ক্ষমা পেয়েছেন কিনা?- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মুরাদ হাসান বলেন, ‘আমি আবেদন করেছিলাম। আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছে বলে জানতে পেরেছি কিন্তু এখনো চিঠি আনতে যাইনি। মেয়র জাহাঙ্গীর আরও গুরুতর কথা বলেছিলেন, তাই তিনি চিঠিটা দ্রুত নিয়েছেন।’

এর আগে গত ১ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ব্যক্তিগতভাবে গাজীপুরের বহিষ্কৃত মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে ক্ষমার বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেই অডিওতে মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ লোক শহীদ ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তি করতে শোনা যায় মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে। এ ঘটনায় ওই বছরের ১৯ নভেম্বর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরে বেশকিছু অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ নভেম্বর তাকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।   

আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানায়, ডা. মুরাদ হাসানকে সাধারণ ক্ষমার আওতায় আনা হয়েছে। এর ফলে ডা. মুরাদ ফের আওয়ামী লগের রাজনীতিতে সক্রিয় হতে পারবেন। আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলনের আগে অনুষ্ঠিত জাতীয় কমিটির সভায় সাংগঠনিক শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে অব্যাহতিপ্রাপ্তদের ক্ষমা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সে মোতাবেক তাকে দলীয় বিধি ভঙ্গের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে সাধারণ ক্ষমা করা হয়েছে।  

সূত্রমতে, ২০১৯ সালে সরকার গঠনের সময় ডা. মুরাদ হাসানকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে ৫ মাসের মাথায় ওই বছরের ১৯ মে তার দফতর পরিবর্তন করে তথ্য প্রতিমন্ত্রী করা হয়। পরে তার আপত্তিকর মন্তব্য এবং অস্বাভাবিক আচরণের কারণে তাকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ২২ ডিসেম্বর মুরাদ হাসান তাকে ক্ষমা করে দিতে আবেদন জানান।

সাধারণ ক্ষমার আবেদনে মুরাদ বলেন, ‘আমার বাবা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান তালুকদার ছিলেন জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি। জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ২০২১ সালে ৭ ডিসেম্বর ওই পদ থেকে আমাকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে দৃঢ়প্রত্যয়ে অঙ্গীকার করিতেছি যে- ভবিষ্যতে এমন কোনো কর্মকাণ্ড করব না, যার ফলে আপনার বিন্দুমাত্র সম্মানহানি হয়। অতএব বিনীত নিবেদন এই যে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদান করে বাধিত করবেন।’


মুরাদ হাসান   রাজনীতি   আওয়ামী লীগ   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

বিএনপির এমপিরা সকল সুযোগ সুবিধা নিয়ে এখন শেষ সময়ে ‘থুক্কু আর খেলুম না': নানক

প্রকাশ: ০৮:৩২ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, সকল সুযোগ সুবিধা নিয়ে এখন শেষ সময়ে ‘থুক্কু আর খেলুম না। তারা গাড়ী নিয়েছে, কোটি টাকা দান, দানের বাড়ী নিলেন, জনগনকে কি দিলেন। মির্জা ফখরুল আজ আবার বলছে, সরকারের পদত্যাগ না হলে তারা ঘরে ফিরবে না, সরকার তো আছেই, আসলে ওদের লজ্জা নেই, শরম নেই। ওরা দেশকে নরক রাষ্ট্রে পরিনত করেছিলো।

বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) শহরের শহীদ খোকন পার্কে জেলা আ’লীগের উদ্যোগে নৌকা মার্কার নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথাগুলো বলেন। সদর আসনে উপ নির্বাচনে আ’লীগ প্রার্থী রাগেবুল আহসান কে জয়ী করার লক্ষ্যে সভায় সভাপতিত্ব করেন বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান মজনু।

তিনি বলেন, উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে নৌকায় ভোট দিন। রিপু আপনাদের কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরবেন। আর প্রধানমন্ত্রী আপনাদের উন্নয়নে যা যা দরকার তাই করবেন। বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু নামে কোন কলঙ্ক নাই। তাকে মনোনীত করেছেন শেখ হাসিনা। বগুড়ার মানুষের উন্নয়নের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে। সেই সুযোগ বগুড়াবাসীকে হাতছাড়া করা যাবে না। কারণ এবার রিপু নির্বাচিত না হলে সরকার ক্ষমতায় থাকবে, কিন্তু বগুড়া কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হবে। কারণ এখানে ভাড়াটিয়া নির্বাচিত হয়েছে, তারা কখনও এই এলাকার মানুষের জন্য ভাবেনি। তারা ভেবেছে নিজের স্বার্থ ও দলের স্বার্থের কথা।

সরকার দলের উচ্চ পর্যায়ে এই নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে উন্নয়নে বগুড়া ও গোপালগঞ্জের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। তার কাছে চাইতে হবে। না চাইলে উন্নয়ন পাওয়া যায় না। তাই নৌকায় ভোট দিয়ে রাগেবুল আহসান রিপুকে বিজয়ী করে সদর আসন শেখ হাসিনাকে উপহার দিন। শেখ হাসিনা খুশি হয়ে বগুড়ায় উন্নয়নের যা যা দরকার তা রিপুকে দিয়ে আপনাদের কাছে পাঠাবেন। তাই এই নির্বাচনের গুরুত্ব অনেক। তাই আর ভুল করার দিন নেই। নৌকায় ভোট দিয়ে বগুড়ার মানুষ কাঙ্খিত উন্নয়ন বুঝে নিন।

জনসভায় আওয়ামী লীগের আরেক সভাপতিমন্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, সাবিক উন্নয়ন চাইলে নৌকায় ভোট দিন। নৌকার পাট থেকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করলে বগুড়ার জনগণের সার্বিক উন্নয়ন হবে। এর আগে বিএনপি'র এমপি থাকাকালীন সময় বগুড়া জনগণকে কিছুই দিয়ে যায়নি তারা শুধু লুটপাট করেছে।

জনসভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় নৌকার বিকল্প নেই। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় রয়েছে বলেই দেশে আজ এত উন্নয়ন। বগুড়ার বাসিন্দারা সরকারের উন্নয়ন থেকে বাদ যায়নি। তাই এই উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে নৌকার মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে ভোট চান তিনি।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান মজনুর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ এ আরাফাত, সাখাওয়াত হোসেন শফিক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ম. আব্দুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু।



মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন