ইনসাইড পলিটিক্স

ছাত্রলীগের সম্মেলনে শোভন-রাব্বানী এক ফ্রেমে

প্রকাশ: ০৭:০৪ পিএম, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

দীর্ঘদিন পর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে এক সঙ্গে দেখা গেছে।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের ৩০তম সম্মেলনে তাদের এক ফ্রেমে দেখা গেছে।। 

এদিন বেলা ১১টার দিকে সম্মেলনস্থল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কয়েকটি ছবি শেয়ার করেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। এসব ছবিতে তার সঙ্গে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমসহ সাবেক বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতাকে দেখা যায়।

ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে ক্যাপশন হিসেবে গোলাম রাব্বানী লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম সম্মেলন; পদ প্রত্যাশী স্নেহের অনুজদের জন্য অন্তরের অন্তস্তল থেকে শুভ কামনা’।

এর আগে, ২০১৮ সালের মে মাসে ছাত্রলীগের ২৯তম কেন্দ্রীয় সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি নির্বাচিত হন রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক হন গোলাম রাব্বানী। তবে মাত্র এক বছরের মাথায় অনিয়মের অভিযোগে তাদের নেতৃত্ব থেকে অপসারণ করা হয়। এরপর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, এক নম্বর সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়কে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং এক নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিন মাস পর ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জয় ও লেখককে ভারমুক্ত করে পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব দেওয়া হয়।

ছাত্রলীগ   সম্মেলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

ফলাফল পাল্টে দেওয়ার অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই: ইসি রাশেদা

প্রকাশ: ০৬:৪১ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম ফল পাল্টানোর যে অভিযোগ করেছেন, তার ভিত্তি নেই বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) রাশেদা সুলতানা। 

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন ইসি রাশেদা সুলতানা।

বৃহস্পতিবার হিরো আলমের এই অভিযোগ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে তাঁর দপ্তরে কথা বলেন ইসি রাশেদা সুলতানা। তিনি বলেন, ‘ফলাফল পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন, এর কোনো ভিত্তি নাই। আমরা বগুড়ার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলে, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা প্রত্যেকের সঙ্গে স্যার (সিইসি) নিজে কথা বলেছেন। তাঁরা আশ্বস্ত করেছেন এ ধরনের কোনো তথ্য তাঁদের কাছে নেই। ফলাফল শতভাগ ঠিকভাবে হয়েছে।’

গতকাল বুধবার বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের উপনির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী এ কে এম রেজাউল করিম তানসেনের কাছে মাত্র ৮৩৪ ভোটের ব্যবধানে হেরে গেছেন হিরো আলম। ফলাফল ঘোষণার পর হিরো আলম অভিযোগ করেছেন, উপনির্বাচনের ফলাফল কারচুপি করা হয়েছে। এ সময় ন্যায়বিচার পেতে উচ্চ আদালতেও যাওয়ার কথা বলেন তিনি।

নির্বাচনের এ ফল নিয়ে আর কোনো তদন্তে যাবেন কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রাশেদা সুলতানা বলেন,‘না। আমরা সন্তুষ্ট। ফলাফলের শিটগুলো আমরা নিজেরাও মিলিয়ে দেখেছি। সেখানে কোনো ব্যত্যয় নেই। একজন প্রার্থী যখন হেরে যায়, আমাদের দেশের কালচার এমনই। একজন প্রার্থী হেরে গেলে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটা প্রবণতা আছে। এটা কেবল হিরো আলম নন, যতগুলো নির্বাচন করেছি, সব জায়গাতেই একই অবস্থা লক্ষ করেছি।’

এদিকে গতকাল বুধবার ( ১ ফ্রেব্রয়ারি) ফলাফল ঘোষণার আগেও অনিয়মের অভিযোগ করেন হিরো আলম। তিনি বলেন, ‘দুই উপজেলার ১১২টি কেন্দ্রেই এজেন্ট দিয়েছিলাম। কিন্তু কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের ফলাফলের স্বাক্ষরিত কপি দেওয়া হয়নি।’

হিরো আলমের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘আমরা খোঁজ নিয়ে জেনেছি, উনি নন্দীগ্রামে খুব একটা এজেন্ট দেননি। জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা হয়েছে। আমি নিজেও অনেকগুলো কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। সেখানে ওনার এজেন্ট পাইনি। কাহালুতে ওনার কিছু এজেন্ট ছিল। যেহেতু সেটা ওনার নিজের এলাকা। ওনার বাড়ি কাহালুতে। নন্দীগ্রামে ওনার বাড়ি নয়। যে কারণে খুব একটা এজেন্ট ছিল না।’

গতকাল বুধবার দুপুরে কাহালু-নন্দীগ্রামের বিভিন্ন কেন্দ্র ঘোরার পর হিরো আলম বলেছিলেন, ‘কাহালু-নন্দীগ্রামের অনেক কেন্দ্র ঘুরে ঘুরে দেকচি। ভোট খুব সুষ্ঠু হচ্চে। মাঠের অবস্থা খুবই ভালো। কাহালু-নন্দীগ্রামের নিশ্চিত এমপি হচ্চি।’

বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘উনি হেরে গেছেন, এখন এসব অভিযোগ করছেন। টেলিভিশনে দেখেছি উনি বরাবরই বলেছেন ভোট ভালো হয়েছে। একটা সাক্ষাৎকারে বলেছেন, হেরে গেলে কীভাবে নেবেন, উনি বলেছেন হেরে গেলে ফলাফল মেনে নেবেন। এখন উনি হেরে গেছেন। ওনার কষ্ট হয়েছে। কষ্ট নানাভাবে প্রকাশ করছেন। এটা উনি করতেই পারেন। একজন কিছু বললেই তো হয়ে যায় না। প্রমাণ থাকতে হবে।’


ফলাফল পাল্টে দেওয়া   হিরো আলম   অভিযোগ   ভিত্তি   ইসি রাশেদা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

‘উকিল আব্দুস সাত্তারকে ধরে রাখতে না পারা বিএনপির ব্যর্থতা’

প্রকাশ: ০৬:১১ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

উকিল আব্দুস সাত্তারকে ধরে রাখতে না পারাকে বিএনপির বড় ব্যর্থতা বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ। 

বিএনপির মহাসচিবের মন্তব্য ‘মাগুরার নির্বাচনকেও হার মানিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নির্বাচন’ এ নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সেখানে যেহেতু আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী ছিল না, সেহেতু আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকরা যে কাউকেই পছন্দ করতে পারে। সেটি তাদের নিজস্ব ব্যাপার। সেখানে কারো জন্য কাজ করার দলীয় কোনো নির্দেশনা ছিল না। যে যার পছন্দ মতো প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছে। আর ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসনে আমরা প্রার্থী দেইনি সুতরাং সেখানে উকিল আব্দুস সাত্তার সাহেবকে বিএনপি ধরে রাখতে পারেনি, এটা তো বিএনপিরই বড় ব্যর্থতা।’

বৃহস্পতিবার (২ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতর সম্মেলন কক্ষে ‘উন্নয়নের নব দিগন্ত’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি। এ সময় প্রধান তথ্য অফিসার মো. শাহেনুর মিয়া, সিনিয়র উপপ্রধান তথ্য অফিসার মুন্সী জালাল উদ্দীন, সিনিয়র উপপ্রধান তথ্য অফিসার খালেদা বেগম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

গতকাল বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ৬ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মাত্র ৩টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিলাম এবং সেই সব আসনে আমাদের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে জয়লাভ করেছে এবং নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দর হয়েছে। উপনির্বাচনে সবসময় ভোটার উপস্থিতি কম থাকে। যেখানে এক বছরের কম সময়ের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন হবে, সেই বিবেচনায় এই উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি খুব কম নয় এবং অত্যন্ত সুষ্ঠু, সুন্দরভাবে নির্বাচন হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪০ শতাংশ মানুষ ভোটার হয় না। আবার যারা ভোটার হয় সেখান থেকে অর্ধেক উপস্থিত হয়। সার্বিকভাবে ২৫ শতাংশ ভোট পড়ে সেখানে। সে হিসেবে যেহেতু উপনির্বাচনে এক বছরে কম সময়ের জন্য এমপি নির্বাচিত হবে, সে হিসেবে ভালো হয়েছে।’

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সরকারকে ধাক্কা মারতে গিয়ে বিএনপির যে কোমর ভেঙ্গে গেছে, তাদের বর্তমান কর্মকান্ডের মাধ্যমেই তার পরিস্ফুটন হয়েছে। কিন্তু বিএনপির ষড়যন্ত্র থেমে নেই। তাদের ষড়যন্ত্র সবসময় ছিল, এখনও আছে।’ 

 গত ডিসেম্বরের পর বিএনপির কর্মচাঞ্চল্য নেই -এ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি বলেছিল ডিসেম্বর মাসেই সরকারকে বিদায় করে দেবে, সরকারকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেবে। কিন্তু সরকারকে ধাক্কা দিতে গিয়ে তারা নিজেরাই পড়ে গেছে। এরপর থেকে তারা এখন হাঁটা শুরু করেছে। বিএনপি অনুধাবন করতে পেরেছে যে, সরকারকে ধাক্কা মারলে লাভ হয় না। সরকারের ভিত, আওয়ামী লীগের ভিত অনেক গভীরে প্রোথিত। আশা করবো বিএনপি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্যেই থাকবে, গণতন্ত্রের পথেই হাঁটবে।’ 

সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি ২০০৮ সালে নির্বাচনে ২৯টি আসন পেয়েছিল, পরে উপনির্বাচনে ৩০টি অতিক্রম করেছে। ২০১৪ সালে নির্বাচন বর্জন করেছিল। ২০১৮ সালে ৬টি আসন পেয়েছিল। আগামী নির্বাচনেও তাদের সম্ভাবনা যে নাই সেটি তারা জানে, জানে বলেই তারা নির্বাচন নিয়ে, নির্বাচনকে বিতর্কিত করার জন্য, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য এবং মানুষকে নির্বাচন বিমুখ করার জন্য নানা ধরণের কথাবার্তা বলছে।’ 


এ সময় তথ্য ও সমবপ্রচারমন্ত্রী‘উন্নয়নের নব দিগন্ত’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন। সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ওপর ৪৫টি ফিচারের সংকলন নিয়ে তথ্য অধিদফতর প্রকাশিত ‘উন্নয়নের নব দিগন্ত’ গ্রন্থের মোড়কেউন্মোচন করে মন্ত্রী বলেন, ‘ভাষার মাস ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় দিনে ‘উন্নয়নের নব দিগন্ত’ বইটি প্রকাশ করার জন্য আমি তথ্য অধিদফতরকে ধন্যবাদ জানাই। গত ১৪ বছরে আমাদের দেশের আমূল পরিবর্তন হয়েছে। আমরা এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি বিধায় আমাদের কাছে পরিবর্তনটা এতো বেশি অনুভূত হয় না। একটু পেছনে ফিরে তাকালে অনুধাবন করতে পারি- আমরা কোথায় ছিলাম এখন কোথায় এসে দাঁড়িয়েছি।’ 

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আজ থেকে ১৪ বছর আগে ছিলো ৪০ শতাংশ মানুষ আর আজকে শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। ১৪ বছর আগে ৪১ শতাংশ মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করতো, এখন তা কমে ২০ শতাংশ এবং অতি দরিদ্র ১০ শতাংশ। ১৪ বছর আগে আমরা সব সূচকে পাকিস্তান থেকে পেছনে ছিলাম, ভারত থেকেও পেছনে ছিলাম। এখন সব সূচকে পাকিস্তানকে বেশ আগেই অতিক্রম করেছি, বেশিরভাগ সূচকে ভারতকেও অতিক্রম করেছি। ১৪ বছর আগে আমরা পৃথিবীর ৬০তম অর্থনীতির দেশ ছিলাম, এখন আমরা ৩৫তম। আমরা অর্থনীতির আকারে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরকেও পেছনে ফেলেছি। বাংলাদেশ এখন একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সমালোচনা, আলোচনার মধ্যেও দেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে সেই বিষয়টি মানুষের সামনে তুলে ধরার জন্যে আমি গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানাই।’


আওয়ামী লীগ   যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক   হাছান মাহমুদ   তথ্যমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সঙ্কট: অপপ্রচার চালাচ্ছে বিএনপি-জামায়াত

প্রকাশ: ০৫:৩১ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

গত সেমবার (৩০ জানুয়ারি) দেশব্যাপী বিএনপি-জামাতের নৈরাজ্য ও তাণ্ডবের প্রতিবাদে পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশ যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেছেন, ‘ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের পর সারা বিশ্ব বিপদগ্রস্থ। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি। সারা পৃথিবীর মানুষ বুঝে, কিন্তু বিএনপি-জামায়াত শক্তি তা বুঝে না। তারা এই ইস্যুটিকে সামনে এনে বর্তমান সরকারের পতন চায়। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার পতন চেয়ে তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়।’

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল না করতে পেরেই বিএনপি-জামায়াত গত বেশ কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং রাজনীতি নিয়ে দেশে এবং আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপকভাবে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। গত বছরের নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে (মঙ্গলবার, ২২ নভেম্বর) রাজধানীর আসাদ গেট এলাকায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর স্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদের সঙ্গে তার বাসায় দেখা করতে যান মির্জা ফখরুল। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন। এ সময় তিনি দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করতে গিয়ে বলেন, ‘অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উভয় সংকটে বাংলাদেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে। দেশ খাদের কিনারায় পৌঁছে গেছে। একদিকে অর্থনৈতিক সংকট, অন্যদিকে রাজনৈতিক সংকট। এটি একটি সংকটময় মুহূর্ত।

বিশ্লেষকরা বলছেন, শুধুমাত্র এই ঘটনা নয়, এমন অহরহ ঘটনা রয়েছে, যেখানে বিএনপি-জামায়াত এবং এদের দোষররা প্রতিনিয়ত দেশের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেই অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও দেশের বাইরেও গোপনীয়তা রক্ষা করে বিএনপি-জামায়াত আন্তর্জাতিক মহলে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে বলেও মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। যার ফলে বাংলাদেশের র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেও বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।     

এদিকে, বিএনপির-জামায়াতের এমন গুজব-অপপ্রচারকে রুখে দিতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কাজ করছে তথ্য মন্ত্রণালয়ের ‘গুজব প্রতিরোধ ও অবহিতকরণ’ সম্পর্কিত ১৯ সদস্যবিশিষ্ট উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি। উচ্চপর্যায়ের এ কমিটি গুজব সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান এবং কমিটির আওতাভুক্ত দফতরসমূহ গুজব প্রতিরোধে স্ব স্ব দফতরের বিধি-বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। গুজবের বিষয়ে সত্যতা পাওয়া গেলে সোস্যাল মিডিয়া থেকে জরুরীভিত্তিতে লিংকসমূহ বন্ধ ও প্রত্যাহারে বিটিআরসি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ। স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মোছা. শামীমা আক্তার খানমের প্রশ্নের লিখিত জবাবে এ তথ্য জানান তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তথ্যমন্ত্রী জানান, চলমান এই কার্যক্রমের আওতায় ২০১৮ সালের ২১ নবেম্বর থেকে এ পর্যন্ত গুজব সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়কে গুজব বলে নিশ্চিত করে মোট ১৮টি তথ্যবিবরণী জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি গুজব বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে রেডিও টেলিভিশনে স্পট এবং টিভিসি নিয়মিত প্রচার করা হচ্ছে। তথ্য মন্ত্রণালয় তার অধীনস্থ দফতরগুলো গুজব প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরও  জানান, সারাদেশে গুজব ও সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে অপপ্রচার রুখতে এবং এর বিভিন্ন ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে টেলিভিশনে জনসচেনতামূলক বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রচার করা হচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও বিশেষায়িত ইউনিটসমূহ থেকে নিয়মিতভাবে গুজব ও সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অপপ্রচার রুখতে বিভিন্নভাবে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান ঘোষণা, সাক্ষাতকার, স্লোগান ইত্যাদি প্রচার করা হচ্ছে।

অন্যদিকে গতকাল মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম জাতীয় সংসদে দাবি করেছেন, ভুল তথ্যের ভিত্তিতে প্ররোচনায় পড়ে র‌্যাবের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল আমেরিকা।

সংসদে তিনি বলেন, ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর ভ্রান্ত তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশের অন্যতম সফল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল আমেরিকা। র‌্যাবের নিষেধাজ্ঞার ইস্যুসহ বিভিন্ন বিষয়ে গত এক বছরে অন্তত ১৫ থেকে ২০টি গুরুত্বপূর্ণ উচ্চ পর্যায়ে বৈঠক হয়েছে। করোনার কারণে ২০২১ সালের ডিসেম্বরের আগে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় সরাসরি সফর হয়নি বলেও জানান তিনি।

শাহরিয়ার আলম বলেন, ২০২১ সালের ডিসেম্বরের পরে আমরা যে যোগাযোগ করেছি। তারা (বিএনপি) ভেবেছিলো পরবর্তী ডিসেম্বরের(২০২২) মধ্যে আরেকটা নিষেধাজ্ঞা আদায় করতে পারবে। এটা বুঝতে পেরে আমরা কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করি।

এসব বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গুজব-অপপ্রচার রোধে তথ্য মন্ত্রণালয়ের ‘গুজব প্রতিরোধ ও অবহিতকরণ’-এর যে কমিটি রয়েছে- তা কতখানি কার্যকর সেটিই দেখার বিষয়। গুজব এবং অপ্রপ্রচার রোধে সরকার যদি আগে থেকেই সচেতনতা অবলম্বন করতো, তাহলে র‌্যাবের ওপর আমেরিকার এমন নিষেধাজ্ঞা দেওয়াটা হতো না। এটি দেশের ভাবমূর্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জাতীয় সংসদে যে বিষয়টি উত্থাপিত করেছেন, সে বিষয়টি সরকারের আনেক আগেই নজরে আনা অতি প্রয়োজনীয় একটি বিষয় ছিল।      

এদিকে গত সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় অনুষ্ঠিত আইএমএফের নির্বাহী পর্ষদের বৈঠকে একাধিক ধাক্কা বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাকে চ্যালেঞ্জিং করে তুলেছে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) আন্তোয়নেট মনসিও সায়েহ। এই বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারকে দুটি খাতে ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন দেয় আইএমএফ।

এ সময় আইএমএফ উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) আন্তোয়নেট মনসিও সায়েহ বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ দারিদ্র্য হ্রাসে এবং জীবনযাত্রার মানের উল্লেখযোগ্য উন্নতিতে অবিচল অগ্রগতি অর্জন করেছে। তবে কোভিড-১৯ মহামারি এবং পরে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এই দীর্ঘসময়ের শক্তিশালী অর্থনৈতিক কর্মক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করেছিল।

আইএমএফ উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বক্ত্যব্যের সাথে সহমত পোষণ করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাঁরা আওয়ামী যুবলীগের শান্তি সমাবেশে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের বক্তব্যের পুনরাবৃত্তিও করেছেন। তাঁরা বলছেন, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের পর সারা বিশ্ব বিপদগ্রস্থ। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি। সারা পৃথিবীর মানুষ বুঝে কিন্তু বিএনপি-জামায়াত শক্তি তা বুঝে না। এই ইস্যুটিকে ব্যাবহার করে বিএনপি-জামায়াত সরকারের বিরুদ্ধে এক ধরনের গুজব-অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। কিন্তু ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকে এর প্রতিরোধে রয়েছে কমিটি। এখন দেখার বিষয় হচ্ছে এ ধরনের গুজব-অপপ্রচার রোধে এই কমিটি কতখানি কার্যকর ভূমিকা পালন করে।


বিএনপি   জামায়াত   বাংলাদেশ   অপপ্রচার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ব্যর্থ করতে সরকার শিক্ষা ব্যবস্থায় হাত দিয়েছে: ফখরুল

প্রকাশ: ০৪:১৬ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ব্যর্থ করতে সরকার শিক্ষা ব্যবস্থায় হাত দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই সরকার একটি নতজানু ও ব্যর্থ জাতি তৈরির জন্য পরিকল্পিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তারা আমাদের শেকড়ে টান দিয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ব্যর্থ করতে শিক্ষা ব্যবস্থায় হাত দিয়েছে। কেউ কিন্তু কোনো প্রতিবাদ করছে না।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, সরকার যা খুশি তাই করছে। দিনকে রাত আর রাতকে দিন বলছে। মুরগির ডিমকে অশ্ব ডিম্ব বলছে। আমরা যেন কেউ বেঁচে নেই। আমাদেরকে জেগে উঠতেই হবে। আমার স্বকীয়তা ও ইতিহাস ঐতিহ্য রক্ষার জন্য জেগে উঠতেই হবে। ভুলে ভরা পাঠ্যবই অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।  

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি। 

‘অপরিণামদর্শী কারিকুলাম ও মানহীন পাঠ্যপুস্তক : দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ধ্বংসের নীলনকশা’- শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে বিএনপি। এতে সহযোগিতা করে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)।

ফখরুল বলেন, এক দেশে দুই রকমের শিক্ষা নীতি কীভাবে হয়? তার ফলে, দুটা সম্প্রদায় তৈরি হয়। যারা বিত্তশালী তারা কেউ নিজেদের ছেলে-মেয়েদের সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষা দেয় না। সবাই ইংরেজি মাধ্যমে পড়ান। এরপর ছেলে-মেয়েদের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। এই যে দ্বৈত শিক্ষানীতি, যারা ইংরেজি মাধ্যমে পড়ালেখা করে তারা দেশের সব বড় জায়গা নিয়ন্ত্রণ করে। আর না হলে বিদেশে চলে যায়। আর যাদের অর্থ নেই তাদের জন্য প্রাইমারি স্কুল, হাই স্কুল, যেগুলো কোনোরকমে টিকে আছে। 

বাঙালির আলাদা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য-পরিচয় আছে উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, সত্যকে সত্য ও মিথ্যাকে মিথ্যা বলতে ভয় কেন? আজকে শিশুদের ভ্রান্ত ধারণা ও বিকৃত ইতিহাস শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। আজকে আমাদের পরিচয় ভুলিয়ে দিতে চায়। এই চক্রান্তের বিরুদ্ধে জেগে উঠতে হবে। এটা জাতির অস্তিত্বের লড়াই। আসুন সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাই। 

বিএনপির মহাসচিব বলেন, আজকে সরকার তার যে কাজ সেটা করে যাচ্ছে। সেটা হচ্ছে আপনাকে পরিচয়হীন, একেবারে নতজানু, একটা ব্যর্থ জাতি ও রাষ্ট্রে পরিণত করা, সেই কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য এই যে এতো বড় ভয়াবহ কাজ হচ্ছে আমরা কয়জন ছাড়া বাইরে কেউ প্রতিবাদ করছে না। তথাকথিত সুশীল সমাজ, যারা বিভিন্ন ধরনের পোশাক পরেন, তাদের মুখে একটা কথাও বের হচ্ছে না। 

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের যেসব সন্তানরা প্রাথমিক শিক্ষা নেয় সেটা তার সারাজীবনের জন্য। এই শিক্ষাকে পুঁজি করে সামনের দিকে এগিয়ে যায়। প্রাথমিক বিদ্যালয় হলো শিক্ষার মূল। দুর্ভাগ্যবশত এখনো আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। যদিও পাকিস্তান আমলেও এ ধরনের পরীক্ষা ও বিভিন্ন শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়েছিল। শুধু বারবার পরীক্ষা ও শিক্ষা নীতি হচ্ছে। এখনও সেটা চলছে। 

তিনি বলেন, আজকে পাঠ্যপুস্তকে অজস্র ভুলে ভরা ইতিহাস ও তথ্য সংযোজন করা হয়েছে। আর সেগুলোই নতুন প্রজন্মের ছেলে মেয়েদের শেখানো হচ্ছে। যারা কারিকুলাম তৈরি করে কেউ কিন্তু ভাবে না যে ছেলেমেয়েরা কী শিখছে? জাতির মূল জায়গা হলো শিক্ষা। আর সেখানেই হাত দিয়েছে সরকার। 

ইউট্যাবের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান ও হেলেন জেরিন খানের পরিচালনায় সভায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. শাহ শামীম আহমেদ, পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, অধ্যাপক ড. তাজমেরী এস ইসলাম, অধ্যাপক ড. নুরুল আমিন বেপারী প্রমুখ। 


বিএনপি   মহাসচিব   মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর   শিক্ষা ব্যবস্থা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

উপনির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দর হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪:০০ পিএম, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

৬টি সংসদীয় আসনে অনুষ্ঠেয় উপনির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দর হয়েছে বলে দাবি করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে পিআইডি প্রকাশিত 'উন্নয়নের নব দিগন্ত' গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ দাবি করেন। 

বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) ৬টি আসনে উপনির্বাচন হয়েছে। সেখানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দেখা গেছে, বিএনপির প্রার্থীর কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ মাঠে নেমেছে। পাশাপাশি বিএনপির মহাসচিব বলেছেন মাগুরার নির্বাচনকেও হার মানিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নির্বাচন। 

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সেখানে আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী ছিল না। যেহেতু আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী নেই, আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকরা যে কাউকে পছন্দ করতে পারে। সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। আমাদের দলের কোনো নির্দেশনা কারো পক্ষে নামার জন্য ছিল না। যে যার পছন্দমতো প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছে। 

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা মাত্র তিনটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিলাম। সে তিনটি আসনে আমাদের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছে, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে। নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুন্দর হয়েছে। 

উপনির্বাচনে সব সময় ভোটার উপস্থিতি কম থাকে বলেও জানান সরকারের এ মন্ত্রী। তিনি বলেন, যেখানে জাতীয় নির্বাচন এক বছরের কম সময়ের মধ্যে হবে, অল্প সময়ের জন্য যেহেতু তারা নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন এখানে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। সেজন্যই ভোটার উপস্থিতি কিছু কম থাকলেও অত্যন্ত সুষ্ঠু সুন্দরভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।


তথ্য   সম্প্রচারমন্ত্রী   ড. হাছান মাহমুদ   উপনির্বাচন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন