ইনসাইড পলিটিক্স

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর নিয়ে সতর্ক সকল পক্ষ

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ০৬ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

আগামী ৮ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীন সফরে যাচ্ছেন। ৯ জুলাই চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এবারের চীন সফর নানা কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারাকে অব্যাহত রাখা এবং নতুন নতুন বিনিয়োগ ও বাণিজ্য প্রসারের জন্য চীনের এ সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ চীন সফর নিয়ে সরকারের ভিতর সাজ সাজ রব দেখা যাচ্ছে। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন সতী চীন সফর নিয়ে সতর্ক পর্যবেক্ষণ করছেন। 

এবারের চীন সফরের ৭০০ কোটি ডলারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ২০০ কোটি ডলার হলো বাজেট সহায়তার। এ চীন সফর নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো যেমন সতর্ক পর্যবেক্ষণ করছে, তেমনই বিশ্বের অনেকগুলো দেশ যারা বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদার এবং রাজনৈতিকভাবে ঘনিষ্ঠ তারাও এ সফরের দিকে সতর্কভাবে নজর রাখছে।

চীন সফরের ব্যাপারে বিএনপির অবস্থান সুস্পষ্ট। বিএনপি মনে করছে, চীনের কাছ থেকে অর্থনৈতিক সহায়তা নেয়ার জন্যই প্রধানমন্ত্রী চীনে যাচ্ছেন। চীন সফর নিয়ে ভারতকে উস্কে দেয়ার চেষ্টাও বিএনপি নেতারা করেছে কিন্তু সেক্ষেত্রে তারা সফল হতে পারেনি। তবে চীন সফর নিয়ে বিএনপির মধ্যে এক ধরনের উদ্বেগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত যদি রাজনৈতিকভাবে চীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে যায় তাহলে বিএনপির সামনে আর কোনো আন্তর্জাতিক বন্ধু থাকবে না। এরকম একটি বাস্তবতায় বিএনপি দেখতে চায় যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীন সফরে রাজনৈতিক সখ্যতা কতদূর পর্যন্ত গড়ায়। 

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর নিয়ে সবচেয়ে বেশি সতর্ক পর্যবেক্ষণে রয়েছে ভারত। যদিও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের বিষয়টি ভারত অবহিত। ভারতের অবহিত না থাকার কোনো কারণ নেই।’ তবে এই সফরে কয়েকটি স্পর্শকাতর বিষয়ের দিকে ভারত নজর রাখছে। বিশেষ করে তিস্তার জলাধার নির্মাণের বিষয়টি নিয়ে ভারত গভীরভাবে নজর রাখবে বলে জানা গেছে। 

বিভিন্ন সূত্র বলছে, ৭০০ কোটি ডলারের উন্নয়ন সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর হবে। এ চুক্তিগুলোর মধ্যে ভারতের স্বার্থ ক্ষুণ্নকারী কোনো চুক্তি আছে কিনা সে বিষয়টির দিকেও নজর রাখছে ভারত। তবে সরকারের ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তি বলেছে, বাংলাদেশ প্রতিবেশীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে এমন কোনো চুক্তি কারও সাথেই করবে না। তবে এ সফরে শেষ পর্যন্ত কি কি বিষয়ে দুই সরকারের সমঝোতা হয় সেদিকে নজর রাখছেন সংশ্লিষ্ট সকলে। 

চীন সফর নিয়ে আগ্রহ রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরও। সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে অতীত ভুলে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে। আর সে চেষ্টার অংশ হিসেবে বাংলাদেশের নির্বাচনকে তারা ত্রুটিমুক্ত বলেও মেনে নিয়েছে। বাংলাদেশ থেকে তাদের রাষ্ট্রদূতকে সরিয়ে নিয়েছেন নতুন রাষ্ট্রদূতকে নিয়োগ দিয়েছে। এরকম বাস্তবতায় চীন সফরে গিয়ে কি কি হয় সে ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের কড়া নজর রয়েছে। কারণ এ অঞ্চল যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় হাতছাড়া হওয়ার জোগাড় হয়েছে। আর এ কারণেই এখন বাংলাদেশ চীন বলয়ে প্রবেশ করে কিনা সেটির জন্য গভীর আগ্রহে পর্যবেক্ষণ করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।


প্রধানমন্ত্রী   চীন সফর   বাণিজ্য চুক্তি   রাজনৈতিক সখ্যতা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

মাঠে বিএনপি-জামায়াত, এক দফা দাবিতে স্লোগান

প্রকাশ: ০৯:০০ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটা সংস্কার আন্দোলনের আড়ালে আসলে বিএনপি-জামায়াত মাঠে নেমেছে। আজ ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি-জামায়াত কর্মীদেরকে দেখা গেছে। কয়েকটি স্থানে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতাকর্মীরা ছিল বটে কিন্তু বেশিরভাগ স্থানেই বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা রাজপথে মারমুখী আচরণ করেছেন।

স্পষ্টতই লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কোটা আন্দোলন এখন আর আর সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাতে নেই। এটি এখন রাজনৈতিক আন্দোলনের রূপ গ্রহণ করেছে। আর এই রাজনৈতিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছে বিএনপি-জামায়াত। 

বিএনপি গতকালই তার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে নির্দেশ দিয়েছিল যে, তাদের কর্মীরা যেন মাঠে নেমে। শুরু থেকেই বিএনপির নেতাকর্মীরা সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছিল। গতরাতে যাত্রাবাড়িতে হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজায় যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, তা বিএনপির ক্যাডারদের সংঘটিত বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিশ্চিত করেছে। এছাড়াও, আজ দিনভর বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে নেতৃত্ব দিয়েছে বিএনপি-জামায়াত। উত্তরায় বড় ধরনের সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে এবং এই সহিংসতায় পুরো পরিকল্পনা করেছে ছাত্রশিবির। 

অন্যদিকে, ধানমণ্ডি এলাকায় বিএনপি এবং শিবিরের ক্যাডারদেরকে দেখা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মূলত আন্দোলন করেছে মহাখালী, বাড্ডা এবং সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায়। কিন্তু বাকি ঢাকা শহরে যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে তার পুরো নেতৃত্ব ছিল বিএনপি এবং জামায়াতের হাতে। 

সবচেয়ে বড় কথা হলো যে, মারমুখী আচরণ এবং যেকোনো মূল্যে লাশ ফেলে দেওয়ার একটা ভয়ঙ্কর প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে আন্দোলনকারীদের মধ্যে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঢাকা শহরে ১৯ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে, মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অর্থাৎ লাশের আন্দোলনের ওপর ভর করে বিএনপি-জামায়াত এখন একদফা আন্দোলন বাস্তবায়িত করতে চাইছে। 

ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে যে, বিএনপি-জামায়াতের পক্ষ থেকে যে সমস্ত নেতাকর্মীরা মাঠে নেমেছিল তারা সকলেই একদফার পক্ষে স্লোগান দিয়েছে এবং আক্রমণাত্মক ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। অন্যদিকে, বিভিন্ন সময়ে বিএনপির পাল্টা কর্মসূচি হিসেবে আওয়ামী লীগ যে অবস্থান গ্রহণ করে সেই অবস্থান লক্ষ্য করা যায়নি। আওয়ামী লীগ আগে বিএনপির হরতাল বা সমাবেশে বা বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচিতে প্রত্যেকটি মোড়ে মোড়ে অবস্থান গ্রহণ করতো এবং শক্তি প্রদর্শন করতো। এর ফলে, বিএনপিও একটু চাপের মধ্যে থাকতো। কিন্তু আজকে ঢাকা শহরে আওয়ামী লীগের অবস্থান দেখা যায়নি। 

বিক্ষিপ্তভাবে ধানমণ্ডি, উত্তরা কিছু কিছু এলাকায় আওয়ামী লীগের ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগের কর্মীদেরকে অসহায়ভাবে আত্মরক্ষা করতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও তারা আন্দোলনের নেমে সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারা ব্যর্থ হয়েছে। আর সার্বিকভাবে আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল একেবারেই কম। কোথাও কোথাও ছিল না বললেই চলে। এতদিন শাহবাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যেসমস্ত কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের পরিচিত মুখ ছিল তাদেরকে আজ কোথাও দেখা যায়নি। বরং তাদের স্থান দখল করেছে ছাত্রশিবির এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। 

ছাত্রদলের ক্যাডারদের পুরো ঢাকা শহরে দেখা গেছে। গুন্ডা বাহিনীর তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। অর্থাৎ পুরো আন্দোলনটি আজ কার্যত সরকার বিরোধী আন্দোলনে রূপ নিয়েছে এবং একারণেই আন্দোলনে সহিংসতার মাত্রা বেড়েছে এবং আক্রমণাত্মক ভূমিকা মারাত্বক ভাবে বেড়ে গেছে। কোথাও কোথাও বিনা উস্কানিতে পুলিশের ওপর যেভাবে চড়াও হয়েছে তাতে বোঝা যাচ্ছে যে, এই আন্দোলনের পিছনে অন্য কোন উদ্দেশ্য রয়েছে।

কোটা আন্দোলন   বিএনপি   জামায়াত   শিবির   সহিংস   রাজনৈতিক আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

বাংলাদেশের ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক

প্রকাশ: ০৬:৪৪ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (bsl.org.bd) হ্যাক করা হয়েছে।

ওয়েবসাইটিতে প্রবেশ করলে ছাত্রলীগ এবং এর কার্যক্রম সম্পর্কে স্বাভাবিক তথ্যের পরিবর্তে, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের ছবিসহ চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন সম্পর্কে একাধিক বার্তা রয়েছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সন্ধ্যা ৬টা ২৩ মিনিটের সময়ও ওয়েবসাইটটি একই অবস্থায় ছিল।

ওয়েবসাইটের উপরে একটি লেখা দেখা যাচ্ছে যাতে লেখা ছিল ‘Hacked by The Resistance’।

এ ছাড়া ছাত্রহত্যা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে কালো ব্যাকগ্রাউন্ডে লাল বর্ণে লেখা রয়েছে: ‘এখন আর প্রতিবাদ নয়, এটা এখন যুদ্ধ’।

ওয়েবসাইটের যে কোনো জায়গায় ক্লিক করলে অপারেশন হান্টডাউন নামে একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলের সঙ্গে লিঙ্ক করা অবস্থা দেখা যায়।


বাংলাদেশ   ছাত্রলীগ   ওয়েবসাইট   হ্যাক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রতি জামায়াতে ইসলামীর আনুষ্ঠানিক সমর্থন

প্রকাশ: ০৯:৪৮ এএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে চলমান কর্মসূচীর প্রতি সর্বাত্মক সমর্থন ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সকালে এক বিবৃতিতে দলটি এই সমর্থনের কথা জানায়।  

এ সময় বিবৃতিতে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং ছাত্রলীগের হামলায় এ পর্যন্ত ৭ জন মারা যাওয়ার ঘটনার কথা উল্লেখ করে দলটি। 

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, বেশ কিছুদিন যাবত সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে দেশের ছাত্রসমাজ শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি আদায়ের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের শিক্ষক সমাজ, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, আইনজীবী, ওলামায়ে কেরামসহ দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসমূহ ছাত্রসমাজের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন দেয়ায় ছাত্রসমাজের আন্দোলন একটি সিদ্ধান্তকারী পর্যায়ে পৌঁছেছে।'

সংগঠনটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আজ ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার সারাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচির প্রতি সর্বাত্মক সমর্থন জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচির প্রতি সমর্থন এবং ছাত্রসমাজের পাশে দাঁড়াবার জন্য আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সমগ্র দেশবাসী তথা আপামর জনসাধারণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।'


কোটা   আন্দোলন   জামায়াতে ইসলামী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচিতে বিএনপির সর্বাত্মক সমর্থন ঘোষণা

প্রকাশ: ০৯:৩৪ এএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সারাদেশেকমপ্লিট শাটডাউনঘোষণা করেছেন আন্দোলনকারীরা। শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে সর্বাত্মক সমর্থন জানিয়েছে বিএনপি।

বুধবার (১৭ জুলাই)  রাত ১০ টায় দলের পক্ষ থেকে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সমর্থনের কথা জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদেরকমপ্লিট শাটডাউনকর্মসূচিতে বিএনপির সর্বাত্মক সমর্থন রয়েছে। এতে দেশের আপামর জনসাধারণকে অংশ নেওয়ার জন্য জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে।

এর আগে, নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত এক দফা দাবিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সারা দেশেকমপ্লিট শাটডাউনকর্মসূচি ঘোষণা করে কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলনের প্লাটফর্মবৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন


কমপ্লিট   শাটডাউন   কর্মসূচি   বিএনপি   সর্বাত্মক   সমর্থন   ঘোষণা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

কোটাবিরোধী আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে বিক্ষোভের ডাক হেফাজতের

প্রকাশ: ০৮:৩৪ এএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

দেশে চলমান সহিংসতা ও কোটা সংস্কার আন্দোলনের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষর্থীদের রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। বুধবার (১৭ জুলাই) রাত ১০টার দিকে দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসার সামনে ডাকবাংলো চত্বরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে এ ঘোষণা দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মীর ইদ্রিস নদভী।

এদিন এশারের নামাজের পর হঠাৎ মাদ্রাসা থেকে শতাধিক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ডাকবাংলো চত্বরে জমায়েত হয়ে সারা দেশে কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদের উপর হামলা, নিহত ও আহত হওয়ার প্রতিবাদে সংহতি সমাবেশ করেন। 

এসময় হেফাজতে ইসলামের একাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। নেতারা অনতিবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে তাদের উপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। একইসঙ্গে হামলা অব্যাহত থাকলে কওমি মাদরাসা শিক্ষার্থীরাও রাজপথে নেমে আসবে বলেও হুশিয়ারী দেন তারা। 

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) আসরের নামাজের পর হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের পালনের কথা জানায় হেফাজত ইসলাম। 

এ সময় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মীর ইদ্রিস নদভী বলেন, ৫৬% হারে কোটা পদ্ধতিতে নিয়োগ, প্রশাসন যন্ত্রে মেধাহীনতার সৃষ্টি হচ্ছে। রাষ্ট্র ও জাতির স্বার্থে কোটা পদ্ধতির সংস্কার জরুরী। এ বিষয়ে জাতীয় ঐক্যমত সময়ের দাবি। কোটা পদ্ধতিতে নিয়োগের কারণে রাষ্ট্রযন্ত্র মেধাশূন্য।


কোটা   আন্দোলন   বিক্ষোভ   হেফাজত  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন